Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    PM Narendra Modi: ১৭, ১৮ জানুয়ারি ফের রাজ্যে আসছেন মোদি, মালদা-হাওড়ায় করবেন জোড়া জনসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর আবহে শুনানি পর্ব চলছে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন তাই রাজনৈতিক প্রচারে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতেই ২ দিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এই সময়ে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে (Malda-Howrah) জোড়া সফর করবেন মোদি। আগামী ১৭ জানুয়ারি উত্তর মালদায় সভা করবেন।  পরের দিন, ১৮ জানুয়ারি দক্ষিণবঙ্গের হাওড়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিধানসভার আগে মোদির সভাকে ঘিরে বিজেপির নেতা কর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ এবং উন্মাদনা।

    ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তৃণমূল (PM Narendra Modi)

    গত ১০ ডিসেম্বর নদিয়ার তাহেরপুরে সভার জন্য বাংলায় এসেছিলেন মোদি। দৃশ্যমানতা কম থাকায় তাঁর হেলিকাপ্টার তাহেরপুরে নামতে পারেনি। হেলিকাপ্টার ফিরে আসে কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকেই ভারচুয়ালি বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে সরব হন। এই রাজ্যেও পরিবর্তনের ডাক দেন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা না হলেও বাংলায় ভোটের পারদ ব্যাপক ভাবে চড়ছে। যদিও শাসক দল এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকার বারবার নিশানা করেছে। অপর দিকে বিজপির দাবি, রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া হচ্ছে। তৃণমূল তাদের ভোট ব্যাঙ্ক হারাতে বসেছে তাই এতো ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    লক্ষ্য মাত্রা ২০০-২২০ আসন

    গত ২৯ ডিসেম্বর রাজ্যে এসেছিলেন মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং নেতাদের স্পষ্ট আশ্বাস দেন যে, এবার ক্ষমতায় বিজেপি আসছে। মোট আসনের দুই তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের ভিত্তিতে বিজেপি সরকার গড়তে চলেছে। বাংলায় পরিবর্তন সুনিশ্চিত। বিজেপির নেতাদের লক্ষ্য মাত্রা দিয়েছেন ২০০ আসনের। একই ভাবে শুক্রবার মালদার চাঁচলে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “রাজ্যের সনাতনীরা এক জোট হলে ২২০টি আসন পাবে বিজেপি। হিন্দু সমাজকে বাঁচতে এবং বাঁচাতে বিজেপিই একমাত্র সম্বল।”

    ইতিমধ্যে অপারেশন সিঁদুরের পর বঙ্গ সফরে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) আলিপুরদুয়ার, দুর্গাপুর, দমদম এবং কৃষ্ণনগরে (ভার্চুয়াল) সভা করেছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জমে থাকা জনরোষকে বিজেপি কতটা ভোট বাক্সে প্রতিফলিত করতে পারে তাই এখন দেখার।

  • SIR in Bengal: ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ! এসআইআর শুনানিতে আরও ২৪ লক্ষ ভোটারকে ডাকল কমিশন

    SIR in Bengal: ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ! এসআইআর শুনানিতে আরও ২৪ লক্ষ ভোটারকে ডাকল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর সময় (SIR in Benga) ভোটার তালিকায় (Voter List) অবৈধ ভাবে নাম তোলা-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক এবং এক কর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) করার নির্দেশ দিল কমিশন (ECI)। মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর- এই রকম সীমান্তবর্তী জেলাগুলির অন্তত ৫০টি বিধানসভার ক্ষেত্রে প্রজেনি ম্যাপিংয়ের শতাংশ অস্বাভাবিক হারে বেশি বলে কমিশন সূত্রে খবর। এর আগে ৩০ লক্ষ ভোটারকে ডাকা হয়েছে শুনানিতে, যাঁরা ‘নো ম্যাপড’, এবার ডাকা হচ্ছে আরও ২৪ লক্ষকে।

    এফআইআর করার নির্দেশ কমিশনের

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, এর আগে রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে (Manoj Pant) পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। কমিশনের নতুন নির্দেশ, ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ডিইও/জেলাশাসক-কে এফআইআর দায়ের করতে হবে। শুধু তাই নয়, সেই বিষয়ে রিপোর্টও দিতে হবে। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে গত বছর ৫ অগাস্ট ওই চার অফিসারকে সাসপেন্ড করার সুপারিশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করতে হবে। অভিযোগ, এই চার অফিসারকে সাময়িক ভাবে সাসপেন্ড করলেও তাদের বিরুদ্ধ এফআইআর করেনি নবান্ন। কয়েকমাস কেটে গেলেও কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা হয়নি। ই আর অপেক্ষা না করে এবার সরাসরি জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে এফআইআর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। আইন বা নিয়ম মোতাবেক, নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত সরকারি কর্মী, আধিকারিক ও পুলিশের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ সংক্রান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের।

    ‘প্রজেনি ম্যাপড’দের নোটিস

    এসআইআর (SIR in Benga) শুনানি প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এক ব্যক্তির সঙ্গে ৬ জনের লিঙ্ক করানো হয়েছে এরকম সংখ্যা ২৪ লক্ষ। নাম মিলছে না ৫১ লক্ষ। বাবার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম এমন ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার। বাবার বয়সের সঙ্গে বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি ৮ লক্ষ ৪১ হাজার। ঠাকুরদার বয়সের সঙ্গে ভোটারের বয়সের অসঙ্গতি ৩ লক্ষ।এখনও পর্যন্ত ডেকে পাঠানো হচ্ছিল, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই। এরকম বহু ভোটারের তথ্যও সামনে এসেছে, যাঁদের ২০০২ সালের তালিকায় নাম ছিল, তবুও তাঁরা শুনানিতে এসেছেন। এবার গত পরশু থেকে কমিশন ‘প্রজেনি ম্যাপড’দের নোটিস পাঠাতে শুরু করেছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যেই নোটিস পৌঁছে যাবে।

  • Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি, চাঁচলের সভা থেকে সরকার গড়ার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ। তিনি বঙ্গ বিজেপির নেতাদের টার্গেট আসন সংখ্যা দিয়ে গিয়েছেন ২০০। তবে শুক্রবার মালদার (Malda) চাঁচলে বিজেপির এক জনসভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন ২০০ নয়, ২২০ আসন পাবে বিজেপি। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের গত ১৫ বছরের শাসনে নারী ধর্ষণ, চাকরি চুরি, কয়লা-বালি-মাটি-পাথর পাচার চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। ২৬০০০ স্কুল শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে মমতার শাসনে। ফলে সবটা মিলিয়ে আপামর জনসাধারণের তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদী বলে মনে করছেন বঙ্গবিজেপির নেতারা।

    মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শুক্রবার চাঁচলের (Malda) জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তার ইস্যুতে স্বমহিমায় মমতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি আগত বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বলেন, “ঠিক সময়ে দলটা ছেড়েছিলাম। দেশের হাল নরেন্দ্র মোদি ছাড়া গতি নেই। আগামী বিধানসভায় বিজেপি ২২০টি আসন পাবে। সরকার বিজেপিই গড়বে। রাজ্যের সমস্ত সনাতনীরা এগিয়ে আসলে ২২০ আসন হবেই।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে সমালচনা করে বলেন, “চোরের দলে গেলে সবাই বদলে যাবে। আগে বুঝেছিলাম বলে ৬ বছর আগেই পালিয়ে এসেছি। একে একে সবাই এসেছে গেরুয়ার নিচে, কারণ মোদিজি ছাড়া দুর্বৃত্তদের আর কেউ আটকাতে পারবে না। পশ্চিমবঙ্গের দুটি লোকসভায় হিন্দুদের জোট চোখে পড়ার মতো ছিল। উত্তর মালদায় (Malda) হিন্দুরা অনেক বেশি সংঘবদ্ধ। ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মে ভোট দিয়েছেন। সকল সনাতনীদের এগিয়ে আসতে হবে।”

    প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে

    রাজ্যে বাকি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মসূচিতে অনুমতি দিলেও বিজেপির ক্ষেত্রে মমতা প্রশাসন চরম অসহযোগিতা করে বলে তোপ দাগেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মালদার (Malda) চাঁচলের সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে বলেন, “এই নিয়ে ১০৪ বার সরকারের বিরোধিতার জন্য আদালত থেকে সভা করার অনুমতি করতে হয়েছে। তবে প্রশাসনের এই অসহযোগীতাও বেশিদিন থাকবে না। আগামী এপ্রিল মাসের পর রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময়ে হিসেব হবে। রাজ্যের চটিচাটা পুলিশের নাম লিস্ট করে রেখেছি। সবাইকার নাম লেখা রয়েছে, সবার হিসেব তোলা থাকবে।”

    ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে

    হিন্দু ভোটের ঐক্যের কথা বলতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “২০২১ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট একত্রিত হয়েছিল। সেই সময় ৬৫ শতাংশ ভোট একত্রিত হয়েছিল। মমতাকে প্রায় ২০০০ ভোটে হারিয়েছিলাম। ২০২৪ সালে নন্দীগ্রামে হিন্দুভোট হয়েছিল ৭২ শতাংশ। আবার লোকসভার ভোটে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ১২০০০ ভোটে লিড পেয়েছিলেন। হাতে মাত্র ৩ মাস। এখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ শতাংশ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে। বিজেপি প্রার্থী ২০ হাজার ভোটে জয়ী হবেন। ২৪ সালে জয় জগন্নাথ বলে ওড়িশায় বিজেপি সরকার গড়েছে। এবার বাংলার পরিবর্তন হবে। নাগরাকাটায় খগেন মুর্মুর আক্রান্ত হওয়া নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তিনি ত্রাণ দিতে গিয়েছিলেন, ভোট চাইতে যাননি, খগেন মুর্মুর রক্ত হবে না ব্যর্থ। পাশের জেলা হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসকে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। হিন্দু অস্তিত্ব অত্যন্ত সঙ্কটের। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গের জয় হবেই।”

    ১০ শতাংশের তফাত

    উল্লেখ্য বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ ভোটের পার্থক্য রিয়েছে। এদিকে ২০২১ সালে বিজেপি আসন পেয়েছিল ৭৭টি, তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি। তৃণমূলের ভোট শতাংশ ছিল ৪৭.৯৪ এবং বিজেপির ছিল ৩৮.১৩ শতাংশ। সংযুক্ত মোর্চার দিকে ছিল ৮.৬ শতাংশ। যদিও এসআইআর-এর কাজে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। ফলে শতাংশের বিচারে বিজেপির সম্ভাবনাও ব্যাপক রয়েছে। ২০০ বা ২২০ আসন বিজেপি পাওয়ার সম্ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    SIR: ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই এসআইআর শুনানিতে গ্রাহ্য হবে, সাফ নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) আবহে চলছে শুনানি পর্ব। আর এই শুনানিতে কেবলমাত্র ২০১০ সালের আগে দেওয়া ওবিসি শংসাপত্রই গ্রহণযোগ্য হবে বলে নির্দেশিকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ থেকে জারি হওয়া ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআরের কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এই মর্মে ইতিমধ্যে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ডিইও-দের নির্দেশিকাও (Election Commission) পাঠানো হয়েছে।

    গ্রাহ্য হবে না ২০১০-২০২৪ সার্টিফিকেট (SIR)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বক্তব্য, ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারই জেরে এই সিদ্ধান্ত বলে এই খবর। চলতি বছর ১২ জুন রাজ্য ওবিসির যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেই তালিকাও এই নির্দেশিকার আওতায় পড়বে। ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রোত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পরে দেওয়া সমস্ত ওবিসি শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছিল। ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬টি জনগোষ্ঠী ওবিসি বলে ধরা হত। ২০১০ সালে তৎকালীন বাম সরকারের আমলে আরও ৪২টি এবং ২০১২ সালে তৃণমূল সরকারের আমলে ৩৫টি জনগোষ্ঠীকে নতুন করে ওবিসি বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সব শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট। এসআইআর (SIR) শুনানিতে গ্রাহ্য হবে না এই সার্টিফিকেট।

    তবে ওই রায়ে হাইকোর্টের স্পষ্ট কথা ছিল, সামাজিক, আর্থিক এবং পেশাগত ভাবে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমীক্ষা করতে হবে। তারপর নতুন করে ওবিসি তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। চাকরি এবং কলেজের পরীক্ষায় ২০১০ সালের আগে পর্যন্ত যে ৬৬টি জনগোষ্ঠী অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির অংশ ছিল, তাঁদের শংসাপত্রই গ্রাহ্য হবে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকার অংশ হিসেবে।

    ১১টি নথির মধ্যে বাদ ওবিসি সার্টিফিকেট

    ২০১০ সাল থেকে যাঁদের ওবিসিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, হাইকোর্টের রায়ে ওই শংসাপত্র বাতিল হবে। রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর শুরু হয়েছে। প্রাথমিক খসড়া প্রকাশিত হওয়ার পর শুনানি পর্ব চলছে রাজ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে ১১টি নথিকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ওবিসি সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট করে বলেছে, ২০১০ সালের আগে যারা সার্টিফিকেট পেয়ে তালিকাভুক্ত হয়েছে তাঁদের এই শংসাপত্র এসআইআর-এ (SIR) গ্রাহ্য হবে।

  • SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    SIR: নথি না থাকলে একতরফাভাবে বাতিল নয় আশ্রমিক-আদিবাসীদের নাম, স্পষ্ট করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমের বাসিন্দা এবং দুর্বল-প্রান্তিক মানুষদের নাম একতরফাভাবে ভোটার তালিকা (SIR) থেকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটার লিস্টের নিবিড় তালিকা সংশোধনে কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায় সেই দিকে যেমন নজর রাখতে হবে, একইভাবে অবৈধ ভোটারের নাম যাতে লিস্টে না থাকে সেই দিকেও স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

    প্রান্তিক এবং দুর্বলদের ডাকা যাবে না (SIR)

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, সমাজের মধ্যে যাঁরা প্রান্তিক এবং দুর্বল যেমন-যৌনকর্মী, আদিবাসী গোষ্ঠী, আশ্রমের বাসিন্দা— এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁদের নাম হয়তো ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের কোনও রকম নথির (SIR) প্রয়োজন নেই। শুধু নথির অভাবে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা থাকলে তাঁদের নাম লিস্ট থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কমিশনের এই বিষয়ে সাফ কথা, কোনও যোগ্য ব্যক্তি বৈধ বা বাস্তব কারণে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারেন, তাহলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া যাবে না।

    বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে

    পাশাপাশি বিএলও-কে সতর্ক করে কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব এমন কাউকে শুনানি (SIR) কেন্দ্রে দেখা গেলে শাস্তি পেতে হবে। একইভাবে শুনানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে অসুস্থ এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদেরও। ইতিমধ্যে শুনানিতে অনেক অসুস্থ, প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দেখা গিয়েছে। যদিও কমিশনের তরফে আগে থেকে কোনও এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। ফলে শুনানির লাইনে অনেক অসুস্থ প্রতিবন্ধী এবং বৃদ্ধ ভোটারকে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে। আর তাতেই নানা মহলে এই নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। এরপর মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছে যে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব ভোটারদের শুনানিতে ডাকা যাবে না, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করতে হবে। কোনও ভোটারকে যদি শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়ে গিয়ে থাকে, তবে তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হবে আধিকারিকদের। শুনানিতে যেন না আসেন তার অনুরোধ করতে হবে। তাঁদের নথি যাচাই করতে হবে বাড়িতে গিয়ে। এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখাতে হবে বিএলও, ইআরও এবং এইআরও-দের। আর যদি শুনানিতে যেতে বাধ্য করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজারকে দায়ী করা হবে।

  • Kolkata Air Pollution: বছরের শুরুতেই লাগামহীন বায়ুদূষণ! কলকাতার বাতাস কি বিপদ বাড়াচ্ছে?

    Kolkata Air Pollution: বছরের শুরুতেই লাগামহীন বায়ুদূষণ! কলকাতার বাতাস কি বিপদ বাড়াচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই লাগামহীন দূষণ! আর তার জেরেই কলকাতাবাসীর জন্য কয়েক গুণ বিপদ বাড়ল। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।‌ নতুন বছরের শুরুতে উদযাপনে গা ভাসিয়েছেন আট থেকে আশি, সব বয়সের মানুষ! কিন্তু এই উৎসব-উদযাপনের মরশুমেই কলকাতার বায়ুদূষণ (Kolkata Air Pollution) টেক্কা দিচ্ছে দেশের অন্যান্য শহরকেও! তাই নতুন বছরে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন কলকাতার ‘বাতাস’ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    পশ্চিমবঙ্গ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম দিন কলকাতা শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ছিল বেশ উদ্বেগজনক। বাতাসের মান তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে শিশু ও বয়স্কদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই আশঙ্কা চিকিৎসকদের একাংশের।

    তথ্য অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম দিনে কলকাতার অধিকাংশ জায়গায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (Kolkata AQI Level) ৩০০ ছাড়িয়েছে। বিধাননগরে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স ছিলো ৩৫৩, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে ৩৪৩, বালিগঞ্জে ৩৬১। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তথ্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এআইকিউ ৫০ মধ্যে থাকলে তবেই সেই বাতাস শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের এলাকায় বায়ুর মান মারাত্মক খারাপ। তার ফলে নানান সমস্যা তৈরি হতে পারে।

    কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    ফুসফুসের একাধিক রোগের কারণ!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই মারাত্মক বায়ুদূষণের জেরে শরীরে গভীর প্রভাব পড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে গেল। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে অনেকেই আবহাওয়ার জেরে ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হন। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের কাশি-সর্দির মতো নানান ভোগান্তি বাড়ে। আবার অনেকের শ্বাসকষ্ট হয়। তার উপরে এই মারাত্মক বায়ুদূষণ সমস্যা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। বক্ষঃরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ বেড়ে গেলে, দূষিত উপাদানের মাত্রা বাড়লে ফুসফুসের উপরে চাপ বাড়ে। দূষিত উপাদান ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়াও হাঁপানি, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (COPD), নিউমোনিয়ার মতো নানান রোগের দাপট বাড়াতে পারে। তাই বায়ুদূষণ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে।

    হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে!

    ফুসফুসের পাশপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় বায়ুদূষণ। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে রক্তপ্রবাহেও দূষিত উপাদান প্রবেশ করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।

    মস্তিষ্কের বিকাশের পথে বাধা!

    বায়ুদূষণের জেরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র। এমনটাই জানাচ্ছেন স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন দূষিত বাতাসের জেরে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ হয় না। স্নায়ুর সক্রিয়তা বজায় রাখতে বিশেষত স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার জন্য দূষণহীন আবহাওয়া জরুরি। কিন্তু কলকাতা ও তার আশপাশের পরিবেশ শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত নয়। এই বাতাসে নানান স্নায়বিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। শিশুদের পাশপাশি দূষিত বাতাস বড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও বিপজ্জনক। তাঁরা জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অবসাদের মতো নানান সমস্যা তৈরি হয়।

    ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষিত পরিবেশ ক্যান্সারের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাতাসের এই খারাপ গুণমান ফুসফুস, হৃদপিন্ড, বক্ষঃনালীর জন্য বিপজ্জনক। এই ক্ষতিকারক উপাদান নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে শরীরে প্রবেশ করছে। আর পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। লাগাতার দূষিত উপাদান শরীরে প্রবেশের জেরে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে শিশু, কিশোর এবং বয়স্কদের। তাঁরা সবচেয়ে বেশি এর ফলে স্বাস্থ্য সঙ্কটের সম্মুখীন হন। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, বায়ুদূষণ রুখতে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের একযোগে সচেতনতা ও সক্রিয়তা জরুরি। তবেই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব হবে।

  • Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’ সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের (CEO) বিরুদ্ধে পুলিশে দায়ের করা অভিযোগগুলির তীব্র নিন্দাও করেছে কমিশন (Intimidatory Tactics)। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের পুলিশি অভিযোগ প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে কোনও রকম ভয় বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

    কমিশনের সাফ কথা (Intimidatory Tactics)

    কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, এবং সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যে কোনও প্রচেষ্টার মোকাবিলা করা হবে কঠোরভাবে।নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই এবং সংবিধান অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্ব পালন করে যাবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন (Intimidatory Tactics) কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এই অভিযোগগুলি ‘পরিকল্পিত, ভিত্তিহীন এবং ভীতিপ্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা’।

    অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একাধিক সরকারি পোস্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এমন সংবাদ প্রতিবেদন লক্ষ্য করেছে যেখানে বলা হয়েছে (Election Commission), ২০২৬ সালের জন্য যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাকে কেন্দ্র করে দুই শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ (Intimidatory Tactics) দায়ের হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ২০২৬ সালের এসআইআর সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকদের ভয় দেখিয়ে দমন করার এক স্থূল প্রচেষ্টা।” কমিশনের সাফ কথা, “নির্বাচনী যন্ত্রকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং সংবিধানস্বীকৃত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিপথে চালিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই (Election Commission) ধরনের ভীতিপ্রদর্শনমূলক কৌশল নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হতে বাধ্য (Intimidatory Tactics)।”

    নিরপেক্ষতা রক্ষার অঙ্গীকার

    কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রতিষ্ঠিত বিধি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। কমিশনের ইঙ্গিত, তারা এই অভিযোগগুলিকে বিচ্ছিন্ন বা ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে দেখছে না, বরং এগুলিকে একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কোন পরিস্থিতিতে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের কড়া বার্তা, “এই ধারাবাহিক ও মনগড়া অভিযোগগুলির নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটনে চেষ্টার কসুর করা হবে না। শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে আইনের শাসন এবং সত্যই (Intimidatory Tactics)।” নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়ে দিয়েছে আরও একবার (Election Commission)।

    জনস্বার্থেই কাজ

    রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে কমিশন জানিয়েছে, বাহ্যিক চাপ বা ভয়ভীতির মুখেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা দৃঢ়তা ও নৈতিকতার সঙ্গে, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে কাজ করে যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রবীণ ভোটারের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ওই দুই প্রবীণ ভোটার শুনানির নোটিশ পাওয়ার পরের মারা যান। এই নোটিশগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর নিয়ে বিতর্ক

    পুরুলিয়া জেলার বছর বিরাশির দুর্জন মাঝির ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের সময় প্রস্তুত করা কাগজে থাকা ভোটার তালিকায় থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা সংশ্লিষ্ট তালিকায় সেই নাম নেই। অভিযোগ, এই অসঙ্গতির কারণেই ওই প্রবীণ ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয় (Election Commission)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত শুনানির সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই প্রবীণ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। অভিযোগকারীরা এই ঘটনার জন্য সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে দায়ী করেছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগ

    ভোটার তালিকার ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ২৭ ডিসেম্বর জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করেছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআরের ভোটার তালিকায় প্রায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম রয়েছে, কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাঁদের নাম অনলাইন ডেটাবেসে প্রতিফলিত হয়নি, তাঁদের কোনও শুনানিতে হাজির হতে হবে না (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের মতে, পুরানো ভোটার তালিকার ডিজিটাল রূপান্তরের সময় সৃষ্ট প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যাতে কোনও ভোটার হয়রানি বা অযথা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য

    কমিশনের আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা বাড়ানো, যার মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাম বাদ দেওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা। প্রকৃত বা বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া বা ভয় দেখানো এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়। উল্লেখ্য, এসআইআর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজ্যগুলিতে, যেখানে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়মিত কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে যে, এসআইআর ২০২৬ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং আইনি বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও দাবি কমিশনের (Intimidatory Tactics)।

  • Kalpataru Utsav: সকাল থেকে ভক্তদের ঢল, কল্পতরু উৎসবে মিশল কাশীপুর-দক্ষিণেশ্বর-কামারপুকুর-বেলুড় মঠ

    Kalpataru Utsav: সকাল থেকে ভক্তদের ঢল, কল্পতরু উৎসবে মিশল কাশীপুর-দক্ষিণেশ্বর-কামারপুকুর-বেলুড় মঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন। প্রতি বছরের নিয়মে এই বছরও মহা সমারহের সঙ্গে পালিত হচ্ছে কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav)। আজকের দিনেই শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কল্পতরু হয়েছিলেন। কাশীপুর উদ্যান বাটীতে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ ঠাকুর কল্পতরু হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু ঠাকুরের অন্যতম কর্মভূমি লীলাভূমি হল দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মায়ের মন্দিরে। এই মন্দিরেই তিনি থাকতেন। প্রচলিত প্রথা মেনে কল্পতরু তিথিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে জনস্রোত উপচে পড়েছে কাশীপুর উদ্যানবাটি, দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মন্দির, কামারপুকুর ও বেলুড় মঠ প্রাঙ্গণে।

    কাশীপুর উদ্যানবাটীতে কল্পতরু

    সূর্য ওঠার আগেই রাস্তায় লম্বা লাইন। কারও হাতে প্রসাদ, কারও হাতে শীতের কম্বল, আর সকলের মুখে এক প্রার্থনা— “ঠাকুরের আশীর্বাদে মঙ্গলময় হোক নতুন বছর।” কাশীপুর উদ্যানবাটীই আজকের কেন্দ্রবিন্দু। এখানেই স্মরণ করা হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যখন শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর ভক্তদের উদ্দেশে অনুগ্রহ বর্ষণ করে মানবকল্যাণের চূড়ান্ত বার্তা দিয়েছিলেন। সকালে বিশেষ পুজো, পাঠ ও কীর্তন দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানপর্ব। কাশীপুর উদ্যানবাটীর সাংগঠনিক অনুষ্ঠান আজ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ভক্তিগীতি, প্রবচন, পাঠসভা—সব মিলিয়ে আবেগে পরিপূর্ণ পরিবেশ।

    দক্ষিণেশ্বরে মানুষের ঢল

    আজ ভোর সাড়ে পাঁচটায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের মূল ফটক খুলে দেওয়া হয় ভক্তদের জন্য। এরপর মঙ্গল আরতির মধ্যে দিয়ে সূচনা হয় কল্পতরু উৎসবের। আজকের এই বিশেষ দিন মা ভবতারিনীকে সাজানো হয় নতুন বেশে। মায়ের সেই রূপ দেখতে এবং সর্বোপরি প্রার্থনা জানাতে ভোর থেকেই পুজোর ডালি হাতে লম্বা লাইন দিয়েছেন ভক্তরা। পাশাপাশি কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়ছে মন্দির চত্বর। পর্যাপ্ত পুলিশকর্মীর পাশাপাশি সিসিটিভি ক‍্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ারের বন্দোবস্তও করা হয়েছে। যাতে তীক্ষ্ণ নজরদারির আওতায় যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়।

    ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে উৎসব

    মঙ্গলারতি ও বিশেষ পুজোর মাধ্যমে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে কল্পতরু উৎসব উদযাপন চলছে ঠাকুরের জন্মস্থান কামারপুকুরে ৷ চলছে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের জীবন ও বাণীকে স্মরণ করে পাঠ, ভজন ও ধর্মসভা। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে মঠ সেজেছে ফুল, আলো ও আলপনায়। কামারপুকুর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী লোকত্তরানন্দজী মহারাজ বলেন, বেলুড় মঠ ও কাশীপুরের মতো কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে ও এই কল্পতরু উৎসব পালন করা হয়। ঠাকুরের বাণী ‘যত মত তত পথ’ এর আদর্শে বিশ্বাসী হয়েই এই দিনটাকে পালন করা হয়। পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে যেই তাঁর শরণাপন্ন হবে সকলেই মুক্তি লাভ করবে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু মানুষ এই দিনে ভিড় জমান কামারপুকুরে। রীতি মেনে সকাল থেকেই মঙ্গল আরতি হোম যজ্ঞ এবং পূজা পাঠ সবকিছুই চলছে।

    কল্পতরুর কথা

    কথিত আছে, ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি অর্থাৎ আজকের দিনেই কাশীপুর উদ্যানবাটিতে কল্পতরু হয়েছিলেন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব। সেদিনই ভক্তদের আশীর্বাদ করে রামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘তোমাদের চৈতন্য হোক’। এরপর থেকেই প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দিনে পালিত হয়ে আসছে কল্পতরু উৎসব।

  • Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    Weather Update: ১৮ বছরে শীতলতম বর্ষবরণ শহর কলকাতার! ভিড় চিড়িয়াখানা থেকে ইকো পার্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরেও জাঁকিয়ে শীত (Weather Update)। বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২.৬ ডিগ্রি কম। গত ১৮ বছরে ১ জানুয়ারিতে কখনও এতটা পারদ পতন হয়নি কলকাতায়। ২০০৮ সালে বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৪। তার পর ২০২৬-এমন হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সাক্ষী থাকল শহরবাসী। গত বছরের শেষ দিনে শহর কলকাতার তারপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। জাঁকিয়ে শীতকে সঙ্গে নিয়ে এবার ভরা পৌষে চলছে কল্পতরু উৎসবও। বছরের প্রথম দিনে উৎসবের মেজাজে মানুষ ভিড় জমিয়েছেন চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক, ভিক্টোরিয়ায়। কল্পতরু উপলক্ষে ভিড় দক্ষিণেশ্বর, জয়রামবাটী-কামারপুকুরে।

    ফের পারদ পতনের সম্ভাবনা

    বুধবার মরসুমের শীতলতম দিন কাটিয়ে ফেলেছে কলকাতা। বুধবার ভোরে কলকাতার (Winter in Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার ভোরে তা সামান্য বেড়ে ১১.৬ ডিগ্রি হয়েছে। আজ শহর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘুরপাক খেতে পারে। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫.৩ ডিগ্রি কম ছিল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমবে। তার পরের চার দিন তাপমাত্রায় হেরফের হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ, আগামী সাত দিন শীতের কনকনানি থেকে খানিক রেহাই মিলতে পারে। তার পর ফের পারদ পতনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বিশেষ পরিবর্তন হবে না। তবে এর পরের চার দিন ধীরে ধীরে কমতে পারে শীত।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    নদিয়া, সিউড়ি, শ্রীনিকেতন, আসানসোলের তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে তাপমাত্রা। কোথাও তা ১২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। উপকূলের জেলাতে ১৩ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা রয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৩ দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একটু বাড়তে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী চার-পাঁচ দিনই কুয়াশা থাকবে। বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং পশ্চিম বর্ধমানে। শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর ফলে দৃশ্যমানতা ৯৯৯ মিটার থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নামতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও সকালের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। বৃহস্পতি এবং শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে দার্জিলিঙের পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতও হতে পারে। থাকবে কুয়াশাও।

LinkedIn
Share