Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sikkim Disaster: সিকিমে বিপর্যয়ের পর নিখোঁজ বালুরঘাটের সাত পরিযায়ী শ্রমিক, দুশ্চিন্তায় পরিবার

    Sikkim Disaster: সিকিমে বিপর্যয়ের পর নিখোঁজ বালুরঘাটের সাত পরিযায়ী শ্রমিক, দুশ্চিন্তায় পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) জেরে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে সাত জন পরিযায়ী শ্রমিকের কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের বাড়ি বালুরঘাটের ডাঙ্গা বিজয়শ্রী এলাকায়। পরিবারের লোকজন আর তাঁদের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করতে পারছেন না। ফলে, চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন পরিবারের লোকজন।

    কবে কাজে গিয়েছিলেন?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ব্লকের ডাঙ্গার পাল পাড়ার নিখোঁজ ওই সাত পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম মৃদু পাল, সুধু পাল, দুলাল পাল, বেলাই পাল, সামরা পাল, তজু পাল ও নবীন পাল। এছাড়াও বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া, চিঙ্গিসপুরের আরও চার শ্রমিক সিকিমের অন্যত্র কাজে গিয়েছেন। তাদের খোঁজ মিলেছে। জানা গিয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওই সাত পরিযায়ী শ্রমিক কাজে যোগ দিতে যান। মূলত তাঁরা নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন। ৪ অক্টোবর হড়পা বানে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সিকিম (Sikkim Disaster)। ওই দিনের পর থেকে সকলের ফোন বন্ধ, যোগাযোগ হচ্ছে না বলেও পরিবারের সদস্যরা জানান। জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের ডাঙ্গা গ্রামপঞ্চায়েতের ডাঙ্গা বিজশ্রী গ্রামের মৃদু পালের বাড়িতে স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যা রয়েছে। পাশেই বাড়ি মৃদুর দাদা সুধু পালও তাঁর স্ত্রীকে রেখে সিকিমে কাজে গিয়েছিলেন। সিকিমের ভয়াবহ বিপর্যয়ের ছবি মোবাইলে দেখেই শিউরে উঠছেন পরিবারের লোকজন।

    পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    নিখোঁজ শ্রমিক মৃদু পালের স্ত্রী কৌশল্যা পাল বলেন, কোন ঠিকাদারের সঙ্গে গিয়েছে, তা জানা নেই।  যেদিন থেকে সিকিমের বন্যার (Sikkim Disaster) খবর পেয়েছি, সেদিন থেকেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু কিছুতেই যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। আমরা খুব চিন্তায় রয়েছি। ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ষষ্ঠী পাহান বলেন, আমাদের গ্রামের মোট সাতজন এক ঠিকাদারের সঙ্গে সিকিমে কাজে গিয়েছিলেন। কারও খোঁজ পাচ্ছিনা। আমাদের গ্রামের সবাই চিন্তায় রয়েছে। উদ্বেগ কাটছে না।

    জেলাশাসকের কী বক্তব্য?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, জেলার ২৫ জনের খবর পেয়েছি, যারা সিকিমে (Sikkim Disaster) কাজে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগের সঙ্গেই যোগাযোগ করা গিয়েছে। তাঁরা ভালো রয়েছেন। যাদের খোঁজ মেলেনি, তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে সিবিআই হানা

    CBI: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে দুদিন আগেই খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের বাড়িতে ইডি হানা দেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের চেতলার বাড়িতে সাতসকালে সিবিআই (CBI)  হানা দেন। পাশাপাশি কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়়িতে সিবিআই হানা দেয়।

    মেয়রের দুয়ারে সিবিআই (CBI)  

    সিবিআই সূত্রে খবর, রবিবার সাতসকালে প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে নিজাম প্যালেস থেকে বের হন কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা (CBI)। তাঁরা চেতলায় পুরমন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকেন। বাইরে দাঁড়িয়ে বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ানেরা। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। খবর পেয়ে দলীয় কর্মীরা সেখানে ভিড়় জমাতে শুরু করেন। বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ফিরহাদের কন্যা প্রিয়দর্শিনী হাকিম। তাঁকেও ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। দরজায় দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি চলে প্রিয়দর্শিনীর। পরে, তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়। ফিরহাদের বাড়ির সামনে আসেন তাঁর আইনজীবী গোপাল হালদারও। তাঁকেও ঢুকতে বাধা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। আইনজীবী  বলেন, তাঁর প্রবেশাধিকার রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পরে জানান, তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ফিরহাদের বাড়ির সামনে জমায়েত হওয়া অনুগামীরা। বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। উঠছে কেন্দ্রীয় সরকার-বিরোধী স্লোগান। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই এই সিবিআই হানা।

    মদনের বাড়িতে সিবিআই (CBI)  

    অন্য দিকে, সিবিআইয়ের (CBI) একটি দল কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের ভবানীপুরের বাড়িতেও হানা দিয়েছে। তবে, তাঁকে কী কারণে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তা স্পষ্ট নয়। কামারহাটি পুরসভায় কর্মী নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে তাতে তাঁর কোনও ভূমিকা রয়েছে কি না তা সিবিআই আধিকারিকরা খতিয়ে দেখতে পারেন। বরানগর, কামারহাটির চেয়ারম্যানের বাড়িতে দুদিন আগে ইডি হানা দিয়েছিল। এদিন মন্ত্রী ফিরহাদের পাশাপাশি আরও কয়েকটি পুরসভার চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়েছে সিবিআই। হানা দেওয়া হয়েছে কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বাড়িতে। হালিশহরেও গিয়েছে সিবিআই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ইডি দফতরে হাজিরা এড়ালেন অভিষেকের বাবা

    Abhishek Banerjee: ইডি দফতরে হাজিরা এড়ালেন অভিষেকের বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর। শনিবার তাঁর হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি এদিন উপস্থিত হননি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন যে বিশেষ কাজ থাকায় তিনি হাজিরা দিতে পারছেন না। অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে শুক্রবার তলব করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তিনিও শুক্রবার হাজিরা দেননি।

    ১২০০ পাতার নথি পাঠিয়েছেন অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার বেশ কিছু নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছিল। ইডি সূত্রে খবর, ১২০০ পাতার নথি পাঠিয়েছেন অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়। আপাতত তাঁর সেই নথি খতিয়ে দেখবেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের কর্তারা। পরবর্তীকালে ফের তাঁকে তলব করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    অভিষেকের স্ত্রীকে তলব

    অন্যদিকে, এর আগেও অভিষেকের (Abhishek Banerjee) স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। পরবর্তীকালে চলতি মাসের ১১ তারিখ তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে। চলতি মাসের ৩ তারিখ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করা হয়েছিল। তিনি সেদিন হাজিরা দেননি। এরপর ফের ৯ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করা হয়। তবে সেই তলবকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মামলা বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন।

    আদালতের নির্দেশে তদন্ত

    নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ধৃত কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের যোগ সূত্রে উঠে আসে লিপস অ্য়ান্ড বাউন্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থার নাম। জানা যায়, এই সংস্থাটির সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বাবা-মা এবং স্ত্রী রুজিরা বন্দোপাধ্যায়ের। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ওই সংস্থার ডিরেক্টরদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাই এই তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলের পাল্টা! কলকাতায় ১ লাখ বঞ্চিতদের সমাবেশ করতে চান শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলের পাল্টা! কলকাতায় ১ লাখ বঞ্চিতদের সমাবেশ করতে চান শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদের দিল্লিতে তৃণমূলের একপ্রস্থ নাটক দিন কয়েক আগেই দেখা গিয়েছে। এবার রাজভবনের সামনে দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের নেতৃত্বে চলছে অবস্থান বিক্ষোভ। তারই পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত গেরুয়া শিবিরও। শনিবারই কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি। তাঁকে পাসে বসিয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান যে রাজ্যে অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যাঁরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হলেও রাজনৈতিক কারণে তাঁদের বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। পুজোর পরে এরকম এক লাখ মানুষকে নিয়ে কলকাতায় অবস্থানে বসবেন নন্দীগ্রামে বিধায়ক (Suvendu Adhikari), এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী চান ঐ বিক্ষোভ মঞ্চে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হাজির থাকুন।

    কী বললেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ যে এক লাখেরও বেশি ভুয়ো জব কার্ড হোল্ডার রয়েছে বাংলায়। যাঁরা ১০০ দিনের কাজের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন না কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্টের টাকা ঢুকে যায়। এভাবেই নয়ছয় করা হচ্ছে ১০০ দিনের কাজের টাকা। শুভেন্দুর আরও অভিযোগ যে অনেক গরিব মানুষকে বঞ্চিত করে রাজনৈতিক রঙ দেখে তৃণমূল কংগ্রেস সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা তৃণমূলের বদান্যতায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং চাকরিপ্রাপ্তরাও পেয়েছেন। শনিবার শুভেন্দু অধিকারীর পাশে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি। শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমি রাজ্য সভাপতিকে বলব এটা নিয়ে ভাবতে এবং চাইবো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও যেন উপস্থিত থাকেন, এই কর্মসূচিতে।’’

    কী বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী

    সল্টলেক সেক্টর ফাইভে বিজেপির রাজ্য দফতরে এদিন শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) পাশে বসে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিরঞ্জন জ্যোতি বলেন, ‘‘আমি ঝাঁসির রানী দেশের মেয়ে। পালিয়ে যাওয়ার পাত্রী নই। আমি সব তথ্যই নিয়ে এসেছি। কলকাতায় যেখানে খুশি বসে তৃণমূলের সঙ্গে কথা বলতে পারি কিন্তু তৃণমূল বসবে না। ওরা কথা বলতে চায় না ওরা শুধু নাটক চালিয়ে যেতে চায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: সিকিম বিপর্যয়ে ভেসে যায় বীরভূমের সেনা কর্মীর দেহ, শোকের ছায়া এলাকায়

    Sikkim Disaster: সিকিম বিপর্যয়ে ভেসে যায় বীরভূমের সেনা কর্মীর দেহ, শোকের ছায়া এলাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম বিপর্যয়ে (Sikkim Disaster) দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, একজনের নাম গোপাল মান্ডি। তাঁর বাড়ি বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানার নান্দুলিয়া গ্রামে। আর অন্যজনের নাম বিমল ওঁরাও। তাঁর বাড়ি আলিপুরদুয়ারের মধু চা বাগান এলাকায়। এই ঘটনায় দুই জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Sikkim Disaster)

    পরিবার সূত্রে খবর, ২৯ বছর বয়সি গোপাল ২০১৪ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। গোপাল মেডিক্যাল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ২০২১ সালে বোলপুরের সিয়ানের বাসিন্দা মাম্পি মুর্মুর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। স্ত্রী ছাড়াও গোপালের বাড়িতে আছেন মা-বাবা, দাদা, বোন এবং স্ত্রী। তিনি জলপাইগুড়ির বিন্নাগুড়িতে পোস্টিং ছিলেন। তবে, কয়েকদিন আগে সিকিমের বাবা হরভজন সিংহ মন্দিরে ডিউটি করতে যান তিনি। সিকিমে দুর্যোগের (Sikkim Disaster)  দিন মন্দির থেকে ডিউটি সেরে বিন্নাগুড়ি সেনাছাউনিতে ফিরছিলেন গোপাল। কিন্তু, আর সেনাছাউনিতে ফেরা হয়নি। কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি তাঁর। বুধবার গোপালের বাড়িতে তাঁর নিখোঁজের খবর দেওয়া হয়। তারপর থেকেই উদ্বেগে দিন কাটছিল মান্ডি পরিবারের। বিভিন্ন ভাবে খোঁজখবরের চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। আবার ওই সেনা জওয়ানের বাড়িতে ফোন আসে। তবে এ বার তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। তার পর থেকেই আদিবাসী অধ্যুষিত নান্দুলিয়া গ্রাম শোকস্তব্ধ  হয়ে পড়ে। 

    ছেলের মঙ্গল কামনায় পুজো দেন পরিবারের লোকজন

    অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ারের মধু চা বাগানের জওয়ান বিমল ওঁরাও মাস তিনেক আগে লাদাঘ থেকে বদলি হয়ে বিন্নাগুড়ি সেনা ছাউনিতে কাজে যোগ দেন। কয়েকদিন আগে বিন্নাগুড়ি থেকে তাঁকে সিকিমে পাঠানো হয়েছিল। ৪০ বছর বয়সী জওয়ান বিমল ওঁরাওয়ের মৃত্যুতে শোকস্তদ্ধ ডুয়ার্সের মধু চা বাগান। ভাই কমলও সিআরপিএফ কর্মী। তিনি দাদার মৃত্যুর খবর জানতেন। ছেলের সুস্থতা কামনায় বৃহস্পতিবার সকালেও স্ত্রী তনুজা, মা বৈন্ধন ও বাবা মাঙ্গরা স্থানীয় মন্দিরে পুজোও দেন। পরে সিআরপিএফ কর্মী কমল পরিবারের সকলের কাছে আসল সত্যিটা বলে দেন। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: বিজেপির ঘরছাড়া কর্মীরা বাড়ি ফিরতেই তৃণমূলের তাণ্ডব, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি

    East Medinipur: বিজেপির ঘরছাড়া কর্মীরা বাড়ি ফিরতেই তৃণমূলের তাণ্ডব, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের ঘরে ফেরানোর পরই তৃণমূলের বাইক বাহিনীর তান্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) খেজুরি-২ ব্লকের বোগা, আলিপুর, কয়ালচক এলাকায়। একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের সামনে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বোমাবাজিও করা হয়। যদিও জনরোষের মুখে পড়ে বাইক বাহিনীর একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি উদয় শঙ্কর মাইতির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে এলে কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছে। গন্ডগোলের কারণে শনিবার রসুলপুর ঘাটে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (East Medinipur) 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) খেজুরি-২ ব্লক বার বার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি উদয় শঙ্কর মাইতি পঞ্চায়েত সমিতি নির্বাচনে বিজেপির হয়ে জয়লাভের পর তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করেন। আর তারপরেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছায় তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর খেজুরি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন উদয় শংকর মাইতি। এই নিয়ে উত্তেজনা ছিল এলাকায়। এলাকায় বোর্ড দখলের পরই তৃণমূল দাদাগিরি শুরু করে। তৃণমূলের অত্যাচারে বহু বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া ছিলেন। শুক্রবার রাতে সেই কর্মীদের বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক সহ দলীয় নেতৃত্ব ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার পরই গন্ডগোল শুরু হয়। তৃণমূলের বাইক বাহিনী গ্রামে ঢুকে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন খেজুরির বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। তিনি বলেন, ঘর ছাড়া কর্মীদের বাড়িতে ঢোকানোর পরই তৃণমূলের বাইক বাহিনী তাণ্ডব চালায়। বোমাবাজি করে। পুলিশের সামনেই এসব ঘটানো হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের উপর কোনও হামলা হয়নি। নিজেরা বাইক, গাড়ি ভেঙে আমাদের উপর দায় চাপিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলার যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন, বিজেপি এলাকার পরিবেশ অশান্ত করেছে। বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে পঞ্চায়েচ সমিতির বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর গাড়ি, একাধিক কর্মীর বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। বিজেপি এসব করেছে। তৃণমূল কোনও হামলা করেনি।

     কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    খেজুরিতে গন্ডগোল ও বাড়ি, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকা পরিদর্শন করলেন পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য। তাঁর নেতৃত্বেই খেজুরির আলিপুর থেকে কয়ালচক পর্যন্ত একটি রুট মার্চ করে পুলিশ। পুলিশ সুপার বলেন, গন্ডগোলের ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ৬ বছর পর সক্রিয় পুলিশ! পুরনো মামলায় কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বউদি গ্রেফতার

    Anubrata Mondal: ৬ বছর পর সক্রিয় পুলিশ! পুরনো মামলায় কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বউদি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর ঘনিষ্ঠ কোনও দলীয় নেতা বা কর্মী হলে তাঁকে স্পর্শ করার সাহস ছিল না। পুলিশও তার দিকে তাকানোর সাহস ছিল না। শাসক দলের এরকম দাপুটে নেটার ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য সকলেই চেষ্টা করতেন। এখন সেই কেষ্ট ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অনেকের কাছে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বীরভূমে কি তাহলে কেষ্ট ম্যাজিক উধাও? এমনিতেই এমনিতেই গরু পাচার দুর্নীতি মামলায় গত এক বছরের বেশি সময় ধরে অনুব্রত মণ্ডল তিহারে রয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও খাতায় কলমে তিনি এখনও জেলা সভাপতির পদে বহাল।  সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে তৃণমূলের জেলা সংগঠনের কর্তৃত্বের রাশ। অনুব্রত ‘বিরোধী’ নানুরের কাজল শেখ এখন দলের গুরুত্ব পেয়েছেন। তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতিও। বীরভূম জেলাজুড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে অনুব্রত নামটাও। কয়েকদিন আগেই নানুরের হোসেনপুরে দলীয় কার্যালয়ে তাঁর ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে। এরপর বোলপুরেও একই ঘটনা ঘটেছে। দলীয় কার্যালয়ে তাঁর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে পুলিশ এখন অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের পুরানো মামলা খুঁজের বের করে নিয়ম মেনে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর আগে ঝাড়খণ্ডের শিউলি মিত্রের সঙ্গে বীরভূমের চিনপাই গ্রামের অনিমেশ মিত্রের বিয়ে হয়। তিনি দুবরাজপুরের তৃণমূল নেতা ভোলানাথ মিত্রের দাদার ছেলে। ভোলানাথবাবু জেলায় অনুব্রত ঘনিষ্ঠ (Anubrata Mondal) নেতা হিসেবেই পরিচিত। ২০১৩ সালে তৃণমূল নেতার ভাইপোর বিরুদ্ধে  আদালতে বধূ নির্যাতনের মামলা হয়। ২০১৭ সালে তাঁর ও তাঁর মায়ের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এতদিন পুলিশের খাতায় তাঁরা পলাতক ছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতদিন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ভোলানাথের দাপটে তাঁর বউদি ভারতী মিত্র এবং ভাইপো অনিমেশ মিত্রকে গ্রেফতার করার সাহস হয়নি পুলিশের। এবার আর ভোলানাথবাবুর মাথার উপর অনুব্রত নেই। দলের মধ্যেও কেষ্ট এখন ব্রাত্য। তাই, প্রায় ৬ বছর আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার মামলা সদাইপুর থানার পুলিশ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতার বউদিকে গ্রেফতার করেছে। যদিও ভাইপো এখনও অধরা রয়েছে।

    কী বললেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা?

    ভোলানাথবাবু দুবরাজপুর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। কেষ্ট জেলে যাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠায় তাঁকে পদ সরিয়ে দেওয়া হয়। দলের কোর কমিটিতে তাঁর ঠাঁই হয়। এতদিন পর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে ভোলানাথবাবু বলেন, ব্লক সভাপতি ছিলাম বলে পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, এটা ঠিক নয়। বউদি বা ভাইপোর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা ঠিক নয়। আইন আইনের পথে চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: সমবায় দুর্নীতি কাণ্ড! আলিপুরদুয়ার শহরে ১৫টি জায়গায় সিবিআই তল্লাশি

    CBI: সমবায় দুর্নীতি কাণ্ড! আলিপুরদুয়ার শহরে ১৫টি জায়গায় সিবিআই তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী সহ বারাকপুর মহকুমার একাধিক পুর চেয়ারম্যানের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছুনথি। সেই জের মিটতে না মিটতেই এবার আলিপুরদুয়ার ঋণদান সমবায় সমিতির প্রায় ৫০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় শহর জুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই (CBI)। শনিবার সকাল থেকে শহরজুড়ে শুরু হয়েছে সিবিআইয়ের তল্লাশি।

    সাত সকালেই সিবিআই হানা (CBI)

    শনিবার সকাল ছটা নাগাদ শিবের তদন্তকারীরা ডিআরএম অফিস সংলগ্ন এলাকায় যান। সেখান থেকে দলে দলে ভাগ হয়ে তাঁরা এদিন মূলত সমবায়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মচারীদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ  শুরু করেন। আর্থিক ওই তছরূপের মামলায় আগে সিবিআই (CBI) এর  তদন্তকারীরা প্রতারিতদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সমবায়ের ম্যানেজার তৃপ্তিকনা চৌধুরী সহ শহরের সূর্য নগর এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে ওই তল্লাশি অভিযান চলছে। সমবায়ের কর্মী  আধিকারিকদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদেরকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছেন সিবিআই এর কর্তারা। সিবিএর ওই তদন্তকারী দলে মহিলা সদস্যরাও রয়েছেন।

    প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    আলিপুরদুয়ার ঋণদান সমবায় সমিতির প্রায় ২১ হাজার আমানতকারী তাঁদের টাকা গচ্ছিত রেখে প্রতারিত হয়েছেন। আগে এ নিয়ে প্রতারণার একটি অভিযোগ আলিপুরদুয়ার থানায় করেছিলেন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা আরটিআই কর্মী অলোক রায়। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে পুলিশ পরে সিআইডি তদন্ত হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতের দারস্থ হন কল্পনা দাস সরকার নামে এক প্রতারিত মহিলা। আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি ওই মামলায় সিবিআই ও ইডির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। আর্থিক তছরূপের  ওই মামলায় তদন্তকারীরা সমবায় সংস্থার ম্যানেজার থেকে কর্মীদের বাড়ি ছাড়াও শহরের এক প্রভাবশালী ঠিকাদারের বাড়িতে গিয়েও তাঁকে দীর্ঘক্ষন জিজ্ঞাসা বাদ করেছেন। এদিন সকাল আটটা থেকে দুপুর পর্যন্ত ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সমবায় সংস্থার সঙ্গে জড়িত এবং যাদের সঙ্গে ওই সংস্থার আর্থিক যোগ ছিল তাদেরকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়েছে। শহর জুড়ে অন্তত ১৫ টি জায়গায় এদিন  একসঙ্গে  সিবিআইয়ের (CBI) এই তল্লাশি অভিযান চলেছে। আলিপুরদুয়ার শহরের সূর্যনগর বিধানপল্লি এলাকার অনেকের বাড়িতে এদিন গিয়েছেন তদন্তকারী অফিসাররা। প্রতারিতদের বক্তব্য, আমাদের গচ্ছিত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করলে ভাল হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: তিস্তার জলে পাওয়া মর্টার শেল মজুত বাড়িতে! জমা দিলে গ্রেফতারি নয়, বার্তা সাংসদের

    Sikkim Disaster: তিস্তার জলে পাওয়া মর্টার শেল মজুত বাড়িতে! জমা দিলে গ্রেফতারি নয়, বার্তা সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে (Sikkim Disaster) মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তার জলে ফ্রিজ, ঘরের আসবাবপত্রের সঙ্গে ভেসে এসেছে সেনাবাহিনীর প্রচুর পরিমাণে মর্টার শেল-সহ অন্যান্য গোলা বারুদ। নদীর জল কমতেই সেগুলি ভেসে উঠছে। তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা অনেকেই সেগুলিকে কুড়িয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন। তিস্তায় ভেসে আসা সেই সব বিস্ফোরক জমা দিলে পুলিশ মামলা রুজু করবে না। এমনই বার্তা দিলেন  জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায়।

    বাড়িতে মজুত রয়েছে সেনার একাধিক মর্টার শেল!

    সিকিমের বিপর্যয়ে (Sikkim Disaster) ভেসে গিয়েছে সেনা ছাউনি। সেনার বহু অস্ত্রসস্ত্র ভেসে এসেছে। সেই সব অস্ত্র, শেল সাধারণ মানুষের হাতে চলে এসেছে। ইতিমধ্যেই মর্টার শেল কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বিস্ফোরণে জলপাইগুড়ির ক্রান্তি ব্লকের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছে আরও ৬ জন। সেনার ধারণা, এরকম অনেক সাধারণ মানুষের হাতেই এই ধরনের শেল, অস্ত্র চলে গিয়েছে। কিন্তু, তা এখনও প্রশাসনের কাছে জমা পড়েনি। বাড়িতে মজুত করা মর্টার শেল জমা দিলে, পাছে পুলিশ গ্রেফতার করে, এই ভয়ে অনেকেই শেলগুলি জমা দিতে চাইছেন না বলে পুলিশ প্রশাসনের ধারণা। যে পরিমাণ মর্টার শেল মজুত রয়েছে তা ফেরত না দিলে আরও বড় বিপদ হতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

    কী বললেন সাংসদ?

    সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায় বলেন, সিকিম বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) পর বন্যার জলে ভেসে এসেছে সেনাবাহিনীর প্রচুর বিস্ফোরক। যেগুলি তিস্তা পাড় থেকে উদ্ধার করে অনেকেই বাড়ি নিয়ে গিয়েছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে, উদ্ধার হওয়া মর্টার শেলগুলি জমা দিলে পুলিশ তাঁদের বিস্ফোরক আইনে গ্রেফতার করতে পারে। এমন ভয়ে সেগুলির তথ্য পুলিশকে দিতে চাইছেন না। যদিও ইতিমধ্যেই সেগুলির মধ্যে কিছু উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেছে সেনা। বিস্ফোরকগুলি পুলিশকে দিলে মামলা রুজু করবে না। আমি পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ফলে, সকলের কাছে আমার আবেদন, তিস্তা থেকে যারা সেনার মর্টার সেল সহ বিভিন্ন বিস্ফোরক নিয়ে গিয়েছেন, তাঁরা থানায় গিয়ে জমা করে দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘নতুন বছরের শুরুতেই বালুরঘাট থেকে ছুটবে বেঙ্গালুরুগামী ট্রেন’, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘নতুন বছরের শুরুতেই বালুরঘাট থেকে ছুটবে বেঙ্গালুরুগামী ট্রেন’, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই বালুরঘাট থেকে ছুটবে বেঙ্গালুরুগামী ট্রেন। শুধু তাই নয়, দিল্লি বা গুয়াহাটিকে পিছনে রেখে বেঙ্গালুরুকেই কেন এক্ষেত্রে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছেন তারও বিস্তারিত ব্যাখ্যা রেলমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সিক ও পিট লাইনের কাজ দ্রুত সমাপ্তির পথে। যা চলতি বছরে শেষ হওয়ার মধ্যেই বালুরঘাট থেকে চালু হবে বেঙ্গালুরুগামী ট্রেন। এই খবর সামনে আসতেই রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    রাজ্যের প্রত্যন্ত ও সীমান্ত অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা। ভারত-বাংলাদেশের তিনদিক সীমান্ত বেষ্টিত এই জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বলতে মূলত সড়ক ব্যবস্থাকেই বোঝায়। অথচ কৃষিপ্রধান এই জেলার মানুষকে চিকিৎসার জন্য প্রায় ছুটতে হয় বেঙ্গালুরুতে। শুধু তাই নয়, হিলি চেকপোস্ট পেরিয়ে প্রতিদিনই বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসার জন্য এপারে আসেন কয়েকশো বাংলাদেশি মানুষ। সেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষই স্বাধীনতার প্রায় ৫৬ বছর পর প্রথম ট্রেনে চড়ার স্বাদ পেয়েছিল। কিন্তু, তারপর হাতে গোনা দু’চারটি ট্রেন ব্যবস্থায় কলকাতার সঙ্গে কিছুটা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলেও দূরপাল্লার কোনও ট্রেন আজও চালু না হওয়ায় চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। এবার বিজেপি সাংসদের উদ্যোগে এই স্টেশন থেকে দুরপাল্লার ট্রেন চলাচল করা শুরুর পথে। এই বিষয়ে বালুরঘাটের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমরা আমাদের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বালুরঘাট থেকে বেঙ্গালুরুতে ট্রেন চলাচল করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। আমাদের চিকিৎসা করতে মাঝের মধ্যে বেঙ্গালুরুতে যেতে হয়। বালুরঘাট থেকে যদি বেঙ্গালুরুতে ট্রেন চলে তাহলে আমাদের জেলাবাসীর খুব সুবিধা হবে। আমরা চাই, দ্রুত বালুরঘাট থেকে বেঙ্গালুরু ট্রেন চলাচল শুরু হোক।

    বেঙ্গালুরুগামী ট্রেন চালু নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এই লোকসভা কেন্দ্রের বিগত সাংসদরা রেলমন্ত্রীর কাছে শুধুমাত্র দূরপাল্লার ট্রেনের দরবারই শুধু করে গিয়েছেন। কিন্তু, তারপর সেগুলো কেন বাস্তবায়ন হয়নি তার কোনও খোঁজও নেননি তাঁরা। প্রথমত, বিষয়টি বুঝতে গিয়ে আমিও কিছুটা হোঁচট খেয়েছিলাম। কিন্তু, সেখানে থেমে না গিয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করেছি। তারপরেই সিক ও পিট লাইনের কথা জানতে পেরেছি। সিক ও পিট লাইন একটি রেলস্টেশনকে নাবালক থেকে সাবালক স্তরে নিয়ে গিয়ে পৌঁছায়। যা পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলেই সেই স্টেশন থেকে দূরপাল্লার সমস্ত ট্রেন চলাচল করতে পারে। বিষয়টি জানার পরেই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে এনিয়ে দরবার করি। প্রায় ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দে বালুরঘাট স্টেশনকে সাবালকত্ব রূপ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। চলতি বছরেই যার পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে বালুরঘাট রেলস্টেশন। আর এরপরেই এই স্টেশন থেকে ছুটবে দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটের ট্রেন। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘চিকিৎসা ব্যবস্থায় অনেকটাই পিছিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর। জেলাবাসীর সুবিধার জন্য ও এ জেলার মানুষকে চিকিৎসার জন্য প্রায় যেতে হয় বাইরে। জেলার মানুষ হিসাবে বিষয়টি উপলব্ধি করে সাংসদ হিসাবে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। যাতে জেলার মানুষ চিকিৎসা করতে যেতে সুবিধা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share