Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • BSF: নিজের ঘরে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী বিএসএফ আধিকারিক, চাঞ্চল্য

    BSF: নিজের ঘরে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী বিএসএফ আধিকারিক, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের সার্ভিস রিভলবার থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী  হলেন এক বিএসএফ (BSF) আধিকারিক। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্তের চকগোপাল বিওপিতে ঘটেছে। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে বিএসএফের ওই ক্যাম্পে। মৃত বিএসএফ আধিকারিকের নাম ওমপ্রকাশ মীনা (৪৮)। তাঁর বাড়ি রাজস্থানে। বিএসএফের ১৩৭ নম্বর ব্যাটেলিয়ের সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। পারিবারিক অশান্তি ছিল না কি না তা জানতে তাঁর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হবে। সম্পর্কের কোনও টানাপোড়েন রয়েছে কি না সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, কাজের জায়গায় কোনও সমস্যা ছিল না কি না সেই বিষয়টিও নজরে রাখছে পুলিশ। তবে, এখনও পর্যন্ত ওই বিএসএফ আধিকারিক কেন আত্মহত্যা করলেন, সে ব্যাপারে ধোঁয়াশা রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিএসএফ সূত্রে খবর, বর্তমানে বিএসএফের (BSF) আধিকারিক চকগোপাল বিওপিতে ছিলেন। এমনিতেই তিনি নিয়ম করে তিনি ডিউটি করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ঘরেই আত্মঘাতী হন ওই বিএসএফ আধিকারিক। নিজের রিভলবার দিয়ে পর পর চার রাউন্ড গুলি চালান ওই বিএসএফ জওয়ান। সব কটি গুলি নিজের বুক লক্ষ্য করে চালিয়েছিলেন ওই জওয়ান। গুলির আওয়াজ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান তাঁর সহকর্মীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে তাঁকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে আসে বালুরঘাট থানার আধিকারিক, বিএসএফের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। কী কারণে ওই বিএসএফ আধিকারিক আত্মঘাতী হল তা নিয়ে ধন্দে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। রবিবার মৃত ওই বিএসএফ জওয়ানের দেহের ময়না তদন্ত করা হয়।  তারপর তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    সহকর্মীরা কী বললেন?

    সহকর্মীদের বক্তব্য, আচমকা ঘরের ভিতর থেকে পর পর গুলির আওয়াজ শুনে আমরা চমকে উঠি। প্রথমে বাইরের কেউ হামলা করল কি না  ভেবে আমরা ছুটে যাই। ঘরের ভিতর রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখি। এভাবে নিজে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হবেন তা আমি ভাবতে পারিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও জওয়ানের স্ত্রী, কাদের ‘টার্গেট’ করত জানেন?

    Siliguri: শিলিগুড়িতে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে উধাও জওয়ানের স্ত্রী, কাদের ‘টার্গেট’ করত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম হেমা তামাং। সেনা জওয়ানের স্ত্রী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হেমা দার্জিলিঙের গৈরিগাঁওয়ের বাসিন্দা। কিন্তু, গত এক থেকে দেড় বছর ধরে তিনি শিলিগুড়ি (Siliguri) সংলগ্ন আপার বাগডোগরার স্টালিননগরে বাড়ি ভাড়া করে থাকছিলেন। আপার বাগডোগরায় তাঁর একটি কাপড়ের দোকানও রয়েছে। এই সেনা জওয়ানের স্ত্রী কার্যত শিলিগুড়ির সেনা জওয়ানদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

    সেনা জওয়ানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হেমা মূলত বেছে বেছে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের স্ত্রীদের ‘টার্গেট’ করতেন। তাঁদের কাছ থেকে নানা অছিলায় টাকা ধার নিতেন। কখনও বাড়ি কেনার নাম করে, কখনও নিজের দোকানের প্রয়োজনের কথা বলে এই জওয়ান-পত্নীদের কাছ থেকে হেমা টাকা ধার নেন। কারও কাছ থেকে এক লক্ষ, কারও কাছ থেকে দুই লক্ষ, কারও কাছ থেকে আবার একযোগে ১০ লক্ষ টাকা নেন তিনি। সবমিলিয়ে জওয়ানদের স্ত্রীদের কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আর এক জওয়ান-পত্নীর বিরুদ্ধে। কিন্তু, পরিশোধ করেননি কোনওটাই। গত কয়েক দিন ধরে অভিযুক্ত জওয়ানের স্ত্রীর সন্ধান না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রতারিতেরা। ১৭ জন জওয়ান-পত্নী শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের বাগডোগরা থানায় অভিযুক্ত হেমা তামাংয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    প্রতারিতদের কী অভিযোগ?

    প্রতারিতদের বক্তব্য, টাকা চাইতে গেলেও নানা অছিলায় তা এড়িয়ে যেতেন হেমা। গত একমাস ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগও করা যাচ্ছে না। এমনকী, হেমার ফোনও বন্ধ রয়েছে। দেখা যায় এরকমভাবে বহু সেনা জওয়ানের স্ত্রীর কাছে সে টাকা হাতিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সকলে একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করুক পুলিশ।

    শিলিগুড়ির (Siliguri) পুলিশ কমিশনারের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে শিলিগুড়ির (Siliguri) পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি মামলাও রুজু করা হয়েছে। যেহেতু এটি সেনার বিষয়, তাই সেনা আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী উদয়ন গুহের সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কোন্দল নিয়ে দলের অন্দরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দলের সাংগঠনিক বিষয়ে নয় সরকারি অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে শাসকদলের জেলার দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে কোচবিহার (Cooch Behar) জেলাজুড়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    শিলান্যাস হচ্ছে কোচবিহার (Cooch Behar) পুর এলাকার বেশ কিছু রাস্তার কাজ। আর সেখানেই আরও একবার প্রকাশ্যে আসল রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ ও পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ-এর দ্বন্দ্ব। অভিযোগ, উদ্বোধনী ব্যানার থেকে শুরু করে চিঠিতে নাম নেই কোচবিহারের পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের আর্থিক সহযোগিতায় কোচবিহার পুর এলাকার ১৮টি রাস্তার কাজের শিলান্যাস করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উদয়ন গুহ। শনিবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের কোচবিহার দফতরের সামনে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিলান্যাস কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পবন কাদিয়ান, জেলা সভাধিপতি সুমিতা বর্মন, কোচবিহার পুরসভার উপ-পুরপ্রধান আমিনা আহমেদ। শনিবারই সেই অনুষ্ঠান ছিল। স্বাভাবিকভাবে সেই অনুষ্ঠানে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ যাননি। যদিও অনুষ্ঠানে থাকার আমন্ত্রণ অনেক কাউন্সিলার পাননি বলেও অভিযোগ উঠছে। ফলে, সেই কাউন্সিলারও অনুষ্ঠানে যাননি। একটি সরকারি অনুষ্ঠানেও তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এভাবে প্রকাশ্যে আসায় রীতিমতো অস্বস্তি শাসক শিবিরে। কোচবিহার জেলার দুই হেভিওয়েট নেতার এই অন্তর্দ্বন্দ্ব আসন্ন ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটা সময়ের অপেক্ষা।

    মন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, চলতি মাসের ৪ তারিখ চিঠি দিয়ে সবিস্তারে জানানো হয়েছিল পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। এমনকী শনিবারের অনুষ্ঠান নিয়েও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পুর এলাকায় কাজ হবে অথচ পুরপ্রধানকে জানানো হবে না, এটা কখনওই হতে পারে না।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ নিজের পুর এলাকায় রাস্তা শিলান্যাসের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে এড়িয়ে গেলেন। তিনি বলেন, সরকারি অনুষ্ঠানের বিষয়ে আমি জানি না। কোথায় কী হচ্ছে আমি জানিনা! তাছাড়া আমাকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    Dengue Situation: মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে, ফের অদ্ভুত যুক্তি ফিরহাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি (Dengue Situation) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিনিয়ত তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এরই মাঝে আজব যুক্তি শোনা গেল কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের মুখে। মেয়রের যুক্তি অনুযায়ী, মানুষের মুভমেন্টের জন্যই নাকি ডেঙ্গি ছড়াচ্ছে। দুর্গাপূজো শুরু হতে এক মাসও বাকি নেই, এরই মাঝে মেয়রের এমন যুক্তিতে বোঝা যাচ্ছে যে কলকাতা পুরসভার ডেঙ্গি মোকাবিলায় ঠিক কতটা ব্যর্থ। শনিবার সাংবাদিকরা ডেঙ্গি (Dengue Situation) সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন করেন মেয়রকে। তখন একটি প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘‘আমরা যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নিচ্ছি। কলকাতায় ডেঙ্গি অনেকটা কম। সেটা যাতে কম থাকে সেই চেষ্টা করছি। এখন যেহেতু লকডাউন নেই তাই মানুষের মুভমেন্ট রয়েছে এবং এ কারণেই ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গি। কোথায় মানুষকে মশায় কামড়াচ্ছে তা বলা মুশকিল’’ অন্যদিকে কলকাতা পুরসভার সরকারি তথ্য বলছে, বর্তমানে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৮০৩। ১২ সেপ্টেম্বর এই সংখ্যা ছিল ২,৭৯০। ১২ দিনের ভিতরে সংখ্যা ১,০০০ বেড়েছে।

    ডেঙ্গিতে ফের মৃত্যু শহরে

    অন্যদিকে, কলকাতাতে ফের ডেঙ্গি (Dengue Situation) মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। বিজয়গড়ে ১২ বছরের এক কিশোরী এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি ছিল ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে। সেখানেই তার মৃত্যু হয় বলে সূত্রের খবর। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই কিশোরী জ্বরে ভুগছিল, সঙ্গে বমিও হচ্ছিল। স্থানীয় চিকিৎসকদের দেখালেও ফল মিলছিল না। পরিবারের অভিযোগ, ডেঙ্গির জন্য কোনও ব্যবস্থাই নাকি চিকিৎসকরা নেয়নি। শুধু জ্বর ও বমির ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। শনিবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয় ওই কিশোরী এবং হাসপাতালের জরুরীকালীন বিভাগেই তার মৃত্যু হয়।

    রাজ্যজুড়ে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গি

    অন্যদিকে রাজ্যজুড়েও ব্যাপক থাবা বসিয়েছে ডেঙ্গি। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ উত্তর চব্বিশ পরগনায় ডেঙ্গি আক্রান্তের (Dengue Situation) সংখ্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতরও স্বীকার করেছে এই তিন জেলায় ডেঙ্গি ভাইরাস অত্যধিক সতর্ক। এরই মধ্যে জ্বর নিয়ে এই তিন জেলার মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি হতেও দেখা যাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বিদেশে তো উনি সদলবলে বেড়াতে গিয়েছিলেন, মমতা ফিরতেই সরাসরি আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: বিদেশে তো উনি সদলবলে বেড়াতে গিয়েছিলেন, মমতা ফিরতেই সরাসরি আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদলবলে ঘুরতে গিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর স্পেন সফর সম্পর্কে এভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর আগেও বিদেশ সফর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু বাংলাতে তার ফলাফল হয়েছে অশ্বডিম্ব তাই দিলীপ ঘোষের দাবি যে ভুল নয় তা স্বীকার করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। মেদিনীপুরের সাংসদের আরও প্রশ্ন, এই সফর থেকে বাংলার সার্বিক কোনও লাভ হল কি?

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ

    শনিবার দিল্লি থেকে কলকাতা ফেরেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বিমানবন্দরের গেটে সাংবাদিকরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘‘আমি জানিনা অনেকেরই ছবি দেখলাম। ওনার সঙ্গে যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা কিসের বিশেষজ্ঞ! কি তাঁদের বিশেষত্ব! কেন সাধারন মানুষের লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া হল ওদেরকে।’’ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির (Dilip Ghosh) আরও দাবি, স্পেন থেকে ফুটবল আনতে ওনার সঙ্গে যারা গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে তো কোনও ফুটবলার ছিলেন না। যদি প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া যেত, তাহলেও বোঝা যেত। কিন্তু যারা কখনও ফুটবল খেলেননি সেই সমস্ত মহামানবরা গিয়েছিলেন ওদের সঙ্গে। 

    রাজ্যে ফিরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, ১২ দিনের সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবারই কলকাতায় ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিল্প এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে পিছনের সারিতে চলে গিয়েছে রাজ্য। সিন্ডিকেট এবং তোলাবাজির কারণে কোনও ছোটখাটো শিল্প-এর সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সফর সফল হয়েছে এবং বিনিয়োগও আসছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, দুবাইতে আমরা বাণিজ্য সম্মেলন করেছি। এত সফল কর্মসূচি আমি খুব কম দেখেছি।’’ প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরে ইংল্যান্ড থেকে মাদ্রিদে হাজির হয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে স্পেনের মাদ্রিদে গিয়ে ঘোষণা করতে হল যে শালবনিতে তিনি ইস্পাত কারখানা করবেন। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী এমন বিদেশ সফর করেছেন কিন্তু তার ফলাফল কিছু হয়নি কোনও বিনিয়োগও আসেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati : অবশেষে বিশ্বভারতীর নিখোঁজ ছাত্র উদ্ধার তালসারি থেকে, কেন নিখোঁজ ছিলেন জানেন?

    Visva Bharati : অবশেষে বিশ্বভারতীর নিখোঁজ ছাত্র উদ্ধার তালসারি থেকে, কেন নিখোঁজ ছিলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নিখোঁজ পড়ুয়ার উদ্ধার হল ওড়িশার তালসারি থেকে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) থেকে দর্শন বিভাগের এক ছাত্র নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। এই নিখোঁজ পড়ুয়ার নাম পান্নাকারা থাই, তিনি ছিলেন মায়ানমারের নাগরিক। পরিবারের তরফ থেকে বোলপুর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ছাত্র নিখোঁজের পর থেকেই বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসে শোরগোল পড়ে যায়। এরপর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে।

    কীভাবে উদ্ধার হলেন ছাত্র

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় নিখোঁজের পরে বোলপুর থানার (Visva Bharati) হাতে মোট ১২ জন গ্রেফতার হয়। এরপর অভিযুক্তদের সূত্র ধরে, ফোন ট্যাপ করে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে, পুলিশ অনুসন্ধান করে জনেতে পারেন, যে এই ছাত্রকে ওড়িশার তালসারিতে আটকে রাখা হয়েছে। এরপর অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে পান্নাকারাকে ফিরিয়ে আনা হয়।

    কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) থেকে একটি গাড়িতে করে কয়েকজন যুবক, জোর করে তুলে নিয়ে চলে যায়। থানায় অভিযোগের পর তাঁর খোঁজ খবর করতে করতে পুলিশ দুবরাজপুর থেকে আজারুদ্দিন মির্ধা, শেখ আলাউদ্দিন এবং আতাউল্লা শেখ নামে তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। এরপর আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও ৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই দুষ্কৃতীদের জেরা করতেই চাঞ্চাল্য কর তথ্য উঠে আসে। চুলের ব্যবসার টাকা পাওয়াকে ঘিরে পান্নাকারাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    মায়ানমার থেকে মেদিনীপুর হয়ে চুল যেত চিনে

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) ছাত্র পান্নাকার থাই চুলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মায়ানমার থকে পশ্চিম মেদিনীপুর হয়ে চুল যেত চিনে। এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এজেন্টরা পড়ুয়ার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা পেত। এর মধ্যে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা এজেন্টদের দিয়েছন পান্নাকারা, কিন্তু এখনও ৫০ লাখ টাকা বাকি। ভাগের টাকা না পেয়ে এজেন্টরা এই বিশ্বভারতীর ছাত্রকে অপহরণ করেছিল বলে জানা গেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pawan Singh: অর্জুন পুত্র বিধায়ক পবন সিংয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি করে প্রতারণা, চাঞ্চল্য

    Pawan Singh: অর্জুন পুত্র বিধায়ক পবন সিংয়ের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি করে প্রতারণা, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একীকাণ্ড! এবার খোদ বিধায়কের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠল প্রতারণাচক্রের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়ায়। এর কিছুদিন আগেই সেই ভাটপাড়ারই ফুটপাতের এক ব্যবসায়ীর আধার কার্ড জালিয়াতি করে ভিনরাজ্যে কোটি টাকার ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল অসমের এক প্রতারক। ভাটপাড়ার ওই ব্যবসায়ী কিস্তিতে বাইক কিনতে গিয়ে আধার কার্ড জালিয়াতির বিষয়টি তিনি জানতে পারেন। এবার সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ভাটপাড়ার বিধায়ক তথা অর্জুন পুত্র পবন সিংয়ের (Pawan Singh) ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠল প্রতারণাচক্রের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, বিধায়কের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি কারবারীর হদিশ পায়নি পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  চলতি মাসের ১২ তারিখ ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন কুমার সিং (Pawan Singh) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক প্রোফাইলে তাঁর নামে খোলা একটি ফেক ফেসবুক একাউন্টের ছবি পোস্ট করেন। যেখানে পরিষ্কারভাবে ফেক অ্যাকাউন্ট থেকে মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলার ছবি দেখা যাচ্ছে। গোটা ঘটনাটি বিধায়ক পবন সিংয়ের নজরে আসার পরেই  ১৩ই সেপ্টেম্বর জগদ্দল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। যদিও তিনি বিশেষ কাজে রাজ্যের বাইরে থাকলেও তার অনুগামীরা গোটা ভাটপাড়া অঞ্চল জুড়ে সকলকে সাবধান থাকার প্রচার করেছেন। যদিও এক সপ্তাহের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশের তরফ কোনও  ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে, প্রতারণাচক্ররা আরও বেশি সক্রিয় হয়ে অন্যদের এভাবেই প্রতারণা চালাবে বলেই বিধায়ক অনুগামীরা মনে করছেন।

    কী বললেন ভাটপাড়ার বিধায়ক? (Pawan Singh)

    বিধায়ক পবন সিং (Pawan Singh) বলেন, আসলে সাইবার প্রতারকরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি করে আমার ঘনিষ্ঠদের কাছে টাকা চেয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছি। থানার আইসিকে আমি নিজে ফোন করে বিষয়টি আবার বলেওছি। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছি। তবে, কে বা কারা এই প্রতারণা করল তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। এই ঘটনা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অজয় নদে হড়পা বানে ভেঙে গেলে সেতু! বিচ্ছিন্ন বীরভূম-বর্ধমানের যোগাযোগ

    Birbhum: অজয় নদে হড়পা বানে ভেঙে গেলে সেতু! বিচ্ছিন্ন বীরভূম-বর্ধমানের যোগাযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) অজয় নদে হঠাৎ হড়পা বান। এই হড়পা বানের ফলে মাঝ নদের মধ্যেই আটকে গেল পাথর বোঝাই ডাম্পার। প্রাণে বাঁচলো চালক-খালাসি। কাজ চলছিল নদের উপরে অস্থায়ী সেতুর। কিন্তু আচমকা জলের স্রোতে সব ভাসিয়ে নিয়ে চলে গেল। সেই সঙ্গে ভেঙে পড়ে নদের উপর অস্থায়ী সেতু। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হল বীরভূম-বর্ধমানের। নির্মাণের কর্মীরা কোনও রকমে প্রাণ বাঁচালেন। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। রাজ্যে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের কারণে অধিক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে নদের জলের স্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়া দফতর থেকে বেশ কিছু জেলায় কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলা গুলিতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

    কীভাবে হড়পা বান (Birbhum)?

    রাজ্যে শনিবার সকালে জয়দেব থেকে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা শিবপুরের দিকে আসছিল একটি ডাম্বার। পথে অজয় (Birbhum) নদের অস্থায়ী সেতু অতিক্রম করার সময়, এই পাথর বোঝাই ছয় চাকার ডাম্পার, হড়পা বানের কবলে পড়ে যায়। বান আসলে নদের জলের স্তর বৃদ্ধি হতে শুরু করে। এই নদের উপর তৈরি হচ্ছিল অস্থায়ী সেতু, যা কার্যত ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে ডাম্পারটি মাঝ নদের আটকে পড়ে। সাঁতার কেটে কোনও ক্রমে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছে যান চালক ও খালাসী। একই ভাবে অস্থায়ী সেতু নির্মাণের কর্মীরাও সাঁতার কেটে নিরাপদ জায়গায় পৌঁছান। এই নদের অস্থায়ী সেতু বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানের মধ্যে সংযোগের একটা বিশেষ রাস্তা ছিল। হড়পা বানের কারণে দুই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় চূড়ান্ত ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    স্থানীয় (Birbhum) অবনী মজুমদার বলেন, “এই নদ ক্ষ্যাপা নদ। এই জল আসছে আবার চলেও যাচ্ছে। বানের কারণে সেতু ভেঙে গেছে। চলাচল করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতার ভোটের সময় প্রতুশ্রুতি দেন বটে, কিন্তু কাজের কথা পরে ভুলে জান। আমরা চাই এই নির্মীয়মাণ সেতু দ্রুত তৈরি হোক”। আরেক বাসিন্দা গোঁসাই বাগদী বলেন, “নদের জল হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় পাথর বোঝাই ডাম্বার আটকে গেছে। তবে আজ যাঁরা ছিলেন সকলে বড় বিপত্তি থেকে রক্ষা পেলেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: মহিলাদের চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, কী করছে পুরসভা?

    Alipurduar: মহিলাদের চাকরির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, কী করছে পুরসভা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) প্রতারণার নয়া ফাঁদ। চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল ‘স্মার্ট ভ্যালু’ নামে এক সংস্থার বিরুদ্ধে। আলিপুরদুয়ার শহরের প্রানকেন্দ্রে একটি ভাড়াবাড়িতে রমরমিয়ে চলছে প্রতারণার কারবার। পুরসভার পক্ষ থেকে এই ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থার লোকজনের দাবি। ফলে, এর পিছনে পুরসভার কর্মকর্তাদের কাটমানি রয়েছে কি না তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    কীভাবে প্রতারণা করছে সংস্থার কর্মীরা? (Alipurduar)

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ছাড়াও কামাখ্যাগুড়ি ও ফালাকাটাতেও এরকম অফিস করেছে ওই সংস্থা। ১৮ হাজার টাকা বেতনের চাকরির টোপ দিয়ে প্রতারণা শুরু করে ওই সংস্থা। প্রথমে তারা কম্পিউটার শেখানোর নাম করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলে। প্রশিক্ষিত হয়ে গেলেই চাকরি। আর  বেতন মিলবে ১৮ হাজার টাকা। গ্রাম বাংলার যুবক-যুবতীকে এমনই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে। চাকরির আশায় সেই ফাঁদে পা দিয়েছিলেন গৃহবধূরাও। গ্রামের ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের টার্গেট করত এই সংস্থার কর্মীরা। মহিলা ও মেয়েদের স্বনির্ভর করতে কম্পিউটার শেখানোর নাম করে তাঁদের কাছ থেকে অনলাইনে নেওয়া হত ১৫ হাজার টাকা। প্রতারিতদের দাবি, কম্পিউটার শেখা হয়ে গেলে তাঁদের চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হত। ফলে, প্রতারণার ফাঁদে পা দিয়ে আলিপুরদুয়ার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার পড়ুয়া ও গৃহবধূরা ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ। সবমিলিয়ে ওই সংস্থা বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছিল।

    প্রতারিতরা কী বললেন?

    প্রতারিত এক বধূর বক্তব্য, আমাদের পরিচিত মানুষজনের ৫০০ তালিকা তৈরি করে ফোন করতে বলা হত। আমাদেরকেও একই ভাবে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার কথা বলা হত। পুরানো কর্মীরা প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে যাঁরা ছেড়ে দিচ্ছেন, তাঁদের জায়গায় আসছেন নতুন কেউ। আমি টাকা ফেরতের জন্য প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, আমরা এটা সমর্থন করিনা। কেউ যদি পুরসভার নাম ভাঙিয়ে ব্যাবসা করে তা মেনে নেব না। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনের নজরে আনব। পুরসভার পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সামান্য সোনার জন্য একরত্তি শিশুকে গলা টিপে ছুড়ে ফেলল গঙ্গায়! তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: সামান্য সোনার জন্য একরত্তি শিশুকে গলা টিপে ছুড়ে ফেলল গঙ্গায়! তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই বছর দুই মাসের এক শিশু কন্যার সোনার কানের দুল ও চাঁদির মালা খুলে নিয়ে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হল। এরপর মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় প্রতিবেশী এক মহিলার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মহিলাকে বন্দনের ঋণ দেওয়ার জন্য অর্থ প্রয়োজন ছিল, আর তাই শিশু কন্যার সোনা খুলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার পুরাতন শিকদারপুর গ্রামে। অভিযুক্তকে অবিলম্বে ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবার। এখনও পর্যন্ত গঙ্গায় ওই শিশু কন্যার দেহ তলিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। 

    কীভাবে ঘটল খুনের ঘটনা?

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ বাড়ির পাশে খেলা করছিল দুই বছরের একরত্তি শিশু কন্যা সাহানা খাতুন। সেই সময় প্রতিবেশী এক মহিলা নায়েমা খাতুন, সাহানাকে কোলে তুলে নিয়ে যায়। প্রথমে আদর করছে ভেবে পরিবারের সদস্যরা কিছু বলেননি। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই শিশু কন্যাকে দেখতে না পেয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে, ওই প্রতিবেশী মহিলাকে জিজ্ঞেস করতেই বেরিয়ে আসে আসল রহস্য।

    মৃত শিশুর আত্মীয়ের বক্তব্য

    মৃত শিশু কন্যার পিসি সুমা খাতুন বলেন, “বন্ধনের ঋণ দেওয়ার জন্য সাহানাকে খুন করেছে নায়েমা খাতুন। আমার ভাইঝির পড়নে সোনার কানের দুল ও চাঁদির গহনা খুলে, গলাটিপে শ্বাসরোধ করে খুন করে এই মহিলা। খুন করে ভাইঝিকে গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ এখনও নদীর তলায় রয়েছে। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে ওই খুনির কঠিন শাস্তি চাই।

    খুনের তদন্তে পুলিশ

    খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ অভিযুক্তের বাড়ি থেকে সোনার কানের দুল ও চাঁদির মালা উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ক্ষোভে ফুসছেন গ্রামবাসীরা। অভিযুক্ত মহিলার ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ডুবুরি টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share