Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Howrah: হাওড়া শিল্পাঞ্চল আজ শ্মশানভূমি! বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ ম্লান

    Howrah: হাওড়া শিল্পাঞ্চল আজ শ্মশানভূমি! বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ ম্লান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পের জন্য যে শহরের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সেই শহরে শিল্প আজ শ্মশান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। প্রাচ্যের শেফিল্ডস নামে পরিচিত হাওড়া (Howrah) শিল্পাঞ্চলের বিশ্বকর্মা পুজোর জাঁকজমক জৌলুস একটা সময় হার মানাত দুর্গাপুজোকেও। আজ সেই ছবি ধূসর। এখন শুধুই ইতিহাস। বড় বড় বিশ্বকর্মার মূর্তি, তাসা, ব্যান্ড পার্টি, ঢাকের বাদ্যিতে যেখানে কানের পর্দা ফাটার উপক্রম হত আজ সেখানেই যেন নীরবে কোনওরকমে নিয়ম রক্ষার ঘট পুজোয় শিল্পের দেবতার নামমাত্র আরাধনায় মাততে হচ্ছে হাওড়া শিল্পাঞ্চলের মানুষদের।

    এক সময় হাওড়ায় কেমন হত বিশ্বকর্মা পুজো?

    আলামোহন দাসের তৈরি হাওড়ার দাসনগর শিল্পাঞ্চল এখন শ্মশানে পরিণত হয়েছে। গেস্টকিন উইলিয়ামস, রেমিংটন রেন্ড, বার্ন স্ট্যান্ডার্ড, ইন্ডিয়ান মেশিনারি, হুগলি ডক অ্যান্ড পোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং একের পর এক গঙ্গার ধার বরাবর গড়ে ওঠা জুট মিল, ফ্লাওয়ার মিল এখন এক একটা বিরাট ভূতুড়ে বাড়ির মত দাঁড়িয়ে আছে হাওড়া (Howrah) শহরজুড়ে। কোনও রকমে টিকে রয়েছে ঢালাই ও যৎসামান্য কয়েকটি লৌহ ইস্পাত, ক্ষুদ্র শিল্প। একটা সময় কারখানার ছুটি হলে বেজে উঠত সাইরেন। আর হাজারে হাজারে লোক কারখানা থেকে বেরিয়ে রওনা দিতেন গন্তব্যে। আজ সেই সাইরেনও শোনা যায় না। তখন দুর্গাপুজো মহালয়ার মতই বিশ্বকর্মা পুজো আসার ৩-৪ দিন আগে থেকেই একটা পুজো পুজো ভাব ফুটে উঠতো হাওড়া শিল্পাঞ্চলজুড়ে। কোনও কোনও কারখানায় তো বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে এক সপ্তাহ ছুটি দিয়ে দেওয়া হতো। দুর্গাপুজোর মতোই তখন বিশ্বকর্মা পুজোতে চালু ছিল থিম প্যান্ডেল। কোনও কারখানা কত বড় বিশ্বকর্মা প্রতিমা নিয়ে আসবে বা কে কাকে মণ্ডপে টেক্কা দেবে এটাই ছিল সব থেকে বড় প্রতিযোগিতা। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে শ্রমিকদের সপরিবারেরও নিমন্ত্রণ থাকত। ভোর থেকেই শ্রমিক পরিবারের বউ ও মেয়েরা চলে আসতো কারখানায় পুজোর জোগাড় করতে। তারপর হত বিশ্বকর্মা পুজো এবং দিনভর খাওয়া-দাওয়া, হই হুল্লোর আনন্দ উৎসব। সারা বছরের কাজের ক্লান্তি চাপা পড়ে যেত এই দু-তিন দিনে।

    বিশ্বকর্মা পুজো নিয়ে কী বললেন লেদ কারখানার মালিক, শ্রমিকরা?

    লেদ কারখানার কর্মী সৌমিক মণ্ডল বলেন, তখনকার দিনে অনেক আগে থেকেই পুজো নিয়ে নানা পরিকল্পনা করা হত। কে ঠাকুর আনতে যাবে, এবারে কোনও শিল্পীকে আনা হবে সেসব নিয়ে আলোচনা চলত। সব কিছুর মধ্যেই একটা অন্যরকম অনুভূতি ছিল। এখন সবটাই ইতিহাস। কোনওরকমে সেই ট্রাডিশনকে ধরে রাখতে কোথাও ছোট ঠাকুর এনে আবার কোথাও শুধু ঘটপুজোয় বিশ্বকর্মার আরাধনা করতে হয়। জগদীশপুরের বাসিন্দা রবীন চট্টোপাধ্যায় বলেন, চাকরি করতেন বান স্ট্যান্ডার্ড কারখানায়। কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। কোনও চাকরি না পেয়ে সংসারে অভাব নেমে আসে। মেয়ের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে গেল। সেই কষ্টের দিনগুলো এখনও মনে পড়লে খুবই খারাপ লাগে। বিশ্বকর্মা পুজো একটা উৎসবের আকার নিত। এখন সবটাই ইতিহাস। কারখানা মালিক সনৎ কুমার দাস বলেন, হাওড়া (Howrah) শিল্পাঞ্চলে একসময় ছিল শিল্পের স্বর্ণযুগ। আজ সেই গৌরব আর নেই।

    মৃৎশিল্পীদের কী বক্তব্য?

    এক মৃৎশিল্পী বাপ্পা পাত্র বলেন, একটা সময় বিরাট বিরাট ঠাকুর হত। শয়ে শয়ে ঠাকুর বিক্রি হতো পুজোর দুদিন আগে থেকেই। এখন বড় ঠাকুরের অর্ডার তো আসেই না। উল্টে ছোট ঠাকুরের দাম পাওয়া যায়না। প্রতিবছরই ঠাকুরের চাহিদা কমছে। তিনি গত বছর যেখানে ৪৫ টি ছোট ঠাকুর তৈরি করেছিলেন এবছর ২০টি ঠাকুর তৈরি করেছেন। তাও বিক্রি হচ্ছেনা। হাওড়ায় (Howrah) ফিরে আসুক শিল্পের সেই সোনালী অতীত। শিল্পের কারিগরের কাছে সেই প্রার্থনা করলেন হাওড়ার শ্রমিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বিশ্বকর্মা ও গণেশ পুজোতে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: বিশ্বকর্মা ও গণেশ পুজোতে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বর্ষায় দক্ষিণবঙ্গে একদমই ভাল বৃষ্টিপাত হয়নি। আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ভালোই বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টির ঘাটতি যেন মিটছে সেপ্টেম্বর মাসে। মাস শুরু হতেই নিম্নচাপে বেশ খানিকটা বৃষ্টিপাত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, এবারের বিশ্বকর্মা পুজো এবং গণেশ পুজোটা কাটবে বৃষ্টিতেই। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পূজা পড়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার, পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর গণপতি বাপ্পার আরাধনায় মাতবে বাঙালি।  রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে সব জেলায় বৃষ্টির (Weather Update) কথা শুনিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় বৃষ্টি

    রবিবার উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া এই সমস্ত জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে, সোমবার অর্থাৎ বিশ্বকর্মা পুজোর দিন দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত চলবে। মাঝারি বৃষ্টিপাতের জেলাগুলি হল, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর। অন্যদিকে বাকি জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই জেলাগুলি হল পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টিপাত (Weather Update) বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিপাত

    অন্যদিকে রবিবার ও সোমবার উত্তরবঙ্গের কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়নি আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।  তবে মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ উত্তরবঙ্গে বেশ খানিকটা বাড়বে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এই জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত (Weather Update) হতে পারে। জানা গিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়বে। পাঁচ দিন পর থেকে আবারও তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা কমবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত আবু তাহের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করলেন

    Nandigram: ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত আবু তাহের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় নাম জড়িয়েছিল নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁর নামে হুলিয়াও জারি হয়ে গিয়েছিল। এরই মাঝে গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আবু তাহের (Nandigram)। সেখানেও মেলেনি রক্ষাকবজ। পরের সুপ্রিম কোর্টে যান ভোট পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতা। ভারতের সর্বোচ্চ আদালত তাঁকে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেয়। শনিবার আত্মসমর্পণ করেন আবু তাহের। জানা গিয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শনিবার দুপুর নাগাদ আবু তাহের (Nandigram) তাঁর পুত্র এবং আইনজীবীকে নিয়ে হলদিয়া কোর্টে আসেন।

    বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতিকে হত্যায় নাম জড়ায় আবু তাহেরের

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের (Nandigram) ফল প্রকাশের পরে রাজ্যজুড়ে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে। বহু বিজেপি কর্মী নিহত হন শাসক সন্ত্রাসে। ঘরছাড়া হন প্রায় লক্ষাধিক বিরোধী কর্মী। অবাধে রাজ্যজুড়ে লুট হতে থাকে একের পর বিজেপি কর্মীর বাড়ি। নন্দীগ্রামের চিল্লাগ্রামে বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতিকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেবব্রতকে ভর্তি করা হয় কলকাতার হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় নাম জড়ায় নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল নেতা আবু তাহেরের।

    মামলা দায়ের ৩০২ ধারায়

    ভোট পরবর্তী হিংসাযর তদন্তভার হাইকোর্টের নির্দেশ মতো সিবিআই গ্রহণ করে। সেই তদন্তে উঠে আসতে থাকে একের পর এক শাসকদলের নাম। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজেন্ট ছিলেন শেখ সুফিয়ান তাঁর নামও উঠে আসে। জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে (Nandigram) ছিল আবু তাহেরের নাম। সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ তিনি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু রেহাই মিলল না। শনিবারই আত্মসমর্পণ করতে হল তাঁকে। আবু তাহেরের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বান্ধবীকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার, গ্রেফতার কোটিপতি কনস্টেবল, কেন জানেন?

    Birbhum: বান্ধবীকে বিলাসবহুল গাড়ি উপহার, গ্রেফতার কোটিপতি কনস্টেবল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বান্ধবীকে ১১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা দামের গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। নিজের নামে রয়েছে ১২টি ফিক্সড ডিপোজিট। এফডি-র  টাকার অঙ্কের পরিমাণ ৭৬ লক্ষ টাকা। তাঁর নামে ১০ লক্ষ টাকার জীবন বিমা রয়েছে। রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। রয়েছে প্রচুর জমি। সব মিলিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক। এক ঝলকে অ্যাকাউন্টের ব্যালান্স দেখে মনে হতেই পারে কোনও ব্যবসাদার। কিন্তু, সামান্য একজন ছাপোষা কনস্টবলের এই সম্পত্তি বলে সকলেই অবেক হবে। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা হতবাক হয়েছিলেন বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানার কনস্টেবল মনোজিৎ বাগীশের সম্পত্তির পরিমাণ দেখে।

    কী কারণে কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হল?

    কেষ্টর দৌলতেই কনস্টেবল সায়গল হোসেন কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছিলেন। কিন্তু, মনোজিৎ বাগীশের মাথার উপর কোনও কেষ্ট নেই। তবুও, তিনি কোটিপতি। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। বারুইপুরে তাঁর ঝাঁ-চকচকে বাড়ি রয়েছে। প্রথমে হাওড়া সিটি পুলিশ ও তারপর হাওড়া গ্রামীণ পুলিশে কর্মরত মনোজিৎ বর্তমানে বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানায় কনস্টেবলের পদে চাকরি করছিলেন। হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির তদন্তে নেমে ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকদের। বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার হওয়ার পর তাঁদের আশঙ্কা, তাঁর নামে আরও ফ্ল্যাট-সম্পত্তি থাকতে পারে। হিসাব বর্হিভূত অর্থে অভিযোগের তদন্তে নেমে দুর্নীতি দমন শাখা তাঁকে গ্রেফতার করে। কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তাঁর কাছে এল তা নিয়ে তথ্য জানতেই অভিযুক্ত কনস্টেবলকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    সূত্রের খবর, অভিযুক্ত কনস্টেবলকে গ্রেফতার করার পর আদালতে পেশ করলে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। বীরভূম (Birbhum) জেলাজুড়ে তাঁকে নিয়ে চর্চা চলছে। বারুইপুরের যে এলাকায় মনোজিৎ বাগীশ থাকেন, সেখানকার স্থানীয়দের বক্তব্য, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই ক্রমশ বদলে যেতে থাকে তাঁর আর্থিক পরিস্থিতি। কনস্টেবলের চাকরি পাওয়ার কীভাবে এত সম্পত্তির মালিক হয়ে উঠলেন তা নিয়ে এলাকার চর্চাও চলত। তদন্তে আসল সত্য উদঘাটন হোক চাইছেন এলাকাবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় থামবে এবার তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস, জেলাজুড়ে খুশির হাওয়া

    Malda: মালদায় থামবে এবার তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস, জেলাজুড়ে খুশির হাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল রাজধানী এক্সপ্রেসের। এর আগেও জেলার মানুষ এই দাবিতে একাধিকবার রেল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়েছেন। জেলার মানুষের দাবি নিয়ে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে লিখিত আবেদন জানিয়েছিলেন। অবশেষে রেল মন্ত্রক সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে। এবার মালদার (Malda) উপর দিয়ে ছুটবে তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস।

    কোন রুট দিয়ে তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস ছুটবে, জানেন?

    আগামীকাল থেকে মালদা (Malda) স্টেশনের কাউন্টারে এই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন সকলে। রেল মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে এই তথ্য। পুরো বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকও। ১৪ সেপ্টেম্বর রেলের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগরতলা-আনন্দ বিহার তেজস রাজধানী এক্সপ্রেসের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। ২০৫০১ নম্বরের তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস নতুন রুট আনন্দ বিহার থেকে ছেড়ে কানপুর, পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়, পটনা, জামালপুর, ভাগলপুর, মালদা টাউন, নিউ জলপাইগুড়ি, রঙ্গিয়া, গুয়াহাটি, বদরপুর, ধর্মনগর, আমবাসা হয়ে আগরতলা পৌঁছবে। একই রুটে আগরতলা থেকে আনন্দ বিহার যাবে ২০৫০২ নম্বর সাপ্তাহিক তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস। রেল মন্ত্রকের এই বিজ্ঞপ্তি নিজের সোশাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু।

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে। তিনি বলেন, আগরতলা-আনন্দ বিহার তেজস রাজধানী এক্সপ্রেস এখন থেকে আর কাটিহার স্টেশনে ঢুকবে না। ট্রেনটি মালদা (Malda) রুট দিয়ে চলাচল করবে। কয়েকদিনের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ট্রেনটির নতুন রুট ও সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ন’টা থেকে মালদা টাউন স্টেশনে এই ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন সকলে। মালদার (Malda) উপর দিয়ে ছুটবে রাজধানী এক্সপ্রেস । যদিও এই পদক্ষেপের জন্য রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে তিনি ভোলেননি। শুধু রাজধানী এক্সপ্রেসই নয়, রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও মালদার জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশনের ভোল বদলের কাজও শীঘ্রেই শুরু হবে । উন্নত করার পরিকল্পনা আছে জেলার অন্যান্য স্টেশনও। কিছুদিনের মধ্যেই সেসব কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে জানান সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    Howrah Station: রণক্ষেত্র হাওড়া স্টেশন, আরপিএফ-হকারদের ব্যাপক সংঘর্ষ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) আরপিএফ এবং হকারদের সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনায় আরপিএফের সঙ্গে হকারদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে লাঠিচার্জ হয়। এর ফলে বেশ কয়েকজন হকার ইতি মধ্যে আহত হয়ে পড়েন। হকারদের অভিযোগ, তাঁরা স্টেশনে ব্যবসা করতে গেলে রেল পুলিশ বাধা দেয়। প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। আর তারপরে হকাররা প্ল্যাটফর্মে বসে অবস্থান করতে গেলে, রেলের পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয় এবং তারপর গোলমাল বাধে, মারামারি হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় স্টেশনের যাত্রীদের মধ্যেও তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।

    স্টেশনর কোথায় ঘটল ঘটনা (Howrah Station)?

    সূত্রে জানা গেছে, হাওড়া স্টেশনের (Howrah Station) ৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হকাররা রেলের পুলিশদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তাঁরা স্টেশনের মধ্যে থাকা দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কর্মসূচির কথা জানিয়েছিল, এবং সেই মতন তাঁরা বিক্ষোভ দেখানোর কাজে যোগদান করলে, রেলের পুলিশ এসে তাঁদের বাধা দেয়। এরপর একে একে সমস্ত হকাররা একত্রিত হলে, আরপিএফের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি এবং এরপর হাতাহাতি হয়। রেলের পুলিশ ঠিক তারপরেই ব্যাপক লাঠি চার্জ করে। ইতি মধ্যে বেশ কিছুজন হকার আহত হয়েছেন।

    আগেও হয়েছে ঝামেলা

    সূত্রে আরও জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবারেও এই হাওড়া স্টেশনে (Howrah Station) হকারদের সঙ্গে রেলের পুলিশদের এক প্রকার ঝামেলা হয়। হকাররা যে স্থানে বসে ব্যবসা করতেন, পুলিশ এসে তাঁদের তুলে দিয়েছিল। সেই দিনেও একপ্রকার ঝামেলা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। আরপিএফ পুলিশ এবং হাকারদের মধ্যে ঘটেছিল হাতাহতির ঘটনাও।

    গত বছর হয়েছিল সাঁতরাগাছি স্টেশনে ঝামেলা

    হাওড়া স্টেশনের মতন (Howrah Station) গত অগাস্ট মাসে সাঁতরাগাছি স্টেশনেও বেধে ছিল ব্যাপক সংঘর্ষ। হকার এবং আরপিএফের মধ্যে হয়েছিল ছিল ব্যাপক মারামারি। রেল পুলিশের লাঠির আঘাতে এক হাকারের মাথা ফেটে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। আর এই ঘটনার পরেই বাধে ব্যাপক সংঘর্ষ। রেল পুলিশের লাঠি চার্জের বিরুদ্ধে রামরাজাতলা এলাকায় চলে হকারদের অবস্থান বিক্ষোভ। এই ঘটনায় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখার বেশ কিছু রেল লাইন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। বেশ কিছু ট্রেন সাময়িক সময়ের জন্য আটকে যায়। যাত্রীদের ভীষণ অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rape: ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কী করছে পুলিশ?

    Rape: ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কী করছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ (Rape) করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই তৃণমূল নেতা ও তার এক সঙ্গী ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দির বাজার থানার কেচারকুড় গ্রামের নির্যাতিতা ওই কলেজ ছাত্রী। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rape)  

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল দশটা নাগাদ ব্যাঙ্কে যায়। সেখানে তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করেন ওই যুবতী। সেই সময় কেচারকুড় এলাকার দুই যুবক সাহারুল হালদার ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদার ওই কলেজ ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সেকেন্দারপুর মোড়ে নিজের একটি ফাঁকা বাড়িতে তোলে। প্রেমিককে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য একটি ঘরের মধ্যে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, তার নগ্ন ছবি মোবাইলে তুলে নিয়ে হুমকি দেয়। বিষয়টি কাউকে জানানো হলে তার নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকী তাদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকাও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই কলেজ ছাত্রীকে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে, না হলে নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনায় নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি আদালতে গোপন জবানবন্দীর জন্য পেশ করে পুলিশ।

    কী বললেন নির্যাতিতা?

    নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরে সমস্ত বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানাই। ঘটনার পর মন্দির বাজার থানায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি সারুল হালদার ও ইউনুস হালদারের  বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। আদালতে সমস্ত কিছু জানিয়েছি। কিন্তু, ঘটনার পর তিনদিন হয়ে গেল পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। ওরা তৃণমূল করে বলে কি পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেবে না। আমাদের দাবি, অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া হোক।

    কী বললেন অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতার স্ত্রী?

    অবশ্য এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদারের স্ত্রী বলেন, যেহেতু আমার স্বামী তৃণমূল কংগ্রেস করেন, তাই চক্রান্ত করে  স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন আইএসএফের কর্মী সমর্থক। এই সব ধর্ষণের (Rape) ঘটনায় আমার স্বামী জড়িত নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে জোর কদমে চলছে বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির কাজ, কী বললেন মৃৎশিল্পীরা!

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে জোর কদমে চলছে বিশ্বকর্মা প্রতিমা তৈরির কাজ, কী বললেন মৃৎশিল্পীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র দুই দিন পরেই বিশ্বকর্মা পুজো। কেমন হচ্ছে প্রতিমা বিক্রি? কেমনই বা আছেন মৃৎশিল্পী কর্মীরা? মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ফরাক্কার মহাদেবনগরের পালপাড়া গ্রাম এবং বহরমপুরের মৃৎশিল্পীদের কথায় উঠে এলো তাঁদের জীবনে সংগ্রামের কথা। প্রতিমা তৈরির শেষ তুলির টান চলছে জোর কদমে। পুজো কি আর সারা বছর হয়! বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়েই হয়। তাই এই সময়ে যদি প্রতিমা বিক্রি করে লাভের মুখ দেখতে না পান, তাহলে মৃৎশিল্পীদের বাকি সারাটা বছর অত্যন্ত অভাব-অনটনের মধ্যে জীবন কাটাতে হবে। তাই শিল্পীরা নিজেদের সমস্যার কথা জানিয়ে, রাজ্য সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এই জেলার মৃৎশিল্পীরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি করে বলেন, পুজো মন্ডপ গুলির মতন আমাদেরও অনুদান চাই। 

    সরকারী অনুদান চাইলেন মৃৎশিল্পীরা (Murshidabad)?

    স্থানীয় (Murshidabad) মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাল বাদে পরশু বিশ্বকর্মা পুজো। জোর কদমে চলছে প্রতিমা তৈরির ব্যাস্ততা। তবে এই বছর তেমন ভাবে বেচাকেনা নেই, কিছু প্রতিমার অর্ডার পাওয়া গেলেও, তাতে লাভের পরিমাণ কম। আর তাই তাঁদের খুব কষ্টের মধ্যেই কাটছে দিন। এই অবস্থায় মৃৎশিল্পকে এবং শিল্পীদের পারিবারিক জীবনকে সুরক্ষিত করতে সরকারের সাহায্য একান্ত প্রয়োজন। শিল্পীদের তরফে জানানো হয়, পুজো উদ্যোগতা ক্লাব গুলির জন্য যদি, ৭০ হাজার টাকা দেওয়া যেতে পারে, তাহলে যাঁরা পুজোর ঠাকুর তৈরির কারিগর, তাঁরা কেন আর্থিক সাহায্য পাবেন না!

    মৃৎশিল্পীর বক্তব্য

    ফরাক্কার (Murshidabad) মৃৎশিল্পী কৌশিক পাল বলেন, “যেমন ভাবে সরকার পুজো মন্ডপ গুলোকে অনুদান দিয়েছে, ঠিক সেই ভাবেই মৃৎশিল্পীদের আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন।” উল্লেখ্য ফরাক্কার পালপাড়ায় ও বহরমপুরে খাগড়ায় বহু মৃৎশিল্পীদের পরিবার চলে একমাত্র প্রতিমা বিক্রি এবং বিভিন্ন হস্তশিল্পের কাজের উপর। তাই এই শিল্পীদের জন্য বিশেষ আর্থিক অনুদানের আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

    বহরমপুরের আরেক শিল্পী বলেন, এই বছর বিশ্বকর্মা পুজো বায়না অনেক কম হয়েছে। দিন দিন সাজের জিনিসপত্রের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অপর দিকে ভালো সাজ না হলে ক্রেতারা প্রতিমা ক্রয় করতে চাননা। তাই দাম বেশি বলে মানুষের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকার যদি কলকাতার কুমারটুলির মৃৎশিল্পীদের মতন আমাদেরও স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করত, তাহলে আমরা ভীষণ ভাবে উপকৃত হতাম।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP-TMC Clash: কলকাতা পুরসভায় মারধর বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ কলকাতা পুরসভার অন্দরে (BJP-TMC Clash)। অভিযোগ, বিজেপি কাউন্সিলার সজল ঘোষকে পুরসভার অধিবেশন চলাকালীন ধাক্কা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু। এ নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় পুরসভার ভিতরে। তবে এই দিনের ঘটনা নতুন কিছু নয়, গত মাসেই পুরসভার অন্দরে এমন কাণ্ড দেখা গিয়েছিল। শ্যামপুকুর বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি (BJP-TMC Clash) নেতার বাড়ি জেসিপি নামিয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে পুরসভার বিরুদ্ধে। সে নিয়ে পুরসভার অন্দরে সরব হতেই তৃণমূল কাউন্সিলাররা মারধর করে বিজেপি কাউন্সিলরদের। একমাসের ব্যবধানে পের একবার তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখা গেল কলকাতা পুরসভায়। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্যের সর্বত্র তৃণমূলের সন্ত্রাস দেখছে সাধারণ মানুষ। রাস্তার সন্ত্রাস এবার উঠে এসেছে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানেও।

    ঠিক কি ঘটেছিল?

    জানা গিয়েছে, এদিন পুরসভার অধিবেশনে বিজেপির তরফে টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ দুর্নীতি প্রস্তাব উত্থাপন করতেই ঝাঁপিয়ে পড়েন তৃণমূল কাউন্সিলররা এবং মারধর শুরু করে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সজল ঘোষকে (BJP-TMC Clash)। শুধু তাই নয়, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগও ওঠে তৃণমূল কাউন্সিলার অসীম বসুর বিরুদ্ধে। এরপরেই অধিবেশ বয়কট করেন বিজেপি কাউন্সিলাররা। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই মেয়র বলেন, ‘‘বিরোধীরা এখানে প্রশ্নই করেনা! আমাদের কাউন্সিলারদেরই প্রশ্ন করতে হয়।’’ মেয়রের সামনেই দেখা গেল বিরোধীরা প্রশ্ন করলে ঠিক কী পরিণতি হয়।

    বিক্ষোভ বিজেপির

    বিজেপি কাউন্সিলাররা এদিনের ঘটনা পরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে তাঁরা সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। পুরসভার অন্দরে তাঁদের যে কোনও নিরাপত্তা নেই একথাও বলেন  গেরুয়া শিবিরের কাউন্সিলাররা। মারামারির ঘটনা নিয়ে সজল ঘোষ এবং অসীম বসু দুজনের কাছেই জবাব তলব করেছেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন চেয়ারপার্সন, তবে ব্যবস্থা গ্রহণ যে কতটা পক্ষপাতহীন হবে তা নিয়ে সন্দিহান গেরুয়া শিবিরের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • NIA: বেলডাঙায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ এবার যুক্ত করল ইউএপিএ ধারা

    NIA: বেলডাঙায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ এবার যুক্ত করল ইউএপিএ ধারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দেড়় বছর আগে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে ‘আন ল ফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেশন অ্যাক্ট’ অর্থাৎ ইউএপিএ যুক্ত করল এনআইএ (NIA)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে এমন কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত মিলিটারি গ্রেনেডের মতো। সাধারণ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যা মূলত উদ্ধার হয় না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (NIA)

    এনআইএ ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি  বেলডাঙা থানার রামেশ্বরপুর গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় একটি বাগানে ছোট পাম্পের ঘরে এই বিস্ফোরণ হয়েছিল। বিস্ফোরণে উড়ে যায় গোটা ঘরটি। ইয়াসউদ্দিন শেখ ওরফে ছাদি শেখ নামে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয় ঘটনাস্থল থেকেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই পাম্পের ঘরে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। প্রথমে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশ। ঘটনাস্থলে যান ফরেন্সিক আধিকারিকরা। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে এই ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এনআইএ (NIA)। আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এনআইএ আধিকারিকরা। তবে ততদিনে ৯ মাস পেরিয়ে গিয়েছে। তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭৪ টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছিল। সেই রিপোর্ট পুলিশ এনআইএ-এর হাতে তুলে দেয়। মামলার গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির রিপোর্টের ভিত্তিতে ইউএপিএ-র আবেদন করা হয়। কারণ, সাধারণ বোমা তৈরির ক্ষেত্রে এই ধরনের জিনিস ব্যবহার করা হয় না। কী কারণে সেখানে এই ধরনের শক্তিশালী বোমা তৈরি করা হচ্ছিল তার সূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে এনআইএ।

    আদালতে কী জানিয়েছে এনআইএ?

    আদালতে এনআইএ (NIA) জানায়, পাইপ বোমা বা বোমাতে লোহার টুকরো যা ব্যাবহার করা হয়েছে, তা সাধারণত মিলিটারি গ্রেনেডের মতো। ঘটনায় যারা গ্রেফতার হয়েছে এবং যারা জামিনে রয়েছে, তাদের জামিন বাতিল করার আবেদন জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share