Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Murshidabad: দোকান বন্ধের ফতোয়া, তৃণমূলের হয়ে ভোটের ময়দানে সিভিক ভলান্টিয়ার!

    Murshidabad: দোকান বন্ধের ফতোয়া, তৃণমূলের হয়ে ভোটের ময়দানে সিভিক ভলান্টিয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানিনগর (Murshidabad) ১ নম্বর ব্লকের টেকা হাড়িভাঙ্গা এলাকায় সিভিক ভলান্টিয়ারের অত্যাচারের ঘটনায় সরব সাধারণ এক দোকানদার। সন্ধ্যা হলেই দোকান বন্ধের ফতোয়া দিচ্ছে সিভিক ভলান্টিয়ার। এলাকার বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরা ওই দোকানে চা খেতে আসেন বলেই নাকি দোকান বন্ধের নির্দেশ। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কী ঘটেছে (Murshidabad)?

    এলাকায় (Murshidabad) চায়ের দোকান চালিয়ে নিজেদের সংসার চলে। এমনটাই জানালেন দোকানের মালিক এবং তাঁর স্ত্রী। স্ত্রী বলেন, একজন পুলিশ এবং সঙ্গে সাত-আট জন সিভিক দোকানে এসে গতকাল সন্ধ্যার পর হুমকি দেয়। হুমকি দিয়ে বলে, এখানে এত রাত পর্যন্ত কেন দোকান খোলা? অথচ আমরা দোকানের বাইরে বসে ছিলাম! দোকানদারের স্ত্রী আরও বলেন, আমাদের রাতের আশ্রয় এই দোকানেই। অথচ সিভিকরা হুমকি দেয়, দোকান ভাঙচুর করে দেবে! আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করে। ‘এখানে বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা এসে চা খান। সেই কারণেই দোকান খোলা যাবে না’-ঠিক এই ভাবেই দোকানদারের স্ত্রী দোকানে সিভিকের দৌরাত্ম্যের কারণ ব্যাখ্যা করেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি দুলাল মণ্ডল বলেন, সিভিকরা কোন আইনের বলে নির্বাচনের সময় এমন অভব্যতা করল? পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন সিভিকদের ব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন? এছাড়াও তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রথমে কমিশনের কাছে যাবেন এবং প্রয়োজন পড়লে হাইকোর্টে গিয়ে অভিযোগ জানাবেন বলে জানান।

    দোকানদারের বক্তব্য

    দোকানদার (Murshidabad) নান্টু শেখ বলেন, গত দু’দিন ধরে সিভিকরা রাত ৮ টার সময় এসে দোকান বন্ধ করার জন্য হুমকি দিচ্ছিল। গতকাল রাতে আমরা রাতের খাবার খেয়ে দোকানের বাইরে বসেছিলাম। বাইরে তেমন লাইট ছিল না। সে জন্য ঠিক কারা কারা এসেছিল, তাদের চিনতে পারিনি। তবে ওরা যে সিভিক ছিল, সেটা বুঝতে পেরেছি। একটাই কথা বলছিল তারা, ‘দেখবি সব ভাঙচুর করব? চিনিস আমাদের! জানিস আমরা কারা?’ এই ঘটনায় নান্টু শেখ এবং তাঁর স্ত্রী দুজনেই অত্যন্ত আতঙ্কিত। নান্টু শেখ বলেন, হয়তো ভোটের সময় বলে এমন আচরণ করছে সিভিক। কিন্তু আমি তো কোনও রাজনীতি করি না। সিপিএম, তৃণমূল কোনওটাই করি না। তাহলে আমার সঙ্গে এমন করল কেন! তিনি আরও বলেন, পাশেই তৃণমূল করে এমন ব্যক্তির চায়ের দোকান রয়েছে। তাঁকে তো কোনও সিভিক গিয়ে দোকান বন্ধের ফরমান দিচ্ছে না। তাহলে আমার দোকানেই কেন? এরপর বলেন, আমার দোকানে যাঁরা চা খেতে আসেন, তাঁদের মধ্যে হয়তো অনেকে বিরোধী রাজনীতি করেন। আর তাই আমার দোকানকে টার্গেট করেছে সিভিক।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বারাসতে জব কার্ডের টাকা আত্মসাৎ, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    North 24 Parganas: বারাসতে জব কার্ডের টাকা আত্মসাৎ, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসত (North 24 Parganas) ১ নম্বর ব্লকের কোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিয়ানই গ্রাম। এখানকারই কবরস্থানের ভূমি উন্নয়ন ও গাছ লাগানোর জন্য বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এবার প্রকাশ্যে এসেছে। মূল অভিযোগ তৃণমূলের নেতা এবং সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

    কী ঘটেছে (North 24 Parganas)?

    মূল অভিযোগ হল, কালিয়ানই (North 24 Parganas) গ্রামের কবরস্থান সংস্কারের জন্য মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্পে ২০১৯-২০ অর্থ বর্ষে ভূমি উন্নয়ন ও গাছ লাগানোর জন্য ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ২০৮ টাকা ব্যয় করা হয়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, কবরস্থানের কোনও কাজই হয়নি। বরং সেই টাকা আত্মসাৎ করেছে এলাকার তৃণমূল নেতা এবং কোটরা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা। রাজ্য সরকার এবং শাসক দলের নেতানেত্রীদের মুখে বারবার কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ দিনের জব কার্ডের টাকা আটকে রেখেছে বলে অভিযোগের কথা শোনা যায়। অথচ মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্পের বোর্ড যে কাজের স্থানে বসানোর কথা ছিল, সেখানে না হয়ে, কবরস্থান থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরে এক ব্যক্তির বাড়িতে পাওয়া গেল। ফলে স্থানীয় মানুষ দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন। স্থানীয় মানুষের আরও অভিযোগ, ওই ব্যক্তির বাড়িতে বোর্ড বসানোর জন্য প্রকল্পের সুপারভাইজার আবেদন করেন। সেই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময় বাড়ির সদস্যদের বোর্ডের সামনে বসিয়ে ছবি তুলে নিয়ে গেছেন পঞ্চায়েত প্রধান এবং সরকারি আধিকারিকরা। কাজ না করে কাজ দেখানোর অভিযোগ প্রশাসন এবং শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোটরা (North 24 Parganas) গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কামরুন নাহার। তৃণমূলের এই প্রধান বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ভাবে কালিমালিপ্ত করতেই এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

    সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য

    কোটরা (North 24 Parganas) গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিক শান্তনু বসাক বলেন, সবটাই মিথ্যে অভিযোগ। যে বোর্ডের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে অর্থ ব্যয়ের কোনও পরিমাণ লেখা নেই। ফলে সেখানে কাজও হয়নি। যদিও গোটা ঘটনায় শাসক দলকে আক্রমণ করেছে বিরোধী শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pollution: কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ প্লাস্টিকে রাশ টানতে ব্যর্থ রাজ্য

    Pollution: কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ প্লাস্টিকে রাশ টানতে ব্যর্থ রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে সারা দেশে কাপ, চামচ, থালা সহ একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এবং ৩১ ডিসেম্বর থেকে ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরই রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো হাওড়া জেলাতেও মহা ধুমধাম করে প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মানুষের মধ্যে সচেতনতা (Pollution) বৃদ্ধি করা ও বাজারে বাজারে গিয়ে নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে অভিযান চালায় হাওড়া পুরসভা। কিন্তু দু-চার দিন পর থেকে আবার যে কে সেই৷ সরকারি নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে আগের মতোই ব্যবহার হচ্ছে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও নিষিদ্ধ ক্যারিব্যাগ।

    সমীক্ষায় (Pollution) কী বেরিয়ে এল?

    ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে এ রাজ্যে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও ক্যারিব্যাগ নিয়ে একটি সমীক্ষা (Pollution) করা হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, গোটা রাজ্যের মধ্যে হাওড়া জেলা একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যবহারে শীর্ষস্থানে রয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন পরিবেশবিদ থেকে বিশেষজ্ঞরা। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার (আইএসডব্লিউএমএডব্লিউ) সংস্থার উদ্যোগে ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সমীক্ষা চালানো হয়৷ সেখানেই দেখা যাচ্ছে, এই দু ধরনের নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহারে রাজ্যের অন্যান্য জেলার তুলনায় শীর্ষস্থানে রয়েছে হাওড়া। হাওড়া ও কলকাতা ছাড়াও এ রাজ্যের সল্টলেক, মালদা, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া, শিলিগুড়ি এবং দুর্গাপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও ১২০ মাইক্রনের নিচে ক্যারিব্যাগ ও  প্লাস্টিকের ব্যবহার, উৎপাদন ও তার ম্যানেজমেন্ট বা পুনর্ব্যবহার নিয়ে এক সমীক্ষা চালানো হয়।

    সম্প্রতি এই গবেষণার রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রাক্তন প্রধান এবং ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এয়ার অ্যান্ড ওয়াটার-এর সভাপতি অধ্যাপক সাধনকুমার ঘোষ। তিনি বলেন, হাওড়া শহরে প্রায় ৬৮ শতাংশ ক্ষেত্রে এই নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার হচ্ছে। দক্ষিণ কলকাতার প্রায় ৪৭% এবং উত্তর কলকাতার ৫৩% রেস্টুরেন্ট ঠান্ডা পানীয়, কোল্ড কফি, বিভিন্ন শেক ইত্যাদি পরিবেশনের জন্য নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের স্ট্র ব্যবহার করছে। একই ভাবে মালদা ও মুর্শিদাবাদে ৫১%, দুর্গাপুরে ৫৯%, এবং পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলায় ৫৮% ব্যবহার হচ্ছে এই নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের।  

    কাঁটা-চামচ, প্লাস্টিকের থালা, দাঁতের কাঠি এই সব প্লাস্টিকের জিনিস হাওড়ায় প্রায় ৭৩ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। যা দক্ষিণ কলকাতায় ৫১%, উত্তর কলকাতায় ৪৫%, সল্টলেক এলাকায় ৫৫%, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে ৬৭%, দুর্গাপুরে ৫৮% এবং রাজ্যের অন্যান্য অংশে ৫১% ব্যবহার হচ্ছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিক ব্যাগ যে নিষিদ্ধ, তাও অনেকে জানেন না। মাত্র ৩৯% মানুষ এ ব্যাপারে সচেতন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। 

    ১২০ মাইক্রনের নিচে প্লাস্টিকের ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রাজ্যের অন্যান্য জেলার থেকে এগিয়ে রয়েছে হাওড়া জেলা। নিষিদ্ধ ক্যারিব্যাগ হাওড়ায় ব্যবহার হচ্ছে ৮৯ শতাংশ। যা অন্যান্য জেলা এবং তার পাশের শহর কলকাতার থেকে অনেকটাই বেশি। যেটা দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ কলকাতায় ৪১%, উত্তর কলকাতায় ৫৯%, সল্টলেকে ৬৮%, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে ৭৫%, হাওড়ায় ৮৯%, দুর্গাপুরে ৭৪%, শিলিগুড়ি এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের অন্যান্য অংশে ৬০%। বেশিরভাগ জায়গায় যে সব প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে, তা ১০, ২০, ২৫ মাইক্রনের। ক্যারিব্যাগের গায়ে কত মাইক্রন, সেটা লিখে রাখার কথা। তাও লেখা হচ্ছে না।

    কী বললেন হাওড়া পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান?

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসকমন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, হাওড়ার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা মাঝে মধ্যেই এই নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযান চালান। তাতেও বন্ধ করা যায়নি। পুলিশকেও বলা হয়েছে এই সব প্লাস্টিক যেখানে তৈরি হচ্ছে সেগুলি খুঁজে বার করে ব্যবস্থা নিতে। এ নিয়ে অবশ্য হাওড়া শহরের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্লাস্টিক উৎপাদন বন্ধ করা হচ্ছে না। অথচ তাদের ব্যবহার করতে নিষেধ করা হচ্ছে। আগে উৎপাদন (Pollution) বন্ধ করা দরকার৷

    কী বলছেন গবেষকরা?

    সাধনবাবু বলেন, হাওড়া ও কলকাতা পুরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডে যেভাবে সলিড ওয়েস্ট সংগ্রহ করে সেগুলি পৃথকীকরণ করে বিক্রি করা হচ্ছে পুনর্ব্যবহারের জন্য, প্রতিটি ওয়ার্ডেই সেই পরিকাঠামো গড়ে তোলা দরকার। পাশাপাশি সর্বত্র সচেতনতা (Pollution) বৃদ্ধি করা, এই নিষিদ্ধ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করা জরুরি। সঠিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট গড়ে তুলতে ওয়ার্ড পর্যায়ে ভলান্টারি কমিটি গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি রাজ্যের নিজস্ব ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পলিসি তৈরি করাও দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: পঞ্চায়েত নির্বাচনে পিসেমশাইয়ের বিরুদ্ধে শালাবাবুর ছেলের লড়াই জমে উঠেছে

    Panchayat Election: পঞ্চায়েত নির্বাচনে পিসেমশাইয়ের বিরুদ্ধে শালাবাবুর ছেলের লড়াই জমে উঠেছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন প্রবীণের সঙ্গে নবীনের লড়াই। পিসেমশাইয়ের সঙ্গে লড়ছেন শালাবাবুর ছেলে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) এমনই ছবি দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্ডাপাড়ার ১৯৪ নম্বর বুথে। এই বুথে এবার পিসেমশাই ও ভাইপোর লড়াই জমে উঠেছে। আর এ লড়াই দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। গোটা এলাকা জুড়ে এই বুথ নিয়েই শুধু চর্চা হচ্ছে।

    কে কোন দলে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন?

    গত পঞ্চায়েতে (Panchayat Election) এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন বর্তমানে বিজেপির প্রার্থী সুরজিৎ দাসের পিসিমা মঙ্গলা সাউ। এবছর ওই বুথে তাঁর স্বামী সজল সাউ দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে। গত পাঁচ বছর এই বুথে শাসকদলের লাগামছাড়া দুর্নীতি নিজে চোখে দেখেছেন বর্তমান বিজেপির প্রার্থী সুরজিৎ দাস। তাই তৃণমূল কংগ্রেসের এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের পিসেমশাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তিনি। ভোটে দাঁড়িয়ে পিসেমশাইয়ের পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন তিনি।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    বিজেপির প্রার্থী তৃণমূলের দিকে দুর্নীতির আঙুল তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সজল সাউ বলেন, আমাদের দলের কিছু মানুষ অসৎ, তাই তাঁরা শাস্তি পাচ্ছেন। সব মানুষ খারাপ নয়। দিদির যে উন্নয়ন এলাকার মানুষ চোখে দেখেছেন, তাই এবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) তারা বিজেপিকে হারাবেন। আর দুজনের মধ্যে রাজনৈতিক লড়াই হলেও তাতে সম্পর্কের কোনও অবনতি হবে না।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    পিসেমশাইয়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে বিজেপি প্রার্থী সুরজিৎ দাস বলেন, পিসেমশাইয়ের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের কোনও অবনতি হবে না। তবে রাজনীতির ময়দানে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নই। মানুষ দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত (Panchayat Election) গড়তে বিজেপিকে ভোট দেবেন।

    কী বললেন সিপিএম প্রার্থী?

    পিসেমশাই এবং শালাবাবুর ছেলের এই লড়াইয়ের মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে মাঠে নেমে পড়েছেন সিপিএম প্রার্থী  জিয়াউল কাজি। তিনি বলেন, রাজ্যের পিসি-ভাইপোকে যেমন দেখছি এখানেও পিসেমশাই-শালাবাবুর লড়াই জোট বেঁধেছে। গত পাঁচ বছর ধরে বিজেপি প্রার্থীর পিসি খেয়েছে. আর এবার পাঁচ বছর পিসির ভাইপোকে খাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। কিন্তু, সেটা হবে না। মানুষ পঞ্চায়েত  ভোটে (Panchayat Election) সিপিআইএমকে ভোট দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) শাসক দল যখন প্রার্থী নিয়ে কোন্দল সামাল দিতে বেসামাল অবস্থায়, তখন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীরা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগে ব্যস্ত থাকছেন। বড় বড় জনসভার উপর নজর না দিয়ে ছোট ছোট কর্মী-বৈঠক ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীদের হয়ে প্রচারেই জোর দিয়েছে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব। জেলায় বিজেপি ভীষণ আত্মবিশ্বাসী বলে জানা গেছে।

    কেমন চলছে ভোটের প্রচার (Alipurduar)?

    নিজেদের খাস তালুকে (Alipurduar) ভোট প্রচারে বেশি হইচই না করে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েই বাজিমাত করার ছক করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, আগামী ৫ই জুলাই জেলায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি নির্বাচনী জনসভা করা হবে। সেখানে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন। তবে কারা কারা সেই সভায় আসবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রার্থী ও কার্যকর্তারা জনসংযোগের উপরেই বেশি জোর দিয়েছেন। বাড়ি বাড়ি প্রচারে গিয়ে তাঁরা ভালো সাড়া পাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    তৃণমূলের দলীয় কোন্দল

    বিজেপি কয়েক মাস আগেই দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করে রেখেছিল। সেই মতো ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মনোনয়ন জমা করতে থাকেন বিজেপির প্রার্থীরা। অপর দিকে শাসক-শিবিরে আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)  প্রার্থী নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তুমুল বিক্ষোভ হয়েছিল বলে জানা গেছে। ঘোষিত প্রার্থীদের বদলও করতে বাধ্য হয়েছে শাসক দল। কিন্তু তাতেও পুরোপুরি বিক্ষোভ তারা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। শাসক দলের স্বচ্ছ ভাবমূর্তির অনেক নেতাকর্মী শেষ পর্যন্ত টিকিট না পাওয়ায় নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন।

    বিজেপি ঘর গুছিয়ে নিয়েছে

    শাসকদলের প্রার্থীদের নিয়ে চাপা বিক্ষোভ থাকলেও গেরুয়া শিবিরের ছবিটা উল্টো বলেই মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল। প্রার্থী নিয়ে তেমন দ্বন্দ্বের কথা নজরে আসেনি। গত লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) মানুষ একচেটিয়া ভাবে বিজেপির প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন। শাসক দল ধরাশায়ী হলেও পঞ্চায়েত ভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। যদিও গেরুয়া শিবির নিজেদের শক্ত ঘাঁটিকে আরও মজবুত করতে প্রার্থীদের নিয়ে সরাসরি জনসংযোগে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে জানা গেছে। বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত ভোট যদি নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ হয়, তাহলে বিজেপির প্রার্থীরা এবারেও ভালো ফল করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ” তৃণমূলের দেওয়াল লিখনে শোরগোল

    Dakshin Dinajpur: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ” তৃণমূলের দেওয়াল লিখনে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ এক অন্যরকম ভোট প্রচারের দেওয়াল লিখন। ‘নির্দল, আরএসপি, বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর  ভান্ডার বন্ধ।’ শাসকদল তৃণমূলের এমন দেওয়াল লিখনে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) রাজনৈতিক মহলে। উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই বর্ধমানের ভাতারে এক জায়গায় দেওয়াল লিখনে এমনই ঘটনা চোখে পড়েছিল। সেখানেও লেখা ছিল, তৃণমূলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার মিলবে না। এই নিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। এবার একই দেওয়াল লিখনের চিত্র মিলল তপনে।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Dakshin Dinajpur)?

    দেওয়াল লিখন নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে তপনের ব্লক করদহে। তপন ব্লকের রামচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ করদহ গ্রামে (Dakshin Dinajpur) তৃণমূলের তরফে বেশ কিছু দেওয়াল লেখা হয়েছে। এর মধ্যে একটি দেওয়ালে প্রার্থীদের নাম লিখে ঘাসফুল চিহ্নে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি লেখা হয়েছে নির্দল, আরএসপি ও বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হবে। এই নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্য, দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোটারদের ‘ব্ল্যাকমেল’ করা হচ্ছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে যাওয়ায়, আপাত ভাবে শাসক দল নিজেদের দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    এক গ্রামবাসী (Dakshin Dinajpur) বলেন, ‘আমার যে প্রার্থীকে পছন্দ হবে, আমি তাঁকেই ভোট দেব। কিন্তু বিরোধীদের ভোট দিলে লক্ষ্মীর  ভান্ডার বন্ধ! এমন দেওয়াল লিখন দেখে অবাক হচ্ছি। মনে হচ্ছে, এমন দেওয়াল লিখে কি গ্রামের মানুষকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছে তৃণমূল?’

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা (Dakshin Dinajpur) সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, ‘শাসকদল আসলে বোঝে না সরকার আর দল কী। সরকার তো জনগণের জন্য। কিন্তু ভোট না দিলে সরকারি সুযোগসুবিধা যদি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে তো গণতন্ত্রের অবমাননা হয়। বিষয়টি তাঁরা নির্বাচন কমিশনের নজরে আনবেন বলে জানান এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও জেলা (Dakshin Dinajpur) তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, এই ধরনের প্রচারকে তৃণমূল কখনও মান্যতা দেয় না। যদি জেলার কোথাও এই ধরনের প্রচার কেউ করে থাকেন, তবে তাঁদের আমরা নিষেধ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Philosophy: ভারতীয় দর্শনের পান্ডুলিপির প্রদর্শনী ইসকনের রথযাত্রা মেলায়

    Indian Philosophy: ভারতীয় দর্শনের পান্ডুলিপির প্রদর্শনী ইসকনের রথযাত্রা মেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের কর্মকাণ্ড এবার প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হল কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে ইসকন আয়োজিত রথযাত্রা মেলায়। সেখানে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এই প্রদর্শনী দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের ডিন, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলরাম লীলা দাস বলেন, ভারতের এই সব দুর্মূল্য পুস্তক ও পান্ডুলিপি ভারতীয় সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। সারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা দেশের গৌরব, এমনই এক কোটিরও বেশি পান্ডুলিপি (Indian Philosophy) নষ্ট হতে বসেছে। এই সম্পদ সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

    কীভাবে প্রতিষ্ঠা হল ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টারের (Indian Philosophy)?

    ভারতীয় দর্শন শাস্ত্র ও গৌড়ীয় বৈষ্ণব আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত প্রামাণ্য পুঁথির পান্ডুলিপি ও বিভিন্ন গ্রন্থ (Indian Philosophy) সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে কলকাতার মনোহরপুকুর রোডে গীতা ভবনে তৈরি হয় ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার। এর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুইডেনের গোথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডির এক ছাত্র ফার্দিনান্দো সরর্দেল্লা। ফার্দিনান্দো তাঁর গবেষণার জন্য পান্ডুলিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থের খোঁজে ভারতে এসেছিলেন। ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহান দার্শনিক ভক্তি সিদ্ধান্ত সরস্বতী বা শ্রীল প্রভুপাদের সেক্রেটারি সুন্দরানন্দ বিদ্যাবিনোদের ব্যক্তিগত গ্রন্থাগারে‌ প্রায় তিন হাজার পুস্তক ও পান্ডুলিপি ছিল। এই সব রত্নরাজি তিনি নিজের সংগ্রহে নিয়ে আসেন। এর মধ্যে ছিল ১৮৫০ থেকে ১৯৪০ এর দশকের বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত ও হিন্দি ভাষায় রচিত বহু দুষ্প্রাপ্য পুস্তক ও পান্ডুলিপি। তিনি দেশে ফিরে যাওয়ার আগে সংগৃহীত সব গ্রন্থ ও পান্ডুলিপি সমূহের সংরক্ষণের জন্য তাঁর অস্ট্রেলিয়ান বন্ধু ডেনিস হ্যারিশনের সহযোগিতায় ভক্তি বেদান্ত রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন।

    চলছে ডিজিটাইজেশনের (Indian Philosophy) কাজ

    কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটির দুষ্প্রাপ্য পুস্তকগুলির (Indian Philosophy) সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে কাজ শুরু করে এই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে কলকাতা ছাড়াও মুম্বই, পুণে ও পুরীতে তাদের শাখা বিস্তারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গচ্ছিত ও নষ্ট হতে থাকা পান্ডুলিপি ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থগুলি সংরক্ষণ এবং ডিজিটাইজেশনের কাজ করে চলেছে এই প্রতিষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দিনহাটায় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫, মৃত্যু এক তৃণমূল কর্মীর

    TMC: দিনহাটায় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫, মৃত্যু এক তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতেই মুর্শিদাবাদের ডোমকলে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাতে ৬ জন তৃণমূল (TMC) কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই মঙ্গলবার ভোররাতে কোচবিহারের দিনহাটা এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠল। ঘটল বিজেপি- তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা।  জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    প়ঞ্চায়েত প্রার্থী দেওয়া নিয়ে দিনহাটা-১ নম্বর ব্লকের গিতালদহের জারিধরলা দরীবস গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল। বিজেপি এবং তৃণমূল (TMC) কর্মীদের মধ্যে গণ্ডগোল লেগেই রয়েছে। সোমবার ভোররাতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ বাধে। আর তাতেই এলোপাথাড়ি গুলি চলে। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন ৫ জন এবং বাবু হক নামে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যে জখমদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে। এছাড়াও মৃত ব্যক্তি বাবু হকের দেহ রয়েছে জারিধরলা দড়িবসে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের (TMC) সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোর রাতে নির্মমভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর আক্রমণ চালায়। বাবু হককে কুপিয়ে এবং গুলি করে খুন করা হয়। বারবার সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করে বিজেপি ভোটে জিততে চাইছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। বিজেপির দিনহাটা ব্লক শহর মণ্ডলের সভাপতি ‌অজয় রায় বলেন, মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত যারা তাদের মধ্যেই সংঘর্ষ হয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। নাটাবাড়ির বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী বলেন, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতীরা এসে এই গণ্ডগোল করেছে। পাচারকারীদের মদতকারী উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। পাচারের আমরা বিরুদ্ধে। ফলে, তৃণমূল (TMC) এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলের নাম জড়াচ্ছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP:  ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    BJP: ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি (BJP) প্রার্থীকে মারধর করছে সাঁকরাইল থানার ওসি। কয়েক মিনিটের এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর হইচই  পড়েছে ঝাড়গ্রাম জেলা জুড়ে। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকের তুঙ্গাধুঁয়া গ্রামের। আহত বিজেপি (BJP) প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাতে তাঁকে দেখতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি তুফান মাহাত। রবিবার শুভঙ্করের এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগ করেছিল তৃণমূল। সেই ঘটনার তদন্তে গিয়েছিলেন সাঁকরাইল থানার ওসি খন্দকার সাইফুদ্দিন আহমেদ। তারপরই ওই পুলিশ অফিসার বিজেপি প্রার্থীকে চড়় মাড়েন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, ওই গ্রামে চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের ১১ নং আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাত। বাড়ি থেকে বেরিয়ে পুলিশের সঙ্গে প্রথমে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ওই বিজেপি প্রার্থী। এরপরই বিজেপি প্রার্থীকে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা চড় মারেন বলে অভিযোগ।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) প্রার্থীর পরিবারের লোকজন?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ‘মনোনয়ন পর্ব থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিয়েছিল পুলিশ। এলাকায় গণ্ডগোল হচ্ছে শুনে সেখানে গিয়েছিল। একটি বিষয় নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসা হতেই চড় মেরেছে পুলিশ অফিসার।’

    কী বললেন অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার ও পুলিশ সুপার?

    সাঁকরাইল থানার ওসি খন্দকার সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ওই গ্রামে গণ্ডগোলের খবর পেয়ে সেখানে যাই। তারপর আমাকে গালিগালাজ করা হয় এবং অশ্লীল ভাষায় কটূক্তি করে উত্যক্ত করা হয়। সকলের সামনেই এই ধরনের মন্তব্য করায় পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছিল। ঝাড়গ্রাম জেলার পুলিশ সুপার অরিজিৎ সিনহা বলেন, ‘এক মিনিটের একটি ভিডিও দেখেছি। কী পরিস্থিতিতে এহেন ঘটনা ঘটল, তা বিভাগীয় তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) ঝাড়গ্রাম জেলার সহ-সভাপতি দেবাশিস কুণ্ডু বলেন, ‘ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদের ১১ নং আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতকে সাঁকরাইল থানার ওসি মারধর করেছে। আমাদের প্রার্থী নিজে ক্যান্সার আক্রান্ত। এই মুহূর্তে গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাব।’

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ঝাড়গ্রাম জেলা সহ সভাপতি প্রসূন সড়ঙ্গী বলেন, “ওই এলাকায় তৃণমূল শক্তিশালী। প্রশাসন নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করছে। কী কারণে কী ঘটনা ঘটেছে, তা প্রশাসন বলতে পারবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ডোমকলে অভিষেক আসার আগেই সিপিএমের সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬ তৃণমূল কর্মী

    TMC: ডোমকলে অভিষেক আসার আগেই সিপিএমের সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৬ তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মঙ্গলবার মু্র্শিদাবাদের ডোমকলে নির্বাচনী প্রচারে আসছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC)  সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে তিনি সভা করবেন। তারই প্রস্তুতি চলছে। ঠিক তার আগে সোমবার সন্ধ্যায় সিপিআইএম -তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ডোমকলের জোতকানা তুলসীপুর এলাকা। গণ্ডগোলকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয় বলে তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ। কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। আর তাতে ছয়জন তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,এদিন জোতকানা এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সিপিএমের পক্ষ থেকে মিছিল করা হয়। সেই মিছিলে তৃণমূল বাধা দেয়। এনিয়ে সিপিএমের কর্মী, সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা বাধে। পরে, হাতাহাতি শুরু হয়। এরপরই এলাকায় বোমাবাজি এবং গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

    আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মীদের কী বক্তব্য?

    যদিও আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বক্তব্য, সিপিএমের মিছিল এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক মহিলা তৃণমূল কর্মীকে কটূক্তি করে। তা নিয়ে তৃণমূল কর্মীরা প্রতিবাদ করতে গেলে মিছিল থেকে ওই কর্মীদের উপর চড়াও হয়। আরও কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এসে প্রতিবাদ করলে তারা রুদ্র মূর্তি ধারণ করে। তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের মুর্শিদাবাদ জেলার সাধারণ সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন, এদিন ডোমকলে তৃণমূল (TMC) কর্মীর বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। রাজ্যে তৃণমূল সব জায়গায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ফলে, যেখানে গণ্ডগোল হচ্ছে, সেখানেই তৃণমূল রয়েছে। এখানেও আমাদের দলের মিছিলে তৃণমূলের লোকজন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। দলীয় কর্মীরা প্রতিবাদ করে। তা নিয়ে গণ্ডগোল হয়। এরপরই ওরা গুলি চালিয়েছে। নিজেদের গুলিতে তারা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এরসঙ্গে সিপিএমের কোনও যোগ নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share