Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Train Derailed: লাইনচ্যুত মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল, সামান্য আহত কয়েকজন

    Train Derailed: লাইনচ্যুত মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল, সামান্য আহত কয়েকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইনচ্যুত (Train Derailed) হল মেদিনীপুর-হাওড়া লোকাল। খড়্গপুর স্টেশনে ঢোকার আগেই এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, ট্রেনটির একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েকজন যাত্রী। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের আধিকারিকরা। তাঁরা অবশ্য জানাচ্ছেন, সামান্য দুর্ঘটনাই ঘটেছে। ক্ষয়ক্ষতি সেভাবে কিছুই হয়নি। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নে ভয় পেয়েছেন মমতা’, ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ শুভেন্দুর

    ঘটনার বিবরণ

    নির্ধারিত সময় শনিবার রাত ৯ টা ৫ মিনিট নাগাদ মেদিনীপুর স্টেশন থেকে ছাড়ে হাওড়া লোকাল। রাত পৌনে ১০টা নাগাদ গিরি ময়দান থেকে খড়্গপুর স্টেশনের মাঝে লাইনচ্যুত হয় লোকালটি। লাইনচ্যুত ট্রেনটি লাইনের পাশের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পরেই খড়্গপুর রেল দফতরে সাইরেন বেজে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন রেল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ আধিকারিকরা। এই ঘটনায় কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে টিম পাঠানো হয়।”

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বলছেন রেল আধিকারিক?

    এই বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, “ছোট একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। জ্যাক দিয়ে ট্রেনটিকে লাইনে তুলে দেওয়া হয়েছে। খড়্গপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে সাড়ে ১১টা নাগাদ।”

    ভেঙে গেল সরাইঘাট এক্সপ্রেসের প্যান্টোগ্রাফ 

    পূর্ব বর্ধমানের জরলার বনপাশ স্টেশনে ঢোকার আগেই ভেঙে গেল ট্রেনের প্যান্টোগ্রাফ। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। যে কারণে দাঁড়িয়ে পড়ে হাওড়া-গুয়াহাটি সরাইঘাট এক্সপ্রেস। আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যান যাত্রীরা। চলতি মাসে এরকম একাধিকবার ট্রেনের প্যান্টোগ্রাম ভেঙে গিয়ে বিপত্তি ঘটেছে।

     

    আরও পড়ুুন: ‘‘অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট করতেই হবে’’, নির্বাচন কমিশনারকে কড়া নির্দেশ রাজ্যপালের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দল না মানলে পঞ্চায়েতে “গোঁজ” প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    TMC: দল না মানলে পঞ্চায়েতে “গোঁজ” প্রার্থী দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন জমা দেওয়ার শুরু থেকেই প্রস্তুত বিজেপি সহ বিরোধী দলগুলি। তৃণমূলীদের (TMC) বাধার মুখে পড়লেও জেলায় জেলায় বিজেপি সহ বিরোধী দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু, তৃণমূল এখনও মনোনয়ন জমা দেওয়া শুরু করেনি। দল কাকে প্রার্থী করবে বা কে টিকিট পাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন নীচু তলার তৃণমূলের (TMC) কর্মী সমর্থকরা। আর এই পরিস্থিতিতে পঞ্চায়েত ভোটের মুখে দলের বিরুদ্ধে ফের বিদ্রোহী হয়ে উঠলেন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    করিম সাহেব বলেন, “আমি ইসলামপুরে তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক। এই ব্লকে পঞ্চায়েত ভোটে কারা প্রার্থী হবেন তা আমি নির্ধারণ করব। এখানে অন‍্য কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আমার পছন্দের প্রার্থী তালিকা তৈরি করে আজ‌ই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পাঠিয়ে দেব। তিনি যদি আমার বাছাই করা প্রার্থীদের অনুমোদন করেন তো ভালো, না করলেও কোনও সমস্যা নেই। ওরা আমার সমর্থনে আমার প্রতিনিধি হিসেবে নির্দল থেকে পঞ্চায়েত ভোট লড়বে। ইসলামপুর ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতে প্রার্থী দেওয়া হবে। তাদের জিতিয়ে পঞ্চায়েতগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত করে গড়ে তোলার আমার লক্ষ্য।” দলের ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনকে ‘আদমখোর’ বলে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “অতীতে ইসলামপুরে অনেক অত্যাচার করেছেন জাকির। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। স্বাভাবিকভাবেই বিধায়কের এই হুঁশিয়ারিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।”

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    দলের বিরুদ্ধে গোঁজ দাঁড় করানোর এই হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপত্তি জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “প্রার্থী কে হবে তা দল ঠিক করবে। তবে যে কেউ দলের নিজের পছন্দ মতো প্রার্থী তালিকা জমা দিতেই পারেন।” অপরদিকে এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “বিধায়ক হিসেবে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার অধিকার তাঁর আছে, তিনি তালিকা দিতেই পারেন। দল ঠিক করবে কাকে প্রার্থী করবে, কাকে করবে না”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Bomb: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। শনিবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন। রাজ্যজুড়ে বিজেপি সহ বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে সন্ত্রাস করতে চাইছে তৃণমূল। তাই, বোমা (Bomb) মজুত করা হচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং মুর্শিদাবাদে ব্যাগ ভর্তি বোমা বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা সেকথায় প্রমাণ করছে।

    কী করে উদ্ধার হল বোমা (Bomb)?

    শুক্রবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার উত্তর অন্তরদীপা গ্রামে পুকুরের পাড় থেকে তাজা বোমা (Bomb) উদ্ধার হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সামশেরগঞ্জের উত্তর অন্তরদীপা গ্রামে একটি ঢালাই রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছিল। সেসময় রাস্তার পাশে থাকে একটি সিঁড়ি ভাঙাকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে ঝামেলার সৃষ্টি হয়। গণ্ডগোল থেকে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। তাতে জখম হন তিনজন। জখমদের জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, গণ্ডগোলের সময় অলিউল এবং সেনারুল নামে দুই ব্যক্তি বোমা নিয়ে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তখনই বোমা রেখে পালায় অভিযুক্তরা। পরে, এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে।

    ক্যানিংয়ে উদ্ধার হল ব্যাগ ভর্তি বোমা (Bomb)

    দক্ষিন ২৪ পরগনার ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার ঘুটিয়ারিশরিফ সুভাষপল্লি এলাকায় শনিবার সকালে দু ব্যাগ তাজা বোমা (Bomb)  উদ্ধার হয়। একটি ফাঁকা এলাকা থেকে বোমাগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্যই এই বোমা মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে তৃণমূল কর্মীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আটক হওয়া তৃণমূল কর্মীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা ছিল। তাঁর দলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীর লোকজনই পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশ করে এই কাজ করেছে। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, বোমাগুলি (Bomb) কেন মজুত করা হয়েছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি প্রার্থীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর ব্লকে। হামলার জেরে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। অন্যদিকে, পাত্রসায়র ব্লকে বিজেপির মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমাবাজিও করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাত্রসায়রের কাকরডাঙা মোড়ে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর নেতৃত্বে রাস্তা অবরোধ করা হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন ছিল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা তপন মজুরি বলেন,  দলীয় প্রার্থীরা পার্টি অফিস থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটকায়। বিডিও অফিসে দুজন করে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপি প্রার্থীরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূলের লোকজন এসে তাদের কাগজপত্র ছিঁড়ে দেয়। এরপরই তাঁদের বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর চড়াও হয়। মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়।  গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলার জেরে কয়েকজন প্রার্থী জখম হন। তৃণমূলীদের বাধায় দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক যুব মোর্চার সহ সভাপতি জয় দাঁ বলেন, বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে তৃণমূল তাণ্ডব চালিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক জখম হয়েছে। তৃণমূলের বাধায় আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারিনি। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, তৃণমূল আমাদের মনোনয় দিতে বাধা দিতে দিচ্ছে। পাত্রসায়রে পুলিশ প্রশাসন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করতে বোমাবাজিও করেছে তৃণমূল। সুষ্ঠুভাবে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) হলে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন,  ওদের কাছে কোনও কর্মী নেই। প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। তাই এসব নাটক করছে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এসব মিথ্যা অভিযোগ করে ওরা খবরে থাকতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মনোনয়ন পত্র জমা ঘিরে রণক্ষেত্র, আগ্নেয়াস্ত্র সহ আটক তৃণমূল নেতা

    Murshidabad: মনোনয়ন পত্র জমা ঘিরে রণক্ষেত্র, আগ্নেয়াস্ত্র সহ আটক তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়ন পত্র জমাকে কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকলে। বিরোধীদেরকে মনোনয়নপত্র জমা করতে বাধা দেওয়া হয় এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে পুরো বিডিও অফিস চত্ত্বর ঘিরে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। এরপর তৃণমূল এবং সিপিএম-কংগ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কারণে তৃণমূলের সারাংপুরের অঞ্চল সভাপতি বশির মোল্লাকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ।

    কী হয়েছে মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর প্রথম দিনেই উত্তপ্ত ডোমকল ব্লকের ইসলামপুর (Murshidabad)। শনিবার দিন সকাল থেকেই সিপিএম ও কংগ্রেস কর্মীরা পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে, তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী গোটা এলাকা ঘিরে রাখে এবং মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেয়। আর তারপর সেখান থেকেই শুরু হয় উত্তেজনা। সিপিএম কর্মীরা নমিনেশন পত্র নিতে এলে মারধর শুরু হয়। শাসক দলের কর্মীরা রীতিমত কিল-ঘুষি মারতে থাকে তাঁদের। এরপর ব্লক অফিস থেকে বের করে দেয় তাঁদের। কোনও রকমে পুলিশ এসে পরিস্থিতির সামাল দিলেও কিছুক্ষণ বাদে ফের শুরু হয় অশান্তি। এবারে একপক্ষ সিপিএম-কংগ্রেস এবং অপর পক্ষ শাসক দল তৃণমূল। এরপর চলে দুই পক্ষের মধ্যে ইটবৃষ্টি। উভয় পক্ষ পরস্পরকে এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে নারাজ। এরপর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় ডোমকল থানার বিশাল পুলিশ। উত্তেজিত জনতাদের নিয়ন্ত্রণ করতে লাঠিচার্জ করা হয় বলে সূত্রের খবর। এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সারাংপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি বশির মোল্লাকে কোমরে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার জন্য আটক করে মুর্শিদাবাদ পুলিশ। আপাতত তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সিপিএমের প্রতিক্রিয়া

    সিপিএমের এক প্রার্থী বলেন, আমি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছি, কিন্তু লাইন থেকে আমাকে মেরে বার করে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আবার এক মহিলা প্রার্থী রিনা খাতুন বলেন, পুলিশ আমাদেরকে কোনও সহযোগিতা করছে না, তৃণমূলের গুন্ডারা কেন বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করছে? এই কথা বলে পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যের কাছে জবাব চান তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, যতদিন বাঁচব এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই করব। 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই শুরু অশান্তি

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার প্রথম দিন থেকেই ডোমকলে (Murshidabad) অশান্তির বাতাবরণ। গতকাল, শুক্রবার ডোমকল বিডিও অফিসে ডিসিআর আনতে গিয়ে সিপিএমের কর্মীরা রীতিমত লাঠি হাতে আক্রমণ করে তৃণমূল কর্মীদের। ভাঙা হয় বাইক, ক্যাম্পে থাকা চেয়ার। এরপর শনিবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত ডোমকল। দেখা গেল বিপরীত চিত্র, এইদিন সকাল থেকে রীতিমতো সিপিএম দলের পক্ষ থেকে আসা কর্মীদের বেধড়ক মারতে থাকে শাসক তৃণমূলের কর্মীরা। পরিস্থিতি এতটাই অগ্নিগর্ভ হয় যে পুলিশের সামনেই চলে মারামারি। দুই পক্ষের মধ্যে হয় ইট বৃষ্টি। প্রথমে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও, পুনরায় কিছুক্ষণ পর শুরু হয় অশান্তির ঘটনা। এবার সিপিএম এবং কংগ্রেস যৌথ ভাবে লাঠি হাতে আক্রমণ করে শাসক দলের কর্মীদের। চলে ইটবৃষ্টি। পরে র‍্যাফ নামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।  

    এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটের চিত্র যা উঠে আসছে, তাতে ভোট আসতে আসতে কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তা নিয়েই রয়েছে অনেক সংশয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার-১ ব্লক অফিসে কোনও ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিজেপি (BJP) সহ বিরোধী দলের বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা না দিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকেও একই ঘটনা ঘটে। সেখানেও ব্লক অফিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিজেপির শতাধিক প্রার্থী। শনিবারও মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় তৃণমূলীদের বাধায় মনোনয়ন জমা দিতে পারল না বিজেপি। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের কী বক্তব্য?

    শনিবার কাটোয়া-১ ব্লকে এদিন বিজেপি (BJP) কর্মীরা মনোনয়ন জমা দিতে যান। বিডিও অফিসের মুখে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত করে দাঁড়িয়ে থাকে। বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য, এদিন ২৩ জন মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলাম। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘিরে ধরে। মনোনয়ন করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসন বিডিও অফিসের ভিতরে থাকলেও কেউ আমাদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি। ফলে, আমরা এদিন মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তৃণমূলীদের বাধায় ফিরে আসতে বাধ্য হই। পরে, রাস্তা অবরোধ করে আমরা প্রতিবাদ জানাই।

     কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    বিজেপি (BJP) নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৮ সালে যে কায়দায় তৃণমূল ভোট করেছিল, এবারও সেই একই কায়দায় ওরা ভোট করতে চাইছে। আমাদের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি তৃণমূল। কোনও হিন্দু থাকবে না। এটার অর্থ কী? সংখ্যালঘুরা শুধু প্রার্থী দেবে। আমরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ দাস বলেন, বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাধা দেওয়ার  ঘটনা কোথাও ঘটেনি। কাউকে বাধা দেওয়া হলে সেটা জেলাশাসক, মহকুমা শাসকের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারে। কিন্তু, সেটা করা হয়নি। আসলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভযোগ করে তারা প্রচারের আলোয় আসতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বুথ ৭০ হাজার, পুলিশ ৪২ হাজার! ‘‘এ তো মৃত্যুকে ডেকে আনা’’, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বুথ ৭০ হাজার, পুলিশ ৪২ হাজার! ‘‘এ তো মৃত্যুকে ডেকে আনা’’, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ৪২ হাজার পুলিশ দিয়ে ৭০ হাজার বুথে এক দিনে ভোট করাবে! এ তো মৃত্যুকে ডেকে আনা। আধাসেনা দিয়েই ভোট হবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বাড়বে। পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে এমনই হুঁশিয়ারি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার প্রথম দিনেই সন্ত্রাসে প্রাণ হারালেন এক বিরোধী কর্মী। এদিন মুর্শিদাবাদে ফুলচাঁদ শেখ নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একদিনে ভোট করানো নিয়েও সরব নন্দীগ্রামের বিধায়ক। 

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু বলেন, “প্যারা মিলিটারি দিয়েই ভোট করানোর ব্যবস্থা হবে।” শুক্রবার রাতে সামনে আসে শুভেন্দুর ট্যুইট।  শুরুতেই বিরোধী দলনেতা লেখেন, ‘মর্নিং শোজ় দ্য ডে…’,  তাঁর আরও সংযোজন, “মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রথম দিনই ৫ রাউন্ড গুলি চলল বাংলায়। মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালায়। ফুলচাঁদ শেখ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়, তিনিই এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রথম বলি। তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।”

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে রক্ত ঝরা নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দায়ী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি লেখেন, “এই গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাই দায়ী থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্বাচনে সঠিক নিরাপত্তা দিতে পারবে না।”

    মনোনয়নের প্রথমদিনেই রক্তাক্ত বাংলা

    শুক্রবার রাতেই পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম এলাকা। প্রথমে কুপিয়ে পরে গুলি করে খুন করা হয় ফুলচাঁদ শেখ নামে এক ব্যক্তিকে। তিনি ওই এলাকায় কংগ্রেস কর্মী নামেই পরিচিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, বিকালে বন্ধুদের সঙ্গে বসে তাস খেলছিলেন ফুলচাঁদ। আচমকাই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়। এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। পালানোর চেষ্টা করলে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। সেই গুলি এসে লাগে ফুলচাঁদের শরীরে। স্থানীয় বাসিন্দারা যতক্ষণে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করান, তাঁর মৃত্যু হয়।

     

    আরও পড়ুন: মনোনয়নের পয়লা দিনেই বিরোধীশূন্য করার হুশিয়ারি মদনের, উত্তরে কী বললেন সুকান্ত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Election: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিনই রক্ত ঝড়ল মুর্শিদাবাদে। খড়গ্রাম থানার নলদ্বীপ রতনপুর এলাকায় কংগ্রেস কর্মী ফুলচাঁদ শেখকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ফুলচাঁদসাহেব ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সকলেই কংগ্রেস করেন। তিনি এতদিন কেরলে ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি বাড়ি ফিরেছেন। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election)  কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে এলাকায় গত কয়েকদিন ধরেই কংগ্রেস এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চর্চা চলছে। তবে, সেটা দুই দলের মধ্যে ছিল। কোনও বিবাদ হয়নি। জানা গিয়েছে, ফুলচাঁদসাহেব খাওয়াদাওয়া সেরে তিনি বাড়ির সামনে তাস খেলছিলেন। আচমকা দৃষ্কৃতীরা এসে প্রথমে লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। পরে, তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালায় অভিযোগ। গুলির আঘাতে ফুলচাঁদসাহের গুরুতর জখম হন। গুরুতর জখম অবস্থায় ফুলচাঁদসাহেবকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জখমদের হাসপাতালে চিকিত্সা চলছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    ফুলচাঁদসাহেবের মা বলেন, আমরা বরাবরই কংগ্রেস করি। আমার ছেলে কয়েকদিন আগেই বাড়ি ফিরেছে। এলাকায় ভোট (Panchayat Election) বলে তৃণমূলের ছেলেরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আমার ছেলে কংগ্রেস করেই বলেই তৃণমূলের লোকজন এসে গুলি চালিয়ে খুন করেছে।  ওদের হামলায় কয়েকজন জখম হয়েছে।

    কী বললেন প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি?

    প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) জয় হাসিল করতেই কংগ্রেস কর্মীকে খুন করল তৃণমূল। এই ভোটকে প্রহসনে পরিণত করতে চাইছে তৃণমূল। এই কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু আমরা ব্যর্থ হতে দেব না। মানুষ প্রতিবাদ, মানুষের প্রতিরোধ ইতিহাসে শেষ কথা বলে, আমরা তার প্রমাণ দিয়ে দেব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা আশিস মার্জিত বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। গ্রাম্য বিবাদের জেরেই এই ঘটনা রয়েছে। তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নয়। এই ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে প্রশাসনের অব্যবস্থায় মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বেশ কিছু বিজেপি প্রার্থী

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে প্রশাসনের অব্যবস্থায় মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বেশ কিছু বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৮ই জুলাই এক দফায় রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিন্‌হা ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনী আচরণ বিধিও লাগু হয়েছে। শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা করার প্রথম দিন। নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) বিজেপির ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা করলেন এদিন। ইতিমধ্যে রাজ্যে পঞ্চায়েতের প্রায় ৭৪ হাজার আসনে কেবলমাত্র ৬ দিনের মধ্যে মনোনয়ন জমা করতে হবে বলে সময় নির্ধারিত হয়েছে। এত কম সময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে লোকসভার বিরোধী নেতা কংগ্রেসের অধীররঞ্জন চৌধুরী ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে মামলা করছেন।

    নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) কীভাবে মনোনয়ন জমা হল?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিনই নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) হরিপুর অঞ্চলে ১৪ জন বিজেপি প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা করেন। বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীরা রীতিমতো মন্দিরে পুজো দিয়ে, ঢাকঢোল বাজিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা করেন। অন্যদিকে, বিষ্ণুপুর ব্লকে এই মনোনয়ন জমা করা খুব সহজ হয়নি। বিষ্ণুপুর ১ নম্বর ব্লকে বেশ কিছু বিজেপি প্রার্থী মনোনয়ন জমা করতে পারেননি বলে জানা গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের বিশেষ প্রস্তুতি এদিন লক্ষ্য করা যায়নি। যথা সময়ে ডিসিআর দফতরে এসে পৌঁছাননি বলে বিশেষ অভিযোগ করছেন প্রার্থীরা।সমস্যার কথা কার কাছে জানানো হবে, সেই জন্য কোনও নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি ছিলেন না ঘটনা স্থলে। সোমবার বাকি আসনে মনোনয়ন জমা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। 

    বিরোধী দলনেতা কী বলেছিলেন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Purba Medinipur) রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করে বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের মৃত্যু হল! কোনওরকম সর্বদলীয় বৈঠক হল না, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আলোচনা হল না। অথচ নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেল। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP:  অনুব্রতের গড়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না শতাধিক বিজেপি প্রার্থী, কেন জানেন?

    BJP: অনুব্রতের গড়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না শতাধিক বিজেপি প্রার্থী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার-১ ব্লক অফিসে কোনও ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিজেপি (BJP) সহ বিরোধী দলের বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা না দিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এদিন অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকেও একই ঘটনা ঘটে। সেখানেও ব্লক অফিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপির শতাধিক প্রার্থী। যদিও এর পিছনে শাসক দলের চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের কী বক্তব্য?

    শুক্রবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রথম দিন। কিন্তু প্রথম দিনেই ঘটল বিপত্তি। প্রয়োজনীয় টাকা জমা দিয়ে রশিদ কেটে ফর্ম তুলেও জমা দিতে পারলেন না রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের শতাধিক বিজেপি (BJP) প্রার্থী। বুধিগ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী স্বাত্তিক দাস, সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিশ্বনাথ লেট বলেন, “আমরা বিডিও অফিসে গিয়ে রশিদ কেটে টাকা জমা দিই। এরপর ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে গেলে আধিকারিকরা নিতে অস্বীকার করেন। ফর্ম যাচাই করার প্রশিক্ষণ নেই বলে তাঁরা আমাদের জানান। তাই মনোনয়নপত্র জমা নেননি। রাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তারপর ফর্ম জমা নেওয়ার কথা তাঁরা বলেন”।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতা?

    বিজেপি (BJP) নেতা তারক চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সমস্যার কথা শুনে আমরা বিডিওর কাছে গিয়েছিলাম। দেখলাম তিনি ঠান্ডা ঘরে তৃণমূল নেতাদের নিয়ে গল্প করছেন। অনেকক্ষণ পর আমরা অফিসে ঢুকে বিডিওর সঙ্গে কথা বলি। তিনিও বলেন ‘তাঁর কাছে কোনও ডেমো ফর্ম নেই। ফর্ম পূরণের জন্য তিনি কখনও দোতলায় আবার কখনও তিনতলায় পাঠান। সারাদিন ধরে হয়রানি করেও ফর্ম জমা দেওয়া গেল না। কেউ কোনওরকম সহযোগিতা করেনি। আমরা এর পিছনে চক্রান্তের হাত দেখছি। আমরা এনিয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় অভিযোগ জানাব”।

    প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    রামপুরহাট-২ ব্লকের বিডিও রাজীব পোদ্দার বলেন, “এবিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। যা বলার মহকুমা শাসক বলবেন”। মহকুমা শাসক সাদ্দাম নাভাস বলেন, “প্রার্থীরা ডেমো ফর্ম চাইছিলেন। সেটা আমাদের কাছে নেই। প্রশিক্ষণ নেই এটা ঠিক নয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share