Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Jibankrishna Saha: তদন্তে অসহযোগিতা করছেন জীবন, অভিযোগ সিবিআইয়ের

    Jibankrishna Saha: তদন্তে অসহযোগিতা করছেন জীবন, অভিযোগ সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের অভিযোগ, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha)। তাই মোবাইলের তথ্য়কে হাতিয়ার করতে চাইতে সিবিআই। ইতিমধ্যে, ডেটা উদ্ধার করতে দিল্লি থেকে কলকাতায় পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ টিম। সূত্রের খবর তেমনই। তদন্ত চলাকালীন, জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha) পুকুরের মধ্যে মোবাইল ফেলে দেন। পুকুরের পাঁক থেকে মোবাইল উদ্ধার করতে সমর্থ হয় সিবিআই। জানা গিয়েছে ওই মোবাইল দুটি পুনরায় চালু করতে পেরেছে তারা। 

    ৬৫ ঘণ্টা জেরার পরে গ্রেফতার করা হয় জীবনকৃষ্ণকে (Jibankrishna Saha)

    মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha)। ৬৫ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। গ্রেফতারির পর জীবনকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্গাপুরে সিবিআই ক্য়াম্পে। সেখানে মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাঁকে আনা হয় কলকাতা নিজাম প্য়ালেসে। ধৃতকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    তদন্তে সহযোগিতা করছেন না বিধায়ক

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না বিধায়ক। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছেন। মনে করা হচ্ছে ওই মোবাইল থেকেই নিয়োগ দুর্নীতির অনেক তথ্য মিলতে পারে। এখন দেখার কী এমন তথ্য রয়েছে ওই মোবাইলে যার জন্যে তা পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন বিধায়ক। জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে CBI উদ্ধার করেছিল ৬ টি ব্যাগ ভর্তি নথিও। গত শুক্রবার বেলা ১টা নাগাদ জীবনকৃষ্ণর বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।  পুকুরের জলে মোবাইল সহ নথি ফেলে জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha)। তাই রাতেই পুকুরের জল তুলে ফেলার কাজ শুরু করে সিবিআই।  রাত সাড়ে দশটায় ফের নতুন করে সিবিআইয়ের ঊর্ধ্বতন অফিসার সহ সিআরপিএফ পৌঁছয়। শনিবার সকালে তল্লাশি করতে গিয়ে নথি ভর্তি ব্যাগ পেয়েছে তদন্তকারীরা। তবে ওই নথি কীসের তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দুপুরে সিপিএমের (CPM) দলীয় কার্যালয়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। আগুন নেভানোর চেষ্টা হয়। পরে, দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের বনরিণি এলাকায়। ইতিমধ্যেই দলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বনরিণি পার্টি অফিসে সিপিএম (CPM) কর্মীরা লেনিনের জন্মদিন পালন করেন। সেখানে একাধিক কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই কার্যালয়ে স্থানীয় লোকজন আগুন দেখতে পান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ওই পার্টি অফিসে জানলা খোলা ছিল। দরজা বাইরে থেকে লাগানো ছিল। আচমকাই পার্টি (CPM) অফিসের ভিতর থেকে আগুন দেখে আমরা ছুটে যাই। সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর উদ্যোগ নিই। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন সিপিএম (CPM) নেতৃত্ব?

     সিপিএম (CPM) নেতা স্বপন মজুমদার বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কয়েকদিন আগে আমাকে দেওয়াল লিখতে তারা বাধা দেয়। আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। আর দলীয় কার্যালয়ে যে বা যারা আগুন লাগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। আসলে ওই পার্টি অফিসটির কিছু অংশ ভাঙা রয়েছে। দিনের বেলায় কী করে আগুন লাগল তা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, ১২ বছর ধরে আমি বিধায়ক রয়েছি। এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আর ওই এলাকায় এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। তবে, দলের বা সিপিএমের কেউ কিছু জানাইনি। তবে, কোনও কিছু হলে সিপিএম (CPM) সবার পিছনে তৃণমূল রয়েছে অভিযোগ করে। এক্ষেত্রেও সেই অভিযোগ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: কালিয়াগঞ্জে মৃত ছাত্রীর বাড়িতে সুকান্ত, কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    Sukanta Majumdar: কালিয়াগঞ্জে মৃত ছাত্রীর বাড়িতে সুকান্ত, কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুকাণ্ডে রহস্য এখনও উদঘাটন হয়নি। শুক্রবারই রায়গঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মহম্মদ সানা আখতার বলেছিলেন, ছাত্রীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ছাত্রীর দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। মৃতদেহের কাছে থেকে বিষের কৌট উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যে মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত যুবক ও তার বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবারে ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চাইলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই ইস্যুতে আদালতে যাওয়ার পক্ষেই সওয়াল করলেন তিনি। তিনি বলেন, পুলিশ বলছে ছাত্রী বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ কীভাবে এটা বলতে পারে? গ্রামবাসীরা বলছে ওই ছাত্রীর সঙ্গে কুকর্ম করা হয়েছিল। তাঁরা দেখেছেন কী অবস্থায় পড়েছিল ছাত্রীর দেহ। মৃত ছাত্রীর পরিবার রাজি থাকলে সিবিআই তদন্তের জন্য হাইকোর্ট যাবে বিজেপি।

    জেলা পুলিশ সুপারের অফিসে অবস্থান বিক্ষোভে কেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    শুক্রবার সকালে কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটা সংলগ্ন গাঙ্গুয়া এলাকায় ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা।  স্থানীয় বাসিন্দারাই পুকুরের ধার থেকে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের দাবি, ছাত্রীর শরীর বিবস্ত্র ছিল। এরপরই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে পরিবার। পুলিশকে লক্ষ্য করে এলাকার বাসিন্দারা ইট ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। মৃতদেহ আটকে রেখে রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে চলে বিক্ষোভ। পুলিশ টিয়ার গ্যাস ফাটিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার সকাল থেকে এলাকা একেবারে থমথমে ছিল। এদিন কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটা সংলগ্ন গাঙ্গুয়া এলাকায় মৃত কিশোরীর বাড়িতে যান বিজেপির প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)  সঙ্গে আরও দুই সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, খগেন মুর্মু ছিলেন। পাশাপাশি বেশ কয়েকজন বিধায়কও ছিলেন। তাঁরা মৃত ছাত্রীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের পাশে থাকার তাঁরা আশ্বাস দেন। এরপর সেখান থেকে সরাসরি রায়গঞ্জের কর্ণজোড়ায়  অবস্থিত পুলিশ সুপারের দফতরে এসে হাজির হয় বিজেপির প্রতিনিধি দল। কিন্তু, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এসপি অফিসে আসার খবর অনেক আগেই ফোন মারফৎ পুলিশ সুপারকে জানানো হলেও এদিন সেখানে কোনও পুলিশ কর্তার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। দফতের ঢোকার দরজা খোলা নিয়েও অভিযোগে সরব হন বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর এসপি অফিসের ভিতরে অবস্থান ও ধর্ণায় বসে প়ড়েন রাজ্য সভাপতি সহ সাংসদ এবং বিধায়করা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এই ঘটনার তদন্তে তারা সন্তুষ্ট নন।

    কালিয়াগঞ্জে আসছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের একটি টিম

    পুলিশের বিরুদ্ধে ছাত্রীর মৃতদেহ টানতে টানতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য ইতিমধ্যেই সেই ভিডিও টুইট করেছেন। অভিযোগ সামনে আসার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখতে কালিয়াগঞ্জ যাচ্ছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের একটি টিম। চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতা ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিয়াঙ্ক কানুনগো।

    বিজেপি-র প্রতিনিধি দল বেরিয়ে যেতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কালিয়াগঞ্জ

    বিজেপির প্রতিনিধি দল বেরিয়ে যেতেই শনিবার দুপুরে পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কালিয়াগঞ্জের সাহেবঘাটা মোড় এলাকা। আশেপাশের গ্রামবাসীরা জমায়েত হয়ে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। স্থানীয় দোকানপাটগুলিতে ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়।  বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নিয়োগ দুর্নীতিতে কোন কোন পুরসভার জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: নিয়োগ দুর্নীতিতে কোন কোন পুরসভার জড়িত থাকার ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে চলা তদন্তের মধ্যেই এবার পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত অয়ন শীলের বাড়ি থেকে ইডি-র উদ্ধার করা নথির সূত্র ধরেই তদন্ত করতে পারবে সিবিআই। সিবিআই প্রয়োজন মনে করলে নতুন এফআইআর দায়ের করে তদন্ত চালাতে পারবে বলেও জানিয়েছে আদালত। আদালতের রায়ের পরই নন্দীগ্রামের হরিপুরে একটি পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, গরু পাচার, নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এসেছে। এবার এই দুর্নীতির তদন্ত শুরু করবে সিবিআই। আর এই দুর্নীতিতে শাসকদলের একাধিক বিধায়ক, সাংসদ, প্রাক্তন বিধায়কসহ নেতা, নেত্রীরা যুক্ত রয়েছেন। আমি কয়েকজনের তালিকাও দিয়েছি। আর মুখ্যমন্ত্রী আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। আমার নাকি বিভিন্ন জেলায় কোটা ছিল। আমি নিশ্চিত করে বলছি, নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও যদিও আমার হাতের লেখা সুপারিশের প্রমাণ মুখ্যমন্ত্রী দিতে পারেন, তাহলে আমি তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেব।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে কোন কোন পুরসভার জড়িত থাকার কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি সামনে আসলে কলকাতা পুরসভা, বিধাননগর পুরসভার পাশাপাশি বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটি, খড়দহ, ভাটপাড়া, নৈহাটি, বারাসত, বনগাঁ, মধ্যমগ্রাম, হরিণঘাটা, চাকদা পুরসভা সহ একাধিক পুরসভার চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, বিধায়করা কেউ বাইরে থাকবেন না। এমনকী এই দুর্নীতিতে পুরমন্ত্রীর জড়িত থাকার অভিযোগও সামনে আসবে। কীভাবে পুরসভায় পুর কর্মী নিয়োগে পরীক্ষার খাতায় কারচুপি করা হয়েছে তা অয়ন শীলের দুর্নীতি চক্র সব কিছু সামনে নিয়ে আসবে। ওএমআর শিট তার জ্বলন্ত প্রমাণ। আর এই দুর্নীতিতে কতজন ভিতরে ঢুকবেন তার কোনও হিসেব নেই। আগামীদিনে এই পার্টির কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। সব কিছুই শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mamata Banerjee: অক্ষয় তৃতীয়ায় ‘শুভনন্দন’! অথচ ইদের বেলায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, এ কোন মুখ্যমন্ত্রী?

    Mamata Banerjee: অক্ষয় তৃতীয়ায় ‘শুভনন্দন’! অথচ ইদের বেলায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, এ কোন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শুভনন্দন’! মুখ্যমন্ত্রীর আবিষ্কৃত নয়া বাংলা শব্দ, যার অর্থ উদ্ধার করতে গিয়ে কালঘাম ছুটছে ভাষাবিদদের। পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে দিঘায় প্রথম এই শব্দ ব্যবহার করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ‘হাঁস ছিল সজারু, হয়ে গেল হাঁসজারু’। অনেকেই রসিকতার ছলে বলছেন এটা অনেকটা আবোল তাবোলে সুকুমার রায়ের হাঁসজারু শব্দের মতো। যে বাংলা শব্দের নেই কোনও অর্থ বা স্বীকৃতি। এমন জোড়কলম শব্দ বাংলা অভিধানেও মেলে না। কিন্তু তাতে কী! হিন্দু বাঙালির পয়লা বৈশাখ হোক বা অক্ষয় তৃতীয়া, মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা বয়ে আসে এই শব্দ বেয়ে। কিন্তু ইদের বেলায় অবশ্য ভিন্ন নিয়ম! সেখানে ‘শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন’ শব্দ দুটি ব্যবহার করেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। 

    শব্দচয়নে এমন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ কেন করেন মাননীয়া?

    ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, আসলে এখানেও ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি। একধরনের সংখ্যালঘু তোষণের উদ্দেশ্যেই দুটি আলাদা উৎসবে, আলাদা ধরনের শব্দের ব্যবহার করা হয়। স্বীকৃত শব্দ ইদে এবং অর্থহীন শব্দ অক্ষয় তৃতীয়ায়। বিরোধী রাজনৈতিক মহলের একাংশ এ প্রসঙ্গে টেনে আনছেন ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য। প্রকাশ্য সাংবাদিক সম্মেলনে সেদিন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে যে আমি সংখ্যালঘু তোষণ করি, বেশ করেছি, যে গরু দুধ দেয়, আমি তার লাথি খেতে প্রস্তুত।”

    তোষণে পিছিয়ে নেই মমতার (Mamata Banerjee) পুলিশও

    মুখ্যমন্ত্রীর মতো তোষণের একই রাস্তায় হাঁটছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশও। দোলযাত্রা হোক বা কালীপুজো শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তারা বলে দিচ্ছে, বিবাদ এড়িয়ে চলুন। উৎসবের দিন কাউকে আঘাত করবেন না। 

    অথচ একই পুলিশ ইদের শুভেচ্ছা বার্তায় শুধুই অভিনন্দন জানাচ্ছে। সেখানে বিবাদ এড়িয়ে চলা বা কাউকে আঘাত না করার কোনও বার্তা নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আমলে সংখ্যালঘু তোষণের প্রতিষ্ঠানকরণ হয়ে গেছে। তাই পিছিয়ে নেই প্রশাসনও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal: ডাইনি সন্দেহে তিন বছর ধরে তিন আদিবাসী পরিবার ঘরছাড়া! কোথায় জানেন?

    Tribal: ডাইনি সন্দেহে তিন বছর ধরে তিন আদিবাসী পরিবার ঘরছাড়া! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের বারোজন সদস্য গ্রাম ছাড়া। গত ৩ বছর ধরে তাঁরা নিজেদের এলাকায় ঢুকতে পারছেন না। পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা শিকেয় উঠেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এর আগেও একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় ওই তিন পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনটা অভিযোগ নির্যাতিতা পরিবারের।  আবারও শান্তিনিকেতন থানা এবং এসডিপিও-র কাছে দ্বারস্থ হল এই পরিবার।

    কেন তিন পরিবারের সদস্যদের গ্রাম ছাড়া করা হয়েছিল?

    ২১ জুলাই ২০২০ সালে শান্তিনিকেতন থানার মুলুক এলাকার মণিকুন্ঠ গ্রামে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আর সেই দুর্ঘটনার জন্য তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের দুজনকে দায়ী করা হয়। ডাইনি বলে চিহ্নিত করে দুর্ঘটনার জন্য তাঁদের দায়ী করা হয়। এরপরই এলাকাবাসীর নিদানে তাঁদের গ্রাম ছাড়া করা হয়। ফলে, তিন বছর ধরে নিজের বাড়ি থাকার পরও তাঁরা থাকতে পারছেন না। শুক্রবারই ওই পরিবারের সদস্যরা শান্তিনিকেতন থানাতে যান। এলাকাবাসীর নিদানে তিন বছর ধরে তারা যে গ্রামে ঢুকতে পারছেন না তা পুলিশ প্রশাসনকে জানান। এমনকী গ্রামে ফিরতে না পারার কারণে কী কী সমস্যা হচ্ছে তা তাঁরা পুলিশ প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন।  পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন পরিবারকে ফেরানোর  আশ্বাস দেওয়া হয়।  

    কী বললেন এসটি,এসসি, ওবিসি মাইনরোটি সেলের জয়েন্ট ফোরামের সভাপতি?

    এসটি,এসসি, ওবিসি মাইনরোটি সেলের জয়েন্ট ফোরামের সভাপতি  বৈদ্যনাথ সাহা বলেন,  এখনও মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। কোনও ঘটনার জন্য একটি বা দুটি পরিবারের সদস্যদের দায়ী করা ঠিক নয়। কিন্তু, ওই তিন আদিবাসী (Tribal) পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ওই তিন পরিবারকে বাড়ি ফেরানোর জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে প্রচুর আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। ফলে, তিন পরিবারের ছেলে ও মেয়েরা বঞ্চিত হয়েছেন শিক্ষার আলো থেকে। তিন বছর ধরে স্কুলে না যাওয়ার কারণে স্কুল ছুট হয়েছেন তাঁরা। আমরা আবারও প্রশাসনের দ্বারস্থ হলাম। এখন তাঁরা কবে বাড়ি ফেরেন সেদিকেই আমরা তাকিয়ে রয়েছি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SIT: রাজু ঝা খুনে ধৃত অভিজিতের বাড়িতে হানা দিল সিট! কেন?

    SIT: রাজু ঝা খুনে ধৃত অভিজিতের বাড়িতে হানা দিল সিট! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শুক্রবার কাঁকসার বামুনারায়  রাজু ঝা খুনের ঘটনায়  ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে হানা দিল সিট (SIT) -এর সদস্যরা। রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনার তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটের (SIT) সদস্যরা পৌঁছে যান দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অন্য এক ব্যবসায়ী নারায়ণ খারকার অফিসে। ধৃত অভিজিৎ মণ্ডলকে নিয়ে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের দুটি দোকানে তল্লাশি চালান সিটের (SIT)  তদন্তকারী আধিকারিকরা। যদিও ওই বন্ধ দোকান দুটির চাবি না মেলায় পুলিশ সিল করে। এবার সিসি টিভি খতিয়ে দেখতে অভিজিতের বাড়িতে পৌঁছাল সিট (SIT)।

    সিসি টিভি খতিয়ে দেখে কী পেল সিট (SIT)?

    নারায়ণ খারকার দোকানের পর এবার ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিল সিট (SIT) । তার বাড়ির সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তবে, সেখানে শেষ ২৪ ঘণ্টার  ভিডিও ছাড়া আর কিছুই মেলেনি। নেই ২৪ ঘণ্টার আগের কোনও ভিডিও ফুটেজ, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। তবে, কী কোনও বিশেষ প্রমাণ লোপাট করতেই মুছে ফেলা হয়েছে সেই সমস্ত ফুটেজ? মূলত তারসঙ্গে কার ওঠাবসা ছিল, তার বাড়িতে কারা কারা আসত তা খতিয়ে দেখতেই সিটের আধিকারিকরা সিসি টিভি খতিয়ে দেখেন। পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, রাজু ঝা খুনের শার্প শুটারদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল অভিজিত্। কয়েকমাস ধরেই শুটাররা টার্গেট করছিল রাজুকে। অবশেষে ১ এপ্রিল দুর্গাপুর থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দেন রাজু ঝা। সঙ্গে ছিল ব্রতীন ও আবদুল লতিফ। শক্তিগড়ে তাঁরা ঝালমুড়ি খেতে গাড়ি থেকে নীচে নামেন। সেই মুহূর্তে একটি নীল রংয়ের গাড়িতে করে আসা দুই জন শার্প শুটার গাড়ির প্রথম সিটে বসে থাকা রাজুকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয়। এই ঘটনার ১৮ দিনের মাথায় অভিজিৎ মণ্ডল গ্রেফতার হয়। পুলিশ তাকে হেপাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    Collapse: রাস্তা জুড়ে ফের ধস! আতঙ্কে এলাকা ছাড়ছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস (Collapse) ! এবার ধসের (Collapse) আতঙ্কে ঘর ও দোকানপাট ছাড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুক্রবার দুপুরে এমনই চিত্র উঠে এল অন্ডালের পড়াশকোল এলাকায়। এদিন দুপুর থেকেই অন্ডালের পড়াশকোল এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। বিশেষ করে চোখের সামনে চলাচলের রাস্তা জুড়ে বিশাল ফাটল দেখে অনেকের রাতে ঘুম চলে যায়।  পড়াশকোল এলাকার প্রসিদ্ধ পদ্মাবতী মন্দির রয়েছে এখানে। মন্দিরে পুজো দিতে বহু ভক্ত সমাগম হয়। কিন্তু, এদিনের ধসের কারণে মন্দিরে ভক্তদের সংখ্যাও কম ছিল।

    ধস (Collapse) নিয়ে কী বললেন এলাকাবাসী?

    শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়দের একাংশ লক্ষ্য করেন ,পড়াশকোলের বগুলা কাজরা যাওয়ার প্রধান রাস্তার উপর জায়গায় জায়গায় গভীর আকারের ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গত দুই বছর আগে এই এলাকায় ব্যাপক আকারে ই সি এল- এর খোলা মুখ খনির কারণেই ধসের (Collapse) সৃষ্টি হয়েছিল।  সেই মুহূর্তে এলাকা ও ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও এলাকার বহু মানুষ আতঙ্কে ধস (Collapse) কবলিত এলাকা থেকে দূরে ক্লাব ঘরে বাস করছেন। দুই বছর আগে ধসের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ প্রশাসন, শাসক দল, ইসিএল আধিকারিকদের বৈঠক করে। সেই সময় এলাকাবাসীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি আলোচনা হয়। কিন্তু দু’বছর পার হয়ে গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আজও আতঙ্কে বসবাস করছেন এলাকার মানুষ । প্রসঙ্গত, পড়াশকোল এলাকা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে জামবাদ খোলামুখ খনি এলাকায় দু’বছর আগে ধসে তলিয়ে যায় আস্ত একটা বাড়ি,তলিয়ে যায় বাড়ির লোকজনও। বেশ কয়েক দিনের চেষ্টার পর মৃতদেহ উদ্ধার হয় মাটির তলা থেকে। এই ঘটনার পরেই আতঙ্কিত জামবাদ,পড়াশকোল এলাকার বাসিন্দারা পুনর্বাসনের দাবি জানান ইসিএলের দফতরে। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসী। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তাঁরা এলাকায় থাকছিলেন। এদিন নতুন করে ধস (Collapse) শুরু হওয়ায় আতঙ্কিত এলাকাবাসীরা দোকানপাট ও ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rape: পানীয় জলে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বধূকে পালা করে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই সিভিক ভলান্টিয়ার

    Rape: পানীয় জলে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বধূকে পালা করে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই সিভিক ভলান্টিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের গৃহবধূকে ধর্ষণের (Rape) অভিযোগে দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের লাভপুর থানা এলাকায়। ধৃতদের নাম ছোট্টু দত্ত ও সুমিত মুখোপাধ্যায়। তারা লাভপুর থানায় কর্মরত।  বৃহস্পতিবারই তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    কয়েকদিন আগে চার বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে লাভপুরে একটি মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। ছোট্টু দত্ত ও সুমিত মুখোপাধ্যায় নামে  দুই সিভিক ভলান্টিয়ার সেখানেই কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন। চরম গরমের কারণে ওই বধূ সিভিকদের কাছে গিয়ে পানীয় জল চান। এমনিতেই দুপুরের দিকে মন্দির চত্বর ফাঁকা ছিল। জানা গিয়েছে, ওই দুই সিভিক পানীয় জলের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন। সেই জল খেয়ে ওই বধূ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁকে সাহায্য করার নাম করে সিভিক ভলান্টিয়াররা  অতিথি শালায় নিয়ে যান। সঙ্গে করে চার বছরের শিশু কন্যাকে তাঁরা নিয়ে যান। এরপর অতিথিশালার ভিতরে পালা করে তারা ওই বধূকে ধর্ষণ (Rape) করে বলে অভিযোগ। পরে, ওই বধূ বাড়ি ফিরে গিয়ে প্রথমে ভয়ে কাউকে কিছু বলেননি। পরে, তিনি স্বামীকে সমস্ত বিষয়টি খুলে বলেন। এরপরই স্ত্রীকে সঙ্গে করেই তাঁর স্বামী ১৯ এপ্রিল বুধবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুই সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে। প্রসঙ্গত, নদিয়ার হাঁসখালিতে কিশোরীকে ধর্ষণ (Rape) এবং পরে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার ছেলের বাড়িতে মদ্যপানের আসরে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ (Rape) করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। শুধু হাঁসখালি নয় তেহট্টের বাড়িতে মা বাবার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ১৫ বছরের কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের (Rape)  অভিযোগ উঠেছিল এক পড়শি যুবকের বিরুদ্ধে। এবার মন্দিরের অতিথিশালা নিয়ে গিয়ে বধূকে পালা করে ধর্ষণের (Rape) অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে বীরভূম জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এই ঘটনায় যা যা করার দরকার তা করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল অফিসে ঝোলানো হল তিনটি তালা! শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: তৃণমূল অফিসে ঝোলানো হল তিনটি তালা! শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে তালা ঝুললো তৃণমূলেরই (TMC) দলীয় কার্যালয়ে। তবে, একটি নয়, তিন-তিনটি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ ছবি আরামবাগের হরিণখোলার হরাদিত্য এলাকার একটি তৃণমূল (TMC) কার্যালয়ের। পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কোন্দলের জেরে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল।

    ঠিক কী নিয়ে গণ্ডগোল?

    দলীয় কার্যালয় কোন নেতার দখলে থাকবে, সেই নিয়েই দুই নেতা ও তাঁদের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদ। এলাকা দখল নিয়ে আরামবাগের হরিণখোলা অঞ্চলে তৃণমূলের (TMC) যুব ও মাদার সংগঠনের দ্বন্দ্ব বরাবরই। বর্তমানে হরিণখোলার তৃণমূল (TMC) অঞ্চল সভাপতি পার্থ হাজারির সঙ্গে তৃণমূল যুব অঞ্চল সভাপতি স্বরূপ দাসের বিবাদ চলছে। দলীয় কার্যালয় কার দখলে থাকবে তা নিয়ে এই দুই নেতার মধ্যে বিবাদ। আর সেই বিবাদের জেরেই এক পক্ষ তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) যুব নেতা?

    যুব তৃণমূলের (TMC) অঞ্চল সভাপতি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে হরাদিত্য এলাকায় দলীয় কার্যালয় আমরা ব্যবহার করে আসছি। সেখান থেকেই দলের সমস্ত কাজকর্ম আমরা করি। সম্প্রতি অঞ্চল সভাপতি নতুন গঠন হওয়ার পর, নবনির্বাচিত অঞ্চল সভাপতি নিজের ইচ্ছামত কাজ করছে। এমনকি হরাদিত্য এলাকার তৃণমূলের (TMC) কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়। অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে তালা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

    তৃণমূলের (TMC) অঞ্চল সভাপতি কী বললেন?

    যদিও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি পার্থ হাজারি বলেন, এলাকায় বিজেপি-র দুষ্কৃতীদের উৎপাত বেড়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেই কারণে রাতে তালা দেওয়া হয়। কিন্তু, সকালে জানতে পারি একটি তালার বদলে তিনটি তালা ঝুলিয়ে দেও হয়েছে। কে বা কারা এটা করেছে তা উর্ধ্বতন নেতৃত্ব ও প্রসাশনকে জানানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)ব্লক সভাপতি?

    এবিষয়ে  আরামবাগের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শিশির সরকার বলেন, অঞ্চলের কার্যালয় অঞ্চল সভাপতির অধীনে চলবে। তবে, তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে উর্ধ্বতন নেতৃত্বকে আমরা জানাব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, শাসকদলের কোন্দল ঢাকতে ওরা আমাদের দলের নামে অভিযোগ করছে। আসলে, তৃণমূল (TMC) দলে কারও সঙ্গে কারও সম্পর্ক নেই। সবাই নিজেকে নেতা মনে করেন। তাই, ওদের দলে এত গোষ্ঠীকোন্দল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share