Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bankura: তাপপ্রবাহ এনে দিল কাঁটার মুকুট! বিশ্বের প্রথম ১৫ উষ্ণতম স্থানে জায়গা বাঁকুড়ার

    Bankura: তাপপ্রবাহ এনে দিল কাঁটার মুকুট! বিশ্বের প্রথম ১৫ উষ্ণতম স্থানে জায়গা বাঁকুড়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমে পুড়ছে বাংলা। রোদের তেজে ঝলসে যাওয়ার মত অবস্থা। প্রশাসন জারি করেছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। বেলা ১০টার পরে বাইরে পা ফেলার জো নেই। বৈশাখের শুরুতেই এত দাবদাহ বাংলা আগে কবে দেখেছে ঠিক মনে করতে পারছেন না অনেকেই। তবে এই তাপপ্রবাহ নিয়ে এল বাংলার মুকুটে নতুন পালক। পৃথিবীর উষ্ণতম প্রথম ১৫টি শহরের তালিকায় জায়গা করে নিল বাঁকুড়া (Bankura)।

    আরও পড়ুন: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিয়ে বাঁকুড়া (Bankura) পেল ১৩ তম স্থান

    মৌসম ভবন আগেই জানিয়েছিল যে এবার গরমে নাজেহাল হতে চলেছে বঙ্গবাসী। কারণ এবছর এপ্রিল-জুন মাসের গরম পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে। সেটাই সত্যি হল। প্রকৃতির রোষানলেই উষ্ণতম শহরের প্রথম পনেরোর মধ্যে চলে এল বাংলা। এল ডোরাডো ওয়েদার ওয়েবসাইটে পৃথিবীর উষ্ণতম (hottest) শহরগুলির একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার নিরিখে এই তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে। আর তাতেই তেরো নম্বরে জায়গা কর নিয়েছে বাঁকুড়া। গত ২৪ ঘণ্টায় বাঁকুড়ার তাপমাত্রা ছিল ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আরও পড়ুন: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    বাঁকুড়া ছাড়াও দেশের অন্য তিন শহরের নামও রয়েছে

    এই তালিকায় রয়েছে ভারতের আরও তিনটি শহর। দ্বিতীয় স্থানেই রয়েছে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ। এছাড়াও রয়েছে ঝাঁসি ও জামশেদপুর।
    তালিকার প্রথম রয়েছে নাইজেরিয়ার মাইনে সোরোয়া (Maine Soroa)। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের প্রয়াগরাজ আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে নাইজেরিয়ার গোর (Goure)। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে খুব একটা ভাল চোখে দেখছে না বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ধারণা৷ দেশের ৯০ শতাংশ অঞ্চল চরম উষ্ণ অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের অর্থনীতিতে।

    আরও পড়ুন: আজও চলবে তাপপ্রবাহ! বৃষ্টি শুরু হচ্ছে কবে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

    West Bengal Police: ব্যক্তিগত কারণেই দণ্ডি কেটেছেন আদিবাসী মহিলারা, পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে ফের তরজা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ড নিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের (West Bengal Police) পাঠানো ১৩ এপ্রিলের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় এসটি কমিশনকে জেলার পুলিশ সুপার চিঠি দিয়ে দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তের বিষয়টি জানান। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দণ্ডিকাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার তপনের ওই গ্রামে গিয়ে নির্যাতিতা মহিলাদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ব্যক্তিগত কারণে এই দণ্ডি কেটেছেন বলে পুলিশকে (West Bengal Police) জানিয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই বলেও তাঁরা পুলিশকে জানিয়েছেন। চিঠিতে পুলিশের পক্ষ থেকে এসবই দাবি করা হয়েছে। যদিও পরে একজন থানায় এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মূলত বালুরঘাটের তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। কিন্তু, পুলিশ প্রথম থেকেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর নাম সামনে আনতে চায়নি বলে বিরোধীদের অভিযোগ। পরিবর্তে  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ (West Bengal Police)। এবং পরবর্তী সময়ে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান। আর তারপর ১৩ এপ্রিল পুলিশ যে রিপোর্ট এসটি কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে তাতে আবারও মূল অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশি (West Bengal Police)  রিপোর্ট নিয়ে কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    দণ্ডিকাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতারির ঘটনায় খুশি নয় বিজেপি। এর আগেও অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে গ্রেফতাদের দাবিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটসহ সব থানায় বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। এমনকী, জাতীয় এসটি কমিশনকে চিঠি দিয়ে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি করেছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পুলিশি রিপোর্ট প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, পুলিশের (West Bengal Police) রিপোর্ট দেখে হাসি পাচ্ছে। আসলে রিপোর্টে বলা হচ্ছে, কেউ দোষী নয়। ওরা নিজেদের ব্যক্তিগত কারণে দণ্ডি কেটেছে। তাহলে দুজনকে পুলিশ (West Bengal Police)  গ্রেফতার করল কেন? আসলে এই পুলিশ (West Bengal Police)  পুরোপুরি দলদাসে  পরিণত হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডের ঘটনাটি  কেন্দ্রীয় সংস্থা জেলায় এসে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় এসটি কমিশন কী রিপোর্ট চেয়েছে জানি না। পুলিশ (West Bengal Police)  কী রিপোর্ট দিয়েছে তা জানি না। তাই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য আমরা করব না। পুলিশ (West Bengal Police) সক্রিয়তার সঙ্গে তদন্ত করছে। আমরা চাইব, এই ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    TMC: টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের পদ বিক্রি! নাম জড়াল বিধায়ক সোহমের আপ্ত সহায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে পূর্ব মেদিনীপুরে চণ্ডিপুর বিধানসভার ভগবানপুর-১ ব্লকে ঘটা করে ব্লক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এবার সেই কমিটি গঠনকে অবৈধ বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়েছে। প্রকাশ্যে সাংবাদিক সম্মেলন করেই তৃণমূলের (TMC) একটি গোষ্ঠী এই অভিযোগ তুলেছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ব্লক কমিটি নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  বিক্ষুব্ধ নেতারা?

    পঞ্চায়েতে টিকিট দেওয়া, ব্লক কমিটিতে জায়গা করে দেওয়া, চাকরি দেওয়াসহ একাধিক কারণে বহু টাকা তোলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবারই ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি ঘোষণা করেন তৃণমূল বিধায়ক সোহম। সেই তালিকা  নিয়ে ক্ষোভ জানাতে গিয়ে বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন ভগবানপুরের কিছু তৃণমূল (TMC) নেতা। তৃণমূলের ব্লক কমিটি সম্পাদক অসিত কুমার মণ্ডল বলেন, আমি নতুন ব্লক কমিটিতে রয়েছি। তারপরও বলছি, সাংবিধানিক নিয়ম না মেনেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরো কমিটিই অবৈধ। আর পঞ্চায়েতে যোগ্য কর্মীরা কমিটি থেকে বাদ গিয়েছেন। তাঁদের বাদ দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন করা সম্ভব নয়। নির্বাচনে ভাল ফল করবে না দল। তাই, আমরা কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি। আর এই বিষয়ে জেলা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অন্য এক তৃণমূল (TMC) কর্মী ইকবাল হোসেন, বিধায়কের আপ্ত সহায়ক সৌম্যজিত্ সেন এই এলাকায় চাকরি দেওয়ার নাম করে বহু টাকা তুলেছেন। পাশাপাশি ব্লক কমিটিতে পদ দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছে টাকা তুলেছেন তিনি। আমাদের কাছে তথ্য প্রমাণও রয়েছে। জানা গিয়েছে, এর আগে চাকরির নামে টাকা তোলাসহ একাধিক অভিযোগে সোহম চক্রবর্তীর পূর্বতন আপ্তসহায়ক সজল মুখোপাধ্যায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। নতুন আপ্ত সহায়কের বিরুদ্ধে ফের আর্থিক কেলেঙ্কারি ওঠায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি?

    ভগবানপুর-১ ব্লক তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি রবীনচন্দ্র মণ্ডল বলেন, নিয়ম মেনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। জেলা সভাপতির অনুমতি নিয়েই নতুন কমিটি ঘোষণা করেছেন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। আর, বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর আপ্তসহায়কের নামে যে সব অভিযোগ করছেন তা পুরোপুরি মিথ্যা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি স্বপন রায় বলেন, সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের ভরাডুবি হবে। তা বুঝে গেছেন তৃণমূল নেতারা। বহু তৃণমূল নেতা তলায় তলায় বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগও রাখছেন। ভগবানপুর কেন, পুরো রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করবে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    TMC: শ্রমিক সংগঠনের সভার আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ভাঙচুর নেতার গাড়ি, জখম চালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) তৃণমূলের (TMC) ঠিকা শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল হয়ে উঠল এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কারখানার গেটে কাজে যোগদান করতে গেলে তাঁদের উপরে ইটবৃষ্টি করে তৃণমূলেরই একাংশ, এমনই অভিযোগ। এই ঘটনায় মাথা ফেটে যায় শেখ সামসুদ্দিন নামক এক ঠিকা শ্রমিকের। তাঁকে তড়িঘড়ি ডিএসপি মেন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অভিযোগ, এদিন যখন তাঁরা কাজে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় শেখ গোলাম রসুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তাঁদের উপর হামলা চালায়। সূত্রের খবর, এই গোলাম রসুল তৃণমূল করেন। দিনকয়েক আগে জেলার নেতৃত্ব ডিএসপির সাত শ্রমিক নেতাকে বহিষ্কার করে। এই ঘটনা তারই জের বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসি-র ডাকে বিশাল শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দুপুর সাড়ে তিনটের সময় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের মেন গেট এলাকায়। সমাবেশের প্রধান বক্তা আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই এদিন সকালে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে আহত হন তৃণমূল নেতা।

    আক্রান্ত এক নেতা কী বলছেন?

    আজ আমি গাড়ি করে যখন প্ল্যান্টে ঢুকছিলাম, তখন বহিরাগত ২৫-৩০ জন আমাদের উপর হামলা চালায়। এদের মধ্যে কর্মীও ছিল, ছিল গোলাম রসুলও। গাড়ি ঘুরিয়ে যখন চলে যেতে উদ্যোগী হই, তখন পিছন থেকে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। চালকের মাথায় আঘাত লাগে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় চিকিৎসার জন্য। গাড়িচালক হামলাকারীদের সবাইকে চেনে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলেই সবার নাম জানা যাবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, গেটে ঢোকার সময় আমাদের কর্মীদের সঙ্গে কারও কোনও বচসা হয়নি। তাঁর দাবি, দলের জন্মলগ্ন থেকেই তিনি তৃণমূল করেন। ২০০৪ সালের পর থেকে আইএনটিটিইউসির (TMC) সদস্য। তারপরেও এই ধরনের হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    কী জবাব দিলেন অভিযুক্ত?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই গোলাম রসুল বলেন, আমি তো এসব কিছুই জানি না। এখানে ছেলেরা সব ঝান্ডা বাঁধছিল। আমিও ছিলাম। এখানে আজ একটা (TMC) প্রোগ্রাম আছে। ওরা এটা নিয়ে একটা নোংরা রাজনীতি করছে। আমার নামে যে ওরা অভিযোগ করেছে, আমি তা এখনও শুনিনি। এমনকি কাকে মারধর করা হয়েছে, সে খবরও আমরা জানি না। সাংবাদিকদের মুখ থেকেই যা শোনার শুনছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    SIT: রাজু ঝা খুনের ঘটনায় দুর্গাপুরের এক ব্যবসায়ীর অফিস সিল করল সিট, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের ১৮ দিনের মাথায় অভিজিত্ মণ্ডল নামে এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে। এবার এই খুনের পিছনে আর কারা রয়েছে, তা নিয়ে চর্চা চলছে সর্বত্র। অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই খুনের ঘটনার তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিটের (SIT) সদস্যরা পৌঁছে গেলেন দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের অন্য এক ব্যবসায়ী নারায়ণ খারকার অফিসে। তাকে দেখা করার জন্য নোটিশও দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই ব্যবসায়ীর আইনজীবী নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেননি।

    নারায়ণ খারকার অফিসে হানা দিয়ে কী করল সিট (SIT)?

    মঙ্গলবার রাতে দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে হানা দেয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের সিট (SIT)। একদম ভরা বাজার থেকে অভিজিৎকে পাকড়াও করে পুলিশ। একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সেই সময় নারায়ণ অম্বুজা কলোনিতে তাঁর অফিসেই ছিলেন। অভিজিৎকে পুলিশ ধরার সঙ্গে সঙ্গেই খবর পৌঁছে গিয়েছিল অফিসে। স্করপিও গাড়িতে করে চম্পট দেন ‘কয়লা মাফিয়া’ নারায়ণ। যদিও অন্য একটি সূত্রের দাবি, কয়েকদিন ধরেই নারায়ণ এলাকাতে নেই। বুধবার রাত ৮টা নাগাদ সিটের আধিকারিকরা ফের দুর্গাপুরের অম্বুজা কলোনিতে নারায়ণের অফিসে হানা দেন। সঙ্গে ১০টি গাড়িতে ছিল পুলিশ। নারায়ণের অফিস পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যায়। অফিসে তল্লাশির জন্য ধৃত অভিজিত্ মণ্ডলকেও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন সিটের (SIT) আধিকারিকরা। কিন্তু, অফিসে কারও দেখা মেলেনি। এরপরই অফিস সিল করে দেওয়া হয়।

    কে এই নারায়ণ খারকা?

    একসময় রাজু ঝায়ের সঙ্গে কয়লার কারবারে যুক্ত ছিলেন নারায়ণ। একসঙ্গে তাঁরা ব্যবসা করতেন। রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পরই নারায়ণের প্রভাব বাড়তে শুরু করে। জেলে যেতে হয় রাজুকে। বহুদিনের জুটি ভেঙে যায়। কারবারের দ্বন্দ্ব চরম শত্রুতার পর্যায়ে চলে যায়। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর খনি অঞ্চলে ইসিএলের কয়লা পরিবহণের ‘ডিস্ট্রিবিউশন অর্ডার’ পাওয়া সংস্থার উপর তোলা আদায় করার কারবার শুরু করেছিল রাজু। প্রতি টন কয়লার জন্য ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা ডান্ডা ট্যাক্স চালু করেছিল সে। এই নিয়ে নারায়ণের সঙ্গে শত্রুতা বাড়তে থাকে রাজুর। ইসিএলের কয়লা নিলাম হলে কোনও সংস্থা তা কিনত। সেখানেও থাবা বসিয়েছিল রাজু। তার জেরেও অনেকেরই সঙ্গে শত্রুতা বাড়ছিল রাজুবাহিনীর। নারায়ণের সঙ্গে রাজু-র দুরত্ব অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ধৃত অভিজিত্ মণ্ডল নারায়ণের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাই, অভিজিত্ গ্রেফতার হওয়ার অর্থ নারায়ণকে বার্তা দেওয়া। বুধবার রাতে দুর্গাপুর অফিসে সিল করে সিট (SIT) আধিকারিকরা সেই বার্তা আরও স্পষ্ট করলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    Panchayet: চাঁদা তুলে রাস্তা সারাইয়ে নামলেন গ্রামবাসীরা, জানেনই না পঞ্চায়েত প্রধান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানকে বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি। মাটির রাস্তা হয়নি পাকা। বর্ষায় কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটাচলা করাই দায় হয়ে যায়। কোনও যানবাহন চলাচল করতে পারে না। স্কুলের কচিকাঁচারা রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। অবশেষে বাসিন্দারা নিজেরাই চাঁদা তুলে, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে রাস্তা সারাই শুরু করলেন। আলিপুরদুয়ার ১ ব্লকের বঞ্চুকামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ফোসকারডাঙা এলাকার ঘটনা। তৃণমূল সরকারের উন্নয়ন সত্যিই যেন এখানে রাস্তায় দাঁড়িয়ে! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, গ্রামের এই সমস্যা এবং তা থেকে প্রতিকার পেতে গ্রামবাসীরা যে এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, তা নাকি তিনি জানেনই না। বলা বাহুল্য, পঞ্চায়েত ভোটের মুখে এটা বিরোধীদের বড় অস্ত্র হতে চলেছে। 

    কীভাবে তৈরি হচ্ছে রাস্তা?

    গ্রামবাসীদের চাঁদায় এখানে বালি ও পাথর কেনা হয়েছে। তারপর কোদাল, বেলচা হাতে নিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজে নেমেছেন বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা রবিবার থেকে এই কাজ শুরু করেছেন। আগামি কয়েকদিনে রাস্তা সারাইয়ের কাজ সম্পন্ন করবেন বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের পঞ্চায়েত ও গ্রাম পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভ জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় ফোসকারডাঙা এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 
     

    রাস্তা সারাইয়ে গ্রামের মহিলারাও, কী বললেন তাঁরা?

    গ্রামের পুরুষদের সাথে রাস্তা সারাইয়ের কাজে হাত দিয়েছেন মহিলারাও। গ্রামের বাসিন্দা জয়ন্তী রায় বলেন, “অনেক বলেও আমাদের এলাকার রাস্তা পাকা হয় না। বর্ষায় এলাকায় যানবাহন চলাচল করতে পারে না। অসুস্থ মানুষকে কাঁধে করে পাকা রাস্তায় তুলে সেখান থেকে গাড়িতে তুলতে হয়। স্কুলের বাচ্চারা এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খালে, নালায় পড়ে যায়। গ্রামের পঞ্চায়েত ও অঞ্চলের (Panchayet) প্রধানকে বলেও কোন কাজ হয়নি। তাই নিজেরা চাঁদা তুলে সেই টাকা দিয়ে বালি, পাথর কিনেছি। আর আমরা নিজেরা কাজ করে বর্ষার আগেই রাস্তা তৈরি করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    Partha Chatterjee: পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে এখনও মূল্যবান আংটি! জেল সুপারকে তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলের মধ্যে থাকা অবস্থাতেও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে রয়েছে রূপোর আংটি। তা নিয়ে বুধবার আদালতে ইডি দাবি করে, পার্থ এতটাই প্রভাবশালী যে ‘জেল কোড’ ভেঙে আংটি পরে জেলে ঘুরলেও তা নিয়ে বলার কেউ নেই। এ নিয়ে আদালতে চলে বাদানুবাদ। পার্থর ওই আংটিকাণ্ডের জেরে এবার প্রেসিডেন্সি জেলের সুপারকে তলব করলেন বিচারক। আগামী ২৬ এপ্রিল সুপারকে লিখিত জবাব-সহ হাজির হতে হবে আদালতে। 

    ইডির দাবি  

    নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) বর্তমানে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে বুধবার জেল থেকেই আদালতে হাজিরা দেন পার্থ। ভার্চুয়ালি শুনানিপর্বের শুরুতেই ইডির আইনজীবী বিচারকের কাছে অনুরোধ করেন, যাতে পার্থকে বলা হয় হাতের দু’পাশ দেখানোর জন্য। বিচারকও পার্থকে সামনে এসে হাতের দুপাশ দেখানোর জন্য বলেন। পার্থ এগিয়ে এসে হাতের দুপাশ দেখাতেই, ইডির আইনজীবী বিচারককে বলে উঠলেন, ‘হাতের রিংটা দেখলেন? দেখুন কতটা পাওয়ারফুল হলে জেলেও রিং পরে আছেন।’ ইডির আইনজীবীর প্রশ্ন, ‘একজন অভিযুক্ত কি জেলে কোনও অলংকার পরে থাকতে পারে? সব তো খুলে রাখতে হয়। পার্থ এতটাই পাওয়ারফুল যে তাঁকে জেলেও আংটি পরতে দেওয়া হচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তীতে কলকাতায় অমিত শাহ! নববর্ষের পর ফের জনসভা বাংলায়

    পার্থর যুক্তি

    পার্থর আইনজীবী আদালতে পাল্টা যুক্তি দেন, ‘পার্থবাবু কীভাবে জানবেন, জেল কোডে কী বলা আছে। তাহলে তো পার্থবাবু আইনের সব জানবেন।’ যদিও পার্থর দাবি, শরীরের কারণেই আংটি খোলেননি তিনি। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর জেলের সুপারকে ডেকে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। সূত্রের খবর, শুনানি শেষেই পার্থ হাত থেকে আংটি খুলে দেন।

    সুপারকে তলব

    এই ঘটনার জেরে জেল সুপারকে তলব করল আদালত। কেন পার্থ জেলে থাকা অবস্থাতেও হাতে আংটি পরে রয়েছেন, তা সবিস্তারে লিখিত আকারে নিয়ে আসতে হবে তাঁকে। আইন বলছে, কোনও কয়েদির হাতে আংটি বা অন্য কোনও অলঙ্কারসামগ্রী রয়েছে কি ন্‌ তা দেখার দায়িত্ব সুপারের। কিন্তু পার্থর ক্ষেত্রে সেই নিয়ম সঠথভাবে পালিত হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সে ক্ষেত্রে আদালত জানতে চায়, জেল সুপার কি জেল কোড জানেন না? নাকি কর্তব্যপালনে অপারগ হয়েছিলেন সুপার? লিখিত আকারে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে সুপারকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আজও চলবে তাপপ্রবাহ! উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Weather Report: দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে আজও চলবে তাপপ্রবাহ! উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আজও রীতিমতো গরমের হলকা ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি থাকবে। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই তাপপ্রবাহ বিগত কয়েকদিনের মতোই থাকবে। বেলা বাড়লেই রয়েছে লু’-এর সতর্কতা। এ বছর গরমের বাড়াবাড়ি। গত কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি উপরে পারদ। দার্জিলিংয়েও যেন গরমের অনুভূতি। হতাশ পর্যটকরা। তবে উত্তরবঙ্গের মাটি আজ ভিজতে পারে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা  

    ২০ এপ্রিল থেকে উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলায় বৃষ্টি না হওয়ায় একটাই কারণ ছিল, জলীয় বাষ্পের অভাব। এবার বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করায় সুখবর মিলল। শনিবার ও রবিবার উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গে কবে হবে আবহাওয়ার পরিবর্তন

    তবে ২২ শে এপ্রিল আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। প্রচণ্ড গরমের দাবদাহ থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। উপকূলের জেলা-সহ তিন-চার জেলায় সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে সপ্তাহের শেষে। 
    জানা গিয়েছে, শুক্রবার বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। ২২ এপ্রিল শনিবার দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই জেলাগুলি হল দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া। এদিকে, কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় তাপের সঙ্গে শুরু হয়েছে আর্দ্রতার অত্যাচার। ফলে কলকাতায় ভ্যাপসা গরমের দাপট থাকবে। ঘর্মাক্ত পরিবেশে অস্বস্তি আরও বাড়বে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত তাপপ্রবাহ চলবে (Weather Report)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপম দত্তের পর এবার আপনার নম্বর, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার অভিযোগ উঠল আনিসুর রহমান ওরফে গুড্ডু রহমান নামে তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাপুটে এক নেতার সঙ্গে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রায় দেখা যায়। ফলে, তৃণমূল কর্মী হয়ে দলীয় কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ওই কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়া হল?

    মূলত বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকির (Threat) মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেলঘরিয়া ৪ নম্বর রেলগেটের পাশে একটি বাড়ি বেআইনিভাবে নির্মাণ হচ্ছে, সেই নির্মাণে কাউন্সিলর গিয়ে বাধা দেওয়ায় তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। কামারহাটির গুড্ডুর বিরুদ্ধে ওই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বছর মার্চ মাসে পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করে। সেই কাউন্সিলরের মতো কামারহাটি পুরসভার ওই কাউন্সিলরের হাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় বলেন, আসলে এলাকার মানুষের জন্য আমরা কাজ করি। আমার ওয়ার্ডে বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে কাজ করতে বাধা দিয়েছি। এরপরই ওই গুড্ডু আমাকে ফোন করে হুমকি (Threat)  দিতে থাকে। পানিহাটি কাউন্সিলরের মতো আমার হাল হবে বলে হুমকিও দেয়। আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

     এই প্রসঙ্গে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, এই বিষয়ে আমি খোঁজ নেব। গুড্ডু আমাদের দলেরই কর্মী। তাই, এই ধরনের হুমকির (Threat) ঘটনা ঘটে থাকলে তা ঠিক নয়। এরকম অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তাই, এখনই এই বিষয়ে কিছু বলছি না। অভিযোগ সত্য হলে দলগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

     বিষয়টি সম্পর্কে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি-র রাজ্য যুব মোর্চার সদস্য জয় সাহা বলেন, নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরাই অভিযোগ করছে। বেআইনি নির্মাণ করবে আর কাউন্সিলরকে টাকা দেবে না এটা কখনও হয়? এসব করেই এই দলটাই শেষ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন। বুধবার ট্যুইট-বার্তায় এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোর পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সিঙ্গুরের সভা থেকে এই মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানা…

    এর প্রেক্ষিতেই তৃণমূল সুপ্রিমোর পাল্টা দাবি, প্রমাণ করে দেখাতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেবেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা। আপনি আমার জন্য কিম্ভূত, কিমাকার শব্দ ব্যবহার করেছেন। এটা লজ্জাজনক। এর আগে আপনি এরকমই অবমাননাকর শব্দ বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকেও। এর পরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, আপনি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মালদা, মেদিনীপুরের কথা বারবার বলতে থাকেন কেন জানেন? কারণ অবচেতনে আপনি ঠিকই জানেন, ২০১১ সালে আপনি ক্ষমতায় এসেছিলেন, কারণ আমি তখন ওই জেলাগুলোর দায়িত্বে ছিলাম। আপনার মূল্যহীন ভাইপো তখন কোথাও ছিল না। ২০১১ সালের জুলাইয়ের পরে তাঁর প্রবেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না, ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই’, বললেন মুকুল

    প্রসঙ্গত, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ওই অভিযোগ (অমিত শাহকে ফোন) মিথ্যা। শুভেন্দুকে ভুঁইফোড় এবং কিম্ভূতকিমাকার সম্বোধন করে মমতা বলেন, দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরিকল্পনামাফিক ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের সমর্থন নেই বলেই এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share