Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    Threat: তৃণমূল কাউন্সিলরকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপম দত্তের পর এবার আপনার নম্বর, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার অভিযোগ উঠল আনিসুর রহমান ওরফে গুড্ডু রহমান নামে তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দাপুটে এক নেতার সঙ্গে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রায় দেখা যায়। ফলে, তৃণমূল কর্মী হয়ে দলীয় কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ওই কাউন্সিলরকে হুমকি (Threat) দেওয়া হল?

    মূলত বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করায় তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরকে হুমকির (Threat) মুখে পড়তে হয়েছে। অভিযোগ, কামারহাটি পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেলঘরিয়া ৪ নম্বর রেলগেটের পাশে একটি বাড়ি বেআইনিভাবে নির্মাণ হচ্ছে, সেই নির্মাণে কাউন্সিলর গিয়ে বাধা দেওয়ায় তাঁকে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়। কামারহাটির গুড্ডুর বিরুদ্ধে ওই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বছর মার্চ মাসে পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করে। সেই কাউন্সিলরের মতো কামারহাটি পুরসভার ওই কাউন্সিলরের হাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর নির্মলা রায় বলেন, আসলে এলাকার মানুষের জন্য আমরা কাজ করি। আমার ওয়ার্ডে বেআইনি নির্মাণ হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে গিয়ে কাজ করতে বাধা দিয়েছি। এরপরই ওই গুড্ডু আমাকে ফোন করে হুমকি (Threat)  দিতে থাকে। পানিহাটি কাউন্সিলরের মতো আমার হাল হবে বলে হুমকিও দেয়। আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

     এই প্রসঙ্গে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, এই বিষয়ে আমি খোঁজ নেব। গুড্ডু আমাদের দলেরই কর্মী। তাই, এই ধরনের হুমকির (Threat) ঘটনা ঘটে থাকলে তা ঠিক নয়। এরকম অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। তাই, এখনই এই বিষয়ে কিছু বলছি না। অভিযোগ সত্য হলে দলগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

     বিষয়টি সম্পর্কে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপি-র রাজ্য যুব মোর্চার সদস্য জয় সাহা বলেন, নিজেদের বিরুদ্ধে নিজেরাই অভিযোগ করছে। বেআইনি নির্মাণ করবে আর কাউন্সিলরকে টাকা দেবে না এটা কখনও হয়? এসব করেই এই দলটাই শেষ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অপেক্ষা করুন, সব ফাঁস করব’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন। বুধবার ট্যুইট-বার্তায় এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস জাতীয় দলের তকমা হারানোর পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সিঙ্গুরের সভা থেকে এই মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানা…

    এর প্রেক্ষিতেই তৃণমূল সুপ্রিমোর পাল্টা দাবি, প্রমাণ করে দেখাতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেবেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই ট্যুইট-বাণ নিক্ষেপ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা। আপনি আমার জন্য কিম্ভূত, কিমাকার শব্দ ব্যবহার করেছেন। এটা লজ্জাজনক। এর আগে আপনি এরকমই অবমাননাকর শব্দ বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকেও। এর পরেই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, দিল্লিতে ফোন করার জন্য আপনি একটি ল্যান্ডলাইন ব্যবহার করেছেন। অপেক্ষা করুন। সঠিক সময়ে সব ফাঁস করব। আগামিকাল আমার উপযুক্ত উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, আপনি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মালদা, মেদিনীপুরের কথা বারবার বলতে থাকেন কেন জানেন? কারণ অবচেতনে আপনি ঠিকই জানেন, ২০১১ সালে আপনি ক্ষমতায় এসেছিলেন, কারণ আমি তখন ওই জেলাগুলোর দায়িত্বে ছিলাম। আপনার মূল্যহীন ভাইপো তখন কোথাও ছিল না। ২০১১ সালের জুলাইয়ের পরে তাঁর প্রবেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কোনওদিন তৃণমূলে ছিলাম না, ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই’, বললেন মুকুল

    প্রসঙ্গত, বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ওই অভিযোগ (অমিত শাহকে ফোন) মিথ্যা। শুভেন্দুকে ভুঁইফোড় এবং কিম্ভূতকিমাকার সম্বোধন করে মমতা বলেন, দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরিকল্পনামাফিক ভুল বার্তা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলকে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের সমর্থন নেই বলেই এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল (TMC) নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। জেলা সভানেত্রীও দলীয় ওই নেতার বিরুদ্ধে দলের কী অবস্থান, তা জানিয়ে দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    গত মঙ্গলবার তৃণমূলের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ ও অন্যান্য নেতৃত্ব। দিলীপ বর্মনকে দেখেই তিনি অন্য নেতাদের মাধ্যমে তাঁকে সেই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বলেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত অভিযোগ জমা পড়ায় জেলা নেতৃত্ব সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। সেই নির্দেশ অমান্য করে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় জেলা নেতৃত্ব মঙ্গলবার তাকে সেখান থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন শিলিগুড়ির পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য?

    এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের জেলা সভানেত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন দিলীপ বর্মন। তিনি যে জেলা সভানেত্রী তথা জেলা কমিটিকে মানেন না, সেকথাও বুধবার সাংবাদিকদের  জানিয়েছেন। এদিন তিনি বলেন, শিলিগুড়ি পুরভোটে আমাকে এখান থেকে কেউ টিকিট দেয়নি। কলকাতা থেকে আমার টিকিট এসেছে। আর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। কাজেই তৃণমূলের (TMC) এখানকার নেতানেত্রীরা আমাকে জেতাননি।  তাই, এখানে কে কী বলছেন, আমি সে নিয়ে ভাবতে রাজি নই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আমন্ত্রণেই আমি গিয়েছিলাম। আমি গোটা ঘটনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  জেলা সভানেত্রী?

    এদিকে দিলীপ বর্মনের এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছিল।  জেলা কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না। সেইমতো মঙ্গলবার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি থেকে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন না। এটা আমাদের দলগত সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Vote: পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, ক্ষোভে ভোট বয়কটের ডাক

    Panchayet Vote: পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, ক্ষোভে ভোট বয়কটের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের একমাত্র রাস্তা পাকা না হলে ভোট (Panchayet Vote) বয়কটের ডাক দিলেন বাসিন্দারা। এমনকি গ্রামে পাকা রাস্তা না হওয়ায় ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিতে পারছেন না, এমনটাই আক্ষেপ তাঁদের। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘ভোট এলেই রাজনৈতিক নেতারা চিতাবাঘ থেকে ভিজে বিড়াল হয়ে যান। জোড়হাত করে হাজির হন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি। বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে গালভরা প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যায়। আর ভোট ফুরোলেই আবার তাঁরা বাঘ হয়ে যান’। বছরের পর বছর এই ঘটনার সাক্ষী হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার বালি গ্রাম পঞ্চায়েতের জগৎপুরের বাসিন্দারা। তাই এবার তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, গ্রামের রাস্তা তৈরি না হলে কেউই ভোট দিতে যাবেন না।

    কী অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের?

    গ্রামের বাসিন্দাদের বক্তব্য, তৃণমূল দাবি করে, তারা ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তাদের জননেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় নাকি মানুষের দুয়ারে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছে। দরজা, জানালা খুললেই নাকি উন্নয়ন দেখা যায়। এদিকে জগৎপুর গ্রামের মানুষ দরজা খুললেই গ্রীষ্মে প্রখর ধুলোর ঝড় দেখেন, বর্ষায় এক হাঁটু কাদা দেখতে পান, সামান্য বৃষ্টিতেই গ্রামের মহিলারা শাড়ি গুটিয়ে চলাচল করেন, বৃষ্টি হলে ছেলেবুড়ো সকলে জুতো হাতে করেই চলাচল করেন। প্রায় ১ কিমি পথ জুতো হাতে চলার পর পায়ের কাদা পরিষ্কার করে তবেই জুতো পরতে পারেন। দরজা খুলে এই উন্নয়ন যখন দেখা যায়, তখন খাতায়কলমে গ্রামে ঢোকার মুখে উন্নয়নের আরও একটি চিত্র দেখা যায়। সেখানে একটি বড় সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এই বোর্ডটি বছর দুয়েক আগে লাগানো হয়েছিল। বোর্ডের অর্ধেক লেখা প্রায় অস্পষ্ট হয়ে গেছে। ভালো করে পড়া যায় না। মোটামুটি যেটা বোঝা যায় তা হল, সাড়ে ছয় লাখ টাকা ব্যয় করে এই গ্রামের কর্দমাক্ত রাস্তাটি তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা সংবাদ মাধ্যমের কাছে ভোটের আগে (Panchayet Vote) এই নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। 

    অশেষ ভোগান্তি নিয়ে গ্রামের মহিলারা কী বলছেন?

    এই বিষয়ে এলাকার গৃহবধূ অনিমা সামন্ত বলেন, “গ্রামের ছেলেমেয়েদের বিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিয়ের জন্য দেখাশোনায় যাঁরা আসছেন, তাঁদের একটাই বক্তব্য, এখনও ভাঙাচোরা মাটির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছে এখানকার মানুষ। তাহলে বর্ষাকালে  কী পরিস্থিতি তৈরি হয়? একটু বৃষ্টি হয়ে গেলেই আসার আর কোনও পথ নেই। আর যাই হোক, যাঁরা দেখাশোনার জন্য আসবেন, তাঁরা জুতো হাতে এতটা পথ পেরিয়ে আসবেন, তা সম্ভব নয়। তাই কেউ বিয়ে করতে এলে যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে পালকি করে অথবা খালি পায়ে কাদা ভেঙেই আসতে হবে। এতটা ঝুঁকি নিয়ে কেউ বিয়ে করতে চাইছে না এখানে।” অপরদিকে আরেক গৃহবধূ ঝর্ণা সামন্ত বলেন, “মেয়েদের সম্মান রক্ষাও এই গ্রামে যথেষ্ট মুশকিল। একটু বৃষ্টি হলেই হাঁটুর উপর পর্যন্ত কাপড় গুটিয়ে চলাচল করতে হয়। বাচ্চা কোলে কাদা ভাঙা যথেষ্ট মুশকিল। সারা বছরই শুনি সব কিছু হয়ে গিয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হবে। এবার আর প্রতিশ্রুতিতে ভুলছি না। আগে রাস্তা, তারপর ভোট। রাস্তা না হলে কেউ ভোট (Panchayet Vote) দিতে যাব না।

    কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অঞ্চল প্রধান?

    এই রাস্তাটি যে সত্যিই প্রয়োজনীয়, তা বালি অঞ্চলের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় পালও স্বীকার করছেন। তিনি বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই রাস্তাটি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ধরা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এই রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ হবে”। সবমিলিয়ে এখন দেখার, প্রশাসন বা শাসকদল ভোট বয়কট Panchayet Vote রুখতে রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেয় কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘শ্বশুর-জামাই মিলে কোটি কোটি টাকা লুঠ করেছেন’! সুকান্তর নিশানায় সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা

    Sukanta Majumdar: ‘শ্বশুর-জামাই মিলে কোটি কোটি টাকা লুঠ করেছেন’! সুকান্তর নিশানায় সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা ও তাঁর জামাই তথা সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি স্বপন প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumdar)। সোমবার পাথরপ্রতিমার ব্রজবল্লভপুরের সভা থেকে দুর্নীতি ইস্যুতে বঙ্কিম হাজরা ও তাঁর জামাই স্বপন প্রধানকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত।

    সুকান্তের দাবি 

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ব্রজবল্লভপুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumdar) বলেন, ‘এখানকার সবথেকে বড় মহাপুরুষ মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা ও তাঁর জামাই স্বপন প্রধান লুটেপুটে খাচ্ছেন। সাগরে স্নানঘাটের জন্য ৫৬ কোটি টাকা এসেছিল। কিন্তু ৫৬টি ইট পর্যন্ত গাঁথা হয়নি। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় শ্বশুর-জামাই মিলে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন। আপনাদের কাছে কোনও তথ্য থাকলে আমাদের জমা দিন। আমরা সেগুলি নিয়ে আদালতে যাব। ইডি, সিবিআই তদন্তের দাবি জানাব।’

    আরও পড়ুন: ‘কে পুরুষ, কে মহিলা, তা শুধু যৌনাঙ্গ দিয়ে বিচার করা যায় না!’ অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Mazumdar) বক্তব্য, ‘এই জামাই আর শ্বশুর মিলে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করেছে, আমার কাছে খবর এসেছে। আপনারা তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে, আমার কাছে জমা করুন। আমি কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করব এই জামাই আর শ্বশুরের বিরুদ্ধে সিবিআই করানোর জন্য, ইডি করানোর জন্য। আমরা নাটবোল্টু টাইট দেব, আর সিবিআই আসবে। সিবিআই দেখলে এখন নেতা-মন্ত্রীরা পাঁচিল টপকে পালাচ্ছে। ও তো সমুদ্রের মধ্যে কুমিরের সামনে ঝাঁপ দেবে। তা ছাড়া উপায় থাকবে না।’ পাল্টা সাগরের তৃণমূল বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা বলেছেন, ‘পার্টিকুলারলি আমাকে নিশানা করেছে। সাহস থাকলে প্রমাণ করুক। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Mazumdar) যে অভিযোগ করেছেন, তা পুরো মিথ্যা, ভিত্তিহীন।’ বিধায়কের জামাই স্বপন প্রধানও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • TMC: ভোটে প্রার্থী হতে চান না তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য, প্রার্থী করতে চান না স্ত্রীকেও! কেন?

    TMC: ভোটে প্রার্থী হতে চান না তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য, প্রার্থী করতে চান না স্ত্রীকেও! কেন?

    নিউজ মাধ্যম ডেস্ক: সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। ভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল (TMC) কর্মীদের মধ্যে রীতিমতো প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার বোমাবাজির ঘটনাও ঘটছে। দলীয় কর্মী খুন হওয়ার নজিরও রয়েছে। সেখানে আলিপুরদুয়ারে একেবারে অন্য চিত্র ধরা পড়ল। আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের মাঝেরডাবরি গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ পানিয়ালগুড়ি গ্রামের তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য রবি দাস আর ভোটে দাঁড়াতে চান না। এই আসনটি এবার মহিলা সংরক্ষিত। তিনি স্ত্রীকেও এবার ভোটে প্রার্থী করতে চান না।

    পঞ্চায়েতে প্রার্থী হতে চান না কেন তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য?

    আলিপুরদুয়ার ২ পঞ্চায়েত সমিতির দক্ষিণ পানিয়ালগুড়ি গ্রাম। গ্রামের পাশ দিয়ে কল কল করে বয়ে গেছে পাহাড়ি নদী কালকূট। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষিজীবী। কিন্তু, পাহাড়ি কালকূট নদীর ভাঙনে বিঘার পর বিঘা জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এর আগে পঞ্চায়েত সদস্য হিসেবে রবিবাবু এলাকাবাসীকে ভাঙন প্রতিরোধে উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটারদের কাছে তা রাখতে পারেননি। সেই লোকলজ্জায় আর মানুষের কাছে ভোট চাইতে যেতে পারবেন না তিনি। দলকে সেই কথা জানিয়েও দিয়েছেন। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য রবি দাস বলেন, “এবার আমার এলাকার পঞ্চায়েতের আসন মহিলা সংরক্ষিত হয়েছে। দল স্ত্রীকে প্রার্থী করার কথা বলেছিল, না করে দিয়েছি। অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েও নদীভাঙন রোধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই অবস্থায় আমার পক্ষে আর ভোটের সময় গিয়ে মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার মুখ নেই। তাই, আমি ও আমার পরিবারের কেউ পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র আলিপুরদুয়ার জেলার সাধারণ সম্পাদক মিঠু দাস বলেন, “তৃণমূল নেতারা দুর্নীতি করে নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত। তারা আর এলাকার উন্নয়ন করবে কিভাবে? ভাঙন প্রতিরোধ করার বিষয়ে কারও কোনও উদ্যোগ নেই। দেরি হলেও ওই পঞ্চায়েত সদস্য সেটা বুঝতে পেরেছেন জেনে ভাল লাগছে।”

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    কংগ্রেসের আলিপুরদুয়ার জেলার কার্যকরি সভাপতি শান্তনু দেবনাথ বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখুন, ওই নদীবাঁধ নির্মাণের জন্য টাকা এসেছিল। তৃণমূল নেতারা সেই টাকা দুর্নীতি করে খেয়ে ফেলেছেন। নাহলে ওই এলাকায় আধিকারিকরা বার বার যাওয়ার পরেও বাঁধ নির্মাণ হবে না কেন?”

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের সভাপতি প্রকাশ চিক বড়াইক অবশ্য বলেন, “কে প্রার্থী হবেন আর কে হবেন না, তা ঠিক করবে দল। তবে, ওই এলাকায় আমি গিয়েছিলাম। সমস্যার কথা জানি। ভাঙন প্রতিরোধে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, কাজ  হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Report: আজও চলবে তাপপ্রবাহ! বৃষ্টি শুরু হচ্ছে কবে?

    Weather Report: আজও চলবে তাপপ্রবাহ! বৃষ্টি শুরু হচ্ছে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর। সরকারি নির্দেশে স্কুল-কলেজ বন্ধ। চাঁদিফাটা গরমে খুব কাজ না থাকলে বাইরে বেরতে নিষেধ করছেন চিকিৎসকরা। প্রায় সব জেলাতেই পারদ পেরিয়েছে চল্লিশের উপর। মঙ্গলবারই বাংলার ১৭টি জেলার পারদ ৪৪ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি গরমে নাজেহাল উত্তরবঙ্গও। বুধবারও একই অবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস (Weather Report)। এই অবস্থায় বিশেষ সতর্কতা জেলা প্রশাসনের। জেলাশাসকের নির্দেশে রাস্তার ধারে ধারে করা হয়েছে জলছত্র। পাশাপাশি রাখা হয়েছে ওআরএসের ব্যবস্থাও।

    বৃষ্টি কবে?

    অত্যাধিক দহনজ্বালার মধ্যেই এবার হাওয়া বদলের পূর্বাভাস। অবশেষে এল সেই বহু প্রতীক্ষিত সুখবর। তাপপ্রবাহের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ২০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের ২ জেলায় এবং ২১ এপ্রিল, শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে (Weather Report)। 

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণায়। ২২ এপ্রিল শনিবার দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই জেলাগুলি হল দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া। এদিকে, কলকাতা ও লাগোয়া জেলায় তাপের সঙ্গে শুরু হয়েছে আর্দ্রতার অত্যাচার। ফলে কলকাতায় ভ্যাপসা গরমের দাপট থাকবে। ঘর্মাক্ত পরিবেশে অস্বস্তি আরও বাড়বে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত তাপপ্রবাহ চলবে (Weather Report)।

    উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Report) 

    অন্যদিকে, বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে উত্তরবঙ্গেও। ২০ এপ্রিল থেকে উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলায় বৃষ্টি না হওয়ার একটাই কারণ ছিল, জলীয় বাষ্পের অভাব। এবার বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করায় সুখবর মিলল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের আশপাশ মাওবাদী পোস্টারে ছয়লাপ! কোথায় জানেন?

    Khardah: স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের আশপাশ মাওবাদী পোস্টারে ছয়লাপ! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়দহ (Khardah) স্টেশনে মাওবাদী পোস্টার! তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার আগে জঙ্গলমহলে এক সময় এই ধরনের পোস্টার মাঝে মধ্যেই দেখা যেত। দাবি আদায়ে মাওবাদীদের আন্দোলনও করতে দেখেছেন রাজ্যবাসী। এবার খড়দহ (Khardah)  স্টেশন চত্বর মাওবাদী সংগঠনের নাম দেওয়া পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে রয়েছে।  মঙ্গলবার সকালে খড়দহ (Khardah) স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম এবং ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দুপাশে মাওবাদী পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। 

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে?

    খড়দহ (Khardah) স্টেশনের দেওয়ালে সাঁটানো পোস্টারে লেখা রয়েছে, ২২ এপ্রিল কমরেড লেনিনের নামে আমাদের শপথ, ফ্যাসিবাদকে গুঁড়িয়ে দাও। শ্রমিক কৃষক রাজ বানাও। ঘরে ঘরে বেকার, বাজারে আগুন, ইভিএম ছুঁড়ে ফেলে, এবারে জাগুন। সংখ্যালঘু জনগণ, বাঁচাতে তাদের মান ও প্রাণ দিচ্ছি দেরো অস্ত্রে শান। সরকার বদল পণ্ডশ্রম। বিপ্লবীরাই ওদের যম। পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে, মার্কসবাসী লেনিনবাদী  মাওবাদী সংগঠন। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, কিছু পোস্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে বা কারা পোস্টার দিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    এই পোস্টার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের খড়দহ (Khardah)  যুব তৃণমূলের সভাপতি দিব্যেন্দু চৌধুরী বলেন, খড়দহে (Khardah) ফ্লাইওভার তৈরি হবে। তাতে কিছু বেআইনি দোকানপাট ভাঙা পড়বে। আর এই সব দোকান থেকে যারা তোলাবাজি  করে, তারা এসব করে বেড়়াচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা উন্নয়ন করেছেন তার নিরিখে মানুষ তৃণমূলকে ভালোবাসে। এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে ভয় দেখিয়ে এ ধরনের পোস্টার লাগানো হচ্ছে। এসব পোস্টার দিয়ে কোনও লাভ হবে না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

     বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, মাওবাদীরা এই এলাকায় পোস্টার দিয়েছে তা ভাবা যায় না। জায়গায় জায়গায় এই ধরনের পোস্টার পড়ছে মানে মাওবাদীরা এই সব এলাকাতেও আছে। আজ খড়দহে (Khardah) পড়েছে, কাল সোদপুরে পড়বে। পরে, অন্য কোনও স্টেশনে এই পোস্টার পড়বে। রাজ্যের পরিস্থিতি যা তাতে যা খুশি তাই হচ্ছে। আর মাওবাদীরা তো চাকরি দেয় না। তারা বোমা, গুলি তুলে দেয়। প্রশাসন যদি কড়া হাতে দমন না করে, তাহলে এই সুযোগে মাওবাদীরা ডানা বিস্তার করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gold Smuggling: বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিএসএফের হাতে পাকড়াও, উদ্ধার ৩৬ লাখ টাকার সোনা

    Gold Smuggling: বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিএসএফের হাতে পাকড়াও, উদ্ধার ৩৬ লাখ টাকার সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের (Gold Smuggling) সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে গেল এক চোরাকারবারি। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ধৃতের নাম দেবাশিষ দেবনাথ। সে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫৮১ গ্রাম সোনা, যার মূল্য ৩৬ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা। বিএসএফ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিকে পরবর্তী পদক্ষেপ করার জন্য তুলে দেওয়া হয়েছে তেঁতুলিয়া শুল্ক দফতরের হাতে। এই ব্যক্তির সঙ্গে বড় কোনও চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাই তদন্তকারী সংস্থার মূল লক্ষ্য।

    কীভাবে ধরা পড়ল ওই যুবক?

    সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, বিএসএফের জওয়ানরা গোপন সূত্রে নির্দিষ্ট খবর পেয়ে নেমেছিলেন স্পেশাল অপারেশনে। আমুদিয়ার দিক থেকে মোটর সাইকেলে আসছিল এক ব্যক্তি। সন্দেহ হওয়ায় তার পথ আটকান জওয়ানরা। বিপদ বুঝে ওই ব্যক্তি তখন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় বর্ডার পোস্ট-এ। সেখানেই তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় পাঁচটি সোনার বিস্কুট, যেগুলি থাইয়ে টেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, এগুলি বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার (Gold Smuggling) করা হচ্ছিল।

    জিজ্ঞাসাবাদে আরও কী জানা গেল?

    ধৃত ওই ব্যক্তি বিএসএফের জেরায় জানিয়েছে, সে বাংলাদেশের নাগরিক গোগান মন্ডলের কাছ থেকে হোয়াটস অ্যাপে একটি কল পেয়েছিল ১৫ দিন আগে। তাতে বলা হয়েছিল, তাকে পাঁচটি সোনার বিস্কুট দেওয়া হবে, যেগুলি শায়েস্তানগরের নয়ন নামে একজনের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এই কাজের (Gold Smuggling) জন্য তার পারিশ্রমিক বরাদ্দ হয়েছিল ২০০০ টাকা। টাকার লোভেই সে এই কাজে সম্মতি জানিয়েছিল। এই ঘটনা ফের পরিস্কার করে দিল, সীমান্তে চোরাকারবারিরা এখনও কতটা সক্রিয়। তাই বিএসএফ নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: প্রথম কোনও বিচারপতির নামে হোর্ডিং কলকাতায়! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    Justice Abhijit Ganguly: প্রথম কোনও বিচারপতির নামে হোর্ডিং কলকাতায়! কী লেখা রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বেহালায় নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। ১৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে বেহালা নাগরিকবৃন্দের তরফ থেকে হোর্ডিং পড়ল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে। তাতে লেখা, ‘বাংলার গর্ব বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)।’ ওই হোর্ডিং-এ স্বামী বিবেকানন্দের বাণীও নজরে পড়ছে, লেখা রয়েছে, সত্যের জন্য সবকিছুকে ত্যাগ করা যায় কিন্তু কোনও কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা যায়না। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কোনও বিচারপতির নামে পড়ল এমন হোর্ডিং। নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে তাঁর একের পর এক পর্যবেক্ষণ ও রায় তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেছে।

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলী  

    বড় দিনের পরে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly) বোলপুরে গিয়েছিলেন। তিনি আসছেন শুনে স্টেশন চত্বরে তখন থিকথিকে ভিড়। সেই ভিড়ের মধ্যে থেকেই এক যুবক ঝাঁপিয়ে তাঁর পায়ে পড়ে বলেছিলেন, ‘স্যার, আপনি মানুষ নন, ভগবান।’ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বইমেলায় গিয়েছিলেন। দেখা গিয়েছিল, তিনি হাঁটছেন আর কয়েকশ মানুষের ঝাঁক হাঁটছে তাঁর পিছনে। উঠছে জয়ধ্বনি।

    হোর্ডিং-এ কী লেখা রয়েছে

    ওই হোর্ডিংয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) উদ্দেশে লেখা হয়েছে, ‘স্যার আপনাকে স্যালুট জানাই! আপনি শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যেভাবে মনিটরিং করে সত্যের জন্য লড়াই করছেন আইনের মাধ্যমে, তাতে আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত।’
    নাগরিকবৃন্দের তরফে একজন সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘নেতাজি যেভাবে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) লড়াইকেও আমরা সেভাবেই দেখছি। আজকে হয়তো ব্রিটিশ নেই। কিন্তু এই শাসকের মুখোশ খোলাটাও কম বড় লড়াই নয়।’

    জনমানসে তাঁর এমন ইমেজ নিয়ে কী বলছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)

    জনমানসে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে এই মনোভাব গত কয়েক মাস ধরেই রয়েছে। অনেকে বলেন, ‘বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জনগণের বিচারপতি।’ কয়েক মাস আগে খিদিরপুরের একটি গ্রন্থাগারের অনুষ্ঠানে এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘এসব আমি ভাবি না। আমার কাজ মানুষ যাতে দ্রুততার সঙ্গে বিচার পান, সেটা দেখা। নইলে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাবে। তখন তাঁরা যাবেন স্থানীয় পার্টি অফিস বা লোকাল কমিটির অফিসে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share