Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Buddhadeb Bhattacharjee: সুস্থতার পথে বুদ্ধদেব, রাতেই হয়েছে ফিজিওথেরাপি, মাঝে মধ্যে দেওয়া হচ্ছে বাইপ্যাপ  

    Buddhadeb Bhattacharjee: সুস্থতার পথে বুদ্ধদেব, রাতেই হয়েছে ফিজিওথেরাপি, মাঝে মধ্যে দেওয়া হচ্ছে বাইপ্যাপ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থার। সোমের চেয়ে মঙ্গলবার বেশ ভাল রয়েছেন তিনি। সোমবারই বুদ্ধদেবকে বের করা হয়েছিল ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে। তার পর থেকে মঙ্গলবার বেলা ১০টা পর্যন্ত আর অবনতি হয়নি তাঁর শারীরিক অবস্থার। বুদ্ধদেব যাতে নিজেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন, তাই সোমবার রাতেই তাঁকে দেওয়া হয়েছে পালমোনারি ফিজিওথেরাপি। রক্তে সুগারের পরিমাণ যাতে বেড়ে না যায় তাই নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে ইনস্যুলিনও।

    মেডিক্যাল টিমের কড়া নজরে বুদ্ধদেব

    হাসপাতাল সূত্রে খবর, সোমবার অনেক রাত পর্যন্ত হাসপাতালে ছিলেন বুদ্ধদেবের (Buddhadeb Bhattacharjee) চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা। সেই সময়ই তাঁকে ফিজিওথেরাপি দেওয়া হয়েছে। এতে তিনি নিজে থেকেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারবেন। এর পাশাপাশি তাঁকে মাঝে-মধ্যে দেওয়া হচ্ছে নন-ইনভেসিভ বাইপ্যাপ সাপোর্টও। সংক্রমণ কমাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হচ্ছে কড়া ডোজের অ্যান্টিবায়োটিক। তবে অ্যান্টিবায়োটিকের জেরে কিডনি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখছেন মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা। ওই মেডিক্যাল টিমের এক চিকিৎসক বলেন, “ওঁর সব প্যারামিটার স্টেবল রয়েছে। আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে উনি ভাল আছেন।”

    স্বাভাবিকতার পথে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, অসুস্থতার কারণে শনিবার বিকেলে আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বুদ্ধদেবকে (Buddhadeb Bhattacharjee)। সোমবার সন্ধ্যার মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছিল, অনেকটাই চেতনা ফিরেছে বুদ্ধদেবের। তাঁর রক্তচাপ, রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নয়া অ্যান্টি বায়োটিক প্রয়োগ করায় এবং ভেন্টিলেশনে রাখায় অনেকটাই স্থিতিশীল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা।

    এদিন বুদ্ধদেবকে দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও বলেছিলেন, “স্থিতিশীল রয়েছেন বুদ্ধবাবু (Buddhadeb Bhattacharjee)।” মুখ্যমন্ত্রী এও বলেছিলেন, “আমার যেটুকু মনে হল, আমাকে যেন হাত নাড়লেন। এখন ভালই আছেন। স্থিতিশীল আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ওঁরা সাধ্যমতো ভাল করে করছেন। বোর্ডও তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয় প্যারামিটারগুলি অনেকটাই ঠিক আছে। বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, কী আছেন, যাঁরা মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন বা যাঁরা চিকিৎসা করছেন, তাঁরাই বলতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: হরিয়ানায় হিন্দুদের শোভাযাত্রায় হামলা, নিহত ৩, জ্বলল গাড়ি, বন্ধ ইন্টারনেট

    সোমবারই জানা গিয়েছিল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রক্তে সংক্রমণ আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। কমেছে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাও। হাসপাতালের তরফে এদিন বিকেলের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকরা সর্বক্ষণ নজর রেখে চলেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ওপর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুদ্ধদেবের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে ধীরে ধীরে। তাঁদের আশা, আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠবেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরেও যাবেন পাম অ্যাভেনিউয়ের বাড়িতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    Dengue Update: গত বছরের তুলনায় দেড়গুণ বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা! রাজ্যে ডেঙ্গির কবলে ৪,৪০১ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহর থেকে জেলা ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue) পরিস্থিতি। স্বাস্থ্য দফতরের (Health Department) রিপোর্ট অনুযায়ী, গতবছরের থেকে প্রায় দেড় গুণ বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৪০১। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে উল্লেখ, গতবছর এই সময় রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৫০। 

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র গত সপ্তাহেই রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue Update) আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। গ্রামীণ এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ৭২ শতাংশ, শহর এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ২৮ শতাংশ। নদিয়ার ডেঙ্গি আক্রান্তদের সংখ্যা সবথেকে বেশি। স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টই বলছে, চলতি বছরে শুধু জুলাই মাসেই রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মৃতের সংখ্যা ৮ বলে দাবি করেছেন। এমনকি বিধাননগরের মতো ঝকঝকে শহুরে এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। হাতে হাতে প্ল্যাকার্ড, নিজেদের মশারিতে ঢেকে, প্রতীকী মশা নিয়ে রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতির জন্য বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি বিধায়করা।

    বিরোধী দলনেতার দাবি 

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ভয়াবহ ডেঙ্গি (Dengue Update)  পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা চাই তথ্য। কতজনের টেস্ট করিয়েছেন? কতজন পজিটিভ, মুখ্যমন্ত্রী এখন সাহায্য চাইছেন, কী সাহায্য করব? হসপিটাল ভরে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী গোলগোল কথা বলার জন্য এসেছেন রাজনীতি করতে। আমরা তথ্য চাইব না? জানতে চাই কতজন হাসপাতালে? কতজন মারা গেছে? যেমন মুখ্যমন্ত্রী তেমন মেয়র। ১০ লক্ষ আক্রান্ত।’

    আরও পড়ুন: ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে! ডেঙ্গি রুখতে ফিভার ক্লিনিক কি শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে?

    ত্রিপুরায় ডেঙ্গি রোধে আগাম সতকর্কতা

    গত কয়েকদিন ধরেই ডেঙ্গির (Dengue Update) প্রকোপ দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তে ত্রিপুরার সিপাইজলার সোনামুড়া একাকায়। বাংলাদেশের ভয়াবহ আকার ধারণ করছে ডেঙ্গি। এই সময়েই ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়ার পরে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ত্রিপুরার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিপাইজলার ধনপুর এলাকাতেই গত দুদিনে অন্তত ৭৫জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ধরা পড়েছে। সেখানের জেলাশাসক বিশাল কুমার জানান, তারপরেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে ওই এলাকায়। সীমান্তের ওই এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দেওয়া পরেই, বাংলাদেশী নাগরিকদের রক্ত পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: চেতনা ফিরেছে অনেকটাই, নিয়ন্ত্রণে রক্তচাপও, স্থিতিশীল বুদ্ধদেব

    Buddhadeb Bhattacharjee: চেতনা ফিরেছে অনেকটাই, নিয়ন্ত্রণে রক্তচাপও, স্থিতিশীল বুদ্ধদেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বের করে নিয়ে আসা হল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে (Buddhadeb Bhattacharjee)। তবে পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে বাইপ্যাপ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাঁকে। আলিপুরের যে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বুদ্ধদেব, সেই হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, অনেকটাই চেতনা ফিরেছে বুদ্ধদেবের। তাঁর রক্তচাপ, রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, নয়া অ্যান্টি বায়োটিক প্রয়োগ করায় এবং ভেন্টিলেশনে রাখায় অনেকটাই স্থিতিশীল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা।

    হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

    এদিকে, এদিন প্রাক্তনকে দেখতে হাসপাতালে যান বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও বলেন, “স্থিতিশীল রয়েছেন বুদ্ধবাবু (Buddhadeb Bhattacharjee)।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার যেটুকু মনে হল, আমাকে যেন হাত নাড়লেন। এখন ভালই আছেন। স্থিতিশীল আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ওঁরা সাধ্যমতো ভাল করে করছেন। বোর্ডও তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয় প্যারামিটারগুলি অনেকটাই ঠিক আছে। বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, কী আছেন, যাঁরা মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন বা যাঁরা চিকিৎসা করছেন, তাঁরাই বলতে পারবেন। আমি ডাক্তার নই।”

    কমেছে সংক্রমণ 

    জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রক্তে সংক্রমণ আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে। কমেছে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাও। হাসপাতালের তরফে এদিন বিকেলের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকরা সর্বক্ষণ নজর রেখে চলেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ওপর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বুদ্ধদেবের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে ক্রমেই। তাঁদের আশা, ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ফিরে যাবেন পাম অ্যাভেনিউয়ের বাড়িতে। এদিন সকালেই ওই হাসপাতালের চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী বলেছিলেন, “বুদ্ধদেববাবুর (Buddhadeb Bhattacharjee) কার্ডিয়াক ফাংশন বেশ ভাল। তাই ফুসফুসের অবস্থা খারাপ থাকলেও, উনি লড়ে যাচ্ছেন। শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। রাইলস টিউবের মাধ্যমে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছে। কোনও সমস্যা ছাড়াই তাঁর খাদ্যনালী দিয়ে শরীরে খাবার ঢুকছে। এটা ভাল লক্ষণ।”

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির সঙ্গে আপোষ নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    তিনি বলেছিলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এখন কানে শুনতে পাচ্ছেন। বুঝতে পারছেন, আশপাশটা অনুভব করতে পারছেন। আমরা ডাকলে উনি তাকাচ্ছেন, মাথাও নাড়ছেন। কখনও কখনও ইশারায় হ্যাঁ বা না বোঝানোর চেষ্টাও করছেন। তবে এখনও বিপন্মুক্ত নন তিনি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।     

  • CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির সঙ্গে কোনও আপস নয়। সোমবার তাঁর নিয়োগ করা অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে এই বার্তাই দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন সল্টলেকের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয়েছিল বৈঠকের। রাজ্যপাল পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য। সেই সূত্রেই তিনি বসেছিলেন বৈঠকে। এদিনের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল যে ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের নিয়োগ করেছিলেন, তাঁরাই।

    “প্রসঙ্গ: দুর্নীতি”

    সেখানেই রাজ্যপাল দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন, “দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগ করতে হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “এটা বেদনাদায়ক যে রাজ্যের একজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছিলেন। দুর্নীতি বন্ধ করতেই হবে।” বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, “আমরা মুখোমুখি প্রোগ্রাম শুরু করছি। যে কোনও বিষয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারা রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। শুধু একটা ফোন করলেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করা যাবে।” ‘বেস্ট অ্যান্ড ব্রাইটেস্ট অ্যামং দ্য স্টুডন্টস’রা রাজ্যপালের ‘ডায়মন্ড গ্রুপে’ যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান সিভি আনন্দ বোস।

    ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও এদিন বলেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ হবে ‘ডু অ্যান্ড ডেয়ার’ স্লোগানে।” অ্যাকাডেমিক ইন্ডাস্ট্রি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথাও এদিন জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এদিন যেসব অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose), তাঁর মধ্যে ১২ জনের সঙ্গে ২৯ জুন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক করেছিলেন তিনি। সেখানে বাংলাকে দেশের ‘এডুকেশন হাব’ করার স্বপ্নের কথাও জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সোমবারের বৈঠকেও ফের সেকথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তাহলে মসজিদের ভিতর ত্রিশূল কেন?’’ জ্ঞানবাপী নিয়ে প্রশ্ন যোগীর

    রাজ্যপালের ভূমিকায় রাজ্য সরকার অসন্তোষ প্রকাশ করলেও, তাঁর পাশে যে বিজেপি রয়েছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়। তিনি বলেন, “সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাই তো একটা খোলা বাজার হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়েছেন রাজ্যপাল।” এদিনের বৈঠকে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কথায় বারংবার উঠে এসেছে দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর আপোষহীন মনোভাবের কথার প্রসঙ্গ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে লেজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। এদিন সম্ভবত ঘুরিয়ে সেদিকেই আঙুল তোলেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।     

  • Calcutta High Court: ভাঙড় থেকে প্রত্যাহৃত ১৪৪ ধারা, আদালতে জানাল রাজ্য সরকার

    Calcutta High Court: ভাঙড় থেকে প্রত্যাহৃত ১৪৪ ধারা, আদালতে জানাল রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হল ভাঙড় থেকে। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) একথা জানাল রাজ্য সরকার। স্বাভাবিকভাবেই এখন আর ভাঙড়ে যেতে কোনও বাধা রইল না স্থানীয় বিধায়ক আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকির। এদিন রাজ্য সরকারও জানিয়েছে, এখন আর ভাঙড়ের বিধায়কের মামলার কোনও যৌক্তিকতা নেই।

    ভাঙড়ে জারি ১৪৪ ধারা

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্বে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড়। রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন বেশ কয়েকজন। মনোনয়ন-পেশ পর্বেও হয়েছে খুনখারাপি। তারপরেই এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। তার জেরে এলাকায় ঢুকতে পারেননি স্থানীয় বিধায়ক নওশাদ। নির্বাচন-পর্ব মিটে যাওয়ার পরেও কেন ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে, সে প্রশ্নও ওঠে। এই ১৪৪ ধারার কারণেই ১২ জুলাই নওশাদকে ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ। ১৭ জুলাইও তাঁর বিধানসভা ক্ষেত্রে যেতে দেওয়া হয়নি নওশাদকে।

    হাইকোর্টে ভাঙড়ের বিধায়ক 

    এর পরেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ভাঙড়ের বিধায়ক। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে সেই মামলার (Calcutta High Court) শুনানি হয় আজ, সোমবার। সেখানেই রাজ্য সরকার জানায়, এদিন থেকেই ভাঙড়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। এর পরেই বিচারপতি সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, এখন আর ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা নেই বিধায়কের। কেবল স্থানীয় বিধায়ক নন, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় ভাঙড়ে ঢুকতে গিয়ে বাধা পেয়েছেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক তৃণমূলের সওকত মোল্লা এবং তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামও। 

    আরও পড়ুুন: ফের মুখ পুড়ল তৃণমূলের! বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল বিধায়ক সওকতের আবেদনে কান দেওয়ায়ই ভাঙড় থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। বিধানসভার বাদল অধিবেশনে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের (Calcutta High Court) আবেদন করেন সওকত। তিনি বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই, যাতে ভাঙড় থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়। ভাঙড়ের তপ্ত পরিবেশের জেরে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছিল। আমার মনে হয়, এখন ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া উচিত। গরিব মানুষের অসুবিধা হোক, সেটা আমরা কখনও চাই না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Calcutta High Court: রাজ্যকে ভর্ৎসনা! রামনবমী নিয়ে সরকারের ভূমিকায় বিরক্ত কলকাতা হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: রাজ্যকে ভর্ৎসনা! রামনবমী নিয়ে সরকারের ভূমিকায় বিরক্ত কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমী মামলায় (Ramnabami Case) কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ভর্ৎসনার মুখে পড়ল রাজ্য সরকার। সোমবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে মামলা করার অনুমতি চায় রাজ্য। কিন্তু বিচারপতি রাজ্যের আবেদনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সোমবার রাজ্যের এই আচরণেই বিরক্তি প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, রামনবমীর অশান্তি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে, তাতে তারা কোনও ভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না। 

    কী বললেন বিচারপতি

    হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘আপনারা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে একটা নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছেন। তার পর শীর্ষ আদালতের নির্দেশ পক্ষে না গেলে নতুন মামলা করছেন। এটা হতে পারে না।’’ রামনবমীর মিছিল ঘিরে রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যে অশান্তি তৈরি হয়েছিল, তাতে এনআইএ তদন্তের কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পরে সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যায়। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল যাবতীয় মামলার নথি এনআইএ কে দিতে হবে। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, ‘‘আগে শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশ কার্যকর করুক রাজ্য, তার পরে আপনাদের মামলা শুনব।’’ বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বাইপাস করে রাজ্য নতুন মামলা করে আগের নির্দেশ কার্যকর করতে দেরি করবে। সেটা মেনে নেব না।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হয়নি, তাই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত’’! মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ওয়াকআউট বিজেপির

    রাজ্যকে ধমক

    গত মার্চ মাসে, রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে হাওড়ার শিবপুর, হুগলির রিষড়া এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় দফায় দফায় অশান্তি হয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দায়ের করা মামলায়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ, হাওড়া, হুগলি, ডালখোলায় অশান্তির ঘটনায় এনআইএ-কে তদন্তভার দেয়। এরপর, এনআইএ তদন্তের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে সু্প্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। কিন্তু রাজ্য সরকারের এই আবেদনে সাড়া দেয়নি সর্বোচ্চ আদালত। এনআইএ তদন্তের বিষয়টি হাইকোর্টের ওপরেই ছেড়ে রাখে সর্বোচ্চ আদালত। তার প্রেক্ষিতেই এদিন বিচারপতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘‘আপনারা টাকা খরচ করে সুপ্রিম কোর্ট যাবেন, সেখানে পক্ষে রায় না পেলেও সেখানকার নির্দেশ পালন করবেন না, এটা হতে পারে না। আগে এনআইএ মামলা করেছে, সেই মামলা আগে শুনব, তার পরে রাজ্যের মামলা শুনব। কারণ, রাজ্য কোর্টের নির্দেশ পালন না করে নতুন মামলা করে বিষয়টা আরও ঘোরালো করছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল যাবতীয় মামলার নথি এনআইএকে দিতে হবে। আগে তাই দিন তারপর কথা হবে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ফের মুখ পুড়ল তৃণমূলের! বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ফের মুখ পুড়ল তৃণমূলের! বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আদালতে (Calcutta High Court) মুখ পুড়ল তৃণমূলের! ৫ অগাস্ট রাজ্যের ব্লকস্তরের বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই কর্মসূচিতে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “কেউ যদি বলেন, কাল হাইকোর্ট ঘেরাও করা হবে, তবে কি সরকার বা পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করবে না? কেউ যদি কোথাও বোমা রাখা হবে বলে, তবে কি সরকার বা পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করবে না?”

    অভিষেকের কর্মসূচি

    প্রসঙ্গত, ২১ জুলাই তৃণমূলের সমাবেশ মঞ্চ থেকে বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেন অভিষেক। অভিষেক ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আদালতের দ্বারস্থও হয় বিজেপি। এই মামলার শুনানিতেই এদিন স্থগিতাদেশ দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ (Calcutta High Court)। ধর্মতলায় তৃণমূলের ওই সমাবেশ মঞ্চে একশো দিনের টাকা আটকে রাখার প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে নিশানা করেন তৃণমূল নেত্রীর ভাইপো। সেই সূত্রেই বিজেপি নেতাদের বাড়ি ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দেন তিনি। ভরা জনসভায় অভিষেক বলেন, “আগামী ৫ অগাস্ট সমস্ত বুথ, অঞ্চল, ব্লক, জেলা থেকে রাজ্যস্তরের বিজেপি নেতাদের বাড়ি শান্তিপূর্ণভাবে ঘেরাও করতে হবে। তবে বাড়িতে কোনও বৃদ্ধ মানুষ থাকলে তাঁকে ছেড়ে দেবেন। বিজেপি নেতা বাড়ি থেকে বেরোবেন না, ঢুকবেনও না।” দলীয় কর্মীদের সতর্ক করতে অভিষেক বলেন, “কারও গায়ে হাত দেবেন না। প্রথম এখানে গণঘেরাও কর্মসূচি হবে। তারপর দিল্লি ঘেরাও হবে।”

    মমতার সংশোধিত কর্মসূচি 

    অভিষেকের পরে ভাষণ দিতে উঠে কর্মসূচির খানিক পরিবর্তন করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “কর্মসূচি হবে ব্লক স্তরে। আর ঘেরাও করা হবে বিজেপি নেতাদের বাড়ি থেকে ১০০ মিটার দূরে, প্রতীকীভাবে। যাতে কেউ না বলতে পারেন, বাধা দেওয়া হচ্ছে।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “কী করে কিছু মানুষকে একজোট হয়ে বাড়ি ঘেরাও করতে বলেন! একজন সাংবিধানিক পদাধিকারীর কাছ থেকে এই ধরনের মন্তব্য আশা করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হয়নি, তাই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত’’! মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ওয়াকআউট বিজেপির

    আদালতের (Calcutta High Court) রায় প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আদালতের এই অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশকে স্বাগত জানাচ্ছি। আদালত এই অগণতান্ত্রিক কর্মসূচিকে কড়া হাতে দমন করেছেন। আদালতের এই নির্দেশের পর আশা করব, পিসি-ভাইপো এই ধরনের অসংসদীয় কাজ থেকে বিরত থাকবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Issue: ‘‘পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হয়নি, তাই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত’’! মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ওয়াকআউট বিজেপির

    Dengue Issue: ‘‘পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন হয়নি, তাই ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত’’! মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা সহ জেলায় জেলায়  ডেঙ্গি (Dengue Issue) পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে। আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার বাড়ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আজ, সোমবার বিধানসভায় আলোচনার দাবি তোলেন বিজেপি বিধায়করা। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি সপ্তাহেই রাজ্যজুড়ে আক্রান্ত হয়েছে ৬৭৫, কেবল জুলাইয়েই মৃত ৮। এই আবহে এদিন ডেঙ্গি ইস্যুতে উত্তাল বিধানসভা (Bidhansabha)। ডেঙ্গি নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব দেয় বিজেপি। স্পিকার নাকচ করায় বিধানসভায় ওয়াকআউট করে বিজেপি (BJP)।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী

    জুলাই মাসেই ডেঙ্গিতে (Dengue Issue) রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের বলে অভিযোগ। এই বিষয়টি নিয়ে আজ বিধানসভা অধিবেশনে কারণ ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গি আবার ট্রেন্ড, কোনও বছর কম হয়, কোনও বছর বেশি’, নিজের নিজের এলাকায় নজর রাখুন’, বিধানসভায় জনপ্রতিনিধিদের এই নির্দেশ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিধানসভায় ডেন্সি-পরিসংখ্যান দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্ত ৪ হাজার ৪০১ জন। ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে রাজ্য সরকার।’ এদিন অধিবেশন কক্ষে তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন না হওয়ার জেরেই সমস্যা হচ্ছে। পঞ্চায়েত কাজ করতে পারছে না। তাই দ্রুত পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করা দরকার।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহে ৬৭৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত! আজ উত্তাল হতে পারে বিধানসভা

    কী বলছেন বিরোধী দলনেতা

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, এই রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। একশো জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সেই তথ্য সরকার চেপে যাচ্ছে। কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত কসবা, তিলজলাতে গেলেই বোঝা হবে বাংলার ডেঙ্গির (Dengue Issue) পরিস্থিতি। এসব নিয়ে তোলপাড় হয়ে ওঠে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ। বিরোধী দলনেতার দাবি, পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের সঙ্গে ডেঙ্গি প্রতিরোধে পদক্ষেপ করার কোনও যোগ নেই।  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‌মুখ্যসচিব ডেঙ্গি নিয়ে কোনও কথা বলছেন না। বিডিও, বিএমওএইচ, সিএমওএইচদের কোনও নির্দেশ দিচ্ছেন না। ১০০র বেশি লোক মারা গিয়েছে। ওঁ সবটাই লুকোচ্ছেন।’ প্রতিবাদ জানাতে এদিন মশা, মশারি নিয়ে বিধানসভার মধ্যেই অভিনব ওয়াকআউট করে বিজেপি। রীতিমতো বিক্ষোভে মেতে ওঠেন বিজেপি বিধায়করা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: কমছে সংক্রমণ, শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বুদ্ধদেবের

    Buddhadeb Bhattacharjee: কমছে সংক্রমণ, শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বুদ্ধদেবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও সঙ্কট কাটেনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee)। সোমবার সকালে সিটি স্ক্যান হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কোনও অবনতি হয়নি। সিটি স্ক্যানের এই রিপোর্ট নিয়েই সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ আলোচনায় বসেন মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা। তাঁর রক্তে সিআরপির পরিমাণ কত, তা দেখেই করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।

    নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ফুসফুস

    চিকিৎসকদের বক্তব্য, রক্তে সিআরপির পরিমাণ কমে গেলে বোঝা যাবে বুদ্ধদেবের শরীরে কমেছে সংক্রমণের মাত্রা। শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে ভর্তির সময় তাঁর শরীরে সিআরপির মাত্রা বেশি ছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দুটি ফুসফুসই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। রবিবারই বুদ্ধদেবকে (Buddhadeb Bhattacharjee) দেখে গিয়েছিলেন মেডিক্যাল টিমের সদস্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সরোজ মণ্ডল। করানো হয় ইকো-কার্ডিয়োগ্রাম। সেই রিপোর্টও ভাল। বুদ্ধদেব আলিপুরের যে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সেখানকার চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী বলেন, বুদ্ধদেববাবুর কার্ডিয়াক ফাংশন বেশ ভাল। তাই ফুসফুসের অবস্থা খারাপ থাকলেও, উনি লড়ে যাচ্ছেন। শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। রাইলস টিউবের মাধ্যমে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছে। কোনও সমস্যা ছাড়াই তাঁর খাদ্যনালী দিয়ে শরীরে খাবার ঢুকছে। এটা ভাল লক্ষণ।

    কানে শুনতে পাচ্ছেন বুদ্ধদেব

    তিনি বলেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এখন কানে শুনতে পাচ্ছেন। বুঝতে পারছেন, আশপাশটা অনুভব করতে পারছেন। আমরা ডাকলে উনি তাকাচ্ছেন, মাথাও নাড়ছেন। কখনও কখনও ইশারায় হ্যাঁ বা না বোঝানোর চেষ্টাও করছেন। তবে এখনও বিপন্মুক্ত নন তিনি। হাসপাতালেরই একটি সূত্রে খবর, বুদ্ধদেবের (Buddhadeb Bhattacharjee) সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট দেখে চিকিৎসকরা মনে করছেন, ক্রমেই নিয়ন্ত্রণে আসছে তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে সংক্রমণ এখন অর্গানাইজিং পর্যায়ে রয়েছে। তাঁর ফুসফুসের সংক্রমণ আর বাড়ছে না। বুকে জল জমার পরিস্থিতিও আর নেই। তবে ফুসফুসে ফাইব্রসিস নজরে এসেছে চিকিৎসকদের।

    আরও পড়ুুন: “মণিপুর নিয়ে আলোচনায় রাজি বিজেপি, কথা হোক বাংলা নিয়েও”, দাবি অগ্নিমিত্রার

    প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে (Buddhadeb Bhattacharjee) ভর্তি করা হয় আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তাঁর শ্বাসনালীতে সংক্রমণ ছিল। টাইপ ২ রেসপিরেটরি ফেলিয়োরও হয়েছিল। বাইপ্যাপ সাপোর্টে ছিলেন। বুদ্ধদেবের চিকিৎসায় গঠিত হয়েছে আট সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম। এই টিমে রয়েছেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কৌশিক চক্রবর্তী, ক্রিটিক্যাল বিশেষজ্ঞ সৌপ্তিক পান্ডা ও সুস্মিতা দেবনাথ, কার্ডিওলজিস্ট সরোজ মণ্ডল, পালমোলজিস্ট অঙ্কন বন্দোপাধ্যায়, ইন্টারন্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ধ্রুব ভট্টাচার্য, অ্যানাস্থিটিওলজিস্ট আশিস পাত্র, সোমনাথ মাইতি ও সপ্তর্ষী বসু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Money Laundering: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা পাচার! অভিযুক্ত ‘বাংলার প্রভাবশালী’

    Money Laundering: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা পাচার! অভিযুক্ত ‘বাংলার প্রভাবশালী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডন নিবাসী রুশ বান্ধবীর কাছে দুর্নীতির টাকা (Money Laundering) পাচার করেছেন রাজ্যের এক প্রভাবশালী। গরু, কয়লা পাচার থেকে শুরু করে স্কুলে নিয়োগ— বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির যে অভিযোগে রাজ্য সরগরম, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির সূত্রে খবর, সেই দুর্নীতির টাকাই হাওয়ালা মারফত পৌঁছেছে ‘প্রভাবশালীর বান্ধবীর’ অ্যাকাউন্টে। সেই সংক্রান্ত নথিপত্র তাদের হাতে রয়েছে বলেও ইডি সূত্রে দাবি।

    কী বলছেন তদন্তকারীরা

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার খবর অনুযায়ী, এই বিদেশিনী পেশায় ‘মডেল’। লন্ডনের বাসিন্দা। রাজ্যের ওই প্রভাবশালীর এখন তিনি ‘বিশ্বস্ত বান্ধবী’। প্রাথমিক ভাবে ইডির হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, দুর্নীতির টাকা (Money Laundering) হাওয়ালা মারফত প্রথমে পাঠানো হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার এক দেশে। সেখানে কয়েকটি ভুয়ো সংস্থা বানিয়ে তাতেই বিনিয়োগ করা হয়েছে ওই টাকা। এ জন্য ওই দেশে খোলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সেই অ্যাকাউন্ট ঘেঁটেই ইডি সূত্রে দাবি, ভুয়ো সংস্থার টাকার একাংশ গিয়েছে রুশ মডেলের অ্যাকাউন্টেও। তদন্তকারীদের দাবি, শুধু ওই মহিলা নন, তাঁর সহযোগী কয়েক জনের কাছেও দুর্নীতির টাকা পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে যার আনুমানিক অঙ্ক ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের ধারণা।

    দুবাই থেকে পরিচয়

    তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই প্রভাবশালী নেতা, এক হিসাবরক্ষক এবং কয়লা পাচারের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ও পলাতক বিনয় মিশ্রের দুবাই, লন্ডন এবং আমেরিকায় প্রায়শই যাতায়াত ছিল। ইডি-র দাবি, তখনই ওই মহিলার সঙ্গে তাঁদের পরিচয়। সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়ন ভেঙে তৈরি হওয়া বিভিন্ন দেশের অনেক যুবতীই রোজগারের টানে ছড়িয়ে রয়েছেন বহু শহরে। দুবাইয়ে এমন যুবতীর সংখ্যা কম নয়। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, ওই রুশ মহিলাকে নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনের বিষয়ে বিশদে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ‘প্রভাবশালী’র সঙ্গে ওই মহিলার এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহে ৬৭৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত! আজ উত্তাল হতে পারে বিধানসভা

    নজরে বিদেশ ভ্রমণের নানা তথ্য

    ইডি সূত্রে সরাসরি কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গিয়েছে, এক সাংসদ, তাঁর হিসাবরক্ষক ও তাঁদের দু’জনের পরিবারের সদস্যদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রভাবশালীদের বিদেশ যাত্রার অধিকাংশ টিকিট কাটা হয়েছে মধ্য কলকাতার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে। সেই সংস্থার অফিসে সম্প্রতি অভিযান চালিয়েছে ইডি। সেখান থেকে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে সেই ভ্রমণ সংস্থার দুই অংশীদারকে দিল্লিতে তলব করে জেরা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারের তদন্তে নেমে ইডি দাবি করেছে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছিল। বিদেশের সংস্থায় বিনিয়োগ করা হয়েছে সেই টাকা। আবার ঘুর পথে তা দেশে ফিরিয়ে নিয়ে এসে কেনা হয়েছে সম্পত্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share