Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Election: প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের চার বিধায়ক

    Panchayat Election: প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের চার বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) ঘোষণা হতেই রাজ্য জুড়ে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। বুধবারই ক্যানিং-এ তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলে গুলিবিদ্ধ হন একজন। কোথাও নেতাদের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, তো কোথাও সাংবাদিক সম্মেলন করে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন শাসক দলের বিক্ষুব্ধ নেতানেত্রীরা। দুর্নীতিগ্রস্ত লোকদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগে এবার মুর্শিদাবাদ জেলার চার তৃণমূল বিধায়ক ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গাতে সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলেরই চার বিধায়ক। ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হুমায়ুন কবীর, নওদার বিধায়ক শাহিনা মমতাজ বেগম, রেজিনগরের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী ও জলঙ্গীর বিধায়ক আব্দুর রেজ্জাক দলেরই বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রাজ্য জুড়ে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গ্রেফতার হয়েছেন শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের একাংশ। গরু চুরি মামলায় জেলে রয়েছেন অনুব্রত। এই অবস্থায় এমনিতেই ব্যাকফুটে রয়েছে শাসক দল। তারপর দলের অন্দরে এমন গোষ্ঠী দ্বন্দের  ফল নিশ্চিতভাবে পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) পড়বে। 

    কী বললেন হুমায়ুন কবীর? 

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে হুমায়ুন বলেন, ‘‘কান্দি ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি বাগবুল হোসেন মাত্র পাঁচ শতাংশ টিকিট বিলি করতে পেরেছেন। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে অপূর্ব সরকার সব থেকে বেশি আসনে টিকিট বন্টন করেছেন। অন্যদিকে একজন হেরে যাওয়া বিধায়িকা লালবাগ ও ডোমকলের নিজের মনের প্রার্থী নির্বাচন করছেন।’’

    কী বললেন রবিউল আলম?

    এদিন রবিউল আলম দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘‘পঞ্চায়েতে যেভাবে দুর্নীতিগ্রস্তদের টিকিট দেওয়া হল, এর ফল কিন্তু লোকসভা ভোটে পড়বে। মুর্শিদাবাদে কোনও দিন সেই অর্থে শক্তিশালী ছিল না তৃণমূল। বিগত কয়েক বছর ধরে আমাদের মতোই কংগ্রেস ত্যাগী নেতারা এখানে শাসক দলকে শক্তিশালী করেছি। টিকিট বিলি নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে বলেও শুনছি।’’

    আরও পড়ুুন: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দিই?” কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দিই?” কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?” রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, তারই একটা অংশ পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত সংক্রান্ত ওই মামলার শুনানি হয়েছিল প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে।

    বিরক্তি প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    রায় দিতে গিয়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, নির্বাচন কমিশন যে কয়েকটি জেলাকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে, সেখানে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আপত্তি এখানেই। তাদের দাবি, নির্বাচন কমিশন এখনও পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেনি। এ কথা শুনে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। কমিশনকে প্রশ্ন করেন (Calcutta High Court), “গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?”

    “কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ধাক্কা খাবে”

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা দেখেছি, গতকালও কোথাও কোথাও অশান্তি হয়েছে। লাঠিচার্জ হয়েছে। এটা ঠিক নয়। এতে কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা ধাক্কা খাবে। আমরা ফেলে রাখার জন্য নির্দেশ দিইনি। বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “যদি আমাদের রায় পছন্দ না হয়, তাহলে উচ্চ আদালতে যান। কিন্তু উপেক্ষা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়নি। সময় চলে যাচ্ছে। আদালত স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করতে পারে।” প্রসঙ্গত, আদালত স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে আধাসেনা মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে মনোনয়নপত্র পেশের দিন বাড়ানো হবে কিনা, সেই বিষয়টি ছাড়া হয়েছিল কমিশনের ওপরেই।

    আরও পড়ুুন: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার

    মনোনয়নপত্র পেশ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবর এসেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ। সিপিএমের অভিযোগ, মনোনয়নপত্র পেশ করতে গেলে বাধা দিয়েছিল তৃণমূলের লোকজন। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসক দল। মিনাখাঁর এই ঘটনাকে সামনে রেখে বামেরা এবং গোটা বসিরহাটে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Suvendu Adhikari: মধ্যরাতে হোটেলে মন্ত্রী-বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ সুপার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: মধ্যরাতে হোটেলে মন্ত্রী-বিধায়কের সঙ্গে বৈঠকে পুলিশ সুপার! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খোদ রাজ্যের মন্ত্রীর উপস্থিতিতে পঞ্চায়েতে ভোট (Panchayat Election 2023) লুট নিয়ে গভীর রাতে হোটেলে বৈঠক? বৈঠকে শাসকদলের দুই বিধায়কের পাশাপাশি নাকি জেলার পুলিশ সুপার পর্যন্ত হাজির ছিলেন। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    শুভেন্দুর দাবি

    শাসলকদলের বিরুদ্ধে পুলিশ-প্রশাসনের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ভূরি-ভূরি। এরই মধ্যে বুধবার গভীর রাতে একটি ট্যুইট করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)অভিযোগ করেন, পূর্ব বর্ধমানে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে পুলিশ সুপারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাত সাড়ে ১২টার সময়  ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ‘‘এই মুহূর্তে বর্ধমানের হোটেল সিনক্লেয়ারের ১২১ নং ঘরে বৈঠক করছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোাধ্যায়। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হল আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে পূর্ব বর্ধমানে কীভাবে ভোট লুট করা যায়। এই বৈঠকেই রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে আরও একজন যোগ দেন। তিনি পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামানিশ সেন। তিনি সাদা পোশাকে সেখানে হাজির হন।’’

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন

    শুভেন্দু অধিকারীর তোলা এই বিস্ফোরক অভিযোগের পাল্টা কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের তরফে। এর আগে পঞ্চায়েত ভোটে সিভিক ভলান্টিয়ার ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, ‘‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরিয়ে সিভিকদের পুলিশ সাজানো হবে। বিভিন্ন জায়গায় ভোট লুটের পরিকল্পনা কষেই শাসকদল এই কাজ করার কথা ভাবছে।’’ এই আবহে কোথায় কত খাঁকি উর্দি তৈরি হচ্ছে, তা নিয়েও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সিভিক ভলান্টিয়ারদের দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র বীরভূমেই সাড়ে তিন হাজার পুলিশের উর্দির অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এবার সরাসরি রাজ্যের মন্ত্রীর দিকে অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: “টাকা লেনদেনের ক্লাসিক কেস, হাওলায় টাকা পাচার হয়েছে”, কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে বলল ইডি

    Recruitment Scam: “টাকা লেনদেনের ক্লাসিক কেস, হাওলায় টাকা পাচার হয়েছে”, কালীঘাটের কাকুর বিরুদ্ধে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের কাকু (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ আদালতের (Recruitment Scam)। ইডি হেফাজতের মেয়াদ অন্তে বুধবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে তোলা হয় তাঁকে। কালীঘাটের কাকুকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার আবেদন জানায় ইডি। যদিও জামিনের আবেদন করেন ইডি। দু পক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারক কালীঘাটের কাকুকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত।

    ইডির আইনজীবীর দাবি

    ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি জানান, হাওয়ালার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থায় টাকা ঘুরছে। ইডির অভিযোগ, একটি সংস্থার মাধ্যমে এক কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। হাওয়ালার মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। সুজয়কৃষ্ণ চারটি সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করতেন। হাওয়ালার টাকা আবাসন শিল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ১০০টিরও বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে বলেও দাবি ইডির। ইডির আইনজীবী বলেন, এটা মানি ট্রেলের (লেনদেনের) ক্লাসিক কেস।

    কালীঘাটের কাকুর ‘কীর্তি’

    কালীঘাটের কাকু-ঘনিষ্ঠ সিভিক (Recruitment Scam) ভলান্টিয়ার রাহুল বেরাকে আগেই বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর নির্দেশেই রাহুল ফোন থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দিয়েছিলেন। রাহুলকে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন কালীঘাটের কাকু। এ সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণ এসেছে ইডির হাতে। এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করতে চাইছে ইডি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু, করলেন ‘বড়’ অভিযোগও

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত কুন্তল ঘোষের সূত্রেই প্রকাশ্যে এসেছিল কালীঘাটের কাকুর কথা। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলও দাবি করেছিলেন, অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার সময় কুন্তল নাকি আশ্বাস দিয়ে বলতেন, কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছে। চিন্তার কোনও কারণ নেই। তার পর থেকেই ইডির স্ক্যানারে রয়েছেন কালীঘাটের কাকু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু, করলেন ‘বড়’ অভিযোগও

    Suvendu Adhikari: নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শুভেন্দু, করলেন ‘বড়’ অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ‘পোষ্য’ বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার বিকেলে কলকাতায় কমিশনের দফতরে জমায়েত করে বিজেপি। প্রথমে জেলায় জেলায় অশান্তি এবং মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে যান শুভেন্দু। বেরিয়ে এসে নয়া কমিশনারের বিরুদ্ধে উগরে দেন ক্ষোভ। কমিশন তৃণমূলকে সুবিধা করে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রাজ্যে ১৪৪ ধারা সত্ত্বেও রক্ত ঝরছে বলেও অভিযোগ করেন শুভেন্দু।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

    তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের শাসকদল, কমিশন ও পুলিশ মিলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না। ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়াই এদের লক্ষ্য। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি, তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা নিতে হবে কমিশনের দফতরেই। আদালত স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু স্পর্শকাতর এলাকা বলে কিছু যে রয়েছে, তা মানতেই চাইছে না কমিশন। তাঁর অভিযোগ, হাইকোর্ট অভিযোগ জমা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বললেও, কমিশনে তেমন কিছু নেই।

    ‘ভোট লুঠ করতে দেব না’

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ করছেন কমিশনার রাজীব সিনহা। আদালতের নির্দেশ এখানে অভিযোগ গ্রহণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। যেসব জায়গায় বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি, তাঁরা কাল থেকে এখানে আসবেন। অভিযোগ জমা দেবেন। ২০১৩ ও ২০১৮ সালের মতো পঞ্চায়েত নির্বাচন এবার হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনওভাবেই এবার আমরা ভোট লুঠ করতে দেব না।”

    আরও পড়ুুন: গভীর রাত পর্যন্ত তৃণমূলের জেলা সভানেত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে কোন্দল

    নির্বাচনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের নামানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। যদিও শুভেন্দুর দাবি, পুলিশের উর্দি পরিয়ে সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাঠে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সিভিক ভালান্টিয়ারদের গায়ে চাপানোর জন্য বীরভূমে সাড়ে তিন হাজার পুলিশের উর্দি অর্ডার দেওয়া হয়েছে। বর্ধমানেও উর্দি বানানোর কাজ চলছে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। বলেন, “২০১৯ এবং ২০২১ সালে যে এলাকায় বিজেপি লিড পেয়েছিল, এখন সেখানে প্রার্থীই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শাসকদল যেভাবে অত্যাচার চালাচ্ছে, তাতে ২০ হাজার আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জিতবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: বিজেপি প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে এনে বিক্ষোভ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Sukanta Majumdar: বিজেপি প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে এনে বিক্ষোভ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমাদের প্রার্থীদের নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে এসেছি। কিন্তু কোনও সুরাহা পাইনি। আমরা জানি এখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র জমা নিতে পারে না। কিন্তু নিয়ম আছে, যে বা যাঁরা মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন না, তাঁদের তা জমার ব্যবস্থা করে দিতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকেই। এখন তৃণমূল যা বলছে, সেটাই করছে কমিশনার।” ঠিক এভাবেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আঁচ এসে পড়ল কলকাতাতেও। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বিজেপির পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের বাসে করে বসিরহাট থেকে কলকাতায় নিয়ে এসে রাজ্য নির্বাচন দফতরের সামনে উপস্থিত হন। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন সুকান্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর এসেছে প্রত্যেক দিন। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়, ক্যানিং, ইন্দাস, ডোমকল। রাজ্য জুড়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি লেগেই রয়েছে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

    কোথায় ঘটেছে?

    উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট জেলার সন্দেশখালি, মিনাখাঁ, হাড়োয়া সহ একাধিক জায়গায় বিজেপি প্রার্থীরা ঠিকমতো মনোনয়ন দিতে পারছেন না। তাঁদেরকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু হুমকি দেওয়া হচ্ছে এমন নয়, সেই সঙ্গে বিডিও অফিসের সামনে গিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে প্রার্থীদের। এরপর সমস্ত বিজেপি প্রার্থীদের সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) কলকাতায় রাজ্য নির্বাচন দফতরের সামনে নিয়ে আসেন এবং বিক্ষোভ শুরু করেন।


    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপি প্রার্থীদের পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে বুধবার প্রথমে বসিরহাট মহকুমা শাসকের অফিসে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, যতক্ষণ পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র শান্তিপূর্ণভাবে বিজেপি না দিতে পারবে, ততক্ষণ আমরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সামনে থেকে উঠব না। তিনি জানান, ইতিমধ্যে তাঁরা প্রার্থী তালিকা এবং মনোনয়ন জমা করতে না পারার অভিযোগপত্র বসিরহাট মহকুমা শাসক মৌসম মুখার্জির হাতে তুলে দিয়েছেন। সুকান্ত বলেন, এই সমস্যার খুব দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। গোটা উত্তর-দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে যে তাণ্ডব চলছে তা অত্যন্ত ভয়ংকর। পুলিশ কী করতে আছে? তারা কেন সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারছে না? পশ্চিমবঙ্গের এই অঞ্চলগুলোতে ভোটের নামে প্রহসন চলছে। আমাদের প্রার্থীরা মনোনয়ন নিয়ে বিডিও অফিসে যেতে পারছেন না! নির্বাচনকে বলা হয় গণতন্ত্রের উৎসব কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে উৎসব নয়, আতঙ্কের পরিবেশ চলছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার জায়গাই নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। 

    এদিকে এদিন প্রথমে রাজ্য নির্বাচন কমিশনে এক প্রতিনিধি দল নিয়ে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা কমিশনে অভিযোগ জানান, শাসক দল মনোনয়ন জমায় বাধা দিচ্ছে। শুভেন্দু কমিশন থেকে বেরিয়ে আসার সময় সেখানে বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে হাজির হন সুকান্ত মজুমদার। এরপর দুজনেই বিক্ষোভে সামিল হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন জমায় সাহায্য করবে পুলিশ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন জমায় সাহায্য করবে পুলিশ, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফের (ISF) তিন প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র পেশের জন্য পুলিশকে সাহায্য করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এজন্য কাশীপুর ও ভাঙড় থানাকে পদক্ষেপ করার নির্দেশও দেন বিচারপতি। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এই নির্দেশ দেন। তিনি জানান, রাজ্যের অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ এলে পদক্ষেপ করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আদালতের নির্দেশ, কমিশনের ওই নির্দেশ কার্যকর করতে বিভিন্ন জেলার এসপি ও কমিশনারদের বলবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। প্রসঙ্গত, মনোনয়নপত্র পেশ করাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় অশান্ত হয়ে উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। তৃণমূলের সঙ্গে আইএসএফের সংঘর্ষও হয়। পর পর তিন দিন উত্তপ্ত ছিল ভাঙড়ের পরিস্থিতি।

    নবান্নে হাজির ভাঙড়ের বিধায়ক

    এদিকে, এদিন আচমকাই নবান্নে হাজির হন ভাঙড়ের (Calcutta High Court) বিধায়ক আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি। দুপুর ৩টে নাগাদ নবান্নে যান তিনি। যদিও তাঁর সঙ্গে দেখা হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে শেষমেশ ফিরে যান তিনি। বিধায়ক বলেন, “ভাঙড়ের বিডিও অফিস চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও ঘিরে রাখা হয়েছে। বিরোধীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারছে না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আমাদের রাজ্যের অভিভাবিকা। তাই আমার মনে হয়েছে, ওঁকে জানানো উচিত। তাই জানাতে এসেছিলাম। তার আগে দেখা করব জানিয়ে মেলও করেছিলাম। কিন্তু আমার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সময় হয়ে ওঠেনি। আজ আবেদন জানিয়ে গেলে হয়তো আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেখা করতে পারব। কিন্তু আগামিকালই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ হয়ে যাবে। পরে কখনও প্রয়োজন হলে আবার আসব।”

    ভাঙড়ের বিধায়কের বক্তব্য 

    তিনি (Calcutta High Court) বলেন, “আমি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। যাতে তাঁর নজর আলাদা করে ভাঙড়ের দিকে থাকে। আমি জনপ্রতিনিধি। সাধারণ মানুষ ভাঙড়ে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁরা যে দলেরই হন না কেন। আমি মানুষের জন্য ছুটে এসেছি।” অন্য দিকে, উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় মনোনয়নপত্র পেশের সময় প্রার্থীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে গিয়েছিল সিপিএম-ও। বুধবার ওই ঘটনায় বসিরহাটের পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। আগামী সপ্তাহে শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা এই মামলার।

    আরও পড়ুুন: অপরূপার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করতে হবে ৪ মাসের মধ্যে, সিবিআইকে হাইকোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি! আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    Weather Update: তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি! আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে ভিজেছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গা। আগামী ১৮ থেকে ২১ জুনের মধ্যেই বর্ষা ঢুকতে পারে দক্ষিণবঙ্গেও, জানাচ্ছে আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে এটাও সত্যি, বৃষ্টি নামলেও গরম থেকে এখনও মুক্তি পাচ্ছেন না বঙ্গবাসী। বুধবার, সারাদিন ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল হয়েছে কলকাতাবাসী। 

    শহরে কবে বর্ষা

    কলকাতায় তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা না থাকলেও গরম থেকে এখনই মিলবে না রেহাই। ৩৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকবে। ভ্যাপসা গরম যেমন রয়েছে তেমন থাকবে। তবে বর্ষা আসার পর পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূল হবে বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস। তবে, আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বুধবার রাতে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। গত কয়েকদিন ধরেই বিক্ষিপ্তভাবে অল্পবিস্তর বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা ও শহরতলির বেশ কিছু এলাকায়। সন্ধের দিকের এই বৃষ্টিতে প্যাচপ্যাচে গরম থেকে কিছুটা হলেও নিস্তার মিলছে শহরবাসীর। তবে সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী নয়। পরের দিন সকাল হতেই আবার সূর্যের প্রচণ্ড তেজ, সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়ছে। 

    বৃষ্টিতে ধস নামার সম্ভাবনা

    উত্তরবঙ্গে প্রবেশ করেছে বর্ষা। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শনিবার পর্যন্ত।  এরপর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। পার্বত্য এলাকায় ভারী বৃষ্টিতে ধস নামার সম্ভাবনা থাকছে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ফের মণীশ জৈনকে তলব সিবিআই-এর

    পশ্চিমে তাপপ্রবাহ

    উত্তরে বৃষ্টি হলেও পশ্চিমে নাজেহাল অবস্থা। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। ‌তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা জারি থাকছে দক্ষিণবঙ্গের জেলা গুলিতে। ‌এই দহনজ্বালা থেকে কবে মুক্তি পাবে দক্ষিণবঙ্গবাসী, তা নিশ্চিত ভাবে জানায়নি হাওয়া অফিস। পুরুলিয়া জেলাতে ক্রমশ বেড়েই চলেছে তাপমাত্রার পারদ। বৃষ্টির দেখা নেই বললেই চলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Calcutta High Court: অপরূপার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করতে হবে ৪ মাসের মধ্যে, সিবিআইকে হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: অপরূপার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করতে হবে ৪ মাসের মধ্যে, সিবিআইকে হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারদ মামলায় ৪ মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার জন্য সিবিআইকে (CBI) নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। নারদ মামলার এফআইআর থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আরামবাগের সাংসদ তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দার। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই বুধবার আদালতের নির্দেশ, অপরূপার বিরুদ্ধে সিবিআইকে তদন্ত শেষ করতে হবে ৪ মাসের মধ্যে।

    নারদ স্টিং অপারেশন

    ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে প্রকাশ্যে আসে নারদ স্টিং অপারেশন। অপারেশন চালিয়েছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল। ফুটেজে দেখা যায়, তৃণমূলের প্রথম সারির বহু নেতা ঘুষ নিচ্ছেন। মামলায় জড়িয়ে পড়েন এই নেতারা। এঁদের মধ্যে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ প্রয়াত হয়েছেন। কেউ আবার অন্য দলে চলে গিয়েছেন। মামলায় নাম জড়ায় আরামবাগের সাংসদ তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দারের। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে অপরূপা জানান, ২০১৪ সালের ঘটনা। চার্জশিটেও তাঁর নাম নেই। সিবিআই তাঁকে অযথা হেনস্থা করছে। এই মামলায়ই সিবিআইকে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ৪ মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত।

    অপরূপার দাবি

    প্রসঙ্গত, কয়েক সপ্তাহ আগে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়ে অপরূপা জানিয়েছিলেন, সিবিআইকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তাঁর নাম এই মামলা থেকে প্রত্যাহার করা হোক। গত ৮ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তথ্য মেলেনি বলেও দাবি তৃণমূল নেত্রীর। এদিন আদালতে অপরূপা বলেন, সিবিআই এখনও সেই চিঠির কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রক্ত দেব, তৃণমূলকে কোনও জায়গা দেব না’’! হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    নারদকাণ্ডে (Calcutta High Court) যাঁদের ঘুষ নিতে দেখা গিয়েছিল, তাঁরা হলেন মুকুল রায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদ, শুভেন্দু অধিকারী, সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ইকবাল আহমেদ, ফিরহাদ হাকিম, পুলিশ আধিকারিক এমএইচ আহমেদ মির্জা। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে পরেই নারদকাণ্ডে সিবিআই গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kuntal Ghosh: অভিষেক-কুন্তল মামলায় অর্ধেক তদন্ত বাকি, হাইকোর্টে জানাল সিবিআই

    Kuntal Ghosh: অভিষেক-কুন্তল মামলায় অর্ধেক তদন্ত বাকি, হাইকোর্টে জানাল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক – কুন্তলের (Kuntal Ghosh) চিঠি সম্পর্কিত তদন্ত প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ হয়েছে বলে হাইকোর্টে দাবি করল সিবিআই (CBI)। বুধবার প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ওই মামলায় এখনও তাঁদের কিছুটা সময় প্রয়োজন। যা শুনে আদালত সিবিআইকে পাল্টা প্রশ্ন করে, ‘‘সত্য খুঁজতে আর কত দিন সময় লাগবে?’’

    সিবিআইকে প্রশ্ন আদালতের

    এদিন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হার বেঞ্চে প্রাথমিকের নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তলের চিঠি সম্পর্কিত তদন্ত কতটা এগিয়েছে সিবিআই-এর কাছে তা জানতে চায় আদালত। তখনই  সিবিআই  জানায়, ইতিমধ্যে অভিষেক এবং কুন্তলের (Kuntal Ghosh) চিঠি সংক্রান্ত মামলায় দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু তদন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ বাকি আছে। তাই তাদের কিছুটা অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। এর পাল্টা হিসেবে বিচারপতি বলেন, ‘‘সত্য খুঁজতে আর কত দিন সময় লাগবে? এই তদন্তের অগ্রগতি কোথায়? অভিযুক্ত সব তথ্য স্বীকার করতে চায় না। কিন্তু তদন্ত তো সঠিক পদ্ধতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার!’’ 

    সিবিআই-এর নির্দেশ

    সিবিআই এদিন আদালতকে জানায়, প্রেসিডেন্সি জেলের একটি সিসিক্যামেরার ফুটেজ না পাওয়াতেই তদন্তে দেরি হচ্ছে। তারপরই আদালত নির্দেশ দেয় জেল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে ওই ফুটেজ জমা দিতে হবে। সিবিআইয়ের টেকনিক্যাল টিম রেজিস্ট্রার জেনালেরের কাছে বসে তাদের টিম এনে সেই ফুটেজ কপি করবে। রাজ্যের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়েছে, ২৫ দিন সময় লাগবে সিসিটিভি ফুটেজ দিতে। এরপর এই মামলায় সার্বিক তদন্ত কতদূর এগিয়েছে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে সিবিআইকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ফের মণীশ জৈনকে তলব সিবিআই-এর

    ইডিকে নির্দেশ আদালতের

    পরে কুন্তলের মামলায় প্রেসিডেন্সি জেলকে বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘‘কুন্তল ঘোষের উপর নজর রাখবেন জেল সুপার। তিনি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করবেন। আদালত চাইলেই সেই ফুটেজ পেশ করতে হবে।’’ বুধবার প্রাথমিকের নিয়োগ মামলা নিয়ে ইডিকেও বিচারপতি সিন্‌হার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি প্রসঙ্গে বিচারপতি জানতে চান, ‘‘তদন্তে যুক্ত ইডি অফিসাররা দক্ষ তো?’’ এর জবাবে ইডি বলে, ‘‘নিশ্চয়ই! তারা যোগ্য।’’ শুনে বিচারপতি সিন্‌হা ইডিকে নির্দেশ দেন,  এক মাস পরে নিয়োগের তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share