Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তি! হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন সাইদুর রহমান

    Calcutta High Court: উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস শিবিরে স্বস্তি! হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন সাইদুর রহমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের আগে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরল কংগ্রেস শিবিরে। কলকাতা হাইকোর্টে থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন কংগ্রেস নেতা সাইদুর রহমান। এদিন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দেন, কংগ্রেস নেতাকে সপ্তাহে ৩ দিন তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে হবে। সব ছবি ও ফুটেজ দিতে হবে পুলিশকে। পাশাপাশি, সাগরদিঘি ব্লকের প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সাইদুরকে পুলিশি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। দেড় দশকের পুরনো ধর্ষণ ও প্রতারণায় মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল সাইদুর রহমানকে। তাঁর গ্রেফতারির প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে কংগ্রস ও বামেরা। এরপর বুধবার সাইদুরের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    কী ঘটেছিল?

    ২৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘি বিধানসভায় উপনির্বাচন, তার আগেই ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে সাগরদিঘি ব্লকের প্রাক্তন যুব কংগ্রেস সভাপতি সাইদুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এর পরই দলীয় নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কংগ্রেস। পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে তারা। কংগ্রেসের দাবি, ১৫ বছর আগের একটি ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা সাইদুর রহমানকে।

    কংগ্রেসের কী দাবি?

    কংগ্রেসের তরফে দ্রুত জামিনের আর্জি জানানো হয়। অধীর চৌধুরীর দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে কংগ্রেস নেতাকে। কংগ্রেসের বক্তব্য, মিথ্যা মামলা সাজিয়ে সাইদুরকে জেলে ঢোকানো হয়েছিল। পুলিশ চেষ্টা করছে এভাবে উপনির্বাচনের আগে ভয় দেখিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের ঘরে ঢুকিয়ে দিতে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি, কংগ্রেস বৃহত্তর আন্দোলনের সামিল হবে বলে জানিয়েছিল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এর পর আজ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে দুপুর ২টোয় এই মামলার শুনানি হয়।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য পুলিশ

    উপনির্বাচনের আগে সাগরদিঘিতে কংগ্রেস নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশ। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা প্রশ্ন তোলেন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন ২০২৩-এ অভিযোগ করা হল? ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন প্রাথমিক তদন্ত করা হল না?

    অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী সওয়াল করেন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় কেন ২০২৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের হল, তার কোনও ব্যাখ্যা নেই। ফলে দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে  বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন সাইদুর রহমানকে।

  • Bogtui Massacre: বগটুই গণহত্যার তদন্তে রাজ্যে আসছে ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’-এর প্রতিনিধি দল

    Bogtui Massacre: বগটুই গণহত্যার তদন্তে রাজ্যে আসছে ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’-এর প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুই গণহত্যার তদন্তের স্বার্থে বেসরকারি সংস্থা ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর প্রতিনিধিরা ফেব্রুয়ারি মাসেই আবার কলকাতায় আসছেন।  এই প্রতিনিধিদের মুখ্য গন্তব্যই হবে বগটুই। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা আগামী শনিবার, রবিবার ও সোমবার বীরভূম জেলায় থাকবে। ওই দল রাজ্যে আসবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। প্রথমে রায়গঞ্জে যাবেন তাঁরা। সেদিনই মালদা হয়ে বোলপুরে চলে যাবেন। টানা দু’দিন বীরভূমে থাকবেন তাঁরা। সেখানে বগটুই কাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধান করবেন তাঁরা। পরে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও কথা বলবেন ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর প্রতিনিধিরা। 

    বগটুইয়ের স্মৃতি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রভূমের বগটুইকাণ্ডের স্মৃতি উস্কে দিতে তৎপর গেরুয়া শিবিরও। রাজ্যে ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। গত বছর ২১ মার্চ গণহত্যার অভিযোগ ওঠে বগটুইয়ে। রামপুরহাট-১ ব্লকের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুন হওয়ার ‘প্রতিক্রিয়া’য় বগটুইয়ের গ্রামে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাতে সব মিলিয়ে মৃত্যু হয় দশ জনের। সেই সময়ে এ নিয়ে উত্তপ্ত হয় রাজ্য রাজনীতি। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যো‌পাধ্যায় বগটুই গিয়ে ক্ষতিপূরণ ও তদন্তের ঘোষণা করেন। যদিও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ সিবিআই তদন্ত শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘লইয়ার্স ফর জাস্টিস’–এর ওই দল রাজ্যে আসবে আগামী শুক্রবার। রায়গঞ্জে হামলার অভিযোগ ওঠা একটি মন্দির পরিদর্শন করবেন তাঁরা। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা এবং মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পরে তাঁরা ওই দিনই মালদহ হয়ে বোলপুরে আসবেন। পরের দু’দিন বীরভূমে থাকার কথা। সেখানে বগটুইকাণ্ডের তথ্যানুসন্ধার ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেবেন। প্রসঙ্গত, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ওই সংগঠনের প্রতিনিধিরা কলকাতায় এসেছিলেন। সেই দলে ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি এল নরসিংহ রেড্ডি, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজপাল সিংহ, মহিলাদের অধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করা আইনজীবী চারু ওয়ালি খান্না,সাংবাদিক সঞ্জীব নায়ক এবং দুই আইনজীবী ওমপ্রকাশ ব্যাস এবং রোজি তাবা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: ‘‘নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করা দরকার সেটা করুন’’! কমিশনকে বিচারপতি

    SSC Scam: ‘‘নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করা দরকার সেটা করুন’’! কমিশনকে বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবার যে দস্যু রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হবে সে আর রত্নাকরের রূপে ফেরত যাবে না, অভিমত হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর। ‘দস্যু রত্নাকর, বাল্মীকি হয়েছেন, কিন্তু বাল্মীকি যদি রত্নাকর হয় তাহলে? আদালতে মন্তব্য নবম-দশমের ৯৫২ জন শিক্ষকের একাংশের। এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এই অভিমত জানান বিচারপতি বসু।

    নবম-দশমের নিয়োগ মামলায় ৯৫২ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওএমআর শিট বা উত্তরপত্রে কারচুপি করে বেআইনি ভাবে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলারই শুনানি চলছিল বিচারপতি বসুর একক বেঞ্চে। বিচারপতি এর আগে এসএসসিকে নিজেদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে এঁদের মধ্যে ৮০৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে বলেছিলেন। এসএসসি সেই নির্দেশ পালন করার প্রক্রিয়া শুরুও করেছিল। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্ত চাকরিপ্রার্থীরা বিচারপতি বসুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান। তবে ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় স্থগিতাদেশ দেয়নি। নবম-দশমের নিয়োগ মামলায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শেষ হলেও এখনও রায় ঘোষণা হয়নি। 

    বিচারপতি যা বললেন

    বুধবার এসএসসির আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বসু বলেন, ‘‘মনে রাখবেন, এসএসসি যে পরিজনদের ত্যাগ করেছেন, তাঁরা এখন জেলে। তারা এখন সিবিআই – ইডির হেফাজতে রয়েছে। ’’ এসএসসির পাশাপাশি, অভিযুক্ত শিক্ষকদের নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। ৯৫২ জন শিক্ষকদের একাংশের উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, ‘‘এই দুর্নীতিতে আপনাদের কী ভূমিকা সেটা দেখুন। অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তারা দুজনেই সমান অপরাধী।’’  কমিশনকে উদ্দেশ করে বিচারপতি বসু আরও বলেন,  ‘আপনি এখন বাল্মীকি, নিজেকে শুদ্ধ করার জন্য যেভাবে কাজ করার দরকার সেটা করুন।’  বুধবার এই মামলার শুনানি আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত পিছিয়ে দেন বিচারপতি বসু।

    আরও পড়ুন: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    অন্যদিকে বিকৃত ৯৫২ ওএমআর শিটে নাম বেরোয় সোনারপুর পৌরসভার একজন কাউন্সিলরের। তিনি নিজের সম্মানহানি হয়েছে এই অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। শুনানির জন্য উঠেছে তার মামলাটিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Naushad Siddique Case: ‘কেন এতদিন ধরে জেলে ৮৮ জন?’, নওশাদ জামিন মামলায় রাজ্যকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Naushad Siddique Case: ‘কেন এতদিন ধরে জেলে ৮৮ জন?’, নওশাদ জামিন মামলায় রাজ্যকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে নওশাদ সিদ্দিকির (Naushad Siddique) জামিন মামলায় হাইকোর্টে বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টে উঠল ভাঙড়ের বিধায়কের জামিন সংক্রান্ত মামলা। বুধবার এই মামলার শুনানিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি। ধর্মতলার কর্মসূচিতে একসঙ্গে ৮৮ জনকে কেন গ্রেফতার করা হল, পুলিশের কাছে জানতে চাইল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ। অন্যদিকে বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে এত দিন ধরে জেলে রাখা নিয়ে মুখ খুললেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যদিও তিনি বিধানসভার স্পিকার নয়, একজন আইনজীবী হিসেবে প্রশ্ন করেছেন, নওশাদ (Naushad Siddique) এতদিন জেলে কেন?

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে রাজ্য

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার কাণ্ড ডোরিনা ক্রসিংয়ে। সেখান থেকে নওশাদ-সহ বাকিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে একাধিক মামলায় এখনও জেলেই রয়েছেন নওশাদ (Naushad Siddique)। আর এই নিয়েই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চের রাজ্যকে প্রশ্ন, একই ঘটনায় কেন ৮৮ জনকে গ্রেফতার? প্রতিরোধমূলক গ্রেফতারিতে কেন এতদিন ধরে জেলে ৮৮ জন? বিচারপতির আরও প্রশ্ন, ‘এই ধরনের ঘটনায় ১-২ জন নেতা বা নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিকে হেফাজতে নিলেন সেটা ঠিক আছে, কিন্তু ৮৮ জন? এই ৮৮ জনের ভূমিকা প্রমাণ করার মত ভিডিও রেকর্ডিং আছে তো?’

    বুধবার হাইকোর্টে নওশাদের (Naushad Siddique) হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি এদিন আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ৮৮ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এক মাসের বেশি সময় জেলে রয়েছেন তাঁরা।’ যা শুনে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘এমন কী গুরুত্বপূর্ণ বিক্ষোভ ছিল যে একসঙ্গে এতজনকে গ্রেফতার করতে হল পুলিশকে?’ একদিকে বিচারপতি যেমন রাজ্য ও পুলিশকে এই ঘটনায় তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন, অন্যদিকে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। বেঞ্চ বলে, ‘নেতাদেরও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়।’

    বিচারপতির নির্দেশ

    বিচারপতির প্রশ্নের পর রাজ্যের বক্তব্যে বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের যুক্তি, আইএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবসের নামে সাধারণ মানুষের সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে। ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পুলিশের মতে, এগুলি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। কিন্তু বিচারপতিরও প্রশ্ন, একটা মিছিল থেকে ৮৮ জনকে কী করে গ্রেফতার করা হয়। ফলে আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকির জামিন সংক্রান্ত মামলায় সেদিনের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ও কারা আহত হয়েছে সেই সংক্রান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট পুলিশকে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ১ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    নওশাদের জামিন মামলায় মন্তব্য বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের

    জেলে থাকার কারণেই বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে পারেননি নওশাদ (Naushad Siddique)। সম্প্রতি, ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফ নেতা নওশাদকেও ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন বুধবার নওশাদের জেল হেফাজতে থাকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জবাব দিতে গিয়ে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁর মতামত একজন আইনজীবী হিসেবে। এরপর আজ বিধানসভার স্পিকারকে নওশাদের (Naushad Siddique) পক্ষে বলতে শোনা গেল। তিনি তাঁর জেলে থাকা নিয়ে বলেন, ওনার আইনজীবীদের উচিত ছিল এ বিষয়ে যুক্তিযুক্ত ভাবে পদক্ষেপ করা। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এত দিন জেলে রাখার মত কারণ আছে বলে মনে করি না।” আবার বিচারপতির মন্তব্যেও বলেন, “বিচারপতিরা তো বেল দিতেই পারেন। এমন কথা বলার কী মানে আছে? তিনি তো নির্দেশ দিতেই পারেন। বিচারপতি হিসেবে যদি উনি মনেই করেন যে, জামিন হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। সে ভাবে তিনি নির্দেশ দিতেই পারেন। বেল হয়ে যাবে বলেই আইনজীবী হিসেবে মনে করি।” 

  • Madhyamik 2023: কমেছে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী, নবম-দশম সিলেবাসে বদল আনার পরামর্শ বিচারপতি বসুর

    Madhyamik 2023: কমেছে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী, নবম-দশম সিলেবাসে বদল আনার পরামর্শ বিচারপতি বসুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik 2023)। তার আগে বোর্ডকে মাধ্যমিকের সিলেবাস নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার পরামর্শ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিচারপতি।

    কী বলেন বিচারপতি? 

    বুধবার রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিচারপতি বসু ডেকে বলেন, “মাধ্যমিকে এত পড়ুয়া কমে যাচ্ছে। এখন থেকেই রাজ্যের সতর্ক হওয়া উচিত। মাধ্যমিকের সিলেবাস ঠিক করুন। সিলেবাস ঠিক না হলে সমস্যা বাড়বে। দয়া করে এ দিকে নজর দিন।”  

    এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবেন ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭২৪ জন পরীক্ষার্থী (Madhyamik 2023)। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেকটাই কম। বিচারপতি বসু বলেন, “এ বছর মাধ্যমিকে চার লক্ষ পরীক্ষার্থী কমে গিয়েছে। এটা কেন হল রাজ্যকে ভাবতে হবে। শিক্ষক নিয়োগ করলে, সেই শিক্ষকেরা কাদের পড়াবেন সেটা আগে চিন্তা করা প্রয়োজন। পড়ুয়া না থাকলে শিক্ষক থেকে লাভ কী?”

    বিচারপতি আরও বলেন, “নবম-দশম শ্রেনির সিলেবাস ৪ বছরেরও বেশি পুরোনো। অন্যান্য বোর্ডের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে সিলেবাসে সংস্কার করুক রাজ্য। সিলেবাসে বদল আনার কথা ভাবুক রাজ্যের শিক্ষা দফতর। আইসিএসই, সিবিএসই বোর্ডের থেকে কোনও অংশে কম নয় আমাদের মাধ্যমিক বোর্ডের পড়ুয়ারা।”

    আরও পড়ুন: মাঝারি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির আশঙ্কা ভারতেও! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বিচারপতি বলেন, “শুধু শিক্ষক নিয়োগ হলে তাতে লাভ কী হবে (Madhyamik 2023)! ছাত্র সংখ্যা ৩০ আর সেখানে শিক্ষক ১২। দিনভর ঝগড়া চলছে সেখানে শিক্ষকদের মধ্যে। সিলেবাসে বদল আনার কথা ভাবুক রাজ্য।”     

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জর্জরিত রাজ্য সরকার। সেই মামলা এখন চলছে হাইকোর্টে। নতুন শিক্ষক নিয়গ প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। কিন্তু এরই মাঝে মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা  কমে যাওয়ায় চিন্তিত সকলে। মনে করা হচ্ছে, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সিলেবাসের কারণেই রাজ্য সরকারি স্কুলগুলিতে পড়ুয়ার সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • TET Scam: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    TET Scam: অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কীভাবে নিতে হয় জানতেন না টেট পরীক্ষকরাই! মন্তব্যে ‘বিস্মিত’ বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন পদক্ষেপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার পরীক্ষার মুখে খোদ পরীক্ষকরাই। বন্ধ ঘরে ইন্টারভিউয়ারদের গোপন বয়ান নিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর এই পরীক্ষকদের জিজ্ঞাসা করতেই বেরিয়ে এল আরও এক আশ্চর্যকর তথ্য। টেট পরীক্ষার অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়া সেই পরীক্ষকদের একাংশ জানালেন, তাঁদের অনেকে জানতেনই না অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট কী ভাবে নিতে হয়। আর এমনকী পরীক্ষকদের মধ্যে একজন বিচারপতিকে বলেছেন, বাংলায় কথা বলতে, ইংরেজি বুঝতে পারবেন না। ফলে খোদ পরীক্ষকদের এমন পরিস্থিতি দেখে প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।

    কী ঘটেছিল?

    ২০১৪-এর টেটের প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে নিয়োগপ্রক্রিয়া সংগঠিত হয়েছিল। অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের সময় প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়া হয়নি। নিয়োগের পরীক্ষায় অ্যাপ্টিটিউড টেস্টে নিয়ম না মানার অভিযোগ করেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই প্রেক্ষিতে এবার হুগলি, হাওড়া, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং মুর্শিদাবাদের ইন্টারভিউয়ারদের তলব করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, পর্ষদের হলফনামা থেকে এটা স্পষ্ট যে প্রাথমিকের ২০১৬-র নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনও অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট হয়নি। ৪০ জনের সঙ্গে গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার কথা থাকলেও এই জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে উপস্থিত ছিলেন না হাওড়ার ইন্টারভিউয়াররা। ফলে মোট ৩০ জনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বিচারপতি।

    পরীক্ষকদের কথা শুনে ‘স্তম্ভিত’ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    গতকাল এজলাসে নয়, হাইকোর্টের সার্ধশতবর্ষ ভবনের একটি ঘরে পরীক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন বিচারপতি। ১১টা ৪৫ থেকে শুরু হয় সেই প্রক্রিয়া। পরীক্ষকদের আশ্বস্ত করে বিচারপতি জানান, সামান্য কিছু প্রশ্ন করা হবে। এরপর নাম ডেকে একে একে ওই পরীক্ষকদের ঘরে ডাকা হয়। তাঁদের সঙ্গে একান্তে কথা বলেন বিচারপতি।

    আইনজীবী সূত্রে খবর, বন্ধ ঘরে উপস্থিত ইন্টারভিউয়ারদের প্রথমেই বিচারপতি অভয় দিয়ে বলেন, “আপনাদের কোনও ভয় নেই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। যা সত্যি তা আমায় জানাবেন। তবে বিচারকক্ষের বাইরে এ নিয়ে কোনও কথা বলবেন না।” এর পর সেখানেই কেউ কেউ বিচারপতিকে জানান, অ্যাপ্টিটিউড পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না তাঁরা। এই পরীক্ষা কী, কীভাবে নিতে হয়, তা কিছুই জানতেন না তাঁরা। আবার তাঁদের কারও কারও ‘জ্ঞানের দৌড়’ দেখেও বিস্মিত বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। খবর মিলছে, এই ‘পরীক্ষক’-দের একজন নাকি জেরার শুরুতেই আর্জি জানান “বাংলায় বলুন সার! ইংরেজি বুঝতে পারব না।” যা শুনে স্তম্ভিত বিচারপতি।

    ফলে যাঁরা পরবর্তীতে শিক্ষক হতে চলেছেন, তাঁদেরই পরীক্ষা নিতে পারেননি এই ইন্টারভিউয়ার বা পরীক্ষকরা। ফলে তাঁদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেছে বিচারপতি। এমনকী প্রাথমিকে ৪২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগ নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। আদালত সূত্রে খবর, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ ফেব্রুয়ারি। তবে সে দিন আর রুদ্ধদ্বার শুনানি নয়। নিজের এজলাসেই মামলাটি শুনবেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

  • SSC Scam: ‘‘অপেক্ষা করুন, কাকুর ভাইপো, তাঁর পিসির নামও চলে আসবে’’! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    SSC Scam: ‘‘অপেক্ষা করুন, কাকুর ভাইপো, তাঁর পিসির নামও চলে আসবে’’! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের নতুন নাম উঠে আসতেই আবারও হবু হাজতবাসের তালিকায় কারা থাকতে চলেছেন তা জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নাম না করেই সুকান্ত কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘কালীঘাটে যখন ব্যাপারটা ঢুকে গেছে তখন খুব শিগগির এই কাকুর ভাইপো, সেই ভাইপোর পিসির নামও চলে আসবে। দাঁড়ান, অপেক্ষা করুন, আস্তে আস্তে সব হবে।’

    সুকান্তের তোপ

    কলকাতা আইসিসিআর-এ বিজেপির ২০২৪ লোকসভার বিস্তারকদের কার্যকরণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হল মঙ্গলবার। সেখানে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও একাধিক বিধায়ক। ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এই বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারকে একহাত নেন। শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ প্রদান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি ঘেরাও সংস্কৃতিকে তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘বাড়ি ঘেরাও এই সংস্কৃতিকে আমরা বিশ্বাস করি না।’

    আরও পড়ুন: কে ‘কালীঘাটের কাকু’ তা খোলসা করলেন তাপস মণ্ডল, জানেন তাঁর বাড়ি কোথায়?

    কুন্তলের মুখে নয়া নাম

    এদিন যখন কালীঘাটের কাকুর নাম প্রথমবারের জন্য প্রকাশ্যে আনলেন তাপস মণ্ডল তখন কুন্তলের মুখে আবার শোনা গেল নতুন একটি নাম। নিজাম প্যালেসে ঢোকার সময়ে কুন্তল এদিন বিভাস অধিকারী বলে একজনের নাম বলেন। কে এই বিভাস অধিকারী? হাঁটতে হাঁটতে বলেন, ‘উনিও তাপস মণ্ডলের মতো একজন!’ বলেই লিফটে উঠে পড়েন।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    সম্প্রতি, বালিগঞ্জে প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং গ্রেওয়ালের তৃণমূল-যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর মতে, ‘কালীঘাটের কাকু, পিসি, ভাইপো, কাকিমা, বউমা, শ্যালিকা – সবাই একই ধাঁধার অংশ। পৃথকভাবে কেউ দোষী নন, অথচ সবাই একসূত্রে গাঁথা। কয়লা যতই ধোয়া হোক, তা কালোই থাকবে। ঠিক তোমাদের ভবিষ্যতের মতো’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kajal Sheikh: ‘যে কোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারি’! কেন এই আশঙ্কা তৃণমূল নেতা কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: ‘যে কোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারি’! কেন এই আশঙ্কা তৃণমূল নেতা কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেকোনও দিন খুন হয়ে যেতে পারেন। বীরভূমের কর্মিসভায় প্রকাশ্যে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করলেন সে জেলার তৃণমূল নেতা কাজল শেখ। কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বীরভূম তৃণমূলের জেলা কোর  কমিটির সদস্য। কিন্তু শাসক দলের নেতা কেন এই ভয় পাচ্ছেন?

    কী বলেন কাজল? 

    মঙ্গলবার বোলপুরের কঙ্কালীতলার এক কর্মিসভায় যোগ দিয়ে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় আমার মা মাথায় তিনটে চুমা দেয় এবং ঠাকুরের কাছে দোয়া করে যাতে আমি বাড়ি ফিরে আসি। কারণ আমার ঘরে শত্রু বাইরে শত্রু। আমি জানি যে কোন মুহূর্তে আমার প্রাণের বিপর্যয় ঘটতে পারে।”   

    অনুব্রত মণ্ডলের বিরোধী গোষ্ঠীর (Kajal Sheikh) লোক বলে পরিচিত কাজল। অনুব্রতর ভয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই একঘরে হয়ে আছেন তিনি। এই মুহূর্তে জেলে রয়েছেন অনুব্রত। কেষ্ট জেলে যাওয়ার পর থেকে এই বিরোধী গোষ্ঠীর ওপর আরও ক্রুদ্ধ হয়েছে তাঁর অনুগামীরা। সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে দলের নতুন জেলা কোর কমিটি গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিতে ঠাঁই হয় কাজল শেখের। সঙ্গে তৃণমূলনেত্রী জানান, এবার থেকে বীরভূমের সংগঠন দেখভাল করবেন তিনি নিজে।

    আরও পড়ুন: কর্মবিরতির পর ডিএ- র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের

    এদিনের সভা থেকে অনুব্রত অনুগামীদের নিশানা করেছেন অনুব্রত মণ্ডল (Kajal Sheikh)। কেষ্টর নাম না করে কাজলের দাবি, মানুষের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করতে পারেননি দলের কয়েক জন নেতা। তিনি বলেন, “আমাদের কিছু নেতা ছিলেন, যাঁরা মানুষের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি। কালো কাচের গাড়িতে হাত নাড়িয়ে চলে যেতেন। কখনও করজোড় করেননি। তাই বিধানসভার ভোটে কঙ্কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতে হেরে গিয়েছিলেন।”

    কাজল (Kajal Sheikh) আরও বলেন, “আমি কাউকে ভয় পাই না। আমি সত্যের পথে চলি। তাই কে কী বললেন, তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না।” যদিও পরক্ষণেই তাঁর দাবি, “ঠিকমতো বাড়ি ফিরতে পারব কি না, সে আশঙ্কায় থাকি। ঘরেবাইরে অনেক শত্রু আমার। কখন কী করে দেবে! কিছু দিন আগেই বাইরে থেকে আসা দুষ্কৃতীরা আমাকে খুনের প্ল্যান করেছিল।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • CM Meeting: সভায় আসা ছাত্রদের দেওয়া হল ‘পচা বিরিয়ানি’! শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বিতর্ক

    CM Meeting: সভায় আসা ছাত্রদের দেওয়া হল ‘পচা বিরিয়ানি’! শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যোগ দেওার আগে ছাত্রদের দেওয়া হল পচা বিরিয়ানির প্যাকেট। খাওয়ার অযোগ্য ওই বিরিয়ানি ফেলে দেয় ছাত্ররা। খালি পেটেই মুখ্যমন্ত্রীর সভায় যোগ দেয় তারা। পরে অবশ্য তাদের হাতে ভাল প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। এই নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে  শিলিগুড়িতে।

    অভুক্ত পড়ুয়ারা

    মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য স্থানীয় ১২টি স্কুলের প্রায় ১০০০ পড়ুয়াকে শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলে জড়ো করেছিল প্রশাসন। দুপুরে তাদের বিরিয়ানি খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু প্যাকেট খুলতেই ছড়িয়ে পড়ে পচা গন্ধ। কয়েকজন ছাত্র শিক্ষকদের বিষয়টি বলে। শিক্ষকরা পরীক্ষা করে বলেন, এই বিরিয়ানি খাওয়ার যোগ্য নয়। এর পর বিরিয়ানি বিলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। যে ছাত্ররা ইতিমধ্যে বিরিয়ানির প্যাকেট পেয়েছিল তারা ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। কয়েকজন পড়ুয়া ওই বিরিয়ানি খেয়ে রীতিমতো বমি করতে শুরু করে। 

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ

    খাবারের গুণগত মান নিয়ে স্কুল পড়ুয়ারও ক্ষোভ উগরে দেয়। এক ছাত্র বলে, “অনেকক্ষণ হল বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। অনেকক্ষণ থাকতেও হবে। দুপুরে খাবার দেওয়া হবে বলে আগে থেকে জানানো হয়েছিল। তাই খাবার নিয়ে আসিনি। বিরিয়ানি খেতে গিয়ে দেখি পচা। বিকট গন্ধ বেরোচ্ছে। তাই ফেলে দিয়েছি।” পচা বিরিয়ানি কেন বিলি হল তা নিয়ে অবশ্য প্রশাসনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মমতা সভামঞ্চ থেকে এদিন পড়ূয়াদের জিজ্ঞেসও করেন যে তারা কিছু খেয়ে এসেছে কি না! উত্তরে পড়ুয়ারা গোটা ঘটনা জানায়। পড়ুয়াদের উদ্দেশে মমতাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘খিদে পেয়েছে?’’ মঞ্চের সামনের দিকে বসে থাকা পড়ুয়ারা একযোগে বলে ওঠে ‘‘হ্যাঁ।’’ এরপর তাদের খাবারের প্যাকেট দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।  

    আরও পড়ুন: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১১): ১৮ বছর ধরে আটকে সিউড়ি-প্রান্তিক রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ      

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরিয়ানি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছিল অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর। তারা স্থানীয় এক ক্যাটারারকে কয়েকশো প্যাকেট বিরিয়ানি তৈরির দায়িত্ব দেয়। ওই ক্যাটারারের দাবি, তাঁকে সোমবার রাতের মধ্যে বিরিয়ানি তৈরি করে প্যাকট পৌঁছে দিতে বলা হয়েছিল। তিনি নির্ধারিত সময়ে তা পৌঁছে দিয়েছিলেন। সেই বিরিয়ানি যদি পরদিন দুপুরে বিলি করা হয়, সেটা তাঁর দায় নয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA: কর্মবিরতির পর বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের, জানেন কবে?

    DA: কর্মবিরতির পর বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এবার ধর্মঘটের ডাক সরকারি কর্মচারীদের, জানেন কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে তত জোড়ালো হচ্ছে ডিএ- এর (DA) দাবিতে আন্দোলন। দুদিন ধরে কর্মবিরতির পর এবার ধর্মঘটের ডাক দিল সরকারি কর্মচারীদের যৌথ মঞ্চ। আগামী ৯ মার্চ রাজ্য জুড়ে স্কুল-সহ সমস্ত সরকারি অফিসে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মীরা। ছাড় দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল-সহ বেশ কিছু জরুরী পরিষেবাকে।

    মঙ্গলবার, কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে তিক্ত অভিজ্ঞতা হয় আন্দোলনকারীদের (DA)। জেলায় জেলায় আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের গায়ে হাত পর্যন্ত তোলা হয়েছে অভিযোগ রয়েছে। হয়েছে হাতাহাতিও। গত দু’দিন বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন ভাঙার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি মহিলাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলকারীরা। এর প্রতিবাদে বুধবার সমস্ত সরকারি দফতরে ধিক্কার কর্মসূচি পালন করা হবে। টিফিনের সময় কর্মীরা কালো ব্যাচ পরে ধিক্কার দিবস পালন করবেন।   এই পরিস্থিতিতে ৯ মার্চ যৌথ ভাবে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সরকারি কর্মী সংগঠন। কো-অর্ডিনেশন কমিটিও এই ধর্মঘটে সামিল হওয়ার ঘোষণা করেছে।    

    মঙ্গলবারই শেষ হয়েছে সরকারি কর্মীদের দু’দিনের কর্মবিরতি আন্দোলন। এর এদিন বিকালে বৈঠকে বসে যৌথ মঞ্চ (DA)। সেই বৈঠকে এই ধর্মঘটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমাদের সরকার বকেয়া ডিএ মেটানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তাই বাধ্য হয়ে ধর্মঘট ডাকতে হচ্ছে। শহীদ মিনারের পাদদেশে ২৬ দিন ধরে আমাদের আন্দোলন চলছে। ১২ দিন ধরে হচ্ছে অনশন। কিন্তু এরপরেও সরকার কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।”

    আরও পড়ুন: প্রথমবার লোকসভায় গিয়েই দুরন্ত পারফরম্যান্স! ‘সংসদ রত্ন’ হচ্ছেন সুকান্ত মজুমদার”

    ধিক্কার কর্মসূচী 

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে গত দু’দিন ধরে যে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা (DA)। আন্দোলন সফল হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তাঁরা (DA)। অন্যদিকে, গত এই কর্মবিরতি চলাকালীন বেশ কিছু জায়গায় সরকারের তরফে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। তার প্রতিবাদে বুধবার সব সরকারি দফতরে ধিক্কার কর্মসূচির ডাকও দেওয়া হয়েছে।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুর্শিদাবাদে বলেন, “দু’দিনের বন্‌ধে কিছু হবে না। জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব বন্ধ করে দিতে হবে। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ নিয়ে বাড়ি যাবেন কর্মীরা।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share