Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কুকথা বলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তার পরেও তিনি দিব্যি রয়েছেন মন্ত্রীর চেয়ারে। এদিন সেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে।

    সুকান্ত বলেন…

    নীতি যাত্রা শেষে সোমবার পুরুলিয়া শহরের একটি সভায় যোগ দেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন তৃণমূলকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, নিজেদের আদিবাসী দরদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করেনি, উল্টে আদিবাসীদের সঙ্গে নৃত্য করার সময় হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুকান্ত বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলেছিলেন, তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রিসভায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে। লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতাম মন্ত্রিসভা থেকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, দেখবেন, গ্রামে গিয়ে আপনার গরুটা, ছাগলটা যেন না চুরি করে নিয়ে যায় দূতেরা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে পুলিশ যাতে তৃণমূলের হয়ে কাজ না করে সে ব্যাপারেও তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাহলে তাঁরা যেন টুপি থেকে অশোকস্তম্ভ খুলে ফেলেন এবং হাওয়াই চটি লাগিয়ে নেন।

    মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডুকেও এদিন একহাত নেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলার সময় চুপ ছিলেন সন্ধ্যারানি। কারণ তাঁর পরিবারের লোকজনকে তিনি চাকরি করে দিয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্তরা কোনওভাবেই রেহাই পাবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, যদি কর চুরি, যত বড় হও দিদির ভাই, ধরবে তোমায় সিবিআই। তিনি বলেন, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেটকে দিয়ে সম্পত্তির হিসেব করিয়ে নিন। দরজায় সিবিআই, দুয়ারে সিবিআই চলে আসবে এবার। তখন বিজেপির পতাকা ধরলেও বাঁচা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    Adeno Virus: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিডের পর স্বাস্থ্য দফতরের সামনে নয়া উদ্বেগ অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। চিকিৎসা করাতে আসা শিশুদের মধ্যে কেউ ১৫ দিন, কেউ এক মাস, কেউ আবার দেড় মাস ধরে ভুগছে সর্দি, কাশি ও জ্বরে। কারও আবার শ্বাসকষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। এইরকম পরিস্থিতিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সচেতনতা। তাই নতুন এই ভাইরাসের উপসর্গ কী এবং পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক তার সঠিক মূল্যায়ন করতে আগ্রহী রাজ্য সরকার।

    শিশু সুরক্ষা কমিশনের পরিদর্শন

    সোমবার রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্য  যশোবন্তী শ্রীমানি অ্যাডিনো ভাইরাসের চিকিৎসা চলা হাসপাতালগুলির পরিস্থিতি ঠিক কী রকম , তা জানতে  বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে  প্রথম পরিদর্শন করা হয় ফুলবাগানের বিসি রায় শিশু হাসপাতালে। বিসি রায় হাসপাতালের পাশাপাশি, সেখান থেকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা। কমিশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে তারা কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, কত সংখ্যক শিশু ভর্তি রয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে, কত জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলেই মনে করছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    সচেতনতা প্রচার

    হাসপাতালের তরফে রোগীর বিভিন্ন স্টেজ ভাগ করে আলাদা আলাদা ভাবে চিকিৎসা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও কমিশনের তরফে সচেতনতামূলক প্রচারের জন্য কী কী করণীয় তা সম্পর্কেও হাসপাতালকে জিজ্ঞাসা করা হয়। কমিশন প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে বাড়ির বড়দের কারও ঠাণ্ডা জ্বর সর্দি-কাশি থাকলে বাড়ির শিশুকে তার থেকে দূরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। শরীর খারাপ থাকলে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে হবে। জ্বরের সঙ্গে বমি, পাতলা পায়খানা, শ্বাসকষ্ট, খিদে কমে যাওয়া এই লক্ষণ থাকলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। শিশুর তিন থেকে পাঁচ দিনের জ্বর হলেও হাসপাতালে নিতে হবে। এছাড়া জনবহুল এলাকায় গেলে মাক্স ব্যবহার করাতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বকেয়া ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। ডিএ-র দাবি আদায়ে সরকারি দফতরে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনের যাওয়ার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জরুরি পরিষেবা বাদ দিয়ে সমস্ত দফতরে তালা ঝোলানো হবে বলে জানান শুভেন্দু। ডিএ-র দাবিতে সোমবার বিধানসভায় সোচ্চারও হন বিজেপি বিধায়করা।

    ডিএ আন্দোলন…

    রাজ্য বাজেট পেশের দিন ৩ শতাংশ হারে ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে রাজ্য সরকার। যদিও বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। সোমবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছে সংগ্রামী যৌথমঞ্চ। ২৬ দিন ধরে অবস্থান করছেন সরকারি কর্মীরা। টানা ১২ দিন ধরে চলছে অনশনও। ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতিতেও দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে বলেও জানান আন্দোলনকারীরা। এমতাবস্থায় আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু বলেন, যতক্ষণ না ডিএ এবং বকেয়া ডিএ দিচ্ছে, ততক্ষণ স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, পানীয় জল ছাড়া সব জায়গায় তালা লাগিয়ে রাখা হোক।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    বকেয়া ডিএ-র দাবিতে এদিন বিধানসভায় সরব হন পদ্ম বিধায়করা। ওই দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিধানসভায় এসেছিলেন তাঁরা। অধিবেশন শেষে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে তাঁরা আম্বেদকর মূর্তির নীচে অবস্থানে বসেন। সেখানেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, কর্মচারীদের দাবি ন্যায্য। আমরা সর্বতোভাবে তাঁদের দাবি ও আন্দোলনকে সমর্থন করছি। এর পরেই তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, পানীয় জল, দমকলের মতো জরুরি পরিষেবা ছাড়া অন্যান্য দফতরে তালা ঝুলিয়ে দিতে হবে। শুভেন্দু বলেন, সরকারকে বাধ্য করতে হবে দাবি পূরণে। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, সব রাজ্য সরকারই তাদের রাজস্ব থেকে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দেয়।

    এদিন বিধানসভায় এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনিও বলেন, অন্যান্য জায়গায় ৪২ শতাংশ, ৩৮ শতাংশ বা ৩৬ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন সরকারী কর্মীরা। এখানে ঘোষণা হয়েছে মাত্র ৩ শতাংশ। তিনি বলেন, কর্মবিরতি একটা সূচনা মাত্র। আন্দোলন আরও বড় আকার নেবে কি না, তার দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকেই। দিলীপ বলেন, পেন ডাউন করে একটা সংকেত দিয়েছেন কর্মীরা। অনেক জায়গায় যেতে পারেন তাঁরা। সরকারের ক্ষমতা নেই আটকানোর। কারণ সরকারকে কেউ ভয় পায় না। তিনি বলেন, সরকার নিজের পায়ে দাঁড়াতেও পারছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপাতত সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ ও নীলাদ্রি ঘোষ। অভিযোগ, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল।

    মুখোমুখি জেরা

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগে জেরায় তাপস দাবি করেছিলেন, কুন্তল ঘোষকে নাকি ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি সবাই টাকা তুলেছেন। কার কাছ থেকে কত টাকা তুলেছেন এবং সেই টাকা কার কাছে দিয়েছেন? তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন’। তদন্তকারীদের দাবি, কুন্তলকে  ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ ব্যক্তিগতভাবে ধার দেননি তাপস। অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার জন্য ওই টাকা তুলেছিলেন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটের ৩২৫ জন প্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তাপস!

    আরও পড়ুন: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    তাপসের ডায়েরি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রের খবর, তাপসের একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব রয়েছে। গোটা গোটা অক্ষরে লেখা একের পর এক নাম। রয়েছে নানান জায়গারও উল্লেখ। বেহালা থেকে পাঁশকুড়া, ‘হাই কোর্ট’ থেকে ‘আরবানা’। এই সব ব্যক্তির নাম আর স্থান রহস্যই এখন সমাধান করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাপস কার সঙ্গে, কবে, কোথায় টাকার লেনদেন করেছেন, তারই হিসাব রয়েছে এই ডায়েরিতে। সব চেয়ে বেশি বার লেখা হয়েছে ‘কুন্তল ঘোষ’-এর নাম। তবে কোথাও বিশদে কিছু বলা নেই।  ইডির দাবি, ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ডায়েরির পাতায় ‘নোট’ লিখে রাখার মতো করে নানা হিসেব রয়েছে। হিসেব রয়েছে ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ থেকে ২০২১-২০২২ পর্যন্ত নানা সময়ের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক বিএড কলেজ (SSC Case) খুলে দুর্নীতি চক্র চালাতেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal Background)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপসের বিএড কলেজে না এলেও মিলত সার্টিফিকেট।  মোটা টাকা দিলে বাড়িতে বসেই পাওয়া যেত শংসাপত্র। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal) গ্রেফতার (Arrest) হওয়ার পর প্রকাশ্যে আসছে তাঁর একের পর এক কুকীর্তি। সূত্রের খবর, বাম আমলেই চিটফান্ড কোম্পানি খুলেছিলেন তাপস। ওড়িশা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন জেলও খাটেন। নিয়োগ-দুর্নীতি-কাণ্ডে ধৃত কুন্তল ঘোষ অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন প্রভাবশালীর নাম নিয়ে তাঁর ছেলেকে অপহরণের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন তাপস।

    একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ

    পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার আদি বাসিন্দা তাপস মণ্ডল। পাঁশকুড়ায় রাসবিহারী কলেজ অফ এডুকেশন নামে একটি বিএড কলেজ স্থাপন করেন তিনি। এখন সেই কলেজের দেখভাল করছেন তাপস মণ্ডলের আত্মীয় প্রভাকর জানা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, তাপস মণ্ডলই প্রথম রাজ্যে একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ তৈরি করেছেন। পাঁশকুড়া থানা এলাকার পাতাদা গ্রামে তাপসের ভাই একটি বিএড কলেজ দেখভাল করেন। যেটির নাম মিনার্ভা অ্যাকাডেমি। তাপস মণ্ডলের ভাই বিভাস মণ্ডল এই কলেজটির দায়িত্বে রয়েছেন। তাপস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তাঁর আত্মীয়েরা গা ঢাকা দিয়েছেন। গ্রামের বাড়ি তালাবন্ধ। তাপস মণ্ডলের স্ত্রী সন্ধ্যা রাণী মণ্ডল সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ”মা কালীর দিব্বি খেয়ে বলছি আমি কিচ্ছু জানি না।” তাঁর কথা অনুযায়ী, তাপস মণ্ডলের কোনও কাজ, কোনও ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও তথ্যই তাঁর কাছে নেই।

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    চিটফান্ড সংস্থা

    সূত্রের খবর, আটের দশকে পাঁশকুড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তাপস তৈরি করেছিলেন, চিটফাণ্ড সংস্থা ‘মিনার্ভা ফিনান্স কোম্পানি’। অভিযোগ, ব্য়াঙ্কের থেকে বেশি হারে সুদের টোপ দিয়ে, বাজার থেকে তাপস তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ, অবিভক্ত মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এমনকী ওড়িশা পর্যন্ত প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন তাপস। তৈরি করেছিলেন, সাত জনের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস। সোসাইটির রেজিস্ট্রেশনও করিয়েছিলেন। কিন্তু আমানতকারীদের প্রাপ্য় টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাপসকে গ্রেফতার করেছিল ওড়িশা পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    Adeno: নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস! শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন রসুন, নিম, কাঁচা হলুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে নয়া উদ্বেগের নাম অ্যাডিনো ভাইরাস। ছোট ছোট মুখগুলো আবার মাস্কবন্দি। স্কুলে, স্কুলে উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের মুখ। কলকাতা থেকে জেলা প্রায় প্রতিটি ঘরেই জ্বর-সর্দি-কাশি লেগে রয়েছে। কাশি হলে তো সারছেই না। করোনা, ডেঙ্গির পর এ এক নয়া উপসর্গ। জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে চলতি মরশুমে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১ জন শিশুর। শহর থেকে জেলা হাসপাতালগুলির সাধারণ শয্যা থেকে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিকু)— সর্বত্রই শিশুদের ভিড়। যে শিশুদের বয়স দু’বছরের কম, তাদের ক্ষেত্রে ভয় বেশি। বয়স এক বছরের কম হলে ঝুঁকির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ। এই সময় বাচ্চাদের ভাল রাখতে ইমিউনিটি বাড়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। রোজকার খাবারে যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে তার দিকে নজর দিতে বলা হচ্ছে। শিশুর খাদ্য তালিকায় রাখুন এরকমই কয়েকটি খাবার।

    শিশুদের কী খাওয়াবেন

    নিম বা উচ্ছে: ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে রোজকার খাবারের পাতে রাখুন তেতো। প্রথম পাতে নিম পাতা বা উচ্ছে দিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এ সবের অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শরীর মজবুত রাখে ও এই সময়ে বাতাসে উড়ে বেড়ানো রোগ-জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

    প্রোটিন: শরীর সুস্থ রাখতে প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। পাতে উদ্ভিজ্জ বা প্রাণীজ, যে কোনও রকমের প্রোটিন রাখুন রোজ। মাছ, মাংস, সয়াবিন, মুসুর ডাল, ডিম থেকে পাওয়া পুষ্টিগুণ শরীরকে ভিতর থেকে মজবুত করবে।

    লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদ: ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বেশ কিছু মশলাপাতি ব্যবহারের কথা বলা হয়। তার মধ্যে লবঙ্গ-দারচিনি-কাঁচা হলুদও রয়েছে। এই সব মশলাপাতিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত দারচিনি, লবঙ্গ দিয়ে কাড়া বানিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান। কাঁচা হলুদ বেটে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খান প্রতি দিন।

    আরও পড়ুন: শহর জুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট! আক্রান্ত খুদেরা, শিশু হাসপাতালে আইসিইউ-র সঙ্কট

    রসুন: সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন।  প্রাকৃতিক ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ঠাসা এই সব্জি ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে  ভাল কাজ করে।

    টক দই: টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমের জন্য ভীষণ উপযোগী। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দই খাওয়ার কথা বলেন পুষ্টিবিদরা।

    ফল ও সব্জি: সবুজ শাক সব্জি ও মরশুমি ফল খাওয়ান। 

    জল: শরীরে জলের ভাগ কমলে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে তেমনই ডিহাইড্রেশন থেকে হওয়া নানা সমস্যায় জেরবার শরীর সহজেই ভাইরাসের শিকার হয়। তাই জলের বিষয়ে সচেতন থাকুন। প্রতিদিন শিশুদের দুই লিটার জর খাওয়ান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই তদন্তের আসল জায়গাতেই বড় ফাঁক রয়ে গিয়েছে, অভিমত আদালতের।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল কুন্তল ঘোষ, নীলাদ্রি ঘোষ, আব্দুল খালেক, তাপস মণ্ডল, শাহিদ ইমাম, শেখ আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষকে।  তাঁদের হেফাজতে চেয়ে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে গেলে সিবিআইয়ের তদন্তের ধরন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারক। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআই পনির বাটার মসালা বানাবে ভাবছে অথচ পনিরই নেই তাদের কাছে!’’ 

    সওয়াল-জবাব

    সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে এদিন সরাসরিই প্রশ্ন তোলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের আইনজীবী। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেলকে তিন দিন হেফাজতে নিয়ে রাখলেও সিবিআই নতুন কিছু দেখাতে পারেনি। বাড়ি থেকে একটি মোবাইল এবং ল্যাপটপই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে শুধু। কিন্তু সরাসরি যোগের কোনও তথ্যই দেখাতে পারেনি সিবিআই। এর জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে তদন্তকারী অফিসার পাল্টা যুক্তি দেখাতে গেলে সেই যুক্তি খারিজ করে দেয় আদালত।

    খালেকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতিতে খালেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীর হয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছিলেন খালেক।’’এসএসসির সুপারিশ সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে ছিল উপদেষ্টা কমিটি। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। সিবিআই তাদের হেফাজতের দাবিতে বলতে চেয়েছিল, শান্তিপ্রসাদের সঙ্গেই খালেকের যোগাযোগ ছিল। যা শুনে বিচারক বলেন, ‘‘এসপি সিনহাকে টাকা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু তাঁকেই তো এই মামলায় আপনারা হেফাজতে নেননি। পনির বাটার মসালা বানাবেন ভাবছেন, পনিরই নেই আপনার কাছে…!’’

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার

    আদালতে এদিন সিবিআই (CBI) দাবি করে, আলি ইমাম ৬ কোটি ৭ লক্ষ টাকা, শাহিদ ইমাম ১ কোটি ৪ লক্ষ এবং কৌশিক ঘোষ ১ কোটি ৯ লক্ষ টাকা তুলেছে চাকরি দেওয়ার নাম করে।  আদালত সূত্রের খবর, শাহিদ ইমাম, আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষ আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চায়। এদিন আদালত তাপস, কুন্তল, নীলাদ্রিকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। অন্য চারজনের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kaliachak: কালিয়াচক ধর্মান্তরণের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    Kaliachak: কালিয়াচক ধর্মান্তরণের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliachak) খোদ আইসির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল জোর করে এক হিন্দু পরিবারকে মুসলমান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার। গত বছরের প্রথমেই এই অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। মামলা গড়ায় হাইকোর্ট অবধি। বেশ কয়েকবার শুনানিও হয় বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের এজলাসে। আজ অর্থাৎ ২০ ফেব্রুয়ারিও শুনানি হয় এই মামলায়। হাইকোর্টের ১৩ নম্বর ঘরে এই মামলার শুনানির সময় বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিবিআইকে গোটা ঘটনার রিপোর্ট পেশের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যের মধ্যে কালিয়াচক হল অত্যন্ত স্পর্শকাতর থানা। অনুপ্রবেশ, বেআইনি গোরুপাচার, অস্ত্রের কারবার, কালোটাকা উদ্ধারে বারবার নাম জড়িয়েছে কালিয়াচকের। গত বছর এক হিন্দু পরিবারকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তকরনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় খাড়া করা হয় খোদ থানার আইসি-কে। এই মর্মে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি বলেই অভিযোগ তোলেন ধর্মান্তকরনের শিকার পরিবারটি। পরবর্তীকালে এটা নিয়ে রাজ্য জুড়ে হইচই শুরু হলে ২০২২ সালের ৪ জানুয়ারি কালিয়াচক (Kaliachak) থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগকারিনী কলাবতী মণ্ডলের বিবৃতি ছিল, জোর করে তাঁকে এবং তাঁর স্বামীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করা হয়, গোটা ঘটনায় আইসি নিজে চাপ দিতে থাকেন তাঁদের উপর। গত বছরের ১৯ মে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার গোটা ঘটনার রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন মালদার পুলিশ সুপারকে। ওই নির্দেশে বিচারপতি বলেন, ২১ জুন ২০২২ এর মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে পুলিশ সুপারকে।

    পরিবারটির পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পুলিশকে নির্দেশও দেন বিচারপতি

    এদিন বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে সিবিআই-এর তরফে হাজির ছিলেন আইনজীবি বিল্বদল ভট্টাচার্য এবং কল্লোল মন্ডল। রাজশেখর মান্থার এদিন কালিয়াচকের পরিস্থিতির সাপেক্ষে এনআইএ-এর তদন্ত রিপোর্টও জমা করতে নির্দেশ দেন। যদিও এনআইএ-এর কোনও প্রতিনিধি আজ হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলেন না। বিচারপতি এদিন আরও বলেন, অভিযোগ উঠছে যে এখনও ওই পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কালিয়াচক (Kaliachak) থানা যেন পরিবারটির সম্পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল। রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ, ধর্মান্তকরনের অভিযোগ বারবার করে আসছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। আজকে সেই পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষন সেই অভিযোগকেই মান্যতা দিল বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Recruitment Scam: নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতিতে এবারে সিবিআই হানা বরানগরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মীর বাড়িতে

    Recruitment Scam: নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতিতে এবারে সিবিআই হানা বরানগরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মীর বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে এল এক নয়া মোড়। নবম-দশমে শিক্ষক নিয়োগেও বড়সড় দুর্নীতি হয়েছে, আর সেই তদন্তেই এবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডানলপের একটি ফ্ল্যটে হানা দিল সিবিআই। এদিন বরানগর বারুইপাড়া লেনে অভিযান চালাল সিবিআই-এর বিশেষ দল। সূত্রের খবর, যার বাড়িতে হানা দেওয়া হয়েছে, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী। সিবিআই সূত্রে খবর, মালদহ থেকে ধৃত তৃণমূল নেতা আব্দুল খালেককে জেরা করেই বরানগরের এই ব্যক্তির সন্ধান মিলেছে। তাঁর কাছে অবৈধ নিয়োগের কমিশন আসত বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই সূত্র ধরেই তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। চলেছে জেরাও।

    ব্যাঙ্ককর্মীর বাড়িতে সিবিআই হানা

    সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন বরানগরের বাসিন্দা শ্যামল কুমার সেনের বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। শ্যামল কুমার সেন পেশায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী। তল্লাশি চালানোর পর তাঁর বাড়ি সিল করে দিয়েছে সিবিআই। দু’ঘণ্টা ধরে শ্যামল সেন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদও চালান সিবিআইয়ের দল। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তির ব্যাঙ্কের সমস্ত নথি যাচাই করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, শ্যামল কুমার সেন নবম-দশমে নিয়োগ সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও গত কয়েকদিন আগেই বেশ কয়েকজন সাব-এজেন্টকেও গ্রেফতার করে সিবিআই। দফায় দফায় জেরা শেষে অন্তত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের জেরা করেই এই অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মীর নাম উঠে আসে বলে জানা যাচ্ছে। এর পর আজ সোমবার সকালে তল্লাশি চালিয়েছে বলে খবর।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “শুনলাম এসএসসি দুর্নীতিতে তদন্তে এসেছে। এর আগেও এসেছিল। ১৮ ফেব্রুয়ারি এসেছিল। এখানে এখন সব সিল করে দিয়ে গিয়েছে।” জানা যাচ্ছে, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী শ্যামল বর্তমানে ব্যবসা করেন। এর আগেও একবার তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এবার ফের চলে তল্লাশি। ২ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি।

    জেল হেফাজতে তৃণমূল নেতা আব্দুল খালেক

    উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার উত্তরবঙ্গেও থাবা বসিয়েছে সিবিআই। মালদহ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আব্দুল খালেক নামে এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে। সূত্রের খবর, চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা তুলতেন তিনি। স্কুলের সাধারণ শিক্ষাকর্মী হলেও তাঁর বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। মালদহে প্রাক্তন মন্ত্রী এবং তৃণমূলের একাধিক বড় নেতাদের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ ছিল। এমনকী কলকাতাতেও তাঁর টাকা যেত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এর পর তাঁকে জেরা করেই ডানলপ বরানগরের ওই ব্যাঙ্ককর্মী শ্যামল সেনের নাম উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে নিয়োগ দুর্নীতির চক্রে এই প্রাক্তন ব্যাঙ্ককর্মীর কী ভূমিকা ছিল, তিনি কত টাকা কমিশন পেতেনে, কার কার সঙ্গে তাঁর যোগ ছিল, তা জানতে জেরা করছে সিবিআই। উল্লেখ্য, এদিন আব্দুল খালেককে ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

  • Tollywood: কয়লা পাচারের টাকায় সিনেমা! ইডি-র নজরে টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী

    Tollywood: কয়লা পাচারের টাকায় সিনেমা! ইডি-র নজরে টলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারের (Coal Scam) কালো টাকা সাদা করতে লগ্নি করা হয়েছিল রিয়েল এস্টেটে। ওই টাকার খোঁজে বালিগঞ্জের একটি নির্মাণ সংস্থার দফতরে বুধবার তল্লাশিও চালিয়েছে ইডি। উদ্ধার করা হয়েছিল ১.৪০ কোটি টাকা। তলব করা হয় ওই সংস্থার ডিরেক্টরকে। ওই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই এবার ইডির (ED) হাতে এল নয়া তথ্য। ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের কালো টাকা সাদা করতে কেবল রিয়েল এস্টেটেই বিনিয়োগ করা হয়নি, ওই টাকা লগ্নি করা হয়েছে সিনে-দুনিয়ায় (Tollywood)।

    কালো টাকা…

    জানা গিয়েছে, কয়লা পাচারের টাকায় টলিউডে দুটি সিনেমা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে একটি মুক্তি পেলেও, অন্যটি রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। ওই ঘটনায় টলিউডের বেশ কয়েকজনের নাম জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন টলিউডের দুই অভিনেত্রীও। অতীতে এঁরা বঙ্গ রাজনীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের টাকা সাদা করতে সিনেমার পাশাপাশি মিউজিক ভিডিও তৈরিতেও লগ্নি করা হয়েছিল।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে আরও দুই অভিনেত্রী (Tollywood) সম্পর্কে তথ্য এসেছে তাঁদের কাছে। গত কয়েক বছর ধরে এঁরাও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এক অভিনেতার নামও উঠে এসেছে। কয়লা পাচারের টাকায় এই অভিনেতা সিনেমা করেছেন। রাজনীতির অলিন্দে তাঁর অবস্থানও ভাল। ওই তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রীর এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ও। সিনে দুনিয়ায় অনায়াস যাতায়াত রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার ওই প্রভাবশালীর। ইডি সূত্রে খবর, কেবল এই অভিনেতা, অভিনেত্রী নন, একটি প্রযোজক সংস্থার নামও উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, যে নামগুলি উঠে এসেছে, তাঁদের সম্বন্ধে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    এসবের পাশাপাশি ইডির নজরে রয়েছে শরৎ বোস রোডে চক্রবেড়িয়ার কাছের একটি গেস্ট হাউসও। অভিযোগ, কয়লা পাচারের টাকায় ওই গেস্ট হাউসটি কেনা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই কলকাতার দুই ব্যবসায়ীকে দিল্লির ইডির সদর দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ও প্রাপ্ত নথি সূত্রে ইডির দাবি, কালো টাকা সাদা করতেই বাংলা সিনেমায় বিনিয়োগ করা হয়েছে পাচারের টাকা। দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে একজন বাংলা ছবিতে টাকা বিনিয়োগ করেছেন বলেও দাবি ইডির আধিকারিকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

LinkedIn
Share