Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • DA: এবার বকেয়া ডিএ-র দাবিতে সোম-মঙ্গলে পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    DA: এবার বকেয়া ডিএ-র দাবিতে সোম-মঙ্গলে পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বকেয়া ডিএ (DA)-র দাবিতে দু দিন পূর্ণদিবস কর্মবিরতির (Strike) ডাক দিল সরকারি কর্মীদের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আগামী সোম ও মঙ্গলবার কর্মবিরতি পালন করবে তারা। এদিকে, বিধানসভা (Assembly) অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে ৩০টি বামপন্থী ও সহযোগী সংগঠনের তরফে। পরে রাজ্যপালের কাছে পেশ করবে স্মারকলিপি। বুধবার বাজেট পেশ করেন অর্থ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেই সময় ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেন চন্দ্রিমা। তাতে খুশি হয়নি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সেই কারণেই সোম ও মঙ্গলবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে তারা।

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ…

    তাদের বক্তব্য, ডিএ বকেয়া রয়েছে ৩৯ শতাংশ। অথচ সরকারি কর্মীদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৩ শতাংশ। তাই তাঁরা যে এখনই আন্দোলনে রাশ টানবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারকে তাদের সমস্ত বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দিতে হবে। বকেয়া টাকা না পেলে রাজ্যকে অচল করে দেওয়ার হুমকি আগেই দিয়ে রেখেছিল যৌথ মঞ্চ।এবার দিল কর্মবিরতির ডাক। প্রসঙ্গত, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে গত সাত দিন ধরে ধর্মতলায় শহিদ মিনারের সামনে অনশনে বসেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এ নিয়ে ২১ দিন হতে চলল তাঁদের অবস্থান। তাঁদের সাফ কথা, দাবি না মেটা পর্যন্ত জারি থাকবে আন্দোলন।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ফের প্রশ্নের মুখে সিবিআই, কেন জানেন?

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের যুক্ত কমিটি, ১২ জুলাই কমিটি সহ ৩০টি সংগঠনের যৌথমঞ্চের তরফে কলকাতার সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের যুক্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাপস ত্রিপাঠী বলেন, বাজেট অধিবেশনে রাজ্য সরকার কর্মচারি সহ অবসরপ্রাপ্তদের মাত্র ৩ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করেছে। অথচ মহার্ঘ ভাতা পাওনা হয়েছে ৩৫ শতাংশ। তিনি বলেন, মাত্র ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা কর্মচারিদের বঞ্চনার প্রকাশ। আমরা এই ঘোষণার তীব্র বিরোধী। তিনি বলেন, হকের দাবি আদায়ের জন্য লড়াই। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা নেই। ইতিমধ্যেই আমরা সেই লড়াইয়ে শামিল হয়েছি। অন্যরাও তাদের মতো করছে। আমরা চাই, এ বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ লাগাতার ধারাবাহিক সংগ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেলেন ইডির আধিকারিকরা। নিয়োগে বেনিয়ম ও কোটি কোটি টাকার লেনদেনে কুন্তলের যোগ স্পষ্ট বলেই দাবি ইডির। তাই  আদালতের নির্দেশ মতো জেলে গিয়ে কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) জেরা করা শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কুন্তলকে জেরা

    বৃহস্পতিবার আলিপুরে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে কুন্তল ঘোষকে জেরা করেন ইডির দুই আধিকারিক। ইডি সূত্রে খবর, এর আগে কুন্তল যখন ইডির হেফাজতে ছিল, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে একাধিক প্রশ্নের উত্তর ইডি পায়নি। এরপরই গত ৩ ফেব্রুয়ারি কুন্তলকে আদালতে তোলা হলে ইডির আধিকারিকরা এ বিষয়ে বিচারককে জানান। তাঁরা আবেদন করেন, জেলে গিয়ে জেরার যেন অনুমতি দেওয়া হয়। আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর এদিন কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে যান ইডির আধিকারিকরা। গোপাল দলপতির বক্তব্যকে সামনে রেখে কুন্তলকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর। সেটা রেকর্ডও করা হবে। পাশাপাশি নিয়োগ সংক্রান্ত বেনিয়মের টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের কাছে গেলে তা কীভাবে যেত তাও কুন্তলকে জেরা করেই এদিন ইডি জানতে চাইতে পারে বলেই সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুুন: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কুন্তলের একটি ডায়েরি তাদের হাতে এসেছে। যে ডায়েরির পাতায় পাতায় সাঙ্কেতিক অক্ষরমালা। টাকার হিসাবের পাশে নাম ও পদবির আদ্যাক্ষর লেখা বলেও দাবি সূত্রের। শুধু তাই নয়, প্রচুর গানের প্যারোডিও লেখা রয়েছে সেই ডায়েরিতে। সেই ডায়েরির রহস্য ভেদ করতেও কুন্তলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। পাশাপাশি কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে চাকরি চুরির টাকা যেত সেটাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ইডির জেরার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কুন্তল আর কার নাম বলেন সেটাই এখন দেখার। শাসকদলের আর কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত সেটাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Partha Chatterjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ফের প্রশ্নের মুখে সিবিআই, কেন জানেন?

    Partha Chatterjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ফের প্রশ্নের মুখে সিবিআই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় আবারও প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) সহ সাতজনকে পেশ করা হয় আদালতে। তার পরেই বিচারক সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারকে ডেকে বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না।

    সিবিআইয়ের তদন্ত…

    এদিন আলিপুরে জেলা দেওয়ানি ও দায়রা আদালতে শুনানি ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পার্থের। তাঁর মামলার শুনানিতেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারক বলেন, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদেরও কিছু অধিকার থাকে। অনির্দিষ্টকাল ধরে তদন্ত চলছে তো আর বলা যায় না। আর কতদিন সময় লাগবে? এই সময় পার্থর আইনজীবী বলে ওঠেন, এ তো তারিখ পে তারিখের মতো চলছে।

    আরও পড়ুুন: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী (Partha Chatterjee) ছাড়াও সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে এদিন শুনানি ছিল অন্যান্য অভিযুক্ত যেমন সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তিপ্রসাদ সিনহাদের মামলারও। তখনই বিচারক তদন্তকারী অফিসারদের কাছে জানতে জান, চার্জশিটে লিখেছিলেন, বাকি অভিযুক্ত এবং প্রার্থীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার। কিন্তু তাঁরা কোথায়? প্রায় দু মাস হয়ে গেল, আমি জয়েন করেছি। অনেক দিন তো হল। আমি জানি, এটা একটা বড় কাজ। প্রায় ৩৫০জন রয়েছেন। কিন্তু কারও স্টেটমেন্ট কি নেওয়া হয়েছে? কারও জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন? কোনও ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট নিয়েছেন? এর পরেই তদন্তকারী অফিসারদের ডেকে বিচারক বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না। অন্তত একটা ১৬৪ (জবানবন্দি রেকর্ড) করান। তিনি বলেন, তদন্তে অগ্রগতি না হলে এভাবে অভিযুক্তদের আটকে রাখা যায় না। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ রয়েছে।

    এই সময় সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই দুর্নীতি করা হয়েছে। তাই সূত্র পেতে সময় লাগছে। তাছাড়া, অভিযুক্তরা গ্রেফতারির পরেও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। কীভাবে ওএমআর শিটে কারচুপি হবে, কোন ওএমআর শিট কার কাছে যাবে, সব ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। সরকারি কৌঁসুলি বলেন, তদন্তে সরকারি কর্তাদের পাশাপাশি ব্যক্তি বিশেষের নামও উঠে এসেছে। প্রত্যেকেই ষড়যন্ত্রের অংশীদার। অপরাধের গুরুত্ব দেখে সবাইকে হেফাজতে নেওয়া দরকার। প্রমাণও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • SSC Scam: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    SSC Scam: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মীদের বেতন ফেরানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট (SSC Scam)। তবে চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোনও নড়চড় হয়নি। এর আগেই ওএমআর শিট কারচুপিতে অভিযুক্ত ১৯১১ জন গ্রুপ ডি কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সিঙ্গল বেঞ্চ। পাশাপাশি ওই অবৈধ চাকরিপ্রার্থীদের বেতন ফেরানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। বেতন ফেরানোর নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। তবে সিঙ্গল বেঞ্চের সম্পূর্ণ রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়নি। অর্থাৎ, চাকরি বাতিলের নির্দেশ এখনও রয়েছে।

    কেন এই স্থগিতাদেশ?

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম মজুমদারের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন গ্রুপ ডি কর্মীরা (SSC Scam)। তাঁদের দাবি ছিল, শ্রম যখন দিয়েছেন, তখন বেতন কেন ফেরাবেন? বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায়ে দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, বেতন ফেরত নির্দেশের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হচ্ছে। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত জারি থাকবে এই স্থগিতাদেশ। ৩ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।    

    ইতিমধ্যেই গ্রুপ ডি নিয়োগে কারচুপির কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC Scam)। ২৮২৩ জনের ওএমআর শিট বিকৃত করে চাকরি পাইয়ে র অভিযোগে শিলমোহর পড়েছে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়, এই ২৮২৩ জনের মধ্যে ১৯১১ জনকে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নিয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সেনা জওয়ানকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার ডিএমকে কাউন্সিলর-সহ ৮

    এর পরই গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ওই ১৯১১ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দেন (SSC Scam)। পাশাপাশি এতদিন যে বেতন পেয়েছেন তাঁরা, তাও ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস, বেআইনি ভাবে দুর্নীতি করে এই সব প্রার্থীদের সুপারিশ দেওয়া হয়েছিল।’’ পাশাপাশি বিচারপতি এ-ও জানিয়ে দেন, যে প্রার্থীদের সুপারিশপত্র বাতিল করা হবে, তাঁরা অন্য কোনও চাকরির পরীক্ষায় আর কখনও বসতে পারবেন না। সেই নির্দেশ মেনে ওই দিনই ওই প্রার্থীদের চাকরি বাতিলের ঘোষণা করে এসএসসি। 

    সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া গ্রুপ ডি কর্মীরা (SSC Scam)। বুধবার ওই মামলায় বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশকেও চ্যালেঞ্জ করে নতুন আবেদন করা হয়। এদিন সেই মামলারই শুনানি ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    Anubrata Mondal: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে জেরা করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। অনুব্রতকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে বৃহস্পতিবার সকাল দশটা নাগাদ আসানসোল সংশোধনাগারে ঢোকেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় এক ঘণ্টা তাঁরা জেরা (interrogated) করেন অনুব্রতকে।

    সকাল সকাল জেরা

    বীরভূমের সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্কে শতাধিক বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। তার পর এই প্রথম আসানসোল সংশোধনাগারে গেল সিবিআই। ১৪ দিনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর শুক্রবার আদালতে হাজির করানো হবে অনুব্রতকে। তার আগের দিনই তাঁকে সংশোধনাগারে গিয়ে জেরা করল কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া বেনামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের যোগ রয়েছে কিনা তা জানাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। 

    আরও পড়ুুন: দেশের হাল বদলাতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত মোদি মন্ত্রিসভার বৈঠকে, জানেন কী কী?

    কী জানতে চাইছে সিবিআই

    সম্প্রতি বীরভূম জেলা সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কে তল্লাশি চালিয়ে তিনশোর বেশি বেনামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থাটির আরও অভিযোগ, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেনও হয়েছে। প্রথমে ১৭৭ ও পরে ৫৪ টি অ্যাকাউন্টের পর ৩ ফেব্রুয়ারি নতুন ১১৫ টি অ্যাকাউন্টের নথি জমা করেছিল সিবিআই। এই অ্যাকাউন্টগুলি বাফার অ্যাকাউন্ট হিসাবে ব্যবহার করার হদিশ পেয়েছে সিবিআই। তার বিস্তারিত তথ্য আদালতের কাছে তুলে ধরা হয়। সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, এখনও পর্যন্ত ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, অ্যাকাউন্টগুলি তাঁদের খোলা নয় এবং টাকাও তাঁদের নয়।  কেন্দ্রীয় এজেন্সির সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই বেনামি অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহার করে প্রচুর কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। গরু পাচারের টাকা লেনদেনে এই অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর, রাইস মিল সংক্রান্ত প্রচুর টাকার লেনদেন হয়েছে বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে। এমনিতেই গরুপাচার তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের শিবশম্ভু ও ভোলে ব্যোম রাইস মিলের কথা উঠে এসেছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Weather Forecast: চড়ল তাপমাত্রার পারদ, শিবরাত্রির আগেই বিদায় শীত

    Weather Forecast: চড়ল তাপমাত্রার পারদ, শিবরাত্রির আগেই বিদায় শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল আরও নেমেছিল তাপমাত্রার পারদ (Weather Forecast)। মঙ্গলবারের চেয়ে বুধবার আরও কমেছে উষ্ণতা। আপাতত আরও দুদিন থাকছে ঠাণ্ডা। বুধবার সকালে কলকাতা-সহ বিভিন্ন জায়গায় ন্যূনতম তাপমাত্রা মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা কম থেকেছে। বিদায় বেলায় শেষ কামড়। তবে আর মাত্র দুদিনই। এ দফায় এখানেই দাড়ি টানছে শীত। বৃহস্পতিবার থেকেই হুহু করে বাড়তে থাকবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়ালস, স্বাভাবিকের ২ ডিগ্রি কম। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোরের দিকে তাপমাত্রা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। শনিবার থেকে তা হু হু করে বাড়তে শুরু করবে বলেই জানা যাচ্ছে।

    শীতের বিদায় বেলায় পরিষ্কার থাকবে আকাশ। বৃহস্পতি এবং শুক্রবারই কার্যত শেষবারের মতো হালকা শীতের (Weather Forecast) আমেজ থাকবে শহরে। শনিবার থেকে শীতের আমেজ উধাও হবে। এরপরই বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। বুধবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ থাকবে ২৮ থেকে ৯৩ শতাংশ। শনিবার নাগাদ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বুধবারের তুলনায় অন্তত পাঁচ ডিগ্রি বেড়ে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে পৌঁছে যাবে বলেই পূর্বাভাস।

    উত্তরবঙ্গে থাকবে কুয়াশা 
     
    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার প্রভাব থাকবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন (Weather Forecast)। পাহাড়ি এলাকাতেই মূলত এই কুয়াশার দাপট থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশা হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার থেকে হু হু করে বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তর ও দক্ষিণ দুই বঙ্গেই ঊর্ধ্বমুখী হবে পারদ। দিন ও রাতের দুটো তাপমাত্রাই বাড়তে শুরু করবে।

    আরও পড়ুন: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’! নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল  

    কলকাতা থেকে শীত হাওয়া হলেও, পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি বা পশ্চিমের জেলাগুলিতে সকালের দিকে ঠাণ্ডার আমেজ (Weather Forecast) পাওয়া যাবে। উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় আরও বেশ কিছুদিন শীত শীত ভাব থাকবে। বরাবরই দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গ থেকে শীত দেরিতে বিদায় নেয়। এবারও তার অন্যথা হবে না। মাঝ ফেব্রুয়ারিতে এসেও উত্তরবঙ্গের বহু জায়গায় এখনো তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার কাছাকাছি রয়েছে। এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুধু বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু কিছু জেলায় ভোরের দিকে কুয়াশা দেখা যাবে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিলোত্তমার আকাশ পরিষ্কার (Weather Forecast) থাকবে। সকালে শীতের আমেজও ধীরে ধীরে আর থাকবে না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে উষ্ণতা। শনিবারের পর কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রির ওপরে থাকবে। নতুন করে তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা আর নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • IAS Nandini Chakraborty: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’!  নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল

    IAS Nandini Chakraborty: ‘অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি’! নন্দিনী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমলা নন্দিনী চক্রবর্তীকাণ্ডে (IAS Nandini Chakraborty) এল নতুন মোড়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, এবার নন্দিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি রাজ্য ও রাজ্যপালের অফিসের মধ্যে অবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। আর এই কারণেই এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল। রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকে ডেকে নন্দিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মিথ্যে তথ্য দিয়ে সার্ভিস রুল ভাঙার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আর তার জেরেই এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি রাজ্যপালের অফিস সম্পর্কে, সেখানকার লেখালেখি সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিলেন। এর জেরে রাজ্য ও রাজ্যপালের মধ্যে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। আর এতেই তদন্তের নির্দেশ।  

    আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তায় ভোট শুরু ত্রিপুরায়! ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

    কী জানা গেল? 

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের প্রধান সচিব পদে ছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। তবে সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে উত্তাল হয় রাজভবন। ইতিমধ্যেই তাঁকে রাজভবন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। রবিবারই চিঠি দিয়ে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। শনিবার তাঁর সারাদিন রাজভবনে থাকা নিয়ে অসন্তষ্ট হয়েছিলেন রাজ্যপাল। তখনই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন রাজ্যপাল এমন খবর সামনে এসেছিল। আর এর পরেই সামনে এল তদন্তের এই খবর।  

    এই মুহূর্তে রাজ্যের পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের পদে রয়েছেন নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। তবে এর আগেও এই দফতর সামলেছেন নন্দিনী। আবারও তিনি সেই একই দায়িত্বে। বুধবার এক  সরকারি নির্দেশিকায় তাঁকে পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   
     
    রাজ্যের মুখ্যসচিব ও অর্থসচিবকেও তলব করেছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর মধ্যে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়, সেখানে নন্দিনী চক্রবর্তীকে (IAS Nandini Chakraborty) নিয়েও আলোচনা হয় বলে খবর সূত্রের। তারপরই বুধবার তাঁকে সরানোর কথা জানানো হয় রাজভবনের তরফে। 

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নন্দিনী চক্রবর্তী (IAS Nandini Chakraborty)। রাজ্যের একাধিক দফতরের সচিব পদ সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে নন্দিনীর। লা গণেশন যখন বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তখনই রাজভবনের সচিব পদের দায়িত্ব গিয়েছিল তাঁর কাঁধে। এবার যাচ্ছেন পর্যটন দফতরের দায়িত্ব সামলাতে। বর্তমানের ওই দফতরের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Nandini Chakraborty: রাজভবন থেকে সরানো হল নন্দিনীকে, সুকান্ত ‘এফেক্ট’?

    Nandini Chakraborty: রাজভবন থেকে সরানো হল নন্দিনীকে, সুকান্ত ‘এফেক্ট’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের প্রধান সচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty)। তাঁকে সরানোর জন্য আর্জি জানিয়ে নবান্নকে বার্তা দিয়েছিলেন সিভি আনন্দ বোস। তার পরেও সরানো হয়নি তাঁকে। উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) তথা রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মঙ্গলবারই কলকাতায় ফেরেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার পরেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, নন্দিনী সামলাবেন পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব।

    সুকান্ত মজুমদার…

    শনিবার রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর হাতে সুকান্ত তুলে দেন একটি চিঠিও। বৈঠকের শেষে সুকান্ত দাবি করেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের রেহাই নয় বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। উনি বলেছেন জিরো টলারেন্স টু কোরাপশন। এই নীতি নিয়ে তিনি চলছেন। শুধু তাই নয়, কোরাপশনের সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তিকে কোনওভাবে রেহাই দেওয়া হবে না।

    এদিকে, বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আনন্দের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর দাবি, এই ঘনিষ্ঠতার পিছনে ছিল নন্দিনীর (Nandini Chakraborty) ভূমিকা। রাজ্যপালের শপথ, সরস্বতী পুজোর দিনে হাতেখড়ি, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের অনুষ্ঠান থেকে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে ভাষণ এসব নিয়ে নানা অভিযোগ তোলে পদ্ম শিবির। তার পরেই রাজ্যপাল-সুকান্ত বৈঠক। নন্দিনীকে সরানোর জন্য আর্জি জানিয়ে নবান্নকে বার্তা দেন রাজ্যপাল। বুধবার পদক্ষেপ করে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি-র তলব নিউ আলিপুরের বাসিন্দাকে, উঠে এল তৃণমূলের নামও

    ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নন্দিনী (Nandini Chakraborty)। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠলেও, এক সময় তাঁর সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোর দূরত্ব তৈরি হওয়ার গল্পও শোনা যায়। রাজ্যে পালাবদলের পর শিল্পোন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সচিবের মতো গুরুদায়িত্ব এক সঙ্গে সামলেছিলেন তিনি। পরে মাঝখানে তাঁর গুরুত্ব কমতে থাকে। যার জেরে নিগম থেকে নন্দিনীকে সরিয়ে পাঠানো হয় তথ্য সংস্কৃতি দফতরে। সেই দফতরও কেড়ে নিয়ে তাঁকে পাঠানো হয় স্টেট গেজেটিয়ারের এডিটর পদে। সেখান থেকে সুন্দরবন উন্নয়ন। আরও পরে প্রায় গুরুত্বহীন প্রেসিডেন্সি ডিভিশনে। বুধবার রাজভবন থেকে সরিয়ে নন্দিনীকে পাঠানো হল বাবুল সুপ্রিয়ের দফতরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: ফের পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের! শুভেন্দুর মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল

    Panchayat Election 2023: ফের পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের! শুভেন্দুর মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা কলকাতা হাইকোর্টের! পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে এখনই কোনও ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তি জারির প্রক্রিয়ায় ফের স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। অনগ্রসর শ্রেণীর আসন পুনর্বিন্যাস এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে করা শুভেন্দু অধিকারীর মামলার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিল আদালত।

    মামলাটি কী?

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গত বছরের শেষ দিকে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে এবং আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে। মামলায় বলা হয়, ২০১৩ সালে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন সম্পূর্ণ হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া। মামলাতে শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। তাই ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হোক। এর পাশাপাশি শুভেন্দুর অভিযোগ ছিল, তপশিলি জাতি, উপজাতি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষের গণনার যে বিজ্ঞপ্তি রাজ্য নির্বাচন কমিশন দিয়েছে, তাতে ত্রুটি রয়েছে। তাই নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগে প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে সংরক্ষণের তালিকা খতিয়ে দেখা হোক। এরপরই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা হোক। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও আসন পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়ে মামলা করেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: ‘ভোটমুখী বাজেট, কিন্তু কাঁচা কাজ হয়েছে’, রাজ্যের বাজেট নিয়ে তুমুল সমালোচনায় শুভেন্দু অধিকারী

    অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদ বৃদ্ধি

    এরপরেই এই মামলার শুনানি গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে ওঠে। সেই সময় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল ৯ জানুয়ারি ওই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেই শুনানি না হওয়া পর্যন্ত রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কোনও ঘোষণা করতে পারবে না। কিন্তু ৯ জানুয়ারির পরিবর্তে আজ মামলাটির শুনানির দিন ধার্য করা হয়। আর এদিনই বেঞ্চ ফের স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়িয়ে জানিয়ে দিয়েছে যে, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয়, আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না বলেও এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আদালত। ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতাও জারি থাকল।

  • Drone Delivery: আকাশপথেই পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা! শহরে এবার ড্রোন পরিষেবা

    Drone Delivery: আকাশপথেই পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা! শহরে এবার ড্রোন পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অনেক উন্নত শহরের মতো কলকাতাতেও এবার আকাশপথেই ড্রোনে করে পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা এবং রিপোর্ট এমনকি রেস্তোরাঁর খাবারও। প্রাথমিকভাবে ১৫টি কেন্দ্র থেকে ১৪টি রুটে ড্রোন পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে কলকাতা ও হাওড়ার ১৪টি স্থানে ড্রোনে ওষুধ, ল্যাব নমুনা ও রিপোর্ট ও খাবার ডেলিভারি করা হবে। এর জন্য এগিয়ে এসেছে দিল্লির এক স্টার্ট-আপ সংস্থা টিএসএডব্লু টেকনিট স্পেস অ্যান্ড অ্যারো ওয়ার্কস (TSAW Technit Space and Aero Works)।

    কেমন হবে পরিষেবা

    সপ্তাহখানেক আগেই ট্রায়াল হয়ে গিয়েছে।  হাওড়ার কদমতলা থেকে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত একটি ড্রোন পাঠায় দিল্লির সংস্থা। মালবাহী ড্রোনের বাক্সে ভরা ছিল প্যাথলজিকাল ল্যাবের সংগ্রহ করা নমুনা। গাড়ি বা মোটরসাইকেলে সাধারণত এমন নমুনা পাঠানো হয়। সেক্ষেত্রে সড়কপথে দূরত্ব পড়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটার। সময় লাগে প্রায় পৌনে ২ ঘণ্টা। সেখানে ড্রোনে সরাসরি আকাশপথে দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। স্রেফ ১৫ মিনিটের মধ্যেই সেই পথ অতিক্রম করে মালবাহী ড্রোন। নির্বিঘ্নে পৌঁছে যায় নমুনা। শুধু তাই নয়। রিপোর্ট নিয়ে ফের হাওড়া কদমতলায় ফিরেও আসে। ১৫ মিনিটেই। 

    আপাতত কলকাতায় ৬০ মিটার এবং হাওড়ায় ১২০ মিটার উচ্চতায় ড্রোন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে এটিসি। শুধুমাত্র ড্রোন পরিষেবা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আলাদা সেল তৈরি করা হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে। ড্রোন ওড়ানোর সময় আগে থেকে তাদের জানাতে হবে। বিমান চলাচলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তাঁরা সময় ও রুট স্থির করে দেবেন। তবে ফোর্ট উইলিয়াম, নবান্নের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে নো ফ্লাইয়িং জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    রাজ্যের সব প্রান্তেই পরিষেবা! 

    টিএসএডব্লু-র ভাইস প্রেসিডেন্ট অর্পিত শর্মা জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ওষুধ সরবরাহের জন্য একটি নির্দিষ্ট ড্রোন পরিষেবা চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। কলকাতা এবং হাওড়ার তীব্র যানজটের কথা মাথায় রেখেই আমরা আকাশপথে ওষুধ সরবরাহের সুবিধার কথা ভেবেছি।” প্রাথমিকভাবে এই পরিষেবা হাওড়া থেকে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। তবে অদূর ভবিষ্যত গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করেছে এই সংস্থা। এর জন্য ইতিমধ্যেই আরও আটটি জায়গা চিহ্নিত করেছে তারা।অর্পিত শর্মা বলেছেন, “একমাসের মধ্যেই আমরা দক্ষিণ কলকাতার কালিকাপুরে ড্রোন ডেলিভারি সার্ভিস চালু করব। আমরা মূলত ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থা। ড্রোন মারফৎ ওষুধ সরবরাহের এই পরিষেবা সফল হলে আগামী দিনে এফএমসিজি (ভোগ্যপণ্য) এবং ই-কমার্স ক্ষেত্রেও ড্রোন পরিষেবা চালু করতে পারি। আমরা খুব তাড়াতাড়ি একটি উচ্চ-পাল্লার ড্রোন চালু করব, যা কাছের শহরগুলি পর্যন্ত পরিষেবা দিতে পারবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share