Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বাবা-মেয়ে তিহাড়ে গেছে, এবার পিসি-ভাইপোও যাবে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বাবা-মেয়ে তিহাড়ে গেছে, এবার পিসি-ভাইপোও যাবে’’! কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালি সপরিবারে তীর্থ করতে যেত, এখন তৃণমূলের আমলে নেতারা সপরিবারে জেলে যাচ্ছেন। কটাক্ষ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। গরু পাচার মামলায় আপাতত তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। এই প্রসঙ্গেই সুকান্তর কটাক্ষ, “সবে তো কলির সন্ধ্যে! বাবা-মেয়ে পাশাপাশি তিহাড় জেলে আছে, এরপর পিসি-ভাইপোও যাবে।”

    সপরিবারে তিহাড় যাত্রা

    জনসংযোগ যাত্রায় গিয়ে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ইডি-সিবিআই-এর সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরই পাল্টা দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “বিজেপি ভয় দেখাচ্ছে না। সত্যি সামনে আসছে। তাতেই অনেকে ভয় পাচ্ছেন। চুরি করলে অপরাধীকে সাজা পেতেই হবে। কারুর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে যদি বেহিসেবি টাকা থাকে তাহলে তাঁকেও জেলে যেতে হবে।” এরপরই সুকান্ত বলেন, “আগে তো আমরা সপরিবারে তীর্থে যেতাম, এখন তৃণমূল নেতারা সপরিবারে তিহাড় যাত্রা করেন। আর কদিন পরে অন্য কাউকে দেখবেন। আগে দেখছিলাম নেতাদের সঙ্গে তাঁদের বান্ধবীরা জেলে যাচ্ছেন এখন দেখছি নেতার সঙ্গে তাঁর কন্যাও জেলে গিয়েছেন। এরপর হয়তো পিসি-ভাইপোর পালা।”

    আরও পড়ুন: দেশে বাড়ছে ডেঙ্গি! দ্রুত ভ্যাকসিন আনতে সচেষ্ট গবেষকরা

    তিহাড় কংগ্রেস

    কেষ্টর তিহাড় যাত্রার পরেও জেলা সভাপতি বদল করেনি শাসক দল। সেই বিষয় নিয়েও তৃণমূলের উদ্দেশে কটাক্ষ ছুঁড়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় তকমা যাওয়ার পর সুকান্তর সংযুক্তি, “আর কিছুদিন অপেক্ষা করুন, তৃণমূল কংগ্রেস নাম পরিবর্তন হয়ে তিহাড় কংগ্রেস হয়ে যাবে। তৃণমূল কর্মী মানেই চোর। নব চোর বাছতে এখন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি রোজ নতুন কিছু বলছেন। আজকে দেখুন ব্যালট বাক্সের জায়গায় নতুন কিছু চুরি হয় কিনা। রাজ্যজুড়ে একটা বিশৃঙ্খলা চলছে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যু, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Rajasekhar Mantha: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যু, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাড়িভিট (Darivit) স্কুলে গুলিতে ছাত্রের মৃত্যুর জেরে প্রশ্নের মুখে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (State Human Rights Commission)। গোটা ঘটনায় নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রেখেছে কমিশন। দূর থেকে গোটা ঘটনা দেখছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha)। ডিএম-এসপির ওপর এতটাই ভরসা যে রিপোর্ট চেয়েই দায়িত্ব শেষ। ২০২০ সাল থেকে কমিশনের সদস্য ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে। আদালতের প্রশ্ন, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ছিল, সেই সময় কী করেছে রাজ্য কমিশন?  জাতীয় মানবাধিকার কমিশন লোক পাঠিয়ে একাধিক রিপোর্ট তৈরি করেছে। সে রিপোর্ট নিয়ে যতই বিতর্ক হোক, তবুও তারা করেছে, আপনারা কী করছেন?

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha) প্রশ্ন…

    স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েই প্রাণ হারিয়েছিলেন ইসলামপুরের দাড়িভিট স্কুলের দুই প্রাক্তন ছাত্র। ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মাসে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাপস বর্মণ ও রাজেশ সরকার নামে দুই ছাত্রের। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তদন্ত করেছিল সিআইডি। যদিও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন দুই ছাত্রের পরিবারই। এ নিয়ে হাইকোর্টে দায়ের হয় মামলা। সোমবার হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে কি না, এদিন সে প্রশ্নও করেন বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha)।

    আরও পড়ুুন: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    এর আগে আদালতে প্রায় একই রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হয় সিআইডি। রাজ্যের এই তদন্তকারী সংস্থাকে বিচারপতি বলেন, সাংসদ, বিধায়ক, উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে? যে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে? করা হয়ে থাকলে তাঁরা কী জানিয়েছেন? ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গুলির খোল উদ্ধার করলেও, সেগুলি সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ কেন উঠছে?  সিআইডির উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha) বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অনুসন্ধান করে সিবিআই তদন্তের পক্ষে সুপারিশ করেছে। কিন্তু রাজ্য মানবাধিকার কমিশন প্রথমে অনুসন্ধান করলেও, পরে তারা সরে আসে কেন? এ নিয়ে সিআইডির বক্তব্য কী? সিআইডির পরে এবার হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সন্দেহজনক একজার ভর্তি সাপের বিষ উদ্ধার করল ১৩৭ ব্যাটেলিয়ান বিএসএফ (BSF)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির গয়েশপুর বিওপি-র পাহানপাড়া সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা। বিএসএফ (BSF) অভিযান চালিয়ে সাপের বিষের জার উদ্ধার করলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। তারা বাংলাদেশ সীমান্তে গা ঢাকা দিয়েছে বলে বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একটি বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ সীমান্তের ভারতীয় গ্রাম পাহানপাড়া এলাকায় গোপনে অপেক্ষা করতে থাকে বিএসএফ দল। বাংলাদেশ থেকে দুই পাচারকারী সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসে। তারা ভারতীয় ভূখন্ডে আসতেই বিএসএফ (BSF) তাদের পিছনে ধাওয়া করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ছুটে পালাতে থাকে। তাদের আটকাতে এক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ (BSF)। কিন্তু ওই দুই পাচারকারী ততক্ষণে বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এমনিতেই বিএসএফের (BSF) কাছে সাপের বিষ পাচার হওয়ার খবর ছিল। কিন্তু, দুই পাচারকারী পালানোর সময় তাদের হাতে কোনও জিনিস ছিল না। ফলে, পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া সামগ্রীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর উদ্ধার হয় একটি জার। যেখানে লেখা রয়েছে, কোবরা এসপি, ড্রাগন কোম্পানি, মেড ইন ফ্রান্স।  কোড নম্বর ৬০৯৭। সেই জারের মধ্যে তরল দ্রব্য কোবরা সাপের বিষ বলে মনে করছে বিএসএফ (BSF) ।   

    বিএসএফের (BSF) কী বক্তব্য ?

    ১৩৭ ব্যাটেলিয়ানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পাচারকারীদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পরে, গুলি চালানো হলেও হতাহতের কোনও খবর নেই। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের জারটি সোমবার দুপুরে বালুরঘাট রেঞ্জের বনবিভাগের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বনবিভাগের আধিকারিক?

    বালুরঘাট বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সুকান্ত ওঝা বলেন, যে জায়গা থেকে এই জার উদ্ধার হয়েছে, সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করব। প্রাথমিকভাবে সাপের বিষ বলেই মনে হচ্ছে। তবে, এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে আমরা মুম্বই ল্যাবরেটরিতে এই জার পাঠাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Abhishek Banerjee: অভিষেক সভা ছাড়তেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা, তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের পর এবার করণদিঘিতে তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, রবিবার করণদিঘিতে প্রার্থী বাছাইয়ে ভোটদান চলাকালীন দুটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে তুমুল ঝামেলা বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। চাকুলিয়া ব্লকের হপতিয়াগজ গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোয়াগাঁও- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোট দান কক্ষে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। করণদিঘির আগে ইসলামপুর কোর্ট ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। সেই সভা শেষে ব্যালট বাক্সে প্রার্থীর নামের কুপন দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। যদিও পরে দলীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    করণদিঘিতে ঠিক কী হয়েছিল?

    রবিবার চোপড়ায় অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভা ছিল। পরে, সেখান থেকে তিনি ইসলামপুরে সভা করেন। সভা শেষে সেখানেও ব্যালটে ভোট দেওয়া নিয়ে গণ্ডগোল হয়। পরে, বিষয়টি মিটে যায়। সেখান থেকে যুবরাজ চাকুলিয়াতে সভা করেন। পরে, করণদিঘিতে তিনি রাতে থাকেন। করণদিঘিতে অভিষেক (Abhishek Banerjee) পৌঁছানোর পরই ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি দাঁড়িয়ে থেকে ভোটদান শুরু করে সভাস্থল ছেড়ে চলে যান। এরপরই পুরানো এবং নব্য তৃণমূলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। যে ব্যালট বাক্সে ভোটদান চলছিল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ তা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এমনিতেই অভিষেক (Abhishek Banerjee) সভা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর পরই তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে চলে যান। ভোটদান কেন্দ্রে গণ্ডগোল হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। মন্ত্রী গোলাম রব্বানী, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল ও করণদিঘির বিধায়ক গৌতম পাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার জেরে ভোটদান পর্ব বন্ধ করে দেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    ভোটদান নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের কী বক্তব্য?

    এক তৃণমূল কর্মী বলেন, পুরানো কর্মীদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের কোনও নাম নেই। নতুন যারা এসেছে তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে। আসলে তালিকা জমা পড়ার পর তালিকায় কাটছাঁট করা হয়েছে। চোখের সামনেই এসব হচ্ছে। অন্য এক তৃণমূল কর্মী বলেন, ব্যালটে ভোট দেওয়া চলছে। সেটা প্রকাশ্যে হচ্ছে। কোনও গোপনীয়তা নেই। আর তাতেই তৃণমূল কর্মীদের বড় অংশ আপত্তি জানান। ফলে, ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাই করতে অভিনব পদক্ষেপ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। জেলায় জেলায় ঘুরছেন তিনি। সব সভা থেকেই অভিষেক একটাই বার্তা দিচ্ছেন, তৃণমূল পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছাই করবে না। পঞ্চায়েতের প্রার্থী বাছবে মানুষ। অভিষেকের এই উদ্যোগ কার্যকরী করতে গিয়েই বাঁধছে বিপত্তি। জায়গায় জায়গায় ব্যালট বাক্স ভাঙা থেকে লুঠপাটের ঘটনা সামনে আসছে। কোচবিহার ছাড়াও জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি, পাহাড়পুর, রাজগঞ্জ থেকে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি সব জায়গাতেই ব্যালট পেপার নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এবার উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতেও একই ঘটনা ঘটল। যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET: বিএড উত্তীর্ণরাও চলতি টেট নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন! নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএড (B ed Training) উত্তীর্ণরা প্রাথমিকে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। সোমবার  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বরের আগে যে সব চাকরিপ্রার্থী বিএড প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন, তাঁরা চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। তাঁদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নতুন করে পোর্টাল খুলতেও নির্দেশ দেন বিচারপতি। ৩ সপ্তাহের মধ্যে পোর্টাল খুলে পরীক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও আদালতের পরবর্তী নির্দেশ ছাড়া ওই প্রার্থীদের ফলপ্রকাশ করা যাবে না। তবে যাঁরা আগে আবেদন করেছিলেন, একমাত্র তাঁরাই চলতি টেটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। নতুন করে আবেদন করা যাবে না। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত বছর প্রাথমিক স্কুলে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা ঘোষণা পর্ষদের। গত ২৯ সেপ্টেম্বর তারা নিয়োগ-বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে জানানো হয়, ডিএলএড প্রশিক্ষণরতরাও অংশ নিতে পারবেন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। পরে এই পর্ষদের এই নির্দেশ খারিজ করে দেয় বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, প্রশিক্ষণরতরা নন, যাঁরা প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন একমাত্র তাঁরাই অংশ নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: মে মাসের গরমে বাংলা টেক্কা দেবে রাজস্থানকে! কবে থেকে শুরু তাপপ্রবাহ?

    চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুযোগ পাওয়ার জন্য মৃন্ময় সরকার-সহ ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, ডিএলএড প্রশিক্ষণ শুধুমাত্র প্রাথমিক স্কুলের জন্য। কিন্তু অনেকে বিএড সম্পূর্ণ করে আবার ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ডিএলএড যোগ্যতায় আবেদন করেন তাঁরা। তখন প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার কথা বাধ্যতামূলক বলা হলে বিএড উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারতেন। পর্ষদের ত্রুটির কারণে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, যাঁরা আবেদন করেছেন সেই সব বিএড উত্তীর্ণরা চলতি প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১২ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lalan Sheikh: রক্ষাকবচ সিবিআই-কে, লালনকাণ্ডের তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত হল সিট

    Lalan Sheikh: রক্ষাকবচ সিবিআই-কে, লালনকাণ্ডের তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত হল সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বগটুইকাণ্ডে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh) অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল সিবিআই (CBI) হেফাজতে। ওই ঘটনায় সোমবার সিট (SIT) গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। লালনের মৃত্যুর তদন্ত করবে আদালতের তৈরি এই সিট। এদিন আদালত লালন মামলায় সিবিআইয়ের ৭ আধিকারিককে রক্ষাকবচ দিয়েছে। তবে এও জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করবে রাজ্যই। এদিন আদালতের নির্দেশে যে সিট গঠিত হবে, তার নেতৃত্ব দেবেন আইপিএস প্রণব কুমার। সঙ্গে থাকবেন হোমিসাইডের বীরেশ্বর চট্টোপাধ্যায়। এই দুই আধিকারিকই ঠিক করবেন, এই সিটে আর কারা থাকবেন।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশনামা…

    এক সপ্তাহের মধ্যে টিম গঠন করতে হবে। তবে সিবিআই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না সিট। আদালতের তৈরি করা সিট (Lalan Sheikh) আদালতকে না জানিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে পারবে না। হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সিট কোন পথে তদন্ত করবে, সে সংক্রান্ত একটি নির্দেশনামাও জারি করেছেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। সিবিআই হেফাজতে লালনের মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সাত আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী। তার পরে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। এদিন হাইকোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত রাজ্য করলেও, তদন্তভার সিআইডির হাতে থাকবে না। তদন্ত করবে সিট।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    নিম্ন আদালত ছাড়া আর কোথাও কোনও রিপোর্ট পেশ করতে হবে না সিটকে। রাজ্যের কাছেও কোনও রিপোর্ট পেশ করতে হবে না সিটকে (Lalan Sheikh)। সিট গঠন না হওয়া পর্যন্ত সিআইডি কোনও তদন্ত করতে পারবে না। সিবিআই রক্ষাকবচ পেলেও, তারা তদন্তে সিটকে সব রকম সহযোগিতা করবে। তদন্ত হবে আদালতের নজরদারিতে। প্রসঙ্গত, ১২ ডিসেম্বর বীরভূমের রামপুরহাটে সিবিআই ক্যাম্পের শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয় লালন শেখের (Lalan Sheikh) ঝুলন্ত দেহ। সিবিআইয়ের সাত তদন্তকারী আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। গরুপাচার মামলার দুই তদন্তকারী আধিকারিক সুশান্ত ভট্টাচার্য ও স্বরূপ দে-র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। রাজ্য পুলিশের তদন্ত এবং এফআইআরকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    Dev: সরকারি বাড়ি পেতে দেবের ভাইকে দিতে হল কাটমানি! পোস্টার দিয়ে প্রতিবাদ জানাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহরের পাঁশকুড়া বাস স্ট্যান্ড, ঘাটাল কলেজ, এসডিও অফিস চত্বর সহ সমস্ত জায়গায় পড়েছে পোস্টার। আর এই পোস্টারকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল অভিনেতা দেবের (Dev) সাংসদ এলাকায়। শুধু পোস্টারই নয় দেবের (Dev) পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এমনকী দেওয়াল লিখনে হাত লাগিয়েছেন খোদ বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট।

    কী লেখা রয়েছে পোস্টারে?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, নিজের দাদা সাংসদ (Dev) থাকা সত্ত্বেও কাটমানি দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে। ঘরের ছেলে সাংসদ থাকার সত্ত্বেও কেন টাকা নেওয়া হল? দীপক অধিকারী (Dev) জবাব দাও। বিক্রম অধিকারীর আবাস যোজনার টাকা নেওয়া  হল কেন? তৃণমূল বিধায়ক শিউলি সাহা জবাব দাও। আর ঘাটাল শহরের একাধিক জায়গায় পোস্টারে ছয়লাপ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন এই পোস্টার?

    সাংসদ দেবের (Dev) জেঠতুতো ভাই বিক্রম অধিকারী। তিনি থাকেন কেশপুরের মহিষদায়। সরকারি আবাস যোজনায় কাটমানি দিতে হয়েছে তাঁকে। বিক্রম বলেন, আমি নিজে তৃণমূল করি। আমার দাদা সাংসদ বলে কোনও বাড়িতে সুবিধা পাইনি। এখানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি না দিলে বাড়ি মিলবে না। তাই, ওদের চাহিদা মতো আমি কাটমানি দিয়েছি। তিনি আরও বলেন, পারিবারিক সমস্যা সমাধানে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দিতে হয়। সাংসদের (Dev) ভাই বলে আমাকে অনেক জায়গায় তৃণমূল নেতারা নিয়ে গিয়ে কাটমানি নিয়েছে। আমার বাড়ি বেহাল হয়ে রয়েছে। আমফানে বাড়ির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু, আমি ক্ষতিপূরণের টাকা পাইনি। আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়ার জন্য দেবের (Dev) ভাইকে টাকা দেওয়ার খবর জানাজানি হতেই রীতিমতো তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মাঠে নামে বিজেপি। ঘাটাল শহর জুড়ে তারা পোস্টার দিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এই বিষয়ে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেবের ভাই বলে খবরটা হয়েছে। এরকম হাজার হাজার মানুষের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। কে অধিকার দিয়েছে ওদের? গরিবের কথা কেউ শোনেনি। আমরা নামগুলো খুঁজে খুঁজে দিল্লি পাঠিয়েছি।”

    পোস্টার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও বিজেপিকে পাল্টা নিশানা করেছে শাসক দল তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, খেই হারিয়েছে বিজেপি। দেব (Dev) কুৎসার জবাব না দিয়ে নিশ্চুপ থাকাতেই পোস্টার রাজনীতি করছে বিজেপি। পোস্টার নিয়ে রাজনীতি না করে বিজেপি মাঠে নেমে রাজনীতি করুক। মানুষ কাদের সঙ্গে রয়েছে তা প্রমাণ হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবারে বিছে! না জেনে সেই খিচুড়িই খেয়ে নিল শিশুরা!

    Mid Day Meal: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবারে বিছে! না জেনে সেই খিচুড়িই খেয়ে নিল শিশুরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শিশুদের খাবারে বিছে! এবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের গ্ৰামে। এর আগেও দেখা গিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের খাবারে ও স্কুলের মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) কোথাও সাপ, কোথাও ইদুর, কোথাও আবার পোকামাকড় উদ্ধার হয়েছিল। সেইসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও খাবের বিছে উদ্ধার হল। স্বাভাবিকভাবেই অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। উঠেছে নজরদারির অভিযোগও। বীরভূমের কীর্ণাহারের পরোটা গ্ৰামে ২২ নং কেন্দ্রের পরোটা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আরও অভিযোগ, সেই বিছে পড়া খাবারই তুলে দেওয়া হয়েছে শিশুদের হাতে। যদিও খবর পাওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে আসে কীর্ণাহার থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কীর্ণাহার থানার পুলিশ আসতেই বাকি খাবার যেগুলি বেঁচে ছিল, সেগুলি ফেলে দেওয়া হয় প্রশাসনের নির্দেশমতো, যাতে আর এই খাবার (Mid Day Meal) কেউ না নিয়ে যেতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে গ্ৰামবাসীদের সচেতন করা হয়েছে, যাতে ওই খাবার কেউ যেন না খায়।

    কী অভিযোগ গ্রামবাসীদের?

    কোলে দুধের শিশুকে নিয়ে এক মা বললেন, আমরা খিচুড়ি নিতে এসেছি। এখানে এসে শুনছি, খাবারে (Mid Day Meal) বিছে ছিল। সৈকত নামে একটা ছেলে দেখেছে, সে দিদিমণিকেও বলেছে। কিন্তু দিদিমণি বলেছে, ওটা বরবটি কড়াই। বিছেটা পাশে রেখে দিয়ে আমাদের সেই খিচুড়ি দিয়েছে। আমরা সেই খাবারই ছেলেদের খাইয়েছি। যখন শুনলাম, তখন খাওয়ানো বন্ধ করেছি। দিদিমণি বিশ্বাসই করছে না। বারবার একই কথা বলছে, এটা বরবটি কড়াই। এরপর দিদিমণি ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়েছে। প্রশাসন এসেছিল। যারা খেয়েছে, তারা কান্নাকাটি করছে। ওদের যে কী হবে, জানি না। আমাদের একটাই দাবি, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার মধ্যে রান্না হোক। 

    আরও পড়ুন: মিড ডে মিলের চাল চুরি করতেই গরমের ছুটি ঘোষণা রাজ্যের! দাবি শুভেন্দুর

    অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন না

    গ্ৰামবাসীদের অভিযোগ, যেখানে রান্না (Mid Day Meal) করা হয়, সেই ঘরটি অপরিষ্কার। মাকড়সার ঝুলে ভর্তি ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। এমনকী বাইরে রয়েছে আবর্জনায় ভর্তি একটি জলাশয়। এমনকী ওই গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী জেনেশুনেও এই খাবার দিয়েছেন। এই খাবার খেয়ে যদি কোনও শিশু অসুস্থ হয়, তাহলে তার ব্যবস্থা নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। যদিও ওই কেন্দ্রের কর্মী কোনও মন্তব্যই করতে চাননি। বারবার তাঁকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চোখা-চোখা মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, দেখুন এক ঝলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় নানা সময় বিস্ফোরক একাধিক মন্তব্য করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তাঁর এই সব মন্তব্য হইচই ফেলে দিয়েছে রাজ্যে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তাঁর মন্তব্যগুলি।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) বিস্ফোরক মন্তব্য…

    দুর্নীতি দেখলে আমি রুখে দাঁড়াবই। মাথায় বন্দুক ঠেকালেও আমি থামব না। তিনি বলেন, সব আমলেই দুর্নীতি হয়। আমি কোনও রাজনীতি করছি না। আইনজীবীরা রাজনীতি করতে পারেন। অন্য একদিন বলেন (Abhijit Ganguly), ঢাকি সব বিসর্জন কীভাবে দিতে হয়, আমিও জানি। আসল অপরাধী কে বা কারা, তা সবাই জানে। আমার জীবদ্দশায় তারা ধরা পড়বে বলে মনে হয় না। আমি তো নিজে ধরতে যেতে পারব না। যা করার, পুলিশ, ইডি, সিবিআইকে করতে হবে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ এমন একটা রাজ্য হয়েছে, যেখানে টাকা না দিলে চাকরি মেলে না। মুড়ি-মুড়কির মতো দুর্নীতি হয়েছে বলেই মুড়ি-মুড়কির মতো সিবিআই দিতে হয়েছে। আমি তো এটা জীবনে কল্পনাই করতে পারি না।

    আরও পড়ুুন: কর্নাটকে মোদির কনভয়ে উড়ে এল মোবাইল ফোন! প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে

    সিবিআইকে ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, আপনাদের থেকে তো ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করতে আমি জানি। দুর্নীতি মামলায় তাঁর মন্তব্য, অনেক ধেড়ে ইঁদুর বেরবে। অন্য একটি মামলায় তিনি (Abhijit Ganguly) বলেছিলেন, দিদি একা সামলাতে পারছেন না। এত দুর্বৃত্ত চারপাশে থাকলে সামলাবেন কী করে? তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ও অনুমোদন বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান বিরোধী কাজের জন্য এই সরকারি দলের লোগো ও মান্যতা প্রত্যাহার করতে তিনি নির্বাচন কমিশনকে বলতে পারেন। অন্য একটি মামলায় তিনি বলেন, দুর্নীতির মহাসমুদ্রে আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। আপনারা সাহায্য করছেন। তারপরও হাবুডুবু খাচ্ছি। ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। এক জ্যাঠামশাই বলে বেড়াচ্ছেন আমি আইনের এবিসিডি জানি না। তিনি নিজে কি এবিসিডি জানেন?

    কিছু দালাল, যারা মুখপাত্র বলে পরিচিত এবং কিছু মন্ত্রীর নাম বলতে পারি আমি, যাঁরা প্রকাশ্যে বলেছেন কারও চাকরি যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী ভাল কাজ করছেন। আমি কেন খারাপ কথা বলব? কবিতার প্রথম লাইন হল এপাং ওপাং ঝপাং। আমরা সবাই ড্যাং ড্যাং। এই যদি কবিতার বই হয়, তাহলে কেউ পড়বে? আমার (Abhijit Ganguly) মনে হয় কেউ পড়বে না। এই অখাদ্য জিনিসগুলো গ্রন্থাগারে রাখবেন না, এটা আজ বলার সময় এসেছে। অখাদ্য বই সরবরাহ হয় সরকারি গ্রন্থাগারে, তা পড়তে কোনও মনুষ্য সন্তান সেখানে যাবে না। বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যায়? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যায়?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    School: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম স্কুল পরিচালন কমিটিতে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের কবিতীর্থ স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্যের তালিকায় দণ্ডিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতার নাম। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে জেলায়। জানা গিয়েছে, ৪ এপ্রিল বালুরঘাট শহরের ১০টি স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতিদের নামের তালিকা এসেছে। ওই তালিকাতে তৃণমূল নেতা ও বেশিরভাগ ব্যবসায়ীদের নাম মনোনীত করা হয়েছিল। যা নিয়েও ক্ষোভ ছিল শিক্ষামহলে। এবারে বালুরঘাট ও হিলির ১৫টি স্কুলের পরিচালন কমিটির শিক্ষানুরাগীদের নাম এসেছে। ওই কমিটিতে একটি স্কুলে সভাপতি, দুইজন করে শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবক, মেডিক্যাল অফিসার, এসআই সহ অনেকেই থাকবে। জেলার ১৫টি স্কুলের পরিচালন সমিতির শিক্ষানুরাগী সদস্যের বেশিরভাগই তৃণমূল নেতা বলেই পরিচিত। তার মধ্যে একটি স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য হিসেবে আনন্দ রায়ের নাম প্রকাশিত হয়েছে। আনন্দ রায় তৃণমূলের যুব নেতা বলেই পরিচিত। সম্প্রতি আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। যদিও সে এখন জামিনে মুক্ত। তাই ওই যুব নেতার নাম ঘিরেই শোরগোল শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি?

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডি কাটানোর মত একটা বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ওই তৃণমূল নেতা। তাকে তৃণমূল শিক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গায় দায়িত্ব দিয়েছে। আদিবাসীদের প্রতি এমন নির্যাতনের পরেও তৃণমূলের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, আনন্দ রায় তৃণমূলের, তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তবে স্কুলের (School) পরিচালন কমিটির এই তালিকায় তার নাম মাস চারেক আগেই শিক্ষা দফতরে গেছিল। যা সম্প্রতি ঘোষণা হয়েছে। দণ্ডিকাণ্ডে তার নাম আসার পর আমরা এবিষয়ে চিন্তাভাবনা করেছি। এই নাম পরিবর্তনের জন্য রাজ্য শিক্ষা দফতরের কাছে আর্জি জানাব। এবিষয়ে তৃণমূল নেতা আনন্দ রায়কে বহুবার ফোন ও মেসেজ করলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।

    কী বললেন স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক?

    ওই কবিতীর্থ স্কুলের (School) ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তু রায় বলেন, কারা এই তালিকায় থাকবে, তা আমাদের জানা ছিল না। তবে এই তালিকায় নাম যুক্ত বা বাতিলের বিষয় আমাদের হাতে নেই। সম্পূর্ণ বিষয় রাজ্য শিক্ষা দফতরের হাতে রয়েছে।

    এনিয়ে স্কুল (School) পরিদর্শকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা দফতর স্কুল (School) পরিদর্শক মৃন্ময় ঘোষ বলেন, রাজ্য থেকে ওই তালিকা এসেছে, সেই তালিকা আমরা স্কুলগুলিকে পাঠিয়েছি। যা করার রাজ্য থেকেই করে। বাকি বিষয়ে জানা নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share