Blog

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ইন্ডিয়া গেট সি-হেক্সাগনে রাজধানী নয়াদিল্লির বায়ুদূষণ পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিবাদের ঘটনায় দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে (BJP) পুলিশ। এফআইআর দায়ের হয়েছে দু’টি পৃথক থানায় (Urban Naxals)। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম এফআইআরটি দায়ের হয়েছে কর্তব্য পথ থানায়।  ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ছ’জন পুরুষ প্রতিবাদকারীকে। দ্বিতীয় এফআইআরটি দায়ের হয়েছে সাংসদ মার্গ থানায়। যেখানে বাকি প্রতিবাদকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে আগেই জানিয়েছিল যে গতকাল একদল লোক দিল্লি-ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের বায়ুদূষণ নিয়ে ইন্ডিয়া গেটে প্রতিবাদ করেছিল। তারা মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিদমার পোস্টার নিয়ে ঘুরছিল। মাওবাদী এই নেতা সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে।

    পুলিশের দাবি (BJP)

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তারা যখন পথ অবরোধ করার চেষ্টা করছিল, তখন পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তারা পুলিশ কর্মীদের ওপর পেপার স্প্রে ছোড়ে। পুলিশকে আক্রমণও করার চেষ্টা করে। এখন পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে।”  যে ২২ জন প্রতিবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষার্থীও রয়েছেন। যদিও তাঁরা গ্রেফতার করা হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আগেই জানিয়েছিল যে বিক্ষোভকারীদের বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তারা সরে যায়নি। জনতাকে আটকাতে যে লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল, সেগুলিও পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল প্রতিবাদীরা।

    নকশাল নেতার পোস্টার কেন

    রবিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নকশাল নেতা মদভি হিদমার পোস্টার কেন নিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিজেপি নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেনের দাবি (BJP), প্রতিবাদের নামে বিক্ষোভকারীরা আসলে (Urban Naxals) নরেন্দ্র মোদি সরকারকে নিশানা করার ছুতো খুঁজছিল। তিনি বলেন, “দিল্লিতে গতকাল যে বিক্ষোভ হয়েছে, তার জন্য দূষণ ছিল কেবল একটি অজুহাত। তাদের আসল লক্ষ্য ছিল হিদমার এনকাউন্টার নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করা। এরা ‘আরবান নকশাল’, ছদ্মবেশে আসে, এরা ‘প্রটেস্ট জীবী’, যেভাবে হিদমার সমর্থনে স্লোগান উঠেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই দেশে যারা নকশাল ও সন্ত্রাসীদের সমর্থনে আওয়াজ তোলে, তাদের কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

    “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”

    রবিবারের এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই, ৯ নভেম্বর ইন্ডিয়া গেটে হয়েছিল “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”। তখনও অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। তারা রাজধানীতে “বায়ু জরুরি অবস্থা” মোকাবিলায় অবিলম্বে সরকারি হস্তক্ষেপ ও কড়া নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছিলেন (BJP)। ফি বার শীতকালে ঘন বিষাক্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে দিল্লির আকাশ। যার জেরে কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছেন। দিল্লির বেশির ভাগ এলাকার একিউআই ৩০০ থেকে ৪০০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। কয়েকটি এলাকায় তো আবার ৪০০–র সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে (Urban Naxals) একিউআই। সেই কারণে ওই এলাকাগুলি ‘গুরুতর’ শ্রেণিতে পৌঁছে গিয়েছে।

    অমিত মালব্যর দাবি

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি, প্রতিবাদীদের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠনগুলির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “গত এক দশক ধরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এক আরবান নকশাল, এবং শহরটি বছর বছর দমবন্ধ পরিস্থিতির মধ্যে থাকলেও বিশুদ্ধ বাতাসের দাবিতে বড় কোনও আন্দোলন দেখা যায়নি।” তিনি আরও লেখেন, “কিন্তু বিজেপি দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ করে ‘অ্যাক্টিভিস্টরা’ দূষণের নামে প্রতিবাদ শুরু করেছে। স্পষ্টতই এসব প্রতিবাদ পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগের জন্য নয়, বরং একটি প্রতিক্রিয়াশীল কমিউনিস্ট অ্যাজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা (Urban Naxals) সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু আরবান নকশাল এবং বামপন্থী, ভারত-বিরোধী শক্তিগুলি বিদেশি টুলকিটের মাধ্যমে দেশে ঘৃণা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে। নকশাল, মাওবাদী বা সন্ত্রাসবাদী, তারা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, তাদের নিরপরাধ মানুষ হত্যা-নির্ভর মতাদর্শ নির্মূল করতেই হবে (BJP)।”

    বিপদের নাম শহুরে নকশাল

    প্রসঙ্গত, শহুরে নকশালরা যে উন্নয়ন বিরোধী, তা ঢের আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, এঁদের পেছনে থাকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সমর্থনও। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, গুজরাটে নর্মদা নদীর ওপর নির্মিত সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘকাল ধরে আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষও। তাঁর তোপ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ (Urban Naxals) থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দেন শহুরে নকশালরা (BJP)।

  • PM Modi: প্রস্তুত রামনগরী, মঙ্গলে মন্দিরের চূড়ায় গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    PM Modi: প্রস্তুত রামনগরী, মঙ্গলে মন্দিরের চূড়ায় গৈরিক ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনগরী (Ram Mandir) অযোধ্যা আবারও এক জাঁকজমকপূর্ণ উদযাপনের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর, রাম মন্দিরের চূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একটি বিশেষ গৈরিক পতাকা উত্তোলন করবেন। শহর জুড়ে প্রস্তুতি এখন পুরোদমে চলছে। রাস্তাঘাট পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে শহরের নানা জায়গায় নতুন স্টপ এবং সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। স্যানিটেশনের কাজ করতে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দলগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    রাম মন্দির ও শহর জুড়ে উৎসবের আলো

    অযোধ্যা শহর জুড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির ছবিসহ পোস্টার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে লাগানো হয়েছে। ফলে রামভক্তদের উত্তেজনার অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাম মন্দিরের প্রবেশপথে লেখা আছে, “জাতি পতি পুছে নাহি কোই, হরি কা ভাজে সো হরি কা হোই।” এর অর্থ— জাতপাত, বর্ণকে উপেক্ষা করে শ্রী রামের ভক্তির চেতনাকে আরও শক্তিশালী করো। ধ্বজ উত্তোলনকে ঘিরে রাম মন্দির এবং শহর জুড়ে উৎসবের আলো, সাজসজ্জা এবং উচ্চতর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্পূর্ণ ভাবে মুড়ে ফেলা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি অযোধ্যার জন্য আরও একটি মাইলফলক মুহূর্ত হতে চলেছে। রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণ শুরু হওয়ার পর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে আযোধ্যায়। এবার উল্লেখযোগ্য ভব্য সমাপন লক্ষ্য করা যাবে বলে মনে করেছেন অনেক রামভক্ত। স্থানীয় বাসিন্দা, দোকানদার এবং দর্শনার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর আগমনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

    কঠোর নিরাপত্তা

    অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিশেষভাবে জোরদার করা হয়েছে। এলাকার সকল সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিকে সক্রিয় করা হয়েছে। স্থানীয় গোয়েন্দা ইউনিট সবসময় নজরদারি করছে। পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট জানিয়েছেন, “সীমান্তের কাছাকাছি বস্তি এলাকা এবং অস্থায়ী বসতিগুলিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এমন কি সন্দেহজনক লোকজনের পরিচয়পত্র কঠোরভাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে, অযোধ্যা জুড়ে দোকানদার, পরিবহন পরিচালক, খাবারের দোকান এবং হোটেলের ব্যাপক চাহিদা বৃদ্ধি হয়েছে।”

    শাশ্বত শক্তি, ঐশ্বরিক তেজ, গুণে সম্পন্ন ধব্বজ

    রামমন্দির (Ram Mandir) কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, গৈরিক ধ্বজ উত্তোলনের অনুষ্ঠানটিকে বিশেষভাবে জাঁকজমকপূর্ণ করা হবে। মূল মন্দিরের পাশাপাশি মহাদেব, গণেশ, হনুমান, সূর্যদেব, মা ভগবতী, মা অন্নপূর্ণা এবং শেষাবতারের মন্দিরগুলিকে দারুণ ভাবে সুসজ্জিত করা হয়েছে। অযোধ্যা, কাশী এবং দক্ষিণ ভারতের ১০৮ জন আচার্য, বিশিষ্ট কাশী পণ্ডিত গণেশ্বর শাস্ত্রীদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। তাঁদের নির্দেশনায় আচার অনুষ্ঠানগুলি সম্পাদন করা হবে। অনুষ্ঠানের সময় সূর্যের প্রতীক -শাশ্বত শক্তি, ঐশ্বরিক তেজ, গুণ এবং জ্ঞানের প্রতিনিধিত্বকারী একটি গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করা হবে। ভগবান রামের সঙ্গে   অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত এই গুণগুলি।প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারী রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় যোগদান করেছিলেন। তিনি এবারেও সাধু, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ট্রাস্ট সদস্যদের উপস্থিতিতে আচার অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। ঐতিহাসিক এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৬,০০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • PM Modi in G-20 Summit: সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা থেকে গ্লোবাল সাউথ, মোদি-ময় জি২০! আফ্রিকা থেকে ফিরলেন মোদি

    PM Modi in G-20 Summit: সন্ত্রাসবিরোধী বার্তা থেকে গ্লোবাল সাউথ, মোদি-ময় জি২০! আফ্রিকা থেকে ফিরলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে খুলে গেল এক নতুন দিগন্ত! জোহানেসবার্গে জি২০ (PM Modi in G-20 Summit) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সেই বৈঠকে প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে এক নতুন পার্টনারশিপের কথা ঘোষণা করলেন মোদি। বললেন, “তিন মহাদেশ, তিন মহাসাগর জুড়ে কার্যকর হবে এই পার্টনারশিপ।” আগামী প্রজন্মের জন্য এক উন্নততর ভবিষ্যৎ তৈরি করাই লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির। তিন দিনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে সোমবার সকালে নয়া দিল্লিতে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সন্ত্রাসবিরোধী কড়া অবস্থান, জি২০ মঞ্চে উচ্চস্তরের বৈঠক এবং বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ-সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে ২৪টি বৈঠক—সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের উপস্থিতি আরও জোরালো করলেন তিনি।

    সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে বড় অগ্রগতি

    দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত জি২০ সম্মেলনের নেতাদের যৌথ ঘোষণায় সন্ত্রাসকে তার সব রূপে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সন্ত্রাসে অর্থসংস্থান প্রতিরোধে এফএটিএফ কাঠামোকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্বৈত মানসিকতা ত্যাগ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান জানান। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে বৈঠকে সন্ত্রাস দমনে ভারত–ইটালি যৌথভাবে কাজ করবে বলে স্থির হয়। মোদি বলেন, ভারতের সভ্যতার মূল মূল্যবোধ, বিশেষত ‘অখণ্ড মানবতাবাদ’-এর নীতি, ভবিষ্যতের পথ দেখাতে সক্ষম।

    নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা

    জি২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি মোট ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও আলোচনায় অংশ নেন। ১৪ বছর পর অনুষ্ঠিত ইবসা শীর্ষ সম্মেলনেও তিনি উপস্থিত ছিলেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিষয়ক নতুন অংশীদারিত্বের ঘোষণা করা হয়। এর লক্ষ্য হলো উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সবুজ শক্তিতে উদ্ভাবন, গুরুত্বপূর্ণ খনিজের সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করা এবং জনকল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানো। এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে তিন দেশের কর্মকর্তারা আবার বৈঠকে বসবেন।

    জি২০-এর মঞ্চে প্রস্তাব

    মোদির প্রথম প্রস্তাব—বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ঐতিহ্যগত জ্ঞানের নথিভুক্তিকরণ ও সংরক্ষণের জন্য গ্লোবাল ট্রেডিশনাল নলেজ রিপোজিটরি গঠন। তাঁর মতে, প্রাচিনকাল থেকে চলে আসা বেশ কিছু প্রচলিত জ্ঞান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিশ্বব্যপী এই ধরণের জ্ঞানের সংরক্ষণ জরুরি বলে মনে করেন মোদি। বিশ্বের অগ্রগতির জন্য আফ্রিকার উন্নয়ন জরুরি বলে দাবি করেন মোদি। তিনি বলেন, এই কারণে ভারত বরাবর আফ্রিকার পাশে দাঁড়িয়েছে। তাই তাঁর দ্বিতীয় প্রস্তাব—আফ্রিকা স্কিলস মাল্টিপ্লায়ার ইনিশিয়েটিভ, যার মাধ্যমে আগামী দশ বছরে আফ্রিকার এক মিলিয়ন প্রশিক্ষক তৈরি করা উচিত এবং এভাবে আফ্রিকাবাসীর স্কিল উন্নয়ন সম্ভব। তৃতীয় প্রস্তাব হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যসঙ্কট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো জরুরি। এজন্য জি-২০ সদস্যদের প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল গ্লোবাল হেলথকেয়ার রেসপন্স টিম গঠনের আহ্বান জানান তিনি। চতুর্থ প্রস্তাবে মোদি বলেন, মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসবাদের যোগসূত্র ভেঙে ফেলা এখন বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য জরুরি। এই লক্ষ্যে জি-২০ দেশের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান করেন তিনি।

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারের প্রয়োজনীতা

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারের প্রয়োজনীতার প্রশ্নটিও ফের তুলে দিয়েছেন মোদি। মোদি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। মোদি বলেন, “বহুপাক্ষিকতায় যেন সমসাময়িক বিশ্বের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সংস্কারকে কেন্দ্রে রেখে বহুপাক্ষিকতার সংস্কার ঘটলে, তবেই মানবতার আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে পারে।”

    ১৮ দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    সফরে মোদি ১৮টি দেশের নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন, যার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় উপস্থিত সকল জি৭ দেশও ছিল। তালিকায় ছিল—দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, অ্যাংগোলা, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, জার্মানি, ইথিওপিয়া, সিয়েরা লিওন, জ্যামাইকা, নেদারল্যান্ডস, ইতালি এবং জাপান। তিনি তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    গ্লোবাল সাউথকে কেন্দ্র করে জোরাল বার্তা

    জোহানেসবার্গ জি২০ সম্মেলনে দিল্লি জি২০-এর ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর উন্নয়ন ও স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে। প্রথমবার আফ্রিকার মাটিতে জি২০ আয়োজন হওয়ায় তা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিনটি মূল সেশনে মোদি অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক উন্নয়ন নিয়ে একাধিক প্রস্তাব ও বার্তা তুলে ধরেন। মোদি বলেন,

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ

    জাপানের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এটি ছিল মোদির প্রথম সামনাসামনি বৈঠক। তাকাইচি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের আয়োজিত এআই সামিট–কে দৃঢ় সমর্থন জানান। দুই নেতা মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (FOIP) প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সমগ্র সফর জুড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির বার্তা ছিল সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও গ্লোবাল সাউথের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব। প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত করেছে।

    প্রতি মুহুর্তের ছবি-ভিডিয়ো ভাইরাল

    ২১ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সময়কালে একাধিক বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি, অস্ট্রেলিয়া-কানাডার সঙ্গে ‘ত্রিশক্তি’ গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের শেষ দিনে রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘জোহানেসবার্গে আয়োজিত জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন এই বিশ্বের বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে যথার্থ অবদান রাখবে। একাধিক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক সারলাম। আমি আশাবাদী, আমাদের এই আলোচনা ভারতের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার ও সেখানকার রাষ্ট্রপতিকেও অনেক ধন্যবাদ।’ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর থেকে বৈঠক, আলাপ, হাত মেলানো, ভাষণ-সহ প্রতি মুহুর্তের ছবি-ভিডিয়ো নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই পোস্ট ঘিরেই দেখা গিয়েছে নেটিজেনদের উচ্ছ্বাস। মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষদের উচ্ছ্বাস। মোদীর বক্তব্য হোক বা বৈঠক, সবেতেই একটা ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন তাঁরা।

  • Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শোলে-র বীরু। সোমবার, ৮৯ বছর বয়সে মুম্বইতে নিজের বাড়িতে প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। প্রয়াত অভিনেতা (Bollywood) এই মাসের শুরুতেই ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বলিউডের হি-ম্যান হিসেবে খ্যাত ধর্মেন্দ্র ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে এক অসাধারণ সিনেমার সম্ভার রেখে গিয়েছেন দর্শক মহলে। পর্দায় তাঁর শেষ অভিনীত সিনেমা হল ‘ইক্কিস’। আগামী ২৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে এই চলচ্চিত্র। ধর্মেন্দ্রর দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং হেমা মালিনী। সব মিলিয়ে ছয় সন্তান তাঁর। ছেলে মেয়েদের মধ্যে হলেন, অভিনেতা সানি দেওল, ববি দেওল, অভিনেত্রী এষা দেওল, অহনা দেওল, অজিতা এবং বিজেতা। আগামী মাসের ৮ তারিখ হবে তাঁর ৯০ তম জন্মদিন। কিন্তু তাঁর আগেই চলে যাওয়ায় ভক্ত মহলে তীব্র শোকের ছায়া।

    সিনেমায় ছয় দশক কাজ করেছেন (Dharmendra)

    ধর্মেন্দ্র কৃষ্ণ দেওলের (Dharmendra) জন্ম ৮ ডিসেম্বর পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি গ্রামে। বলিউড চলচ্চিত্র (Bollywood) জগতে প্রবেশের আগেই তিনি ১৯৫৪ সালে ১৯ বছর বয়সে প্রকাশ কৌরকে বিবাহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে অভিনেত্রী হেমা মালিনীকেও আবার বিয়ে করেন। চলচ্চিত্র জগতে তিনি ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। অ্যাকশেন, রোমান্টিক এবং হাস্যকর চরিত্রের ভূমিকায় সমানভাবে প্রতিভার প্রমাণ রেখে গিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০১২ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

    ছয় দশকে তাঁর কর্মজীবনে ‘শোলে’, ‘ইয়াদোঁ কি বরাত’, ‘মেঘেরা’-সহ অসংখ্য হিট সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়াও ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘নৌকার বিবি কা’, ‘ফুল অর পাথর’, ‘সত্যকাম’, ‘অ্যায় মিলান কি বেলা’, ‘দিল নে ফির ইয়াদ কিয়া’, ‘আয়ে দিন বাহার কে’, ‘আঁখেঁ’, ‘আয়া সাওয়ান ঘুম কেউজু’, ‘মিস্টার জুম’, ‘ধরম বীর’, ‘আজাদ’, ‘গজব’, ‘লোহা’, ‘হুকুমত’ এবং ‘আপনে’-র মতো সিনামায় কাজ করেছেন। পুত্র সানি দেওল অভিনীত এবং তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত ‘ঘায়েল’ সিনেমা জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। সেই সঙ্গে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে ধর্মেন্দ্রর ‘ফুল অর পাথর’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ এবং  ‘রেশম কি ডোরি’ সিনেমা।

    সামাজিক মধ্যেম বেশ সক্রিয় ছিলেন

    গত ১৫ দিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। মাঝে ছাড়া পেয়ে বাড়িতেও পৌঁছে ছিলেন। কিন্তু শ্বাসকষ্ঠের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ৮৯ বছর বয়সেও, ধর্মেন্দ্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় ছিলেন। প্রায়শই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং জৈব জীবনযাত্রার প্রচারমূলক ভিডিও শেয়ার করতেন। তাঁর অনেক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ট্র্যাক্টর চালানো, কৃষি খামারের যত্ন নেওয়া এবং তাঁর ভক্তদের সহজ জীবনযাপনের নানা কথা বিনিময় করতেন। একই ভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত নানাবিধ টিপস দেওয়ার ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। তিনি শেষবার ২০২৪ সালে শাহিদ কাপুর এবং কৃতি শ্যানন অভিনীত রোম্যান্টিক কমেডি ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া’ সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্র জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা এবং অভিনেত্রীরা। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন স্ত্রী হেমা মালিনী, মেয়ে ঈষা দেওল, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান সহ আরও অনেকে। চিত্র পারিচালক করণ জোহর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “একটা যুগের অবসান হল।

    শোক প্রকাশ মোদির

    তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “ধর্মেন্দ্রজির (Dharmendra) মৃত্যু ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। তিনি ছিলেন একজন আইকনিক চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্ব। একজন অসাধারণ অভিনেতা, তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্রে মনোমুগ্ধকর মনোভাব এবং গভীরতাকে তুলে ধরেছিলেন। তিনি যেভাবে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তা অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে দাগ রেখেগিয়েছেন। তাঁর সরলতা, নম্রতা এবং উষ্ণতার জন্য সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন। এই দুঃখের মুহূর্তে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অসংখ্য ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করছি। ওম শান্তি।”

  • Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সিন্ধু অঞ্চল একদিন ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ধু (Sindh) অঞ্চল আজ ভারতের সঙ্গে নেই, কিন্তু সীমান্ত বদলাতে পারে এবং একদিন এই অঞ্চল ফের ভারতের ঘরে ফিরে আসতে পারে।” রবিবার নয়াদিল্লতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অন্তত এমনই বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সিন্ধুপ্রদেশ (Rajnath Singh) অর্থাৎ সিন্ধু নদের আশপাশের অঞ্চল ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। ওই অঞ্চলে বসবাসকারী সিন্ধি জনগণের একটা বড় অংশই ভারতে চলে আসেন। একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষ করে এলকে আডবাণীর মতো নেতাদের প্রজন্মের মানুষ, সিন্ধু অঞ্চলের ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াটা কখনওই মেনে নেননি।”

    কী বললেন রাজনাথ (Rajnath Singh)

    তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণী তাঁর বইগুলির একটিতে লিখেছিলেন, সিন্ধি হিন্দুরা, বিশেষত তাঁর প্রজন্মের মানুষ, এখনও পর্যন্ত সিন্ধুর ভারত থেকে আলাদা হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেননি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “শুধু সিন্ধুতেই নয়, সমগ্র ভারতে হিন্দুরা সিন্ধু নদকে পবিত্র বলে মনে করেন। সিন্ধুর অনেক মুসলমানও বিশ্বাস করেন যে সিন্ধ নদের জল মক্কার জমজম জলের মতোই পবিত্র। এটি আডবাণীজির উদ্ধৃতি।” রাজনাথ বলেন, “আজ সিন্ধুর ভূমি ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধু চিরকালই ভারতের অংশ থাকবে। আর ভূমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, আগামী দিনে সিন্ধু আবার ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে কি না। আমাদের সিন্ধুর মানুষ, যাঁরা সিন্ধু নদকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা সর্বদাই আমাদের আপনজন। তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁরা আমাদেরই থাকবেন।”

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা

    প্রসঙ্গত, ২২ সেপ্টেম্বর মরোক্কোয় প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় রাজনাথ বলেন, “আমি আশাবাদী যে ভারতের কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ না নিয়ে পিওকে ফিরে পাওয়া সম্ভব হবে। কারণ সেখানকার বাসিন্দারা দখলদারদের হাত থেকে মুক্তি দাবি করছেন।” তিনি বলেন, “পিওকে নিজেই আমাদের হবে। পিওকে দাবির সূচনা শুরু হয়ে গেছে, নিশ্চয়ই স্লোগান দিতেও শুনেছেন (Sindh)।” প্রসঙ্গত, বহুবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নানা সময় একই দাবি জানিয়েছেন, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংয়ের মতো বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এবার এবার পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ ভারতে ফেরানোর দাবি জানালেন রাজনাথ। এদিন সিন্ধি সম্প্রদায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “২০১৭ সালে তৎকালীন দেশের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। সেই সময় দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, সিন্ধু ছাড়া ভারত অসম্পূর্ণ (Rajnath Singh)।”

    “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়”

    উল্লেখ্য, ১৯২৭ সারের ৮ নভেম্বর সিন্ধুপ্রদেশের (বর্তমানে পাকিস্তানে) রাজধানী করাচিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আডবাণী। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “আমার জন্মস্থান আর ভারতের অংশ নয়।” এদিন সেই প্রসঙ্গের অবতারণা করে রাজনাথ বলেন, “দেশভাগের পর সিন্ধু নদের একটি বড় অংশ পাকিস্তানে চলে যায় (Sindh)। সমগ্র সিন্ধুপ্রদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।” এর পরেই তিনি বলেন, “কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, আমাদের কাছে সিন্ধু নদ, সিন্ধু অঞ্চল এবং সিন্ধিদের গুরুত্ব কমে গিয়েছে। এটি এখনও হাজার হাজার বছর আগের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “সিন্ধু শব্দটি ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং সিন্ধি সম্প্রদায়ের সঙ্গে জড়িত।” জাতীয় সঙ্গীতের কথা উল্লেখ করে রাজনাথ বলেন, “আজও মানুষ গর্বের সঙ্গে পঞ্জাব, গুজরাট, মারাঠা গান গায়। তারা এই গান গাইতে থাকবে এবং চিরকাল গাইবে। যতক্ষণ আমরা বেঁচে আছি, ততক্ষণ গাইব (Rajnath Singh)।”

    পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, ‘এই ধরনের মন্তব্য হিন্দুত্ববাদী মানসিকতার প্রকাশ এবং তা প্রতিষ্ঠিত বাস্তবকে চ্যালেঞ্জ করে। এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরোধী।’ এই ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকতে ভারতকে অনুরোধ করেছে পাকিস্তান (Sindh)। রাজনাথের এহেন মন্তব্য ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। বলেছে, যে সিন্ধু ১৯৪৭ সাল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য প্রদেশ। এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ এবং এর রাজধানী করাচি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। পাকিস্তানের মতে, সিন্ধুর ভারতে যোগদানের কথা বলা কেবল এই অঞ্চলে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা এবং যে কোনও মূল্যে এটি এড়ানো উচিত (Rajnath Singh)।

  • PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: এবার লক্ষ্য বঙ্গ, ডিসেম্বরেই নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গ জয় হয়ে গিয়েছিল। জয় হয়ে গিয়েছে কলিঙ্গও। এবার বিজেপির শ্যেনদৃষ্টি পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। সেই কারণেই শুরু হয়ে গিয়েছে জমি তৈরির কাজ। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (PM Modi)। তবে কবে ভোট ঘোষণা হবে, সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। তার ঢের আগেই রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার-অভিযান শুরু করে দিচ্ছেন দলের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ডিসেম্বর মাস থেকেই বস্তুত বাংলা চষে বেড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। এই মাসেই কয়েকটি জনসভা করবেন তিনি। তবে কেবল প্রধানমন্ত্রী কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো হেভিওয়েটদের দিয়ে জনসভাই নয়, জনসংযোগের জন্য দলের পরম্পরাগত কর্মসূচি রথযাত্রাও করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যের পাঁচটি প্রান্ত থেকে সূচনা হবে পাঁচটি রথযাত্রার।

    ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা (PM Modi)

    সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। এই অধিবেশন চলাকালীনই কোনও শনিবার কিংবা রবিবার বঙ্গ সফরে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ রাজ্যে ১৪ থেকে ১৫টি জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। পদ্মশিবির সূত্রে খবর, সম্ভাবনাময় এলাকা বেছে বেছে সভার আয়োজন করা হবে। বিজেপির এক নেতা বলেন, “সম্ভাবনাময় আসন মানে আমাদের জেতা এলাকাগুলির কথা বলা হচ্ছে, এমন নয়। যেসব এলাকায় আমরা পাশাপাশি একাধিক আসনে অল্প ভোটে হেরেছি বা পিছিয়ে থেকেছি, যেসব এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে পারলে ভোটের ফল ঘুরে যাবে, সেগুলিকেই সম্ভাবনাময় হিসেবে ধরা হচ্ছে। সেই সব এলাকা বেছে বেছে পাঁচ বা তার চেয়েও বেশি বিধানসভা আসনের জন্য এক একটি জনসভা বরাদ্দ করা হতে পারে (West Bengal)।”

    প্রথম জনসভা কোথায়

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কোথায় হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে নদিয়া জেলার কোনও অংশে হতে পারে এই দফার প্রথম জনসভাটি। মে এবং অগাস্ট মাসে এ রাজ্যে তিনটি জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমটি উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে, দ্বিতীয়টি রাঢ়বঙ্গের দুর্গাপুরে। আর তৃতীয়টি দমদমে। তখনই একপ্রকার স্থির হয়ে গিয়েছিল, পরের সভাটি হবে রানাঘাট বা পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। যদিও, বিজেপি সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সভার তারিখ এবং জায়গা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ডিসেম্বরের শেষ থেকে বঙ্গ সফর শুরু করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (PM Modi)।

    অকাল রথযাত্রা

    যেমন চূড়ান্ত হয়নি বঙ্গে রথযাত্রার কর্মসূচির নির্ঘণ্টও। তবে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে দিল্লিতে সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের। সেই বৈঠকেই রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে কথা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পাঁচটি সাংগঠনিক জোনের প্রতিটি থেকে একটি করে রথযাত্রা হবে (West Bengal)। রথাযাত্রার সূচনা হবে উত্তরবঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ, নবদ্বীপ, কলকাতা এবং হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর – এই পাঁচটি অঞ্চল থেকে। প্রতিটি যাত্রার সূচনায়ই থাকতে পারেন একজন করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলায় এর আগেও ভোটের মুখে রথাযাত্রা বের করেছিল বিজেপি। এবার যে পাঁচটি অঞ্চল থেকে রথ বের করার কথা ভাবা হচ্ছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই এলাকাগুলি থেকেই বের হয়েছিল রথ। সেই মতোই এবারও পথে নামবে পদ্ম-রথ (PM Modi)। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আগামী মাসের ১৩ বা ১৪ তারিখ হবে শনি ও রবিবার। তাই এই দু’টি দিনের কোনও একটিতে বঙ্গ সফর করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, আরামবাগে হতে পারে প্রথম জনসভাটি। এজন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। প্রধানমন্ত্রীর দফতর নিশ্চিত করলে তবেই ওই দু’দিনের মধ্যে একদিন বাংলায় জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (West Bengal)।

    আগামী মাসেই নয়া রাজ্য কমিটি

    এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ঢের আগেই নয়া রাজ্য কমিটি ঘোষণা করতে চলেছে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে আগামী মাসেই তা ঘোষণা হতে পারে বলে বিজেপির একটি সূত্রের খবর। ১৯ ডিসেম্বর সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শেষ হওয়ার পর কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর উপস্থিতিতেই নয়া রাজ্য কমিটির সদস্যদের নিয়ে বর্ধিত বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকেই বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল নিয়ে দলীয় নেতৃত্বকে পরামর্শ দিতে পারেন শাহ (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে তুলনায় ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন ৭৭ জন। পরে তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জনাদেশ অবজ্ঞা করে জার্সি বদলে ভিড়ে যান তৃণমূলের শিবিরে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, শাসক দলে থাকলে ‘কামানো’র সুযোগ থাকে। তাই এক দলের (West Bengal) টিকিটে জিতে অন্য দলে যোগ দিয়েছে হাওয়া মোরগের দল (PM Modi)!

  • Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাজ্যের মুসলিমদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা”, কাঁথিতে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে এসআইআরে বিরাট সংখ্যায় জাল ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। এমনই আবহে কাঁথির পরিবর্তন যাত্রায় একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের বিধায়ক জানান, তোষণের রাজনীতি রাজ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের শাসনে ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। রাজ্য থেকে শিল্পকে তাড়িয়েছেন খোদ মমতা। সীমান্তে অবৈধ বাংলাদেশির ভিড় বাড়ছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস নিজের ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তাঁর মতে, আরজি করের বিচার পেতে বিজেপিকে আনতে হবে। মুসলিমদের তেজপাতার মতো ব্যবহার করছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আর মাত্র ২ মাস! দেখে নেব (Suvendu Adhikari)

    পরিবর্তন সংকল্প যাত্রায় শুভেন্দু, মমতাকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করে বলেন, “বাংলায় কর্মসংস্থান নেই, শিল্প কলকারখানা নেই। বাংলার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বদল আনতে হবে। রাজ্যে নারী নির্যাতন বন্ধন করতে বিজেপির শাসন চাই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে দেখুন। সরকার কতটা দায়িত্বশীল তা দেখে শিখতে হবে। ছত্তিশগড়ে ৩১০০ টাকায় ধান কেনা হচ্ছে। রাজস্থানে ২৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ফ্রি। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৫৫ হাজার সরকারি শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। হাতে কাজ, পেতে ভাত এবং মাথায় ছাদ দিতে পারে একমাত্র বিজেপি সরকার। যোগ্যতা এবং মেধা অনুযায়ী চাকরি একমাত্র দিতে পারবে বিজেপি সরকার। ২০১১ সালে টাটাকে রাজ্য থেকে তাড়িয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি করেছে তৃণমূল সরকার। আর মাত্র ২ মাস, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের পর এই সরকার আর কোথায় থাকবে তা দেখে নেব আমরাও।”

    সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে

    এদিন আবার ভগবানপুর থেকে মুসলিম সামজের মানুষকে বার্তা দিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আপনাদের আমাদের মতো জয় শ্রী রাম বলতে হবে না। ভারতমাতা কি জয় বলুন। বন্দে মাতারম বলুন। জয় হিন্দ বলুন। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, উন্নয়ন এবং যোগীর সুরক্ষানীতি-সুশাসনকে বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তৃণমূল আপনাদের তেজপাতা করে রেখে দিয়েছে। এই মুহূর্তে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ভোট পায় তৃণমূল। আপনারা আমাদের ভোট দেন না জানি। আমরা আপানাদের বিরোধী নই। সব ভারতীয়র নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। এটাই আমাদের ঘোষিত অবস্থান। আমি আহ্বান করেছি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের, আপনারা আসুন। আপনাদের তেজপাতা করে রেখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তরকারিতে লাগে কিন্তু খাওয়া যায় না।”

    বাংলার ভোট নিয়ে ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর কথা আগেই ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হারিয়েছি এবার ভবানীপুরেও হারাবো। কেউ ভয় পাবেন না, আমি শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধীদল নেতা। মমতাকে আমি হারিয়েছি, আবার ২০২৬ সালে ভবানীপুরে হারাবো। তৃণমূল কংগ্রেস এখন একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। মমতা নিজেই রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বীজ বপন করেছে। বাংলার মানুষ এখন মুক্তি চায়।”

  • IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    IAF Tejas Crash: হৃদয়-বিদারক পোস্ট মার্কিন পাইলটের, দুবাইয়ে ভেঙে পড়া তেজসের উইং কমান্ডারকে শ্রদ্ধা রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাইয়ের এয়ার শো-তে ভেঙে পড়েছে ভারতীয় যুদ্ধবিমান তেজস (IAF Tejas Crash)। মৃত্যু হয়েছে পাইলট উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের। কিন্তু তার পরেও সে দিনের অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া হয়নি। এয়ার শো যেমন চলার তেমনই চলেছে। দর্শকদের উৎসাহেও ভাটা পড়েনি। দেখে অবাক মার্কিন বায়ুসেনাদল। প্রতিবাদে তারা সে দিনের চূড়ান্ত পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়। ভারতীয় পাইলটের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতিও দিয়েছেন মার্কিন বায়ুসেনার পাইলট মেজর টেলর হিয়েস্টার।

    বন্ধুর জন্য শ্রদ্ধা মার্কিন পাইলটের

    মেজর হিয়েস্টার জানিয়েছেন, এয়ার শো-র উদ্যোক্তাদের সিদ্ধান্তে তিনি হতবাক। সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘ঘটনার এক থেকে দু’ঘণ্টা পরে আমি অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, হয়তো জায়গাটা খালি থাকবে। কিন্তু তা ছিল না!’’ এর পরে তিনি লেখেন, ‘‘দুবাই এয়ার শো-র শেষ দিনে যুদ্ধবিমান প্রদর্শনীর সময় দুর্ঘটনায় ভারতীয় বায়ুসেনার উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের দল সেই সময় নিজস্ব প্রদর্শনীর জন্য তৈরি হচ্ছিল। উদ্যোক্তারা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় পাইলট, তাঁর সহকর্মী এবং পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমাদের দল শেষ পারফরম্যান্স বাতিল করে দেয়।’’ মার্কিন পাইলটের অভিযোগ, এয়ার শো-র সঞ্চালক এমন একটা ঘটনার পরেও উৎসাহী ছিলেন। দর্শকদের মধ্যেও উত্তেজনায় খামতি ছিল না কোথাও। এমনকি, সমান উৎসাহে আয়োজক ও প্রদর্শনকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘সবসময় বলা হয়, ‘দ্য শো মাস্ট গো অন’। তা কখনও থেমে থাকবে না। তা ঠিকও। কিন্তু একটা কথা মনে রাখা দরকার, আপনি চলে যাওয়ার পরেও কেউ না কেউ একই কথা বলবেন।’’

    বিশেষ শ্রদ্ধা রাশিয়ারও

    ভারতীয় বায়ুসেনার বীর পাইলটের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করল রাশিয়ান নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। দুবাইয়ে মর্মান্তিক ঘটনা প্রসঙ্গে রাশিয়ান নাইটসের একজন সদস্য বলেন, দুর্ঘটনার পরের মুহূর্তগুলি ‘বর্ণনা করা অসম্ভব।’ উইং কমান্ডার নমাংশ স্যালকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন আকাশে যুদ্ধবিমান নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনী করে রুশ নাইটস অ্যারোবেটিক টিম। ভারতীয় বায়ুসেনাও এক্স হ্যান্ডলে নমাংশকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে তারা জানিয়েছে, নমাংশ ছিলেন একজন দক্ষ এবং সম্পূর্ণ পেশাদার পাইলট। তিনি তাঁর কাজ খুব নিষ্ঠা সহকারে পালন করে এসেছেন। সাহসের সঙ্গে তিনি দেশের সেবা করেছেন। ভালো ব্যবহার এবং ব্যক্তিত্বের জন্য তিনি সবার কাছ থেকে বিপুল সম্মান অর্জন করেছেন।

    তেজস দুর্ঘটনার সঠিক কারণের খোঁজে

    গত ১৭ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত দুবাইয়ে আয়োজিত হয়েছিল আন্তর্জাতিক এয়ার শো। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১০০টির বেশি বায়ুসেনার বিমান অংশগ্রহণ করে। এই তালিকায় ছিল হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের তৈরি তেজস যুদ্ধবিমানও। উইং কমান্ডারের শেষ বিদায়ের সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কর্তা, তাঁর বন্ধু-সহকর্মীরা ও ভারতীয় দূতাবাসের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রবিবার দুবাই থেকে উড়িয়ে প্রথমে তাঁর দেহাবশেষ আনা হয় তামিলনাড়ুর সুলুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে সেখানে তাঁর উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন দক্ষিণ এয়ার কমান্ডের আধিকারিকেরা। তার পর দেহাবশেষ হিমাচল প্রদেশে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    SIR: রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়! এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যানে পর্দা ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থান ভেদে পদবি আলাদা, রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় ভোটার তালিকা ‘মায়া’ময়। হাওড়ায় তিনি মায়ারানি রায়, বাঁকুড়ায় মায়ারানি মুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজারে মায়ারানি প্রামাণিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে মায়ারানি নাইয়া! আবার উত্তর ২৪ পরগনায় তিনিই মায়ারানি মণ্ডল, বর্ধমানে মায়ারানি কোঙার। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় একটিমাত্র এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, একই মহিলার নাম একসঙ্গে ৪৪টি ভিন্ন বিধানসভায় ভোটার তালিকায় যুক্ত রয়েছে। রয়েছে তাঁর স্বামীর নামও। কিন্তু সবক’টির পদবি আলাদা। পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ৪৭ নম্বর বুথে সামনে এসেছে এমনই ভোটার কার্ডে জালিয়াতির ঘটনা। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পোন্নাম্লম এসের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’

    কোনও ভয় নেই মায়ারানির

    পেশায় রাঁধুনি মধ্যবয়স্কা মায়ারানিকে নিয়ে শোরগোল পশ্চিম বর্ধমানে। বিজেপির অভিযোগ, এই ভাবে রাজ্য জুড়ে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে তৃণমূল। তদন্ত শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। বিধবা মায়ারানি গোস্বামীর বাড়ি পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ডিভিসি পাড়ায়। ৪৭ নম্বর বুথের ভোটার তিনি। তাঁর এনুমারেশন ফর্মে কোড স্ক্যান করতে গিয়ে রাজ্যের ৪৪ জায়গায় ভোটার হিসেবে তাঁর নাম পেয়েছেন বিএলও। এমন অভাবনীয় ঘটনায় মায়ারানি অবশ্য বিস্মিত নন। বস্তুত, তিনি এর গুরুত্ব কী তা-ই জানেন না। বাড়ি বাড়ি রান্নার কাজ করে কোনও ক্রমে দিন চলে ওই মহিলার। থাকেন সরকারি প্রকল্পে পাওয়া বাড়িতে। তাঁর কথায়, ‘‘বাবারা, আমি তো কিছুই জানি না। শুরু থেকে আমি বৈদ্যনাথপুর স্কুলে ভোট দিই। র আগের সরকারের সময়কালে বৈদ্যনাথপুরে নাম তুলেছিলাম৷ সেই সময় আগের ভোটার লিস্ট থেকে আমার নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধুমাত্র এটুকুই জানি। লোকের বাড়িতে রান্না করে আমি পেট চালাই। আমি কী করব বুঝতে পারছি না৷ এসআইআরের (SIR) ফর্ম পাড়ার সবাই পূরণ করেছে। আমিও করেছি। তার পর জনে জনে আমাকে এসে প্রশ্ন করছেন। তবে অনেকেই বলেছেন, আমার কোনও ভয় নেই।’’

    সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ

    বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, এসআইআর-এর (SIR) জন্য সত্য সামনে এল৷ এসআইআর চেক না হলে এমন ঘটনা ধরা পড়তই না। কত অসহায় মানুষের নাম ব্যবহার হয়েছে তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়, তাই বড়সড় তদন্ত হওয়া জরুরি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধবা মায়ারানি গোস্বামী খুব অসহায়৷ লোকের বাড়িতে রান্নার কাজ করে দিন গুজরান করেন৷ অভিযোগ, তাঁর এসআইআর ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতেই দেখা যায়, উত্তর দিনাজপুর থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় তাঁর নাম তোলা হয়েছে ভোটার হিসেবে। তবে প্রতিটি তালিকায় নাম ‘মায়ারানি’ রাখা হলেও বারবার বদলে দেওয়া হয়েছে পদবি। কোথাও তিনি মণ্ডল, কোথাও রায়, আবার কোথাও ঘোষ বা নাইয়া। এইভাবে তাঁর পরিচয় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ভোটার হিসাবে তাঁর বয়সও বিভিন্ন জায়গায় কমিয়ে দেখানো হয়েছে। ঘটনার খবর মিলতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, একটি ফর্ম স্ক্যান করতেই ৪৪টি ভুয়ো পরিচয় উঠে আসা কোনও সাধারণ ভুল হতে পারে না। এটি যে একটি সুপরিকল্পিত জালিয়াতি চক্রের কাজ, তা স্পষ্ট।

LinkedIn
Share