Blog

  • Anant Radhika Wedding: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নজর কাড়ল কার নেকলেস, কার ঘড়ি? দেখে নিন একনজরে

    Anant Radhika Wedding: অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে নজর কাড়ল কার নেকলেস, কার ঘড়ি? দেখে নিন একনজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাসের প্রি-ওয়েডিং সমারোহের পর অবশেষে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্ট (Anant Radhika Wedding)। কয়েক দশক ধরে এই বিবাহ অভিযান মনে রাখা হবে। কারণ এটিই ছিল আজ পর্যন্ত পৃথিবীর সবথেকে দামি বিবাহ অভিযান। এর আগে প্রিন্স চার্লস এবং ডায়নার বিবাহ হয়েছিল ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে। লক্ষী মিত্তলের মেয়ে ওয়ানিশা মিত্তল ও অমিত ভাটিয়ার বিয়ে হয়েছিল প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে। কিন্তু খরচের দিক থেকে অনন্ত আম্বানির বিয়ের ধারেকাছে নেই কোনওটাই। অনন্ত রাধিকার বিয়ের খরচ প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নজরকাড়া ঘড়ি, জুয়েলারি (Anant Radhika Wedding)

    আম্বানি পরিবারের সদস্য এবং নববধূর জামা, জুয়েলারি, ঘড়ি এসবই ছিল নজর কাড়া তালিকায়। ছেলের বিয়েতে (Anant Radhika Wedding) নিতা আম্বানি যে নেকলেস করেছিলেন তার মূল্য ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই ধরনের নেকলেস আর শাড়ি পড়তে দেখা গিয়েছিল শ্লোক আম্বানিকেও। বিয়ের দিন অনন্ত আম্বানি ‘প্যাটেক ফিলিপের’ যে ঘড়িটি পড়েছিলেন তার দাম ৬৭.৫ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি বিশেষ- বিশেষ অতিথিদেরও দেওয়া হয়েছে দামি রিটার্ন গিফট। অনন্ত তাঁর বলিউডের পরিচিত মুখদের প্রায় ২ কোটি টাকার রিটার্ন গিফট দিয়েছেন। রিটার্ন গিফট প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শাহরুখ খান, রণবীর সিং, ভিকি কৌশল।

    আরও পড়ুন: অনন্ত-রাধিকাই প্রথম নয়! আর যারা রাজকীয় বিয়ের আসর বসিয়েছিলেন

    বেশ কয়েকজনকে ‘লুই ভুঁটো’-র ব্যাগ, সোনার চেন এবং ডিজাইনের জুতো দেওয়া হয়েছে। রিটার্ন গিফট প্রাপকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গায়কও ছিলেন বলে জানা যায়।

    লন্ডনে পোস্ট ওয়েডিং (Ambani Wedding)

    তবে আম্বানি পরিবারের (Anant Radhika Wedding) বিয়ে নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক কম হয়নি। বিয়ের মাসে জিও রিচার্জ রিচার্জের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া নিয়ে কম ট্রোল হয়নি নেট দুনিয়ায়। এমনকি আম্বানিদের খরচের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনদের একাংশ। যদিও তাতে কিছু আসে যায় না আম্বানিদের। কারণ শোনা যাচ্ছে বিবাহ অভিযান এখনই শেষ হচ্ছে না। লন্ডনে পোস্ট ওয়েডিং (Ambani Wedding) সেলিব্রেশন হবে বলে বেশ জানা যাচ্ছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar And Biometric Verification: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    Aadhaar And Biometric Verification: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। আসলে গৃহস্থের গ্যাস অনেক সময়ই বানিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হয়। একাধিকবার নানান ক্ষেত্রে উঠেছে এমন অভিযোগ। এবার সেই অভিযোগের সুরাহা করতেই গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর ও বায়োমেট্রিক যুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) করার কাজ শুরু করেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। 

    ঠিক কী জানিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক? 

    হোটেল-রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে ফুটপাতের রোল-চাইমিনের দোকান। দীর্ঘদিন ধরেই যত্রতত্র আম-জনতার রান্না ঘরের এলপিজি সিলিন্ডার (Domestic Lpg Cylinder) দেদার ব্যবহারের রয়েছে অভিযোগ। তাই এবার বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে গৃহস্থের এলপিজি রান্নার গ্যাসের ব্যবহার আটকাতে এই বিশেষ পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে ভর্তুকি প্রাপ্ত উপভোক্তাদের এলপিজি সংযোগের সঙ্গে আধার নম্বর সংযুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) রয়েছে। সেই রান্নার গ্যাস কোথায়, কী ভাবে ব্যবহার হচ্ছে, এবার তা জানতে বায়োমেট্রিক যুক্ত করা হচ্ছে। সব তথ্য হাতে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।  

    এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের মন্তব্য (Domestic Lpg Cylinder) 

    এই ধরনের অভিযোগ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতার কারণ হিসাবে নজরদারির অভাবকেই দায়ী করছেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরেরা। তাঁদের বক্তব্য, পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক ডিজেল, পেট্রল বা এলপিজি বরাদ্দ করে ঠিকই। কিন্তু সেই বরাদ্দ কোন রাজ্যে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তার উপরে কোনও নজরদারি নেই। ফলে গৃহস্থালির জন্য বরাদ্দ এলপিজি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যত্রতত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই এবার এসমস্ত অভিযোগের কারণেই গ্রাহকদের আধার কার্ড নম্বর-সহ বায়োমেট্রিক যুক্ত (Aadhaar And Biometric Verification) করার কাজ শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    বেয়াইনি গ্যাস ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা 

    এ প্রসঙ্গে গত ৯ জুলাই নিজের এক্স হ্যান্ডলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী বলেছেন, ‘‘তেল বিপণন সংস্থাগুলি এলপিজি গ্রাহকদের জন্য ই-কেওয়াইসি আধার যাচাইকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে। যাতে ভুয়ো গ্রাহকদের ছাঁটাই করা যায়। এমন এলপিজি সিলিন্ডার সংযোগ সাধারণ গ্রাহকদের নামে নেওয়া আছে, যে সিলিন্ডারগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে কোনও বাণিজ্যিক কাজে।’’ গত আট মাস ধরে এই কাজ (Aadhaar And Biometric Verification) চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে ব্যক্তিগত এলপিজি গ্যাস বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ডিস্ট্রিবিউটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। 
    উল্লেখ্য, আম জনতার হেঁসেলের রান্নার গ্যাসের অপব্যবহার রুখতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সতর্কতা অবলম্বন করছেন ডিস্ট্রিবিউটাররাও। এবার নিজে থেকে উদ্যোগী হয়ে উপভোক্তাদের ডেকে পাঠাচ্ছেন তাঁরা। ডিস্ট্রিবিউটারদের মাধ্যমেই হচ্ছে বায়োমেট্রিকের সংযুক্তিকরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা রাজ্যপালের মানহানি মামলার শুনানি শেষ, কী বলল হাইকোর্ট?

    CV Ananda Bose: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা রাজ্যপালের মানহানি মামলার শুনানি শেষ, কী বলল হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) সেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছে সোমবার।  শুনানিতে দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে অন্তর্বর্তী নির্দেশ আপাতত মুলতুবি রেখেছে উচ্চ আদালত। সপ্তাহের প্রথম দিন এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চে।

    কী বলল আদালত

    সোমবারের শুনানিতে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) আইনজীবী বলেন, ‘‘রাজ্যপাল সম্পর্কে মানহানিকর মন্তব্য করা হয়েছে। দুই নবনির্বাচিত বিধায়কের শপথ নিয়ে রাজ্যপাল চিঠি দিয়েছিলেন। সেই চিঠিতে কোনও ভয়ের কথা ছিল না। তার পরেও মহিলারা রাজভবনে যেতে ভয় পান— এই ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে। এটা বিদ্বেষমূলক মন্তব্য। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মন্তব্য করা হয়েছে , এটা তো সঠিক।’’ মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর পাল্টা সওয়াল, ‘‘দু’টি অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজভবনের এক মহিলা কর্মী এবং এক জন নৃত্যশিল্পী অভিযোগ করেছিলেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) ওই মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর ওই মন্তব্য মানহানিকর নয়। তার পরই রাজ্যপালের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, ‘‘দুই বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা শপথ নেবেন। এটা প্রশাসনিক কাজকর্মের মধ্যে পড়ে। কিন্তু সেখানে অন্য বিষয় কেন জুড়ে দেওয়া হল?’’ দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শুনানি মুলতুবি করে দেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    কোন প্রেক্ষিতে মামলা

    দুই বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন সরকারের শপথগ্রহণের ইস্যুতে দীর্ঘ টানাপোড়ন চলেছে। শপথ না হওয়ার বিষয় নিয়ে রাজ্যপালকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্লীলতাহানির যে অভিযোগ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে উঠেছিল সেই প্রসঙ্গ টেনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূল নেতারা সম্মানহানিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকুক, আদালতের কাছে এই আর্জি জানিয়ে মানহানির মামলা করেছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সি ভি আনন্দ বোস। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    South 24 Parganas: দুষ্কৃতী ধরতে গিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি! আটক দুই মহিলা, শোরগোল কুলতলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি (Shooting) চালানোর ঘটনা ঘটেছে। দুজন মহিলাকে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কুলতুলি (South 24 Parganas) থানা এলাকার জালাবেড়িয়া ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পয়তারহাটে। এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    সোনার মূর্তি বিক্রির ফাঁদে চলত প্রতারণা (South 24 Parganas)!

    সোমবার সকালেই এই গুলিকাণ্ড ঘটেছে। উল্লেখ্য, কুলতলি (South 24 Parganas) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই সোনার ঠাকুর বিক্রির নামে একাধিক প্রতারণার চক্র সক্রিয় ছিল। অনেকেই প্রতারণার শিকার হচ্ছিলেন দিনের পর দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রলোভন দেখিয়ে ঠাকুরের সোনার মূর্তি বিক্রির ফাঁদ পেতে চলত এই কাজ। ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে ক্রেতারা হাজির হলে, সেই টাকা লুঠ করে পালাতো দুষ্কৃতীরা। তবে নির্দিষ্ট জায়গায় প্রতিমা নেওয়ার জন্য ডাকা হতো ক্রেতাদের। এরপর ভয় দেখিয়ে সর্বস্ব লুট করত প্রতারকরা। এরকম ভাবেই দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে লুটপাট চালাচ্ছিল একটি বড় দুষ্কৃতীদের দল। এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছিল। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুতি নিয়ে আজ অভিযানে নামে পুলিশ। এরপর ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুনঃ নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার এন্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    পুলিশের বক্তব্য(South 24 Parganas)

    বারুইপুর (South 24 Parganas) জেলার পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালি বলেছেন, “এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় এই ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। এই প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত সাদ্দাম লস্করকে গ্রেফতার করার জন্য গিয়েছিল পুলিশ। অনেকদিন ধরে সাদ্দাম সোনার ঠাকুর বিক্রি করার নামে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ ছিল। পুলিশ তদন্তে নেমে তল্লাশি অভিযানে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি (Shooting) করা হয়। এরপর ঘটনাস্থল থেকে ২ জন মহিলাকে আটক করা হয়েছে। ধৃত দুই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে আরও অতিরিক্ত ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra 2024: উল্টো রথে ফিরে এলেও এখনই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না জগন্নাথ, কেন জানেন?

    Rath Yatra 2024: উল্টো রথে ফিরে এলেও এখনই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না জগন্নাথ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আট দিন পর মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দির থেকে এবার ফেরার পালা (Rath Yatra 2024) প্রভুর। আষাঢ় মাসের দশমী তিথিতে শ্রীক্ষেত্র জগন্নাথ ধামে (Jagannath Temple) ফিরে আসবেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। সারা বিশ্ব এটিকে উল্টো রথ হিসেবে জানলেও, আসলে এর নাম ‘বহুদা যাত্রা’। মন্দিরের সামনে এসেও তিনদিন ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকবেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। কিন্তু কেন? কেন তিনদিন নিজ গৃহে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে প্রভুকে। এই তিনদিন কোথায় থাকবেন তাঁরা?

    তিন দিন প্রভুর অপেক্ষা (Rath Yatra 2024)

    কথিত আছে মাসির বাড়ি থেকে ফিরে সহজে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা মূল মন্দিরে (Jagannath Temple) প্রবেশের অনুমতি পান না। কারণ তাঁরা দেবীর লক্ষ্মীকে শ্রী মন্দিরে একা রেখেই মাসির বাড়িতে (Rath Yatra 2024) গিয়েছিলেন এবং আনন্দে মেতে ছিলেন। তাই অভিমানী দেবী সটান মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেন। সেই থেকে টানা তিন দিন দরজার সামনেই অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। আর এই দিনগুলিতে হয় নানান ধরনের উৎসব।

    তিনদিন মহোৎসব

    রীতি অনুযায়ী মন্দিরের (Jagannath Temple) সামনে তিনদিন মহোৎসব পালন করা হয়। উল্টো রথের (Rath Yatra 2024) দিন ‘সুনা বেশে’ পূজা করা হয়। অর্থাৎ, সোনা দিয়ে সাজানো হয় তিন দেব-দেবীকে। দ্বিতীয় দিন পালন করা হয় অধরপনা, তৃতীয় দিন হয় রসগোল্লা উৎসব বা নীলাদ্রি ভেজ।

    ‘সুনা বেশ’

    একাদশী তিথিতে তিথিতে উল্টো রথের দিন, তিন দেব-দেবী সোনার বেশভূষায় সজ্জিত হন রথেই। স্বর্ণালংকার পরিয়ে তাঁদের আরাধনা হয়। এরই নাম ‘সুনা বেশ’। এবার ‘সুনা বেশ’ পালন করা হবে ১৬ জুলাই।

    অধরপনা

    সুনা বেশের পরের দিন দ্বাদশীর দিন হবে ‘অধরপনা’ উৎসব। এই রীতি অনুযায়ী দ্বাদশীর দিন সন্ধ্যাবেলায় জগন্নাথ দেবকে সরবত খাওয়ানো হয়।

    রসগোল্লা উৎসব

    ত্রয়োদশীর দিন পালন করা হয় এই উৎসব। জগন্নাথ দেবকে কয়েকশো হাঁড়ি রসগোল্লা ও ৫৬ ভোগ নিবেদন করা হয়। এই উৎসবের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় তিন দিনের সাজা। তৃতীয় দিনই (Jagannath Temple) মূলরত্ন বেদীতে তোলা হয় জগন্নাথ, বলরাম সুভদ্রাকে।

    পুরাণের মত 

    কথিত রয়েছে, মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্নর আমলে জগন্নাথদেব, বলরাম এবং সুভদ্রার মূর্তি তৈরি হয়। সেই সময়েই রথযাত্রাও চালু হয়। আবার অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, রথযাত্রার ইতিহাস আলাদা। ১০৭৮ সালে তৈরি হয়েছিল পুরীর জগন্নাথ মন্দির। ১১৭৪ সালে মেরামতি করানোর হয়। তার পরেই নাকি তা বর্তমান জগন্নাথ মন্দিরের চেহারা নেয়।  তখন শুরু হয় রথযাত্রা। কপিলা সংহিতা, ব্রহ্ম পুরাণ, পদ্ম পুরাণ ও স্কন্দ পুরাণে রথযাত্রা সম্পর্কে পাওয়া যায় তথ্য। ব্রহ্মাণ্ডপুরাণ বলছে, রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন ছিলেন শ্রীকৃষ্ণের ভক্ত।

    আরও পড়ুন: শৈশবের স্মৃতি ফেরাবে হুগলির রথের মেলার পুতুল নাচ

    সমুদ্রে ভেসে আসা কাঠের খণ্ড দিয়ে তিনি দেবমূর্তি নির্মাণে আদেশ পান। আরও এক সূত্র বলে, তিনি বিষ্ণু মন্দির গড়ার স্বপ্নাদেশ পান। তবে এই মন্দির গড়া নিয়ে ছিল না ধারণা। আদেশ ছিল মূর্তি গড়ার সময়ে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না মন্দিরে। মূর্তি গড়ছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhojshala Survey Report: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    Bhojshala Survey Report: মন্দির ভেঙে মসজিদ? ভোজশালার ওপর সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়ল আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের ভোজশালা মন্দিরের ওপর আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) তাদের রিপোর্ট জমা করল সে রাজ্যের হাইকোর্টে। সোমবারই এই রিপোর্ট জমা দিয়েছে এএসআই। জানা গিয়েছে, ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে সমীক্ষা চলাকালীন ভোজশালাতে (Bhojshala Survey Report) হিন্দু দেবদেবীদের মোট ৩৭টি মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী ২২ জুলাই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ভোজশালার মামলার শুনানি শুরু করতে পারে। 

    এএসআইয়ের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল ডক্টর অলোক ত্রিপাঠী গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছিলেন (Bhojshala Survey Report)

    প্রসঙ্গত, ভোজশালা (Bhojshala Survey Report) হল একাদশ শতকের একটি স্থাপত্য। মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের চলতি বছরের ১১ মার্চ নির্দেশ দেয় এই স্থাপত্যের সমীক্ষা শুরু করে করার জন্য। অভিযোগ ওঠে, বাগদেবী সরস্বতীর মন্দির ভেঙেই তার ওপরে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। এএসআইয়ের (ASI) তরফে চলতি বছরের ২২ মার্চ শুরু করা হয়েছিল সমীক্ষা। ২৭ জুন পর্যন্ত সমীক্ষা চলে। অর্থাৎ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি ইত্যাদির মাধ্যমে সমীক্ষা চালায় এএসআই। সমীক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল রাউন্ড পেনিটরেটিং রাডার বা জিপিআর এবং গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস। এএসআইয়ের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল ডক্টর অলোক ত্রিপাঠী গোটা প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেছিলেন।

    সমীক্ষা চলাকালীন ১৭০০-এর বেশি ধ্বংসাবশেষ সেখান থেকে মিলেছে

    জানা গিয়েছে, সমীক্ষা চলাকালীন ১৭০০-এর বেশি ধ্বংসাবশেষ সেখান থেকে মিলেছে। যার মধ্যে দেবী সরস্বতীর একটি (Bhojshala Survey Report) ভগ্ন মূর্তিও পাওয়া গিয়েছে। হিন্দুদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয় যে ভোজশালা আসলে একটি মন্দিরই ছিল। অন্যান্য মূর্তির মধ্যে এখান থেকে উদ্ধার হয়েছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মূর্তি, জটাধারী ভোলেনাথের মূর্তি, হনুমানের মূর্তি, শিবের মূর্তি, ব্রহ্মার মূর্তি, ভৈরবনাথের মূর্তি, গণেশের মূর্তি। এর পাশাপাশি মিলেছে দেবী পার্বতীর মূর্তিও। দেশের অন্যতম বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক কেকে মহম্মদ এর আগেই দাবি করেছিলেন যে ভোজশালা চত্বর আসলে ছিল একটি সরস্বতী মন্দির এবং পরে তা মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়েছিল। মামলা অবশ্য অনেকটাই পুরনো। ২০০৩ সালে ভোজশালা নিয়ে একটি মীমাংসা (Bhojshala Survey Report) হয়, যার মারফত সেখানে প্রতি মঙ্গলবার হিন্দুরা পূজা অনুষ্ঠান করার অধিকার পায় এবং মুসলমানরা শুক্রবারে নামাজ পড়ার অধিকার পায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    Kakdwip: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামায় নাসার (NASA) গবেষণাগারে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে যোগ দিতে চলেছেন কাকদ্বীপের (Kakdwip) সুভাষনগরের বাসিন্দা ঋত্বিকা মাইতি। বর্তমান তিনি কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। রসায়নবিদ্যা নিয়ে স্নাতকস্তরে পড়ছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর আলোচনা সভাতেও ঋত্বিকা ডাক পেয়েছিলেন। সেখানে তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরেছিলেন।

    প্রবন্ধ লিখে পাঠিয়ে ছিলেন মার্কিন সংস্থায় (Kakdwip)

    এবার নাসার (NASA) বিজ্ঞানীদের সামনে মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে ঋত্বিকা (Kakdwip) তাঁর মৌলিক ভাবনা তুলে ধরবেন। জানা গিয়েছে, মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নাসার বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে তরুণ ছাত্রছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষাদান করবেন। পাশাপাশি মহাকাশ গবেষণার সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা তরুণ ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে মৌলিক ভাবনার কথাও শুনবেন। ইতিমধ্যেই ঋত্বিকা মহাকাশ গবেষণার বিষয় নিয়ে তাঁর মৌলিক ভাবনাকে তুলে ধরে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন। সেই প্রবন্ধ মার্কিন সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রবন্ধটি পড়ে মার্কিন সংস্থার বিজ্ঞানীরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁকে মনোনীত করেছেন। এরপরই মার্কিন সংস্থা এক্সা এ্যারোস্পেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা অনলাইনে ঋত্বিকার ইন্টারভিউ নেন। সেই ইন্টারভিউতেও তিনি সাফল্য লাভ করেন। এরপরই তাঁকে মার্কিন মুলুকে নাসার গবেষণা কেন্দ্রের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।                  

    উচ্ছ্বসিত ঋত্বিকা

    এবিষয়ে ছাত্রী ঋত্বিকা মাইতি (Kakdwip) বলেছেন, “আমি খুব উচ্ছ্বসিত, এই বিষয়ে আমি পড়াশুনা করছি। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। ইন্টারনেট থেকে তথ্য নিয়ে নিজে নিজে যতটা পেরেছি কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে একটা সমস্যা হল আর্থিক সমস্যা। একসঙ্গে এত টাকা ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না। তবে সরকার বা কোনও সংস্থা সহযোগিতা করলে অ্যামেরিকা যেতে পারব। এটা যেমন বিরল সুযোগ, তেমনি যাতায়াতের খরচও অধিক। তাই আনন্দের মধ্যেও একটা বিষণ্ণতা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    পরিবারের বক্তব্য

    তবে কীভাবে নাসার (NASA) এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ঋত্বিকা, তা নিয়ে চিন্তিত মাইতি পরিবারও (Kakdwip)। ঋত্বিকার বাবা বিশ্বজ্যোতি মাইতি বলেছেন, “এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে কমপক্ষে সাত লক্ষ টাকার প্রয়োজন রয়েছে। আমি পেশায় একজন শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষ থেকে এই খরচ বহন করা খুবই কষ্টসাধ্য। জানিনা কীভাবে ঋত্বিকার স্বপ্ন পূরণ হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    Arvind Kejriwal: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ, জানাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে আবগারি দুর্নীতি মামলা। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং আম আদমি পার্টির (APP) বিরুদ্ধে আবগারি দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত তদন্ত সমাপ্ত করল ইডি। যদিও কেন্দ্রীয় সংস্থা এই তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার কথা এখনও জানায়নি। ২২ মাস ধরে চলা এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ইডি (ED) মাত্র ২৪৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। একইসঙ্গে এই মামলায় যুক্ত ১৮ জন গ্রেফতার হয়েছে, এবং ৪০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৮টি চার্জশিট এবং ৪ ডজনেরও বেশি অভিযান হয়েছে৷ 

    কী জানিয়েছে ইডি? (ED) 

    এ প্রসঙ্গে ইডির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এবং আপের বিরুদ্ধে ৩৭ এবং ৩৮ অভিযুক্ত নম্বরের বিষয়ে আমাদের তদন্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। আদালত আমাদের দাখিল করা আটটি চার্জশিটের সবকটি গ্রহন করেছে এবং সেই চার্জশিটের বেশিরভাগ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জামিন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।” যদিও এ বিষয়ে কেজরিওয়াল এবং আপ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং একইসঙ্গে এই গোটা ঘটনাকে তারা কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক তখনকার “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা” বলে অভিহিত করেছে।  

    আগে কী ঘটেছিল? (Arvind Kejriwal) 

    গত ২১ মার্চ আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এর পর লোকসভা ভোটের সময়ে তাঁকে কিছু দিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার মেয়াদ শেষ হলে ২ জুন আবার তিহাড় জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন কেজরি। এর মঝেই আবার আবগারি দুর্নীতিতে ইডি ১৭ মে কেজরিওয়াল এবং আপের বিরুদ্ধে দায়ের করা চার্জশিটে দাবি করেছে যে মুখ্যমন্ত্রী, তার তৎকালীন ডেপুটি মনীশ সিসোদিয়া এবং দলের প্রাক্তন মিডিয়া ইনচার্জ বিজয় নায়ার কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকার ঘুষ চেয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: যোগী আদিত্যনাথের অধীনে উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের নতুন গল্প লিখছে, বললেন জেপি নাড্ডা

    এর পরে গত ২৫ জুন তিহাড়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পরে জেলবন্দি কেজরিকে (Arvind Kejriwal) রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের অনুমোদনে হেফাজতে নেয় আবগারি মামলার আর এক তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। ঘটনাচক্রে, সেই মেয়াদ শেষ হয়েছে শুক্রবার। সিবিআই হেফাজতকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কেজরি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে আবেদন জানালেও তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল। তারপর দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। এরপর অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ গত শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। যদিও কেজরি এখন সিবিআই হেফাজতে থাকায় সেই মামলায় পৃথক ভাবে জামিন নিতে হবে তাঁকে। আগামী ১৭ জুলাই সেই মামলার শুনানি হবে দিল্লি হাই কোর্টে। তার আগে তিহাড় থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না কেজরি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sudden Cardiac Death: অ্যাটাকের আগেই মিলবে সতর্কবাণী! সাডেন কার্ডিয়াক ডেথ রুখবে বিশেষ ‘অ্যালগরিদম’

    Sudden Cardiac Death: অ্যাটাকের আগেই মিলবে সতর্কবাণী! সাডেন কার্ডিয়াক ডেথ রুখবে বিশেষ ‘অ্যালগরিদম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ–স্বাভাবিক একজন মানুষ দিব্যি কাজকর্ম করছেন, হঠাৎ করেই কোনও রকম জানান না দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারেন। খুব দুঃখজনক হলেও এই ধরনের আকস্মিক মৃত্যুর কারণ বের করা বা এর প্রতিকার করা খুব সহজ নয়। মূলত আমাদের জীবনীশক্তির কেন্দ্রবিন্দু যে হৃদ্‌যন্ত্র, সেটির কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটলেই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে। এ জন্য এই ধরনের আকস্মিক মৃত্যুকে সাডেন কার্ডিয়াক ডেথ (Sudden Cardiac Death) বলা হয়। সাডেন কার্ডিয়াক ডেথ হতে পারে যে কোনও বয়সে। এই আবহে ফিনল্যান্ডের (Finland Researchers) ট্যাম্পের ইউনিভার্সিটির গবেষকদের একটি দল একটি গবেষণা করেন এবং নতুন একটি পদ্ধতি তারা খুঁজে পেয়েছেন যেখানে হৃদস্পন্দনের বৈশিষ্ট্য দ্রুত চিহ্নিত করে সাডেন কার্ডিয়াক ডেথ রুখতে সক্ষম।

    মোট ২,৭৯৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর চলেছে গবেষণা (Sudden Cardiac Death)

    বিজ্ঞানের পত্রিকা সায়েন্স অ্য়ালার্টের একটি প্রতিবেদনে অনুসারে, নতুন এই অ্যালগরিদম তৈরি করা হয়েছে একটি নির্দিষ্ট মেট্রিক ব্যবহার করে। এই অ্যালগরিদমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিট্রেন্ডেড ফ্লাকচুয়েশন অ্যানালিসিস’। এই পদ্ধতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হৃদস্পন্দনের পরিবর্তনকে চিহ্নিত করতে পারবে। সাডেন কার্ডিয়াক অ্যাটাকের পরিস্থিতি তৈরি হলে আগাম জানান দেবে (Sudden Cardiac Death)। এই ফলাফল সম্প্রতি প্রকাশিত হলেও প্রায় আট বছর তিন মাস ধরে এই গবেষণা চালিয়েছেন ট্যাম্পের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষক দলটি (Finland Researchers)। মোট ২,৭৯৪ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর তাঁরা পরীক্ষা চালিয়েছেন।

    সহজেই সাডেন কার্ডিয়াক অ্যাটাককে চিহ্নিত করা যাবে

    গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই সাডেন কার্ডিয়াক ডেথকে (Sudden Cardiac Death) চিহ্নিত করা যাবে। সাধারণভাবে আমাদের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় যখন আমরা শারীরিকভাবে খুব কঠিন কাজ করি আর বিশ্রামের সময়কালে এটা কমতে থাকে। টেম্পের ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ টিমু পুকিলা এ বিষয়ে বলেন, ‘‘এই গবেষণার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, একজন হৃদরোগীর বিশ্রামের সময় তাঁর দুটি হার্টবিটের মাঝখানের ব্যবধানের বৈশিষ্ট্যগুলি অনেকটাই একই, একজন সুস্থ মানুষের শারীরিক পরিশ্রম করার সময় হৃদপিণ্ডের মতোই।’’ প্রসঙ্গত এই গবেষণা চালাতে এবং অ্যালগরিদমটি তৈরি করতে নানা রকম বিশ্লেষণ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হয়েছে। মাথায় রাখা হয়েছে রোগীর বয়স এবং জন্ম থেকে তাঁর হার্টের অবস্থা। অর্থাৎ প্রত্যেকে একই রকম হার্টের সক্ষমতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন না। এই মেট্রিক ব্যবহারের মাধ্যমে এক মিনিটের মধ্যেই মূল্যায়ন করা যেতে পারে যে ব্যক্তির সাডেন কার্ডিয়াক ডেথের ঝুঁকি কতটা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, ছেঁড়া হল মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমানেই একুশে জুলাইয়ের শহিদ সভা, তৃণমূলের (TMC) বড় অনুষ্ঠান, কিন্তু এই সভার প্রচারকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। ছেঁড়া হয়েছে মমতার ছবি দেওয়া পোস্টার! ইতি মধ্যে একপক্ষ, ওপর আরেক পক্ষের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর (Medinipur) পুরসভা এলাকায়।

    স্পিনিং মিলের রাশ কার হাতে (Medinipur)?

    সরকার পরিচালিত রাজ্যে যে ছয়টি স্পিনিং মিল রয়েছে তার মধ্যে প্রথম মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটির তাম্রলিপ্ত কো-অপারেটিভ স্পিনিং মিল। এই মিলের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে দুই তৃণমূল গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্ব। একপক্ষ হল আইএনটিটিইউসি এবং অপর পক্ষ হল ফেডারেশন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে করা ব্যানার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

    আইএনটিটিইউসি গোষ্ঠীর বক্তব্য

    এই ঘটনার মূল অভিযোগ ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর (Medinipur) সত্য পড়িয়ার বিরুদ্ধে। স্পিনিং মিলের আইএনটিটিইউসি-র পক্ষ থেকে নেতারা অভিযোগ করে বলেছেন, “এই কাউন্সিলেরর নেতৃত্বে ২১ জুলাইয়ের সমর্থনে টাঙানো ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয় এই ওঁর অনুগামীরা কয়েকদিন আগে মিলের মধ্যে থাকা আমাদের সংগঠনের অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।”

    ফেডারেশনের গোষ্ঠীর বক্তব্য

    আইএনটিটিইউসি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে পার্থ ঘনা অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, “কাউন্সিলর (Medinipur) সত্যবাবু অত্যন্ত সম্মানীয় ব্যক্তি। তবে কেন এমন রাজনীতির অভিযোগ উঠছে তা খতিয়ে দেখা হবে। এই বিষয়ে জেলা সভাপতি এবং রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জানাবো। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।” আবার সরকারি কর্মী সংগঠন ফেডারেশনের মুখ্য উপদেষ্টা সুনীল কর বলেছেন, “সত্য পড়িয়া ফেডারেশনের কেউ নন। বিষয় কী ঘটেছে আমার জানা নেই, আমি খোঁজ নিয়ে জানাব। যদি কোনও সমস্যা থাকে, তবে আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    তৃণমূল কাউন্সিলরের বক্তব্য

    মেদিনীপুর (Medinipur) পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সত্য পড়িয়া বলেছেন, “আগামী ২১ জুলাই ধর্মতলায় সভা হবে তাই প্রচারের জন্য মিটিং ডাকা হয়েছিল, আমিও সেখানে গিয়ে ছিলাম। তৃণমূলের (TMC) কর্মীরা যখন যেখানে আমাকে ডাকবেন আমি সেখানে যাব। দলের হয়ে যা নির্দেশ থাকবে পালন করব। তবে ওই ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share