Blog

  • Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন হল কেজরির, তবু মুক্তি অধরা

    Delhi Liquor Scam: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিন হল কেজরির, তবু মুক্তি অধরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Scam) মামলায় ধৃত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Kejriwal) অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল সুপ্রিম কোর্ট। তবে এখনই আম আদমি পার্টির প্রধানের কারামুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত নেই। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দিয়েছে। যদিও কেজরিওয়াল এখনও সিবিআই হেফাজতে থাকায় সেই মামলায় পৃথকভাবে জামিন নিতে হবে তাঁকে। ১৭ই জুলাই সেই মামলার শুনানি হবে দিল্লি হাইকোর্টে। তার আগে তিহার থেকে মুক্তি মেলার সম্ভাবনা নেই কেজরির।  

    ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গ্রেফতার হন (Delhi Liquor Scam)

    ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Kejriwal) গ্রেফতার করে ইডি। দিল্লির আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Scam) ও আর্থিক তছরুপের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকে গ্রেফতারের বিষয়ে সরবরাহ করা হয়নি, এই অভিযোগে জামিনের আবেদন চেয়ে কেজরির আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। এর আগে দিল্লি হাইকোর্টেও তিনি জামিনের আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেখানে আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে সুপ্রিমকোর্ট থেকে এল স্বস্তি। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরের আইনজীবী বিবেক জৈন বলেন, “আমরা শীর্ষ আদালতকে বলেছিলাম প্রয়োজনীয় নথি এবং তথ্য ছাড়াই গ্রেফতারি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তির ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে। ১৭ জুলাই দিল্লি হাইকোর্টকেও আমরা একই কথা বলব।”

    জামিন হলেও মুক্তি নয় (Kejriwal)

    লোকসভা ভোটের সময় কেজরিকে কিছুদিনের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তাঁর মেয়াদ শেষ হলে ২ জুন তিনি আবার তিহার জেলে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর ২০ জুন দিল্লির রাউস এভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালের স্থায়ী জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছিল। ইডির তরফে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়ালের (Kejriwal) জামিন ৪৮ ঘন্টা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হলেও বিচারক এক লক্ষ টাকার বন্ধে জামিন দিয়েছিলেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া জামিনের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্ট আবেদন করেছিল ইডি। আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী একশো কোটি টাকার ঘুষ (Delhi Liquor Scam)  চেয়েছিলেন বলেও হাইকোর্টকে জানায় তদন্তকারী সংস্থা। এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন আইনের ৪৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামিনের বিরোধিতা করে জমা দেওয়া নথিগুলি যথাযথভাবে রাউস এভিনিউ আদালতের বিচারক যথাযথভাবে বিবেচনা করেননি বলে অভিযোগ জানানো হয়।

    আরও পড়ুন: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    এরপর ২৫ জুন এদের আবেদন মেনে বিচারপতি সুধীর কুমার জৈন এবং বিচারপতি রবীন্দ্র দুদেজার অবকাশকালীন বেঞ্চ জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। জামিনের আবেদন খারিজ হতেই ২৫ জুন তিহারে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর জেলবন্দি কেজরিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় অপর তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dholahat Death Case: জামিন পাইয়ে দিতেও ঘুষ চেয়েছিল পুলিশ! ঢোলাহাটকাণ্ডে অভিযোগ মৃতের পরিবারের

    Dholahat Death Case: জামিন পাইয়ে দিতেও ঘুষ চেয়েছিল পুলিশ! ঢোলাহাটকাণ্ডে অভিযোগ মৃতের পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক ঘটনায় মুখ পুড়ছে রাজ্য পুলিশ- প্রশাসনের। ঢোলাহাটে যুবকের মৃত্যু (Dholahat Death Case) ঘিরে এমনিতেই অভিযোগের আঙুল পুলিশের দিকে। এ বার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন (Calcutta HighCourt) ‘জামিন পাইয়ে দেওয়ার শর্ত’ হিসেবেও পুলিশের বিরুদ্ধে পৌনে দু’লক্ষ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ করল মৃত যুবকের পরিবার। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Dholahat Death Case)   

    ঘটনার সূত্রপাত গত ৩০ জুন। ওইদিন ঢোলাহাটের ঘাটমুকুলতলা এলাকায় একটি চুরির ঘটনা ঘটে। এরপর আবু সিদ্দিক হালদার (২২) নামে এক যুবককে চোর সন্দেহে থানায় ধরে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। কিন্তু বাড়ি ফেরার পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রথমে মথুরাপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হাসপাতাল ঘুরে চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। কিন্তু সেখানেও চিকিৎসকরা সাড়া না দেওয়ায়, তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় পার্কসার্কাসের বেসরকারি হাসপাতালে। আর সেখানেই গত সোমবার রাতে মৃত্যু হয় যুবকের। এরপরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    ঠিক কী অভিযোগ মৃতের পরিবারের? 

    মৃতের পরিবারের দাবি, ঢোলাহাট থানার আইসি ওই যুবককে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য পৌনে দু’লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। থানায় আবুকে বেদম মারধরের পাশাপাশি বিদ্যুতের শক দেওয়া হয়েছিল বলেও তাদের অভিযোগ। পরিবারের তরফে আরও জানানো হয়, ৪ জুলাই জামিন পাওয়ার পরে আবুর শরীরে আঘাতের দাগ ছিল। বাড়ি ফেরার পর তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। একাধিক হাসপাতাল ঘুরে শেষে কলকাতার একটি নার্সিংহোমে মারা যান (Dholahat Death Case) আবু।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক 

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ 

    এ দিন কোর্টে (Calcutta HighCourt) পুলিশের বিরুদ্ধে মৃত্যুর ঘটনা (Dholahat Death Case) আড়াল করার অভিযোগও করেছেন আবুর পরিবারের আইনজীবী। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ আবুর দেহের ময়নাতদন্তের কথা পরিবারকে জানায়নি। ডাক্তারের রিপোর্টও দেওয়া হয়নি। কেন এই ‘অতি সক্রিয়তা’, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। যদিও এ প্রসঙ্গে রাজ্যের দাবি, জন্ডিস এবং রক্তে ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিনের উচ্চমাত্রাই ওই যুবকের মৃত্যুর কারণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    ISKCON: ইসকনে জগন্নাথদেবকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, কাঁঠালসহ ৫৬ ভোগ নিবেদন, ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রাজাপুর থেকে মায়াপুর ইসকন মন্দিরে (ISKCON) এসেছেন জগন্নাথ-বলদেব-সুভদ্রা। ইসকনে জগন্নাথ দেবের ৫৬ ভোগের সঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। তা দেখতে হাজির হয়েছেন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত। দিন কয়েক আগেই হয়ে গেল রথযাত্রা উৎসব। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহাসমারোহে পালিত হয়েছে এই উৎসব। রথযাত্রার দিন নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে রাজাপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলদেব, সুভদ্রা ও জগন্নাথ দেবকে। মায়াপুরের ইসকন মন্দিরকে জগন্নাথদেবের অস্থায়ী মাসি বাড়ি হিসেবে ধরা হয়। উল্টোরথের আগে পর্যন্ত মায়াপুর (Mayapur) ইসকন মন্দিরে জগন্নাথদেবের জাঁকজমকভাবে পুজো চলে।

    জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি ইসকন মন্দিরে (ISKCON)

    ইসকন মন্দিরের (ISKCON) ভিতরেই সাজানো হয়েছে জগন্নাথ দেবের মণ্ডপ। ভোর সাড়ে চারটের নাগাদ শুরু হয় মঙ্গলারতি। এরপর প্রতিদিন দুপুর সাড়ে বারোটায় ৫৬ ভোগ দেওয়া হয় জগন্নাথদেবের সামনে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ধরনের খাবার রাখা হয় বিগ্রহের সামনে। তার মধ্যে থাকে পাস্তা, বার্গার, ক্রিমরোল, ডোনাট আরও রকমারি খাদ্য। দেশ-বিদেশের বহু ভক্তরা প্রতিনিয়ত আসছেন জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা মহারানি সোনার আবরণে সজ্জিত হন। উল্টো রথের আগে পর্যন্ত প্রতিদিনই চলবে মঙ্গলারতি ও ৫৬ ভোগ আরতি। এছাড়াও প্রতিদিন জগন্নাথদেবের আটটি শ্লোকে আরতি হয় মায়াপুর ইসকন মন্দিরে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    কী বললেন ইসকন মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক?

    এ বিষয়ে মায়াপুর (Mayapur) ইসকন (ISKCON) মন্দিরের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন, ৭ জুলাই রথের দিন বলরাম, সুভদ্রা এবং বলদেবকে তাঁদের অস্থায়ী মাসি বাড়ি মায়াপুর ইসকনের নিয়ে আসা হয়েছে। আবার সাত দিন পর উল্টো রথের দিন তাঁরা নিজের বাড়িতে রওনা হবেন। এই সাতদিন মায়াপুর ইসকনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে জগন্নাথদেবকে ৫৬ ভোগ প্রদান করা হয়। যেহেতু জগন্নাথদেব খাদ্য রসিক ছিলেন, সেই কারণে তাঁর পছন্দের খাবার যেমন কেক, লাড্ডু থেকে শুরু করে পাস্তা এবং প্রিয় ফল কাঁঠাল ভোগ দেওয়া হয়। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত এই জগন্নাথদেবের ছাপানো ভোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এবং প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার মানুষকে জগন্নাথদেবের প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই জগন্নাথদেবের প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সকল ভক্তদের কাছে অনুরোধ রাখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভাঙনের কবলে অন্যতম বাংলার তীর্থ পর্যটন কেন্দ্র গঙ্গাসাগর (Gangasagar)। অমাবস্যার কোটালের জেরে কপিলমুনির মন্দির (Kapil Muni Ashram) সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা ভেঙে পড়ল। গঙ্গাসাগর সমুদ্র পাড়েও দেখা দিয়েছে বড়সড়ো ধস! বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, তৃণমূল সরকার বছর বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করলেও, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই রাস্তা ভেঙে পড়ছে। খরচের টাকা সব কি জলে? বিজপির দাবি, তৃণমূলের নেতার কাটমানি খেয়ে সরকারি টাকা লুট করছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল (Gangasagar)

    সমুদ্রের জলের স্রোতে ভেঙে গেল গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মন্দির সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা। একদিকে অমাবস্যার কোটাল, তারপর দ্বিতীয়া ও তৃতীয়ায় ধীরে ধীরে বাড়ছে সমুদ্রের জল। উত্তাল হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র। সমুদ্রের জলের ধাক্কা লাগছে সমুদ্রের পাশে থাকা কংক্রিটের ঢালাই রাস্তাতেও। কপিলমুনির আশ্রমের (Kapil Muni Ashram) সামনে দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল অবস্থা। অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলের ধাক্কায় ভেঙে পড়ল চার নম্বর সান ঘাটের ঢালাই রাস্তা। ইতিমধ্যে ভগ্ন এলাকার রাস্তাকে বেরিকেট করে ঘিরে দিয়েছে প্রশাসন। আতঙ্কিত ব্যবসায়ী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুণাভ দাস বলেছেন, “তৃণমূলের উন্নয়নের পথে কপিলমুনির আশ্রম (Gangasagar) এখন বিপন্ন হওয়ার পথে। ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলট প্রজেক্ট করা হয়েছিল কাজ, কিন্তু তার সবটাই কাটমানিতে চলে গিয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ভেঙে সব তলিয়ে যেতে বসেছে। আগামী দিনে কপিল মুনির মন্দিরও সমুদ্র গর্ভে চলে যাবে। যেখানে গঙ্গাসাগর থেকেই সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী পেয়েছে, সেখানে এমন হাল সত্যি লজ্জার বিষয়। অবিলম্বে মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।”

    কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ করা হলেও নজর নেই

    স্থানীয় বাসিন্দা দিব্যেন্দু খাটুই অভিযোগ করে বলেছেন, “গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলার সময় কয়েক কোটি টাকা খরচে অস্থায়ী নদী বাঁধ নির্মাণ করা হলেও, সারা বছর ফিরেও তাকানো হয় না এই গঙ্গাসাগরের দিকে। আর যার ফলে একটু একটু করে ভাঙন আরও বেড়েই চলেছে গঙ্গাসাগরে। অন্যদিকে সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের আবেদন, চিরস্থায়ী ব্যবস্থা করা হোক এই নদী বাঁধের।”

    আরও পড়ুনঃক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    প্রশাসনের বক্তব্য

    পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র জানিয়েছে, “ট্রাটাপট পদ্ধতির মাধ্যমে যে কাজ করা হয়েছিল তা খুব বেশি কাজে আসেনি তবে নতুন করে আবার প্রজেক্ট করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    Snakes: ঘরে মাটির কলসিতে রাখা কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া! সাপের বিষ পাচারের হদিশ পূর্ব মেদিনীপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ (Snakes) এবং সাপের বিষ পাচারের কয়েক কোটি টাকার চোরাকারবারের খোঁজ মিলেছে তদন্তকারী অফিসারদের হাতে। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর ব্লকের গাজীপুর ও দামোদরপুর গ্রামের বেশকিছু বাড়িতে, জেলার বনবিভাগের বাজকুল রেঞ্জের অফিসারেরা হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ সাপের হদিশ পেয়েছেন। এই উদ্ধারের কাজে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে জীববৈচিত্র সংরক্ষণ মঞ্চ নামে এক সংগঠন। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    কোটি টাকার সাপ ও সাপের বিষ উদ্ধার (Snakes)!

    ঘরের মধ্যে মাটির কলসি, ট্রাঙ্ক ও ঝুপির মধ্যে রাখা অসংখ্য বিষধর সাপ! কেউটে, গোখরো, চন্দ্রবোড়া সব মিলিয়ে গোটা পঁচিশ হবে। ঘরেই সাপের খাবারের মধ্যে রাখা রয়েছে ল্যাটা মাছ, ব্যাঙ ইত্যাদি। এই সাপ উদ্ধারের ফলে কয়েক কোটি টাকার সাপ ও সাপের (Snakes) বিষ পাচারের বেআইনি কারবারের কথা উঠে এসেছে। একাধিক রাজ্যে এই পাচারের জাল ছড়িয়ে রয়েছে। এই ভাবে এই পাচার চক্র, অনেক দিন ধরে চলছিল এলাকায়। ইতিমধ্যে সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত এক সাপুড়ে এবং তার সঙ্গীকে গ্রেফতার করে তমলুক আদালতে তোলা হয়েছে। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, “ধৃতেরা হল জ্যোৎস্না রানি সিং (৬৫) ও সুকুমার বর (৫৫)। তাদের আপাতত জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে বনদফতরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, যাদের ধরা হয়েছে তারা আসলে চুনো পুঁটি। আসলে ওরা সাপ্লাই লাইন, তবে তাদের লিঙ্কম্যান কারা, সেই মাথাদের খুঁজে বের করতে হবে।” জীববৈচিত্র দলের সদস্য দেবগোপাল মণ্ডল বলেছেন, “ধৃতেরা এলাকায় বহু বছর ধরে বিষাক্ত সাপ ধরার কাজ করে থাকে। সাপের গতিবিধি তাদের নখদর্পণে। বেইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা।”

    আরও পড়ুনঃ মঙ্গলাহাটে প্রকাশ্যেই চলছে অবাধে ‘তোলাবাজি’, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে

    পঞ্চাশ বছর ধরে বিষের কাজে যুক্ত ধৃতরা

    ধৃতদের কাছ থেকে তদন্তকারী অফিসারেরা জানতে পেরেছেন, গত পঞ্চাশ বছর ধরে সাপের বিষ বের করার কাজ করছিলেন জ্যোৎস্না রানি সিং। সাপ ধরার পর তাদের দাঁত চেপে অতিরিক্ত বিষ বের করে নেওয়া হতো। মোটামুটি ১০-১০০মিলিলিটার বিষ একটি সাপের থেকে বের হয়। আবার চাপ বেশি দিলে দাঁত ভেঙেও যায়। তবে সাপ (Snakes) খেলা দেখানো সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ হলেও, এই এলাকায় অনেক দিন ধরে চলছিল এই খেলা। আর এই সব কিছুর আড়ালে চলছে বিষ পাচারের চক্র। বিষ ভেনম পাউডার করেই চালান দেওয়া হতো। একবার একটি সাপ থেকে বিষ বের করলে ফের দাঁতে বিষ তৈরি হতে সময় লাগে এক মাস। আবার বিষ বের করার সময় সাপের দাঁত ভেঙে গেলে, ভাঙা জায়গায় নতুন দাঁত গাজতে সময় লাগে সাত দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Payments: সবজি থেকে জামা-কাপড়, টিভি-ফ্রিজ, ডিজিটাল লেনদেনেই জোর তরুণ প্রজন্মের

    Digital Payments: সবজি থেকে জামা-কাপড়, টিভি-ফ্রিজ, ডিজিটাল লেনদেনেই জোর তরুণ প্রজন্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল যুগে আর্থিক লেনদেনও হয় ডিজিটাল (Digital Payments) মাধ্যমেই। ইউপিআই-র মাধ্যমে মোবাইলের এক ক্লিকেই হয়ে যাচ্ছে পেমেন্ট। সবজি কেনা থেকে জামা-কাপড়, টিভি-ফ্রিজ, অনলাইন পেমেন্টের দৌলতে সবই বাড়ি বসে সম্ভব। টাকা পাঠানো, কেনাকাটা করা, ফোনের রিচার্জ কিংবা বিদ্যুতের বিল দেওয়া— সর্বত্রই এখন ডিজিটাল লেনদেন। অফিস থেকে বিকেলে বেরিয়ে চা-বিস্কুট খেয়েছেন। বিল হয়েছে ১০ টাকা। সঙ্গে খুচরো নেই সমস্যার কী আছে? অনলাইনে টাকা মিটিয়ে দিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে শপিংয়ে গিয়েছেন। মাসের শেষে পকেটে নগদ নেই। ডিজিটাল লেনদেনই ভরসা। ১০ টাকা থেকে ১০০০০ টাকা— অনলাইনেই চলে আদান-প্রদান। এতে সময় খানিকটা বাঁচে। তা ছাড়া সঙ্গে টাকা না থাকলেও অপ্রস্তুতে প়়ড়তে হয় না। 

    ডিজিটাল লেনদেনই এখন সর্বত্র বলছে সমীক্ষা (Digital Payments)

    কেয়ার্নির (Kearney Report) একটি রিপোর্টে “হাউ আরবান ইন্ডিয়া পেইজ” শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে যে অনলাইন কেনাকাটার জন্য ডিজিটাল পেমেন্টের (Digital Payments) প্রবণতা বৃদ্ধি ভোক্তাদের আচরণে স্থায়ী পরিবর্তন এনেছে। এমনকি এটি অফলাইন লেনদেনেও প্রভাব ফেলছে। রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ অনলাইন কেনাকাটার জন্য ডিজিটাল পেমেন্টকে পছন্দ করেন। এছাড়াও, প্রায় ৫০ শতাংশ ভোক্তা তাদের অফলাইন কেনাকাটায়ও অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করেন। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ বলেছেন যে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রধান কারণ হল এর সুবিধা।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    কারা করেন ডিজিটাল লেনদেন (Digital Payments)

    কেয়ার্নির (Kearney Report) সমীক্ষা অনুযায়ী, জেনারেশন এক্স ডিজিটাল পেমেন্টের (Digital Payments) মাধ্যমে সরঞ্জাম গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রণী। যে কোনও কেনাকাটায় ডিজিটাল লেনদেন করতে পছন্দ করেন তাঁরা। মেয়ে বা ছেলে, পুরুষ বা মহিলা ডিজিটাল লেনদেনে এরকম কোনও বিভেদ চোখে পড়েনি। ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণে লিঙ্গ সমতা দেখা গিয়েছে। পুরুষ ও মহিলা উভয়েই তাদের লেনদেনের প্রায় ৭২ শতাংশ ক্ষেত্রে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার করেন। অনেকেই ডিজিটাল লেনদেন-এ নানারকম ছাড় পান বলে এই পদ্ধতিকেই বেছে নেন। ছোট ছোট শহর, গ্রামাঞ্চলেও ডিজিটাল লেনদেন দেখা যাচ্ছে। বড় বড় শহরে যদি ৭৫ শতাংশ ডিজিটাল লেনদেন হয়, তাহলে গ্রাম বা ছোট শহরের ক্ষেত্রে তা ৬৫ শতাংশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    RSS: আজ থেকে রাঁচিতে বসছে আরএসএস-এর সর্বভারতীয় বৈঠক, চলবে তিনদিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার থেকে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) প্রান্ত প্রচারকদের বৈঠক। চলবে আগামী তিনদিন। সেখানে হাজির থাকবেন সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত সমেত বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও পার্টির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। সূত্রের মারফত জানা গিয়েছে, সঙ্ঘের এই বৈঠকে যোগ দেবেন দেশের সমস্ত প্রান্ত প্রচারক। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাংগঠনিক দৃষ্টিতে গঠিত প্রদেশগুলিকেই বলা হয় প্রান্ত। যেমন পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে রয়েছে তিনটে প্রান্ত- উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ। এর পাশাপাশি ক্ষেত্রীয় প্রচারকরাও এই বৈঠকে হাজির থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। কতগুলি প্রান্ত নিয়ে গঠিত হয় একটি ক্ষেত্র।

    কী কী আলোচনা হতে পারে?

    জানা গিয়েছে, দেশের ৪৬ টি ক্ষেত্র থেকেই ক্ষেত্র প্রচারকরা উপস্থিত থাকবেন এই বৈঠকে। হাজির থাকবেন সহ প্রান্ত প্রচারকরাও। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) জাতীয় কর্ম সমিতির যাঁরা সদস্য রয়েছেন, তাঁরাও এই বৈঠকে যোগ দেবেন। সাধারণভাবে সঙ্ঘের এই বার্ষিক বৈঠকগুলিতে আলোচনা করা হয়, আগামী বছরগুলিতে কোন পথে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ চলবে এবং কী কী কর্মসূচি তারা গ্রহণ করবে। সমসাময়িক ঘটে চলা দেশের তথা আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলির ওপরেও আলোচনা করা হয় এই ধরনের বৈঠকগুলিতে। প্রস্তাব পাস করা হয় বিভিন্ন ইস্যুর ওপরে।

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে ভারতীয় জনতা পার্টির মেন্টরও বলা হয়

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) বিভিন্ন ইস্যুতে মতামতগুলিকে প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে জনগণের কাছেও পৌঁছানো হয়। সাধারণভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে ভারতীয় জনতা পার্টির মেন্টরও বলা হয়। ভারতীয় জনসঙ্ঘের আমল থেকেই সঙ্ঘের স্বয়ংসেবকদের বিজেপিতে পাঠানোর রীতি রয়েছে এবং রাজনীতি ক্ষেত্রে স্বয়ংসেবকরা কাজ করেন। পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় থেকে লালকৃষ্ণ আদবানি বা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রত্যেকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক (RSS) সঙ্ঘের স্বয়ংসেবক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতীয় এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির (Attempt to Molest) চেষ্টার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি কূটনৈতিকের রাঁধুনির বিরুদ্ধে। ওই কূটনৈতিক সাদ আহমেদ ওয়ারাইচের দিল্লির বাসভবনের এক পরিচারিকার সঙ্গে রাঁধুনি অশ্লীল ব্যবহার করার ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজধানীতে। দিল্লি পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে অভিযোগও। ৫৪ বছর বয়সী ওই পাকিস্তানি নাগরিকের নাম মিনহাজ হুসেন (Pakistani cook Minhaj Hussain)। পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্য দিল্লির তিলক মার্গ এলাকায় ওই রাঁধুনি পাকিস্তানি এক কূটনীতিবিদের জন্য রান্না করতেন। সেই বাড়িতেই গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করত ওই নির্যাতিতা। সেই বাড়িতেই শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। 

    নির্যাতিতার অভিযোগ  

    নির্যাতিতার অভিযোগ, সেই বাড়িতেই তাঁর সঙ্গে বার বার দুর্ব্যবহার করতেন মিনহাজ (Pakistani cook Minhaj Hussain)। এমনকি, একা থাকার সুযোগ নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করেন। বার বার একই ঘটনা ঘটায় নির্যাতিতা আহমেদকে বিষয়টি জানান। কিন্তু আহমেদ তেমন পাত্তা দেননি বলেই অভিযোগ। উল্টে অভিযুক্তকে ইদের সময় পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেন। পরে আহমেদ নির্যাতিতাকেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তার মধ্যেই মিনহাজ আবার ফিরে আসেন ওই পাকিস্তানি কূটনৈতিকের বাড়িতে। যা দেখে ভয়েই থানায় যান নির্যাতিতা।

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    রাঁধুনির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Pakistani cook Minhaj Hussain) 

    এরপর গত ২৮ জুন তিলক মার্গ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এটা হল মূলত কোনও মহিলার মর্যাদাহানি (Attempt to Molest) করার জন্য তার উপর অত্যাচার করা। তবে এরই মধ্যে খবর পাওয়া গিয়েছে, গত ৩০ জুন মিনহাজকে আবারও পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন আহমেদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPI in Quatar: কাতারে চালু ইউপিআই, বিদেশেও অর্থনীতির পথ সুগম করছে ভারতীয় অ্যাপ

    UPI in Quatar: কাতারে চালু ইউপিআই, বিদেশেও অর্থনীতির পথ সুগম করছে ভারতীয় অ্যাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে কাতারেও চলবে ইউপিআই। ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বৃহস্পতিবার কাতার ন্যাশনাল ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর ফলে কয়েক দিনের মধ্যেই কাতারে চালু হয়ে যাবে ইউ পি আই (UPI in Quatar) । ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশনের তরফে তাঁদের আন্তর্জাতিক শাখা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট লিমিটেডের সঙ্গে (UPI Global) এই মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    কাতারে ব্যবসায় সাহায্য করবে ইউপিআই (UPI in Quatar)

    প্রসঙ্গত কাতার ন্যাশনাল ব্যাংক আরব দুনিয়া এবং আফ্রিকার সবথেকে বড় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া তরফে অনুভব শর্মা বলেন, “আমাদের বিশ্বাস (UPI in Quatar) এই উদ্যোগের ফলে যে সমস্ত ভারতীয় ওই দেশে বেড়াতে যাবেন বা বিভিন্ন কাজে যাবেন, তাঁরা উপকৃত হবেন। তাঁরা সহজেই তাঁদের ফোনের মাধ্যমে প্রদেয় অর্থ মিটিয়ে দিতে পারবেন। ভারতে সরাসরি ভিম অ্যাপের মাধ্যমে ইউপিআই ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে থার্ড পার্টি আর যেমন গুগল পে, আমাজন পে, ফোন পে, ভারত পে, পেটিএম ছাড়াও আরও অনেক অ্যাপের মাধ্যমে ইউপিআই ব্যবহার করা যায়।

    বহু দেশে চালু রয়েছে ইউপিআই (UPI Global)

    কাতার ন্যাশনাল ব্যাংক-এর আধিকারিক আলি আল মালকি জানিয়েছেন, এই নতুন (UPI in Quatar) পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে কাতারে অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একটা বড় বদল আসবে। এর মাধ্যমে মানুষের বেড়ানোর অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে। ইউপিআই (UPI Global) পেমেন্টের ফলে কাতারের ব্যবসায়ও লাভ হবে। সহজে লেনদেন লেনদেনের জন্য ইউপিআই খুবই ভালো ব্যবস্থা। কাতার ছাড়াও ওমান, সংযুক্ত আমিরশাহী, মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রিটেন, ফ্রান্স, মরিশাস, প্রতিবেশী ভুটান, নেপাল সহ আরও বহু দেশে ইউপিআই ব্যবস্থা লেনদেনের ক্ষেত্রে চালু রয়েছে।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার তৃণমূল নেতা জেসিবি, কামারহাটির জয়ন্ত সিংয়ের পর এবার কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙার তৃণমূলের উপ-প্রধান হাসিম আলির নাম প্রকাশ্যে এল। নিজের ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে নৃশংশভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠল। সব কিছু দেখেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙার হাজরাহাটে। জখম মহিলাকে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Cooch Behar)

    জানা গিয়েছে, কোনও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গন্ডগোল। তাতে ওই মহিলার নাম জড়িয়েছে। মহিলাকে উচিত শিক্ষা দিতে তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান পুলিশের সামনেই হামলা চালান। মাথাভাঙা (Cooch Behar) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আক্রান্ত মহিলা বলেন, আমি কোনও অন্যায় করলে তারজন্য পুলিশ প্রশাসন রয়েছে। তিনি তৃণমূলের উপ-প্রধান বলেই তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পান না। এমনকী উপ প্রধান হাসিম আলি ও তাঁর ভাই মিলে আমাকে সকলের সামনে ব্যাপক মারধর করেছে। কেউ আমাকে বাঁচাতে আসেনি। সকলের সামনে আমাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিল মাথাভাঙা থানার পুলিশও। পুলিশের সামনেই চলে মারধর। তৃণমূল নেতা মারধর করছে বলে ভয়ে কেউ বাঁচাতে আসেনি। আমি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করছি। প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    তৃণমূলের উপ-প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    যদিও তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান হাসিম আলির দাবি, ওই মহিলা স্থানীয় একটি কালী মন্দিরের পিছনের ফাঁকা জায়গা দখল করতে চেয়েছিলেন। তাতে বাধা দেওয়া হয়। এদিন অন্য একজনের দোকানে এসে ঝামেলা করাতে তাঁকে সেখান থেকে শুধু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বেশি কিছু হয়নি। এমনকী মারধর করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। মিথ্যা করে আমার নাম জড়িয়ে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন ওই মহিলা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share