Blog

  • Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    Winter Season: শীতে আরাম পেতে ঘন ঘন কফি খাচ্ছেন? বাড়াতে পারে বিপদ, দাবি পুষ্টিবিদদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দরজায় কড়া নাড়ছে শীত! ভোরে কমছে তাপমাত্রার পারদ। আর এই আবহাওয়ায় অনেকেই বাড়তি আরাম পেতে সকাল-সন্ধ্যে ঘনঘন কফিতে চুমুক দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এতেই বাড়তে পারে বিপদ। তাঁদের পরামর্শ, ঘন ঘন কফি শরীরে একাধিক জটিলতা তৈরি করতে পারে। বরং কফিতে বদলে চুমুক দেওয়া হোক বিকল্প ঘরোয়া পানীয়তে। বিশেষত ডায়াবেটিস কিংবা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে।

    কেন ঘনঘন কফি বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে?

    হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সাময়িক আরামের জন্য দিনে চার-পাঁচ বার কফি খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কফিতে থাকা ক্যাফিন হৃদস্পন্দন অনিয়মিত করতে পারে। তাই যারা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, তাদের বিপদ আরও বাড়ে। তাই বারবার কফি হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    হজমের সমস্যা তৈরি করতে পারে!

    খালি পেটে কফি খাওয়ার অভ্যাস খুব বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, খালি পেটে কফি খেলে পেট ও বুক জ্বালা করতে পারে। শরীরে ক্ষতিকারক অ্যাসিড তৈরি করে। এর ফলে অন্ত্র, পাকস্থলী ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অনিদ্রা একাধিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বারবার কফি খেলে অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন স্নায়ুকে উত্তেজিত করে রাখে। তাই কফি খেলে ঘুম পায় না।‌ এতে অনিদ্রার ঝুঁকি তৈরি হয়। যার জেরে মানসিক চাপ বাড়ে। শরীর বেশি ক্লান্ত বোধ করে।

    কফির বিকল্প কোন পানীয়তে ভরসা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কফির বিকল্প কিছু ঘরোয়া পানীয় শীতের আবহাওয়ায় আরামদায়ক। আবার তাতে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব কম হয়। তাঁদের পরামর্শ বারবার কফির পরিবর্তে খাওয়া যেতে পারে তুলসী ও পুদিনার সরবৎ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরম জলে সামান্য পরিমাণ মধু মিশিয়ে তুলসী পাতা এবং পুদিনা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। পানীয় হিসাবে এটা স্বাস্থ্যকর। আবার পুদিনা সুন্দর গন্ধ দেওয়ার পাশপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। শীতে অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। তাঁদের জন্য পুদিনা খুব উপকারি। তাছাড়া সর্দি-কাশি মোকাবিলায় তুলসী পাতার বিশেষ গুণ রয়েছে। তাই তুলসী পাতা নিয়মিত খেলে শীতের অন্যান্য ভোগান্তিও কমবে।

    টমেটোর স্যুপ শীতে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভিটামিন সমৃদ্ধ টমেটো‌ শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই টমেটো স্যুপ খেলে শরীর ভালো থাকবে। আবার গরম স্যুপ শরীরে আরাম দেবে। পাশপাশি গরম জলে আদা, দারচিনি আর এলাচ ফুটিয়ে তারপরে লেবু মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আদা, দারচিনি এবং এলাচ শরীরে নানান ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের ঝুঁকি কমায়। আবার লেবুতে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম। যা শরীরের জন্য বিশেষ উপকারি। তাই এই মিশ্রণ খেলে শরীর সুস্থ থাকবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 17 November 2025: বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 November 2025: বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আগুন থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) ব্যবসায় বিশেষ পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

    ৩) চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) স্বামীর সঙ্গে বিবাদ অনেক দূর যেতে পারে।

    ২) স্বজনবর্গের সঙ্গে মনোমালিন্য মিটে যেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের সৌজন্যে প্রচুর আয় হতে পারে।

    ২) পথেঘাটে খুব সাবধানতা অবলম্বন করুন, দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) বেশিরকাজ কাজেই সাফল্য মিলবে।

    কর্কট

    ১) কারও প্রতি আপনার ব্যবহার রূঢ় হতে পারে।

    ২) সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    সিংহ

    ১) দাম্পত্য কলহের কারণে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) কোনও জটিল সমস্যা আপনাকে ভোগাতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) বাইরের অশান্তি আপনাকে নাজেহাল করতে পারে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) আইনি কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) সারা দিন নানা দিক থেকে কাজের সুযোগ আসতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) মানসিক যন্ত্রণার কারণে ঘুমের ব্যঘাত হতে পারে।

    ২) কারও বিবাহ সংক্রান্ত কাজে কিছু দান করতে হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    ধনু

    ১) বাড়ির সকলে মিলে তীর্থ ভ্রমণের আলোচনা হতে পারে।

    ২) পুরনো কোনও আশা ভঙ্গ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) আপনার নিজের মতে কিছু করার জন্য বাড়িতে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) বন্ধুদের কথায় চললে আপনার খুব ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কুম্ভ

    ১) কারও বিবাহের সংবাদে আনন্দ লাভ।

    ২) যানবাহনে ওঠানামায় বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) সাবধান থাকুন।

    মীন

    ১) ব্যবসা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

    ২) চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ অনুকূল সময়।

    ৩) দিনটিতে আশাপূরণ হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    Ramakrishna 511: “ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি

    তেজচন্দ্রের সংসারত্যাগের প্রস্তাব 

    ঠাকুর তেজচন্দ্রের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (তেজচন্দ্রের প্রতি) — তোকে এত ডেকে পাঠাই, — আসিস না কেন? আচ্ছা, ধ্যান-ট্যান করিস, তা হলেই আমি সুখী হব। আমি তোকে আপনার বলে জানি, তাই ডাকি।

    তেজচন্দ্র — আজ্ঞা, আপিস যেতে হয়, — কাজের ভিড়।

    মাস্টার (সহাস্যে) — বাড়িতে বিয়ে, দশদিন আপিসের ছুটি নিয়েছিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তবে!— অবসর নাই, অবসর নাই! এই বললি সংসারত্যাগ করবি।

    নারাণ—মাস্টার মহাশয় একদিনে বলেছিলেন—wilderness of this world — সংসার অরণ্য।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—তুমি ওই গল্পটা বল তো, এদের উপকার হবে। শিষ্য ঔষধ খেয়ে অজ্ঞান হয়ে আছে। গুরু এসে বললেন, এর প্রাণ বাঁচতে পারে, যদি এই বড়ি কেউ খায়। এ বাঁচবে কিন্তু বড়ি যে খাবে সে মরে যাবে।

    “আর ওটাও বল—খ্যাঁচা ম্যাঁচা। সেই হঠযোগী যে মনে করেছিল যে পরিবারাদি — এরাই আমার আপনার লোক।”

    মধ্যাহ্নে ঠাকুর শ্রীশ্রীজগন্নাথদেবের প্রসাদ পাইলেন (Kathamrita)। বলরামের জগন্নাথদেবের সেবা আছে। তাই ঠাকুর বলেন, ‘বলরামের শুদ্ধ অন্ন।’ আহারান্তে কিঞ্চিৎ বিশ্রাম করিলেন।

    বৈকাল হইয়াছে। ঠাকুর ভক্তসঙ্গে (Kathamrita) সেই ঘরে বসিয়া আছেন। কর্তাভজা চন্দ্রবাবু ও রসিক ব্রাহ্মণটিও আছেন। ব্রাহ্মণটির স্বভাব একরকম ভাঁড়ের ন্যায়,—এক-একটি কথা কন আর সকলে হাসে।

    ঠাকুর কর্তাভজাদের সম্বন্ধে অনেক কথা বলিলেন,—রূপ, স্বরূপ, রজঃ, বীজ, পাকপ্রণালী ইত্যাদি।

    ঠাকুরের ভাবাবস্থা—শ্রীযুক্ত অতুল ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা

    ছটা বাজে। গিরিশের ভ্রাতা অতুল, ও তেজচন্দ্রের ভ্রাতা আসিয়াছেন। ঠাকুর ভাবসমাধিস্থ হইয়াছেন। কিয়ৎক্ষণ পরে ভাবে বলিতেছেন, “চৈতন্যকে ভেবে কি অচৈতন্য হয়? — ঈশ্বরকে চিন্তা করে কেউ কি বেহেড হয়?—তিনি যে বোধস্বরূপ!”

    আগন্তুকদের ভিতর কেউ কি মনে করিতেছিলেন যে, বেশি ঈশ্বরচিন্তা করিয়া ঠাকুরের মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে?

    এগিয়ে পড়’—কৃষ্ণধনের সামান্য রসিকতা

    ঠাকুর কৃষ্ণধন (Ramakrishna) নামক ওই রসিক ব্রাহ্মণকে বলিতেছেন — “কি সামান্য ঐহিক বিষয় নিয়ে তুমি রাতদিন ফষ্টিনাষ্টি করে সময় কাটাচ্ছ। ওইটি ঈশ্বরের দিকে মোড় ফিরিয়ে দাও। যে নুনের হিসাব করতে পারে, সে মিছরির হিসাবও করতে পারে।”

  • Hindus Under Attack: ঘরে-বাইরে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: ঘরে-বাইরে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, দেখুন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, বাংলাদেশ এবং বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে এখনও চলছে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে তামাম বিশ্ব এই আক্রমণগুলির গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করেছে (Roundup Week)। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়াবহ হিন্দু-বিদ্বেষমূলক মানসিকতা। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা এখন তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও অভূতপূর্ব হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, গত ৯ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কী কী ঘটনা ঘটেছে দেশ-বিদেশে।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের পরিবর্তন করার অভিযোগে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। পদ্ম-পার্টির মুখপাত্র সিআর কেশবনের অভিযোগ, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় সঙ্গীত বন্দে মাতরমের পরিবর্তন করেছিল। তিনি দাবি করেন, ১৯৩৭ সালে জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে বাদ দেওয়া হয়েছিল ওই সঙ্গীতে থাকা দেবী দুর্গার প্রশংসাসূচক স্তবকগুলি। গুজরাটের গির সোমনাথে দরগা ভাঙার সময় নারী ও শিশু-সহ একদল মুসলিম জনতা আধিকারিকদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। ওই দরগাটি অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। এই হিংসার ঘটনায় প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।এদিকে, জনপ্রতিনিধি, হিন্দু সংগঠন এবং সমাজের অন্যান্য স্তরের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রামগুণ্ডম পুরসভা কর্তৃপক্ষ ভাঙা দাড়ি মাইসাম্মা মন্দিরগুলি পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। সম্প্রতি আধিকারিকরা গোদাবরিখানি শহরের বিভিন্ন সড়কে অবস্থিত ৪৬টি মাইসাম্মা মন্দির সরিয়ে দিয়েছিলেন (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এবার তাকানো যাক পড়শি বাংলাদেশের দিকে। সেখানে হিন্দুদের ওপর অব্যাহত হামলা। হামলাকারীদের উদ্দেশ্যই হল, ধীরে ধীরে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশ থেকে নির্মূল করা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দুই অবশিষ্ট থাকবে না। তাঁর মেত, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ বা জোর করে ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য এসবই হামলাকারীরা ব্যবহার করছে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে (Roundup Week)। দিন কয়েক আগে বরগুনার আমতলিতে গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক সংখ্যালঘু নারী। দুটি পৃথক ঘটনায় গণধর্ষণ করা হয় তাঁকে। সম্প্রতি বাড়িতে ফিরে এসেছেন তিনি। উপজেলা এক্সিকিউটিভ আধিকারিক (ইউএনও), পুলিশের ওসি এবং জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করে এসেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, পরিবারটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নেওয়া হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    কিশোরী অপহৃত

    বছর সতেরোর এক সংখ্যালঘু কিশোরীকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় বাকেরগঞ্জ উপজেলার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ওই কিশোরীর পরিবার মামলা দায়ের করেছে। প্রশাসনের কাছেও আবেদন-নিবেদন করেছে একাধিকবার। তার পর সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পারেনি। গ্রেফতার করা হয়নি কোনও অভিযুক্তকেই। পুলিশ-প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তায় ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে সংখ্যালঘুদের মধ্যে। জানা গিয়েছে, অপহৃত হওয়ার দিন ওই কিশোরী তার মায়ের সঙ্গে কলেজে যাচ্ছিল। মহম্মদ সান মাঝি ও তার সহযোগীরা তাদের পথরোধ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা জোর করে ওই কিশোরীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে পালায়। তার মা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও, ব্যর্থ হন (Hindus Under Attack)।

    প্রতিবাদ মিছিলের

    এদিকে, ভগবান বিষ্ণু সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি গাভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন বিশ্বের কয়েকটি দেশে বসবাসরত ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যপ্রদেশের জাওরি মন্দিরে সাত ফুট উচ্চতার মূর্তি পুনঃস্থাপনের আবেদন জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। প্রধান বিচারপতি তাঁকে ভর্ৎসনা করেন। তিনি আবেদনকারীকে বলেন, এরকম আবেদন করার পরিবর্তে শ্রী হরিমুখে বিষ্ণুর প্রার্থনা করতে (Roundup Week)।

    প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূল কারণ হল নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষ প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং গণপরিসরের মধ্যেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব বর্তমান, যা উৎসাহিত করে হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে। তার জেরেই ঘটতে থাকে একের পর এক হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা (Hindus Under Attack)।

  • India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    India Vs South Africa: ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না, আমরা পারিনি’’ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর মানলেন গম্ভীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্টে অপরাজিত রইল বাভুমার নেতৃত্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকা (India Vs South Africa)। ভারতের মাটিতে ১৫ বছর পর টেস্ট ম্যাচে জয় পেল প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। ইডেন গার্ডেন্সে ৩০ রানে জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে দলের ব্যর্থতা মেনে নিলেন কোচ গৌতম গম্ভীর। জানালেন, পিচ নিয়ে কোনও ক্ষোভ নেই তাঁর। ভারতীয় দলের হেড কোচের কথায়, ‘আমরা এই পিচই চেয়েছিলাম। আমরা যে পিচ চেয়েছি সেই পিচই পেয়েছি। এখানকার কিউরেটর আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। আমার মনে হয় না এই উইকেটে ব্যাটিং করা কঠিন ছিল। এই উইকেট মানসিক কাঠিন্যের পরীক্ষা নেয়। যারা ভালোভাবে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করতে পেরেছে, তারা রান করেছে।’

    পিচ নয়, দল পারেনি মানলেন গম্ভীর

    শনিবার খেলার শেষে পুজারা বলেছিলেন, ইডেন গার্ডেন্সের এই পিচে চতুর্থ ইনিংসে ১২০ রান তাড়া করাও কঠিন হতে পারে। তাঁর কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে দিলেন ঋষভ পন্থেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস ১৫৩ রানে শেষ হওয়ায় ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৪ রান। সেই রান তুলতেই কেঁপে গেল শুভমন গিলহীন ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপ। ৯৩ রানে শেষ হয়ে গেল ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। নিজেদের পছন্দের পিচে ৩০ রানে হেরে গেল গৌতম গম্ভীরের দল। পিচ নিয়ে তিন দিন ধরে নানা কথা হলেও গম্ভীর ম্যাচ হেরে কোনও অভিযোগ করলেন না। বরং নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নিলেন। গম্ভীর মানতে চাননি ইডেনের ২২ গজ স্পিন সহায়ক ছিল। জোরে বোলারদের বেশি উইকেট পাওয়ার তথ্যকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছেন। রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গম্ভীর বলেছেন, ‘‘ইডেনের পিচ বিপজ্জনক ছিল না। খেলার উপযোগী ছিল। টেম্বা বাভুমা তো রান করল। ওয়াশিংটন সুন্দরও ভাল ব্যাট করল। অক্ষরও তো খেলল। খেলা যাবে না, এমন উইকেট তো ছিল না। জানি না কেন বার বার স্পিন সহায়ক পিচ বলা হচ্ছে! জোরে বোলারেরাই বেশি উইকেট পেয়েছে এই টেস্টে। ব্যাটারদের টেকনিক, মানসিক শক্তি এবং ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয় এ রকম পিচে। আমরা পারিনি।’’

    ভারতের কাঁটা বাভুমা

    ভারতের (India Vs South Africa) লক্ষ্য ‘কঠিন’ করে দিলেন টেম্বা বাভুমা। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ককে আউট করতেই পারলেন না জসপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সিরাজ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন চোট সারিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ব্যাটার। ম্যাচের প্রথম দিনই ইডেনের ২২ ব্যাটারদের বধ্যভূমি হিসাবে চিহ্নিত হয়ে গিয়েছিল। সেই পিচেই অপ্রতিরোধ্য দেখাল বাভুমাকে। ১৩৬ বলের ইনিংসে নিজের দলকে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে দিলেন বাভুমা। একমাত্র ব্যাটার হিসাবে ইডেন টেস্টে অর্ধশতরান করলেন। ৫০ রান করতেই ইডেনের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানালেন তাঁকে। বাভুমার লড়াই ছাড়া রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ভাল ব্যাট করলেন করবিন বসও (২৫)। তিনি আউট হওয়ার পর অবশ্য ভারতকে বেশি বেগ পেতে হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাকে অল আউট করতে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সফলতম জাদেজা ৫০ রানে ৪ উইকেট নেন। ২ রানে ২ উইকেট সিরাজের। ৩০ রানে ২ উইকেট কুলদীপ যাদবের। ১টি করে উইকেট নেন অক্ষর এবং বুমরা।

    কেমন খেলল ভারত

    ওয়াশিংটন সুন্দর (৩১) ছাড়া ভারতের আর কারও মধ্যে বাভুমাসুলভ লড়াই দেখা গেল না। প্রথম ওভারেই মার্কো জানসেনের বলে আউট হয়ে যান যশস্বী জয়সওয়াল (০)। তৃতীয় ওভারে জানসেন তুলে নেন লোকেশ রাহুলের (১) উইকেট। ১ রানে ২ উইকেট হারানো দলের ইনিংস মেরামত করার চেষ্টা করেন ওয়াশিংটন এবং ধ্রুব জুরেল। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়ার পর সাইমন হারমারকে অযথা ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট ছুড়ে দিলেন জুরেল (১৩)। এর পর হারমারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে দলকে খাদের কিনারায় পৌঁছে দেন পন্থ (২)। লাভ হয়নি জাদেজার (১৮) আগ্রাসী ব্যাটিংয়েও। ২২ গজের এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে চেষ্টা করে গেলেন ওয়াশিংটন। তাঁকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারলেন না কেউ। অক্ষর শেষবেলায় আগ্রাসী ব্যাটিং করে চেষ্টা করেছিলেন একটা। কিন্তু হারমারের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন ২৬ রান করে। বাউন্ডারির দিকে মুখ করে দৌড়ে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন বাভুমা। তাঁর ওই ক্যাচই ১৫ বছর পর ভারতের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয় নিশ্চিত করে দেয়। স্পিন সহায়ক উইকেটে সাইমন হারমারের বল খেলতে সমস্যা পড়লেন ভারতীয়েরা। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৪ উইকেট নিলেন। খরচ করলেন ২১ রান। ১৫ রানে ২ উইকেট মার্কো জানসেনের। ৩৭ রানে ২ উইকেট কেশব মহারাজের।

    লজ্জার রেকর্ড

    দেশের মাটিতে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে এটি ভারতের (India Vs South Africa) সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৬ সালে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ ইনিংসে ১০০ রানে অল আউট হয়েছিল ভারত। সেই রেকর্ড এ দিন ভেঙে গেল। সব মিলিয়ে টেস্টে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। ১৯৯৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বার্বাডোজে ১২০ রান তাড়া করতে পারেনি ভারত। দেশের মাটিতে এটিই ভারতের সর্বনিম্ন রান তাড়া করতে গিয়ে হার। গত বছর স্পিন সহায়ক উইকেটে খেলতে গিয়ে নিউ জ়িল্যান্ডের কাছে ০-৩ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ় হেরেছিল গম্ভীরের ভারত। এ বার হার দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। একই ভাবে। দু’টেস্টের সিরিজ় জেতার আর সুযোগ নেই ভারতের সামনে। গুয়াহাটিতে জিতে খুব বেশি হলে ড্র করতে পারেন শুভমনেরা।

  • Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    Bihar Cabinet: বিহারে মুখ্যমন্ত্রী পদে ফের নীতীশই, বিজেপির মন্ত্রী হতে পারেন ১৬ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে হইহই করে জিতে গিয়েছে বিজেপি (Bihar Cabinet) নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বিজেপি। তাই প্রত্যাশিতভাবেই এবার বিহার মন্ত্রিসভায় আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির। যদিও মুখ্যমন্ত্রী থাকছেন জনতা দল ইউনাইটেড সুপ্রিমো নীতীশ কুমারই। রবিবার এমনই খবর মিলেছে বিজেপি সূত্রে। এদিন বিহার বিধানসভার ফল নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন এনডিএ নেতারা। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মন্ত্রিসভায় বিজেপির ১৬ (Bihar Cabinet)

    এই বৈঠকেই গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেপি থেকে এবার বিহার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন ১৫-১৬ জন। আর নীতীশের দল থেকে মন্ত্রী হতে পারেন ১৪ জন। সূত্রের খবর, ছ’জন বিধায়ক পিছু একটি করে মন্ত্রিত্বের পদ দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে এদিনের বৈঠকে। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে চলতি মাসের ১৯ বা ২০ তারিখে। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে চলেছেন এনডিএর শরিক দল লোকজন শক্তি (রাম বিলাস)-ও। তারা পেয়েছে ১৯টি আসন। জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার) পেয়েছে পাঁচটি আসন। উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা জয়ী হয়েছে চারটি কেন্দ্রে। মন্ত্রিসভায় তারা প্রত্যেকে একটি করে পদ পেতে পারে।

    বিপুল জয় এনডিএর

    বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩টি। নির্বাচন হয় দু’দফায়। ফল ঘোষণা হয় শুক্রবার। ২০২টি আসনে জয়ী হয়েছে এনডিএ। বিজেপির সাফল্যের হার প্রায় ৯৫ শতাংশ। একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে পদ্ম-পার্টি (Bihar Cabinet)। মহাগঠবন্ধন, যার মূল ভিত্তি হল আরজেডি, কংগ্রেস এবং তিনটি বামপন্থী দল ৩৫টির ঘর পার করেছে। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি ২৩৮টি আসনে লড়াই করেও, খালি হাতে ফিরেছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমআইএম) পাঁচটি আসনে জিতেছে।

    বিরোধী জোটের এই লজ্জাজনক হারের পর কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দায়ী করেছে তড়িঘড়ি (NDA) করে করা এসআইআরকে। যদিও বিজেপির দাবি, এনডিএ জমানায় বিহারবাসীকে যে সুশাসন উপহার দেওয়া হয়েছিল, তারই সুফল মিলেছে (Bihar Cabinet)।

  • Saalumarada Thimmakka: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত গাছেদের মা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা

    Saalumarada Thimmakka: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত গাছেদের মা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১৪ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন গাছমাতা পদ্মশ্রী সালুমারাদা থিম্মাক্কা (Saalumarada Thimmakka)। বেঙ্গালুরুর এই মহিলা ছিলেন পরিবেশবিদ এবং গাছপ্রেমী (Vrikshamate)। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ৩৮৫টি বটগাছ লাগিয়েছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন, চিকিৎসাও চলছিল। তাঁর মৃত্যুতে পরিবেশবিদদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    গাছ ছিল তাঁর সন্তান (Saalumarada Thimmakka)

    ১৯১১ সালের ৩০ জুন কর্নাটকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন থিম্মাক্কা (Saalumarada Thimmakka) । তাঁর কোনও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। তা সত্ত্বেও পরিবেশ রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে গিয়েছেন তিনি। রামনগর জেলার হুলিকাল এবং কদুরের মধ্যে ৪.৫ কিমি দীর্ঘ রাস্তায় ৩৮৫টি বট গাছের চারা রোপণ করেছেন তিনি। এজন্য জাতীয় ওআন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি। থিম্মাক্কা নিঃসন্তান হওয়ায় গাছ লাগানোর মধ্যেই মাতৃত্বকে খুঁজে বেড়াতেন। একজন নারী হয়ে বৃক্ষ রোপণ এবং পরিচর্যার মধ্যে দিয়ে মা হওয়ার শখ পূরণ করেছেন।

    স্নেহময়ী সালুমারাদার কন্নড় ভাষায় অর্থ হল গাছের সারি। কয়েক প্রজন্মের মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন নিজের পরিবেশপ্রেমী ভাবনার দ্বারা। তিনি নিজে বেঁচে থাকাকালীন একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি পান পদ্মশ্রী। ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী বৃক্ষমিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন ১৯৯৭ সালে। জাতীয় নাগরিক পুরস্কার পান ১৯৯৫ সালে। ২০১০ সালে হাম্পি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পান নাদোজা পুরস্কার।

    রাজনৈতিক মহলে শোক প্রকাশ

    তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলেও। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া শোক প্রকাশ করে বলেন, “বৃক্ষমাতা সালুমারাদা থিম্মাক্কার (Saalumarada Thimmakka) মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি দুঃখিত। হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করে, থিম্মাক্কা (Vrikshamate) তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময়টা পরিবেশ সংরক্ষণে উৎসর্গ করেছেন।”

    কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক বলেন, “আমাদের গর্বিত পদ্মশ্রী পুরষ্কারপ্রাপ্ত বৃক্ষমাতা ডঃ সালুমারা থিম্মাক্কার মৃত্যুর খবর শুনে আমি দুঃখিত। তিনি রাস্তার ধারে বটগাছ রোপণ করেছিলেন এবং ঘোষণা করেছিলেন গাছেরাই আমার সন্তান। থিম্মাক্কার আত্মা চির শান্তিতে বিরাজমান থাকুক। আসুন আমরা পরিবেশ সেবক, রক্ষক এবং আমাদের চারপাশের পরিবেশ লালন-পালনের ক্ষেত্রে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করে শ্রদ্ধা জানাই।”

  • Pakistan: ফের বালুচিস্তান থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ, প্রতিবাদ

    Pakistan: ফের বালুচিস্তান থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ, প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বালুচিস্তান (Balochistan) থেকে লোপাট হয়ে যাচ্ছেন আস্ত মানুষ। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাকিস্তানের (Pakistan) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তার পর থেকে আর খোঁজ মিলছে না তাঁদের। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন স্থানীয়রা। জোরালো হচ্ছে প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার দাবিও।

    নিখোঁজ একই পরিবারের ২ (Pakistan)

    ‘দ্য বালুচিস্তান পোস্টে’র একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা কেচ জেলার বুলেদা তহসিলের মেনাজ এলাকায় এক বাড়িতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে দুই ভাইকে আটক করে নিয়ে গিয়েছিল। তার পর আর খোঁজ মেলেনি তাঁদের। নিখোঁজ দু’জনের একজন জহির, অন্যজন ওয়াসিম। তাঁরা স্থানীয় বাসিন্দা রহিম জানের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, তাঁরা দু’জনেই পেশায় কৃষক, কোনও ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত নন। তাঁদের পরিবার অবিলম্বে ওই দুই ভাইয়ের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। আর একটি ঘটনায়, পাক সেনাবাহিনী ব্রাহুই ভাষার কবি আতা অঞ্জুমকে মাস্তুংয়ে তাঁর বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তাঁরও খোঁজ মিলছে না। বালুচ নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংগঠন ভয়েস ফর বালুচ মিসিং পারসন্স ঘটনাটিকে সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে (Pakistan)।

    নিখোঁজ চাঙ্গেজ ইমামও

    তুরবতেও ঘটেছে আরও একটি ঘটনা। সেখানে গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন চাঙ্গেজ ইমাম নামের এক ব্যক্তি। তিনি তুরবত কেন্দ্রীয় কারাগারের ওয়ার্ডার। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, ১১ নভেম্বর দুপুর ১টার দিকে তুরবতে নিজের বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। আর ফিরে আসেননি। তাঁর মোটরসাইকেলটিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার প্রতিবাদে পুরো প্রদেশে অব্যাহত প্রতিবাদ। খুজদারে ৫ নভেম্বর নাল এলাকা থেকেও অপহৃত হন একজন। হুজাইফা গফ্ফার নামের ওই ব্যক্তির স্বজনরা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নাল সিপেক রোড অবরোধ করেন। প্রতিবাদকারীরা তাঁর নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দাবি জানান। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেয় বালুচ ইয়কজেহতি কমিটি।

    ইউনিয়ন কাউন্সিল কিল্লি কোচা বুলেদার ভাইস চেয়ারম্যান পাজির নাসির প্লিজাই ৮ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের (Balochistan) মতো নিখোঁজ হন। গত ৪ ফেব্রুয়ারি আটক করা হয়েছিল তাঁকে। কয়েক মাসের আন্দোলনের পর মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। ফের নিখোঁজ হয়েছেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট করে হক দো তেহরিক বালুচিস্তান (Pakistan)।

  • BBC: ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি, তার পরেও আদালতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

    BBC: ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি, তার পরেও আদালতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) কাছে ক্ষমা চাইল বিবিসি (BBC)। এই সংবাদ সংস্থার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার পরেই ক্ষমা চেয়ে নেন বিবিসি কর্তৃপক্ষ। অবশ্য ভুল স্বীকার করে নিলেও, ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করেছে বিবিসি। ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থার দাবি, এই মানহানি মামলার কোনও ভিত্তি নেই। ট্রাম্প প্রশাসনকে লেখা একটি চিঠিতে সংস্থার তরফে চেয়ারম্যান সামির শাহ লিখেছেন, “সেই ভুল সিদ্ধান্তের জন্য বিবিসি ক্ষমাপ্রার্থী।” তাঁর দাবি, সংস্থাটি সাংবাদিকতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।

    মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি (BBC)

    ১৩ নভেম্বর বিবিসি তাদের কারেকশন অ্যান্ড ক্ল্যারিফিকেশন বিভাগে জানিয়েছে, প্যানোরামা অনুষ্ঠানটি সমালোচনার পর ফের পরীক্ষা করা হয়েছে। কারণ এতে ট্রাম্পের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপিত হয়েছিল। বিবিসির তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,  “আমরা স্বীকার করি যে আমাদের সম্পাদনা অনিচ্ছাকৃতভাবে এমন ধারণা তৈরি করেছে যে আমরা বক্তৃতার একটি একটানা অংশ দেখাচ্ছি, অথচ বাস্তবে তা ছিল বক্তৃতার বিভিন্ন অংশ থেকে নেওয়া উদ্ধৃতি। এর ফলে ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি হিংসাত্মক কাজের আহ্বান জানিয়েছিলেন।” বিবিসির তরফে ক্ষমা চাওয়ার কারণ ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তিনি এক মিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করবেন।

    ‘ফাইট লাইক হেল’

    প্রসঙ্গত, প্যানোরামায় ট্রাম্পের ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের বক্তৃতার বিভিন্ন অংশ জোড়া দিয়ে এমনভাবে দেখানো হয়েছিল যেন তিনি (Donald Trump) তাঁর সমর্থকদের ‘ফাইট লাইক হেল’ এবং তাঁর সঙ্গে ক্যাপিটল ভবনের দিকে মিছিল করতে উৎসাহিত করছেন (BBC)। ওই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে বলতে শোনা গিয়েছে, “আমরা ক্যাপিটল ভবনের দিকে হাঁটব…আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব। এবং আমরা লড়ব। আমরা ভীষণভাবে লড়ব।” এর পরেই ট্রাম্পের হুমকি এবং তার পর বিবিসি কর্তৃপক্ষের তরফে ক্ষমা চাওয়া হয়। ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থা এও স্বীকার করেছে যে, প্যানোরামার অনুষ্ঠানটি এমন ভুল ধারণা দিয়েছিল যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি হিংসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আর কখনওই ওই অনুষ্ঠানটি প্রচার করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছে বিবিসি।

    ক্যাপিটল হিলে হামলা

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর হামলা হয় ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে। অভিযোগ, সেখানে হামলা চালিয়েছিল উত্তেজিত জনতা। যদিও অভিযোগের আঙুল উঠেছিল ওই নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী তথা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। বিবিসির তরফে ট্রাম্পকে নিয়ে যে তথ্যচিত্র সম্প্রচার করা হয়, তাতে ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় ট্রাম্পকে কার্যত কাঠগড়ায় তোলা হয় বলে অভিযোগ (BBC)। নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প যেসব বক্তৃতা দিয়েছিলেন (Donald Trump), সেগুলি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় ওই হামলায় প্রত্যক্ষভাবে উসকানি দিয়েছিলেন তিনি। আর এখানেই আপত্তি হোয়াইট হাউসের। প্রেস সচিবের দাবি, এভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করা হয়েছে।

    প্রবল বিতর্ক

    বিবিসির ওই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হতেই শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। ঘটনার দায় ঘাড়ে নিয়ে সপ্তাহের প্রথমেই ইস্তফা দেন সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টিম ডেভি ও খবর সম্প্রচার বিভাগের প্রধান ডেবোনার টারনেস। পরে ওয়াশিংটনের চাপে পড়ে দফায় দফায় ক্ষমাও চেয়েছে ব্রিটিশ এই সংবাদ সংস্থা। যদিও তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মানহানির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের শর্ত মানতে রাজি নয়।

    কী বললেন ট্রাম্প

    এর পরেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন মামলা করার কথা (Donald Trump)। তিনি বলেন, “আমরা ১ বিলিয়ন থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের মামলা করব। সম্ভবত আগামী সপ্তাহের কোনও এক সময়। আমার মনে হয়, আমাকে এটা করতেই হবে। ওরা প্রতারণা করেছে, সেটা মেনে নিয়েও নিয়েছে। আমার মুখ থেকে বের হওয়া কথাগুলি বদলে দিয়েছে। ভুয়ো খবর কথাটা দারুন চালু। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট নয়। এটি তো ভুয়োর চেয়েও বেশি, এটি দুর্নীতি বিষয়ক। ওরা প্রায় এক ঘণ্টার ব্যবধানে বক্তৃতার দু’টি অংশ এক সঙ্গে কেটে নিয়েছিল। একটায় আমাকে খারাপ লোক বানিয়ে দিচ্ছিল, আর অন্যটা ছিল অত্যন্ত শান্ত একটি বক্তব্য।” ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আপনি ভাবতে পারেন, বিবিসি ভুয়ো খবর প্রচার করে! এই ঘটনায় ব্রিটেনের মানুষও খুব রেগে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “এই কেলেঙ্কারিতে স্যার কিয়ার স্টারমার খুবই লজ্জিত। এ নিয়ে আমি কথা বলব তাঁর সঙ্গে (BBC)।” ট্রাম্প বলেন, “তারা (বিবিসি) আমায় একটি সুন্দর চিঠি লিখেছে। বলেছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। কিন্তু আপনি যদি বলেন এটি অনিচ্ছাকৃত, তবে আমি মনে করি অনিচ্ছাকৃত হলে ক্ষমা করতে হয় না।”

  • Rohini Acharya: পরিবার-দল ছেড়েছেন লালু কন্যা রোহিণী, দায়ী করেছেন রামিজকে! নেপথ্যে কোন রহস্য?

    Rohini Acharya: পরিবার-দল ছেড়েছেন লালু কন্যা রোহিণী, দায়ী করেছেন রামিজকে! নেপথ্যে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) প্রধান লালু যাদবের কন্যা রোহিণী আচার্য (Rohini Acharya) শনিবার ঘোষণা করেছেন যে তিনি রামিজ নিয়ামতের জন্য রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন, সেই সঙ্গে ত্যাগ করেছেন তাঁর পরিবারকেও। বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের সম্মুখীন হয় আরজেডি। ২৪৩ সদস্যের বিধানসভায় মাত্র ২৫টি আসনে জয়ী হয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের এই দল। আর তারপর থেকেই লালুর পরিবারে শুরু হয়েছে কোন্দল। যদিও নির্বাচনের আগেই বড় ছেলে তেজ প্রতাপ পৃথক দল গড়ে বাড়ি ছেড়েছিলেন।

    লালু কন্যার অভিযোগ (Rohini Acharya)

    রোহিণী (Rohini Acharya) বলেন, “আমি রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছি। আমার (যাদব) পরিবারকেও অস্বীকার করছি। সঞ্জয় যাদব এবং রামিজ় (Rameez Nemat Khan) আমায় এটাই করতে বলেছিলেন। সব দায় আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। আমার কোনও পরিবার নেই। আপনাদের তেজস্বী যাদব, সঞ্জয় যাদব এবং রামিজ়কে জিজ্ঞাসা করা উচিত। তাঁরাই আমায় পরিবার থেকে তাড়িয়েছেন। ওঁরা কোনও দায়িত্ব নিতে চান না। সকলে জিজ্ঞাসা করছে, কেন এ ভাবে ধরাশায়ী হল আরজেডি? যখনই সঞ্জয় বা রামিজের কথা বলা হয়, তখনই বাড়ি থেকে বার করে দেওয়া হয়। করা হয় অপমানও।”

    এই রোহিণীই বাবা লালুপ্রসাদকে নিজের একটি কিডনি দিয়েছিলেন। তবে এদিন রোহিণী পরিবার ছাড়ার আগে আরও এক ব্যক্তির নাম নিয়েছিলেন। সেই নামটি হল রামিজ নেমাত খান। রোহিণীর অভিযোগের পর প্রশ্ন ওঠে, এই ব্যক্তিটি কে? যদিও এই নাম বিহারের সংবাদ মাধ্যমের রাজনীতিতে দেখা যায়নি। জানা গিয়েছে, রামিজ নেমাত খান রোহিণীর ভাই তেজস্বী যাদবের পুরানো বন্ধু। তাঁরা দলের একটি অংশ। উভয়ের বন্ধুত্ব ক্রিকেট মাঠ থেকে রাজনীতি পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে আরজেডি সূত্রে খবর, রামিজ তাঁর বন্ধু এবং দলের সোশ্যাল মিডিয়া এবং প্রচার কাজের তত্ত্বাবধান করতেন।

    কে রমিজ (Rameez Nemat Khan)?

    রামিজ নেমাত (Rameez Nemat Khan) খান ১৯৮৬ সালের নভেম্বরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা নেমাতুল্লাহ খান জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। রমিজ মথুরা রোডের দিল্লি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। জামিয়া থেকে বিএ, এমবিএ পাশ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভালোবাসতেন ক্রিকেট খেলতে। দিল্লি এবং ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন বয়সের দলের হয়েও খেলেছেন। ২০০৮-০৯ সালে তিনি ঝাড়খণ্ড অনূর্ধ্ব-২২ দলের অধিনায়কও ছিলেন। এই সময়ে, তেজস্বী যাদবের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, যা পরবর্তী কালে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূচনা করেন। ২০১৬ সালে তিনি আরজেডিতে যোগ দেন এবং তখন থেকে তেজস্বী যাদবের দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

    সমাজবাদী পার্টিতে লড়াই করেছিলেন

    রামিজ (Rameez Nemat Khan) উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর লোকসভা আসনের প্রাক্তন সাংসদ রিজওয়ান জহিরের জামাই। বর্তমানে তাঁর কেন্দ্র শ্রাবস্তী নামে পরিচিত। রমিজের শ্বশুর সমাজবাদী পার্টির টিকিটে এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) টিকিটে দু’বার সাংসদ হয়েছিলেন। তিনি একবার নির্দল প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। রিজওয়ান এক সময় উত্তরপ্রদেশের সবচেয়ে কম বয়সী বিধায়কও ছিলেন। রামিজের স্ত্রী জেবা রিজওয়ান তুলসীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও দু’বার হেরে গিয়েছিলেন তিনি। একবার কংগ্রেসের টিকিটে এবং আর একবার জেলে থাকাকালীন নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন।

    ফিরোজ পাপ্পুর হত্যা মামলায় জড়িত

    ২০২১ সালে তুলসীপুরে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রামিজ (Rameez Nemat Khan)। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। কংগ্রেস নেতা দীপঙ্কর সিং এবং তাঁর অনুগামীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রয়েছে মারধরের অভিযোগও। ২০২২ সালে, তুলসীপুর নগর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সভাপতি ফিরোজ পাপ্পু হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে রমিজ, তাঁর স্ত্রী, শ্বশুর রিজওয়ান এবং আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রমিজ এখন বেশ কয়েকটি মামলায় জামিন পেয়েছেন, কিছু মামলা এখনও বিচারাধীন। বলরামপুরে তাঁর বিরুদ্ধে নটি এবং কৌশাম্বিতে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

    সুপ্রিম কোর্টে আবেদনের পর কিছুটা স্বস্তিতে

    রামিজের (Rameez Nemat Khan) বিরুদ্ধে আরও যে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে, ২০২৩ সালে প্রতাপগড়ের ঠিকাদার শাকিল খানকে হত্যার মামলাও। কুশীনগরে রেললাইনের কাছে মৃতদেহটি পাওয়া গিয়েছিল। ঠিকাদারের স্ত্রীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত হন রমিজ। আবার ওই বছরই উত্তরপ্রদেশ সরকার রামিজের নামে কেনা প্রায় ৪.৭৫ কোটি টাকার জমি বাজেয়াপ্ত করে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে তাকে গ্যাংস্টার আইনে গ্রেফতার করা হলেও, পরে জামিন পান। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ আদেশের পর থেকে রমিজ দম্পতি আরও অনেক মামলায় স্বস্তি পেয়েছেন। ফলে তাঁদের বিরুদ্ধে এরপর থেকে আর কোনও নতুন মামলা দায়ের হয়নি।

LinkedIn
Share