Blog

  • Dakshin Dinajpur: মিড ডে মিলের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু ছাত্রের, শিক্ষকদের মার, স্কুলে ভাঙচুর, আগুন

    Dakshin Dinajpur: মিড ডে মিলের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু ছাত্রের, শিক্ষকদের মার, স্কুলে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিল খাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। রোদে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় তার। এই ঘটনার জেরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) কুশমণ্ডি ব্লকের কচড়া উচ্চ বিদ্যালয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। স্কুলে হামলা চালানোর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, টিফিন পিরিয়ডের (Dakshin Dinajpur) সময় সমস্ত পড়ুয়া মিড ডে মিল খাওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রও মিড ডে মিল খাওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিল। সেই গরমে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর বন্ধুরা তাকে ধরাধরি করে স্কুলের ক্লাসঘরে নিয়ে আসে। বেশ কিছুক্ষণ পরে তাকে ইটাহার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু, সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই দলে দলে স্থানীয় বাসিন্দারা স্কুলে আসতে শুরু করেন। শুরু হয় বিক্ষোভ। পুলিশের সামনেই শুরু হয় তাণ্ডব। স্কুল চত্বরে তুমুল ভাঙচুর করা হয়। শিক্ষকদের মোটরবাইকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষকদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, বার বার ফোন করার পরেও যথেষ্ট সংখ্যক ফোর্স আসেনি। তার জেরে জনতা তাণ্ডব চালালেও কিছু করা যায়নি। সরকারি সম্পত্তিতে তুমুল ভাঙচুর করা হয়েছে। এমনকী স্কুলের লাইব্রেরিতেও ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। হাইস্কুলের (School) দরজা,জানালাও ভেঙে ফেলা হয়।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    প্রধান শিক্ষক কী বললেন?

    প্রধান শিক্ষক (School) রানা দাস বলেন, দুপুর দেড়টা নাগাদ পড়ুয়ারা খাবারের লাইনে দাঁড়িয়েছিল। কিছুক্ষণ পরেই বাচ্চাটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে অভিভাবকরা কিছুক্ষণ পরেই এসেছিলেন। ছাত্রের মাথায় জল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাকে বাঁচানো যায়নি। এরপরই এলাকার লোকজন স্কুলে তাণ্ডব চালায়। আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • School dropout: বাংলায় মাধ্যমিকে স্কুলছুট সব থেকে বেশি! সমীক্ষায় চিন্তার ভাঁজ শিক্ষা সংসদের কপালে

    School dropout: বাংলায় মাধ্যমিকে স্কুলছুট সব থেকে বেশি! সমীক্ষায় চিন্তার ভাঁজ শিক্ষা সংসদের কপালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ১৩ লক্ষের মতো পড়ুয়া একাদশ থেকে দ্বাদশে উঠতে অসফল হয়েছেন। কিন্তু এইবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, তাঁদের ফের রেজিস্ট্রেশন করিয়ে সেমিস্টার পদ্ধতিতে শুরু হওয়া উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ দিতে চেয়েছে। কিন্তু ১৩ লক্ষের মধ্যে মাত্র দেড় হাজার পড়ুয়ার নাম নথি ভুক্ত করেছেন। অত্যন্ত কম রেজিস্ট্রেশন করায় চিন্তা প্রকাশ করছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা এবং পড়ুয়াদের স্কুলছুট নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে জাতীয় শিক্ষানীতির সফল বাস্তবায়নে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১০০ নথিভুক্ত করার লক্ষ্য মাত্রা স্থির করা হয়েছে। ফলে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে। আসুন জেনে নিই বাংলায় স্কুলছুটের (School dropout) পরিসংখ্যান কত?

    বাংলায় ৯০ শতাংশই স্কুলছুট (School dropout)!

    উচ্চ মাধ্যমিকের সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য স্বীকার করে নিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৩ লক্ষের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই স্কুলছুট (School dropout)। সংসদকর্তা বলেছেন, “চলতি বছরেই যেমন দেখা গিয়েছ, ৭০ হাজারের মতো পরীক্ষার্থী এবার উচ্চ মাধ্যমিকে বসেননি। তাঁরা আবার একাদশে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন। যাঁরা বসছেন না, তাঁদের অধিকাংশ ড্রপ আউট। তাঁরা হয়তো কাজে যোগদান করেছেন। ছোটখাটো দোকান খুলছেন। এবার তাঁদের ফিরিয়ে আনতে নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।” কেন্দ্রের একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ সালে বিহারে স্কুলছুটের সংখ্যা ২০.৪৬ শতাংশ, গুজরাটে ১৭.৮৫ শতাংশ, অসমে ২০.৩ শতাংশ, অন্ধ্র প্রদেশে ১৬.৭ শতাংশ, পাঞ্জাবে ১৭.২ শতাংশ, মেঘালয়তে ২১.৭ এবং কর্ণাটকে ১৪.৬ শতাংশ। আবার রাজ্য শিক্ষা দফতরের রেকর্ড অনুসারে, মহামারীর কারণে ২০২৩ সালে মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লক্ষ কমেছে। ফলে বাকি রাজ্যের তুলনায় এই রাজ্যের অবস্থা খুব একটা আশা ব্যঞ্জক নয়।

    ১৮ বছরের আগেই মেয়েদের বিয়ে হচ্ছে

    ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী বাংলার (West Bengal) অর্ধেক মেয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ছাড়াই বাড়িতে রয়েছেন তাঁরা। কেন্দ্র সরকারের একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, এই মেয়েরা তাঁদের শিক্ষা শেষ না করে বা জীবিকা অর্জনের জন্য প্রশিক্ষণের কোর্স গ্রহণ করার পরিবর্তে পরিবারেই কাজ করছেন। বাংলায় যখন এই ধরনের মেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৪৯.৯ শতাংশ (School dropout)। সারা দেশে এই সংখ্যার পরিমাণ ৪৩.৮ শতাংশ। গত বছর পরিচালিত একটি সমীক্ষা অনুসারে দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে ১৮ বছর বয়সের আগেই বিয়ে করা মেয়েদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি৷ এরকম ১০০ জন মেয়ের মধ্যে ৪৫ জনের ২১ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে কন্যাশ্রী প্রকল্পে, ২৫ বছর বয়সী এবং বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জনকারী পরিবারের মেয়েদের জন্য এককালীন ২৫০০০ টাকা অনুদান দিয়ে থাকে। আবার যদি কোনও মেয়ের বাবা-মা উভয়েই মারা গিয়ে থাকেন বা শারীরিকভাবে অক্ষম হন, তাহলে এই প্রকল্পের সুবিধা পান। মহামারী চলাকালীন, অনেক পরিবার অনলাইন ক্লাসের জন্য স্মার্টফোনের সামর্থ্য না থাকায় অনেক ছেলে-মেয়ে তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ করে দিয়েছিল। অনেক পরিবার সরকারের এককালীন অনুদানের সাহায্যে তাঁদের মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। ফলে এই দিকগুলিও অনেক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শিক্ষকদের  বক্তব্য

    রাজ্যের (West Bengal) প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন ‘অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড’–এর রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেছেন, “উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেও কত জন ভিন রাজ্যে কাজে চলে যাচ্ছেন (School dropout)। একাদশ পাশ না করতে পেরে ড্রপ আউটের প্রবণতা আরও বেশি। কর্ম সংস্থান নেই, এসএসসি, পিএসসির নিয়োগ নেই। রাজ্যে চাকরি নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Copa America 2024: অঘটন! কোপার সেমিতে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারাল কলম্বিয়া

    Copa America 2024: অঘটন! কোপার সেমিতে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে হারাল কলম্বিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোপা-আমেরিকার (Copa America 2024) সেমিফাইনালে অঘটন। ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল কলম্বিয়া (Colombia)। ফাইনালে তাঁরা মুখুমুখি হবে মেসির আর্জেন্টিনার। এই ম্যাচে জেমস রদ্রিগেজ গোল না পেলেও নিজেকে নতুন করেই চিনিয়েছেন তিনি। উইদ্রল ফরওয়ার্ড হিসেবে অনবদ্য ফুটবল খেলেন তিনি। পিছন থেকে একের পর এক ফাইনাল থার্ডে পাস বাড়াতে থাকেন এই বর্ষিয়ান স্ট্রাইকার। সেই সুবাদেই শক্তিশালী উরুগুয়েকে হারিয়ে দিল তাঁরা। 

    ১০ জনে খেলেও জয় (Copa America 2024)

    ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল উরুগুয়ে। মনে করা হয়েছিল কোপার ফাইনালে (Copa America 2024) উঠবে তারাই। কিন্তু কলম্বিয়ার (Colombia) কাছে হার মানল তারা। প্রথমার্ধেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। গোল করেন জেফারসন লারমা। তাঁকে গোলের পাস বাড়ান জেমস রদ্রিগেজ। এ বারের প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ বার গোলের পাস বাড়ালেন তিনি। কর্নার থেকে বল তোলেন রদ্রিগেজ। সেই বলে হেড করেন লারমা। বল জালে জড়িয়ে যায়। এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। প্রথমার্ধের একদম শেষ দিকে লাল কার্ড দেখেন কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনোজ। গোটা দ্বিতীয়ার্ধ ১০ জনে খেলতে হয়েছে কলম্বিয়াকে। কিন্তু ১০ জনের কলম্বিয়াকে পেয়েও গোল শোধ করতে পারেনি উরুগুয়ে।

    ফাইনালে সামনে মেসি (Copa America 2024)

    চলতি টুর্নামেন্টে (Copa America 2024) দুর্দান্ত ছন্দে ছিল ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে (Uruguay)। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে (ভারতীয় সময়) খানিক অঘটন ঘটিয়েই সেই উরুগুয়ের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিল কলম্বিয়া। ম্যাচের একেবারে প্রথম মিনিট থেকেই দুই শিবিরের লড়াই ছিল টানটান। উরুগুয়ে খাতায়কলমে খানিকটা এগিয়ে থাকলেও এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েনি কলম্বিয়া (Colombia)। ফাইনালে রদ্রিগেজদের খেলতে হবে আরও এক ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার (Argentina) বিরুদ্ধে। দুরন্ত ছন্দে থাকা কলম্বিয়া ফাইনালে বিশ্বজয়ীদের কতটা বেগ দেবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে। যাইহোক প্রতিপক্ষ  আর্জেন্টিনা, সামনে ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • President Murmu: অলিম্পিক্সে পদকজয়ী সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টনে মাতলেন রাষ্ট্রপতি! ভাইরাল তাঁর নয়া অবতারের ভিডিও

    President Murmu: অলিম্পিক্সে পদকজয়ী সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টনে মাতলেন রাষ্ট্রপতি! ভাইরাল তাঁর নয়া অবতারের ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার এক অন্য অবতারে ধরা দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। শাড়ি ছেড়ে সালোয়ার কামিজ পরে, কোমরে ওড়না বেঁধে নেমে পড়লেন ব্যাডমিন্টন কোর্টে। তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি। গোটা দেশের অভিভাবকও তিনি। তবে ব্যাডমিন্টন হাতেও যে এভাবে চমক দেখাবেন কে জানত? বুধবার অলিম্পিক পদকজয়ী সাইনা নেহওয়ালের (Saina Nehwal) সঙ্গে ব্যাডমিন্টন কোর্টে মুখোমুখি হলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও 

    বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে। সেখানে দেখা যায়, হাতে ব্যাডমিন্টন র‍্যাকেট এবং পায়ে সাদা স্পোর্টস শ্যু পড়ে একেবারে ম্যাচের মুডে রাষ্ট্রপতি। অধিকাংশ সময়ই সম্বলপুরী শাড়িতে দেখা যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (President Murmu)। কিন্তু, বুধবার সন্ধ্যায় একেবারে অন্য মুডে ছিলেন তিনি। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যাডমিন্টন কোর্টে একেবারে দক্ষ খেলোয়াড়ের মেজাজে নেমে পড়লেন দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu)। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ২০১২ অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী সাইনার বিরুদ্ধে ৬৬ বছর বয়সি দ্রৌপদী জিতে নেন একটি পয়েন্টও। সেই দেখে হাততালিতে ফেটে পড়ে ব্যাডমিন্টন কোর্টের দর্শকাসন।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by President of India (@presidentofindia)

    এই ভিডিও পোস্ট করে রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়, খেলাধুলার প্রতি খুব স্বাভাবিক ঝোঁক রয়েছে রাষ্ট্রপতির (President Murmu)। তিনি মনে করেন নিয়মিত খেলাধূলা করলে শরীর ও মন তাজা থাকে। সম্প্রতি বিভিন্ন স্পোর্টসে মহিলাদের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যানে তিনি খুশি। আর সাইনার সঙ্গে ব্যাডমিন্টন খেলতে পেরেও তিনি খুব খুশি। 

    আরও পড়ুন: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন সাইনা

    সাইনা নেহওয়াল, শুধু একজন তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় নন বরং পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্তও। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন সাইনা। জানা গিয়েছে, ‘হার স্টোরি-মাই স্টোরি’ নামের ওই অনুষ্ঠানে পদ্ম সম্মান পাওয়া মহিলাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে, সেখানে সাইনা (Saina Nehwal) তাঁর জীবনের কাহিনি নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলকুচি (Sitalkuchi) ব্লকের মহিষমুড়ি এলাকায়। বোমার আঘাতে দুজনেই জখম হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sitalkuchi)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে শীতলকুচি (Sitalkuchi) এলাকায় বিজয় মিছিল করে। সেই মিছিল দেখার জন্যই বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপরই তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী দীপালি প্রামাণিক বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল। এদিন ওদের বিজয় মিছিল আছে জানার পর আমরাও ভয়ে বাড়িতে ছিলাম না। দুই মেয়েকে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু, মেয়েরা বাড়ির বাইরে যেতেই তৃণমূলের লোকজন ওদের লক্ষ্য করে বোমা মারে। দুই মেয়ের মধ্যে একজন মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। অন্যজনের বাড়ি থেকে চলছে চিকিৎসা। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করেন। দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিজেপি (BJP) নেতা মনোজ ঘোষ বলেন, “এভাবেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তৃণমূল কী আসলে কোনও রাজনৈতিক দল? এটা কী ধরনের কাজ? ভোটে কেউ জিতবে, কেউ হারবে এটাইে নিয়ম। কিন্তু, তাই বলে যাঁরা হারছে তাঁদের বাড়িতে বোমাবাজি করা হবে? ছোট্ট মেয়েরা মিছিল দেখতে এসেছে, তাদের ওপর হামলা করল তৃণমূল। এটা তো ক্ষমার অযোগ্য। অবিলম্বে এর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” তৃণমূল নেতা আলিয়ার রহমান বলেন, “দলীয় কর্মীরা কোনও বোমাবাজি করেনি। কয়েকজন কর্মী শুধু পটাকা ফাটিয়েছেন। তখনই হয়তো কারও গায়েটায়ে পড়েছে। এর বেশি কিছু নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ এই কাজ করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET UG Row: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    NEET UG Row: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি’, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কোনও প্রশ্নপত্র হারায়নি, ফাঁসও হয়নি।’ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এই মর্মে (NEET UG Row) হলফনামা দিয়েছে কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার নিট ইউজি প্রবেশিকা পরীক্ষায় হওয়া নিয়ে একগুচ্ছ অনিয়মের অভিযোগের শুনানি হওয়ার কথা শীর্ষ আদালতে। তার আগের দিনই কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, নিট পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, বড়সড় কোনও অনিয়ম হয়েছে বা স্থানীয়ভাবে এক সঙ্গে অনেক পরীক্ষার্থী সুবিধা পেয়েছেন, এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি।

    নিট ইউজি পরীক্ষা (NEET UG Row)

    চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে গেলে নিট ইউজি পরীক্ষায় বসতে হয়। এই পরীক্ষা এবং অন্যান্য বড় পরীক্ষার আয়োজন করে এনটিএ নামে একটি সংস্থা। অভিযোগ, গত কয়েক দিন আগে যে নিট ইউজি পরীক্ষা হয়েছিল, তার প্রশ্নফাঁস হয়ে গিয়েছিল। বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বর্তমানে সেখানেই বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। এনটিএ-ও সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের (NEET UG Row) যে অভিযোগ উঠেছে, তা ঠিক নয়। কারণ একটিও প্রশ্নপত্র হারায়নি, পাটনায়, যেখানে প্রশ্নপত্র রাখা হয়েছিল, সেখানকার তালাও ভাঙা হয়নি।

    এনটিএ-র দাবি

    এনটিএ-র দাবি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিহারের রাজধানী পাটনা থেকেই সর্বভারতীয় এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের অভিভাবকদের একাংশ। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার জালেই ধরা পড়েছে ৮জন। সুপ্রিম কোর্ট জমা দেওয়া হলফনামায় এনটিএ-র তরফে বলা হয়েছে, পরীক্ষা নিয়ে সিটি কো-অর্ডিনেটরের রিপোর্ট, সেন্টার সুপারিনটেনডেন্টস এবং পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগের কারণ খতিয়ে দেখা হয়েছে। তাতেই দেখা গিয়েছে, কোনও ট্রাঙ্ক(যেখানে প্রশ্নপত্র রাখা হয়েছিল) থেকেই একটিও প্রশ্নপত্র খোয়া যায়নি।

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রতিটি প্রশ্নপত্রের একটি ইউনিক সিরিয়াল নম্বর রয়েছে। সেটাই একটি নির্দিষ্ট ছাত্রকে দেওয়া হয়। কোনও ট্রাঙ্কেরই তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়নি। এনটিএ-র পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টে কোনও ব্যতিক্রমী কিছু দেখা যায়নি। কমান্ড সেন্টারের সিসিটিভিতে নিরন্তর মনিটরিং করা হচ্ছে। তাতে কোথাও কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটতে দেখা যায়নি, যা থেকে এটা প্রমাণ হয় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল (NEET UG Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Euro Cup 2024: সাউথগেটের চালই সেরা, নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ফের ইউরো ফাইনালে ইংল্যান্ড

    Euro Cup 2024: সাউথগেটের চালই সেরা, নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে ফের ইউরো ফাইনালে ইংল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরো কাপের (Euro Cup 2024) ফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও স্পেন। বুধবার ডর্টমুন্ডে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দিল হ্যারিকেনরা। ইংল্যান্ড (England) জিতল ২-১ ব্যবধানে। জাভি সিমন্স নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দিলেও হ্যারি কেন এবং অলি ওয়াটকিন্সের গোলে জিতল ইংল্যান্ড। থেমে গেল কমলা ঝড়। 

    হ্যারিকেনের দুরন্ত শট (Euro Cup 2024) 

    ম্যাচের (Euro Cup 2024) শুরু থেকে বল নিজেদের পায়ে রেখেছিল ইংল্যান্ড। চেষ্টা করছিল ধীর গতিতে আক্রমণে ওঠার। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের পরিকল্পনা ছিল অন্য। তারা শুরু থেকেই আক্রমণের খেলায় নেমেছিল। সাত মিনিটেই এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। মাঝমাঠে ডেক্লান রাইসের থেকে বল কেড়ে নিয়েছিলেন সিমন্স। একাই এগিয়ে যান সামনের দিকে। বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়ে শট মারেন। শট মারার আগেই পিছলে গিয়েছিলেন। তবু সেই শটের জোর যা ছিল তা আটকাতে পারেননি পিকফোর্ড। জেগে ওঠে ডাচ সমর্থকরা। ১৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। হ্যারিকেনের নিখুঁত শট আটকাতে পারেননি নেদারল্যান্ডস গোলকিপার ভারব্রুগেন। প্রথমার্ধ ১-১ থাকে। 

    সাউথগেটের চাল

    দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই নেমেছিল গোল করার লক্ষ্যে। কিন্তু ৮০ মিনিট পর্যন্ত আর গোল হয়নি। ম্যাচের ৮০ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন ইংল্যান্ড (England) কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। গোলদাতা হ্যারি কেনকে তুলে নিয়ে নামালেন অলি ওয়াটকিন্সকে। কোল পামার এলেন ফিল ফোডেনের জায়গায়। সংযুক্তি সময়ে সেই ওয়াটকিন্সের গোলেই নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দিল ইংল্যান্ড। খেটে গেল সাউথগেটের চাল। স্বপ্ন ভাঙল কমলা ব্রিগেডের কোচ রোনাল্ড কোম্যানেরও। ১৯৮৮ সালে ইউরোপসেরা হয়েছিল ডাচরা। সেই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন বর্তমান ডাচ কোচ। খেলোয়াড় হিসেবে ইউরো জেতার পাশাপাশি কোচ হিসেবেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি ছিল তাঁর সামনে। কিন্তু ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ায় কোম্যানকে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। 

    ফের একবার

    এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ইউরোর (Euro Cup 2024) ফাইনালে পৌঁছে গেল ইংল্যান্ড (England)। আগামী রবিবার স্পেনের বিরুদ্ধে খেলবে সাউথগেটের ছেলেরা। গতবার ফাইনালে ইটালির কাছে হেরে যাওয়ায় কাপ যায়নি বিলেতে। এবার আরও একটা সুযোগ পাচ্ছেন সাউথগেট। তবে, তরুণ ইয়ামেলের গতি আর স্পেনের টিকিটাকা-কে কীভাবে সামলাবেন হ্যারিকেনরা তা সময় বলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BIMSTEC: বিমসটেকের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু আজ থেকে, যোগ দেবেন এস জয়শঙ্কর

    BIMSTEC: বিমসটেকের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শুরু আজ থেকে, যোগ দেবেন এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিমসটেক’ (BIMSTEC) বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত। আজ ১১ জুলাই বিমসটেকের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক নয়াদিল্লিতে (Delhi) অনুষ্ঠিত হবে। ‘বিমসটেক’ এর সদস্য দেশগুলি হল- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। এই আঞ্চলিক জোট মূলত বঙ্গোপসাগরের সীমান্তবর্তী দেশগুলিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য কাজ করে। বিমসটেকের (BIMSTEC) শীর্ষ সম্মেলন চলতি বছরে সেপ্টেম্বর মাসেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। গত বছরের জুলাইতে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে প্রথম বিমসটেক বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারপর তা আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে নয়া দিল্লিতে (Delhi)।

    বিমসটেকের (BIMSTEC) সেক্রেটারি জেনারেল রয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিক ইন্দ্রমণি পান্ডে

    ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করা এই জোটে প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড সদস্য ছিল। ২০০৪ সালে এর সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৭। বিমসটেকের সদর দফতর খোলা হয় ঢাকাতে ২০১৪ সালে। বিমসটেকের সদস্য দেশগুলির মধ্যে যে সমস্ত বিষয় নিয়ে সহযোগিতা চলে সেগুলি হল ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, পরিবহন, শক্তি, পর্যটন, প্রযুক্তি, মৎস্য, কৃষি, জনস্বাস্থ্য, দারিদ্র-দূরীকরণ, পরিবেশ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান তথা জলবায়ু। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত বিমসটেকের প্রথম সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন শ্রীলঙ্কার সুমিত নাকানদালা। ২০২৩ সাল থেকে বিমসটেকের সেক্রেটারি জেনারেল রয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিক ইন্দ্রমণি পান্ডে।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিমসটেকের বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিমসটেকের (BIMSTEC) বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা এই বৈঠক দুদিন ধরে চলবে নয়া দিল্লিতে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, আলাদা আলাদা দেশের সঙ্গে সহযোগিতা, বাণিজ্য, যোগাযোগ- এ সমস্ত কিছু নিয়ে আলোচনা চলবে। বিমসটেকের বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যে দিল্লিতে হাজির হয়েছেন মায়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইউ থান। প্রসঙ্গত, ভারত সার্ক গোষ্ঠীর থেকেও বিমসটেককে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। কারণ ইতিমধ্যে দেখা গিয়েছে সার্ক গোষ্ঠীভুক্ত দেশ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনে কোনও রকমের ব্যবস্থা তো নেয় নি, উপরন্তু সন্ত্রাসকে মদত দেওয়ার অনেক রকমেরই কাজ করেছে। সে দিক থেকে পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে বিমসটেকের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে চলা ভারতের অনেক বড় কূটনৈতিক জয় বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Population Day: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    World Population Day: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১১ জুলাই ওয়ার্ল্ড পপুলেশন ডে বা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস (World Population Day)। সারা পৃথিবীতে প্রায় প্রতিনিয়তই দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে জনসংখ্যা। এর ফলে একদিকে যেমন স্থিতাবস্থা নষ্ট হচ্ছে তেমনই বাড়ছে উদ্বেগ। এর ভালো মন্দ দু’রকমের প্রভাবই পড়ছে। বাড়তে থাকা জনসংখ্যার প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

    বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের ইতিহাস (World Population Day)

    এই দিনটি পালন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন ড. কিসী। ১০০০ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ৪০ কোটি এবং ১৮০৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা পৌঁছেছিল ১ বিলিয়নে। এরপর ১৯৬০ সালে এই সংখ্যাটি পৌঁছায় ৩ বিলিয়ন এবং ১৯৮৭ সালে এই সংখ্যাটি পৌঁছায় ৫ বিলিয়নে। বর্তমানে বিশ্বের জনসংখ্যা ৮ বিলিয়নেরও বেশি। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির তৎকালীন গভর্নিং কাউন্সিল এই দিনটি পালন করার কথা বিবেচনা করেন। ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথম এই দিনটি পালন করা হয়। প্রথম বছরই বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ এই দিনটি পালন করে। তারপর থেকেই সারা বিশ্বে প্রতি বছর ১১ জুলাই পালন করা হয় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস (World Population Day)।

    কেন পালন করা হয় (World Population Day)

    এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের জনসংখ্যা প্রায় ৮ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার নেতিবাচক প্রভাব পরছে পরিবেশের ওপর। বাড়তে থাকা জনসংখ্যার কারণে দ্রুত পরিবেশ পরিবর্তন হচ্ছে এবং যার ফলে প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষার ওপর। এই বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।

    আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ার সাফল্য! প্রথম বার স্নাইপার রাইফেল রফতানির বরাত পেল ভারত

    ভারতে এর গুরুত্ব (World Population Day)

    বিশ্বে অন্যান্য দেশের তুলনায় জনসংখ্যার দিকে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে ভারত (India), জনসংখ্যা প্রায় ১৪১.৭২ কোটি। সব থেকে কম জনসংখ্যা রয়েছে ভ্যাটিকান সিটির, জনসংখ্যা প্রায় ৯০০ জন। তবে প্রতিবছর দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। এর ভালো মন্দ দুইই রয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, ২০৫০ সালে চিনের সম্ভাব্য জনসংখ্যা হবে ১৩১ কোটিরও বেশি। ওই সময়ে অনেকটাই এগিয়ে যাবে ভারত সম্ভাব্য জনসংখ্যা ১৬৬ কোটিরও বেশি। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশেষজ্ঞদের মনে। এক্ষেত্রে দেশে পরিবার পরিকল্পনা বা জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রকল্প আবশ্যিক ভাবে কার্যকর করা উচিত বলে অভিমত অনেকের। খাদ্য, বাসস্থান এবং কর্মসংস্থান নিয়ে এমনিতেই রয়েছে নানা সমস্যা। দেশে কমছে চাষযোগ্য জমির পরিমাণও। জন বিস্ফোরণ হলে, সেক্ষেত্রে খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। আর্থিক অবস্থার উন্নতি হলেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মোহন ভাগবতের মত

    এ বিষয়ে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত জনসংখ্যার স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে কথা বলেন। তিনি জানান, জনসংখ্যার ভারসাম্য যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দেশের সকলের জন্য জনসংখ্যা নীতি প্রযোজ্য হওয়া উচিত, বলে মনে করেন তিনি। জনসংখ্যা (India) ভারসাম্য হারালে ভৌগলিক সীমারেখার ওপর প্রভাব পড়বে। ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার ভারসাম্য একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। এই বিষয়টি আর অগ্রাহ্য করা উচিত হবে না বলেও তাঁর মত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Google Doodle: শতবর্ষ পূর্তিতে গুগলের শ্রদ্ধা ব্রাজিলিয়ান পদার্থবিদকে, চেনেন সিজার লেটেসকে?

    Google Doodle: শতবর্ষ পূর্তিতে গুগলের শ্রদ্ধা ব্রাজিলিয়ান পদার্থবিদকে, চেনেন সিজার লেটেসকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ বিশেষ দিনে বিশেষ বিশেষ মানুষ কিংবা কোনও একটি নির্দিষ্ট তারিখের বিশেষত্ব বোঝাতে ছবি বদলে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে গুগল (Google Doodle)। আজ, ১১ জুলাই। গুগল উদযাপন করছে ব্রাজিলিয়ান পদার্থবিদ তথা শিক্ষক সিজার লেটসের (Cesar Lattes) শততম জন্মদিন। এই সিজারই আবিষ্কার করেছিলেন পিয়ন বা পি মিসন-এর।

    গুগল ডুডুলের শ্রদ্ধা (Google Doodle)

    পিয়ন হল একটি সাব অ্যাটমিক উপাদান, ইলেকট্রনের চেয়ে যার ভর ২৭০ গুণ বেশি। এই গবেষককেই এদিন শ্রদ্ধা জানাচ্ছে গুগল ডুডুল। ১৯২৪ সালের এই দিনেই জন্মেছিলেন এই বিশ্বশ্রুত গবেষক। তাঁর আবিষ্কৃত পিয়ন অনায়াস করেছিল অ্যাডভান্সড নিউক্লিয়ার শক্তিগুলোকে বুঝতে। সিজার লেটেস-এর আবিষ্কার সম্পর্কে বলতে গিয়ে গুগল ডুডুল বলেছে, “হ্যাপি বার্থডে সিজার লেটেস। লাতিন আমেরিকা এবং বিশ্বকে এক্সপেরিমেন্টাল ফিজিক্সের পথ দেখানোয় তোমায় ধন্যবাদ।” লেটেসের গল্পটি সেই সময়কার, যখন এক গবেষক পাহাড়ের চূড়ায় দুটি ফটোগ্রাফিক প্লেট নিয়ে এসেছিলেন। আরও বেশি করে মহাজাগতিক রশ্মি পেতে এটা করা হয়েছিল।

    পিয়ন কী?

    টেক জায়েন্টের মতে, ‘লেটেস যে প্লেট মডিফায়েড করেছিলেন, সেটা একটি উপাদানের ট্র্যাকগুলোকে দেখায়, যেটা আগে কখনও দেখা গিয়েছিল না। এটাই হল পিয়ন। পিয়নগুলিকে পি মিজনসও বলে। এগুলি অ্যাটমের থেকেও ক্ষুদ্রতর। যখন কোনও স্পেস ম্যাটার পৃথিবীর অ্যাটমসস্ফিয়ারে ভেঙে পড়ে, তখনই জন্ম হয় পিয়নের।” গুগল ডুডল (Google Doodle) বলে, “লেটেস ঠিকই সন্দেহ করেছিলেন যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে যদি বোরন যোগ করা হয়, তখন বিভিন্ন উপাদানকে ভেঙে স্পষ্টতর ছবি দেখা যায়। এটা এত ভালো কাজ করেছিল যে, তিনি প্রতিটি প্রোটনকেও দেখতে পেয়েছিলেন।” লেটেস কেবল পি মিজনসের অস্তিত্বই আবিষ্কার করেননি, তিনি এ-ও দেখেছিলেন যে এমন কিছু মিজনস রয়েছে, যেগুলো অন্যদের থেকেও বেশি ভারী। তাঁর গবেষণার পুরস্কারও পেয়েছিলেন লেটেস।

    আর পড়ুন: “ভারত বিশ্বকে বুদ্ধ দিয়েছে, যুদ্ধ নয়”, অস্ট্রিয়ায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। এরই কিছুদিন পরে সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন তিনি। পরে যোগ দেন ক্যাম্পিনাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিজ্ঞানে গবেষণার জন্য সরকারকে বেশি করে ফান্ডিং করতে বলেন লেটেস (Cesar Lattes)। যার ফলশ্রুতিতে গড়ে ওঠে, সিবিপিএফ – ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ফিজিক্স। এখানকার সায়েন্টিস্ট ডিরেক্টরও ছিলেন লেটেস (Google Doodle)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share