Blog

  • Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় এক ধাক্কায় প্রায় ২৫০০ বেসরকারি বাস কমে যেতে চলেছে। ফলে মহানগরের গণপরিবহণে (Bus Service) একটা বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে। চলতি মাস থেকে পূজোর মধ্যে কলকাতায় প্রায় ২৫০০ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে চলাচল করে, এমন একাধিক রুট কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। বেসরকারি বাস মালিকদের বক্তব্য, তাঁদের হাতে নতুন বাস নামানোর অর্থ নেই। কারণ আগের মতন লাভজনক নয় এই পেশা।

    গণপরিবহণে বড় ধাক্কা (Bus Service)

    ১৫ বছরের বেশি মেয়াদ হয়ে গিয়েছে এমন শহরে প্রায় ২৫০০ বাস আছে কলকাতায়। প্রায় চার হাজারের কাছাকাছি বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে বিভিন্ন রুটে। এদের মধ্যে আদালতের নির্দেশে ২৫০০ বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে গণপরিবহণে একটা সমস্যা সৃষ্টি হবে। নতুন বাস নামানোর জন্য প্রস্তুত নন বাস মালিকরা। কোভিডের কারণে দু’বছর রাস্তায় নামেনি বহু বাস। এক্ষেত্রে বাস মালিকরা চাইছেন, সরকার কোনও ব্যবস্থা নিক। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বসীমা পেরিয়ে গেলে কলকাতা শহরে এবং কেএমডিএ এলাকায় এই ধরনের বাস আর চালানো যাবে না।

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১৫ বছরের সীমা পেরিয়ে যাওয়া বাসগুলি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিবহণ দফতর (Transport Dept) সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে। কিন্তু আদালতের নির্দেশ কার্যকর হলে মাস ছয়েক পর এই সংখ্যা অর্ধেক নেমে আসবে। ২০০৯ সালের পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে ১৫ বছরের বেশি বয়স হয়েছে কোনও বাস কলকাতায় আর চলতে পারবে না।

    সমাধান সূত্র (Transport Dept)

    ধাপে ধাপে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ২৫০০ হাজার বাস কলকাতার রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে। ফলে শহরের একাধিক রুটে বাসে ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অটো অল্প দূরত্বের যাত্রীদের জন্য উপযোগী হলেও, বেশি দূরত্বের যাত্রার জন্য একমাত্র ট্রেন এবং বাস ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই শহরে। এখনও কলকাতা জুড়ে মেট্রো তৈরি হয়নি। ফলে বাসের উপরেই নির্ভরশীল বেশিরভাগ যাত্রীরা। বর্তমানে একটি নতুন বাসের মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুন: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    নতুন বাসের জন্য এত বিপুল টাকা বিনিয়োগ করতে চাইছেন না বাস মালিকরা। ডিজেল মহার্ঘ্য হয়ে ওঠায় আগের মত লাভ নেই পরিবহণ ব্যবসায় দাবি বাস মালিকদের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমায়ুন হিমালয়ের (Kumaon Himalayas) পিথোরাগড় জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র চৌকোরি (Chaukori)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ওক, পাইন, দেওদার, রডোডেনড্রন, ফার গাছের জঙ্গলে ঢাকা এই চৌকোরি প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। চৌকোরি থেকে নন্দাদেবী, পঞ্চচুল্লি প্রভৃতি হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গগুলি দর্শন করা এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা।

    কাছেই প্রচুর দর্শনীয় স্থান (Chaukori)

    মূলত এই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দূরন্ত আকর্ষণের জন্যই বারবার এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি থেকে প্রায় ৩-৪ কিমি দূরের মাস্ক ডিয়ার রিসার্চ সেন্টার, মহাত্মা গান্ধীর সুযোগ্য শিষ্যা সরলা বেনের আশ্রমও। চৌকোরি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে আরও একটি জনপ্রিয় এবং মনোরম পর্যটন কেন্দ্র বেরিনাগ। ২৪ কিমি দূরে গঙ্গোলী হাট। চৌকোরি থেকে পাতাল ভুবনেশ্বর যাওয়ার পথে অবস্থিত এই গঙ্গোলী হাট হল কুমায়ুনী শিল্প-সংস্কৃতির এক অন্যতম পীঠস্থান। এখানে রয়েছে মহাকালী মন্দির।

    ঘুরে আসুন পাতাল ভুবনেশ্বর

    আবার ইচ্ছে এবং হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি (Chaukori) থেকে প্রায় ৩৮ কিমি দূরে পাতাল ভুবনেশ্বরও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পাতাল ভুবনেশ্বরের অন্যতম খ্যাতি শৈবতীর্থ হিসেবে। স্বয়ং আদি শঙ্করাচার্যর পদধূলিধন্য এই পাতাল ভুবনেশ্বর। এখানকার প্রাচীন গুহা মন্দিরটি কুমায়ুন অঞ্চলের অন্যতম পবিত্র ও প্রসিদ্ধ শৈবতীর্থ। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৩ কোটি দেবতার আবাস। এখানে একাধিক গুহায় জল চুঁইয়ে স্ট্যালাকটাইট এবং স্ট্যালাগমাইটে সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু অবয়ব। অনেকটা অন্ধ্রপ্রদেশের বোরহালু কেভ বা বোরহা কেভের মতোই চমৎকার সব সৃষ্টি। চৌকোরি থেকে সকালে বেরিয়ে পাতাল ভুবনেশ্বর ঘুরে আবার চকৌরিতেই রাত্রিবাস করা যায়। 

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chaukori)

    যাতায়াত-ট্রেনে এলে নামতে হবে কাঠগুদাম। এখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে চৌকোরি। দূরত্ব প্রায় ১৯৮ কিমি। আসা যায় লালকূয়া বা হলদোয়ানি থেকেও। সরাসরি গাড়ি নিয়ে আসা যায় ৮৬ কিমি দূরের আলমোড়া বা ১৭৩ কিমি দূরের নৈনিতাল থেকেও।
    থাকা-খাওয়া-চৌকোরিতে (Kumaon Himalayas) আছে কেএমভিএন (KMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪২) এবং বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। আর পাতাল ভুবনেশ্বরে থাকতে চাইলে এখানেও আছে কেএমভিএনের ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪৩) এবং কিছু বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে রাজভবন-নবান্ন সংঘাত। সম্প্রতি চোপড়ায় (Chopra Incident) দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারার ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের সিপি বিনীত গোয়েল এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সেই নির্দেশের পর রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার রিপোর্টও জানতে চাইলেন রাজ্যপাল।

    মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের 

    সম্প্রতি চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) ও রাজ্যের দুই শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহনের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন কলকাতা পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ কর্তার বিরুদ্ধে নবান্ন কী ব্যবস্থা নিয়েছে। তাছাড়া মাথাভাঙা এবং চোপড়ায় দুই তরুণীকে অত্যাচারের ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। 

    আরও পড়ুন: চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ! মহিলা নির্যাতনে নিন্দার জবাবেই কি পুলিশের পদক্ষেপ?

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভারতের সংবিধানের ১৬৭ অনুচ্ছেদের অধীনে মাননীয় রাজ্যপালের উপর অর্পিত কর্তৃত্বের ভিত্তিতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে দু’টি রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। প্রথমত, মাননীয় রাজ্যপাল কর্তৃক ভারত সরকার এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ কমিশনার এবং কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ? দ্বিতীয়ত, জনসমক্ষে একজন মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর এবং সালিশি সভায় দম্পতিকে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতে পুলিশের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সেক্ষত্রে ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত কিনা।

    তবে নবান্নর তরফে পাল্টা এখনও কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    Balurghat: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৯ মাস ধরে বেতন মিলছে না। কর্মবিরতির হুমকি গত মাসেই  দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তাতেও টনক নড়েনি প্রশাসন বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। সোমবার দুপুর থেকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা সদর হাসপাতালে আচমকা  কর্মবিরতি শুরু করে দিলেন সাফাই কর্মীরা।

    হাসপাতালে পরিষেবা শিকেয় (Balurghat)

    গত কয়েকদিন আগে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতাল (Hospital) সেরার শিরোপা পায়। সুপার স্পেশালিটি এই হাসপাতালে কলকাতার এক এজেন্সির অধীনে কর্মীরা রয়েছেন। ৯ মাস ধরে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। এদিকে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সির মালিককে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাই, নিয়মিত বেতনের দাবিতে এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিলেন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের পুরনো ভবনের অস্থায়ী কর্মীরা। আর এতেই প্রভাব পড়েছে হাসপাতালের পরিষেবায়। প্রায় ১১৬ জন অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মী এভাবে কর্ম বিরতিতে যোগ দেওয়ায় পুরো হাসপাতাল জুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। পুরো হাসপাতালের ইনডোর, আউটডোর, পিপি ইউনিট, ডায়ালিসিস, সি সি ইউ, এস এন সি ইউ, লিফট সহ সমস্ত পরিষেবায় প্রভাব পড়েছে। হাসপাতালের নিরাপত্তা থেকে সাফাই কোনও কিছুই কার্যত এদিন থেকে আর হচ্ছে না। এভাবে এতজন কর্মী একসঙ্গে অনির্দিষ্ট কালের জন্য কর্ম বিরতিতে যাওয়ার কারণে মাথায় হাত পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষেরও। জেলা হাসপাতাল সুপারের পক্ষ থেকে সিএমওএইচ, জেলাশাসকসহ উচ্চ আধিকারিকদের সকলের কাছে এই  বিষয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

     আন্দোলনকারীদের কী বক্তব্য?

     বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীদের নেতা yeবিজয় বাঁশফোড় বলেন, আমরা গত ৯ মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছি না। সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হচ্ছে। এভাবে সংসার চালানো সম্ভব নয়। এদিকে সামনের মাস থেকে আর কোনও টাকায় দিতে পারবেন না বলে এজেন্সির মালিক জানিয়ে দিয়েছেন। তাই, পরিষেবা বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছি।

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা কী বললেন?

    ঠিকাদার সংস্থার কর্তা অজয় কুমার ঘোষ বলেন, গত নয় মাস ধরে নিয়মিত বিল পাচ্ছি না। প্রায় দেড় কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ট্রেজারিতে চারটে বিল জমা করা হলেও, সব থেকে নূন্যতম বিল ছাড়া হচ্ছে। বিষয়টি বারবারই  হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরকে জানিয়েছি। বকেয়া টাকা না পেলে কী করে আমি কর্মীদের বেতন দেব? 

    হাসপাতাল সুপারের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে (Hospital) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,  বালুরঘাটের ট্রেজারি অফিসার রয়েছেন তিনি উদ্দেশ্য  প্রণোদিতভাবে কর্মীদের বেতন আটকে রেখেছেন। পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এমনকী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অর্ডারেও কর্মীদের বিল ছাড়ছেন না। এভাবে কর্মীদের কর্ম বিরতিতে হাসপাতালে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কিছুটা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    Jharkhand Assembly Polls: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরই হওয়ার কথা ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন (Jharkhand Assembly Polls)। এই নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হতে পারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা (Bangladeshi Infiltration)। এ রাজ্যের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকা, বিশেষ করে সাঁওতাল পরগনা বিভাগে ঢুকে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভিড়ে মিশে যাচ্ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা। পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা ঢুকছে পড়ছে ভারতে। তারপর শাসক দলের নেতাদের একাংশের বদান্যতায় তারা তৈরি করে ফেলছে জাল নথিপত্র। সেইসব কাগজ নিয়েই অনুপ্রবেশকারীরা মিশে যাচ্ছে সাঁওতাল পরগনার জনারণ্যে।

    অনুপ্রবেশের বিপদ (Jharkhand Assembly Polls)

    সাঁওতাল পরগনা এলাকাটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া। তাই অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিরা অনায়াসেই চলে আসছে ঝাড়খণ্ডে। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এ রাজ্যে কাজও পেয়ে যাচ্ছে তারা। তাই পেটে টান পড়ছে জনজাতিদের। এমতাবস্থায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের বিষয়টিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক দলগুলি। এ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের তরফে রাজ্য সরকারকে সাঁওতাল পরগনার ভিড়ে মিশে যাওয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ নিয়েই দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে রাজ্যের শাসক দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে।

    মাথাব্যথা যখন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা

    কেন্দ্রীয় সরকারের হিসেব বলছে, এ দেশের (Jharkhand Assembly Polls) ভিড়ে মিশে রয়েছে কয়েক কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে তারা। ঝাড়খণ্ডের সাঁওতাল পরগনায়ও রয়েছে এদেরই একটা বড় অংশ। গোড্ডা, দুমকা, দেওঘর এবং জামতাড়া এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে তারা (Bangladeshi Infiltration)। যার জেরে বদলে গিয়েছে এই সব এলাকার ডেমোগ্রাফি। পাকুড় এবং সাহেবগঞ্জে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন যথাক্রমে ২৬ ও ৪২ শতাংশ। মুসলমানদের হার যথাক্রমে ৩৫ ও ৩৪ শতাংশ।

    দ্রুত বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি

    নিরন্তর অনুপ্রেবেশ চলতে থাকায় দ্রুত বদলে যাচ্ছে শতাংশের এই হিসেবও। কেবল তাই নয়, এদেশে ডেরা বেঁধে অনুপ্রবেশকারীরা বিয়ে করে নিচ্ছে উপজাতি সম্প্রদায়ের  মেয়েদের। তাঁদের নামে থাকা জমি অনুপ্রবেশকারীরা লিখিয়ে নিচ্ছে নিজেদের নামে। অবিরাম চলছে ধর্মান্তকরণের কাজও। স্বাভাবিকভাবেই এই সব অঞ্চলে অচিরেই রক্তাল্পতায় ভুগতে পারে হিন্দুধর্ম। এই অনুপ্রবেশকারী জামাইদের বাড়বাড়ন্তে সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গার নামই বদলে হয়েছে ‘জামাইটোলা’।

    মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ

    রাজ্যে মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডিও। গত সপ্তাহেই (Jharkhand Assembly Polls) তিনি বলেছিলেন, “উপজাতীয় জনসংখ্যার ক্রমাগত হ্রাস ও সাঁওতাল পরগনা অঞ্চলে মুসলমান জনসংখ্যার অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি সতর্কতার একটি সঙ্কেত।” এক্স হ্যান্ডেলে এ বিষয়ে বার্তাও দিয়েছেন তিনি। সাঁওতাল পরগনার পাকুড়ে যে ক্রমেই ক্ষইছে জনজাতির জনসংখ্যা, তা জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, ২০০১ থেকে ২০১১ এই দশ বছরে এই এলাকায় জনজাতি সম্প্রদায়ের হার কমেছে ৪ শতাংশ। এলাকায় মুসলমানদের বাড়বাড়ন্তের জন্য ঝাড়খণ্ডের জোট সরকারের বিরুদ্ধে তুষ্টিকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। মারান্ডির মতে, যে সময় পাকুড়ে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি কমেছে ৪ শতাংশ, সেই পর্বে এই এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা বেড়েছে ৩ শতাংশ। পাকুড়, সাহেবগঞ্জ-সহ ঝাড়খণ্ড-বাংলা সীমানা-সংলগ্ন এলাকায় ডেমোগ্রাফি দ্রুত বদলে যাচ্ছে বলেও জানান মারান্ডি।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন

    গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে দুমকায় এক লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেএমএমের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারীদের লালনপালন করার (Jharkhand Assembly Polls) অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, এই অনুপ্রবেশকারীরা উপজাতির মহিলাদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। প্রসঙ্গত, ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন হওয়ার কথা নভেম্বর-ডিসেম্বরে। এ রাজ্যের বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে এসটিদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২৮টি আসন। এর মধ্যে আবার ১৮টি আসন রয়েছে সাঁওতাল পরগনায়। উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে এর মধ্যে চারটি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি।

    আর পড়ুন: অস্ট্রিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? কী কী বিষয়ে আলোচনা?

    রোটি, বেটি এবং মাটি বাঁচাতে লড়াই

    কিছুদিন আগেই সমাজ কর্মী ড্যানিয়েল ড্যানিশ ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে দায়ের করেছিলেন জনস্বার্থ মামলা। তাতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, গত কয়েক বছর ধরে সাঁওতাল পরগনায় জনসংখ্যার ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। কীভাবে বাড়ছে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা, কীভাবেই বা জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগতে শুরু করেছেন, তাও আদালতে জানিয়েছিলেন ড্যানিয়েলের আইনজীবী রাজীব কুমার।

    আদালতকে তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের (Jharkhand Assembly Polls) একটি নিষিদ্ধ সংগঠন সাঁওতাল পরগনার অনেক জায়গায় আদিবাসী মেয়েদের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করছে। তার জেরেই বদলে যাচ্ছে এলাকার ডেমোগ্রাফি। রাজ্যের বিজেপি নেতা অমর কুমার বাউড়ি বলেন, “সাঁওতাল পরগনা এলাকায় দ্রুত (Bangladeshi Infiltration) বদলে যাচ্ছে ডেমোগ্রাফি। জামাইপাড়া তৈরি করে জনজাতিদের জমি দখল করে নিচ্ছে বাংলাদেশিরা।” তিনি বলেন, “হিন্দুরাই যদি সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে তাহলে না বাঁচবে সংবিধান, না টিকবে গণতন্ত্র।” পদ্ম-নেতা বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে (Jharkhand Assembly Polls) আমরা লড়ব রোটি, বেটি এবং মাটি (খাবার, কন্যা সন্তান এবং জমি) বাঁচাতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bullet Train Corridor: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর! বুলেট ট্রেনের করিডরে বসছে অত্যাধুনিক শব্দ রোধক

    Bullet Train Corridor: যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে জোর! বুলেট ট্রেনের করিডরে বসছে অত্যাধুনিক শব্দ রোধক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Corridor) রুটে শব্দ দূষণ রোধ করতে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন (NHSRCL) অত্যাধুনিক যন্ত্র স্থাপন করছে। এগুলি শব্দ দূষণে বাধা দেবে। এই শব্দ রোধক যন্ত্রগুলি ২ মিটার লম্বা এবং ১ মিটার চওড়া বলে জানা গিয়েছে। জাপানের সংস্থা শিনকানসেন প্রযুক্তির দ্বারা এগুলি তৈরি করা হয়েছে। ট্রেন যাত্রার মধ্যে শব্দ দূষণ যাত্রীদের অস্বস্তির কারণ হয়। একনাগাড়ে কানে বেজে চলে ট্রেনের হর্ণ থেকে চাকা ও ট্র্যাকের ঘর্ষণের আওয়াজ। সেসব থেকেই মুক্তি দিতে এমন ব্যবস্থা নিচ্ছে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল কর্পোরেশন। এর পাশাপাশি ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা দিয়ে বুলেট ট্রেনে যাওয়ার সময় সেখানেও কাজ করবে এই অত্যাধুনিক যন্ত্র (Bullet Train Corridor)। প্রসঙ্গত, মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য ৫০৮ কিমি। এরমধ্যে ৪৬৫ কিমিতে থাকবে এই শব্দ রোধক ব্যবস্থা।

    ২০১৭ সালেই বুলেট ট্রেন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে দুজনে মিলেই আহমেদাবাদের সবরমতিতে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন। গত সাত বছরে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে প্রকল্পটি। জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেন ছুটবে প্রতি ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার স্পিডে (NHSRCL)। ২ ঘণ্টার মধ্যে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি মহারাষ্ট্রে রয়েছে ১৫৫.৭৬ কিমি, দাদরা ও নগর হাভেলিতে ৪.৩ কিমি, গুজরাটে রয়েছে ৩৪৮.০৪ কিমি। মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ যাত্রার পথে মোট ১২টি স্টেশন পড়বে। এর মধ্যে গুজরাটে রয়েছে ৮টি স্টেশন (সবরমতি, আহমেদাবাদ, আনন্দ, ভাদোদরা, ভরুচ, সুরাট, বিলিমোরা এবং ভাপি) ও মহারাষ্ট্রের হয়েছে ৪টি স্টেশন  (বোইসার, ভিরার, থানে এবং মুম্বই)।

    বুলেট ট্রেন প্রকল্পের (Bullet Train Corridor) প্রথম ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি হচ্ছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সে

    বুলেট ট্রেনের (Bullet Train Corridor) জন্য ইতিমধ্যেই তৈরি করা হয়েছে আলাদা করিডর। এই করিডরে আছে নদীর ওপর দিয়ে ২৪টি সেতু, ২৮টি স্টিলের সেতু এবং ৭টি টানেল। মাস কয়েক আগে নির্মাণ কাজের ঝলক দিয়ে ভিডিও পোস্ট করা রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেন প্রকল্পের প্রথম ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি হচ্ছে মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুর্লা কমপ্লেক্সে। ৪.৮৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই স্টেশনটি। জানা গিয়েছে, মাটির নীচে তিনতলা হবে এই স্টেশন। এর প্ল্যাটফর্ম মাটি থেকে ২৪ মিটার গভীরে হবে এবং স্টেশনের গোটা কাঠামো মাটি থেকে ৩২ মিটার পর্যন্ত গভীর থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 India vs Zimbabwe: জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ তিন টি২০-র দল ঘোষণা ভারতের, কারা এলেন, কারা গেলেন?

    T20 India vs Zimbabwe: জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে শেষ তিন টি২০-র দল ঘোষণা ভারতের, কারা এলেন, কারা গেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পাঁচ ম্যাচের টি২০ সিরিজ খেলছে ভারত ও জিম্বাবোয়ে (T20 India vs Zimbabwe)। ইতিমধ্যেই সিরিজের দুটি ম্যাচ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে প্রথমটিতে জিম্বাবোয়ে জিতলেও পরেরটিতে জিতেছে ভারত। ফলে, সিরিজের ফল আপাতত ১-১। আগামী বুধবার সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচ। আর তার আগেই শক্তি বাড়াচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। কারণ প্রথমে সিরিজের জন্য একটা দল ঘোষণা করা হলেও পরে টিম ইন্ডিয়া বার্বাডোজে আটকে পড়ায় জিম্বাবোয়ে সিরিজের জন্য ঘোষিত দলে বদল আনা হয়। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপ খেলা তিন প্লেয়ার এবার তৃতীয় ম্যাচ থেকে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে আগামী তিনটি টি২০ ম্যাচে ভারতীয় দলে বড়সড় পরিবর্তন হতে চলেছে।

    নতুন স্কোয়্যাডে কারা থাকছে? (Team India squad) 

    প্রথম দুটো ম্যাচে ভারতীয় স্কোয়্যাডে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে থেকে তিনজন প্লেয়ারকে বাদ দেওয়া হবে বাকি তিন ম্যাচের জন্য। বদলে নতুন তিনজন সুযোগ পাবেন। আর এই তিনজন হলেন বিশ্বকাপ জয়ী যশস্বী জয়সওয়াল, শিবম দুবে ও সঞ্জু স্যামসন। উল্লেখ্য, ভারতীয় দলের অংশ এই ত্রয়ী, গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ শিরোপা জিতেছিল।

     আর অন্যদিকে, বি সাই সুধারসন, কেকেআর পেসার হর্ষিত রানা এবং পাঞ্জাব কিংসের উইকেটরক্ষক জিতেশ শর্মার সাথে দেশে ফিরবেন। এই ত্রয়ীকে শুধুমাত্র প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ভারতীয় দলে রাখা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা! দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানাল আবহাওয়া দফতর

    তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের সম্ভাব্য একাদশ (T20 India vs Zimbabwe)

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের সম্ভাব্য একাদশের তালিকায় রয়েছেন যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল (সি), অভিষেক শর্মা, রুতুরাজ গায়কওয়াড়, সঞ্জু স্যামসন (ডব্লিউ কে), শিবম দুবে, রিয়ান পরাগ, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিষ্ণোই, আভেশ খান, মুকেশ কুমার। 

    শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টির জন্য ভারতের স্কোয়াড (Team India squad) 

    আর শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের (T20 India vs Zimbabwe) জন্য ভারতের স্কোয়াডে থাকবেন যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল (সি), অভিষেক শর্মা, রুতুরাজ গায়কওয়াড়, সঞ্জু স্যামসন (ডব্লিউ কে), শিবম দুবে, রিংকু সিং, ওয়াশিংটন সুন্দর, রবি বিষ্ণোই, আভেশ খান, মুকেশ কুমার, খলিল আহমেদ, ধ্রুব জুরেল, তুষার দেশপান্ডে ও রিয়ান পরাগ। 
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mirzapur Season 4: হতাশ করেছে তৃতীয় সিজন, কী হবে মির্জাপুরের চতুর্থ সিজনে?

    Mirzapur Season 4: হতাশ করেছে তৃতীয় সিজন, কী হবে মির্জাপুরের চতুর্থ সিজনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে মির্জাপুর সিজন ৩। যা দেখে অনেক ভক্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করেছেন যে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজের সিজন ৩-এর আগের সিজনের তুলনায় অনেক ধীরগতির এবং এর গল্প লাইনের অভাব ছিল। যদিও সিজন-৩ দর্শকদের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়েছে, ভক্তরা আমাজন প্রাইমের মির্জাপুর সিজন-৪ (Mirzapur Season 4) এর অপেক্ষা করছেন। যদিও অ্যামাজন প্রাইম (Amazon Originals) এখনও ৪ নম্বর সিজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, মির্জাপুর ৩-এর সমাপ্তি একটি মানসিক মোচড়ের সঙ্গে ইঙ্গিত দিয়েছে, যে গল্পে আরও অনেক কিছু রয়েছে এবং পরবর্তী সিজন সম্পর্কে আশা করা যায়।

    চতুর্থ সিজনের সম্ভাব্য গল্প (Mirzapur Season 4)

    মির্জাপুর সিজন-৩ এর ক্লাইম্যাক্স দেখায় গুড্ডু একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে হত্যা করে। তাঁর মা তাকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে এবং প্রধান সাক্ষী হন। গুড্ডুকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে মাধুরী তাকে হত্যা করার সুযোগ পায়। কারাগারের ভিতরে, সঙ্গীর দ্বারা নির্মমভাবে প্রহৃত হন এবং পরাজিত হন। এদিকে, কালীন ভাইয়া কিছুক্ষণ ব্যাকগ্রাউন্ডে থাকার পর খেলায় ফিরেছেন। সে মির্জাপুর সিংহাসনের একমাত্র প্রতিযোগী হতে চান এবং শেষ পর্যন্ত শরদকে হত্যা করেন।

    মির্জাপুর ৩ ভক্তদের হতাশ করেছে

    মির্জাপুরের প্রথম সিজন ২০১৮ সালে অ্যাড্রেনালিনের রাশ হিসাবে এসেছিল। অ্যাকশন, রাজনীতি, প্রতারণা এবং হিংসার দৃশ্য ওয়েব সিরিজটিকে (Amazon Originals) জনপ্রিয় করে তুলেছে। দ্বিতীয় সিজনও বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। দীর্ঘ চার বছর পর, ভক্তদের জন্য শেষ পর্যন্ত মির্জাপুর সিজন-৩ উপস্থাপিত করা হয়। তবে দুঃখজনকভাবে এই সিরিজ দর্শকদের আশাপূরণে ব্যর্থ হয়। গুড্ডু এবং কালিন ভাইয়ার টরিত্রে আলি ফজল ও পঙ্কজ ত্রিপাঠি দুরন্ত। গোলুর চরিত্রে শ্বেতা ত্রিপাঠীর অভিনয় নতুন দিশা দেখিয়েছে এই সিজনে। বীনা ত্রিপাঠির চরিত্রে রসিকা দুগ্গল মানানসই। কিন্তু, মুন্না ভাইয়াকে সকলে খুব মিস করে। অনেক উৎসাহী ভক্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় সমস্ত পর্ব দেখেছিলেন, কিন্তু বেশিরভাগ ভক্তরা হতাশ হয়ে পড়েন। অনেকেই এই সিরিজ (Mirzapur Season 4) বিরক্তিকর বলে জানান এবং গল্পের অভাবে অসন্তুষ্ট ছিলেন।

  • TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যানের অপসারণকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) ফের প্রকাশ্যে। পুর চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আগেই পদত্যাগের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন সিংহভাগ তৃণমূল কাউন্সিলর। এবার রীতিমতো পথসভা করে পুর-চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তাঁরা। তাঁর পদত্যাগের দাবি জানালেন দলের কাউন্সিলররা। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের নেতৃত্ব।

    ২১ জুলাইয়ের সমর্থনে মিছিলে নেই পুর-চেয়ারম্যান (TMC Conflict)

    দাঁইহাট পুরসভার মোট ১৪ টি ওয়ার্ড রয়েছে। সবকটিই শাসকদলের দখলে। বিগত একবছর ধরেই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে কাউন্সিলরদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায় সহ ১১ জন কাউন্সিলর প্রদীপ রায়ের পদত্যাগের (TMC Conflict) দাবিতে অভিযোগ জানিয়ে আসেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমসহ দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। বিগত প্রায় একবছর ধরেই পুরসভার বোর্ড মিটিংগুলিতেও অংশ নেওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন কাউন্সিলরদের একাংশ। সোমবার বিকেলে  একুশে জুলাইয়ের সভার সমর্থনে দাঁইহাটে মিছিল করা হয়। মূলত, ভাইস-চেয়ারম্যান সহ ১১ জন কাউন্সিলর এই মিছিলে ছিলেন। তবে, এই মিছিলে দেখা যায়নি দাঁইহাট শহর তৃণমূলের সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য এবং পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়কে। দাঁইহাটের স্টেশনবাজার তৃণমূল কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়। শেষ হয় পুরমার্কেটের সামনে। শেষে পথসভা হয়। এই পথসভায় ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্যের আগাগোড়াই ছিল দলীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের দাবি, ” আমি চেয়ারম্যান থাকবো, না কি সরে যাব, সেটা দলই ঠিক করবে। একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিলের বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি।”

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পথসভা করে কী দাবি জানালেন তৃণমূল কাউন্সিলররা?

    ভাইস চেয়ারম্যান (Dainhat) অজিত বন্দোপাধ্যায় বলেন,” আমরা ১১ জন কাউন্সিলর উপস্থিত হয়েছি। বর্তমান চেয়ারম্যান সবাইকে নিয়ে চলতে পারছেন না। চেয়ারম্যানের কাছে এঁরা কেউ সম্মান পান না। মহিলা কাউন্সিলররা সম্মান পাচ্ছেন না বলে তাঁরা চেয়ারম্যানের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দাঁইহাটের পরিষেবা এখন একদম বন্ধ। রাস্তাঘাট, নর্দমা, ডাষ্টবিন পরিষ্কার করা হয় না। দুর্গন্ধ ছড়ায়। জল দিয়ে পোকা বের হচ্ছে, সেদিকে লক্ষ্য রাখেন না চেয়ারম্যান। আমরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করছি।

    তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

     একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিল থেকে এভাবে দলেরই চেয়ারম্যানের (Dainhat) পদত্যাগ দাবি ওঠায় অস্বস্তিতে দলের জেলা নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়  বলেন,”দলের মধ্যে ক্ষোভ -বিক্ষোভ থাকলেও দলীয় নেতৃত্বকে জানানো দরকার। এভাবে রাস্তায় এসে ঝগড়া করা দলবিরোধী কাজ। ওরা ভুল করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংক্রমণের ভ্রুকুটি। মস্তিষ্কের সংক্রমণে (Brain Eating Amoeba) ফের শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেরলে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে, বিপদ বাড়বে।

    কেন উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক?

    কেরলে তিন শিশুর রহস্যজনকভাবে মস্তিষ্কের সংক্রমণ থেকে মৃত্যু হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সি একটি মেয়ে এবং ১৩ বছর বয়সি আরেক কিশোরীর মৃত্যুর পরে, সম্প্রতি ১৪ বছর বয়সি আরেক কিশোর মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (Brain Eating Amoeba) থেকেই এই মৃত্যু হচ্ছে। সংক্রমণের জেরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে শরীরের নানান অঙ্গের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি ওই ১৪ বছরের কিশোর এই উপসর্গ নিয়েই কেরলের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। কিন্তু তারপরে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আর তার জেরেই ছেলেটি মারা যায়। এর আগে আরও দুই শিশু এক ভাবে মারা যায়। আর তার জন্যই উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Brain Eating Amoeba)

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যে এই নিয়ে সতর্কতা জারি করা জরুরি। শিশুরা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মন্ত্রকের তরফ থেকে শিশুস্বাস্থ্যের দিকেও বাড়তি নজরদারি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের এই সংক্রমণ এক ধরনের অ্যামিবা থেকে হচ্ছে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, পুকুরের জল থেকেই এই সংক্রমণ হচ্ছে। পুকুর থেকেই ওই ব্যাকটেরিয়া নাকের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রবেশ করছে। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমছে। আর হঠাৎ করেই প্রাণহানির মতো বিপদও ঘটছে। 
    চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশুদের বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের, আপাতত পুকুরের জলে (Pond Water) স্নান না করানোই ভালো। কারণ, এদের কতখানি সংক্রামক ক্ষমতা রয়েছে, সে বিষয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তাই কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

    ডুব সাঁতারে সতর্কতা

    ১০ বছরের উর্ধ্বে শিশুদের পুকুরে (Pond Water) স্নানের ক্ষেত্রে ডুব দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু কিশোর-কিশোরী খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। তারা স্নানের সময় দীর্ঘক্ষণ পুকুরের ভিতরে ডুবসাঁতার দেয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া (Brain Eating Amoeba) সহজেই নাকের মাধ্যমে তখন মস্তিষ্কে পৌঁছতে পারে। আর তার থেকেই বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই আপাতত এই ধরনের কাজ থেকে আপাতত বন্ধ রাখা উচিত। সুইমিং পুলে নামার ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share