Blog

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে হুন্ডাই আই ২০ গাড়ির অভিযুক্ত চালক ২০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন!

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে হুন্ডাই আই ২০ গাড়ির অভিযুক্ত চালক ২০ লাখ টাকা পেয়েছিলেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণের (Delhi Blast) পেছনে থাকা হুন্ডাই আই-২০ গাড়ির (i20 Driver) চালককে এই নাশকতা মূলক কাজের জন্য ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত ওমর মহম্মদ ওরফে উমর নবী হরিয়ানার নুহের একটি বাজার থেকে নগদ অর্থ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে সারও কিনেছিল। বিপুল পরিমাণে সারের টাকা এই জঙ্গি কার্যকলাপের জন্যই সে পেয়েছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার অনুমান। উল্লেখ্য, গত সোমবার দিল্লির লালকেল্লার সামনে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গাড়ি পার্কিংয়ের ভিডিও (Delhi Blast)

    তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যেই হরিয়ানার বেশ কয়েকজন হাওয়ালা ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে একটি পার্কিং লটে গাড়ি বিস্ফোরণ (Delhi Blast) ঘটে। আত্মঘাতী ওই জঙ্গি হামলায় নিহত হওয়ার পাশাপাশি জখমও হন অনেকে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় আশপাশের গাড়ি এবং বাড়িতেও। বিকট আওয়াজে আশপাশের প্রচুর মানুষ ছুটে আসেন। এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়িও করতে দেখা যায় অনেককে। বিস্ফোরক ভর্তি ওই গাড়িটি (i20 Driver) ওই পার্কিং প্লেসে ঘণ্টা দুয়েক ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। ওই পার্কিং লটে থাকা অন্য গাড়িগুলির যাবতীয় বিবরণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তদন্ত সংস্থা সূত্রে খবর।

    ১৯৮৯ সালে পুলওয়ামায় জন্ম অভিযুক্তের

    জৈশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে জড়িত একটি হোয়াইট কলার জঙ্গি মডিউলের পর্দা ফাঁস করার সঙ্গে সঙ্গে তিন চিকিৎসককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের এই মডিউলের জাল বিস্তৃত কাশ্মীর, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশেও।

    জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত উমর ১৯৮৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জন্মেছিল। সে ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ছিল। তার সম্পর্কে বিশদে জানতে চলছে তদন্ত। তদন্তকারী অফিসাররা জনিয়েছেন, লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ভেতর থেকে সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গিয়েছে। ফলে বাইরের ট্রাফিক সিগন্যালে বিস্ফোরণের (Delhi Blast) ঠিক আগে এবং পরের মুহূর্তগুলির ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গাড়িচালক হিসেবে অভিযুক্ত উমরের ছবিও দেখা গিয়েছে। গাড়িটি পার্ক করার সময় সে কারও সঙ্গে দেখা করেছিল কিনা বা কথা বলেছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে প্রাক্তন এক চিকিৎসককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। কলেজ থেকে ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং জাতীয় মূল্যায়ন স্বীকৃতি কাউন্সিল (এনএএসি) নিয়ম ভাঙার জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চকে দুটি করে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে।

  • Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Digital Data: ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন আইন রূপায়ণে বড়সড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিপিডিপি (ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন) অ্যাক্ট (Digital Data) বাস্তবায়নের পথে বড়সড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই আইনের চূড়ান্ত নিয়মাবলী প্রকাশ (Protection Law) করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এর ফলে ভারতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল প্রাইভেসি কাঠামোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হল।

    নয়া আইন (Digital Data)

    নয়া আইন চালু হওয়ায় এখন থেকে কোনও সংস্থা, সরকারি দফতর এবং ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি কীভাবে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং তা প্রসেস করবে, তা নিয়ে বহুদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। শুধু তাই নয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলির ১৮ বছরের নীচের কাউকে প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করার আগে সম্মতি নিতে হবে তাঁদের বাবা-মায়ের। সরকার অবশেষে ২০২৩ সালের অগাস্টে সংসদে পাস হওয়া ডিপিডিপি আইনের কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে।

    সম্মতিভিত্তিক কাঠামো

    জানা গিয়েছে, বহু প্রতীক্ষিত এই নিয়মগুলি একটি সম্মতিভিত্তিক কাঠামো নিশ্চিত করবে, যা সোশ্যাল মিডিয়া, ই-কমার্স, গেমিং, ব্যাংকিং, পেমেন্ট এবং সরকারি সেবা ব্যবহারের জন্য অনলাইনে যাওয়া ইউজারদের ডেটা সুরক্ষিত রাখবে। আইন ভাঙলে কোম্পানি ও সংস্থাগুলিকে জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে। গুরুতর ডেটা সুরক্ষা ব্যর্থতা ও লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকার শাস্তি পর্যন্ত হতে পারে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, কোনও তথ্য চুরি হলে কোম্পানিগুলিকে তা দ্রুত জানাতে হবে ইউজার এবং নয়া ডেটা প্রোটেকশন বোর্ডকে। তবে এই নিয়মগুলি ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। বড় ধরনের ব্যাক-এন্ড পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করেই সরকার কোম্পানিগুলিকে সময় দিয়েছে ১৮ মাস (Digital Data)।

    ইউজারদের জানাতে হবে

    সরকার জানিয়েছে, কোনও তথ্য চুরি হলে তা অবিলম্বে ইউজারদের জানাতে হবে সহজ ভাষায়, যাতে চুরির ধরন ও সম্ভাব্য পরিণতি, সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপ, (Protection Law) এবং সহায়তার জন্য যোগাযোগের বিবরণ  স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা থাকে। সরকার আরও জানিয়েছে, এই আইন সাতটি মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এই নীতিগুলি হল সম্মতি ও স্বচ্ছতা, উদ্দেশ্য-সীমাবদ্ধতা, ডেটা-সংযম, যথার্থতা, সংরক্ষণসীমা, নিরাপত্তা সুরক্ষা, এবং জবাবদিহি।

    উদারনীতির জন্য লবিং

    শিশুদের অনলাইন ডেটা সম্পর্কিত বিষয়ে, যেখানে বিগ টেক এবং অন্যান্য বড় কোম্পানিগুলি উদারনীতির জন্য লবিং করে আসছিল, সেখানে নতুন আইন বাধ্যতামূলক করেছে যে ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের আগে কোম্পানিগুলিকে অবশ্যই যাচাইযোগ্য সম্মতি জোগাড় করতে হবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং রিয়েল-টাইম নিরাপত্তা—এ ধরনের অত্যাবশ্যক উদ্দেশ্যে কিছু সীমিত ছাড় দেওয়া হয়েছে। যেসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সহায়তা পাওয়ার পরেও আইনানুগ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্মতি অবশ্যই আইনানুগ অভিভাবকের কাছ থেকে নিতে হবে। শিশুর ব্যক্তিগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য যাচাইযোগ্য পারিবারিক/অভিভাবকের সম্মতি পেতে, কোম্পানিগুলিকে উপযুক্ত প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে (Digital Data)।

    ডেটা ফিডিউশিয়ারি

    নয়া নিয়মে স্পষ্টভাবে ডেটা ফিডিউশিয়ারি সম্পর্কে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি নানা নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত করা হয়েছে। কোন তথ্য কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে, সেই বিষয়ে সম্মতি দেওয়া (Protection Law), তা প্রত্যাহার করা কিংবা সেই তথ্য কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে নাগরিকদের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তথ্য ব্যবহার এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির মতো মূল বাধ্যবাধকতাগুলি আইন প্রণয়নের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়েছে (Digital Data)।

  • Daily Horoscope 16 November 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 November 2025: ধর্মস্থানে যেতে পারেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) যে কোনও কাজে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় সহকর্মীর দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    বৃষ

    ১) স্ত্রীর কারণে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পরে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কর্কট

    ১) শত্রুভয় কাটাতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    সিংহ

    ১) কাজের ব্যাপারে দুশ্চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ ঘটতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কন্যা

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে পারবে না।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    তুলা

    ১) আর্থিক টানাটানির যোগ।

    ২) কর্মস্থলে পদন্নোতির যোগ রয়েছে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভাল হবে।

    ২) ভ্রমণে গেলে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) সতর্কতা অবলম্বন করুন সব কাজে।

    ধনু

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের উপদেশে কর্মে উন্নতি।

    ৩) অলসতা ত্যাগ করুন।

    মকর

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও দারুণ অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় শুভ ইঙ্গিত।

    ৩) বড়দের কথা মেনে চলুন।

    মীন

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভপ্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে একটু কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 510: “আমি আর কি?—তিনি। আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী, আমার ভিতর ঈশ্বরের সত্তা রয়েছে! তাই এত লোকের আকর্ষণ বাড়ছে”

    Ramakrishna 510: “আমি আর কি?—তিনি। আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী, আমার ভিতর ঈশ্বরের সত্তা রয়েছে! তাই এত লোকের আকর্ষণ বাড়ছে”

    ৪৯ শ্রীশ্রীরথযাত্রা বলরাম-মন্দিরে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৩ই জুলাই
    কামিনী-কাঞ্চনত্যাগ ও পূর্ণাদি

    বিনোদ, দ্বিজ, তারক, মোহিত, তেজচন্দ্র, নারাণ, বলরাম, অতুল 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারের প্রতি— আচ্ছা, লোকের তিল তিল করে ত্যাগ হয়, এদের কি অবস্থা।

    “বিনোদ বললে, ‘স্ত্রীর সঙ্গে শুতে হয়, বড়ই মন খারাপ হয় (Kathamrita)।’

    “দেখো, সঙ্গ হউক আর নাই হউক, একসঙ্গে শোয়াও খারাপ। গায়ের ঘর্ষণ, গায়ের গরম!

    “দ্বিজর কি অবস্থা! কেবল গা দোলায় আর আমার পানে তাকিয়ে থাকে, একি কম? সব মন কুড়িয়ে আমাতে এল, তাহলে তো সবই হল।”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কি অবতার? 

    “আমি আর কি?—তিনি। আমি যন্ত্র, তিনি যন্ত্রী। এর (আমার) ভিতর ঈশ্বরের সত্তা রয়েছে! তাই এত লোকের আকর্ষণ বাড়ছে। ছুঁয়ে দিলেই হয়! সে টান সে আকর্ষণ ঈশ্বরেরই আকষর্ণ।

    “তারক (বেলঘরের) ওখান থেকে (দক্ষিণেশ্বর থেকে) বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। দেখলাম, এর ভিতর থেকে শিখার ন্যায় জ্বল্‌ জ্বল্‌ করতে করতে কি বেরিয়ে গেল,—পেছু পেছু!

    “কয়েকদিন পরে তারক আবার এল (দক্ষিণেশ্বরে)। তখন সমাধিস্থ হয়ে তার বুকে পা দিলে (Kathamrita)— এর ভিতর যিনি আছেন।

    “আচ্ছা, এমন ছোকরাদের মতন আর কি ছোকরা আছে!”

    মাস্টার — মোহিতটি বেশ। আপনার কাছে দু-একবার গিয়েছিল। দুটো পাশের পড়া আছে, আর ঈশ্বরে খুব অনুরাগ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তা হতে পারে, তবে অত উঁচু ঘর নয়। শরীরের লক্ষণ তত ভাল নয়। মুখ থ্যাবড়ানো।

    “এদের উঁচুঘর। তবে শরীরধারণ করলেই বড় গোল। আবার শাপ হল তো সাতজন্ম আসতে হবে। বড় সাবধানে থাকতে হয়! বাসনা থাকলেই শরীরধারণ।”

    একজন ভক্ত — যাঁরা অবতার দেহধারণ করে এসেছেন(Kathamrita), তাঁদের কি বাসনা — ?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — দেখেছি, আমার সব বাসনা যায় নাই। এক সাধুর আলোয়ান দেখে বাসনা হয়েছিল, ওইরকম পরি। এখনও আছে। জানি কিনা আর-একবার আসতে হবে।

    বলরাম (সহাস্যে) — আপনার জন্ম কি আলোয়ানের জন্য? (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— একটা সৎ কামনা রাখতে হয়। ওই চিন্তা করতে করতে দেহত্যগ হবে বলে। সাধুরা চারধামের একধাম বাকী রাখে। অনেকে জগন্নাথক্ষেত্র বাকী রাখে। তাহলে জগন্নাথ চিন্তা করতে করতে শরীর যাবে।

    গেরুয়া পরা একব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করিয়া অভিবাদন করিলেন। তিনি ভিতরে ভিতরে ঠাকুরের নিন্দা করেন, তাই বলরাম হাসিতেছেন। ঠাকুর অন্তর্যামী, বলরামকে বলিতেছেন — “তা হোক, বলুকগে ভণ্ড।”

  • India vs South Africa:  সব ছাপিয়ে প্রশ্নের মুখে ইডেনের ২২ গজ, রবিতেই শেষ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ?

    India vs South Africa: সব ছাপিয়ে প্রশ্নের মুখে ইডেনের ২২ গজ, রবিতেই শেষ ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেন টেস্ট শুরু হওয়ার আগে থেকেই পিচ নিয়ে প্রচুর জল্পনা হয়েছে। খেলা শুরু হতেই পিচ নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে উঠল। ম্যাচের যা পরিস্থিতি, তাতে রবিবার তৃতীয় দিনেই শেষ হয়ে যেতে পারে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট। ইডেন গার্ডেন্সের ২২ গজে ব্যাটারদের ‘অসহায়তা’ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে পিচের মান নিয়ে। অনিল কুম্বলে, চেতেশ্বর পুজারাদের মতো বিশেষজ্ঞেরা বিরক্ত। ম্যাচের প্রথম দিনের খেলার পরই পিচের সমালোচনা করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং কোচ। দু’দিনে পড়ল ২৬ উইকেট, সর্বোচ্চ রান ৩৯।

    ইডেনের পিচ নিয়ে বিরক্ত প্রাক্তনরা

    ইডেনের পিচ প্রস্তুতকারক সুজন মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি এমন উইকেট তৈরি করেছেন, যেখানে খেলা পাঁচ দিনই গড়াবে। কিন্তু ম্যাচ বলছে অন্য কথা। সুজন দাবি করেছিলেন, স্পোর্টিং উইকেট তৈরি করেছেন। ব্যাটার-বোলার সকলেই কিছু না কিছু সাহায্য পাবেন। দর্শকেরা উপভোগ্য টেস্ট ক্রিকেট দেখতে পাবেন চার-পাঁচ দিন ধরে। যদিও খেলার গতিপ্রকৃতি তা বলছে না। অসমান বাউন্স থাকা পিচকে বিপজ্জনক বললেন পুজারা। শনিবার চা বিরতির সময় পিচ নিয়ে আলোচনার সময় কিছুটা বিরক্ত মনে হল ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটারকে। তিনি বলেছেন, ‘‘এই পিচ ব্যাটারদের সাহায্য করছে না। আউটগুলো দেখলেই ব্যাটারদের অসহায়তা বোঝা যাবে। তাদের বিশেষ কিছু করার থাকছে না। বল কোন উচ্চতায় আসবে বোঝা যাচ্ছে না। কোনও বল লাফিয়ে উঠছে। আবার কোনওটা নেমে যাচ্ছে। পিচে বেশ কিছু ছোট ফাটল তৈরি হয়েছে। বল পড়ে প্রত্যাশার থেকে বেশি ঘুরছে।’’

    পিচ নিয়ে বিরক্তি দু’শিবিরেই

    পিচ নিয়ে বিরক্তি রয়েছে দু’শিবিরেই। প্রথম দিন চা বিরতির পর থেকেই ধুলো উড়তে শুরু করেছিল ইডেনের পিচে। দ্বিতীয় দিন সকাল থেকেই ফাটল দেখা গিয়েছে। অসমান বাউন্সের সমস্যা তো রয়েছেই। খুশি নন কুম্বলেও। শনিবার বুমরার হঠাৎ লাফিয়ে ওঠা একটা বলে জোর বেঁচে যান দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার রায়ান রিকেলটন। বড় আঘাত পেতে পারতেন তিনি। তা দেখে কুম্বলে বলেন, ‘‘পিচ কেমন আচরণ করবে বোঝাই যাচ্ছে না। এমন পিচ প্রত্যাশিত নয়। ভারতকে এখানে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে হবে। আমার তো মনে হচ্ছে তৃতীয় ইনিংসে ব্যাট করাই কঠিন হবে বেশ। জয়ের লক্ষ্য ১৪০-১৫০ রানের বেশি হলে ভারতীয় দলকেও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।’’

    ইডেনের পিচে সমস্যায় ব্যাটাররা

    ঘরের মাঠে ভারতীয় দল কোনও সুবিধা পাচ্ছে না। ইডেন টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৮৯ রানেই অলআউট হয়ে গেল ভারতীয় দল। গতকাল টেস্টের প্রথম দিনে বল হাতে জাদু দেখিয়েছিলেন জসপ্রীত বুমরা। আর শনিবার বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করলেন সাইমন হার্মার। তিনি মাত্র ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে সুবিধা করতে পারছেন না প্রোটিয়া ব্যাটারেরাও। জাডেজা, কুলদীপ, অক্ষরেরা বল ঘোরাচ্ছেন। বাউন্সও পাচ্ছেন! বল পিচে পড়ার পর কেমন আচরণ করবে বোঝা যাচ্ছে না। বাভুমা ছাড়া কেউ লড়াই করতে পারলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন ২৯ রানে। ৭৮ বলের ইনিংসে প্রমাণ করে দিলেন তাঁর রক্ষণ কতটা মজবুত।

    দায় এড়াতে পারবেন না সৌরভও

    দ্বিতীয় দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে ৬৩ রানে। তাদের হাতে রয়েছে ৩ উইকেট। বাভুমারা সুবিধাজনক জায়গায় নেই ঠিকই। কিন্তু চতুর্থ ইনিংসে এই রানটা তোলাও কঠিন হতে পারে। শুভমন ব্যাট করতে না পারলে আরও কঠিন। স্বাভাবিক ভাবেই পিচের মান নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে সিএবিকে। নিশ্চিত ভাবে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (ICC)। সিএবি-র সভাপতি হিসেবে দায় এড়াতে পারবেন না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও। এখন একমাত্র ভারতের জয়ই ইডেনের মান বাঁচাতে পারে।

  • Bihar Election Results: “মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে”, বললেন অলোক কুমার

    Bihar Election Results: “মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে”, বললেন অলোক কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষ উন্নয়ন, সুশাসন এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিহার নির্বাচনের ফল (Bihar Election Results) ঘোষণার পর এমনই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্বহিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সভাপতি অলোক কুমার। বিহারবাসীর জোরালো জনাদেশে দেশবাসীর কাছে নয়া বার্তা পৌঁছে গিয়েছে বলে মনে করেন হিন্দু সংগঠনের (VHP) এই নেতা। তিনি বলেন, “মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির চির সমাপ্তি ঘটবে।”

    তোষণের ভেটো ক্ষমতা কমে এসেছে (Bihar Election Results)

    বিহারের নির্বাচন (Bihar Election Results) দেশের রাজনীতিতে মুসলিম তোষণ এবং ভোট অঙ্কের রাজনীতির ভাবনা বদলে দেবে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) আন্তর্জাতিক সভাপতি আলোক কুমার বলেন, “সংখ্যালঘুদের ভয় দেখানো এবং মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কের প্রথাগত রাজনীতির ধারা আর চলবে না। তোষণের রাজনীতি করে মহাজোট দেশের অভ্যন্তরে ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাইছিল। মহারাষ্ট্র থেকে বিহার নির্বাচনের পর্যায় এবং ফল লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ভোট ব্যাঙ্কের ভেটো ক্ষমতা অনেকটাই কমে এসেছে। ভারতীয় রাজনীতিতে এই ভাবনার ক্রমপরিণতি অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই ভাবনার পূর্ণ সমর্থক।”

    এনডিএজোটের দ্বিতীয়বার ২০০ পার 

    বিহার নির্বাচনে (Bihar Election Results) মহাজোটের শরিক আরজেডি, কংগ্রেস ব্যাপক ভাবে ভরাডুবির শিকার হয়েছে। একই ভাবে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টিও খুব খারাপ ফল করেছে। তিনি অবশ্য বলেছিলেন, যদি ২৫ সিটের বেশি না পাই তাহলে দল রাজনীতি ছেড়ে দেব। কিন্তু খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে পিকে-কে। এদিকে এনডিএ বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০২টিতে জয়ী হয়েছে। এ নিয়ে এনডিএ দ্বিতীয়বারের জন্য ২০০ আসন অতিক্রম করতে পেরেছে। ২০১০ সালে এনডিএ জয়ী হয়েছিল ২০৬টি আসনে। তবে বিজেপি এককভাবে ৮৯টি আসন এবং জেডিইউ ৮৫টি আসন পেয়েছে। লোকজনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) পেয়েছে ১৯টি, হিন্দুস্তানি আওম মোর্চা ৫টি এবং জাতীয় লোক মোর্চা ৪টি পেয়েছে। আর মহাজোটের শরিক আরজেডি পেয়েছে ২৫টি, সিপিআই (এল)- সিপিআই এমএল ২টি, ইন্ডিয়ান ইনকসুসিভ পার্টি-ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ১টি,  সিপি আই এম (এম) ১টি আসন। এআইএমআইএম ৫টি এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টি ১টি আসনে জয়ী হয়েছে।

  • Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরের দিন শনিবারই বিজেপি (Bihar Poll Victory) থেকে বহিষ্কার করা হল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিংকে (BJP)। বরখাস্ত করা হয়েছে বিজেপিরই এমএলসি অশোক আগরওয়ালকেও। শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ৮৯টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি। তার পর শনিবারই শাস্তির খাঁড়া নেমে এল দলের দুই নেতার ওপর।

    সাসপেনশান লেটার (Bihar Poll Victory)

    আরকে সিংকে সম্বোধন করে সাসপেনশান লেটারে লেখা হয়েছে, “আপনার কার্যকলাপ দলের বিরুদ্ধে। এটি দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। দল এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং এটি দলের ক্ষতি করেছে।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, নির্দেশ অনুসারে আপনাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে এবং কেন আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হচ্ছে। এই চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে আপনার অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।” বিজেপি সূত্রে খবর, সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল, সাম্প্রতিক বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ। প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন (Bihar Poll Victory)।

    দল বিরোধী কাজের অভিযোগ

    বিহার বিধানসভার নির্বাচন হয় চলতি মাসের ৬ এবং ১১ তারিখে। এর আগে অক্টোবর মাসে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে ভোটারদের অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা নেতাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জেডিইউয়ের অনন্ত সিং এবং বিজেপির সম্রাট চৌধুরীর মতো বেশ কয়েকজন এনডিএ প্রার্থীও ছিলেন। সম্রাট বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।আরকে সিংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলবিরোধী মন্তব্য ও আচরণের জেরে বারবার ক্ষতি হয়েছে দলের। কাটিহারের মেয়র ঊষা আগরওয়ালকেও এই কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহার বিজেপির প্রধান অরবিন্দ শর্মা এদিন সকালে ওই তিন নেতার কাছে শোকজ-সহ বরখাস্তের নোটিশ পাঠান। সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে (BJP) তাঁদের আচরণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সংগঠনের ভাবমূর্তিরও (Bihar Poll Victory)।

  • Bihar Election: শাহি পরিকল্পনাতেই কিস্তিমাত বিহারে! স্রেফ দাঁড়িয়ে গোল খেলেন বিরোধীরা

    Bihar Election: শাহি পরিকল্পনাতেই কিস্তিমাত বিহারে! স্রেফ দাঁড়িয়ে গোল খেলেন বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তা এবং সুশাসনের জেরে ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির কুর্সিতে রয়েছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। তাঁর সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত করে (Bihar Election) চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর প্রশ্নাতীত সাংগঠনিক দক্ষতা এবং এনডিএর সুশাসন বিহারে বিজেপির বিপুল জয়ের নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। সদ্য সমাপ্ত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়েছে আগের সব নির্বাচনী ফলের চেয়ে ঢের বেশি। শতাংশের বিচারে এই হার ৯০ এর ওপর। যে কোনও মানদণ্ডেই এটি একটি চমকপ্রদ সাফল্য। তবে বিহারের এই নির্বাচন মোটেই ছিল না নিছক কেক-ওয়াক। নীতীশ কুমার প্রায় দু’দশক ক্ষমতায় থাকার পর আরও একটি মেয়াদের জন্য লড়াই করছিলেন। তাই রাজ্যজুড়ে ছিল প্রবল অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট হাওয়া। এহেন কঠিন পরিস্থিতিতেও নির্বাচনী লড়াইয়ে এনডিএকে সঠিক পথে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন অমিত শাহ।

    চাণক্যের প্রস্তুতি (Bihar Election)

    বিহার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার চার–পাঁচ মাস আগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন ভারতীয় রাজনীতির চাণক্য অমিত শাহ। তিনি শুধু বিজেপি নেতাদের সঙ্গেই নয়, এনডিএর জোটসঙ্গীদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছিলেন। জোট সঙ্গীদের বিশ্বাস এবং নিজেদের মধ্যে ঐক্যের ভিত মজবুত করে তুলতেই ওই বৈঠক করেছিলেন শাহ। তাঁর পদ্ধতিগত সাংগঠনিক দৃষ্টিভঙ্গি এনডিএকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে বড় ভূমিকা নিয়েছে। তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন জেডিইউ, চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি (আরভি), উপেন্দ্র কুশওয়াহার রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা এবং জিতন রাম মাঝির দলের সঙ্গে। নির্বাচনের ঢের আগেই এই জোট ঠিক করে ফেলেছিল আসনভিত্তিক জাতিগত সমীকরণের কাজ (Amit Shah)।

    ক্লাস্টার-লেভেল বৈঠক

    নির্বাচনের আগে শাহ জেলা পর্যায়ে অন্তত পাঁচটি সাংগঠনিক বৈঠক করেছিলেন। ক্লাস্টার-লেভেল বৈঠক করেছিলেন আরও পাঁচটি। সব মিলিয়ে তিনি বিহারে জনসভা করেছিলেন ৩৫টি, করেছিলেন একটি রোড-শো-ও। প্রতিটি সফরেই তিনি কোর গ্রুপের সঙ্গে কৌশলগত আলোচনা করেছিলেন, যাতে সার্বিক সমন্বয় ও স্বচ্ছতা বজায় থাকে (Bihar Election)। শাহ বুথ-স্তরের শক্তিশালী কার্যকলাপের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন। তিনি বারবার বলেন, বুথকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগই ভোট সর্বাধিক করার মূল চাবিকাঠি। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও অন্তর্দৃষ্টি জোটকে জেডিইউ এবং চিরাগ পাসওয়ানের দলের মধ্যে থাকা প্রাথমিক বিরোধ কাটিয়ে উঠতেও সাহায্য করেছে (Amit Shah)। যদিও শাহ আর বিজেপির জাতীয় সভাপতির পদে নেই, তবুও দল এখনও গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী লড়াইয়ে তাঁর পরামর্শের ওপর নির্ভর করে। মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা কিংবা দিল্লির কিংমেকারও আসলে তিনিই।

    এবার মিশন বেঙ্গল!

    এতদসত্ত্বেও এখনও মিশন সম্পূর্ণ হয়নি শাহের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন কেরল ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে আক্রমণাত্মক প্রচারের কথা ঘোষণা করেছেন, তখন শাহ নিয়ে ফেলেছেন আরও বড় একটি চ্যালেঞ্জ। সেটি হল তৃণমূলের কবল থেকে পশ্চিমবঙ্গকে মুক্ত করা। শাহ যখন দলীয় সভাপতি ছিলেন, তখন ২০১৯ সালে বিজেপি এ রাজ্যে বিজেপি লোকসভার ৪২টি আসনের মধ্যে জিতেছিল ১৮টিতে। ২০২১ সালে বিধানসভায় বিজেপির আসনসংখ্যা বেড়েছিল পাঁচ গুণ। প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলার জঙ্গলরাজ খতম করার অঙ্গীকার করেছেন, তখন আসন্ন লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Bihar Election)।

    শাহি ভূমিকা

    বিহারে এনডিএকে জেতানোর গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই শাহ টানা ১৯ দিন ঘাঁটি গেড়ে বসেছিলেন এ রাজ্যে। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি তৃণমূলস্তরে লড়াইয়ের কৌশল তৈরি এবং বাস্তবায়নও করেন তিনি। যার জেরে বিহারে বিজেপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একক বৃহত্তম দল হিসেবে (Amit Shah)। বিহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে ভাবনা ছিল, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে সেই ভাবনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে শাহ নির্বাচনের প্রতিটি সূক্ষ্ম দিক খতিয়ে দেখেন। গ্রহণযোগ্য আসন-বণ্টন নির্ধারণ থেকে শুরু করে নারী শক্তি ও যুব শক্তির মাধ্যমে প্রো-ইনকামবেন্সি ওয়েভ তৈরি করা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন শাহ।

    বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে কথা

    শাহের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সংবাদ মাধ্যমে জানান, পাটনায় টানা তিনদিন থাকার সময় তিনি তাঁর পুরো সময়সূচি খালি রেখে এমন সব বিদ্রোহী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, যাঁরা দলের জয়ের সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিতে আস্তিন গুটোচ্ছিলেন। তাঁর হস্তক্ষেপের জেরেই মাথা তুলতে পারেননি বিদ্রোহীরা। বরং যেসব আসনে বিদ্রোহীরা পথের কাঁটা হতে পারতেন, সেখানে বিজেপি আরও বেশি করে আসন জেতে (Bihar Election)। সেই সময় প্রায় ১০০ জন বিজেপি নেতা-কর্মী বিদ্রোহ করে দলবিরোধী কাজকর্ম করতে শুরু করেন। শাহ স্বয়ং উদ্যোগী হয়ে তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাঁদের সঙ্গে কৌশল ও রাজনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা করেন, এবং শেষমেশ সবাইকে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে শান্ত করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসেন। এর পুরো ক্রেডিটই প্রাপ্য শাহের (Amit Shah)। বিহারে শাহের টিমের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি বলেন, “শাহ প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলার পর এই বিদ্রোহীরা রাজি হন। এবং এটাই ছিল সেই বড় কারণগুলির একটি, যা বিজেপি এবং জেডিইউ প্রার্থীদের বাড়তি মাইলেজ দিয়েছিল (Bihar Election)।”

    রাজনৈতিক তিক্ততার অবসান

    বিজেপির এক প্রবীণ নেতা বলেন, “শাহের পদ্ধতির সবচেয়ে লক্ষণীয় এবং উজ্জ্বল দিক হল, তিনি যেভাবে জেডি(ইউ) এবং এলজেপি(আরভি)-র মধ্যে সম্পর্ক মসৃণ করেছেন এবং উভয় দলের জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা গড়ে তুলেছেন, যা শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালের রাজনৈতিক তিক্ততার অবসান ঘটিয়েছে।” তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ইউনিটের পক্ষ থেকে শাহই ছিলেন একমাত্র নেতা যিনি বিভাগীয় স্তর থেকে রাজ্য স্তর পর্যন্ত একাধিক বৈঠক করেছেন এবং কর্মীদের উজ্জীবিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন পূরণে।

    বিজেপির ‘ম্যান ফ্রাইডে’

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশের মতে, বিহার বিজয়ের পর, এবং তার আগে যেভাবে তিনি হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রের নির্বাচনও সামলেছেন, তা বিবেচনা করলে আবারও প্রমাণিত হয় (Amit Shah), শাহই বিহার এনডিএ এবং বিজেপির ‘ম্যান ফ্রাইডে’। প্রতিটি নির্বাচনী কাজ তিনি যেভাবে মিশন মোডে পরিচালনা করেছেন, তা অসাধারণ। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ বিরোধীদের বার্তা–প্রচারে উল্লেখযোগ্যভাবে আঘাত হেনেছে। তাই পর্যুদস্ত হয়েছে মহাগঠবন্ধন (Bihar Election)।

  • Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ”, লাড্ডু বিলি করে ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার জয়ের পর থেকেই বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে এখন ব্যাপক উন্মাদনা। অঙ্গ অর্থাৎ বিহার, কলিঙ্গ অর্থাৎ ওড়িশা জয়ের পর এবার লক্ষ্য বাংলা। বিহারের নির্বাচনী ফল ঘোষণার পরেই বিধানসভায় গেরুয়া আবির খেলে রীতিমতো লাড্ডু খেয়ে বিজয় উল্লাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপির জয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদারও। তাই এখন থেকেই বিহারের জয়কে সমানে রেখে বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূলকে হারানোর অঙ্গীকার নিতে শুরু করেছে বিজেপি। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন জয়ের উল্লাস প্রকাশ করে বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম নির্বাচন হয়েছে বিহারে। মানুষ দেশকে শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপর আস্থা রাখতে শুরু করেছেন। বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারের উপর আস্থা রেখেছেন।”

    গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিহার জয়ের প্রেক্ষিতে বলেন, “বিহার-বাংলা ১৯০৫ সালের আগে একই ছিল। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ এক ছিল। অঙ্গ দিয়েছে, কলিঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বাকি আছে বঙ্গ। বিভিন্ন মণ্ডলে মণ্ডলে যেন এই জয় উৎসবের মতো পালন করা হবে।” একই ভাবে আবার নিজের এক্স হ্যান্ডল থেকে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, “বিহারে এনডিএ-এর ঐতিহাসিক জয়। গণতন্ত্র এবং উন্নয়নের জয় হয়েছে। বিহারের জনগণ স্পষ্টতার সঙ্গে কথা বলেছেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে অভূতপূর্ব জনাদেশ প্রদান করেছে। আমাদের এই গৌরবময় বিজয়ের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নির্দেশনায় জনকল্যাণ, পরিকাঠামোর উন্নয়নের প্রতি জোর দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শীতাকে আমরা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই।”

    পদ্ম ফুটবে বাংলায়

    বিহার নির্বাচনে এনডিএ সরকারের বিরাট সাফল্যের জন্য কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের স্বচ্ছ কাজকেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একমাত্র কারণ বলে মনে করছেন। সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার, উন্নয়ন মূলক প্রকল্প, ভোটার তালিকা সংশোধন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এনডিএ সরকারকে আরও একবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছে। অপর দিকে আরজেডি-কংগ্রেস তোষণনীতিকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়ায় ভরাডুবি হয়েছে। তবে গত ২০২৪ সালের লোকসভার সময় ওড়িশা বিধানসভায় নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বিহারে এইবার বিজেপি একক ভাবে সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে। ফলে থাকল বাংলা। বাংলাতেও দ্রুত পদ্ম ফুটবে বলে আশাবাদী বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব।

    বিহারে হিংসা হয়নি

    বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বিহারের জয়কে বাংলার প্রেক্ষিতে দেখে বঙ্গে বিজেপির জয় নিয়ে বিরাট আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “অঙ্গ রাজ্যের অবস্থান ছিল বর্তমান বিহারের পুর্বাঞ্চল থেকে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এক এলাকা। বিহার নির্বাচন ২০২৫ সালে বিপুল জয় এনে দেখিয়েছে এনডিএ। অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গ বিজেপি দখল করে নেবে। কলিঙ্গ, অঙ্গে চলে এসেছে এবার বঙ্গের পালা। বিহার স্পষ্ট প্রমাণ করেছে ভারতের মানুষ জঙ্গলরাজ এবং সুশাসন বলতে ঠিক কি বোঝেন। মানুষ ভোট দিয়ে বুঝিয়েছে এই জঙ্গলরাজ সরকার আর কোনও দিন আসবে না। বিহারে জঙ্গলরাজ শেষ হয়েছে। এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ হবে। বিহারে দেখা গিয়েছে গণতন্ত্র কেমন হয়, কোন হিংসার ঘটনা ঘটেনি, এবার বাংলার জঙ্গলরাজ শেষ করবে বিজেপি।”

    ২০২৬ সালের নির্বাচন কতটা ভয় মুক্ত?

    বাংলা জয় নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, “বিহার জয়ের পর এবার বাংলা টার্গেট। বিহার আমাদের জয় হেবেই। বাংলায় দিদির পরাজয় পরবর্তী পালা। বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গাদের তারাতে পারলেই অনুপ্রবেশকারীমুক্ত হবে। আর তা হলেই বাংলা জয় নিশ্চিত। লালু নিজেই সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ। ওঁর পরিবার সব থেকে বেশি লাভবান হয়েছে। মহিলাদের জন্য নরেন্দ্র মোদি এবং নিতীশ কুমার লাখপতি দিদি-র মতো প্রকল্প এনেছেন।”

    তবে বাংলার নির্বাচনে শাসক বিরোধী রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যেমন মারাত্মক ছিল একইভাবে গত পঞ্চায়েত এবং লোকসভাতেও উল্লেখ যোগ্যভাবে ছিল। তৃণমূলের হাতে প্রচুর বিরোধী নেতা-কর্মীরা নিহত হয়েছিলেন। পাশাপাশি এইবারে বিহারের নির্বাচনে হিংসার নমুনা নেই বললেই চলে। ফলে আগামী দিনে বঙ্গ রাজনীতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা কোন মাত্রায় প্রবাহিত হয় তাও দেখার বিষয়।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় উত্তর দিনাজপুর থেকে এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার আরও এক অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার সমানে বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার বাংলা যোগ আরও স্পষ্ট হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে এক ডাক্তারি পড়ুয়াকে। তাঁর নাম যাহ নিশার আলম। তিনি হারিয়ানার আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালায়ের এমবিবিএসের ছাত্র। শুক্রবার ভোরে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ টিম সুর্যাপুর বাজার চত্বর থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই বিস্ফোরণ মামলায় জঙ্গি সংগঠনের তরফে চিকিৎসকদের একটা বড় গ্রুপকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

    লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগ নিশারের (Delhi Blast)!

    দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ড (Delhi Blast) ধৃত নিশার আলমের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, যাহ নিশার আলমের আদি বাড়ি লুধিয়ানায় হলেও তাঁর পৈতৃক বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা থানার অধীনে কোনাল গ্রামে। তাঁর বাবা তৌহিদ আলম কর্মসূত্রে কয়েক দশক আগে লুধিয়ানায় গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তবে কোনাল গ্রামের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। দুই একদিন আগে পারিবারিক একটি বিয়েতে যাহ নিশার তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে কোনাল গ্রামে এসেছিলেন। এবার এই কাজে এসেই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত নিশার। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে প্রথম লুধিয়ানার তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকেই জানা যায়, নিশার বর্তমানে উত্তর দিনাজপুরের বাড়িতে রয়েছে। এরপর তদন্তকারী অফিসাররা দ্রুত উত্তরবঙ্গে আসে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই সুর্যাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। শুক্রবার ভোরে নেমেই নিশারের বাড়িতে অভিযান চালায় তদন্তকারী অফিসাররা।

    হতবাক পরিবার

    পুলিশ জানিয়েছে, প্রথমে নিশারের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে লোকেশন ট্র্যাক করা হয়। এরপর মোবাইলের লোকেশন সূর্যাপুর বাজারের লোকেশন স্থির করা হয়। তারপর সেখানে পৌঁছায় তদন্তকারী দল এবং এরপর নিশারকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) থানায়। পরে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে পরিবার ছেলের কাণ্ডে সম্পূর্ণ ভাবে হতবাক। নিশারের কাকা আবুল কাশেম বলেন, “ভাইপোকে আমরা খুবই শান্ত-স্বভাব ও ভদ্র ছেলে হিসেবে চিনি। সে পড়াশোনা ছাড়া কোনও বিষয়ে মাথা ঘামায় না।” গ্রামের বাসিন্দারাও জানিয়েছেন নিশার অত্যন্ত ভদ্র এবং শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। এত বড় ঘটনার সঙ্গে তার নাম কীভাবে জড়িয়েছে তা ভেবেই হয়রান।

LinkedIn
Share