Blog

  • Hathras Incident: হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    Hathras Incident: হাথরস কাণ্ডে গ্রেফতার ৬, মধুকরকে ধরতে লাখ টাকার পুরষ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাথরস কাণ্ডে (Hathras Incident) গ্রেপ্তার হলেন ৬ জন। এরা সকলেই সৎসঙ্গের সেবাদার। হাথরসে মহিলা ও শিশু মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১২১। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত গ্রেফতার হননি স্বঘোষিত ধর্মগুরু সুরজ পাল সিং ওরফে নারায়ণ সাকার হরি ওরফে ভোলে বাবা। তাঁর খোঁজে আশ্রমে তল্লাশি চালায় উত্তর প্রদেশ (UP) পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) । তবে বাবা ছাড়াও এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত ভোলে বাবার প্রধান সেবাদার দেব প্রকাশ মধুকরের এখনও খোঁজ মেলেনি।

    মূল অভিযুক্ত মধুকর পলাতক (Hathras Incident)

    উত্তর প্রদেশ পুলিশের আইজি সালাভ মাথুর বলেন, যে ৬ জন গ্রেফতার হয়েছেন তাঁরা সকলেই সৎসঙ্গের সেবাদার। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ভোলে বাবা এবং অভিযুক্ত দেবপ্রকাশ মধুকরকে ধরার জন্য এক লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হবে। তদন্তে (Hathras Incident) যেমন প্রয়োজন হবে সেই অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে।

    ভিডিও বিবৃতি জারি করলেন ভোলে বাবা

    মঙ্গলবার হাথরসের ফুলরাই গ্রামে ভোলেবাবার সৎসঙ্গের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন আড়াই লক্ষ ভক্ত। কিন্তু সেই তুলনায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। অনুষ্ঠানের পর গুরুর পায়ের ধুলো নেওয়ার জন্য হুটাপুটি পড়ে যায়। পদপিষ্ট (Hathras Incident) হয়ে মারা যান ১২১ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা ও শিশু। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন মধুকর এবং ভোলেবাবা। একটি ভিডিও বিবৃতি দিয়ে ভোলে বাবা সমাজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর দাবি সমাজ বিরোধীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

    আরও পড়ুন: যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা!

    বুধবার আহতদের দেখার জন্য হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান উত্তরপ্রদেশের (UP)  মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি এই ঘটনার জন্য দায়ী সকলের আইনের আওতায় শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তের বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির (Dengue cases) চোখরাঙানি। গত সাত দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৯। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যে ১ হাজার ৩২৮ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। স্বাস্থ্য দফতরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ, হুগলির মতো জেলাগুলির পরিসংখ্যানও।

    উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গির থাবা (Dengue cases)!

    জানা গিয়েছে, এই বছরে বর্ষার (Rainy season) শুরুতেই ডেঙ্গি (Dengue cases) সব থেকে বেশি থাবা বাসিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এই জেলায় মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা। এখানে মোট আক্রান্ত ১৭৪। মুর্শিদাবাদে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৩। একই ভাবে কলকাতায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩। ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্তকতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলায় জেলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। তাতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গি পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর প্রস্তুতি যেন খতিয়ে দেখা হয়।

    আরও পড়ুনঃ সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    এখন থেকেই সক্রিয় প্রশাসন

    গত বছর ১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue cases) আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১ লক্ষের কাছাকাছি। এই বছর যাতে সেই রকম খারাপ পরিস্থিতি না হয়, তাই এখন থেকেই পঞ্চায়েত এবং পুরসভাগুলি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন থেকে নিকাশি নালা, জমা জল, আবর্জনা পরিষ্কার, মশানিরোধক ওষুধ ব্যবহারের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তবে বর্ষায় (Rainy season) মশার কামড় রুখতে বাড়িতে বাড়িতে মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বেশি করে। পাশাপাশি জন সচেতনতার প্রচার-প্রসারের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেচ দফতর রাজ্যের প্রতিটি খালের দিকে নজর রাখবে। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরকে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় সরকার, জম্মু-কাশ্মীরে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৯৬০ জন পুলিশ নিয়োগ

    Jammu Kashmir: সন্ত্রাস দমনে সক্রিয় সরকার, জম্মু-কাশ্মীরে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৯৬০ জন পুলিশ নিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সীমান্ত সুরক্ষার জন্য ৯৬০ জন বিশেষ প্রশিক্ষিত পুলিশ নিয়োগ করল সরকার। এদের মার্কিন মেরিনদের মতো করে তৌরি করা হয়েছে। সেভাবেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এদের মধ্যে ৫৬০জনকে জম্মুর সীমান্ত বরাবর ও বাকিদের উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্ত পাঠানো হবে। এই দলটি শুধুমাত্র অনুপ্রবেশ রোধে এবং সন্ত্রাস দমনে (Combat Terror) কাজ করবে। এদের পুলিশের অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    এই দলের বৈশিষ্ট্য (Jammu Kashmir)

    জম্মু কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশের ডিজিপি আর আর সোয়াইন জানান, এই দলে জম্মুর বিভিন্ন তহসিল থেকে খুব অল্পবয়সী ছেলেদের নেওয়া হয়েছে। এঁরা একেবারে স্থানীয় হওয়ায় নিজের নিজের এলাকা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। স্থানীয়স্তরে কোনও রকম অসাধু পদক্ষেপ শুরু হলেই তা এদের নজরে পড়বে। এই কর্মীরা “সীমান্ত গ্রামের” “খুব অল্পবয়সী” লোক বলে উল্লেখ করে, সোয়াইন বলেন, “এই ছেলেরা এলাকাটি ভালভাবে জানেন এবং শত্রুর কৌশলও বোঝেন। এরা আমাদের নিজের ছেলে। জম্মু ও কাশ্মীরের বাইরের জায়গা থেকে আসেনি। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সীমান্ত তহসিল থেকে এদের নেওয়া হয়েছে।” এই দলটি শুধুমাত্র পাক অনুপ্রবেশ রুখতে কাজ করবে। সন্ত্রাস দমনে নিরাপত্তারক্ষী ও সেনাদের সাহায্য করবে।

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ স্মার্টফোন, রাম মন্দিরের পুরোহিতদের পোশাকের রং গেরুয়া থেকে হলুদ

    সন্ত্রাস দমন শেষ পর্যায় (Jammu Kashmir)

    রাজ্যসভার ভাষণে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) সন্ত্রাস দমন ইস্যুতে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, যে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদের (Combat Terror) বিরুদ্ধে লড়াই প্রায় শেষ পর্যায়ে। সেখানে অবশিষ্ট সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক নির্মূল করতে সরকার বহুমুখী কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পুলিশ নিয়োগ তারই এক ধাপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, গত জুন মাসে একই সপ্তাহে পর পর একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় তপ্ত ছিল ভূস্বর্গ। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে ফের শপথ নিয়েই অমিত শাহ ওই হামলা প্রসঙ্গে হাইভোল্টেজ বৈঠক ডাকেন। ‘মিশন মোডে’ কাজ করতে নানান নির্দেশ দেওয়া হয় সেনা ও গোয়েন্দা বিভাগকে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalki 2898 AD: ৭ দিনে ৭০০ কোটি পার! বিশ্ব বক্স অফিসে নয়া নজির গড়ল ‘কল্কি’

    Kalki 2898 AD: ৭ দিনে ৭০০ কোটি পার! বিশ্ব বক্স অফিসে নয়া নজির গড়ল ‘কল্কি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বক্স অফিসে রেকর্ড গড়ল বলিউডের ‘কল্কি’  (Kalki 2898 AD)। গত ২৭ জুন রিলিজ করেছে কল্কি ২৮৯৮ এডি। ভারতীয় বক্স অফিসে ছবি রিলিজের প্রথম পাঁচ দিনেই প্রায় সাড়ে তিনশো কোটির দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল এই সিনেমার আয়। আর এবার সিনেমা রিলিজের ৭ দিনের মধ্যেই বিশ্ব বক্স অফিসে (Box Office Collection) ৭০০ কোটির ও বেশি আয় করল প্রভাস ও দীপিকা পাডুকোন অভিনীত কল্কি ২৮৯৮ এডি। জানা গিয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে সমস্ত ভাষা মিলিয়ে এখনও অব্দি ৭২৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই সিনেমা। সফল সপ্তাহান্তের পর কাজের দিনগুলিতেও আয়ের একটি স্থির গতি বজায় রেখেছে কল্কি।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অর্পিতা! নিয়োগ মামলায় ‘পার্থ ঘনিষ্ঠ’-কে জেরা করবে আয়কর দফতর

    কী জানাল সিনেমার প্রযোজক সংস্থা? (Kalki 2898 AD)

    এ প্রসঙ্গে এই সিনেমার প্রযোজক বৈজয়ন্তী মুভিজ জানিয়েছে যে, ছবিটি বিশ্বব্যাপী ৭০০ কোটির বেশি আয় (Box Office Collection) করেছে। আগুনের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়া দীপিকার চরিত্রের একটি পোস্টার শেয়ার করে, তারা লিখেছেন, “স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত রয়েছে। এর জাদুটির সাক্ষী থাকুন।” একইসঙ্গে তারা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিও শেয়ার করেছে। এই ছবির নির্মাতারা আশা করছেন কল্কি ১০০০ কোটি টাকার ব্যবসা ছাড়িয়ে যাবে।

    প্রশংসা কুড়িয়েছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ও

    উল্লেখ্য, নাগ অশ্বিন পরিচালিত কল্কি (Kalki 2898 AD) একটি সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার। এই ছবিটি তেলুগু এবং হিন্দি ভাষা ছাড়াও তামিল, কন্নড় এবং মালায়লাম ভাষাতেও মুক্তি পেয়েছে। ভৈরবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রভাস। এছাড়াও অমিতাভ বচ্চন, দীপিকা পাডুকোন ও কমল হাসান যথাক্রমে অশ্বত্থামা, সুমতী এবং সুপ্রিম ইয়াসকিনের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন । নেগেটিভ রোলে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাংলার অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ও৷ ভারতে এখনও পর্যন্ত এই ছবির মোট আয় ৩৪৩ কোটি ৬০ লাখ। জানা গিয়েছে, বাহুবলী এবং সালারের পরে কল্কি প্রভাসের চতুর্থ ফিল্ম, যা বিশ্বব্যাপী ৭০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা করল৷

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    Sonajhuri Haat: সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনাঝুরির হাট (Sonajhuri Haat) কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) ব্যবসায়ীদের কপালে যেন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি জমি বেআইনি দখল মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কলকাতা সহ জেলায় জেলায় চলছে অবৈধ উচ্ছেদের কাজ। পুরসভা এবং পুলিশ বেশ সক্রিয়। এই তালিকায় বাদ যায়নি বীরভূমের বোলপুর। শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাটের ছয়টি বাড়ি এবং রিসর্ট মালিককে নোটিস দিয়েছে বনদফতর। এই বাড়ি এবং রিসর্ট মালিকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যদি উপযুক্ত কাগজ না দেখাতে পারে, তাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বনদফতরের জমি দখল করে বাড়ি-রিসোর্ট (Sonajhuri Haat)!

    বনদফতরের রেঞ্জার জ্যোতিষ বর্মণ বলেছেন, “সোনাঝুরি হাট (Sonajhuri Haat) কর্তৃপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হবে। দরকার হলে হাট এখান থেকে তুলে নেওয়া হবে। কারণ বনদফতরের জায়গায় ওই হাট বসানো হয়েছে। আমরা সার্ভে করেছি, বেশকিছু বাড়ি আমাদের বনবিভাগের জমির মধ্যে পড়েছে। এই জন্য আমরা আগাম নোটিশ পাঠালাম। তবে তাঁদের সপক্ষে নোটিশ থাকলে আমরা দেখব। তবে হাটের বিষয়ে এখনও নোটিশ আসেনি। অনেক দিন ধরে হাট বসছে, মৌখিক ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্ডার এলে আমরা জানিয়ে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি দফতরে বিডিও-কে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন তৃণমূল নেত্রী! শোরগোল

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    এদিকে বনদফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে, বাড়ি এবং রিসর্টের মালিকরা (Sonajhuri Haat) বলেছেন, “আইনের পথেই সব কিছুর সমাধান হবে। যদি জমি বনদফতরের হলে তাহলে আমরা ছেড়ে দেব।” অপর দিকে হাট উঠে গেলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জীবন-জীবিকার সঙ্কটের মধ্যে পড়বেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের দাবি, যদি ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে যেন পুনর্বাসন দেওয়া হয়। আবার হাটের দায়িত্বে থাকা তন্ময় মিত্র বলেছেন, “আমরা নোটিশ যদিও পাইনি, কয়েকটি হোটেল এবং রিসর্ট (Santiniketan) মালিকদের দেওয়া হয়েছে। তবে নোটিশ দিলে আমরা বিকল্প ব্যবস্থার দাবি করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে বসে জমি দখল করা যাবে না বলে বার্তা দিচ্ছেন। সেই নির্দেশকে অমান্য করেই তৃণমূলের লোকজনই জোর করে জমি দখল করছেন। ইটভাটা তৈরির নাম করেই গৃহস্থের জমি রীতিমতো দাদাগিরি করেই দখল করছে জমি মাফিয়ারা। আর তাতে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার (Malda) কালিয়াচকের ভবানীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    কালিয়াচক (Malda) থানার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াডাঙা এলাকায় বসবাস করেন প্রদীপ পোদ্দার,অমিত পোদ্দারের পরিবার। ২০২২ সালে ভবানীপুর এলাকায় ৩৫ কাটা জমি কেনেন তাঁরা। সেখানেই তাঁদের একটি কলকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিছুদিন ধরেই পোদ্দার পরিবারের জমি জোর করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনায় তৃণমূল পরিচালিত রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা বরজাহা শেখের মদত রয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতাসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি, জমির মালিক পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা ভূমি রাজস্ব দফতর, কালিয়াচক থানা থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু, পুলিশ ও ভূমি রাজস্ব দফতর কোনও সহযোগিতা না করায় অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানানোর হুমকি দিয়েছেন কালিয়াচকের পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা। প্রদীপ পোদ্দার নামে পরিবারের এক সদস্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলছেন যে জমি দখল করা যাবে না। সেখানে তৃণমূলের লোকজনই আমাদের জমি জোর করে দখল করছেন। আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু, লাভ হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে দলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সামনে আসতেই রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে জেল তৃণমূল   (Trinamool Congress) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, “অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল কোনও ভাবেই পাশে থাকবে না”। অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা বরজাহা শেখ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Zika Alert:  বাড়ছে জিকা ভাইরাস, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    Zika Alert:  বাড়ছে জিকা ভাইরাস, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ জুলাই পুণেতে এক ৫৫ বছর বয়সি মহিলা জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর থেকে মাত্র দুদিনে মহারাষ্ট্রে ৭ জন জিকা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এমতাবস্থায় কেন্দ্র সরকার রাজ্যগুলিকে সতর্ক (Zika Alert) করেছে। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। তাঁরা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে জিকা ভাইরাসে টেস্ট করতে বলা হয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে বাড়ছে জিকা ভাইরাস আক্রান্তদের সংখ্যা (Zika Alert)

    মহারাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি এলাকায় জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দেশের সবকটি রাজ্যেকে অ্যাডভাইজারি পাঠিয়ে সতর্ক করেছে। গর্ভবতী মহিলারা জিকা (Zika Alert) আক্রান্ত হলে ভ্রূণের বিকাশ ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

    কিভাবে জিকা আক্রান্ত হতে পারেন

    জানা  গিয়েছে, এডিস (Aedes) মশার কামড়ে জিকা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ডঃ অতুল গোয়েল জানিয়েছেন, শুধুমাত্র এডিস মশার কামড়েই জিকা ভাইরাস হয়। এই মশার কামড়ে এই ডেঙ্গি এবং চিকুনগুনিয়া হয়। এই ভাইরাসের খবর প্রথমবার ১৯৪৭ সালে উগান্ডায় পাওয়া যায়। জিকা ভাইরাস সংক্রমিত মশা কামড় ছাড়াও এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির যৌন সম্পর্ক, রক্তের সংক্রমণ এবং প্রসবের সময় মা থেকে শিশুর মধ্যে প্লাসেন্টার মাধ্যমে (Zika Alert) ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে গর্ভবতী মহিলাদের প্রথম তিন মাসের মধ্যে আল্ট্রা সাউন্ড করানোর সময় সাবধান থাকা উচিত।  

    আরও পড়ুন: হাজির বর্ষা, সঙ্গে এসেছে হরেক ব্যাধিও, কী কী রোগ হতে পারে জানেন?

    জিকা ভাইরাসের লক্ষণ

    সাধারণত জিকা ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত ৮০% ব্যক্তির মধ্যে এর সংক্রমণের কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। কিন্তু ২০% ক্ষেত্রে জ্বর, হাঁটু ও মাংসপেশিতে ব্যথা সহ কঞ্জাক্টিভাইটিসের মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় যদি দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সংক্রামক মশার কামড়ের বহু দিন পরে মানবদেহে (Zika Alert) উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardik Pandya: বিশ্বজয়ের নায়ক, আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডার হার্দিক

    Hardik Pandya: বিশ্বজয়ের নায়ক, আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর অলরাউন্ডার হার্দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছেন ভারতের তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। আইপিএলে অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন, প্লেয়ার হিসেবেও রাখতে পারেননিন খুব একটা অবদান। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরতেই হার্দিক পান্ডিয়াকে পাওয়া যায় পুরনো ছন্দে। গোটা টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ব্যাটে-বলে দারুণ পারফর্ম করেন পান্ডিয়া। এমনকী ফাইনালে ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন হার্দিক।

    হার্দিকই প্রথম (Hardik Pandya)

    ৩০ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারতের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন। এর ফলেই সদ্য প্রকাশিত আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানে উঠে এসেছেন হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গাকে পিছনে ফেলে ২২২ পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি টি-২০ অলরাউন্ডারদের তালিকায় সিংহাসন দখল করেছেন হার্দিক। হার্দিকের আগে আর কোনও ভারতীয় ক্রিকেটার এই সাফল্য পাননি। 

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স

    বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে হার্দিক (Hardik Pandya) তিন ওভারে ২০ রান দিয়ে তিন উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ১৭৬ রান সফলভাবে রক্ষা করতে সহায়তা করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হেনরিক ক্লাসেনেরে উইকেট হার্দিক না নিলে ভারতের বিশ্বজয় (T20 World Cup 2024) সম্ভব হত না। এছাড়া প্রবল চাপের মুহূর্তে শেষ ওভারে ১৬ রান ডিফেন্ট করে আরও ২টি উইকেট নেন হার্দিক। ফাইনাল ছাড়াও গ্রুপ এবং সুপার এইট পর্বে কার্যত প্রতি ম্যাচেই ব্যাটে-বলে অবদান রেখেছেন হার্দিক। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতকে সরিয়ে ক্যাপ্টেন করা হয়েছিল তাঁকে। সমর্থকদের বিদ্রুপের মুখে পড়তে হয়েছিল। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছিল কারণ, প্লেয়ার হিসেবেও পারফর্ম করতে পারছিলেন না হার্দিক। কিন্তু বিশ্বকাপে ১৪৪ রান করেছেন করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। বেশির ভাগই ক্রাইসিস মোমেন্টে। স্ট্রাইক রেট ১৫০-এরও বেশি। পাশাপাশি টুর্নামেন্টে নিয়েছেন ১১টি উইকেটও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: ডেন্টিস্ট থেকে এক চান্সেই আইপিএস, সিমির গল্প হার মানায় রূপকথাকেও

    Success Story: ডেন্টিস্ট থেকে এক চান্সেই আইপিএস, সিমির গল্প হার মানায় রূপকথাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন পেশায় দন্ত চিকিৎসক। তবে বরাবর প্রশাসনিক কাজকর্মই ছিল তাঁর পছন্দের তালিকার ওপরের দিকেই (Success Story)। সেই স্বপ্ন পূরণ করেই এবার খবরের শিরোনামে নভজ্যোত সিমি (Navjot Simi)। প্রথমবারের চেষ্টায় ইউপিএসসির মতো কঠিন একটি পরীক্ষার চৌকাঠ পার হয়েছেন তিনি। তাঁর সাফল্যের কাহিনি ছড়িয়েছে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সৌন্দর্য এবং নিষ্ঠার তারিফ করছেন আসমুদ্র হিমাচলবাসী।

    সিমির পাখির চোখ (Success Story)

    পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ১৯৮৭ সালের ২১ ডিসেম্বরে জন্ম সিমির। ছোট থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। স্কুলের পাঠ শেষে লুধিয়ানার একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে ডেন্টিস্ট হন সিমি। চেম্বার খুলে শুরু করে দেন দন্তচিকিৎসাও। তবে তাঁর পাখির চোখ ছিল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় লক্ষ্যভেদ করা। এজন্য দিল্লির একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হন তিনি। সাহায্য নেন ইন্টারনেটেরও।

    ইউপিএসসি ক্র্যাক মেধাবিনীর

    রোগীদের দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি প্রস্তুতি শুরু করে দেন ইউপিএসসি পরীক্ষারও। দিনরাত এক করে পড়াশোনা করেন সিমি (Success Story)। প্রথমবারের চেষ্টায়ই লক্ষ্যভেদ করতে সমর্থ হন এই রূপসী। ইউপিএসসি পরীক্ষায় তাঁর স্থান হয় ৭৩৫। বিহার ক্যাডারের আইপিএস হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। বর্তমানে বিহারের মহিলা ও দুর্বল শ্রেণির জন্য যে বিশেষ পুলিশবাহিনী রয়েছে, তার সুপার পদে রয়েছেন এই মেধাবিনী।

    পাঞ্জাবেরই তুষার সিঙ্গলার সঙ্গে বিয়ে হয় সিমির। তুষার আইএএস অফিসার। ২০১৫ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় তাঁর স্থান হয়েছিল সাফল্যে তালিকার ৮৬ নম্বরে। শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও চুটিয়ে সংসার করে চলেছেন তুষার-সিমি (Navjot Simi)। ইতিমধ্যেই মা-ও হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন সিমি। পছন্দ করেন ঘুরে বেড়াতে। স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্টও করেন প্রায়ই।

    প্রথমবারের চেষ্টায় কীভাবে করলেন লক্ষ্যভেদ? ইউপিএসসির মতো একটি কঠিন পরীক্ষার চৌকাঠ কীভাবে টপকালেন প্রথমবারেই? পাঞ্জাবী এই তন্বী বলেন, “ব্যয়বহুল কোচিং সেন্টারের সাহায্য ছাড়াও ডিঙোনো যায় এই পরীক্ষার চৌকাঠ। আমার বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম, পড়াশোনার প্রতি নিষ্ঠা, লক্ষ্য পূরণে গভীর মনোযোগ এবং অবশ্যই পরীক্ষাটি সম্পর্কে সম্যক ধারণা এনে দেবে সাফল্য।”

    হাসি ঝরে পড়ে সিমির মুখে। যে হাসিতে মিশে রয়েছে গর্ব, নিষ্ঠা এবং অবশ্যই প্রত্যয় (Success Story)।

     

     

     

  • Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়া  (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বনাম দলের ওন্দা ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজেদের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা করেছেন। কিন্ত, কেউ অন্য গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীদের ডাকেননি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভা একসময় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভাটি তৃণমূলের হাতছাড়া হলেও ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলেই থাকে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন ওন্দার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁ-র ভাইপো অভিরূপ খাঁ। তৃণমূলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিরূপ খাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হতেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিটের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ। ২১ জুলাইয়ের আগে যা একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।  জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওন্দায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ও নিজের অনুগামীদের নিয়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করেন ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ। এই ঘটনায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের ডাকা হয়নি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিট বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রস্তুতি সভা করেছেন কি না তা তাঁর জানা নেই। দলে কোনও কোন্দল (TMC Conflict) নেই। তবে, দলের ব্লক নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে এভাবে দলীয় কর্মসূচি করার অধিকার অন্য কারও নেই। ওন্দার সাংগঠনিক কোনও পদে না থেকেও প্রাক্তন বিধায়ক সংগঠনে অযথা নাক গলানোর চেষ্টা করছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওন্দা ব্লকে তৃণমূলের সংগঠনকে শেষ করার চেষ্টা করছেন।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ বলেন, দলের ব্লক সভাপতি ২১ শে জুলাইয়ের যে প্রস্তুতি সভা করেছেন তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষদের কাউকে ডাকা হয়নি। তাই আলাদাভাবে আমাদের প্রস্তুতি বৈঠক করতে হয়েছে। ফলে, সভাপতির নীতি আমরা শুধু মেনে চলেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share