Blog

  • North 24 Parganas: কাঁচরাপাড়ায় বুলডোজারে উচ্ছেদ বেআইনি দোকান, ভাঙা হল বিরোধীদের পার্টি অফিস

    North 24 Parganas: কাঁচরাপাড়ায় বুলডোজারে উচ্ছেদ বেআইনি দোকান, ভাঙা হল বিরোধীদের পার্টি অফিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠকে সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে দোকান গজিয়ে ওঠার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা রেখেই আজ কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভা, থানামোড় থেকে কুমোরপাড়া পর্যন্ত উচ্ছেদের কাজে নেমেছে। সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে নির্মিত দোকান যেমন ভেঙে ফেলা হয়েছে, একই ভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয়ও ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় হকাররাও নিজেদের জীবন-জীবিকা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তা প্রকাশ করেছেন।

    ভাঙা হল দলীয় কার্যালয় (North 24 Parganas)?

    কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভার পক্ষ থেকে এদিন সিপিএম-এর দলীয় অফিস ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় পুরকর্মী এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ঘিরে ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ করে দলীয় কর্মীরা। দলীয় কর্মীদের বক্তব্য ছিল, “আগে থেকে প্রশাসন কেন চিঠি বা নোটিশ দিয়ে আমাদের জানায়নি। আমাদের সময় না দিয়ে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল অফিস। কিন্তু কেন এই ভাবে ভাঙা হল? আমরা রাজ্যে হকার উচ্ছেদ নিয়ে আন্দোলন করায় আমাদের দলীয় কার্যালয়কে টার্গেট করা হয়েছে। তৃণমূলের রাজত্বে জল্লাদদের শাসন চলছে। তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের দলীয় কর্মীদেরও ভাঙচুর করেছে।”

    সরকারি জমিতে ছিল তৃণমূলের কার্যালয়!

    কাঁচরাপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভার মধ্যে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করেছিলেন তৃণমূল টাউন সভাপতি খোকন তালুকদার। আজ পুরসভার পক্ষ থেকে অভিযান চালানোর আগেই নিজের পার্টি অফিসের সরিয়ে নিয়েছেন। লোক লাগিয়ে অফিসের জিনসপত্র তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে টাউন সভাপতি বলেছেন, “দলের নেত্রী যেহেতু নির্দেশ দিয়েছেন যে জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণ করা যাবে না। তাই আমরা আজ পুরসভার কাজের সুবিধার জন্য দখল মুক্ত করলাম জায়গা। এই অফিস আমাদের ৩০ বছরের পুরাতন ছিল।”

    আরও পড়ুনঃ ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

    হকারদের বক্তব্য

    আজ দোকান (North 24 Parganas) ভেঙে দেওয়ায় স্থানীয় হকাররা অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক হকার ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা অত্যন্ত গরিব মানুষ, কোনও ক্রমে রাস্তায় দোকান করে খাই। এবার আমাদের উপর অত্যাচার শুরু হয়েছে। রাজ্যে চাকরি নেই, শিল্প নেই তাই পরিযায়ী হয়ে অন্য রাজ্যে কাজ করতে যেতে হয়। এখন হকারি করে খওয়ার অধিকারও কেড়ে নিল। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ultra Processed Food: বাঁচতে হলে দূরে থাকুন! মৃত্যু-ঝুঁকি বাড়াতে পারে আলট্রাপ্রসেসড ফুড, বলছে গবেষণা

    Ultra Processed Food: বাঁচতে হলে দূরে থাকুন! মৃত্যু-ঝুঁকি বাড়াতে পারে আলট্রাপ্রসেসড ফুড, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজ কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করেন। একটু মশলাদার ফাস্ট-ফুড খেলে তো কথা নেই। কোল্ড-ড্রিঙ্কস চাই, তা-কালো হোক বা সাদা। গরম কালে বিকেলে আইসক্রিমের জুড়ি মেলা ভার। আর টুকটাক মুখ চালাতে চাইলে চিপস বা বিস্কিট। কিন্তু জানেন কী, এই ধরনের আলট্রা-প্রসেসড ফুড আপনাকে মৃত্যুর (Health Risks) দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। সম্প্রতি মেরিল্যান্ডের বেথেসডায় অবস্থিত ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের কয়েকজন গবেষক এর উপর গবেষণা করে এমনই জানিয়েছেন। তাঁদের প্রধান লেখক এরিকা লফটফিল্ড বলেন ‘‘প্রসেসড ফুড (Ultra Processed Food) পুরুষদের ক্ষেত্রে ১৫% এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ১৪% পর্যন্ত মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।’’

    আলট্রা-প্রসেসড ফুড কী (Ultra Processed Food)

    আলট্রা-প্রসেসড ফুড প্রচুর প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে তৈরি করা হয়। সাধরণ অবস্থায় একটি খাবার বেশিদিন টাটকা থাকে না। প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াগুলি করে খাবারকে অনেকদিন পর্যন্ত টিকিয়ে রাখা হয়। এই প্রক্রিয়াগুলির বেশিরভাগটাই মেশিনে করা হয়। এই ধরনের খাবারে নুন, চিনি, ফ্যাটের মাত্রা বেশি থাকে। পাশাপাশি খাবার সংরক্ষণ করতে নানা রাসায়নিকও মেশানো থাকে। প্রসঙ্গত, এর কোনওটাই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। আলট্রা-প্রসেসড ফুড খেলে ওজন বেড়ে যাওয়া থেকে ঘুমের সমস্যাসহ একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

    কী কী সমস্য়া হতে পারে (Ultra Processed Food)

    ফ্যাটি লিভারের আশঙ্কা – আলট্রা-প্রসেসড ফুডে বেশি পরিমাণে চিনি মেশানো হয়। এই অ্যাডেড সুগার লিভারের ক্ষতি করে। লিভারে চর্বি জমতে শুরু করলে ফ্যাটি লিভার হয়।
    রাতে ঘুমের সমস্যা – ঘুমের চক্র বা স্লিপ সাইকলের উপর প্রভাব ফেলে আলট্রা-প্রসেসড ফুড। ঘুম ঠিকমতো হয় না। বেশি বা কম ঘুমের সমস্যায় ভুগতে থাকেন একজন।
    ক্লান্তি বাড়ে – অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার এই অভ্যাস থেকে ক্লান্তি বেড়ে যায়। এনার্জি ড্রিঙ্ক প্রাথমিকভাবে কাজের এনার্জি দেয় বলে মনে হয়। কিন্তু আদতে একটা সময়ের পর সেই এনার্জি কমে যায়।
    হার্টের সমস্যা – এই ধরনের খাবার দীর্ঘদিন খেলে হার্টের উপর চাপ পড়ে।
    ক্যান্সারের আশঙ্কা – ওবেসিটি ও ফ্য়াটি লিভার বেড়ে যায় আলট্রাপ্রসেসড ফুড খেলে। আর এর থেকেই ক্যানসারের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

    গবেষণায় প্রমাণ

    আল্ট্রা-প্রসেসড ফুড (Ultra Processed Food) বা অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার হৃদরোগ, ক্যানসার, টাইপ ২ ডায়াবেটিস, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং অকাল মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকিসহ মানব স্বাস্থ্যের ৩২টি ক্ষতিকারক প্রভাবের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শিকাগোতে আমেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশনের বার্ষিক সভায় সম্প্রতি লটফিল্ড জানান, গত ৩০ বছর ধরে ৫ লাখ ৪১ হাজার মানুষের উপর গবেষণা করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, উচ্চ মাত্রার আল্ট্রা-প্রসেসড ফুড মানব স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে, ফলে মানুষের খাদ্য তালিকা থেকে আল্ট্রা-প্রসেসড ফুডের পরিমাণ কমিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকারক হল নরম পানীয়। তারপর প্রক্রিয়াজাত মাংস।

    ৩২টি ক্ষতিকর প্রভাব

    গবেষকরা জানাচ্ছেন, সামগ্রিকভাবে অকাল মৃত্যু, ক্যানসার ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, শ্বাসযন্ত্র, কার্ডিওভাসকুলার, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্য সমস্যাসহ মানব স্বাস্থ্যের ৩২টি ক্ষতিকারক প্রভাবের সঙ্গে আল্ট্রা-প্রসেসড ফুডের (Ultra Processed Food) সরাসরি সংযোগ রয়েছে। গবেষকদের দাবি, প্যাকেটজাত খাবার ও স্ন্যাকস, কোমল পানীয়, চিনিযুক্ত সেরিয়াল এবং রেডি-টু-ইট বা প্রস্তুতকৃত খাবারসহ আল্ট্রা-প্রসেসড ফুড একাধিক শিল্প প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় এবং প্রায়শই এগুলোতে রঙ, ইমালসিফায়ার, ফ্লেভার ও অন্যান্য উপাদান যোগ করা হয়। এসব পণ্যে অতিরিক্ত চিনি, চর্বি ও লবণ বেশি থাকলেও ভিটামিন এবং ফাইবার খুব একটা থাকে না বললেই চলে।

    আরও পড়ুন: “আলোচনার কোনও সীমাবদ্ধতা নেই”, মোদির রাশিয়া সফর নিয়ে বলল মস্কো

    আয়ু কমে যাওয়ার শঙ্কা

    আলট্রা-প্রসেসড খাবার কার্ডিয়াভাসকুলার রোগের ঝুঁকি (heart disease risk) বাড়িয়ে দেয়। এই রোগের তালিকায় রয়েছে, হার্টের রোগ, রক্তনালির নানা গুরুতর সমস্যা। রক্তনালির সমস্যার মধ্যে রয়েছে কোলেস্টেরল জমা থেকে রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। তবে শুধু হার্ট নয়, বিপদের তালিকায় শরীরের অন্য বেশ কিছু অঙ্গও রয়েছে। তার মধ্যে থাকছে লিভার, কোলন, পাকস্থলির মতো জরুরি অঙ্গগুলি। আলট্রা-প্রসেসড খাবার (ultra-processed food) হার্টের রোগের ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয় (Health Risks)। অন্য দিকে উদ্বেগ ও সাধারণ কিছু মানসিক সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪৮ থেকে ৫৩ শতাংশ। ৩২ রকম রোগের তালিকা থেকে বাদ নেই ডায়াবেটিস। এই ধরনের খাবার খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের আশঙ্কা ১২ শতাংশ বেড়ে যায় বলে মত বিজ্ঞানীদের। এত রকম সমস্যা শরীরে দানা বাঁধলে স্বাভাবিক ভাবেই তা গড় আয়ু ১০ বছর কমিয়ে দেবে বলে দাবি গবেষকদের। তাই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা রাতে সিরিজ দেখা, একা হোন বা পার্টিতে মুখ চালানোর জন্যে চিপস, কোল্ড ড্রিংকস বাদ দিন। আইসক্রিম-সসেজকেও করুন বাই বাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে বিজেপির ধর্নায় সায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্না করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথমে বিজেপিকে সেই অনুমতি না দিলেও অবশেষে বিজেপির ধর্নায় অনুমতি দিল হাইকোর্ট। তবে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে নির্দিষ্ট শর্ত মেনেই বিজেপিকে এই ধর্নায় বসতে হবে। 

    কী জানিয়েছে হাইকোর্ট? (BJP Dharna) 

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে শুভেন্দুর মামলার শুনানি ছিল। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৪ জুলাই, রবিবার সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের সামনে শুভেন্দুরা যদি ধর্নায় বসেন, তাতে তাঁদের আপত্তি নেই। এরপর রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ধর্নায় অনুমতি দিয়ে  বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, ১৪ জুলাই সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের নর্থ গেট থেকে দশ মিটার দূরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে হবে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। তবে সেখান থেকে করা যাবে না কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য। কোনও ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি করতে হবে। কোনও প্রকার অশান্তি সেখানে বরদাস্ত করা হবে না। দূষণবিধি মানতে হবে শুভেন্দু এবং তাঁর সঙ্গীদের। সকাল দশটা থেকে চার ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দু। আদালতের শর্ত অনুযায়ী ৩০০ লোক নিয়ে ধর্নায় বসতে পারবেন বিরোধী দলনেতা।   

    আরও পড়ুন: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    আগে কী ঘটেছিল? 

    তবে এর আগে প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। বলা হয়, রাজভবনের সামনে ওই জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। তাই নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) তরফে গত বছর একই জায়গায় শাসকদলের কর্মসূচির দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়। যেখানে ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবিতে রাজভবনের সামনেই টানা পাঁচ দিন ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করেই সেই দৃষ্টান্ত আদালতে জানান শুভেন্দু। সে সময় আদালত জানিয়েছিল, শাসকদলের নেতা ধর্নায় বসেছিলেন বলে তাঁদেরও ওই জায়গাতেই কর্মসূচি করতে হবে, তার কোনও যুক্তি নেই। শুভেন্দুদের কর্মসূচির জন্য বিকল্প জায়গাও খুঁজতে বলেছিল আদালত। এরপর আদালতে বিজেপির তরফে জানানো হয়, রাজভবনের সামনে কর্মসূচির অনুমতি না পেলে তাঁরা রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতরের সামনে ধর্নায় (BJP Dharna) বসতে চান। যদিও পরে রাজভবনের সামনে বিরোধী দলনেতার কর্মসূচিতে সায় দেয় আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতরের জমি দখল করেই চলছিল দোকান নির্মাণ। স্থানীয় পঞ্চায়েত উদ্যোগী হয়ে সেই কাজ করছিল। কিন্তু, নেওয়া হয়নি পূর্ত দফতরের অনুমতি। ফলে, বেআইনিভাবে গজিয়ে উঠছিল দোকান। মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল নিয়ে কড়া নির্দেশ দেওয়ার পর হুঁশ ফিরল সকলের। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি দোকান তৈরির কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    বেশ কয়েক মাস আগে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সৌন্দর্যায়ন ও রাস্তা চওড়া হওয়ার জন্য বেশ কিছু অস্থায়ী দোকানদারকে তুলে দেওয়া হয় কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে এলাকা থেকে। দোকানদারদের পুনর্বাসনের জন্য মুড়িগঙ্গা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পূর্ত দফতরের জায়গায় অবৈধভাবে চলছিল এই নির্মাণ কাজ। দোকানদারদের থেকে কাটমানি নেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে। তাতে, দোকান পিছু ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছিল। তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শিবশঙ্কর রক্ষিত বলেন, রাস্তা চওড়ার জন্য বহু ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। তাই, তাদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্যই ওই স্টলগুলি তৈরি করা হচ্ছিল। এখন তা বন্ধ করে দেওয়া হল। পরে, বৈঠক করেই এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে, এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর বকখালি সুন্দরবন অথরিটির চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র বলেন, এই নির্মাণ কার্য আমরা আপাতত বন্ধ রাখতে বলেছি, প্রশাসনিক বৈঠকের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, ভেসেল বন্ধ থাকলে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। ওই এলাকায়  সরকারিভাবে কোনও যাত্রীশেড নেই। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বারে বারে তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আর দোকান বিক্রি করে শুধুমাত্র ব্যবসা করবে বলে নদী বাঁধ এলাকায় এই নির্মাণ কার্য চালাচ্ছে তারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    নদী বাঁধ এলাকায় এই কংক্রিটের নির্মাণ করা যায় কি না তা নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই বিষয় নিয়ে বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, সর্বত্র এইভাবে শাসকদলের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ নির্মাণ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ আদতে নাটক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘১০ বছর পূর্ণ করেছি, আরও ২০ বছর বাকি’’, রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    PM Modi: ‘‘১০ বছর পূর্ণ করেছি, আরও ২০ বছর বাকি’’, রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের আসন সংখ্যা কমলেও আত্মবিশ্বাসের কোনও অভাব নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। বুধবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) ভাষণ দিতে উঠে মোদি বিরোধী শিবিরের কড়া সমালোচনা করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা যতই হট্টগোল করুক, আরও দু-দশক দেশে ক্ষমতায় থাকবে বিজেপি। আমরা এক তৃতীয়াংশ সময় কাটিয়ে ফেলেছি। এখনও দুই-তৃতীয়াংশ সময় বাকি আছে। বিরোধীদের এজেন্ডাকে পরাজিত করেছে দেশবাসী। ছয় দশক পর দেশের মানুষ মোদিকে তৃতীয়বার দেশের সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।”

    হিন্দুদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র (PM Modi)

    রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে মোদি (PM Modi) আরও বলেন, “হিন্দুদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পিএম মোদি রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক বক্তৃতাকে ‘সহানুভূতিমূলক নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং বিরোধী দলের নেতাকে ‘বালক বুদ্ধি’ বা শিশুর স্তরের বুদ্ধি আছে বলে চিহ্নিত করেন। তিনি অগ্নিবীর প্রকল্প, কৃষকদের জন্য ন্যূনতম সমর্থন মূল্য (MSP), এসসি, এসটি-র জন্য সংরক্ষণ এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সহ ইস্যুতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।

    মোদির ভাষণ চলাকালীন প্রবল হট্টগোল (Rajya Sabha)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন রাজ্যসভায় ভাষণ দিতে উঠতেই প্রবল হট্টগোল শুরু করে বিরোধীরা। চিৎকার-চেঁচামেচি ও স্লোগান ভেসে আসে বিরোধীদের শিবির থেকে। বিরোধীদের ব্যাপক বাধা উপেক্ষা করেই প্রধানমন্ত্রী দৃপ্ত কণ্ঠে নিজের বক্তব্য রাখেন।

    আরও পড়ুন: “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে?”, চোপড়াকাণ্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মোদি (PM Modi) বলেন, “জনগণের আস্থা শুধু এনডিএ’র উপর রয়েছে। এই নির্বাচন গত ১০ বছরের কৃতিত্বকে সিলমোহর নয়, ভবিষ্যতের উন্নয়নের আরও এক সুবর্ণ সুযোগ। দেশের অর্থব্যবস্থা ১০ থেকে ৫ নম্বরে উঠে এসেছে। এরপর বিরোধীদের তোপ দেগে তিনি বলেন, “দেশের রায়কে ব্ল্যাকআউট করার চেষ্টা চলছে। আজ যারা সংবিধান হাতে নিয়ে সরকারের বিরোধিতা করছে, তারা সংবিধান দিবস পালন করতে চাইনি। এখন লড়তে না পেরে ময়দান ছেড়ে চলে যাওয়াই বিরোধীদের অস্ত্র।”

    অর্থ ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি

    ভারতের অর্থ ব্যবস্থাকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মোদি (PM Modi) । তিনি বলেন, “দেশের আর্থিক পরিস্থিতি করোনা কালের মতো কঠিন সময়েও ভেঙে পড়েনি। আমরা ভেঙে পড়তে দেইনি। আমি আবার বলছি, ভারতের অর্থ ব্যবস্থাকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে নিয়ে যাব।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে?”, চোপড়াকাণ্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে?”, চোপড়াকাণ্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে? বড়া বড় নেতারাও গতকাল থেকে এই বিষয়ে (চোপড়াকাণ্ডে) দুঃখ প্রকাশ করেননি। যাঁরা নিজেদের অত্যন্ত প্রগতিশীল নেত্রী মনে করেন, তাঁরাও চুপ করে রয়েছেন কারণ এটা তাঁদের রাজনৈতিক জীবন বা দল কিংবা রাজ্যের সঙ্গে জড়িত।” বুধবার চোপড়াকাণ্ডে এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এদিন রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “যেহেতু বিষয়টি রাজনৈতিক জীবন বা দল কিংবা রাজ্যের সঙ্গে জড়িত, তাই মহিলাদের কষ্ট উপেক্ষা করা হচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি যে যখন বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এই সব বিষয় এড়িয়ে যান, তা দেশকে বেদনা দেয়। কষ্ট সহ্য করতে হয় আমাদের মা-বোনেদের।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এটা দেশের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় যে সংবেদনশীল বিষয়গুলিতেও যখন রাজনীতি জড়িয়ে পড়ে, তখন জনগণকে কষ্ট ভোগ করতে হয়, বিশেষ করে মহিলাদের। মহিলাদের প্রতি অত্যাচার নিয়ে বিরোধীদের এই বাছাই করা মনোভাব অত্যন্ত উদ্বেগের।”

    ভিডিও করায় উষ্মা

    চোপড়ায় যুগলকে যেভাবে মারধর করা হচ্ছিল, কেউ তার প্রতিবাদ না করে ভিডিও করায় উষ্মা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কোনও রাজ্যের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট করে কিছু বলছি না। রাজনৈতিক ফয়দা নেওয়ার জন্যও কিছু বলছি না। কয়েকদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া পশ্চিমবঙ্গের একটা ভিডিও দেখলাম। একজন মহিলাকে সকলের সামনে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হচ্ছে। বোনটা চিৎকার করছিল। কিন্তু ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি। ভিডিও বানাতে ব্যস্ত ছিলেন।” সন্দেশখালির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সন্দেশখালিতে যে ঘটনা ঘটছে, তার ছবি দেখলে শিউরে উঠতে হয়। এর থেকে বড় লজ্জাজনক ও দুঃখজনক বিষয় আর কিছু হতে পারে না।”

    আর পড়ুন: “আলোচনার কোনও সীমাবদ্ধতা নেই”, মোদির রাশিয়া সফর নিয়ে বলল মস্কো

    প্রসঙ্গত, রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) দেখা যায়, এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে মারছেন একজন। মারধর করা হচ্ছে এক তরুণকেও। অভিযোগ, যিনি মারছেন, তিনি তৃণমূল নেতা তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

    Murshidabad: ২৮টি রাজ্যের পাহাড়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে বাংলার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দীর্ঘ ৯মাস ধরে ভারতের ২৮টি রাজ্যের উঁচু পাহাড়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে নাম লিখলেন বাংলার সেনকর্মী। এরপর দীর্ঘদিন পরে বাড়ি ফিরে এসে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়লেন মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার কান্দি শহরের বাসিন্দা অমিত ঘটক। তাঁকে সম্মাননা দেওয়া হল জেলা থেকে। এলাকায় খুশির আবহ।

    সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছিলেন (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) অমিত, ২০০০ সালে নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর ভর করেই দেশের হয়ে কাজ করার জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছিলেন। এরপর রেজিমেন্টেও কাজ করেছেন তিনি। কখনও পাহাড়ের মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধার, কখনও বা বরফের ওপর দাঁড়িয়ে রাতের পর রাত পাহারা দিয়েছেন তিনি। তবে দেশের রাজ্যগুলিতে পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, এমনকী যেখানে শৃঙ্গ নেই সেখানকার সর্বোচ্চ উচ্চতায় গিয়ে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। আর তাতেই বিশেষ সম্মান সহ দেশের নাম ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে (World Book of Records) তুলেছেন অমিত।

    মাটি সংগ্রহে হয়েছে ভারতের ম্যাপ

    পশ্চিমবঙ্গের (Murshidabad) সর্বোচ্চ উচ্চতম শৃঙ্গ হল সান্দাকফু। লাদাখে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নুনে অবস্থিত, এমনকী সিকিমের জনসং শিখর, বিহারের গোবর্ধন পর্বত সহ একাধিক জায়গায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন অমিত। উল্লেখ্য প্রত্যক পাহাড় থেকে মাটি সংগ্রহ করে ভারতের ম্যাপ তৈরি করা হয়েছে অরুণাচল প্রদেশের নিমাসে। আর এই মিশনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেনা জওয়ান হিসাবে ছিলেন অমিত ঘটক। অরুণাচল প্রদেশের জাতীয় পর্বতারোহণ এবং আনুষঙ্গিক ক্রীড়া সংস্থা নিমাসের তরফে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    অত্যন্ত গর্বিত অমিত

    মোট ৯জন প্রতিনিধিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অমিত। তিনি বলেছেন, “চারজন জুনিয়র কমিশন অফিসার, একজন কর্নেল ও চারজন সিভিল ইন্সট্রাক্টর ছিলেন এই মিশনের মধ্যে। তার মধ্যে সুবেদার ছিলাম আমি। রাজ্যের (Murshidabad) হয়ে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ওয়ার্ল্ড বুক অফ রেকর্ডসে (World Book of Records) নাম তুলতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Death for Heatwave: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    Death for Heatwave: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে প্রবেশ করেছে বর্ষা। তীব্র গরম কেটে সবে নিস্তার মিলতে শুরু করেছে। তবে বর্তমানে স্বস্তি মিললেও কিছুদিন আগেও গরমে নাজেহাল অবস্থা ছিল দেশবাসীর। একনাগাড়ে তাপপ্রবাহের জেরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু (Death for Heatwave) হয়েছে বহু মানুষের। কোথাও আবার জল-বিদ্যুতের জন্য হাহাকার। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার তাপপ্রবাহ গত ১৪ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। পরিসংখ্যান বলছে চলতি বছরে গোটা দেশজুড়ে (India) প্রায় ৪০ হাজার মানুষ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে না পেরে একশোরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। 

    কী জানালেন ডিরেক্টর জেনারেল?

    আবহাওয়া দফতরের পরিভাষা অনুযায়ী ‘হিটওয়েভ ডেজ’-এর একটি তুলনায় দেখা গেছে যে এবছর তাপপ্রবাহ সবচেয়ে বেশি দিন স্থায়ী হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, ‘গ্রীষ্মকালে মোট ৫৩৬ দিন তাপপ্রবাহের শিকার (Death for Heatwave) হয়েছেন দেশবাসী। ১৯০১ সালের পর থেকে দেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে সবথেকে উষ্ণতম মাস ছিল জুন। ২০১০ সালে মোট ৫৭৮ দিন তাপপ্রবাহের শিকার হতে হয়েছিল দেশবাসীকে। ২০২৪ সালের সেই সংখ্যা ৫৩৬ দিন। ২০১০ সালে জুন মাস থেকে একনাগারে ১৭৭ দিন তাপপ্রবাহ চলেছিল। আর ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮১ দিনে। 

    মাসজুড়ে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার তালিকা (Death for Heatwave)  

    উত্তর পশ্চিম ভারতে (India) মাসজুড়ে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৯৬ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১.৩৫ ডিগ্রি বেশি। উত্তর-পশ্চিম ভারতে জুন মাসে গড় তাপমাত্রা ৩১.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ও ১৯০১ সালের পর সর্বাধিক।

    তাপপ্রবাহের কারণ

    আবহাওয়াবিদদের মতে, ১০ জুন থেকে ১৯ জুন সময়কালে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার অনুপস্থিতিও উত্তর পূর্ব ভারত ও মধ্য ভারতে তাপপ্রবাহ ও শুষ্ক আবহওয়ার অন্যতম কারণ। অন্যসময় যেখানে ৫ থেকে ১০ জুন-১৯ থেকে ২৫ জুন ও ২৬ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে চার পাঁচটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয় সেখানে এবার মাত্র তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: রথ উপলক্ষে বাংলা থেকে পুরী ৪টি স্পেশাল ট্রেন রেলের, কবে, কখন ছাড়বে?

    উল্লেখ্য, এ বছর রাজস্থানের তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অন্যদিকে রাজধানীতে (Delhi) একটানা ৪০ দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। আবহাবিদদের মতে পরিবেশের উপর অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ, নির্বিচারে গাছ কাটা, জলবায়ু দূষণই এই তাপপ্রবাহের মূল কারণ। ফলে বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে উত্তরোত্তর আরও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই এখন থেকেই সংযত না হলে ভবিষ্যতে এর চেয়েও খারাপ দিন দেখতে হবে দেশবাসীকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবাশিস প্রামাণিকের পর এবার কি রঞ্জন শীলশর্মার পালা? সরকারি জমি দখল ও জমির অবৈধ কারবারের অভিযোগে ফুলবাড়ির বেতাজ বাদশা,সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা দেবাশিস প্রামাণিক সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দখল হয়ে যাওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে  ঝাঁপিয়ে পড়েছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর। সেই অভিযানে মঙ্গলবার গজলডোবায় ঝুলন্ত সেতুর পাশে আট বিঘা জমি দখলমুক্ত করে সরকারি সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এই জমি শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর রঞ্জন শীল শর্মা দখল করেছিলেন। সেখানে ভেরি তৈরি করেছিলেন তিনি। একটি ঘরও ছিল। সেখানে নিয়মিত দলের নেতারা আসতেন। সেই জমি প্রশাসন দখল করে নেওয়ায় তাতে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এবার কি তাহলে রঞ্জন শীলশর্মার গ্রেফতার হওয়ার পালা?

    কেন পদক্ষেপ? (Siliguri)

    লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরপরই মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল ও জমি মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জমির অবৈধ কারবার বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। তাহলে এতদিন কেন নীরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? এই প্রশ্নে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৪৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৬ টি ওয়ার্ডেই বিজেপির থেকে তৃণমূল অনেকটা পিছিয়ে। মেয়র সহ তৃণমূল কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডেও একচেটিয়া ভোট পেয়ে বিজেপি বড় লিড নিয়েছে। বাদ নেই এই নেতার ওয়ার্ডও। এটা মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিতে পারেননি। তাই, এলাকার শীর্ষ নেতা ও কাউন্সিলরদের অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সকলকে বার্তা  দিতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

     কে এই রঞ্জন শীলশর্মা?

    জানা গিয়েছে, রঞ্জন শীলশর্মা শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর। পেশায় তিনি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। এলাকায় তাঁর বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি। একবার দলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জমির অবৈধ কারবার করা ও মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, তাতে রঞ্জনের কোনও সমস্যা হয়নি। বরাবরই তিনি ডাকাবুকো নেতা হিসেবে পরিচিত। গৌতম দেবের বিরুদ্ধে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর হয়েও তিনি বারবার সরব হয়েছেন। তিনি সব সময় নিজের সিদ্ধান্তেই চলেন। প্রকাশ্যে দলের মেয়রের সমালোচনা করতে তাঁর গলা কাপে না। তাই সরকারি জমি প্রশাসন ফিরিয়ে পরও তিনি নির্বিকার। তিনি শুধু বলেন, সরকারের জমি সরকার নিয়েছে।

     আতঙ্কে তৃণমূলের অন্য কাউন্সিলররা

    জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়কে তিনি এগিয়ে রাখতে পারেননি। লোকসভা নির্বাচনে এই ব্যর্থতাকে হাতিয়ার করে এবার বিতর্কিত রঞ্জন শীলশর্মাকেও কি কোনও কোনও তৃণমূল নেতার স্বার্থে ছেটে ফেলা হবে? এ প্রশ্ন দলের অন্দরে। আর এই প্রশ্নেই শিলিগুড়ি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা এখন রীতিমত আতঙ্কে রয়েছেন। কেননা এবারের লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ কাউন্সিলরই তৃণমূল প্রার্থীকে লিড দিতে পারেননি। আর অনেকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনৈতিক কাজের অভিযোগও রয়েছে। ফলে, কার ওপর এবার রোষ পড়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    Darjeeling: ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়করিকে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে অপসারণের দাবি জানালেন দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভার সাংসদ রাজু বিস্তা। তিস্তার গতিপথ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে রাজ্য সড়কের উপর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার উদাসীন, তাই জাতীয় সড়কের দায়িত্ব এবার রাজ্য সরকারের হাত ছাড়া হতে বসেছে। ঠিক এমনটাই দাবি করলেন এই বিজেপি সাংসদ। উল্লেখ্য সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমসিংহ তামাং কিছু দিন আগে দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়করির সঙ্গে দেখা করে, বাংলার অধীনে থাকা এই সড়ক দেখাশোনার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নেওয়ার দাবি করেন।

    বিজেপি সাংসদের দাবি (Darjeeling)

    বিজেপি সাংসদ রাজুবিস্তা জানিয়েছেন, “উত্তরে সিকিমের সঙ্গে দার্জিলিং-এর (Darjeeling) যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা হল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (National Highway 10)। এই সড়ক শুধু লাইফ লাইন নয়, দেশের নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে। উত্তরবঙ্গের গোটা অর্থনীতি, পর্যটন শিল্প এই সড়কের উপর নির্ভর করে আছে। কিন্তু এই সড়ককে ঠিক মতো মেরামত এবং সংস্কারের কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার। গ্রিফ, এনএইচআইডিসিএল (ন্যাশনাল হাইওয়েজ় অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট) বা এনএইচআই (ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া)-র মতো সংস্থাকে যেন ওই সড়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী রাজ্যের পূর্ত দফতর থেকে সড়ক দেখাশোনার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    ব্যবসায়ীদের দাবি কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করুক

    এই জাতীয় সড়কের (National Highway 10) উপর নির্ভর করে আছে উত্তরের পর্যটন ব্যবসা। শিলিগুড়ি (Darjeeling) থেকে সিকিম পর্যন্ত অনেক মানুষের ব্যবসা জড়িয়ে রয়েছে এই সড়কের উপরই। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজ়ম নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট স্যানাল বলেন, “উত্তর সিকিমের প্রধান দুটো পর্যটনস্থলের মধ্যে লাচেন প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ। আর লাচুং গত ডিসেম্বরে খুললেও আবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, কেন্দ্রীয় সরকার এই সড়কের উপর হস্তক্ষেপ করুক। সিকিম রাজ্য সরকার এবং আমাদের রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে জিয়োলজিকাল সার্ভে করে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share