Blog

  • Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    Nadia: সোহম বিতর্কের মাঝে তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি! বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে তৃণমূল বিধায়ক সোহমের দাদাগিরি নিয়ে রাজ্যজুড়ে  তোলপাড় চলছে। এই বিতর্কের মাঝে এবার পুরসভা পরিচালিত ক্যাফেতে তালা ঝোলানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর শহরে। এমনকী ক্যাফের পাশের পার্কটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কদমতলা ঘাটের পাশের পার্ক ও ক্যাফেটি তৃণমূল পরিচালিত পুরসভায় তৈরি করেছিল। প্রশ্ন উঠছে, একজন কাউন্সিলর কী ভাবে পুরসভার কোনও প্রকল্প বন্ধ করে দিতে পারেন!

    তৃণমূল কাউন্সিলরের দাদাগিরি, বন্ধ করে দেওয়া হল পুরসভার ক্যাফে (Nadia)

    বেশ কিছুদিন আগে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার উদ্যোগে কদমতলা ঘাটের পাশে পার্ক ও ক্যাফে গড়ে ওঠে। ক্যাফে পরিচালনার জন্য প্রলয় ভট্টাচার্য নামে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে তৃণমূল কাউন্সিলর পলাশ দাসের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গিয়ে দাদাগিরি দেখান বলে অভিযোগ। ক্যাফের মালিক প্রলয় ভট্টাচার্য বলেন, “আমি ক্যাফেতে বসেছিলাম। কাউন্সিলরের নেতৃত্বে কয়েকজন ছেলে এসে জোর করে ক্যাফে বন্ধ করে দেয়। আমাদের গালিগালাজ করা হয়। হুমকিও দেওয়া হয়। পুরসভায় অভিযোগ জানিয়েছি।” এ নিয়ে পুরসভার ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন ক্যাফের মালিক। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল কাউন্সিলর (Nadia) পলাশ দাস বলেন, “এই অভিযোগ মিথ্যা। ওই ক্যাফে এবং পার্কের কিছু অংশ আমার ভাইয়ের ওয়ার্ডেও পড়ে। কবে ওই পার্কের কাজ ও ক্যাফের টেন্ডার ডাকা হয়েছে তা আমরা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, পুরসভা আমাদের কিছুই জানায়নি। আমরা গিয়েছিলাম, এটা সত্যি। কিন্তু, ক্যাফেতে উপস্থিত কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। আমরা অনুরোধ করেছিলাম ক্যাফে বন্ধ রাখার জন্য।” প্রসঙ্গত, কৃষ্ণনগর পুরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলরেরা বর্তমানে আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। পূর্ত বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিশির কর্মকারের গোষ্ঠীর সঙ্গে চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব চরমে। যার ফলশ্রুতি হিসাবে চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর দুই তৃণমূল কাউন্সিলর প্রকাশ দাস এবং পলাশ দাস রীতার সঙ্গে একাধিক বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়ান। তারই সর্বশেষ সংযোজন এই ক্যাফে বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা।

    দাদাগিরি সহ্য করব না!

    চেয়ারপার্সন রীতা ঘোষ বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি মহকুমাশাসক-সহ শীর্ষ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কৃষ্ণনগর শহরের সৌন্দর্যায়নের কাজের জন্য পার্ক ও ক্যাফে পুরসভার পক্ষ থেকে তৈরি করা হয়েছিল। আগামীদিনে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হবে। তবে, কোনও ব্যক্তির দাদাগিরি মেনে নেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের রেস্তোরাঁ মালিককে নিগ্রহের ঘটনায় এবার জল গড়াল আদালতে। অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলম। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না পুলিশ। এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার একক বেঞ্চ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিককে। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    সোহমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রেস্তোরাঁর মালিক (Soham Chakraborty) 

    রেস্তোরাঁ মালিক আনিসুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও যথাযথ তদন্তের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে মামলাকারী পক্ষের। আনিসুলের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সোহমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ

    হোটেল মালিকের অভিযোগ 

    অনিসুল অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর তাঁকে থানায় ডেকে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের (Soham Chakraborty) পক্ষ থেকে তাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছে। সমস্ত কথা পুলিশকে জানালেও সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না থানা। তার জেরেই তিনি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” যদিও পরে অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?  

    গত শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা শুটিং করতে গিয়ে নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। এরপর মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেছিলেন, বচসা চলাকালীন হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। এতেই রেগে যান তিনি। আর তখনই সূত্রপাত হয় এই ঘটনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    CBSE: ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বর নিয়ে দু’নম্বরি করেছে স্কুলগুলি! বড় দাবি সিবিএসই-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষার নম্বর নিয়েই দু’নম্বরি করার অভিযোগ উঠল সিবিএসই-র (CBSE) পরীক্ষায়। দিল্লির এই বোর্ডের কর্মকর্তাদের ধারণা দশম-দ্বাদশে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের নম্বরে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এই কারচুপির পিছনে রয়েছে স্কুলগুলি। সিবিএসই-র কর্তাদের মতে স্কুলগুলি পরীক্ষার্থীদের খাতায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই কাজে লাগিয়ে দেখা গিয়েছে প্র্যাকটিক্যাল এবং থিওরির পেপারের নম্বরের মধ্যে ব্যাপক অমিল রয়েছ।

    ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়র অভিযোগ

    সিবিএসই (CBSE) সূত্রে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত পড়ুয়ারা স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টে ভালো নম্বর পেয়েছে তাঁরাই আবার বোর্ডের থিওরি পরীক্ষায় খারাপ ফল করেছে। ভালো ছাত্র-ছাত্রী বা যুক্তি-তর্কের জায়গায় এই তারতম্য হওয়ার কথা নয়। এখানেই প্রশ্ন উঠছে স্কুলের হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের স্বচ্ছতা নিয়ে। এক্ষেত্রে স্কুলে হাতে থাকা ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট এর স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু গাইডলাইন পাঠানো হচ্ছে স্কুলগুলিকে। যাতে আগামীতে এই ধরণের গরমিল না করা হয়। সিবিএসই মনে করছে সারা দেশের ৫০০-র বেশি স্কুল ৫০ শতাংশর বেশি ছাত্রছাত্রীকে ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে বেশি নম্বর পাইয়ে দিয়েছে স্কুল। বোর্ডের পড়ুয়াদের মোট নম্বরের একটা বড় অংশ স্কুলের হাতে থাকে। সেখানে প্রাকটিক্যাল ও প্রজেক্টের মাধ্যমে স্কুল নিজেদের ছাত্র-ছাত্রীদের মূল্যায়ন করে থাকে। সেই মূল্যায়নের নম্বর বোর্ডের কাছে পরবর্তীকালে জমা দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নম্বর দেওয়া হয় ছাত্রছাত্রীদের।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    এক্ষেত্রে কলকাতার নামকরা সিবিএসই স্কুল ভারতী বিদ্যাভবনের প্রিন্সিপাল অরুণ দাশগুপ্ত বলেন, “যদি সত্যিই গরমিল হয়ে থাকে তাহলে পড়ুয়ারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরবর্তী ক্লাসে ভর্তির ক্ষেত্রে অসুবিধার পাশাপাশি পরবর্তী ক্লাসে তাঁদের পড়া বুঝতে অসুবিধা হতে পারে। কেউ যদি মনে করে স্কুলগুলি এই গরমিল করেছে তাহলে সেই স্কুলগুলোর নাম প্রকাশে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

    কী ব্যবস্থা নিল সিবিএসই (CBSE)

    এক্ষেত্রে সিবিএসই স্কুলগুলির নাম প্রকাশ্যে না আনলেও অ্যাডভাইজরি জারি করেছে। যাতে আগামী দিনে এই ধরনের গরমিল ঠেকানো যায়। এছাড়াও শিক্ষা ক্ষেত্রে মানোন্নয়নের জন্য বোর্ডের তরফে একটা ক্লাসে সর্বোচ্চ কতজন ছাত্র ভর্তি নেওয়া যাবে তাও জানানো হয়েছে। ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষকের অনুপাত কী হবে সেসব বিষয়ে গাইডলাইন দিয়েছে (CBSE) বোর্ড। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মার্কস বাড়িয়ে দেওয়ার রোগ শুধুমাত্র সিবিএসইতে রয়েছে এমনটা নয়। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ শিক্ষা সংসদেও এই অভিযোগ উঠেছে এর আগেও। ২০২১ সালে করোনা কালে মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। সেবার স্কুলকে এই নম্বর দিতে বলা হয়েছিল। তখন দেখা যায় ২৫০ জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিকে ফুল মার্কস পেয়েছিল। পরে বোর্ডে সন্দেহ হওয়ায় মার্কস ট্যাবুলেশন শিট চেয়ে পাঠানো হয়। পরে সেই সংখ্যা ২৫০ থেকে ৭৯তে নেমে আসে। এমনকী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কলেজের প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার যে নম্বর কলেজের হাতে থাকে, সেখানেও দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়। অনেক সময় এক্ষেত্রে নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের অভিযোগও ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Team: এবার গন্তব্য জঙ্গলমহল, ভোট মিটতেই ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    Central Team: এবার গন্তব্য জঙ্গলমহল, ভোট মিটতেই ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে ফের একবার তৈরি হয়েছে এনডিএ সরকার। শপথ গ্রহণের পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি দলের (Central Team) আনাগোনা শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এমনটাই জানা গিয়েছে। জানা যাচ্ছে চলতি মাসের ২৩ তারিখ কলকাতায় আসছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক প্রতিনিধি দল। জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্র সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছে, সেগুলিকে কিভাবে খরচ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট নেবে ওই দলটি।

    নিরাপত্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ জঙ্গলমহলে

    প্রসঙ্গত, বামফ্রন্ট জমানার শেষের দিকে জঙ্গলমহল (Central Team) একেবারে মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছিল। ২০০৮ সালের ২ নভেম্বর মাওবাদীরা হামলা চালায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয়ে। এরপরেই সেখানে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুরু করা হয়। শুরু হয়েছিল অপারেশন গ্রিন হান্ট। সেই প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের উপদ্রব কমে গেলেও যৌথ বাহিনীর একটি অংশ থেকেই গিয়েছে। যার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে অর্থ বরাদ্দ করতে হয়। সেই অর্থ কোন খাতে কিভাবে খরচ করা হয়েছে তা জানতেই প্রতিনিধি দল আসছে পশ্চিমবঙ্গে।

    ২৩ থেকে ২৮ জুন পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দলটি 

    সূত্রের খবর, ২৩ থেকে ২৮ জুন পশ্চিমবঙ্গে কাজ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দলটি (Central Team)। তবে কেমন কাজ করবে তারা, কোন ধরনের কাজ তারা করবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মূলত অর্থের সমীক্ষা করতেই আসছে এই দল। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক প্রকল্পে কেন্দ্রীয় অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদল থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নাম বদলের অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। এই সমস্ত প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে এর আগেও কেন্দ্রীয় দল এসেছে রাজ্যে। ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। যার জেরে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দেয় এই প্রকল্পের টাকা। এরই মধ্যে লোকসভা ভোট শেষ হতে ফের একবার রাজ্যে পা রাখছে কেন্দ্রীয় দল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নতুন সেনা প্রধান (Next Army Chief) হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। বর্তমানে ভারতীয় সেনার সহকারী প্রধান (‘ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ’) পদে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৩০ জুন অবসর নেবেন জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। সে দিনই লেফটেন্যান্ট জেনারেল দ্বিবেদী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন। 

    কবে নেবেন নতুন দায়িত্ব 

    গত মে মাসেই জেনারেল মনোজ পান্ডের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৷ কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তে তার কার্যকালের মেয়াদ ১ মাস বাড়ানো হয়েছে ৷ আগামী ৩০ জুন জেনারেল মনোজ পাণ্ডের কাজের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সেদিনই নতুন সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)৷  চলতি বছরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় সেনা সহকারী প্রধান বা ভাইস চিফ আর্মি স্টাফ হিসেবে দায়িত্বভার নেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী৷ ওই পদে মাত্র চার মাস থাকার পরই দেশের চিফ অফ আর্মি স্টাফ হতে চলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    নির্ভরযোগ্য হাতে দায়িত্ব

    ১৯৮৪ সালে ভারতীয় সেনার জম্মু ও কাশ্মীর রাইফেলসের রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেনান্ট পদে যোগ দিয়েছিলেন উপেন্দ্র  দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। ন্যাশানাল ডিফেন্স আকাডেমি ও ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির এই প্রাক্তনী এর আগে ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ, ডিরেক্টর জেনারেল অফ ইনফ্যান্ট্রির মতো পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ সামলেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে বিদেশেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সৈনিক স্কুল দিয়ে পঠনপাঠন শুরু হয়৷ তারপর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন৷ এছাড়াও আমেরিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত একাধিক কোর্সও করেছেন তিনি৷ বিশ্বের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিখে এসেছেন নানা ধরনের অত্যাধুনিক সামরিক কলা-কৌশল৷ একইসঙ্গে প্রতিরক্ষার বিষয় নিয়ে এমফিল এবং দুটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিও রয়েছে তাঁর৷ এবার দেশের সেনাবাহিনীর (Next Army Chief) দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গড় বোলপুরে এবার লোকসভা ভোটে দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার দুটি কেন্দ্রে বিপুল ভোটে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। কিন্তু, বোলপুর শহরে শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে কেন এরকম ভরাডুবি হল তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রত-চন্দ্রনাথের বুথেও লিড বিজেপির, বোলপুরে ধরাশায়ী তৃণমূল (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বোলপুর শহরে ২০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে তৃণমূলের থেকে বিজেপি এগিয়েছিল। সেবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ওয়ার্ডেও বিজেপি পিছনে ফেলে দেয় শাসকদলকে। গত বিধানসভা নির্বাচনে বোলপুর আসন থেকে জয় এলেও শহরের ১৪টি ওয়ার্ডেই বিজেপি এগিয়েছিল। সেই নির্বাচনেও অনুব্রতের ওয়ার্ড থেকে জয় মেলেনি তৃণমূলের। যা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে। তবে, ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বোলপুরে ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটিতেও প্রার্থী দিতে পারেনি বিজেপি। ১০টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয় তৃণমূল। এমনকী, ২০২২ সালের পুর-নির্বাচনে বোলপুরে বিরাট জয় পেয়েছিল তৃণমূল। আর, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুরসভার ২২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডল এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ওয়ার্ডও এ বার হাতছাড়া হয়েছে। দু’বছরের ব্যবধানে কেন শহরের ভোটারদের একাংশ মুখ ফেরালেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে শাসক শিবিরে। শুধু চর্চাই নয় শহরের একাধিক ওয়ার্ডে কেন তারা পিছিয়ে, তার কারণ অনুসন্ধানে নামতে চলেছে তৃণমূল। আগামী ১৩ জুন ও ২২ জুন বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকে সব ওয়ার্ডের পুর-প্রতিনিধি, শহর সভাপতি ও শহর কমিটির দায়িত্বে থাকা সকলকে ডাকা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ওয়ার্ড ধরে ধরে কোথায় খামতি রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “কেন এই খারাপ ফল হল শহরে, তা আমরা দেখব। একই সঙ্গে শহরের ভোটারেরা কেন মুখ ফেরালেন, তা-ও সকলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হবে। কারণ, শহরের উন্নয়নের জন্য আমরা প্রচুর কাজ করেছি। তারপরও এই ধরনের ফল আশা করিনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    Success Story: ৭৯ বার প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর সাফল্য! র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবনের আজানা কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য কখনই সহজে আসে না। বহু প্রতীক্ষা আর একনিষ্ঠ চেষ্টার পরেই সাফল্য আসে। তবে সফলতার পথে প্রত্যাখ্যান তো আসবেই। কিন্তু প্রথম প্রত্যাখ্যানেই ভেঙে পড়লে সফলতার শিখরে কখনওই পৌঁছনো যাবে না। বরং প্রত্যাখ্যান থেকেই শিক্ষা নিয়ে লক্ষ্য স্থির রেখে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। অনেক প্রত্যাখ্যানের পর সফলতা পেয়েছে এমন উদাহরণ আমাদের সমাজে অনেকই আছে। তবে আজ জানাব আইআইটি স্নাতক পবন গুন্টুপল্লির জীবন কাহিনী (Success Story), যা শুনে অনুপ্রাণিত হবেন আপনিও। 

    কে এই পবন গুন্টুপল্লি? (Pavan Guntupalli) 

    তেলঙ্গানার বাসিন্দা পবন গুন্টুপল্লি হলেন একজন তরুণ ভারতীয় উদ্যোক্তা এবং ভারতীয় বাইক-ট্যাক্সি কোম্পানি র‍্যাপিডোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। বেঙ্গালুরু থেকে পবন তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তারপর তিনি খড়গপুর আইআইটি থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীকালে আইআইএম ব্যাঙ্গালোর থেকে এমবিএ করেছেন। আসলে ট্রেডিং এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর প্রতি তার গভীর আগ্রহ রয়েছে ছোটবেলা থেকেই। 

    কর্মক্ষেত্রে নানান প্রতিকূলতা পেড়িয়ে অবশেষে সফলতা (Success Story)

    তবে তাঁর (Pavan Guntupalli) কর্মজীবনের শুরুটা খুব মসৃণ ছিল না। বহু প্রতিকূলতা ও প্রত্যাখ্যান পেরিয়ে অবশেষে তিনি শহরবাসীর জন্য একটি সুবিধাজনক সাশ্রয়ী মূল্যের এবং ২৪X৭ পরিবহণ মাধ্যম আনার চিন্তাভাবনা করেছিলেন। যার ফলে পরবর্তীকালে অনেক তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ প্রশস্ত হয়েছে। যদিও এই চিন্তা তাঁর মাথায় একদিনে আসেনি। জানা গিয়েছে, স্নাতক হওয়ার পর তিনি স্যামসাঙের সঙ্গে কাজ করেন এবং সেখান থেকে শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এরপর তিনি তার বন্ধু অরবিন্দ সাঙ্কার সঙ্গে ‘দ্যা ক্যারিয়ার’ নামে একটি ব্যবসা শুরু করেন। এই স্টার্ট-আপের ভালো-মন্দ থেকে শিক্ষা নিয়ে, পবন এরপর ২০১৪ সালে র‍্যাপিডো নামে একটি বাইক ট্যাক্সি পরিষেবা চালু করেন।   

    তবে শুরু করব বললেই তো আর সবকিছু এত মসৃণ হয় না। কারণ ব্যবসা শুরু করতে গেলে প্রয়োজন প্রচুর মূলধন। তবে বিনিয়োগকারীরা প্রথমে এই ব্যবসায় টাকা বিনিয়োগের ঝুঁকি নিতে চাননি। উবার-ওলার ভিড়ে এই র‍্যাপিডো আদৌ তার জায়গা গুছিয়ে নিতে পারবে কিনা সেই ধন্দে পবন (Pavan Guntupalli) প্রায় ৭৯ জন বিনিয়োগকারীর থেকে সেসময় প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন। তবে থেমে থাকার পাত্র নন তিনি। নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে একমনে চালিয়ে গিয়েছেন চেষ্টা। প্রথম দিকে বেস ভাড়া ১৫ টাকার সঙ্গে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ৩ টাকা রেখেছিলেন পবন। তাই স্বাভাবিকভাবেই র‌্যাপিডোর ব্যবসা প্রথম দিকের বছরগুলিতে খুব একটা অগ্রগতি আনতে পারেনি। তবে পবন তাঁর স্বপ্ন পূরণে অবিচল ছিলেন। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    তাঁর প্রথম সাফল্য (Success Story) আসে দুই বছর পর ২০১৬ সালে। যখন হিরো মোটোকর্পের (Hero MotoCorp) চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর পবন মুঞ্জাল র‌্যাপিডোতে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেন। মুঞ্জালের যোগদানের ফলে, র‌্যাপিডো শুধুমাত্র উপভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছিল তাই নয়, বিনিয়োগকারীদেরও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম  হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে কোম্পানি ১০০টিরও বেশি শহরে সফলভাবে প্রসারিত হয়েছে। যেহেতু র‌্যাপিডো বাইক-রাইডিং ভিত্তিক ব্যবসা, তাই এটি রুক্ষ পাহাড়ি এলাকায় আরও জনপ্রিয়তা অর্জন (Success Story) করেছে এবং সফল হয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডোর ৭ লাখের বেশি ব্যবহারকারী এবং ৫০,০০০ রাইডার রয়েছে। বর্তমানে, র‌্যাপিডো সংস্থার বাজারদর ৬,৭০০ কোটি টাকা! সুতরাং, পবনের এই জীবনকাহিনী আরও একবার প্রমান করল যে, কোনও কাজে প্রত্যাখ্যান এলে থেমে যেতে নেই, বরং নিজের লক্ষ্যে স্থির থেকে এগিয়ে যেতে হয়। সঠিক সময় হলে সফলতা এমনিতেই আসবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bird Flu in Bengal: বার্ড ফ্লু আতঙ্ক বাংলায়, শিশুর শরীরে মিলল ভাইরাস, জানাল ‘হু’

    Bird Flu in Bengal: বার্ড ফ্লু আতঙ্ক বাংলায়, শিশুর শরীরে মিলল ভাইরাস, জানাল ‘হু’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় এবার বার্ড ফ্লু (Bird Flu in Bengal) আতঙ্ক। আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গের চার বছর বয়সী এক শিশু। জানা গিয়েছে ওই শিশুর শরীরে মিলেছে H9N2 ভাইরাস এবং এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকেও। জানা গিয়েছে, চার বছর বয়সী শিশুটি বাড়িতে পোল্ট্রির সংস্পর্শে এসেছিল এবং সেখান থেকেই বার্ড ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। শিশুটির শরীরের জ্বর, পেটব্যথা, শ্বাসকষ্টের মতো নানা উপসর্গ দেখা যায়। কিন্তু এমন উপসর্গ তার পরিবারের কারও মধ্যে দেখা যায়নি। জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই শিশুটিকে এই সমস্ত উপসর্গের কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপরেই তার শরীরে নমুনা পরীক্ষা করে বার্ড ফ্লু ভাইরাস ধরা পড়ে।

    বর্তমানে ওই শিশু একেবারে সুস্থ   

    স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছে, শিশুটির বাড়ি উত্তরবঙ্গে। বর্তমানে সে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ। বার্ড ফ্লু সংক্রমণের পরেই তার শরীরে ফুসফুস জনিত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, তার নাক এবং গলা থেকে নেওয়া নমুনা কলকাতার একটি ভাইরাস রিসার্চ সেন্টারে পরীক্ষা করা হয় এবং সেখানেই মেলে বার্ড ফ্লুর ভাইরাস (Bird Flu in Bengal)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেই প্রথম ভারতে মানবদেহে H9N2 ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। এরপরে দ্বিতীয়বারের মতো দেখা গেল শিশুর দেহে।

    সাধারণভাবে এই ভাইরাস পাখিদের আক্রান্ত করে

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, H9N2 ভাইরাস এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস নামে পরিচিত। সাধারণভাবে এই ভাইরাস পাখিদের আক্রান্ত করে এবং বার্ড ফ্লু আক্রান্ত কোনও পাখির সংস্পর্শে যদি কোনও ব্যক্তি আসে তখনই তার শরীরে বাসা বাঁধে এই ভাইরাস (Bird Flu in Bengal)। এর জেরে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে মানুষ থেকে মানুষে সেভাবে এই ভাইরাস সংক্রামিত হয় না বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বার্ড ফ্লু  ভাইরাস দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে বেশি মেলে। তবে বিগত পাঁচ বছরে দেশে এই নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য কোনও মানব শরীরে মিলল এই ভাইরাস।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না’’, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    Shantanu Thakur: ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না’’, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার জাহাজ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগলেন শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। মঙ্গলবারই তিনি দাবি করেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর ঔদ্ধত্যের কারণেই সমুদ্র বন্দর তৈরির কাজ এগোচ্ছে না।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কেন্দ্র কাজ করতে তৈরি। কিন্তু রাজ্য অনুমতি দিচ্ছে না। আসলে রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও মাথাব্যথা নেই।’’

    যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানছে না তৃণমূল সরকার

    তৃণমূল সরকার যে কোনওভাবেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানতে চায় না তা একাধিকবার সামনে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন বিবৃতি ও কাজে। এ প্রসঙ্গে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বন্দর তৈরি করতে গেলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মানতে হবে। রাজ্য সরকারের পক্ষে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করে চালানো অসম্ভব। রাজ্য সরকারের কাছে অত টাকাই থাকে না। তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে  কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আমরা রাজ্য সরকারের কাছে যৌথ উদ্যোগে গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এনওসি দেয়নি। ফলে গোটা প্রকল্প আটকে গিয়েছে। আমরা কাজ করতে তৈরি। রাজ্য সরকার সম্মতি দিলেই আমরা কাজে নেমে পড়ব।’’

    ‘‘আমি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হলে রাজ্যের মন্ত্রীরা তো অন্তর্বাস মন্ত্রী’’

    তাঁকে হাফ প্যান্ট মন্ত্রী বলে কটাক্ষ করায় তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। তিনি বলেন, ‘‘আমি হাফ প্যান্ট মন্ত্রী হলে রাজ্যের মন্ত্রীরা তো অন্তর্বাস মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে দেশের প্রত্যেকটা রাজ্যের মানুষ চেনেন। তিনি গোটা দেশে কাজ করতে পারেন। রাজ্যের মন্ত্রীকে রাজ্যের বাইরে কে চেনে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো অন্যের উন্নতি দেখতে পারেন না। তাই একা রেলমন্ত্রী হয়ে বাকিদের হাফ প্যান্ট মন্ত্রী বানিয়ে রেখেছিলেন। তখন তৃণমূলের একথা মনে ছিল না? কাজ করার ইচ্ছা থাকলে প্রতিমন্ত্রী হয়েও করা যায়। কিন্তু তৃণমূল তো শুধু দুর্নীতি করতে জানে। কাজ করতে জানে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    Naihati: বুথে হেরেছেন পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে বুথে হেরেছেন পার্থ ভৌমিক। আর তার জেরেই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সাধন ঘোষ নামে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে কল্যাণী এইমস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    বুথে হেরেছে পার্থ, তৃণমূলের হামলায় রক্ত ঝরল বিজেপি কর্মীর (Naihati)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নৈহাটির (Naihati) মামুদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাদারপুর মণ্ডলপাড়া বুথে এবার লিড পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল এই বুথে ধরাশায়ী হতেই শাসক দলের নেতা-কর্মীদের রোষানলে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। কয়েকদিন ধরেই বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া চলছিল। এবার বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সাধন ঘোষ নামে ওই বিজেপি কর্মী টোটো চালিয়ে সংসার চালান। মঙ্গলবার টোটো নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাসের স্বামীর নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস দাঁড়িয়ে থেকে হামলার নেতৃত্ব দেন। পরে, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপির (Naihati) জগদ্দল মণ্ডলের সম্পাদক দশরথ সরকার বলেন, এবার বুথের ক্যাম্প অফিস দলীয় কর্মী সাধন ঘোষের বাড়ির সামনে করেছিলাম। তিনি ও তাঁর স্ত্রী এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ওই বুথে পার্থ ভৌমিক ৬৫ ভোটে হেরে গিয়েছে। আর তার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। অন্যদিকে, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা করবী বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। আমার স্বামী সাইকেল করে বাড়ি ফিরছিলেন। উলটোদিক থেকে সাধন ঘোষ টোটো এনে দাঁড় করিয়ে দেয়। টোটো সরাতে বললে আমার স্বামীকে বেধড়ক মারতে থাকে। বাড়়ির কাছে ওই ঘটনা দেখে আমিও ছুটে যাই। আমাকেও মারধর করে। আমার স্বামী নৈহাটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। দুপক্ষই পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share