Blog

  • Prashant Kishor: “ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই”, বললেন পিকে

    Prashant Kishor: “ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই”, বললেন পিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে তৃতীয়বারের জন্য বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসতে চলেছে, সে ভবিষ্যদ্বাণী আগেই করেছিলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে (Prashant Kishor)।

    পেট্রোল-ডিজেল আসবে জিএসটির আওতায়! (Prashant Kishor)

    এবার তিনি জানালেন, এনডিএ ফের ক্ষমতায় এলে পেট্রোল-ডিজেল চলে আসতে পারে জিএসটির আওতায়। পরিকাঠামোগত এবং প্রশাসনিক নানা পরিবর্তনও হাতে পারে। পিকে বলেন, “মোদি ফের একবার প্রধানমন্ত্রী পদে বসলে ক্ষমতা ও সম্পদ আরও বেশি করে কেন্দ্রের অধীনস্থ থাকবে। রাজ্যগুলির অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতাও সৃষ্টি করা হতে পারে।” ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে পরামর্শ দিয়েছিলেন এই ভোট কুশলী। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ‘কাজ করেছিলেন’ তৃণমূলের হয়ে। পিকে বলেন, “বর্তমানে দেশের প্রতিটি রাজ্য তিনভাবে আয় করতে পারে। পেট্রোলিয়াম, আবগারি ও জমি।” তিনি বলেন, “আমি অবাক হব না যদি তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে মোদি সরকার পেট্রোলিয়ামকেও জিএসটির আওতায় নিয়ে আসে।” প্রসঙ্গত, পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনার দাবি এই ইন্ডাস্ট্রির দীর্ঘ দিনের। তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে এ ব্যাপারেই পদক্ষেপ করতে পারে মোদি সরকার।

    আর পড়ুন: ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটে’র ‘হারানো সন্তান’রা পালন করেন হিন্দুধর্ম!

    কী বললেন পিকে?

    পিকে (Prashant Kishor) বলেন, “উনিশের নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়েছিল ৩০৩টি আসনে। এবারও তাদের আসন সংখ্যা থাকবে এর আশপাশেই। ৩০৩ ছাড়িয়েও যেতে পারে। গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপিই যে ক্ষমতায় ফিরবে, সে কথা আমি বলে এসেছি। এখনও তাই বলছি।” ‘জন সুরাজ পার্টি’র সুপ্রিমো পিকে বলেন, “মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের কোনও ক্ষোভ রয়েছে, এমন কথা দেশের কোনও প্রান্তেই শুনিনি।” তিনি বলেন, “সাধারণভাবে সরকারের কার্যকলাপ নিয়ে জনগণের প্রচণ্ড ক্ষোভ, হতাশা, অপূর্ণ আকাঙ্খার বহিঃপ্রকাশ না থাকলে ভোটের ফল শাসকের অনুকূলেই যায়।” সম্প্রতি পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পিকে দাবি করেছিলেন, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের এক নম্বর দল হয়ে উঠতে পারে। গত কয়েক বছর ধরে বিজেপি পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে তাদের সংগঠন বাড়াতে যে কঠোর পরিশ্রম করেছে, তার ফলেই এমনটা হতে পারে বলেই দাবি পিকের (Prashant Kishor)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Online Fraud: নয়া ব্যাঙ্কিং প্রতারণার ফাঁদ! বাঁচার উপায় কী? জানুন এবং সুরক্ষিত থাকুন

    Online Fraud: নয়া ব্যাঙ্কিং প্রতারণার ফাঁদ! বাঁচার উপায় কী? জানুন এবং সুরক্ষিত থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের সঙ্গে বেড়েছে প্রতারণা। পারম্পরিক চুরি ডাকাতির জায়গা নিয়েছে অনলাইন চুরি (Online Fraud)।  ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে একেবারে পুরো টাকা হাপিস করার নতুন উপায় নিয়ে আসছে হ্যাকাররা। গ্রাহকরা এখন সময় বাঁচাতে অনলাইন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা গ্রহণ করছে এবং প্রতারকরা তাদের কেলেঙ্কারি চালাতে এখন ব্যবহার করছে ফাইল ডাউনলোড জালিয়াতি। দেশের প্রধান ব্যাঙ্কগুলি, যেমন AU Bank, SBI, PNB, Axis Bank, এবং অন্যান্যগুলি গ্রাহকদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশগুলি প্রদান করেছে। APK ফাইল ডাউনলোড স্ক্যাম এখন OTP স্ক্যামের জায়গা নিয়েছে। আসুন এই নতুন স্ক্যাম কৌশলগুলি সম্পর্কে জেনে নিন। ব্যাঙ্কগুলি তাদের ক্লায়েন্টদের স্ক্যামারদের ফাঁদে পড়া থেকে সতর্ক করছে।

    APK ফাইল ডাউনলোড স্ক্যাম

    ইতিমধ্যেই দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক SBI ফাইল জালিয়াতির বিষয়ে সতর্ক করেছে। যে কোন পরিচিত থার্ড পার্টি অ্যাপ বা অ্যাপের APK ফাইল যা আপনার সমস্ত তথ্য অ্যাক্সেস করতে চায় এমন অ্যাপ বা APK ফাইল ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ হ্যাকাররা সহজেই আপনার সমস্ত তথ্য পেয়ে যেতে পারে এবং জালিয়াতি করতে পারে। এর আগে, এসবিআই নিজের গ্রাহকদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, জালিয়াতি রোধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ বা বার্তার মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনও লিঙ্ক না খুলতে বলেছিল। প্রথমে হ্যাকাররা গ্রাহককে মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি লিঙ্ক পাঠায়। গ্রাহক যখন APK ফাইলে ক্লিক করেন এবং এটি ইনস্টল করেন, তখন তাদের স্ক্রিনে বিভিন্ন সতর্কবার্তা দেখা যায়। এর পরে, হ্যাকার তাদের হ্যাকিং ডিভাইসের মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইল ফোনের অ্যাক্সেস লাভ করে, যা প্রতারণার দিকে পরিচালিত করে।

    প্রতারণা থেকে বাঁচতে

    APK ফাইলের আকার মাত্র কয়েক KB হলে কখনই লিঙ্ক ক্লিক বা ডাউনলোড করবেন না। যদি একটি ইনস্টল করা APK ফাইল ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, জিপিএস, পরিচিতি, এসএমএস ইত্যাদির জন্য অনুমতির অনুরোধ করে, তাহলে অবিলম্বে আপনার ফোন থেকে সেই অ্যাপ সরিয়ে ফেলুন।

    আরও পড়ুন: Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    আপনার ফোনে যদি অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইনস্টল করা থাকলে, এটি অবিলম্বে বিপদ সনাক্ত করবে, এটি নির্দেশ দেবে যে APK ফাইলটি নিরাপদ নয়। ব্যবহারকারীদের গুগল প্লে স্টোর থেকে সতর্কতা অনুসরণ করা উচিত। পর্যায়ক্রমে আপনার ফোন রিবুট করুন।

    অন্যান্য বেসরকারি ব্যাঙ্কের সাবধান বাণী (Online Fraud)

    এটি উল্লেখ করার মত যে ICICI ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং AU ব্যাঙ্কও তাদের গ্রাহকদের অনলাইন জালিয়াতি (Online Fraud) থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করেছে। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক কোনও অনলাইন তথ্য শেয়ার করার আগে তার গ্রাহকদের উৎস যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে। যেই ব্যাঙ্কে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে তাঁদের গাইডলাইন মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Election Commission:  বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! ষষ্ঠ দফায় রাজ্যে মোতায়েন ৯১৯ কোম্পানি

    Election Commission: বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! ষষ্ঠ দফায় রাজ্যে মোতায়েন ৯১৯ কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার ভোট থেকেই রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। ষষ্ঠ দফায় (Lok sabha vote Phase 6) গিয়ে রাজ্যে সেটাই দাঁড়াচ্ছে ৯১৯ কোম্পানিতে। আগামী শনিবার ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে রাজ্যে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কাঁথি, তমলুক, ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রয়েছে এদিন। জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে এই দফাতেই হবে ভোটগ্রহন। ফলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই দফার ভোট শাসক এবং বিরোধী উভয় দলের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিক থেকে কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    কোথায় কত কোম্পানি মোতায়েন? (Election Commission) 

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ষষ্ঠ দফার ভোট নির্বিঘ্নে করাতে আগাম সতর্কতা নিচ্ছে তারা। ঝাড়গ্রামের জন্য ১৩৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে, এবং প্রতি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ান থাকবে। অন্যদিকে পুরুলিয়ায় থাকবে ১৩৭ কোম্পানি এবং ৫৪৬৪ জন রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জন্য মোতায়েন থাকবে ২৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭১৪ জন রাজ্য পুলিশ।

    ভোটের দফার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ছে বাহিনীর সংখ্যা 

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ভোটে রাজ্যে মাত্র ৪৪১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে তা ছিল ৭১০ কোম্পানি। আর এবারের নির্বাচনে ষষ্ঠ দফায় (Lok sabha vote Phase 6) থাকবে ৯১৯ কোম্পানি। প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোটের দফা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। অন্যদিকে যেহেতু দেশের একাধিক রাজ্যের ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে তাই শেষ দফায় এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    প্রসঙ্গত, আগামী ১ জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, ডায়মন্ডহারবার, মথুরাপুর, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণের মতো নজরকাড়া ৯টি আসনে ভোট। কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর, স্বভাবতই, শেষ দফার ভোটেও বাহিনীর সংখ্যা প্রয়োজনে বাড়বে বই কমবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি, প্রতিহিংসার রাজনীতি?

    Lok Sabha Election 2024: গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে পুলিশের তল্লাশি, প্রতিহিংসার রাজনীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের মধ্যেই গভীর রাতে হিরণের সেক্রেটারির বাড়িতে হঠাৎ পুলিশ। আরও তিন বিজেপি নেতার বাড়িতে চলল রাতভর তল্লাশি। গতকাল মঙ্গলবার রাত পেরিয়ে ভোর পর্যন্ত চলেছিল এই পুলিশের অভিযান। আবার একই দিনে কোলাঘাটে শুভেন্দুর ভাড়া বাড়িতে চলে পুলিশের হানা। সেখানে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের চলে ধস্তাধস্তি। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অবশ্য বিজেপির দাবি তৃণমূল প্রতি হিংসার রাজনীতি করছে।

    খড়্গপুর তালবাগিচায় তল্লাশি (Lok Sabha Election 2024)

    মঙ্গলবার রাতের বেলা খড়্গপুর তালবাগিচায় তমোঘ্নর বাড়িতে হানাদেয় ঘাটাল ও খড়্গপুর তালবাগিচায় লোকাল থানার পুলিশ। লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) প্রার্থী হিরণ অবশ্য দাবি করেছেন, একই সঙ্গে কেশপুরের আরও এক বিজেপি নেতা এবং মেদিনীপুরের বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের বাড়িতেও পুলিশ হানা দেয়। তবে বিজেপি প্রার্থীর সেক্রেটারি এবং বিজেপি নেতার বাড়িতে কেন অভিজান? তা নিয়ে পুলিশ কিছুই জানায়নি। যদিও হিরণের একটি প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে পুলিশ বলছেন, কোনও এক প্রতারণার মামলার তদন্তে এই তল্লাশি অভিযান।

    সেক্রেটারির পরিবারের দাবি

    বিজেপি প্রার্থী হিরণের (Lok Sabha Election 2024) সেক্রেটারির পরিবার থেকে তমোঘ্ন দে-র মা রেখা দে জানিয়েছেন, “রাতে এসে পুলিশ ডাকাডাকি করে। রাত তখন ৩টে বাজে। কিন্তু আমি অসুস্থ অবস্থায় দারজা না খুললে দরজায় লাথি মারে। তারপর ভয়ে দরজা খুলি, কিন্তু কোনও কিছু না বলে সোজা ঢুকে পরে পুলিশ। তবে কী কারণে পুলিশের এই অভিযান এই বিষয়ে পুলিশ কিছুই বলতে চায়নি।”

    হিরণের বক্তব্য

    ঘাঁটাল লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমার একাধিক আপ্ত সহায়ক রয়েছেন। তাঁদের একজনকে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। এমন কী আমার পিএকে আই লাভ ইউ মেসেজ পাঠিয়েছেন তিনি। তবে দেবের পিএ গুজরাটে সোনা চুরি করেছে। আশা কর্মীকে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে, তাঁকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না।”

    আরও পড়ুনঃআশ্রম ভেঙে দেওয়ার হুমকি! হাইকোর্টে নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের

    একই ভাবে মেদিনীপুর শহরের মিরবাজারের বিজেপির ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষের বাড়িতেও হানা দেয় পুলিশ। তবে গতকাল বাড়িতে ছিলেন না এই বিজেপি নেতা। তাঁর স্ত্রী রীণা ঘোষের দাবি, “স্বামী বাড়িতে নেই জানা সত্ত্বেও ভোর পর্যন্ত এলাকাতেই ঘোরাঘুরি করছিল পুলিশ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kartik Maharaj: আশ্রম ভেঙে দেওয়ার হুমকি! হাইকোর্টে নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের

    Kartik Maharaj: আশ্রম ভেঙে দেওয়ার হুমকি! হাইকোর্টে নিরাপত্তার আর্জি কার্তিক মহারাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সঙ্ঘের বেলডাঙা শাখার অধ্যক্ষ কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) (স্বামী প্রদীপ্তানন্দ)। মঙ্গলবার কার্তিক মহারাজ আইনজীবী মারফত নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা না থাকার কারণে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি।

    আশ্রম ভেঙে দেওয়ার হুমকি! (Kartik Maharaj)

    জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে যেভাবে দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে, তারপর থেকেই আতঙ্কে রয়েছেন কার্তিক মহারাজ। সেই ঘটনা তুলে ধরেই আতঙ্ক প্রকাশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার তিনি (Kartik Maharaj) জানিয়েছেন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের বেলডাঙা আশ্রম ভেঙে দেওয়া হবে বলে সোমবার তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এরপরই নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে যা ঘটেছে, তার পর থেকে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সকলেই প্রবল আতঙ্কে রয়েছেন। তাই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি জানিয়েছি।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি আরও করেছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। পাশাপাশি কার্তিক  মহারাজ এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সন্ন্যাসী হওয়ার কারণে নিজের  জন্য তিনি ভয় পাচ্ছেন না, বেলডাঙা আশ্রম, হাসপাতাল এবং আশ্রমিকদের কথা চিন্তা করেই তিনি নিরাপত্তার আবেদন করেছেন বলে দাবি করেছেন কার্তিক মহারাজ। এমনকী গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন।

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    কী বললেন কার্তিক মহারাজ?

    এ বিষয়ে কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) বলেন, ‘সোমবার দু’জন এসে হুমকি দিয়ে বলেছে, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের এই আশ্রম ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। আমি নিজের জন্য নিরাপত্তা চাইছি না। আমাদের যে দু’টি আনন্দলোক হাসপাতাল রয়েছে, আমাদের বিদ্যালয়ে আশ্রমিক পড়ুয়ারা রয়েছে, সেখানে যে-সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন, সবার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই আমার এই আবেদন। নিরাপত্তার অভাব খানিকটা বোধ করছি বলেই আইনজীরী মারফত আদালতে আবেদন করা হয়েছে। ‘

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: বড় ম্যাচেই জাত চেনালেন স্টার্ক, হায়দরাবাদকে সহজে হারিয়ে রবিতে ট্রফির লড়াইয়ে কলকাতা 

    IPL 2024: বড় ম্যাচেই জাত চেনালেন স্টার্ক, হায়দরাবাদকে সহজে হারিয়ে রবিতে ট্রফির লড়াইয়ে কলকাতা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রেয়স, স্টার্ক, নারিনদের সম্মিলিত প্রয়াসে আইপিএল (IPL 2024) ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৮ উইকেট হারিয়ে এবার ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করল নাইটরা। প্যাট কামিন্সদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে কেকেআরকে (KKR vs SRH) চালকের আসনে বসিয়ে দেন ২৫ কোটির বোলার। হায়দরাবাদের ১৫৯ রানের জবাবে কেকেআর ১৩.৪ ওভারে ২ উইকেটে করল ১৬৪ রান। ২০ ওভারের ম্যাচে ৩৮ বল বাকি থাকতেই ফাইনালে চলে গেল কলকাতা।

    বড় ম্যাচের ঘোড়া

    কয়েক মাস আগে এই মাঠেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন। আইপিএলে (IPL 2024) প্রতিপক্ষ। ইনিংসের দ্বিতীয় ডেলিভারি। সামনে জাতীয় দলের সতীর্থ ট্রাভিস হেড। এ মরসুমে বোলারদের ত্রাস। তাঁর বিরুদ্ধে বোলিংয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বাঁ হাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। জানেন সতীর্থের দুর্বলতাও। ট্রাভিস হেডকে দ্রুত ফেরানোই লক্ষ্য মিচেল স্টার্কের। যা খুবই কঠিন কাজ। আর সেই কঠিন কাজই সহজ ভাবে করলেন স্টার্ক। লেন্থ বল, হালকা বাইরের দিকে যাচ্ছিল, হেড খেললেন, কিন্তু ব্যাটে বলে হল না। উল্টে দুটো উইকেট মাটিতে লুটিয়ে পড়ল!ট্রাভিস হেডকে গোল্ডেন ডাক করতেই একটা অদৃশ্য চাপ গ্রাস করল হায়দরাবাদকে। এরপর পাওয়ার প্লে-তেই ফেরালেন নীতীশ রেড্ডি ও শাহবাজ আহমেদকে।

    ম্যাচের সেরার পুরস্কারও জিতলেন স্টার্কই। এর মধ্যে ট্রাভিস হেডের উইকেটই যে সবচেয়ে তৃপ্তির, বলার অপেক্ষা রাখে না। স্টার্ক বলছেন, ‘পাওয়ার প্লে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আমরা সকলেই জানি। এই দুটি দলই পাওয়ার প্লে-তে ব্যাট হাতে সবচেয়ে বেশি দাপট দেখিয়েছে। সুতরাং, দ্রুত উইকেট নেওয়া খুবই জরুরি ছিল। হেড ও অভিষেক এ মরসুমে পাওয়ার প্লে-তে যে ভাবে ব্যাট করছিল, ঠিক বর্ণনা করা যায় না।’ হেডের উইকেট প্রসঙ্গে স্টার্ক যোগ করেন, ‘এ ক্ষেত্রে নিজেকে ভাগ্যবান বলব। ওকে দ্রুত ফেরানো কার্যত অসম্ভব। সব দিন হয় না।’

    উচ্ছ্বসিত অধিনায়ক

    ফাইনালে (IPL 2024) ওঠার পর নিজের উচ্ছ্বাস চেপে রাখেননি কেকেআর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তিনি স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, তাঁর দল প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছে, যার জেরে সাফল্য এসেছে। সানরাইজার্সের (KKR vs SRH) ইনিংস ১৫৯ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর, রান তাড়া করতে নেমে কেকেআর মাত্র ১৩.৪ ওভারে দুই উইকেটে ১৬৪ রান করে ফেলে। নারিন-গুরবাজের নতুন ওপেনিং জুটিও ভরসা দিল দলকে। আফগান উইকেটরক্ষক-ব্যাটার করলেন ১৪ বলে ২৩ রানের ইনিংস। ২টি চার এবং ২টি ছক্কা এল তাঁর ব্যাট থেকে। নারাইন করলেন ১৬ বলে ২১। ৪টি চার মারলেন তিনি। আমদাবাদের ২২ গজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেললেন বেঙ্কটেশ আয়ার, শ্রেয়সও। কামিন্সেরা তাঁদের সমস্যায় ফেলতে পারলেন না। দুজনেই অর্ধশতরান করে অপরাজিত রইলেন। 

    ম্যাচ শেষে শ্রেয়স বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব খুশি। প্রত্যেকেই তাদের দায়িত্ব দুর্দান্ত ভাবে পালন করেছে। পুনরুজ্জীবিত হয়ে ওঠাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যখন গোটা দেশ জুড়ে ভ্রমণ করে খেলতে হয়, তখন এভাবে পুনরুজ্জীবিত হওয়াটা সহজ হয় না। আমরা সব সময়ে বর্তমানে থাকার চেষ্টা করেছি, যা এই ম্যাচে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা যে সুযোগই পেয়েছি, তার পুরো সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি। আশা করি, ফাইনালেও একই ধারা বজায় রাখব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার”, পুলিশি হানা নিয়ে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে আচমকাই পুলিশি অভিযান। মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘিরে ফের রাজ্য-রাজনীতির উত্তেজনার পারদ চড়ল। ভোট আবহের মধ্যে পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে রাজ্য জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, আমাকে না জানিয়ে আচমকাই আইপ্যাকের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কোলাঘাট থানার পুলিশ আমার ওই ভাড়াবাড়ি ও অফিসে চড়াও হয়। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোলাঘাট থানার সামনে ধর্নায় বসেন বিরোধী দলনেতা।

    মমতার সরকারের অত্যাচারের শিকার (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের তৃণমূল সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধী দলনেতা। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘কেন আমার কোলাঘাটের ভাড়াবাড়ি ও অফিসে পুলিশ হানা দিল, তা পরিষ্কার নয়।’ তাঁর অভিযোগ, ‘ভাইপোর নির্দেশে আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকেও হেনস্থা করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারের অত্যাচারের শিকার আমি।’ পুলিশ জানিয়েছে, এক দুষ্কৃতীর সন্ধানেই তল্লাশি চালানো হয়। যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ শুভেন্দু। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। আইনি পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন। শুভেন্দু জানান, ‘পুলিশ ও আইপ্যাক আমার বেডরুমে ঢুকে গেছে, ফোন করে বলল আমাকে। আমি অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। কিন্তু কেউ ছিল না। ওসির সঙ্গে কথা হয়। প্রথমে ফোন ধরতে চাননি।’ আশঙ্কা প্রকাশ করে শুভেন্দুর প্রশ্ন, ‘আমার অনুপস্থিতে যদি বাড়িতে ভাঙা দু’টো বন্দুক ফেলে আসে, নগদ টাকা বা হেরোইন রেখে আসে, তার দায়িত্ব কে নেবে?’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে হাইকোর্টের রক্ষাকবচ রয়েছে। পুলিশ আমার বিরুদ্ধে কোনও দমনমূলক পদক্ষেপ করতে পারবে না। তাহলে এই অভিযান কেন? এর বিরুদ্ধে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।’

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    শাসকদলের ষড়যন্ত্র!

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘পুলিশের কাছে যদি সার্চ ওয়ারেন্ট থেকে থাকে, তাহলে তো আমার উপস্থিতিতেই তল্লাশি চালাতে পারত। কিন্তু সেটা করা হয়নি। এসব আসলে আমার বিরুদ্ধে শাসকদলের ষড়যন্ত্র।’ মঙ্গলবার বিকেলে শুভেন্দুর কোলাঘাটের ভাড়াবাড়িতে যায় পুলিশ। অভিযোগ, প্রায় ৮০জন পুলিশকর্মী ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে তল্লাশি করেন। পুলিশি অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপির স্থানীয় নেতা- কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। খবর পেয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে সোজা কোলাঘাট থানায় পৌঁছন শুভেন্দু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Driving License New Rules: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    Driving License New Rules: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে বদলে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License New Rules) পাওয়ার নিয়ম। সম্প্রতি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিরাট ঘোষণা করেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক (Ministry of Road Transport and Highways)। জানা নিয়েছে এবার থেকে লাইসেন্স পেতে আর ছুটতে হবে না রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিস (RTO) । ১ জুন থেকে এমনই নিয়ম চালু হচ্ছে দেশে। 

    ঠিক কী ঘোষণা করেছে সরকার? (Driving License New Rules) 

    নতুন নিয়মে (Driving License Rules 2024) বলা হয়েছে, এবার থেকে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আঞ্চলিক পরিবহন অফিস বা আরটিও-তে গিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিতে হবে না। বরং আগামী ১ জুন থেকে, সরকারি আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসের পরিবর্তে, বেসরকারি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেই ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়া যাবে। লাইসেন্সের যোগ্যতার জন্য পরীক্ষা পরিচালনা এবং সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য সরকারি অনুমোদন দেওয়া হবে এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে। 
    তবে এই অনুমোদন পাওয়ার জন্য বেসরকারি ড্রাইভিং স্কুলগুলির জন্য কিছু নতুন নিয়ম জারি করেছে মন্ত্রক –
    ১) ড্রাইভিং স্কুলগুলিতে ন্যূনতম ১ একর জমি থাকতে হবে। চার চাকার গাড়ির প্রশিক্ষণের জন্য ন্যূনতম ২ একর জমি থাকা বাধ্যতামূলক। 
    ২)প্রশিক্ষকদের অবশ্যই কোনও হাইস্কুলের ডিপ্লোমা বা তার সমতুল্য শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। সেইসঙ্গে, তার কমপক্ষে ৫ বছরের ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া, বায়োমেট্রিক্স এবং আইটি সিস্টেমের পরিচয় থাকা আবশ্যক।
    ৩)স্কুলগুলিকে অবশ্যই উপযুক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    ৪)হালকা মোটরগাড়ির জন্য ৪ সপ্তাহে ২৯ ঘন্টার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর মধ্যে ৮ ঘন্টা থাকবে তত্ত্বের জন্য এবং বাকি ২১ ঘণ্টা থাকবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য। অন্যদিকে ভারী মোটরগাড়ির জন্য ৬ সপ্তাহে অন্তত ৩৮ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর মধ্যে ৮ ঘণ্টা থাকবে তত্ত্বের জন্য, এবং ৩০ ঘণ্টা থাকবে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের জন্য।

    নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তি

    নিয়মের (Driving License New Rules) বাইরে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালালে জরিমানা বাবদ  ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা জরিমানা হবে। আর যদি একজন নাবালক ড্রাইভিং সিটে ধরা পড়ে তবে তাকে ২৫০০০ টাকার মোটা জরিমানা করতে হবে। এখানেই শেষ নয়, গাড়ির মালিকের রেজিস্ট্রেশন কার্ড বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে ওই নাবালক ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত লাইসেন্সের জন্য অযোগ্য হবে।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    আসলে বর্তমান সময়ে ভারতে ক্রমশ বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। বিশেষ করে কোভিড লকডাউনের সময়, অনেকেই মোটরবাইক বা গাড়ি কেনার দিকে ঝুঁকেছেন। কিন্তু প্রত্যেকেই যে দায়িত্ব নিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাচ্ছেন, তা নয়। হামেশাই রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনার খবর শোনা যায়। এই পরিস্থিতিতে, ১ জুন থেকে ড্রাইভিং লাইন্সের নতুন নিয়ম (Driving License New Rules) কার্যকর করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    প্রসঙ্গত, লাইসেন্সের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া আগের মতোই আছে। বিশেষ পরিবর্তন করা হয়নি। https://parivahan.gov.in-এই লিঙ্কে গিয়ে অনলাইন বা অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে, নতুন লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পদ্ধতি আগের তুলনায় সরল করেছে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাটে উঠেছে ব্যালট। এখন ভোটগ্রহণ হয় ইভিএমে। কেবল বোতাম টিপেই পছন্দের প্রার্থীর নাম ও প্রতীকের পক্ষে মতদান করা যায় (Lok Sabha Elections 2024)। প্রার্থী পছন্দ না হলে নোটা বোতামে চাপ দেন অনেকেই। এবার আসুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কাজ করে ভোট নেওয়ার এই যন্ত্র।

    ইভিএম (Lok Sabha Elections 2024)

    ‘ইভিএম’ হল ‘ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন’। এর তিনটি ইউনিট থাকে। প্রথমটি ভোটিং ইউনিট বা ব্যালট ইউনিট। দ্বিতীয় ইউনিটটি হল ভিভি প্যাট মেশিন বা ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেইল। আর তিন নম্বর ইউনিটটি হল কন্ট্রোল ইউনিট। এই তিনটি ইউনিটের মধ্যে ব্যালট ইউনিট ও ভিভি প্যাট বসানো থাকে ভোট কেন্দ্রের ভিতর যে অংশটি চট দিয়ে ঘেরা থাকে, সেখানে। এই ঘেরাটোপের ভিতরে ঢুকেই ভোট দেন ভোটার। কন্ট্রোল ইউনিটটি থাকে পোলিং অফিসারের কাছে (Lok Sabha Elections 2024)।

    জ্বলবে আলো

    ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করার পর পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসার একটি বোতাম টিপলে ব্যালট ইউনিটটি অ্যাক্টিভেট হয়। অর্থাৎ ভোট গ্রহণের জন্য মেশিন প্রস্তুত। ভোটারকে এটা জানান দিতে একটা আলো জ্বলবে। এবার ভোটার তাঁর পছন্দের প্রার্থী ও তাঁর প্রতীকের পাশের বোতাম টিপবেন। পাশের ভিভি প্যাটের ভিতরে থাকা একটি কাগজে ওই প্রতীক ও প্রার্থীর নাম ফুটে উঠবে। এটি দেখার জন্য ভোটার সময় পাবেন মাত্র সাত সেকেন্ড। তার পর ফের ভিভি প্যাট এবং ব্যালট ইউনিট অন্ধকার হয়ে যাবে। অর্থাৎ স্লিপিং মোডে চলে যাবে মেশিন। পরের ভোটার এলে এবং পোলিং অফিসার বা প্রিসাইডিং অফিসার একটি বোতাম টিপলে আবারও সক্রিয় হবে মেশিন।

    একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিতে পারেন না

    মনে রাখতে হবে, ভোটার একবার কোনও বোতামে চাপ দেওয়ার পর আর যতবারই অন্য যে কোনও বোতামই টিপুন না কেন, মেশিন আর কাজ করবে না। কারণ ব্যালট ইউনিট ও ভিভিপ্যাটের জিয়ন কাঠি রয়েছে প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে থাকা কন্ট্রোল ইউনিটের একটি বোতামেই। তাই বুথে ঢোকার আগেই ভোটারকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হবে তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, নাকি নোটার বোতাম টিপতে চান। ইভিএম চলে ব্যাটারিতে। তাই হঠাৎ করে পাওয়ার কাট কিংবা লোডশেডিং হলেও, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে না। ইভিএমে যে ডেটা জমা হয়েছে, তাও নষ্ট হবে না। এই ইভিএমের সঙ্গে ব্লু-টুথ, পেন ড্রাইভ, ইউএসবি পোর্ট বা ওয়াইফাই কানেকশনও করা যাবে না ইভিএমের কোনও ইউনিটের সঙ্গেই। অর্থাৎ ভোটারের ভোট সুরক্ষিত।

    কীভাবে জানবেন কোথায় পড়ল আপনার ভোট

    মনে রাখতে হবে, ইভিএমের তিনটি ইউনিট ইন্টার-কানেক্টেড থাকে ইভিএমের নিজস্ব পোর্ট দিয়ে। ইউনিটের পিছনে থাকে অন-অফ সুইচ। পোর্টেবল মোড আর ওয়ার্কিং মোড বাটন। কন্ট্রোল ইউনিটে বোতাম টিপলে সেখানে লাল আলো জ্বলবে। ব্যালট ইউনিটে জ্বলবে সবুজ আলো। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে একটি শব্দ শুনতে পাবেন। ভিভিপ্যাটে চোখ রাখলেই দেখবেন সেখানেও জ্বলেছে আলো। একটি এটিএম কাগজের মতো কাগজ ঝুলছে, সেখানে ছাপা হয়েছে কোথায় পড়ল আপনার ভোট। ভোটার জানতে পারলেন, যে প্রার্থীর পক্ষে মতদান করেছেন তিনি, সেখানেই ভোট পড়েছে।

    মক পোল পর্ব

    নির্বাচন শুরু হয় সকাল সাতটায়। তার আগে চলে মক ভোট পর্ব। ইভিএম যে ঠিকঠাক আছে, সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয় প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদেরও। সমস্ত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টের উপস্থিতিতে প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টরা অন্তত ৫০টি ভোটের একটি মক পোলিং করেন। প্রত্যেকে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্দিষ্ট সংখ্যাক ভোট দেন। নির্দল প্রার্থীদের পোলিং এজেন্ট না থাকলেও প্রিসাইডিং অফিসার পোলিং অফিসার নির্দল প্রার্থীকে ভোট দিয়ে দেখে নেন। সব শেষে হিসেব মিলিয়ে দেখে নেওয়া হয় মোট পোলড ভোট আর প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা মিলছে কিনা। ইভিএমে কোনও ত্রুটি থাকলে, বদলে ফেলা হয় মেশিন।

    আর পড়ুন: ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটে’র ‘হারানো সন্তান’রা পালন করেন হিন্দুধর্ম!

    প্রশ্ন হল, এই নির্বাচনী মহাযজ্ঞের খরচ কত? একটা উদাহরণ দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। একটা ব্যালট ইউনিটের দাম ৭ হাজার ৯০০ টাকা, কন্ট্রোল ইউনিটের দাম ৯ হাজার ৮০০ টাকা, ভিভিপ্যাটের দাম ১৬ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে নির্বাচন হবে ৫৪৩টি লোকসভা কেন্দ্রে। ভোটার রয়েছেন ৯৭ কোটি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এবার লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন করতে খরচ হবে ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ একটি ভোটের মূল্য ১ হাজার ৩১ টাকা। বিপুল পরিমাণ এই খরচ বহন করেন দেশবাসীই, ট্যাক্সের মাধ্যমে। তাই ভোট (Lok Sabha Elections 2024) না দেওয়াটা কোনও কৃতিত্বের কথা নয়। বুথে গিয়ে ভোট দিন পছন্দের প্রার্থীকে। মজবুত করুন বিশ্বের বহত্তম গণতন্ত্রের ভিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আজ, জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কী বলছে আলিপুর? 

    Weather Update: আজ, জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে কী বলছে আলিপুর? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। সঙ্গে মাঝে মধ্যেই রোদের তেজ। মঙ্গলবারও এমনই চলেছে সারাদিন। তবে বৃষ্টির দেখা মেলেনি শহর কলকাতায় (Rain in Kolkata)। আকাশ মেঘলা থাকার দরুণ ভ্যাপসা গরমে বেড়েছে অস্বস্তি। জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। তবে, বুধবার বিকেল থেকে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাল হাওয়া অফিস (Weather Update)। 

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে বঙ্গে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সোমনাথ দত্ত জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) রয়েছে। তিনি বলেন, “২২ মে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বজ্রবিদ্যুত-সহ বৃষ্টিপাত, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ২৩ মে, বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৪ মে, শুক্রবারও একই পরিস্থিতি থাকবে । দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বজ্রবিদ্যুত-সহ বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা থাকলেও উত্তরবঙ্গে কোনও সতর্কবার্তা নেই। ২৫ মে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায়।”

    আরও পড়ুন: ভোটের দিন ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন

    ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থাবন

    রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) থাকলেও এখনও পর্যন্ত স্বস্তি পায়নি বঙ্গবাসী। আবহাওয়া দফতর এখনও আশা দিচ্ছে, বুধবার ও আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গর বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হবে। বুধবার দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে থাকা ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণাবর্তটি উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। শুক্রবারের মধ্যে এই নিম্নচাপ অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে এর থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে কি না তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না আবহবিদরা। এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে, তার প্রভাবে ২৪ মে রাত থেকে, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল এলাকায় বৃষ্টি (Rain in Kolkata) শুরু হতে পারে। বৃষ্টি চলতে পারে ২৬, ২৭ তারিখ পর্যন্ত। ২৩ শে মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যের মধ্যে মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।  ২৪ মে শুক্রবার থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share