Blog

  • CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    CPRG: নয়াদিল্লিতে শুরু ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নয়াদিল্লির একাধিক জায়গায় আয়োজন করেছে এই সামিট। একাধিক প্রধান সামিট ইভেন্ট ও সরকারি আলোচনাও হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামিটে যেসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, তাতে সিপিআরজি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।সপ্তাহজুড়ে সিপিআরজি আয়োজিত কর্মসূচিগুলিতে কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব, স্কুল ও উচ্চশিক্ষা, ডেটা গভর্ন্যান্স এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর নিয়ে আলোচনা হবে। এতে অংশ নিয়েছেন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, শিল্পনেতা এবং সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা।

    সিপিআরজি-র পরিচালকের প্রতিক্রিয়া (CPRG)

    সামিট-পূর্ব এক আলোচনায় সিপিআরজি-র পরিচালক রামানন্দ বলেন, “এই সামিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এআই নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু প্যানেল ও রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালীতে প্রতিফলিত হচ্ছে। এখন প্রয়োজন এই পরিবর্তনগুলি কীভাবে গঠিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে কোন কাঠামো এগুলিকে পরিচালিত করবে তা বিশ্লেষণ করা। সামিট সপ্তাহে আমাদের আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে সিপিআরজি এই প্রশ্নগুলিকেই আলোচনার কেন্দ্রে আনবে।” আজ, ১৬ ফেব্রুয়ারি চলছে— ‘ফিউচার অফ এমপ্লয়াবিলিটি ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটাই এআই-ফোর ইন্ডিয়ার (AI4India) সহযোগিতায় আয়োজিত প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠান হচ্ছে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে। এখানেই হবে ‘এআই ফর এডুকেশন: ফিউচার রেডি ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড স্কুলস’ ইভেন্টও।

    ইভেন্ট সূচি 

    ১৭ ফেব্রুয়ারি হবে ‘পদ্মএআই কনক্লেভ ২.০: রিইমেজিনিং দ্য ইন্ডিয়ান এডুকেশন সিস্টেম’। এটিও একটি প্রধান সামিট ইভেন্ট। অনুষ্ঠিত হবে গুলমোহর হল, ইন্ডিয়া হ্যাবিট্যাট সেন্টারে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ‘ডেটা ফর ডেভেলপমেন্ট: বিল্ডিং এআই ইন দ্য গ্লোবাল সাউথ’। এই প্রধান সামিটটিও হবে ভারত মণ্ডপমে। ২০ ফেব্রুয়ারি হবে ‘রিইমেজিনিং এডুকেশন ইন দ্য এজ অফ এআই’। এটিও একটি প্রধান সামিট। হবে সুষমা স্বরাজ ভবনে।

    আলোচনায় অংশ নেবেন কারা

    সপ্তাহব্যাপী আলোচনায় ভারতের ও বিদেশের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও শিল্পনেতারা অংশ নিয়েছেন। বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন, জিতিন প্রসাদ, প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক, আশীষ সুদ, দিল্লি সরকারের শিক্ষামন্ত্রী, সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার অ্যান নিউবার্গার, টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের জোহান হার্ভার্ড, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের সদস্য আর বালসুবহ্মনিয়াম, সঞ্জীব বিকচাঁদানি, প্রতিষ্ঠাতা ও এক্সিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান, ইনফো এজ, গোকুল সুবহ্মনিয়াম, প্রেসিডেন্ট, ইন্টেল ইন্ডিয়া। আলোচনায় অংশ নেবেন প্রযুক্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিইও এবং শীর্ষকর্তারাও।

    সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগ

    এই সিরিজটি সিপিআরজির ফিউচার অফ সোস্যাইটির উদ্যোগের অংশ, যা উদীয়মান প্রযুক্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরকে রূপান্তরিত করছে তা বিশ্লেষণ করে। ২০২৫ সালের প্যারিস এআই অ্যাকশন সামিটে সিপিআরজি ছিল একমাত্র ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা যারা একটি সরকারি সাইড ইভেন্টের আয়োজন করেছিল। পদ্মএআই ২০২৫ কনক্লেভের ধারাবাহিকতায় এ বছরের পদ্মএআই ২.০ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের ওপর জোর দেবে। সামগ্রিকভাবে এই কর্মসূচিগুলি দায়িত্বশীল ও ভবিষ্যতমুখী প্রযুক্তি নীতির দিকে সিপিআরজি’র অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

    প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (CPRG) একটি নীতিগত গবেষণা সংস্থা, যার লক্ষ্য অংশগ্রহণমূলক ও দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারণকে উৎসাহিত করা। ভারতীয় সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ (ICSSR) স্বীকৃত এই প্রতিষ্ঠান ‘ফিউচার অফ সোশ্যাইটি’র উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

     

  • India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    India Vs Pakistan: “হর হর মহাদেব”, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একতরফা জয় দেশবাসীকে উৎসর্গ সূর্যকুমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ফের একবার প্রমাণ করল পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে এখন আর লড়াই হয় না। ম্যাচ হয় এক তরফাই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে ম্যাচটা নিয়ে সবচেয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছিল, সেই ম্যাচে একেবারে এক তরফা খেলে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল ভারত। কলম্বোর ম্যাচে ৬১ রানে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে উঠে গেল মেন ই ব্লু। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে সব ম্যাচেই জয় পেল ভারত। এই জয়কে দেশবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন ভারত অধিনায়ক। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর সূর্য স্মরণ করলেন মহাদেবকে।

    ‘হর হর মহাদেব’ পোস্ট

    কলম্বোতে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ৬১ রানের বিশাল জয়ের পর, ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব তার নিজস্ব ভঙ্গিতে জয় উদযাপন করেছেন। ম্যাচ জয়ের পর এক্স (পূর্বে টুইটার) -এ গিয়ে, অধিনায়ক ম্যাচের কিছু ছবি শেয়ার করেছেন এবং তিন শব্দের সংক্ষিপ্ত ক্যাপশন দিয়েছেন, “হর হর মহাদেব।” পোস্টটির সময় বিশেষভাবে অনুরণিত হয়েছে, কারণ এটি হিন্দু উৎসব মহা শিবরাত্রির সঙ্গে মিলে যায়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ভক্তদের মধ্যে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এই জয়ের মাধ্যমে, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে টানা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন সূর্য। দলের বাকি সদস্যদের মধ্যেও এই উদযাপন ছড়িয়ে পড়ে, তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ইনস্টাগ্রামে নিজের শ্রদ্ধাঞ্জলি শেয়ার করেন। বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী চক্রবর্তী মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে ঐতিহাসিক জয়টি ভারতের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করেন। তার পোস্টটি অধিনায়কের অনুভূতির প্রতিধ্বনি।

    এই জয় ভারতের জন্য

    ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি-র সঙ্গে লম্বা টানাপোড়েনের পর ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান। আশা করা হয়েছিল, বাইশ গজে ভারতকে অন্তত খানকটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে পাক দল। কিন্তু বাস্তবে হল তার উল্টো। উসমানের স্পিন হোক বা শাহিনের পেস- ভারতীয় ব্যাটারদের আঘাতে সবই ভোঁতা হল শেষমেশ। আর ম্যাচ (India Vs Pakistan) কীভাবে জিততে হয়, তা বুমরা, হার্দিক, বরুণদের থেকে ভালো আর কেই বা জানে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিসংখ্যান ৭-১ থেকে ৮-১ করে অধিনায়ক সূর্যকুমার (Suryakumar Yadav) বললেন, “এই জয় ভারতের জন্য।” পাকিস্তানকে আরও একবার হারিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমরা যেভাবে খেলতে চেয়েছিলাম, সেভাবেই খেলেছি। এই পিচে প্রথমে ব্যাটিং করাই সুবিধার ছিল। ক্রিজে দাঁড়িয়ে ঈশান যেভাবে স্কোরবোর্ডের দায়িত্ব নিয়েছে, সেটা অসাধারণ। ঈশান ব্যতিক্রমী ইনিংস খেলে গেল। ওর মাথায় হয়তো অন্য কোনও ভাবনা ছিল।” তবে শুধু ব্যাটার নয়, বোলারদের দলগত পারফরম্যান্সেও খুশি সূর্য। এদিকে পাকবধের এই সন্ধ্যার ‘নায়ক’ যে ঈশান কিষান (Ishan Kishan), তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। তাঁর ৪০ বলে ঝোড়ো ৭৭ রানের ইনিংস থেকেই ভারতীয় দলের জয়ের ভিত তৈরি হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই হেইভোল্টেজ এই ম্যাচে মেগা-পারফরম্যান্স করে আরও আত্মবিশ্বাস বাড়বে ভারতীয় দলের এই বাঁ হাতি ওপেনারের। ম্যাচ শেষে একথা তিনি নিজেও জানিয়েছেন। ঈশান বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই বিশেষ। এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।”

    করমর্দন হল না

    কলম্বোয় করমর্দন করলেন না ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলালেন না সূর্য। রবিবার টসের সময় বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে গেলেন তিনি। গত বছর এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচে যে জিনিস দেখা গিয়েছিল, সেটাই দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। গত বছর পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে এশিয়া কাপে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। তিন বারের সাক্ষাতে এক বারও দুই অধিনায়ক হাত মেলাননি। একই জিনিস দেখা গেল বিশ্বকাপের ম্যাচেও। বোঝাই গিয়েছে, ভারতের অবস্থানে কোনও বদল হয়নি।

    পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি

    ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে সুনীল গাওস্কর পরিষ্কার বলে দেন, ‘‘এই ম্যাচে পাকিস্তান দাঁড়াতেই পারেনি। প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মার উইকেট পাওয়া ছাড়া আর কখনওই ওরা ম্যাচে ছিল না।’’ যোগ করেন, ‘‘পরের দিকে একটা-দু’টো বল ওরা ভাল করেছিল, উইকেট পেয়েছিল। কিন্তু কখনও ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিতে পারেনি।’’ টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘা। ভারত ২০ ওভারে তোলে ১৭৫-৭। অভিষেক শর্মা খাতা খোলার আগে ফিরলেও অন‌্য ওপেনার ঈশান কিষান দশটি চার ও তিনটি ছক্কার সাহায‌্যে করেন ৪০ বলে ৭৭ রান। শেষ দিকে সূর্যকুমার যাদব (৩২) ও শিবম দুবে (২৭) ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। জবাবে প্রথম থেকেই নিয়মিত ব‌্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ৭৮-৬ স্কোর হয়ে যাওয়ার পরে ম‌্যাচের ভাগ‌্য কার্যত নির্ধারণ হয়ে যায়। দু’টি করে উইকেট পান হার্দিক, বুমরা, অক্ষর ও বরুণ।

    জয়ের রেকর্ড ভারতের

    রবিবার কলম্বোতে টি২০ বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্স করে দুরন্ত জয়ে পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় ম্যাচ জিতল ভারত। এই জয়ে ভারত গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে যোগ্যতা অর্জন করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের মোট জয় দাঁড়াল আটটি, যা এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বাধিক জয়ের বিশ্বরেকর্ড। আগে কোনও দলই এই প্রতিযোগিতায় একটি নির্দিষ্ট দলের বিরুদ্ধে ছয়টির বেশি ম্যাচ জিততে পারেনি। সামগ্রিক টি২০ আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে ভারত ১৭ ম্যাচের মধ্যে ১৪টিতে জিতেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

  • Daily Horoscope 16 February 2026: পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 16 February 2026: পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি খরচের জন্য চিন্তা বাড়বে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হতে পারে।

    ৩) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হতে পারে।

    বৃষ

    ১) শেয়ার বাজারে লগ্নি নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ২) পেটের কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকাল থেকে শরীরে জড়তা বাড়তে পারে।

    ২) মাথার যন্ত্রণা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    কর্কট

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির লোকেদের একটু চিন্তার কারণ দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশযাত্রার সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের অশান্তি মিটে যেতে পারে।

    ২) কোনও কারণে মনে সংশয় বা ভয় কাজ করবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা বাড়বে।

    তুলা

    ১) কাউকে কোনও ব্যাপারে কথা দেবেন না।

    ২) আধ্যাত্মিক বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেখা দেবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    বৃশ্চিক

    ১) গবেষণার কাজে সাফল্য লাভ।

    ২) খুব নিকট কোনও মানুষের জন্য দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    ধনু

    ১) সখ মেটাতে বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ২) কোনও বন্ধুর জন্য বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) মহিলাদের জন্য নতুন কিছু শুরু করার ভালো সময়।

    ২) কল্যাণকর কাজে কিছু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় সমস্যা ও খরচ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) চক্ষুরোগ দেখা দিতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বাধা।

    মীন

    ১) সম্পত্তির অধিকার নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কপালে অপমান জুটতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 582: “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে, সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো”

    Ramakrishna 582: “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে, সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণের ঈশান, ডাক্তার সরকার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে
    শ্যামপুকুরের বাটীতে আনন্দ ও কথোপকথন
    গৃহস্থাশ্রম কথাপ্রসঙ্গে

    নির্লিপ্ত সংসারী—নির্লিপ্ত হবার উপায়

    সংসার আশ্রমের জ্ঞান ও সন্ন্যাস আশ্রমের জ্ঞান 

    “যদি বল, সংসার আশ্রমের জ্ঞানী (Ramakrishna) আর সন্ন্যাস আশ্রমের জ্ঞানী, এ-দুয়ের তফাত আছে কিনা? আর উত্তর এই যে দুই-ই এক জিনিস। এটিও জ্ঞানী উটিও জ্ঞানী — এক জিনিস। তবে সংসারে জ্ঞানীরও ভয় আছে। কামিনী-কাঞ্চনের ভিতর থাকতে গেলেই একটু না একটু ভয় আছে। কাজলের ঘরে থাকতে গেলে যত সিয়ানাই হও না কেন কালো দাগ একটু না একটু গায়ে লাগবেই।

    “মাখন তুলে যদি নূতন হাঁড়িতে রাখ, মাখন নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে না। যদি ঘোলের হাঁড়িতে রাখ, সন্দেহ হয়। (সকলের হাস্য)

    “খই যখন ভাজা হয় দু চারটে খই খোলা থেকে টপ্‌ টপ্‌ করে লাফিয়ে পড়ে। সেগুলি যেন মল্লিকা ফুলের মতো, গায়ে একটু দাগ থাকে না। খোলার উপর যে-সব খই থাকে, সেও বেশ খই, তবে অত ফুলের মতো হয় না, একটু গায়ে দাগ থাকে। সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী (Ramakrishna) যদি জ্ঞানলাভ করে, তবে ঠিক এই মল্লিকা ফুলের মতো দাগশূন্য হয়। আর জ্ঞানের পর সংসার খোলায় থাকলে একটু গায়ে লালচে দাগ হতে পারে। (সকলের হাস্য)

    “জনক রাজার সভায় একটি ভৈরবী এসেছিল। স্ত্রীলোক ধেখে জনক রাজা হেঁটমুখ হয়ে চোখ নিচু করেছিলেন। ভৈরবী তাই দেখে বলেছিলেন, ‘হে জনক, তোমার এখনও স্ত্রীলোক দেখে ভয়!’ পূর্ণজ্ঞান হলে পাঁচ বছরের ছেলের স্বভাব হয় (Kathamrita)— তখন স্ত্রী-পুরুষ বলে ভেদবুদ্ধি থাকে না।

    “যাই হোক যদিও সংসারের জ্ঞানীর গায়ে দাগ থাকতে পারে, সে দাগ কোন ক্ষতি হয় না। চন্দ্রে কলঙ্ক আছে বটে কিন্তু আলোর ব্যাঘাত হয় না।”

    জ্ঞানের পর কর্ম—লোকসংগ্রহার্থ 

    “কেউ কেউ জ্ঞানলাভের পর লোকশিক্ষার জন্য কর্ম করে, যেমন জনক ও নারদাদি। লোকশিক্ষার জন্য শক্তি থাকা চাই। ঋষিরা নিজের নিজের জ্ঞানের জন্য ব্যস্ত ছিলেন। নারদাদি আচার্য লোকের হিতের জন্য বিচরণ করে বেড়াতেন। তাঁরা বীরপুরুষ।

    “হাবাতে কাঠ যখন ভেসে যায়, পাখি একটি বসলে ডুবে যায়, কিন্তু বাহাদুরী কাঠ যখন ভেসে যায়, তখন গরু, মানুষ, এমন কি হাতি পর্যন্ত তার উপর যেতে পারে। স্টীমবোট আপনিও পারে যায়, আবার কত মানুষকে পার করে দেয়।

    “নারদাদি আচার্য বাহাদুরী কাঠের মতো, স্টীমবোট-এর মতো (Kathamrita)।

    “কেউ খেয়ে গামছা দুএ মুখে মুছে বসে থাকে, পাছে কেউ টের পায়। (সকলের হাস্য) আবার কেউ কেউ একটি আম পেলে কেটে একটু একটু সকলকে দেয়, আর আপনিও খায়। “নারদাদি আচার্য সকলের মঙ্গলের জন্য জ্ঞানলাভের (Ramakrishna) পরও ভক্তি লয়ে ছিলেন।”

  • Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    Bangladesh: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী বাংলাদেশের নির্বাচনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত তিন কট্টর মৌলবাদী সন্ত্রাসী জয়ী। বাংলাদেশে ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-কে এক বিশাল বিজয় এনে দিয়েছে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং জামায়াতে ইসলামকে (Islamist Terrorists) পরাজিত করেছে। তবে শিরোনামে যা এসেছে, তা হল তিনজন সন্ত্রাসী এখন রাজনীতিবিদে পরিণত হয়েছেন। এদের সকলকেই পূর্বে ছিলেন মৃত্যুদণ্ডের আসামী। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। এখন তাঁরা সংসদ সদস্য বা এমপি হিসেবে সংসদে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

    ইউনূসই মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন (Bangladesh)

    ২০২৪ সালে কোটা বিরোধী আন্দোলন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশ (Bangladesh) থেকে বিতারিত করার পর কট্টর মৌলবাদীদের সমর্থনে অন্তর্বর্তী সরকারে বসেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আদালতের রায়ের পর তিন ইসলামি সন্ত্রাসীকে (Islamist Terrorists) কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে দেওয়া হয়। যদিও রাজনৈতিক অস্থিরতার পূর্বে এই তিন সন্ত্রাসী কারাগারে ছিলেন এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর্যায়ে ছিলেন। দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা ভারতবিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেও জড়িত ছিলেন।

    মৃত্যুদণ্ড থেকে সাংসদ লুৎফুজ্জামান বাবর

    সন্ত্রাসীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলেন বিএনপির লুৎফুজ্জামান বাবর। ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে ১,৬০,০০০ এরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার সরকার বিএনপি-জামায়াত জোটের সরকার ছিল। উল্লেখ্য বাবর এর আগে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনও করেছিলেন। ২০১৪ সালে, বাবরকে ২০০৪ সালের ঢাকা (Bangladesh) গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এই হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছিল। শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ সালে, চট্টগ্রাম অস্ত্র (Islamist Terrorists) চোরাচালান মামলায় জড়িত থাকার জন্য তাঁকে আরেকটি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যেখানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহীদের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র জব্দ করা হয়েছিল। তবে, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর, হাইকোর্ট ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

    আবদুস সালাম পিন্টু ও ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী

    বিএনপির (Bangladesh) আরেক নেতা আবদুস সালাম পিন্টুও রাজনৈতিকভাবে মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। তিনি টাঙ্গাইল-২ আসন থেকে প্রায় ২০০,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বাবরের মতো, পিন্টুকেও ২০০৪ সালের ঢাকা গ্রেনেড হামলায় ভূমিকার জন্য ২০১৬ সালে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পিন্টুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামী (হুজি) কে সমর্থন করার অভিযোগও আনা হয়েছিল। ভারতে ২০০৬ সালের বারাণসী আদালতে বোমা হামলা (Islamist Terrorists) , ২০০৭ সালের আজমির শরীফ দরগায় হামলা এবং ২০১১ সালের দিল্লিতে বোমা হামলার মতো বড় বড় বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল এই পাক জঙ্গি সংগঠন। বাবরের মতো, হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর আদালত তাকেও ২৪শে ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে মুক্তি দেয়।

    যুদ্ধাপরাধের আসামি এটিএম আজহারুল ইসলাম

    তৃতীয় নেতা হলেন জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম। আজহারুল ইসলাম রংপুর-২ (Bangladesh) থেকে প্রায় ১৩৯,০০০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি এর আগে ১৯৯৮, ২০০১ এবং ২০০৬ সালেও সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিব ছিলেন। ২০১২ সালে, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর অপরাধের জন্য তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে ১,২৫৬ জনকে হত্যা (Islamist Terrorists) এবং ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২০১৪ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। তবে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর, বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের ২৭ মে তাকে খালাস দেয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি একটি বিরাট পরিবর্তন। অভিযুক্ত, মৃত্যুদণ্ডদের আসামীরা এখন সংসদে শপথ নিতে চলেছেন।

  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

  • AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    AI Impact Summit: সোমে শুরু এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ১৬–২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ (AI Impact Summit)- এর আয়োজন করতে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বের ২০টি দেশের রাষ্ট্রনেতারা নয়াদিল্লিতে সমবেত হবেন। ভারত এই সম্মেলনের সহ-সভাপতি এবং “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” (মানুষ, পৃথিবী ও অগ্রগতি) এই মূল (Global Tech Drive) প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সম্মেলন পরিচালনার লক্ষ্য নিয়েছে।

    ভারতে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি (AI Impact Summit)

    এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। দায়িত্বশীল প্রযুক্তিগত বিপ্লবের লক্ষ্যে এই আন্তঃমহাদেশীয় সমাবেশ ভারতের আয়োজিত সম্মেলনের ব্যাপ্তি, গুরুত্ব ও গভীরতাকেই প্রতিফলিত করে। বিদেশমন্ত্রকের সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, “পিপল, প্ল্যানেট অ্যান্ড প্রোগ্রেস” এই তিন সূত্রে আন্ডারলাইন করা এআই ইমপ্যাক্ট সামিট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সহযোগিতা সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই সম্মেলনে বিশ্বনেতা, নীতিনির্ধারক, উদ্ভাবক, ব্যবসায়িক প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হবেন এবং এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করবেন। তাঁরা এমন একটি দায়িত্বশীল এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার সহযোগিতামূলক পথ নিয়ে আলোচনা করবেন, যা ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সম্মান জানাবে।

    অংশগ্রহণকারী দেশ

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণকারী হলেন ভুটান, বলিভিয়া, ব্রাজিল, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, কাজাখস্তান, লিশটেনস্টাইন, মরিশাস, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সেশেলস, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রপ্রধানরা। ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার বিপুল সংখ্যক রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি ভারতের নেতৃত্বে একটি দায়িত্বশীল এআই বিপ্লবের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে। একইসঙ্গে এই সম্মেলন এআইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বাসযোগ্য (AI Impact Summit) উন্নয়নের লক্ষ্যে একজন দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে ভারতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরে (Global Tech Drive)।

    ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে

    বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি এই সম্মেলনে বৃহৎ ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ প্রতিনিধি দলও উপস্থিত থাকবে। বিদেশমন্ত্রকের মতে, ৪৫টিরও বেশি দেশের মন্ত্রীস্তরের প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশ নেবে। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানরাও নয়াদিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন, যাতে এআইয়ের দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিকাশের জন্য সহযোগিতামূলক পথ সুগম করা যায়। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও সম্মেলনে অংশ নেবেন। সব মিলিয়ে ১০০টিরও বেশি দেশ ভারতের নেতৃত্বে এআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লিতে সমবেত হবে।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ হবে গ্লোবাল সাউথে অনুষ্ঠিত প্রথম বৃহৎ আকারের এআই সম্মেলন। ফলে সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে এমন অন্তর্ভুক্তিমূলক এআইয়ের বিকাশ ও প্রশাসনিক কাঠামো নির্ধারণ করা, যা গ্লোবাল সাউথের মানুষ ও যুবসমাজের কল্যাণে সহায়ক হবে। ভারতের বিদেশনীতি বরাবরই গ্লোবাল সাউথের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই ভারতে আয়োজিত এই সম্মেলনে (AI Impact Summit) গ্লোবাল সাউথের সমৃদ্ধি এবং এআই বিপ্লবের সুফল পৃথিবীর মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে (Global Tech Drive)।

     

  • Foreign Students: ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে পড়তে আসা বিদেশিদের সম্পূর্ণ তথ্য পোর্টালে তুলতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    Foreign Students: ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে পড়তে আসা বিদেশিদের সম্পূর্ণ তথ্য পোর্টালে তুলতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বিদেশিদের সঠিক নথিভুক্তি নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এখন থেকে ভারতে পড়াশোনা করতে আসা সকল বিদেশি শিক্ষার্থীর (Foreign Students) জন্য সরকার নির্ধারিত একটি পোর্টালে তাদের সম্পূর্ণ তথ্য (Full Information) নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক হবে।

    ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য (Foreign Students)

    মিডিয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নিয়ম সরকারি ও বেসরকারি, উভয় ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সরকারের মতে, অতীতে বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে ছাত্র ভিসায় আগত বিদেশিদের সম্পর্কে প্রশাসনের কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য ছিল না। যেমন, তারা কোন কলেজে পড়ছে, তাদের ভিসার মেয়াদ কখন শেষ হচ্ছে, অথবা তারা আদৌ পড়াশোনা করছে কি না, এই সব মৌলিক তথ্যের ঘাটতি ছিল। এই শূন্যতা দূর করতেই জারি করা হয়েছে নয়া নির্দেশিকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে জারি করা এই নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের তথ্য আপলোড করতে হবে। এই তথ্য একটি ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাগ করা হবে (নতুন নির্দেশিকা), যাতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি তাৎক্ষণিক আপডেট দেখতে পারে।

    ফরেন স্টুডেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম

    প্রতিষ্ঠানগুলিকে শিক্ষার্থীর নাম, উৎপত্তি দেশ, পাসপোর্ট নম্বর, ভিসার বৈধতা, কোর্সের বিবরণ এবং ভারতে তার আবাসিক ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া, কোনও শিক্ষার্থী মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে বা দীর্ঘ সময় ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে সেই তথ্যও জানাতে হবে (Foreign Students)। বিদেশি শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণের জন্য সরকার “ফরেন স্টুডেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম(FSIS)” নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই পোর্টালে নিবন্ধন করতে হবে এবং প্রতিটি নতুন ভর্তি সম্পর্কে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য আপডেট করতে হবে। এই সিস্টেমটি সরাসরি অভিবাসন দফতরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, ফলে ভিসা-সংক্রান্ত কোনওরকম অসঙ্গতি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে। সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গাফিলতি করলে তাদের বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে জরিমানা, আইনি পদক্ষেপ এবং স্বীকৃতি বাতিলের মতো কঠোর ব্যবস্থাও (Full Information) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার আরও জানিয়েছে, প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Foreign Students)।

     

  • Maha shivratri 2026: সৃষ্টি ও জ্ঞানের প্রতীক শিব, জেনে নিন শিব রাত্রির ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য

    Maha shivratri 2026: সৃষ্টি ও জ্ঞানের প্রতীক শিব, জেনে নিন শিব রাত্রির ঐতিহাসিক মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহা শিবরাত্রিতে (Maha shivratri 2026) ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে ভক্তরা নিজেদের পুজো আরাধনাকে উৎসর্গ করে থাকেন। স্বয়ং শিব পবিত্র ত্রিমূর্তির প্রতীক। শিবরাত্রির উৎসব শিব ও শক্তির মিলনকে নির্দেশ করে, যা ভারসাম্য, সৃষ্টি এবং জ্ঞানালোকের মূর্ত রূপ। এই দিন কোটি কোটি শিব (Lord Shiv) ভক্ত নিজের মনের বাসনা পূরণ করতে ভগবান শিবকে স্মরণ করে থাকেন। লোকবিশ্বাস, শিবরাত্রিতে শিবের উপাসনা করলে যে কোনও অসাধ্য সাধন হয়। মনস্কামনা পূর্ণ হয়। দেশজুড়ে দ্বাদশ শিবলিঙ্গ সহ শৈব বিগ্রহগুলিতে শিবের উপাসনা করা হয়।

    শিবরাত্রির মহাত্ম্য (Maha shivratri 2026)

    মহাশিবরাত্রি (Maha shivratri 2026) হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র উৎসব। ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে পালিত হয়, যিনি মহাজাগতিক শক্তি, মন্দের বিনাশ এবং জীবনের নবায়নের প্রতীক। উৎসবের আক্ষরিক অর্থ হলো শিব চতুর্দশীতে শিবের স্মরণে রাত্রি জাগরণ। বিশ্বজুড়ে ভক্তদের কাছে গভীর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে এই উৎসব। প্রতি বছর কোটি কোটি ভক্ত রাত জেগে শিবের (Lord Shiv) মন্ত্র জপ এবং আচার অনুষ্ঠান পালন করে থাকেন। বিশ্বাস করা হয়, এই পবিত্র রাতে একাগ্র চিত্তে উপাসনা করলে পূর্বের সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি মেলে এবং দিব্য চেতনার সঙ্গে মিলন ঘটে।

    এই বছর, মহা শিবরাত্রি পালিত হচ্ছে রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী এই উৎসব পরদিন ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। চতুর্দশী তিথি

    • শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:০৪ মিনিটে।
    • শেষ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকেল ০৫:৩৪ মিনিটে।

    পূজা ও ব্রতের মূল সময়সূচি

    • নিশীথ কাল পূজার সময়: রাত ১২:০৯ থেকে রাত ০১:০১ পর্যন্ত (১৬ ফেব্রুয়ারি)।
    • শিবরাত্রির পারণ (উপবাস ভাঙার সময়): সকাল ০৬:৫৯ থেকে দুপুর ০৩:২৪ পর্যন্ত (১৬ ফেব্রুয়ারি)।

    ভগবান শিব অনন্ত আলোকস্তম্ভ

    মহা শিবরাত্রি (Maha shivratri 2026) শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক উপাসনার রাত নয়; এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা যা সৃষ্টি ও ভারসাম্যের দুই মূল শক্তি—শিব ও শক্তির মিলনকে প্রতীকায়িত করে। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, এই রাতেই ভগবান শিব (Lord Shiv) অনন্ত আলোকস্তম্ভ অর্থাৎ ‘জ্যোতির্লিঙ্গ’ রূপে প্রকট হয়েছিলেন, যা সমগ্র সৃষ্টিতে তাঁর অসীম উপস্থিতি এবং শক্তির পরিচয় দেয়।

    চার প্রহরের তাৎপর্য ও সময়সূচি

    মহা শিবরাত্রির রাতকে চারটি ‘প্রহর’-এ ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি প্রহর আধ্যাত্মিক জাগরণের ভিন্ন ভিন্ন ধাপকে নির্দেশ করে:

    • প্রথম প্রহর: চেতনার জাগরণ। (সময়: সন্ধ্যা ০৬:১১ – রাত ০৯:২৩)
    • দ্বিতীয় প্রহর: ঐশ্বরিক ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ। (সময়: রাত ০৯:২৩ – রাত ১২:৩৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি)
    • তৃতীয় প্রহর: মন ও আত্মার শুদ্ধিকরণ। (সময়: রাত ১২:৩৫ – ভোর ০৩:৪৭, ১৬ ফেব্রুয়ারি)
    • চতুর্থ প্রহর: দিব্য শক্তির সঙ্গে পরম মিলন বা মোক্ষ লাভ। (সময়: ভোর ০৩:৪৭ – সকাল ০৬:৫৯, ১৬ ফেব্রুয়ারি)

    আত্মা পরিশুদ্ধ হয়

    শাস্ত্রমতে, এই চার প্রহরে ভক্তি ও সচেতনতার সঙ্গে পুজো করলে অসীম আধ্যাত্মিক পুণ্য এবং শান্তি লাভ করা যায়। সারা রাত জেগে বেলপাতা, দুধ, জল ও ধুতুরা ফুল দিয়ে শিবলিঙ্গের অভিষেক করার সময় নিরবিচ্ছিন্নভাবে “ওঁ নমঃ শিবায়” (Lord Shiv) মন্ত্র জপ করলে ভক্তের আত্মা পরিশুদ্ধ হয় এবং ভগবান শিবের (Maha shivratri 2026) আশীর্বাদ লাভ হয়।

  • Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    Uranium Supply Deal: মার্চে কার্নির দিল্লি সফরে ইউরেনিয়াম নিয়ে ১০ বছরের চুক্তি হতে পারে ভারত-কানাডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই গলছে ভারত-কানাডা সম্পর্কের বরফ। ভারতে ইউরেনিয়াম সাপ্লাই নিয়ে ১০ বছরের একটি চুক্তি হতে পারে নয়াদিল্লি ও অটোয়ার মধ্যে। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মাইক কার্নির (Canadian PM India Visit) প্রস্তাবিত মার্চের প্রথম সপ্তাহে (Uranium Supply Deal) ভারত সফরের সবচেয়ে বড় সাফল্য হতে পারে এই চুক্তি। এই সফরে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিও (India Canada Trade) চূড়ান্ত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল, এলপিজি এবং এলএনজি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Deal)

    তবে ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিটিই সফরের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে। এই সফরের লক্ষ্য হবে ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন করা, যা জাস্টিন ট্রুডোর প্রধানমন্ত্রিত্বকালে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক দেশ। বিশ্বে উৎপাদনের প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ জোগান দেয় এই দেশ। উৎপাদিত ইউরেনিয়ামের প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও এশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে রফতানি করা হয়। কানাডায় রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বা চতুর্থ বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত কেন্দ্র, মূলত আলবার্টার বিস্তীর্ণ অয়েল স্যান্ডস অঞ্চলে, যার পরিমাণ ১৬৩ থেকে ১৭০ বিলিয়ন ব্যারেলের কাছাকাছি। দেশটির প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুতও উল্লেখযোগ্য। এদিক থেকে বিশ্বে ১৬তম স্থানে রয়েছে দেশটি, যার পরিমাণ এক হাজার ট্রিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি (Uranium Supply Deal)।

    কানাডা সফরে  ডোভাল

    কার্নির সফরের আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (NSA) অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রবীণ মন্ত্রী অটোয়া (কানাডার রাজধানী) সফরে যান। কার্নির সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত করা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (India Canada Trade)। এদিকে, গত সপ্তাহে ভারতে সফরে এসে কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন জানান, আলোচনায় ভারত-কানাডা পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, “জ্বালানি ও খনি খাত হবে দুই দেশের সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।” ভারত ও কানাডার মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (CEPA) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়ক। তাঁর দাবি, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই এই চুক্তি চূড়ান্ত করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রায় দু’বছর ধরে এই বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ছিল, যা গত নভেম্বর মাসে পুনরুজ্জীবিত করতে উভয় দেশ রাজি হয় (Uranium Supply Deal)।

    অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

    হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যা মামলার প্রসঙ্গে পট্টনায়ক জানান, কানাডায় এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তিনি বলেন, “যদি কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণ উঠে আসে, তাহলে ভারত উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে।” প্রসঙ্গত, এই সফরের পরিকল্পনা এমন একটা সময়ে করা হচ্ছে, যখন কানাডা ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী, যাতে রফতানি ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে কানাডার অর্থনীতিকে চাঙা করা যায় (Uranium Supply Deal)। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর আরও চড়িয়ে কার্নি বলেন, “সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপগুলি বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতাকে নতুন করে গড়ে তুলেছে।”

    বাড়ছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ 

    এদিকে, কানাডা দশকের শেষ নাগাদ ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য (India Canada Trade) ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এই লক্ষ্য নির্ধারণের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, যখন অটোয়া নয়াদিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও পরিবর্তনশীল সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের প্রতিফলনও এতে দেখা যাচ্ছে (Uranium Supply Deal)। ইন্ডিয়া এনার্জি উইকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হজসন বলেন, এই বাণিজ্য লক্ষ্যটি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অংশীদারিত্বের অগ্রগতি মূল্যায়নের জন্য নির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য কর্মদক্ষতা সূচকও নির্ধারিত হয়েছে।

    ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক

    তিনি জানান, প্রাকৃতিক সম্পদ ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পারস্পরিক পরিপূরকতা থাকা সত্ত্বেও ভারত–কানাডা বাণিজ্য সম্পর্ক তার সম্ভাবনার তুলনায় এখনও যথেষ্ট বিকশিত নয়। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য সম্প্রসারণকে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পারস্পরিকভাবে লাভজনক উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এই নয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ হিসেবে জ্বালানি খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কানাডা বিশ্বের প্রায় ৬ শতাংশ তেল উৎপাদন করলেও, ভারতের মোট তেল আমদানির এক শতাংশেরও কম আসে কানাডা থেকে। হজসনের মতে, বৈশ্বিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্য (India Canada Trade) প্রবাহ পুনর্বিন্যাস করা গেলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং একই সঙ্গে (Uranium Supply Deal) কানাডার রফতানি বাজারের বৈচিত্র্যও বাড়বে। বর্তমানে ভারত কানাডা থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) আমদানি করে।

     

LinkedIn
Share