Blog

  • Arjun Singh: “আমি বনি! কী করবি, কিচ্ছু করতে পারবি না!” বারাকপুরে পুলিশের সামনেই অর্জুনকে হুমকি

    Arjun Singh: “আমি বনি! কী করবি, কিচ্ছু করতে পারবি না!” বারাকপুরে পুলিশের সামনেই অর্জুনকে হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম দফা ভোটের দিন বারাকপুর লোকসভায় তৃণমূলের দাদাগিরির সাক্ষী থাকলেন বীজপুরবাসী। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংকে (Arjun Singh) পুলিশের সামনেই হুমকি দেন এক তৃণমূল কর্মী। প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে হুমকি দিলেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে বীজপুর বিধানসভার কাঁচরাপাড়ার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Arjun Singh)

    এদিন সকালে ভোট দিয়ে অর্জুন সিং (Arjun Singh) নিজের লোকসভার একাধিক বিধানসভা চষে বেড়ান। এদিন সকালে কাঁচরাপাড়া ভূতবাগান এলাকায় একটি বুথে কর্মীদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ আসে। একই সঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জাম করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং যান। তাঁকে দেখে তৃণমূলীরা গো ব্যাক স্লোগান দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এরইমধ্যে বিজেপির এক মহিলা কর্মী অর্জুন সিংয়ের কাছে নালিশ জানিয়ে বলেন, “তৃণমূলের লোকজন আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” পরিস্থিতি এমন হয়, যে রাস্তার এক প্রান্তে অভিযুক্ত, আরেক প্রান্তে অর্জুন সিং। এক জন আরেক জনের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। তাঁদের আটকাচ্ছেন অনুগামীরা। এরপরই অর্জুন ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, তৃণমূল সন্ত্রাস করে ভোটে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। অভিযুক্তের সামনে দাঁড়িয়েই তিনি বলতে থাকেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। ভোট দিতে যাচ্ছিল মেয়েটাকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে। ও একটা ক্রিমিন্যাল। পরিচিত ক্রিমিন্যাল। আমাকে হমকি দিচ্ছে।” যে তৃণমূল কর্মীকে দেখিয়ে অর্জুন এই কথাগুলি বলছিলেন তিনি পাল্টা হুমকি দেন। তিনি বলতে থাকেন, “কোন মহিলাকে আমি মেরেছি বলুন। আমি ক্রিমিন্যাল? কে বলছে আমাকে ক্রিমিন্যাল? অর্জুন সিং আমার নাম বনি। আমি বনি। কী করবি? কিচ্ছু করতে পারবি না। বাড়াবাড়ি করিস না। একদম বাড়াবাড়ি করবি না।”

    আরও পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    কে এই বনি?

    জানা গিয়েছে, কাঁচরাপাড়া পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বনি। তাঁর পুরো নাম অভিজিৎ ভট্টাচার্য। তিনি স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব দেন। তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তবে, একজন বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর (Arjun Singh) সঙ্গে তৃণমূল কর্মীর ওই আচরণে সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 22: “গুরুর উপদেশ অনুসারে চলতে হয়, বাঁকাপথে গেলে ফিরে আসতে কষ্ট হবে”

    Ramakrishna 22: “গুরুর উপদেশ অনুসারে চলতে হয়, বাঁকাপথে গেলে ফিরে আসতে কষ্ট হবে”

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    সংসারেও ঈশ্বরলাভ হয়–সকলেরই মুক্তি হবে

    প্রতিবেশী—মহাশয়, সংসারে থেকে কি ভগবানকে পাওয়া যায়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অবশ্য পাওয়া যায়। তবে যা বললুম, সাধুসঙ্গ আর সর্বদা প্রার্থনা করতে হয়। তাঁর কাছে কাঁদতে হয়। মনের ময়লাগুলো ধুয়ে গেলে তাঁর দর্শন হয়। মনটি যেন মাটি-মাখানো লোহার ছুঁচ—ঈশ্বর চুম্বক পাথর, মাটি না গেলে চুম্বক পাথরের সঙ্গে যোগ হয় না। কাঁদতে কাঁদতে ছুঁচের মাটি ধুয়ে যায়, ছুঁচের মাটি অর্থাৎ কাম, ক্রোধ, লোভ, পাপবুদ্ধি, বিষয়বুদ্ধি। মাটি ধুয়ে গেলেই ছুঁচকে চুম্বক পাথরে টেনে লবে—অর্থাৎ ঈশ্বরদর্শন হবে। চিত্তশুদ্ধি হলে তবে তাঁকে লাভ হয়। জ্বর হয়েছে, দেহেতে রস অনেক রয়েছে তাতে কুইনাইনে কি কাজ হবে। সংসারে হবে না কেন? ওই সাধুসঙ্গ, কেঁদে কেঁদে প্রার্থনা, মাঝে মাঝে নির্জনে বাস, একটু বেড়া না দিলে ফুটপাথের চারাগাছ, ছাগল গরুতে খেয়ে ফেলে।

    প্রতিবেশী—যারা সংসারে আছে, তাহলে তাদেরও হবে?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—সকলেরই মুক্তি হবে। তবে গুরুর উপদেশ অনুসারে চলতে হয়। বাঁকাপথে গেলে ফিরে আসতে কষ্ট হবে। মুক্তি অনেক দেরিতে হয়। হয়তো এ-জন্মেও হল না, আবার হয়তো অনেক জন্মের পর হল। জনকাদি সংসারেও কর্ম করেছিলেন। ঈশ্বরকে মাথায় রেখে কাজ করতেন। নৃত্যকী যেমন মাথায় বাসন করে নাচে। আর পশ্চিমের মেয়েদের দেখ নাই? মাথায় জলের ঘড়া, হাসতে হাসতে কথা কইতে কইতে যাচ্ছে।

    প্রতিবেশী—গুরুর উপদেশ বললেন। গুরু কেমন করে পাব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—যে-সে লোক গুরু হতে পারে না। বাহাদুরী কাঠ নিজেও ভেসে চলে যায়, অনেক জীবজন্তুও চড়ে যেতে পারে। হাবাতে কাঠের উপর চড়লে, কাঠও ডুবে যায়, যে চড়ে সেও ডুবে যায়। তাই ঈশ্বর যুগে যুগে লোকশিক্ষার জন্য নিজে গুরুরূপে অবতীর্ণ হন। সচ্চিদানন্দই গুরু।

    জ্ঞান কাকে বলে; আর আমি কে? ঈশ্বরই কর্তা আর সব অকর্তা—এর নাম জ্ঞান। আমি অকর্তা। তাঁর হাতের যন্ত্র। তাই আমি বলি, মা, তুমি যন্ত্রী, আমি যন্ত্র, তুমি ঘরণী, আমি ঘর, আমি ইঞ্জিনিয়র, যেমন চালাও তেমনি চলি; যেমন করাও তেমনি করি; যেমন বলাও তেমনি বলি; নাহং নাহং তুঁহু তুঁহু।

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    RBI: বিপুল পরিমাণ রোজগার, কেন্দ্রকে এবার আরবিআই কত টাকা দিচ্ছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাল ফিরছে দেশের অর্থনীতির। নরেন্দ্র মোদির গত দশ বছরের জমানায় দেশ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে। ২০১৪ সালেও যে দেশের জায়গা ছিল ওই তালিকার দশ নম্বরে, সেই দেশই ব্রিটেনকে সরিয়ে দখল করে নিয়ে নিয়েছে তালিকার পঞ্চম স্থান। দেশের অর্থনীতির হাল ফেরার ছাপ স্পষ্ট রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) সরকারকে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্তের বহর দেখে।

    লাভের কড়ি (RBI)

    জানা গিয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তরফে কেন্দ্রকে দেওয়া হবে লভ্যাংশের প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। গত বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কেন্দ্রকে যে পরিমাণ টাকা দিয়েছিল, এটা তার চেয়ে ঢের বেশি। সম্প্রতি সরকারি কোষাগারে অর্থ প্রদান সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট করে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। সেখানেই বলা হয়েছে, দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক (RBI) কেন্দ্রকে এক লাখ কোটি টাকা দিতে পারে। চলতি অর্থবর্ষেই এই বিপুল পরিমাণ টাকা জমা হতে পারে রাজকোষাগারে। দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সরকারকে যে টাকাটা দেবে, তা আদতে লাভের কড়ি। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবছর এই লাভের কড়ির পরিমাণ হতে চলেছে রেকর্ড। তবে শেষতক তা কত লাখ কোটি টাকায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা স্পষ্ট নয়।

    গত অর্থবর্ষে প্রদেয় টাকা

    গত অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় কোষাগারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জমা দিয়েছিল ৮৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করে কেন্দ্র। সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই বিভিন্ন সরকারি ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া লভ্যাংশ বাবদ ১ লাখ ২০ কোটি টাকা জমা করবে বলে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কণিকা পশরিচা বলেন, “আমরা আশা করি, ২০২৫ অর্থবর্ষে আরবিআই এবার লভ্যাংশের ১ লাখ কোটি টাকা তুলে দেবে রাজকোষাগারে। আরবিআইয়ের ডিভিডেন্ড ক্যালকুলেশনের বিভিন্ন রকম মুভিং পার্ট থাকলেও, আমাদের অ্যাসেসমেন্ট বলছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক সম্ভবত স্ট্রং ডিভিডেন্ড নম্বর রিপিট করবে।” মনে রাখতে হবে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) আয়ের মূল উৎস সুদ এবং বৈদেশিক মুদ্রা। ব্যালেন্সশিট থেকে জানা যাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা ও সরকারি বন্ড রয়েছে ৭০:২০ অনুপাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    Akshay Kumar: ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়! দেশের নাগরিক হিসেবে প্রথম ভোটদান অক্ষয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়। দেশের নাগরিক হিসেবে এই প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। শুধু তাই নয়, একেবারে আমজনতার মতোই পাঁচ-ছয়শো লোকের ভিড়ে বুথে লাইন দিয়ে ভোট দিতে দেখা গেল তাঁকে। সোমবার ২০ মে পঞ্চম দফায় দেশের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে মুম্বইয়ের ১৩টি আসনেও ভোটগ্রহণ (Lok Sabha elections 2024) প্রক্রিয়া চলছে। আর এরই মধ্যে সকাল সকাল জুহুর একটি বুথে গিয়ে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে নিজের প্রথম ভোট দিলেন অক্ষয়। 

    আম জনতার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ

    রীতিমতো লাইন দিয়ে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar)। তিনি বলেন, “বুথ খুলতেই সকাল ৭টার সময় চলে আসি আমি। তখনই দেখলাম বুথের বাইরে প্রায় ৫০০-৬০০ মানুষ দাঁড়িয়ে।” এরপর অক্ষয়কে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, তাঁকেও কি ভোটদানের জন্য লাইন দিতে হয়েছে? উত্তরে হেসে অভিনেতার জবাব, “নয়তো আর কী করব? লাইন ভেঙে এগিয়ে যেতাম নাকি?”  

    গণতন্ত্রের উৎসবে যোগ দিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত অক্ষয়। বুথ থেকে বেরনোর সময়ে তাঁর মুখের হাসি দেখেই বোঝা গেল সেটা। ভোটদানের পর সংবাদমাধ্যমকে অভিনেতা বলেন, “আমি (Akshay Kumar) চাই আমার দেশ আরও শক্তিশালী হোক। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভোট দিয়েছি। ভোট দিতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে। খুব ভালো বোধ করছি।” একই সঙ্গে আঙুলে ভোটের কালি ছাপ দেখিয়ে বেশ গর্বই অনুভব করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কীভাবে এক পর্তুগিজ নাবিক জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেলেন?

    ঘুচল কানাডিয়ান পরিচয়

    এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন অক্ষয় (Akshay Kumar)। ২০১৯ সালে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন বলিউড অভিনেতা। এরপর ২০২৩ সালে স্বাধীন ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন তিনি। তবে ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করলেও, ১৯৯০ সালে কানাডার নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। তাই এতদিন কানাডার নাগরিক ছিলেন বলে ভোট (Lok Sabha elections 2024) দিতেন না অভিনেতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গত ৬-৭ বছরে দেশে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে”, দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “গত ৬-৭ বছরে দেশে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে”, দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত ছয় থেকে সাত বছরে ৬ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে, দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পরিবারতান্ত্রিক বিরোধী দলগুলি দেশের কর্মসংস্থান নিয়ে যে অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। দেশে যে পরিমাণ পরিকাঠামগত উন্নয়ন হয়েছে তাতে প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকারি চাকরির পাশাপাশি  দেশে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সে ক্ষেত্রে চাকরির পাশাপাশি ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। ২০১৪ সালের আগে দেশে হাতেগোনা স্টার্টআপ ছিল। বর্তমানে ১ লক্ষ ২৫ হাজার স্টার্টআপ কোম্পানি ভারতবর্ষে রয়েছে। বেশিরভাগই স্ট্যাটাস লাভজনক অবস্থায় আছে। শতাধিক স্টার্টআপ সংস্থা বর্তমানে বার্ষিক ৮ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা করছে। স্টার্টআপ কোম্পানি খোলার ক্ষেত্রে এখন যুবকরা বেশি এগিয়ে এসেছে।”

    বিনোদনমূলক অর্থনীতি থেকে সৃজনশীল অর্থনীতি

    বর্তমানে দেশের যুব প্রজন্মের হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে। মোবাইলে শুধু তারা গেম খেলে এমন নয়। বর্তমানে যারা গেম তৈরি করছে তাদের বেশিরভাগই যুবক। এক একটি গেম তৈরি করে তাঁরা কত টাকা রোজগার করছে তা এখন ভাবনার উর্ধ্বে। বিনোদনমূলক অর্থনীতি থেকে সৃজনশীল অর্থনীতিতে পরিবর্তন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বিনোদনমূলক অর্থনীতির দুনিয়ায় ভারত বিশ্বে প্রথম সারির দেশ গুলির মধ্যে রয়েছে। আগে দেশে শুধুমাত্র ৭০ বিমানবন্দর ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৫০টি। আগে ভারতবর্ষে ৬০০ থেকে ৭০০ বিমান ওঠানামা করত। এখন ১ হাজার নতুন বিমানের বরাত দেওয়া হয়েছে। ফলে বিমান পরিষেবা সেক্টরেও প্রচুর কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু এগুলি বিরোধীরা চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাঁরা দেশজুড়ে একটা নেতিবাচক ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে।” দাবি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

    পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের তথ্য

    প্রধানমন্ত্রী নিজের দাবির স্বপক্ষে পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের তথ্য সামনে আনেন। এই সমীক্ষা বলছে বিগত ছয়-সাত বছরে দেশে ছয় কোটি নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দাবি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন যে তথ্য দিয়েছে তাতেও একই কথা মিলে যাচ্ছে। তাঁর যুক্তি দেশে প্রতি বছর ৫ কোটি ব্যক্তিবর্ষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতেই সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    প্রসঙ্গত সারাদেশে লোকসভা নির্বাচন চলছে। বিজেপি একার দমে এবার ৩৭০ এবং জোট হিসেবে ৪০০ লোকসভা আসনে জয়ী হবে বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে বিরোধীরাও যে ক্ষমতায় আসবেন তাঁরা সেই দাবি তুলে ধরতে পারছেন না। এমতাবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এই বক্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি বড় কিছু পেতে চান, তাহলে আপনার চিন্তাভাবনাটাও বড় করতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এমন পরিকল্পনা করতে হবে যা হাজার বছর পরেও লোকে মনে রাখে। তিনি বলেন, “এটা ভারতের সুসময়। এ সুযোগ হেলায় হারানো উচিত হবে না।” এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীনতার পরে ভারতের একশো বছরের পরিকল্পনার প্রসঙ্গও টানেন। তাঁর মতে, এটা ভারতের ভিত পোক্ত করে দিতে পারে।

    হাজার বছর…(PM Modi)

    উদাহরণ স্বরূপ তিনি উল্লেখ করেন দেশের আমলাতন্ত্রের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “কেবল প্রমোশনই লক্ষ্য হতে পারে না। নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং অফিসারদের প্রশিক্ষণে বদল জরুরি। তাঁদের জানা উচিত, তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্য কী।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি আবারও বলছি, জীবনে কিছু ঘটনা ঘটে, যেগুলি আমাদের বেঁচে থাকতে বাধ্য করে আগামী হাজার বছর। আজ যা কিছু করা হচ্ছে, সেটা ভারতকে আগামী হাজার বছর ধরে একটা উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ উপহার দেবে। এটা ভারতের সময়। তাই সুযোগ হাতছাড়া করা আমাদের উচিত হবে না।” তিনি বলেন, “মানুষের জীবনেও যেমন টার্নিং পয়েন্ট থাকে, তেমনি থাকে রাষ্ট্রের জীবনেও। আমি মনে করি, এটাকে কাজে লাগাতে হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা একটা বড় কাজ করছি, একটা বড় বুদ্ধিমত্তার অনুশীলন করছি। আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে করছি। এবং সেই সব আধিকারিক, যাঁরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা অবসর নিয়েছেন। আমরা মন্ত্রী, সচিব এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমি বিভিন্ন ধাপ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি – ২৫ বছর, ৫ বছর, ১ বছর এবং ১০০ দিন। এর সঙ্গে আরও যুক্ত কিছু হবে, এক-দু’টো বাদও যেতে পারে। কিন্তু আমাদের সামনে একটা বড় পরিকল্পনা ছকা রয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরে আমরা পরিকল্পনা করতে শুরু করেছি। দেশের বয়স যখন একশো হবে, তখন পর্যন্ত তা কার্যকরী হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরের কথা ভাবছি না, ভাবছি একশো বছরের কথা। আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠান থাকবে কোথায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নব্বই বছরের পরিকল্পনা রয়েছে। আমি বলেছিলেন, ঠিক আছে, তবে দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন?”

    যুবশক্তির সদ্ব্যবহার করা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ছোট ছোট করে ভাবি না। মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যও আমি কাজ করি না। আগামিদিনে আমি জোর দিতে চাই কীভাবে যুবকদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করতে পারি, তাঁদের মধ্যে কীভাবে বড় কোনও স্বপ্নের বীজ বপন করতে পারি এবং সেই স্বপ্ন সফল করতে তাঁদের অভ্যাসে কী ধরণের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, তা তাঁদের বোঝাতে পারি। আমি বিশ্বাস করি (PM Modi), এই সব প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।”

    দুয়ারে জয়

    ২০ মে, সোমবার দেশের ৪৯টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে নির্বাচন। অষ্টাদশতম লোকসভার নির্বাচন হবে সাত দফায়। এদিন চলছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। তার আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও তৃতীয়বার জয়ের বিষয়ে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবার ৪০০ আসনে জিতে রেকর্ড গড়বে এনডিএ।” চারশো আসন পেলে এনডিএ সরকার সংবিধান বদলে দেবে বলে বিরোধীরা যা প্রচার করছেন, তা মিথ্যা বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    তিনি বলেন, “চারশো আসন পাওয়ার সঙ্গে সংবিধান বদলে দেওয়ার ভাবনাটা বোকা বোকা। ওরা আসলে এসব ইস্যুতে গোলমাল পাকিয়ে হাউসের কাজকর্ম বন্ধ করে দেবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ৪০০ আসন পাবই। ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই পাঁচ বছর বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চলছে। গত নির্বাচনে এনডিএ জিতেছিল ৩৬০টি আসন। আর এবার চারশোর বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরব আমরা (PM Modi)।” প্রসঙ্গত, সাত দফার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মমতাকে আইনি নোটিস কার্তিক মহারাজের, ক্ষমা না চাইলে মামলার হুঁশিয়ারি

    Mamata Banerjee: মমতাকে আইনি নোটিস কার্তিক মহারাজের, ক্ষমা না চাইলে মামলার হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক ভাবে আক্রমণ করার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আইনি নোটিস পাঠালেন কার্তিক মহারাজ। উল্লেখ্য এই সন্ন্যাসী মহারাজ ভারতসেবা আশ্রম সঙ্ঘের মহারাজ। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিভ্রান্তমূলক। সত্য প্রমাণ দিতে পারলে শাস্তি মাথা পেতে নেব।” তবে এটাও স্পষ্ট করলেন মমতা নিজের মন্তব্যে ক্ষমা না চাইলে আইনি মামলা করব। এই প্রেক্ষিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন কার্তিক মহারাজ (Mamata Banerjee)?

    ভারতসেবা আশ্রম সঙ্ঘের মহারাজ স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ ওরফে কার্তিক মহারাজ বলেন, “এই বিষয়ে আমি কিছু বলিনি। মমতা (Mamata Banerjee) পুরো মিথ্যা কথা বলেছেন। আমি কোথাও কোনও জায়গায় এই কথা বলিনি। তৃণমূল কর্মীদের বুথ থেকে বের করে দেবো এই কথাও বিলিনি। আমি সন্ন্যাসী, আমি কোনও দল করিনা। প্রমাণ দিতে পারবেন না, এটাও সত্য কথা।” আবার ভারতসেবা আশ্রম সঙ্ঘের অধ্যক্ষ দিলীপ মহারাজ বলেন, “দেশ জুড়ে তো প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে মুখ খুলেছেন। আমি আর কী বলব, প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    সন্ন্যাসীকে মিথ্যা অভিযোগ এবং বাক্য বাণে আক্রমণের বিরুদ্ধে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গতকাল রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারে এসে মমতাকে (Mamata Banerjee) নিশানা করছেন। তিনি পুরুলিয়ার সভামঞ্চ থেকে বলেছেন, “স্বামী বিবেকানন্দ বিদেশের মাটিতে গিয়েছিলেন, যখন ভারতের কথা বলেছিলেন তখন লাখ লাখ মানুষ তাঁর ভক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে এমন এক ব্যক্তি ছিলেন যিনি ভারতের প্রতি বিদ্বেষী ছিলেন। বিবেকানন্দকে ধমকিয়ে ছিলেন। এমনকি অপমানও করেছিলেন। এখন আবার এখানে সেরকম হচ্ছে। বাংলার মাটিতে এই রকম ঘটনা ঘটছে। নির্বাচনের সময়ে বাংলার মানুষকে ভয় দেখানো ধমকানো, হিংসা করানোর ঘটনায় তৃণমূল সব সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। দেশে ইসকন, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ নিয়ে পুরো বিশ্বে জনপ্রিয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের প্রকাশ্যেই ধমকাচ্ছেন। মঞ্চ থেকেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। বিশ্ব জুড়ে ইসকন, মিশনের লোক থাকেন। তাঁদের লক্ষ্য, মানুষের সেবা করা। নিজের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করতে এখন তাঁদেরকেই ধমকাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। লাখো মানুষের ভাবনার কথা ভাবছেন না”

    আরও পড়ুনঃ হুগলিতে বিজেপির এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা, টাকা ছড়াচ্ছে আইপ্যাক অভিযোগ লকেটের

    ঠিক কী বলেছিলেন মমতা?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) গত শনিবার আরামবাগে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থণে সাধুদের একাংশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছিলেন, “সব সাধু সমান হন না। বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি তিনি বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বসতে দেবেন না। তাঁকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তিনি সরাসরি রাজনীতি করছেন। দেশের সর্বনাশ করছেন। আমি চিহ্নিত করেছি কে কে করছেন।” এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা ইমামদের নির্দেশ বিষয়ে মমতার চুপ থাকার কথা বলে সরব হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আকাশ ভেঙে শহরে নামল বৃষ্টি! ৩ জেলায় কমলা সতর্কতা হাওয়া অফিসের

    Weather Update: আকাশ ভেঙে শহরে নামল বৃষ্টি! ৩ জেলায় কমলা সতর্কতা হাওয়া অফিসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই আকাশে মেঘের আনাগোনা, বেলা দশটা বাজতেই কালো করে এল শহরের আকাশ। দুপুরেই বিকেলের অন্ধকার। ১১টা বাজতেই বৃষ্টি নামল উত্তর থেকে দক্ষিণ শহর ও তার আশপাশে। সপ্তাহের প্রথম দিন অফিসে ঠোকার আগেই ভিজল (Rain Fall) কলকাতাবাসী। সোম ও মঙ্গলবার ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। সেই  মতোই আকাশ ভেঙে নামল বৃষ্টি। ভোটের লাইন ছেড়ে পালালেন ভোটাররা। ছত্রাকার পরিস্থিতি চোখ পড়ল ব্যারাকপুর এবং বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের একাধিক বুথে।

    দক্ষিণবঙ্গে শুরু বৃষ্টি

    ইতিমধ্যেই কলকাতার কিছু কিছু এলাকায় আকাশ অন্ধকার করে মেঘ জমেছে। বৃষ্টিও শুরু হয়েছে মধ্য কলকাতা-সহ শহরের বিভিন্ন অংশে। তবে হাওয়া অফিস সতর্ক করে জানিয়েছে, বৃষ্টির সঙ্গে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। দক্ষিণের পাঁচ জেলায় বজ্রগর্ভ মেঘের ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন আবহবিদেরা। ভোটদানের সময়ের মধ্যেই তুমুল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে হাওড়া, হুগলি ও উত্তর ২৪ পরগনায়। আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) রিপোর্ট অনুসারে, তিন জেলাতেই দাপটে বৃষ্টি হবে। সেই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় বেগে বইবে দমকা হাওয়া। আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই এই ৩ জেলায় বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করেছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, নির্ধারিত সময়ের ৩ দিন আগে ২২ মে বর্ষা ঢুকছে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগর সহ নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। কেরালাতেও নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে পৌঁছে যাবে মৌসুমী বায়ু। তবে এই বৃষ্টি বর্ষার নয়। বুধবারের পর থেকেই বৃষ্টির দাপট কমে ফের গরম বাড়বে শহরে।

    আরও পড়ুন: কলকাতার সামনে হায়দরাবাদ, জেনে নিন আইপিএল প্লে-অফে কবে কার সঙ্গে কার খেলা?

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও সোমবার এবং মঙ্গলবার একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Rain Fall) হতে পারে। কোথাও হাওয়ার বেগ থাকবে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। কোথাও বেগ বৃদ্ধি পেয়ে হতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারও। এই দু’দিনে ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। এই জেলাগুলিতে ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    Vasco da Gama: কীভাবে ভাস্কো দা গামা জলপথে প্রথম ভারতের সন্ধান পেয়েছিলেন? ফিরে দেখা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাস বলতে প্রথমেই মাথায় আসে ভাস্কো দা গামার (Vasco da Gama) নাম। ভাস্কো দা গামা-এই নামটির সঙ্গে পরিচিত নন এমন মানুষ ভারতীয় উপমহাদেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। ভাস্কো দা গামা ছিলেন একজন পর্তুগিজ নাবিক। যিনি পঞ্চদশ শতাব্দীতে সমুদ্রপথে ভারতে আসেন। পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা মহাদেশে এসে পৌঁছান এবং পুরো আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে দক্ষিণ দিক থেকে তিনি ১৪৯৮ সালের আজকেরই দিনে অর্থাৎ ২০ মে তাঁর জাহাজ নিয়ে দক্ষিণ ভারতে (India) কালিকটের কাছে কাপ্পাডুতে পা রাখেন। 

    ইতিহাস

    কলম্বাস যখন ভারতের খোঁজে বেরিয়ে আমেরিকায় পৌঁছে গেলেন, তখন পর্তুগালের রাজা জন ভারতে পৌঁছানোর জন্য নতুন সমুদ্রপথ খুঁজতে শুরু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি তিনটি বড় জাহাজ তৈরিরও নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন রাজা জন। ভারতে পৌঁছানোর সে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। তবে তার উত্তরাধিকারী এমানুয়েলের মনেও ভারতে পৌঁছানোর দৃঢ় সংকল্প ছিল। সেই যাত্রার কমান্ডার হিসাবে তিনি ভাস্কো দা গামাকে (Vasco da Gama) বেছে নিয়েছিলেন।

    কীভাবে পৌঁছলেন ভারতে? (Vasco da Gama) 

    ২৫ মার্চ ১৪৯৭ সাল, রবিবার সকালবেলায় লিসবনের রাস্তা লোকে লোকারণ্য হয়ে গিয়েছিল। সবাই বুঝতে পারছিলেন সেদিন একটা বড় ঘটনা হতে চলেছে। এরপর শুরু হল যাত্রা। ভাস্কো দা গামা রওনা হলেন তার ৩টি জাহাজ ও সহযাত্রীদের নিয়ে। কিন্তু মাঝপথে জাহাজ যখন কনারি দ্বীপ ছাড়ালো, তখনই তাঁরা মুখমুখি হল এক ভয়াবহ ঝড়ের। সেই ঝড় কাটিয়ে এরপর বেশ কয়েক মাস ধরে চলার পরে ভাস্কো দা গামা আর তার সহযাত্রীরা সেন্ট হেলেনায় পৌঁছলেন। প্রবল ঝড়ে জাহাজের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। দিন দশেক পরে ভাস্কো দা গামার দল জাহাজগুলি নিয়ে একটা বড় নদীর মোহনায় পৌঁছান। সেখানেই তিনি নোঙর করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর মার্চ মাসের শেষ নাগাদ ভাস্কো দা গামা আফ্রিকার মোজাম্বিক বন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে সমুদ্র তীর ধরে চলতে চলতে পৌঁছান মালিন্ডির উপকূলে। এরপর ৬ অগাস্ট ভাস্কো দা গামা মালিন্ডি থেকে রওনা হয়েছিলেন। এর প্রায় ১৯ দিন পরে অবশেষে ভারতের তটরেখা দেখতে পান তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    এই দিনটির গুরুত্ব

    উল্লেখ্য তিনিই (Vasco da Gama) প্ৰথম ইউরোপীয় যিনি সাগর পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই দিনে ভারতে (India) এসে উপস্থিত হন। তাঁর এ ভ্ৰমণ এশিয়া ও ইউরোপকে সংযোগ করার পাশাপাশি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মাঝে সেতুবন্ধনের কাজ করেছিল। এ দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে পাশ্চাত্য দুনিয়ার সংযোগ স্থাপনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Growth: সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন কোন খাবার পাতে রাখলেই মিলবে উপকার?

    Child Growth: সন্তানের উচ্চতা নিয়ে চিন্তিত? জেনে নিন কোন খাবার পাতে রাখলেই মিলবে উপকার?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে বিকাশের সম্পর্ক রয়েছে। শিশুর দেহের উচ্চতা ঠিকমতো না বাড়লে, অধিকাংশ অভিভাবকেরাই দুশ্চিন্তা করেন। জিনগত ও হরমোন ঘটিত একাধিক কারণ শিশুর দেহের উচ্চতা বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে‌। তবে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শৈশব থেকে বয়ঃসন্ধিকাল পর্যন্ত কিছু খাবার নিয়মিত খেলে শিশুর বিকাশে, বিশেষত উচ্চতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে (Child Growth)। এখন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবার নিয়মিত দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকেরা?

    নিয়মিত কলা বাড়তি সাহায্য করবে (Child Growth)

    আন্তর্জাতিক এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়মিত কলা খেলে শিশুর বিকাশে বিশেষ সাহায্য হয়। কারণ, কলা এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে। ছোটরা খেলাধুলো করে। তাদের বাড়তি এনার্জির প্রয়োজন হয়। কলার মতো ফল সেই এনার্জির জোগান দেয়। এছাড়াও, কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন। এর ফলে শিশুর উচ্চতা বৃদ্ধিতে কলা খুবই উপকারী। এছাড়াও ফাইবার ও প্রোবায়োটিক কলায় রয়েছে। তাই কলা খেলে শিশুর সার্বিক বিকাশে বিশেষ সাহায্য হয়।

    উচ্চতা বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে মাছ

    সন্তানের পাতে নিয়মিত মাছ দিলে শরীরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সাহায্য হয়। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ছাড়াও রয়েছে আয়রন, ফসফরাস এবং সেলেনিয়ামের মতো একাধিক উপাদান। এই উপাদানগুলো শারীরিক বিকাশে (Child Growth) বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত মাছ খেলে শিশুর উচ্চতা বাড়ে।

    রোজের মেনুতে দুধ কিংবা দুগ্ধজাত যে কোনও খাবার

    আন্তর্জাতিক ওই গবেষণায় স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, শিশুর সুষম আহারের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবেই শিশুর বিকাশ ঠিকমতো হবে। উচ্চতা বাড়বে। অর্থাৎ, প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট সবকিছুই দেহে পর্যাপ্ত জোগান রাখতে হবে। আর তার জন্য দুধ কিংবা দুগ্ধজাত খাবার নিয়মিত খাওয়াতেই হবে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দু’বেলা দুধের পাশাপাশি দই ,ছানা, পনিরের মতো দুগ্ধজাত খাবার নিয়মিত খাওয়ানো জরুরি। তবেই দেহের উচ্চতা বাড়বে। শরীরে প্রোটিন, ভিটামিন ও কার্বোহাইড্রেটের জোগান ঠিকমতো থাকবে।

    নিয়মিত ৫০ গ্রাম সোয়াবিন বাড়াবে উচ্চতা (Child Growth)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উদ্ভিদজ প্রোটিন হিসাবে সোয়াবিন বিশেষ উপকারী।‌ তাই নিয়মিত সন্তানকে অন্তত ৫০ গ্রাম সোয়াবিন খাওয়ানো জরুরি। সোয়াবিনে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন‌ এবং প্রোটিন। তাই উচ্চতা বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়ক এই খাবার‌।

    নিয়মিত একটা ডিম থাকুক মেনুতে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দুধের মতোই ডিম হল সুষম খাবার। ডিমে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং একাধিক ভিটামিন। বিশেষত ভিটামিন বি ১২ ডিম থেকে পাওয়া যায়। যা শিশুর বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে। বিশেষত এই ভিটামিন উচ্চতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই ডিম শিশু স্বাস্থ্যে খুবই উপকারী। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত অন্তত ১টা ডিম শিশুর খাবারের তালিকায় রাখতেই হবে (Child Growth)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share