Blog

  • Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    Ramakrishna 567: “মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২রা সেপ্টেম্বর
    শ্রীযুক্ত ডাক্তার ভগবান রুদ্র ও ঠাকুর রামকৃষ্ণ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ডাক্তারের প্রতি— আবার এমনি অবস্থা, যদি কেউ বললে, ‘কমে গেছে’ তো অমনি অনেকটা কমে যায়। সেদিন ব্রাহ্মণী বললে, ‘আট-আনা কমে গেছে’ — অমনি নাচতে লাগলুম!

    ঠাকুর ডাক্তারের স্বভাব দেখিয়া সন্তুষ্ট হইয়াছেন। তিনি ডাক্তারকে বলিতেছেন, ‘তোমার স্বভাবটি বেশ। জ্ঞানের দুটি লক্ষণ—শান্ত ভাব, আর অভিমান থাকবে না।”

    মণি—এঁর (ডাক্তারের) স্ত্রী-বিয়োগ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—আমি বলি, তিন টান হলে ভগবানকে পাওয়া যায়। মায়ের ছেলের উপর টান, সতীর পতির উপর টান, বিষয়ীর বিষয়ের উপর টান।

    “যা হোক, আমার বাবু এটা ভাল করো (Kathamrita)!”

    ডাক্তার এইবার অসুখের স্থানটি দেখিবেন। গোল বারান্দায় একখানি কেদারাতে ঠাকুর বসিলেন। ঠাকুর প্রথমে ডাক্তার সরকারের কথা বলিতেছেন, “শ্যালা, যেন গরুর জিব টিপলে!”

    ভগবান (Ramakrishna)—তিনি বোধ হয় ইচ্ছা করে ওরূপ করেন নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—না, তা নয় খুব ভাল করে দেখবে বলে টিপেছিল।

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২০শে ও ২৪শে সেপ্টেম্বর

    অসুস্থ শ্রীরামকৃষ্ণ ও ডাক্তার রাখাল—ভক্তসঙ্গে নৃত্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে নিজের ঘরে বসিয়া আছেন। রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ; ৫ই আশ্বিন; শুক্লা একাদশী। নবগোপাল, হিন্দু স্কুলের শিক্ষক হরলাল, রাখাল, লাটু প্রভৃতি; কীর্তনীয়া গোস্বামী; অনেকেই উপস্থিত।

    বহুবাজারের রাখাল ডাক্তারকে সঙ্গে করিয়া মাস্টার আসিয়া উপস্থিত; ডাক্তারকে ঠাকুরের অসুখ দেখাইবেন।

    ডাক্তারটি ঠাকুরের গলায় কি অসুখ হইয়াছে দেখিতেছেন (Kathamrita)। তিনি দোহারা লোক; আঙুলগুলি মোটা মোটা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে, ডাক্তারের প্রতি—যারা এমন এমন করে (অর্থাৎ কুস্তি করে) তাদের মতো তোমার আঙুল। মহেন্দ্র সরকার দেখেছিল কিন্তু জিভ এমন জোরে চেপেছিল যে ভারী যন্ত্রণা হয়েছিল; যেমন গরুর জিভ চেপে ধরেছে।

    রাখাল ডাক্তার—আজ্ঞা, আমি দেখছি আপনার কিছু লাগবে না।

  • Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ নিয়ে রাজ্যের গাফিলতিতে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে সীমান্তবর্তী ন’টি জেলায় কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দিতে হবে। আদালত জানিয়েছে, এই জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই টাকা মিটিয়ে দিয়েছে এবং অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। অথচ এখনও পর্যন্ত সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। অবিলম্বে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়।

    জমি অধিগ্রহণ (Calcutta High Court)

    এছাড়া যে সব জমির অধিগ্রহণ এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সে সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন সেনাকর্মী সুব্রত সাহা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অবস্থিত ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশ দিয়ে অবাধে বেআইনি চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ চলছে এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় তার দায় রাজ্যের ওপরই বর্তায়। এর আগের শুনানিতে রাজ্যের জমি অধিগ্রহণ দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার জানায়, সীমান্তে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতার বসানোর জন্য কেন্দ্র যে ১৮১ কিলোমিটার জমির অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ দিয়েছে, সেই জমি আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ৩১ মার্চকে ডেডলাইন হিসেবে স্থির করে দেয়।

    আদালতের প্রশ্ন

    এই মামলায় অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী আদালতে জানান, বিষয়টি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। আইন অনুযায়ী জেলা কালেক্টর জরুরি পরিস্থিতিতে জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবী তখন উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায়। তবে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “যতই জরুরি অবস্থা হোক, কালেক্টর কি এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? (BSF)” রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান (Calcutta High Court), ২০১৩ সালের নির্দিষ্ট জমি অধিগ্রহণ নীতিকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যের পক্ষে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা সত্ত্বেও অধিগ্রহণ না হলে কেন ৪০ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হচ্ছে না?”

    জমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ টাকা পাওয়া সত্ত্বেও বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর না হওয়ার বিষয়ে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদিও কিছু জেলায় এক–দু’মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুনে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসের মধ্যে জমি হস্তান্তরের কথা জানানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় ঘন ঘন জমির মালিকানা বদলের কারণেই এই বিলম্ব হচ্ছে বলে আদালতে দাবি করে রাজ্য। পাশাপাশি, বাকি যে জমিগুলি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন, সেগুলিও বর্তমানে প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে (Calcutta High Court)।

     

  • All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    All Party Meet: সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীদের দাবি উড়িয়ে দিল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার শুরু হবে সংসদের বাজেট অধিবেশন। তার ঠিক আগের দিন মঙ্গলবার বিরোধীদের ভি বি-জি রাম জি আইন (VB-G RAM G Act) এবং এসআইআর (SIR) নিয়ে আলোচনার দাবি নাকচ করে দিল সরকার (All Party Meet)। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “এই দুই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনা হয়েছে এবং এখন আর পিছিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই নেই।” বাজেট অধিবেশনের প্রাক্কালে সরকারের তরফে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকের পর এমন মন্তব্য করেন রিজিজু।

    বিরোধীদের বক্তব্য (All Party Meet)

    বৈঠকে কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ এবং সিপিআই(এম)-এর জন ব্রিটাস-সহ বিরোধী সদস্যরা অধিবেশনের জন্য সরকারের প্রস্তাবিত কাজের তালিকা এখনও বিলি না হওয়ায় আপত্তি জানান। মন্ত্রী বলেন, “যথাসময়ে তা বিতরণ করা হবে।” সূত্রের খবর, বিরোধীরা পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর, কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা সংক্রান্ত ভি বি-জি রাম জি আইন, যা এমজিএনরেগা প্রকল্পের পরিবর্তে আনা হয়েছে, ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার আরোপিত শুল্ক, বিদেশনীতি, বায়ুদূষণ, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন। ভি বি-জি রাম জি আইন নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “একবার কোনও আইন জাতির সামনে এলে, তা মানতেই হবে। আমরা গিয়ার উল্টো করে আবার পিছনে যেতে পারি না।”

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    তিনি বলেন, “বিরোধী সাংসদরা একাধিক বিষয় উত্থাপন করেছেন এবং সেগুলি রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় তোলা যেতে পারে। এটি বছরের প্রথম অধিবেশন। সাধারণত রাষ্ট্রপতির ভাষণের পরেই সরকারের কাজের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবুও আমি তা প্রকাশ করতে প্রস্তুত এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দিয়েছি।” মন্ত্রী জানান, এটি কোনও বড় সমস্যা নয় এবং সংসদ নির্বিঘ্নে চালানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর নিয়ে আলাদা আলোচনা চাওয়ার দাবির জবাবে রিজিজু বলেন, “গত অধিবেশনে সংসদের উভয় কক্ষে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে এবং তখন বিরোধীরাই এই বিষয়টি তুলেছিলেন। আবার নতুন করে বিতর্কের দাবি তাই অপ্রয়োজনীয় (All Party Meet)।” তিনি সংসদ সদস্যদের আবেদন জানিয়ে বলেন, “সবাই যেন নিজেদের বিষয় তুলে ধরেন, তবে সংসদের কাজকর্মে যেন কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় (SIR)।

    সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত সম্মানীয় সদস্যদের কাছে আমার আন্তরিক আবেদন, আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং জনগণের হয়ে কথা বলার দায়িত্ব আমাদের। কথা বলার অধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি অন্য রাজনৈতিক দলের সদস্যদের কথাও শোনার দায়িত্বও আমাদের রয়েছে।” তিনি জানান, গত অধিবেশনে নির্বাচন সংস্কার নিয়ে আলোচনার সময় এসআইআর বিষয়টি নিয়ে ম্যারাথন আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “সব সদস্যকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলি তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে তুলেও ধরেছিল (All Party Meet)।”

  • Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    Republic Day 2026: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান! বিহারে গ্রেফতার সরকারি স্কুলের শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2026) পাকিস্তানের পক্ষে স্লোগান তুলে গ্রেফতার হলেন সরকারি স্কুলের শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) সুপৌলের অভুয়ার হাইস্কুলে। ধৃত শিক্ষকের নাম মনসুর আলম। জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের দিয়ে তিনি ‘জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তুলিয়েছিলেন। এমনকী তিনি নাকি দাবি করেন, পাকিস্তান হল ‘জন্নত’। পরে স্কুলের হেডমাস্টারের অভিযোগের ভিত্তিতে মনসুরকে গ্রেফতার করে।

    কী ঘটেছিল সুপৌলের স্কুলে

    প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্কুলের অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল পড়ুয়ারা। এরপরে মনসুর আলম ‘মহম্মদ জিন্নাহ অমর রহে’ স্লোগান তোলেন। তাঁকে অনুসরণ করে পড়ুয়ারাও সেই স্লোগান তোলেন। অনুষ্ঠানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকরা সেই ঘটনায় হতবাক হয়ে পড়েন। এরপর স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা। পরে হেডমাস্টার ধনঞ্জয় তিওয়ারি পুলিশ ডাকেন। এদিকে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে যায় ততক্ষণে। স্কুলে জড়ো হয় আরও মানুষজন। স্টেশন হাউজ অফিসার জ্ঞান রঞ্জন কুমার পুলিশের দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলমকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। পরে হেডমাস্টার আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ দায়ের করেন আলমের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় সেই শিক্ষককে। বর্তমানে সেই শিক্ষককে জেরা করা হচ্ছে।

    পড়ুয়াদের প্রাভাবিত করার চেষ্টা

    স্কুলের পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সেই শিক্ষক নাকি পাকিস্তানকে ‘জন্নত’ বলে দাবি করেছিলেন এবং কিছু পড়ুয়াকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তকারীরা জানান, এর আগেও আলমের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের কট্টরপন্থী করার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে বিহারের বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস বা প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তোলা হয়েছে। অনেক জায়গায় পাকিস্তানের পতাকা পর্যন্ত তোলা হয়েছে। ২০১৬ সালে নালান্দা জেলার বিহারশরিফ শহরে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে পূর্ণিয়া জেলার মধুবনির একটি বাড়ি থেকে তিনটি পাকিস্তানি পতাকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিহারের ভোজপুরে পাকিস্তানপন্থী স্লোগান তুলে ৫ জন গ্রেফতার হয়েছিল।

  • Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    Bangladesh Cricket: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ দেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই! নাজমুলকে ফের সসম্মানে পদে বহাল বিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেভাবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশবাসীর বিশ্বাসভঙ্গ হচ্ছে, তেমনই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল বিসিবি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (Bangladesh Cricket Board) বিতর্কিত পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে (M Najmul Islam) ফের আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান পদে ফিরিয়ে আনল বিসিবি। মাত্র কয়েক দিন আগেই তাঁকে সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। এম নাজমুল ইসলাম তামিম ইকবালকে ‘ভারতের দালাল’ বলায় তাঁর পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিবাদে এক দিন বন্ধ থাকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা। চাপের মুখে তাঁকে বহিষ্কার করে বিসিবি। সেই নাজমুলকেই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    ফিরলেন নাজমুল

    ১৫ জানুয়ারি প্রবল চাপের মুখে এম নাজমুল ইসলামকে আর্থিক কমিটির চেয়ারম্যান-সহ সব দায়িত্ব থেকে অপসারিত করা হয়। সেই সময় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল (Aminul Islam Bulbul) জানিয়েছিলেন, ‘সংস্থার স্বার্থে এবং প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্যই’এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এরপর নাজমুলের বিরুদ্ধে জারি হওয়া শো-কজ নোটিসের জবাব খতিয়ে দেখে বিসিবির শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। কমিটির মতে, তাঁর ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক’। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ফের দায়িত্বে ফেরানো হয় তাঁকে। আমজাদ হোসেনের কথায়, ‘নাজমুল ইসলাম তাঁর শো-কজের জবাব জমা দিয়েছেন। শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তা খতিয়ে দেখে সন্তুষ্ট!’ এই ঘটনাটি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    বিতর্কের সূত্রপাত

    এই সিদ্ধান্তের শিকড়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য। এম নাজমুল ইসলাম প্রাক্তন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালকে (Tamim Iqbal) ফেসবুক পোস্টে ‘পরীক্ষিত ভারতীয় দালাল’ বলে আক্রমণ করেন। যা চাপের মুখে তিনি মুছেও ফেলেন। অন্যদিকে তামিম জানিয়ে দেন, টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎকেই অগ্রাধিকার দিতেন। পাশাপাশি উঠতে থাকা বিতর্কের মুখে না থেমে নাজমুল দাবি করেন, বিশ্বকাপ বয়কট হলে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত নয়। এমনকি মাঠে খারাপ খেললে বোর্ডেরও টাকা ফেরত চাওয়ার অধিকার থাকা উচিত। এমন মন্তব্য, স্বভাবতই, আগুনে ঘি ঢালে। মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ দেখান ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়দের সংগঠন সিডব্লিউএবি-এর (CWAB) সভাপতি মহম্মদ মিঠুন (Mohammad Mithun) নাজমুলের পদত্যাগ দাবি করেন। সেই সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত (Najmul Hossain Shanto), মেহেদি হাসান মিরাজ-সহ (Mehidy Hasan Miraz) একাধিক তারকা ক্রিকেটার বয়কট করেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (Bangladesh Premier League)। এর জেরে অধিকাংশ ম্যাচ স্থগিত হয়, একসময় বিসিবি অনির্দিষ্টকালের জন্য টুর্নামেন্ট বন্ধের ঘোষণাও করে। পরে বোর্ড ও ক্রিকেটারদের বৈঠকের পর নির্দিষ্ট শর্তে খেলায় ফেরেন ক্রিকেটাররা। সেই সময়ই নাজমুলের বিরুদ্ধে শো-কজ জারি হয়। তবে নাজমুলের পুনর্বহালের পর, বোর্ড প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় ক্রিকেটারদের অসহায় মনে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক খেলোয়াড় নাজমুলের পুনর্বহালের খবর শুনে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এটা তো খুবই ভালো খবর! এতেই বোঝা যাচ্ছে এখানে সব কিছু কীভাবে হচ্ছে।’’ তাঁর কথা থেকেই স্পষ্ট, বিসিবি’র উপর আস্থা হারাচ্ছেন তাঁরা।

  • Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারত সফরে আসার কথা তাঁর। জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, পারমাণবিক সহযোগিতা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে একাধিক চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়েক (Trump Tariffs)। এই সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করার ক্ষেত্রে কানাডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা বর্তমানে কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।

    ভারতের হাইকমিশনারের বক্তব্য (Canada PM)

    পট্টনায়েক জানান, সফরকালে মার্ক কার্নি ভারতের সঙ্গে ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে সই করতে পারেন। প্রস্তাবিত চুক্তিগুলির মধ্যে প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এদিকে, চলতি সপ্তাহে ভারত সফররত কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন বলেন, “ভারত-কানাডার পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, তবে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে চলার শর্তে।” তিনি আরও জানান, জ্বালানি ও খনি খাত হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি

    জাস্টিন ট্রুডোর আমলে ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর কার্নি দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ট্রুডো ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন, যা ভারত অস্বীকার করেছিল (Trump Tariffs)। পট্টনায়েক জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় দু’বছর ধরে স্থগিত থাকা এই বাণিজ্য আলোচনা গত নভেম্বরে পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর মতে, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সিইপিএ চূড়ান্ত করা সম্ভব (Canada PM)।

    বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা

    কার্নি কানাডার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৈচিত্র্যময় করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা আর কার্যকর নেই। গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি মধ্যম শক্তিধর দেশগুলির প্রতি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানান, যাতে আরও স্থিতিশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কানাডা যদি চিনের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কঠোর শুল্ক আরোপ করতে পারে।” এ প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ভারত ও কানাডা দ্রুত নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে তৎপর হয়েছে।”

    তিনি জানান, আগামী মাসে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ওটাওয়া সফর করতে পারেন। সফরকালে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনেরও শীঘ্রই কানাডা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। নিজ্জর হত্যা মামলা প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “কানাডায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।” তিনি জানান, যদি তদন্তে কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার (Trump Tariffs) প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ভারত যথাযথ ব্যবস্থা নেবে (Canada PM)।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে আকাশের দখল নেয় ভারত! যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান, বলছে সুইস রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ঘাবড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদই সিজফায়ার বা যুদ্ধবিরতির আর্তি জানায়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ আকাশসীমায় কার্যত পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং গভীর অভ্যন্তরে নিখুঁত হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদকে মাত্র চার দিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতির পথে যেতে বাধ্য করে—এমনই দাবি করেছে সুইৎজারল্যান্ডভিত্তিক একটি সামরিক গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট। সুইস থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পার্সপেক্টিভ স্টাডিজ (CHPM) প্রকাশিত ৪৭ পাতার এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় বিমান অভিযানের মোকাবিলা করার ক্ষমতা হারানোর পর পাকিস্তান কার্যত “চাপের মুখে” যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এই রিপোর্টটি তৈরি করেছেন সামরিক ইতিহাসবিদ অ্যাড্রিয়েন ফন্টানেলাজ।

    দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক বিমানবাহিনী

    চার দিনেই কুপোকাত পাকিস্তান। সুইস সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৫-এর ৭ মে থেকে ১০ মে-র মাঝে অপারেশন সিঁদুরে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) পাকিস্তানকে ভালো মতোই কাবু করে ফেলেছিল। নাজেহাল হয়ে ব্যাপক ঘাবড়ে যায় ইসলামাবাদ। এর পরেই ১০ মে সিজফায়ার চায় তারা। রিপোর্টের টাইটেলে লেখা, ‘Operation Sindoor: The India-Pakistan Air War (7–10 May 2025)’। বিদেশে তৈরি এই রিপোর্টে বহু বিষয় বিস্তারিত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘর্ষের শেষ পর্যায়ে ভারতীয় বায়ুসেনা দূরপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে আঘাত হানার স্বাধীনতা পায়, অন্যদিকে পাকিস্তান বিমানবাহিনী (PAF) কার্যকর পাল্টা আক্রমণ চালাতে সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে পড়ে।

    ‘পপ-আপ অ্যাটাক’

    ১০ মে সকালের মধ্যেই ব্রহ্মোস ও স্ক্যাল্প-ইজি (SCALP-EG) ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে গভীর হামলা চালানো সম্ভব হয় বলে জানানো হয়েছে। তাতেই হাত-পা কাঁপতে শুরু করে ইসলামাবাদের। কারণ, ততক্ষণে পাকিস্তানের সার্ভেইল্যান্স রেডার মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভারতের এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধরাশায়ী করে পাক বায়ুসেনার অ্যাওয়াক্স সিস্টেমকে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৭ মে রাতে ভারতীয় বায়ুসেনা দু’টি স্ট্রাইক করে। রাফাল ও মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেটের লক্ষ্য ছিল বাহওয়ালপুরে জৈশ-ই-মহম্মদের ডেরা ও মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবার ঘাঁটি। একটি স্ট্রাইক পাকিস্তানি এয়ারস্পেসে মাটির অনেক কাছাকাছি থেকে চালানো হয়েছিল। সুইৎজারল্যান্ডের রিপোর্ট যাকে বলছে, ‘পপ-আপ অ্যাটাক’। যার লক্ষ্য ছিল, পাকিস্তানকে জালে ফাঁসানো। রিপোর্ট অনুযায়ী, এর জবাবে পাকিস্তান ৩০টির বেশি লড়াকু বিমান পাঠায়, পি-এল ১৫ মিসাইল দাগে। তাদের টার্গেট ছিল রাফাল।

    পাকিস্তানের ড্রোন ও মিসাইল হামলা ব্যর্থ

    পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা ৬টি ভারতীয় এয়ারক্রাফ্ট শট ডাউন করে। কিন্তু সুইস রিপোর্ট বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ সামনে রেখে বলছে, ভারতের একটি মাত্র রাফাল, একটি মাত্র মিরাজ-২০০০ ও একটি অন্য ফাইটার জেটের ক্ষতি হয়। রিপোর্ট বলছে, ৭ মে থেকে পাকিস্তান ভারতের উপরে ড্রোন হামলা শুরু করে। প্রথমে ৩০০-র বেশি ড্রোন পাঠানো হয়। দ্বিতীয় ভাগে পাঠায় আরও ৬০০। একই সঙ্গে রকেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। ভারতীয় সেনার ঘাঁটি, এয়ারবেস, লজিস্টিক্স হাব ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ছিল তাদের টার্গেট। কিন্তু কিছুই করতে পারেনি। রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছে, বেশির ভাগই রুখে দেয় ভারতীয় বায়ুসেনা। জ্যামিং, স্পুফিং ও সেন্সর ফিউশন— এই তিন হাতিয়ারেই বেশির ভাগকে ঘায়েল করা হয়।

    ভারতীয় বায়ুসেনার দাপট

    রিপোর্টে ভারতীয় বায়ুসেনার ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম ও ভারতীয় সেনার আকাশতীর নেটওয়ার্কের প্রশংসা করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্কের ফলে রেডারকে শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতেই সক্রিয় করা হয়েছে। তাই পাকিস্তান শত চেষ্টা করেও ভারতের ইলেক্ট্রনিক ব্যবস্থাকে ধরতেই পারেনি। ৯ মে থেকে ১০ মে রাতের মধ্যে পাকিস্তান ফের হামলার চেষ্টা করে। টার্গেট ছিল এস-৪০০ সিস্টেম, এয়ারবেস আদমপুর, শ্রীনগর, কচ্ছ। তবে ভারতীয় সেনার ইলেক্ট্রনিক জ্যামিং ও লড়াকু বিমানের সাহায্যে সেই চেষ্টা ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জোরালো প্রত্যাঘাত

    এর পরেই ভারত জোরালো প্রত্যাঘাতে জবাব দেয়। ১০ মে রাত ২টো থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বায়ুসেনা জোরদার মিসাইল ছোড়ে। টার্গেট ছিল, পাকিস্তানি এয়ারবেস, রেডার ইনস্টলেশন ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সাইট। এর পরে সকাল ১০টায় দাঁড়িয়ে থাকা বিমানগুলিকে টার্গেট করে। একাধিক পাকিস্তানি এয়ারবেস নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। ধ্বংস হয় রানওয়ে ও হ্যাঙ্গার। ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানের ৪-৫টি লড়াকু বিমান নামায়। একটি এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং এয়ারক্রাফ্ট, একটি ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফ্ট, একাধিক ড্রোন, একাধিক রেডার, কমান্ড সেন্টার ও সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ব্যাটারি ছিল। পাকিস্তান তাদের একটি এয়ারবেসে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকারও করেছিল। পাক মুলুকের একাধিক শহরে তছনছ হয়েছিল তাদের সামরিক পরিকাঠামো। তার পরেই তারা সংঘর্ষ বিরোধী চুক্তি করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।

    পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধের সমাপ্তি

    অপারেশন সিঁদুরের সময়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো মূলত যুদ্ধের প্রথম রাতে ভারতের অন্তত একটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার খবর বড় করে দেখিয়েছিল। তবে, সুইৎজারল্যান্ডের এই থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ওই একটি ঘটনা যুদ্ধের প্রকৃত অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। আসলে ভারত সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছিল। শেষপর্যন্ত নিজেদের শর্ত মেনেই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল। উল্লেখ্য, পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্য়ু হয় ২৮ জনের। তার পরেই অপারেশন সিঁদুর শুরু করা হয়। ভারতের দাবি ছিল, এই হামলার সঙ্গে পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো জড়িত।

  • India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের তীব্র নিন্দে করল ভারত (India)। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ভিত্তিহীন ও আত্মস্বার্থমূলক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য তীব্র নিন্দা জানালেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। একই সঙ্গে ভারত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পার্বতনেনি হরিশ এই মন্তব্য করেন। সোমবার ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাসন পুনর্ব্যক্তকরণ: শান্তি, ন্যায়বিচার ও বহুপাক্ষিকতাকে পুনরুজ্জীবিত করার পথ’ শীর্ষক নিরাপত্তা পরিষদের খোলা বিতর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত অপারেশন সিঁদুর, জম্মু ও কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন।

    পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা (India)

    হরিশের অভিযোগ, পাকিস্তানের একমাত্র অ্যাজেন্ডা হল ভারত ও ভারতের নাগরিকদের ক্ষতি করা। অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে আহমদের দাবির জবাবে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে জোরজবরদস্তি বা দায়মুক্তির ভিত্তিতে কোনও নতুন স্বাভাবিকতা তৈরি হতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না।” হরিশ (UNSC) বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিনিধি নতুন স্বাভাবিকতা নিয়ে কথা বলেছেন। আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি—পাকিস্তান যেভাবে চায়, সন্ত্রাসবাদকে কখনও স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিক ব্যবহার সহ্য করা কোনওভাবেই স্বাভাবিক নয়। এই পবিত্র সভাকক্ষ পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেওয়ার মঞ্চ হতে পারে না।”

    অপারেশন সিঁদুর

    হরিশ এও বলেন, “অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত একটি মিথ্যা ও আত্মস্বার্থমূলক বর্ণনা তুলে ধরেছেন।” উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ন’টি জঙ্গি ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এটি ছিল ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ, যেখানে ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। তিনি বলেন (India), “তথ্য একেবারেই স্পষ্ট। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তান-পোষিত জঙ্গিরা ২৬ জন নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই মর্যাদাপূর্ণ সংস্থাই অপরাধী, সংগঠক, অর্থ জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছিল। আমরা ঠিক সেটাই করেছি (UNSC)।”

    জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস

    হরিশ জানান, ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল সংযত, পরিস্থিতি ঘোরালো না করে শুধুমাত্র জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসে সীমাবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান ভারতকে আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সরাসরি আমাদের বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।” তিনি বলেন, পাকিস্তানের একাধিক বিমানঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া রানওয়ে ও পুড়ে যাওয়া হ্যাঙ্গারের ছবি সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ্যেই দেখা যায়। হরিশ বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল, আছে এবং চিরকালই ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হয়ে থাকবে।” সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে এই চুক্তিতে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু এই সাড়ে ছয় দশকে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ এবং ভারতের বিরুদ্ধে হাজার হাজার জঙ্গি হামলার মাধ্যমে চুক্তির মূল ভাবধারাই বারবার লঙ্ঘন করেছে। পাকিস্তান-পোষিত সন্ত্রাসবাদের কারণে হাজার হাজার ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।

    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের কারণ

    পহেলগাঁওয়ে হামলার প্রেক্ষিতে হরিশ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারত বাধ্য হয়েছে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখতে। যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান সীমান্তপারের এবং সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করে, ততদিন এটা চলতেই থাকবে।” ভারতের প্রতিনিধি এও বলেন, “আইনের শাসন মানার প্রশ্নে পাকিস্তানের আত্মসমালোচনা করা উচিত। পাকিস্তান চাইলে শুরু করতে পারে এই প্রশ্ন দিয়ে—কীভাবে তারা তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটানোর সুযোগ দিল, যার ফলে তাদের প্রতিরক্ষা প্রধানকে আজীবন দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে (India)।” উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে যে কোনও আইনি বিচারের হাত থেকে সম্পূর্ণ রেহাই দেওয়া হয়েছে (UNSC)।

     

  • Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    Bactrian Camels: প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ছিল, সেনার দুই ‘নীরব যোদ্ধা’ গালওয়ান ও নুব্রা, জানেন কারা এরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day Parade) দিল্লির কর্তব্য পথে প্রথমবার কুচকাওয়াজে অংশ গ্রহণ করেছে লাদাখের বিখ্যাত দুই কুঁজবিশিষ্ট ‘ব্যাক্ট্রিয়ান উট’। এবারের প্যারোডে ‘গালওয়ান’ ও ‘নুব্রা’ নামের এই উট (Bactrian Camels) দুটির উপস্থিতি কেবল প্রদর্শনীর জন্য ছিল না, বরং এটি ভারতের সুউচ্চ হিমালয় প্রবর্তের দুর্গম অঞ্চলের প্রতিরক্ষায় এক নতুন কৌশলগত অধ্যায়ের ইঙ্গিত করেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে কীভাবে নিরাপত্তার কাজে সীমান্ত রক্ষীরা অটুট থাকেন সেই চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

    প্রাকৃতিক অভিযোজন (Republic Day Parade)

    ব্যাক্ট্রিয়ান উট (Bactrian Camels) লাদাখের অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশে বসবাসের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই সক্ষম। যেখানে আধুনিক যুদ্ধের ড্রোন বা শক্তিশালী যানবাহনগুলো তীব্র ঠান্ডা এবং অক্সিজেনের অভাবে বিকল হয়ে পড়ে, সেখানে এই উটগুলো কার্যকর থাকে। এদের শরীরে থাকা বিশেষ লোহিত রক্তকণিকা (RBC) অল্প অক্সিজেনেও এদের টিকে থাকতে সাহায্য করে। ফলে টহলদারির জন্য এই পশু ভীষণভাবে উপযুক্ত। কুচকাওয়াজে (Republic Day Parade) এবার এক জোড়া উটকে প্রদর্শন করানো হয়।

    বিস্ময়কর সহনশীলতা

    এই উটগুলোর (Bactrian Camels) পিঠের দুটি কুঁজ রয়েছে। উটের পিঠে থাকা কুঁজ মূলত চর্বির ভান্ডার। এই জমানো চর্বি থেকে শক্তি নিয়ে ব্যাক্ট্রিয়ান উটরা শীতকালে খাবার ছাড়াই টানা ২-৩ সপ্তাহ বেঁচে থাকতে পারে। এমনকি, বরফ খেয়েই এরা নিজেদের জলের অভাব পূরণ করে। মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় এরা অনায়াসে কাজ করতে পারে।

    ভারবহন ক্ষমতা

    ডিআরডিও-ডিআইএইচএআর (DRDO-DIHAR) দ্বারা পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই উটগুলো (Bactrian Camels) ১৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। পূর্ব লাদাখের মতো দুর্গম এলএসি (LAC) এলাকায় গোলাবারুদ, খাবার এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এরা খচ্চর বা ঘোড়ার চেয়েও বেশি দক্ষ।

    ঐতিহাসিক যোগসূত্র

    ঐতিহাসিকভাবে এই উটগুলো প্রাচীন ‘সিল্ক রুট’-এর মেরুদণ্ড ছিল। চিন, মঙ্গোলিয়া ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যদিও ভারতে মাত্র ৩৬৫টি এই প্রাজতির উট (Bactrian Camels) রয়েছে। বর্তমানে ভারত সরকার ও সেনাবাহিনী লাদাখের এই বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতিকে সংরক্ষণের পাশাপাশি সামরিক প্রয়োজনে ব্যবহার করছে।

    নিরব যোদ্ধা

    ড্রোন এবং রোবোটিক্সের যুগেও লাদাখের এই ‘মুন্দ্রি’ উটগুলো (স্থানীয় নাম) তাদের নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করেছে। গালওয়ান উপত্যকা এবং নুব্রা উপত্যকার নামাঙ্কিত এই উট (Bactrian Camels) দুটি ভারতের সীমান্ত রক্ষায় ‘সাইলেন্ট ওয়ারিয়র’ বা নীরব যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

  • Mohan Bhagwat: “জাতীয় ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিন্দু সমাজের ঐক্যই মূল চাবিকাঠি,” বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “জাতীয় ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হিন্দু সমাজের ঐক্যই মূল চাবিকাঠি,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতকে এগিয়ে যেতে হবে এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি অনুকূল হলেও চ্যালেঞ্জও কম নয়। ভারতের অগ্রগতিতে কিছু দেশ অস্বস্তি বোধ করছে, কারণ তারা ভয় পাচ্ছে যে এতে তাদের নিজেদের ‘দোকান’ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা ভারতের উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।” মুজাফফরপুরে ‘সামাজিক সদ্ভাব গোষ্ঠী’-তে ভাষণ দেওয়ার সময় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) এই কথাগুলি বলেন। তাই তাঁর কথায়, “ভয় জয় করতে স্বনির্ভরতা অপরিহার্য এবং স্বনির্ভরতার মাধ্যমেই চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব।”

    সামাজিক সম্প্রীতি (Mohan Bhagwat)

    সংঘের (RSS) সর সংঘ চালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) জোর দিয়ে বলেন, “বিশ্বে সামাজিক সম্প্রীতি অত্যন্ত প্রয়োজন। সম্প্রীতি না থাকলে মানুষ একে অপরের সঙ্গে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করে ফেলবে। কোনও বিদেশি শক্তি কেবল গায়ের জোরে ভারতকে পরাধীন করতে পারেনি। তারা সফল হয়েছিল আমাদের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের সুযোগ নিয়ে। যখন সমাজে সম্প্রীতি বজায় থাকে, তখন মানুষ একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেয় এবং অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়ে যায়।”

    সমাজের জাগরণ

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) সমাজ জাগরণ প্রসঙ্গে বলেন, “সমাজ এখন জাগ্রত হচ্ছে এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লক বা মহকুমা স্তরের নেতাদের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। সমাজ নিজেই এখন উদ্যোগ নিতে পারে।”

    সিস্টেম বনাম সমাজ

    সিস্টেম সম্পর্কে বলতে গিয়ে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সমস্যা কেবল ব্যবস্থার (System) মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। সমস্যার হাত থেকে মুক্তি তখনই আসবে যখন সমাজ একসঙ্গে বসে আলোচনা করবে। সংঘ সমাজকে জাগিয়ে তোলার কাজ করছে। ব্লক স্তরে যারা সামাজিক ও জাতিগত সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের উচিত সমাজের বস্তুগত ও নৈতিক উন্নতির কথা ভাবা।

    সেবা ও ঐক্য

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “কেবল বিত্তবানরাই যে সমাজের সেবা করেন তা নয়। যাঁদের মধ্যে সম্প্রীতির ভাব গড়ে ওঠে, তাঁরাই প্রকৃত অর্থে আর্ত ও বঞ্চিতদের সেবা করতে পারেন। গ্রাম ও ব্লক স্তরে সংঘ বৈঠকের আয়োজন করবে যাতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এক হয়ে বসে আলোচনা করতে পারে। যখন সবাই একসঙ্গে বসে সমস্যা নিয়ে ভাববে, তখন কোনও বিদেশি শক্তি হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করতে পারবে না।

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও হিন্দু রাষ্ট্র

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “হিন্দু সমাজকে তিনটি সন্তান নিতে কেউ বাধা দেয়নি, যদিও সরকার ২.১ প্রতিস্থাপন হারের (replacement rate) সুপারিশ করে। ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ (RSS) ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই, কারণ এটি ইতিমধ্যেই একটি হিন্দু রাষ্ট্র।

    বিভাজন দূরীকরণ

    সামাজিক বিভাজন নিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “ব্রিটিশরা বিভাজন বাড়িয়ে রাজত্ব করেছিল। এখন সেই বিভাজনগুলো দূর করে হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের চেয়ে হিন্দু সমাজের ঐক্য (RSS) অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সমৃদ্ধির জন্য এই ঐক্য অপরিহার্য।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক ও জাতিগত সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কোভিড-১৯ অতিমারির সময় বিভিন্ন সেবাধর্মী সংস্থা কাজ করেছে। দরিদ্র কন্যাদের বিবাহ দেওয়া, শিশুদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান বিষয়ে একাধিক সংগঠন কাজ করেছে। তাই বিভাজন দূরকরে সকলের পাশে দাঁড়িয়ে সকলের সঙ্গে ভাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

LinkedIn
Share