Blog

  • Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Ganga Expressway: মিরাট থেকে প্রয়াগরাজ মাত্র ৬ ঘণ্টায়, গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা হল। আজ, ২৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উদ্বোধন করলেন রাজ্যের উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’র (Ganga Expressway)। প্রায় ৩৬,২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের মিরাটকে পূর্বের প্রয়াগরাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও।

    অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব (Ganga Expressway)

    উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) উত্তরপ্রদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে। এটি কেবল একটি রাস্তা নয়,এটি একটি শিল্প করিডর হিসেবেও কাজ করবে। রাস্তার দুপাশে বড় বড় লজিস্টিক পার্ক এবং শিল্পাঞ্চল তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে, যা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে কৃষকদের জন্য এটি একটি বড় আশীর্বাদ হয়ে আসবে। দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে চাষিরা তাদের ফসল কম সময়ে এবং কম খরচে বড় বাজারে পৌঁছে দিতে পারবেন। প্রয়াগরাজে তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।”

    এক নজরে গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে

    দ্রুত যাত্রা

    আগে মিরাট থেকে প্রয়াগরাজে পৌঁছতে যেখানে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এই এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) মাধ্যমে সেই দূরত্ব অতিক্রম করা যাবে মাত্র ৬ ঘণ্টায়।

    ১২টি জেলা সরাসরি যুক্ত

    নয়া এক্সপ্রেসওয়েটি (Ganga Expressway) মিরাট থেকে শুরু হয়ে হাপুড়, বুলন্দশহর, আমরোহা, সম্ভল, বদায়ু, শাহজাহানপুর, হারদোই, উন্নাও, রায়বেরেলি এবং প্রতাপগড় হয়ে প্রয়াগরাজে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর ফলে উপকৃত হবে ৫১৯টিরও বেশি গ্রাম।

    যুদ্ধবিমানের রানওয়ে

    শাহজাহানপুরে একটি ৩.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জরুরি বিমান অবতরণ কেন্দ্র (Air Strip) তৈরি করা হয়েছে। জরুরি অবস্থায় বা যুদ্ধের সময় এখানে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেট অনায়াসেই ওঠানামা করতে পারবে।

    অত্যাধুনিক নিরাপত্তা

    এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) নিরাপত্তার জন্য প্রতি কিলোমিটারে সোলার-চালিত হাই-ডেফিনিশন এআই (AI) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মাল্টি-লেন ফ্রি-ফ্লো টোল সিস্টেমের কারণে যানবাহনকে টোল দেওয়ার জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের (Ganga Expressway) উদ্বোধনের ফলে ভারতের মোট এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের প্রায় ৬০ শতাংশই এখন উত্তরপ্রদেশের দখলে, যা রাজ্যটিকে দেশের অন্যতম আধুনিক পরিকাঠামো সমৃদ্ধ অঞ্চলে পরিণত করেছে। উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন এখন দেশজুড়ে পরিণত হয়েছে বিশেষ মডেলে।

  • Gujrat: গুজরাটের গোধরা পুরসভার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন হিন্দু মহিলা, নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনির বাজিমাত

    Gujrat: গুজরাটের গোধরা পুরসভার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন হিন্দু মহিলা, নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনির বাজিমাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujrat) স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফলে এক অভূতপূর্ব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র ফুটে উঠল। গোধরা পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে, যেখানে ভোটারদের ১০০ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী, সেখান থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন নির্দল হিন্দু নারী প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনি (Apekshaben Naineshbhai Soni)। এই জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।

    ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক কাঠামো (Apekshaben Naineshbhai Soni)

    গোধরায় (Gujrat) ২০২৬ সালের স্থানীয় নির্বাচনের এই ফলাফল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের চমকে দিয়েছে। গোধরা শহরটি ২০০২ সালের সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে বারবার সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের জন্য সংবাদ শিরোনামে এসেছে। কিন্তু সেই শহরেই একটি সম্পূর্ণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় একজন হিন্দু প্রার্থীর (Apekshaben Naineshbhai Soni) জয় ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক কাঠামোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে আশীর্বাদ

    অপেক্ষাবেনের (Apekshaben Naineshbhai Soni) এই জয় কেবল একটি রাজনৈতিক জয় নয়, বরং গোধরার সাধারণ মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার জয়। স্থানীয় ভোটারদের মতে, কোনও রকম ভাবে ধর্মের নিরিখে নয়, বরং প্রার্থীর দক্ষতা এবং এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেখে ভোট দিয়েছেন। জয়লাভের পর উচ্ছ্বসিত অপেক্ষাবেন বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। এলাকাবাসীরা যেভাবে আমাকে আপন করে নিয়েছেন এবং ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে আশীর্বাদ করেছেন, তা আমাকে উন্নয়নের কাজ করার দ্বিগুণ উৎসাহ জোগাবে।”

    সাম্প্রদায়িক তকমা ঘুচবে?

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ওয়ার্ডে (Gujrat) কোনও বড় রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের (Apekshaben Naineshbhai Soni) তুলনায় সাধারণ মানুষ নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেনের ওপরই বেশি ভরসা দেখিয়েছেন। এই জয় গোধরার ললাট থেকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের তকমা মুছতে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।

    প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহল জানিয়েছে, গুজরাটের এই ফলাফল প্রমাণ করে যে উন্নয়নের প্রশ্নে ধর্ম বা জাতি আজ আর বাধার সৃষ্টি করতে পারে না।

  • Assembly Election 2026: আজ দ্বিতীয় দফা ভোটে ভরকেন্দ্র ভবানীপুর! মমতা বনাম শুভেন্দু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, আর কোথায় কোন হেভিওয়েট প্রার্থী?

    Assembly Election 2026: আজ দ্বিতীয় দফা ভোটে ভরকেন্দ্র ভবানীপুর! মমতা বনাম শুভেন্দু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, আর কোথায় কোন হেভিওয়েট প্রার্থী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৯ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। এই দফায় দফায় মূলত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে নির্বাচন হচ্ছে। ৭ জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ভবানীপুরে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর হাড্ডাহাড্ডি ফাইট। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গে সর্বোচ্চ ভোটদান হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৩৫ শতাংশ। রাজ্যের ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন। এবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এই পর্বে ভোট রয়েছে- পূর্ব বর্ধমান (১৬), হুগলি (১৮), হাওড়া (১৬), কলকাতা (১১), উত্তর ২৪ পরগনা (৩৩) ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৩১) ও নদিয়া (১৭) জেলায়।

    মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াই

    দ্বিতীয় দফার ভোটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট। কারণ, এই আসন থেকে লড়াই করছেন তৃণমূলেনত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, তাঁর কঠিনতম প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গত বিধানসভা ভোটে শুভেন্দুর কাছেই নন্দীগ্রামে পরাস্ত হতে হয়েছিল মমতাকে। কাজেই, এবার কি হয় সেদিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্য। শুধু রাজ্য নয় সারা দেশের নজর এখন ভবানীপুর আসনের দিকে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক কল্পনায় ভবানীপুর এখন আর শুধু দক্ষিণ কলকাতার একটি বিধানসভা আসন নয়। এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক আশ্রয় ও ঘরের মাঠ। বিজেপির বেছে নেওয়া মনস্তাত্ত্বিক রণক্ষেত্র, যেখানে সেই লড়াইয়ের মঞ্চ প্রস্তুত, যাকে বাংলার অনেকেই ‘সব নির্বাচনী লড়াইয়ের ভরকেন্দ্র’ বলে অভিহিত করছেন।

    লড়াইয়ে আর কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীরা

    নদিয়া

    • সোহম চক্রবর্তী: করিমপুরের TMC প্রার্থী।
    • রুকবানুর রহমান: পলাশিপাড়ার TMC প্রার্থী
    • সাবিনা ইয়াসমিন: কালীগঞ্জের CPIM প্রার্থী।
    • সবুজ দাস: কল্যাণীর CPIM প্রার্থী।

    উত্তর ২৪ পরগনা

    • মধুপর্ণা ঠাকুর: বাগদার TMC প্রার্থী।
    • সোমা ঠাকুর: বাগদার BJP প্রার্থী।
    • সুব্রত ঠাকুর: গাইঘাটার BJP প্রার্থী।
    • জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক: হাবরার TMC প্রার্থী।
    • কাশেম সিদ্দিকি: আমডাঙার TMC প্রার্থী।
    • পবন সিং: ভাটপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য: নোয়াপাড়া TMC প্রার্থী।
    • অর্জুন সিং: নোয়াপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • রাজ চক্রবর্তী: ব্যারাকপুরের TMC প্রার্থী।
    • কৌস্তভ বাগচী: ব্যারাকপুরের BJP প্রার্থী।
    • দেবদীপ পুরোহিত: খড়দার TMC প্রার্থী।
    • দেবজ্যোতি দাস: খড়দার CPIM প্রার্থী।
    • চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: দমদম উত্তরের TMC প্রার্থী।
    • দীপ্সিতা ধর: দমদম উত্তরের CPIM প্রার্থী।
    • রত্না দেবনাথ: পানিহাটির BJP প্রার্থী।
    • কলতান দাশগুপ্ত: পানিহাটির CPIM প্রার্থী।
    • মদন মিত্র: কামারহাটির TMC প্রার্থী।
    • মানস মুখোপাধ্যায়: কামারহাটির CPIM প্রার্থী।
    • সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: বরানগরের TMC প্রার্থী।
    • সজল ঘোষ: বরানগরের BJP প্রার্থী।
    • সায়নদীপ মিত্র: বরানগরের CPIM প্রার্থী।
    • ব্রাত্য বসু: দমদমের TMC প্রার্থী।
    • ময়ূখ বিশ্বাস: দমদমের CPIM প্রার্থী।
    • তাপস চট্টোপাধ্যায়: রাজারহাট নিউ টাউনের TMC প্রার্থী।
    • সুজিত বসু: বিধাননগরের TMC প্রার্থী।
    • অদিতি মুন্সি: রাজারহাট গোপালপুরের TMC প্রার্থী।
    • তরুণজ্যোতি তিওয়ারি: রাজারহাট গোপালপুরের BJP প্রার্থী।
    • রথিন ঘোষ: মধ্যমগ্রামের TMC প্রার্থী।
    • সব্যসাচী দত্ত: বারাসতের TMC প্রার্থী।
    • রেখা পাত্র: হিঙ্গলগঞ্জের BJP প্রার্থী।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    • আরাবুল ইসলাম: ক্যানিং পূর্বের ISF প্রার্থী।
    • বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়: বারুইপুর পশ্চিমের TMC প্রার্থী।
    • জাহাঙ্গির খান: ফলতার TMC প্রার্থী।
    • লাভলি মৈত্র: সোনারপুর দক্ষিণের TMC প্রার্থী।
    • রূপা গঙ্গোপাধ্যায়: সোনারপুর দক্ষিণের BJP প্রার্থী।
    • শওকত মোল্লা: ভাঙড়ের TMC প্রার্থী।
    • ওশাদ সিদ্দিকি: ভাঙড়ের ISF প্রার্থী।
    • জাভেদ খান: কসবার TMC প্রার্থী।
    • বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য: যাদবপুরের CPIM প্রার্থী।
    • ফিরদৌসি বেগম: সোনারপুর উত্তরের TMC প্রার্থী।
    • অরূপ বিশ্বাস: টালিগঞ্জের TMC প্রার্থী।
    • পাপিয়া অধিকারী: টালিগঞ্জের BJP প্রার্থী।
    • রত্না চট্টোপাধ্যায়: বেহালা পশ্চিমের TMC প্রার্থী।
    • সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়: মহেশতলার CPIM প্রার্থী।কলকাতা
    • ফিরহাদ হাকিম: কলকাতা বন্দরের TMC প্রার্থী।
    • রাকেশ সিং: কলকাতা বন্দরের BJP প্রার্থী।
    • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ভবানীপুরের TMC প্রার্থী।
    • শুভেন্দু অধিকারী: ভবানীপুরের BJP প্রার্থী।
    • দেবাশিস কুমার: রাসবিহারীর TMC প্রার্থী।
    • স্বপন দাশগুপ্ত: রাসবিহারীর BJP প্রার্থী।
    • শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়: বালিগঞ্জের TMC প্রার্থী।
    • রোহন মিত্র: বালিগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী।
    • নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়: চৌরঙ্গীর TMC প্রার্থী।
    • সন্তোষ পাঠক: চৌরঙ্গীর BJP প্রার্থী।
    • প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল: এন্টালির BJP প্রার্থী।
    • কুণাল ঘোষ: বেলেঘাটার TMC প্রার্থী।
    • শশী পাঁজা: শ্যামপুকুরের TMC প্রার্থী।
    • শ্রেয়া পাণ্ডে: মানিকতলার TMC প্রার্থী।
    • তাপস রায়: মানিকতলার BJP প্রার্থী।
    • অতীন ঘোষ: কাশীপুর বেলগাছিয়ার TMC প্রার্থী।
    • রিতেশ তিওয়ারি: কাশীপুর বেলগাছিয়ার BJP প্রার্থী।

    হাওড়া

    • অরূপ রায়: হাওড়া মধ্যর TMC প্রার্থী।
    • রুদ্রনীল ঘোষ: শিবপুরের BJP প্রার্থী।
    • ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়: উলুবেরিয়া পূর্বের TMC প্রার্থী।
    • হিরণ চট্টোপাধ্যায়: শ্যামপুরের BJP প্রার্থী।

    হুগলি

    • শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়: উত্তরপাড়ার TMC প্রার্থী।
    • দীপাঞ্জন চক্রবর্তী: উত্তরপাড়ার BJP প্রার্থী।
    • মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়: উত্তরপাড়ার CPIM প্রার্থী।
    • শুভঙ্কর সরকার: শ্রীরামপুরের কংগ্রেস প্রার্থী।
    • বেচারাম মান্না: সিঙ্গুরের TMC প্রার্থী।
    • ইন্দ্রনীল সেন: চন্দননগরের TMC প্রার্থী।
    • দেবাংশু ভট্টাচার্য: চুঁচুড়ার TMC প্রার্থী।
    • স্নেহাশিস চক্রবর্তী: জাঙ্গিপাড়ার TMC প্রার্থী।
    • করবী মান্না: হরিপালের TMC প্রার্থী।
    • অসিমা পাত্র: ধনেখালির TMC প্রার্থী।
    • নির্মল মাজি: গোঘাটের TMC প্রার্থী।

    পূর্ব বর্ধমান

    • সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী: মন্তেশ্বরের TMC প্রার্থী।
    • কলিতা মাঝি: আউশগ্রামের BJP প্রার্থী।
  • WB Assembly Election 2026: সকাল থেকেই শুরু দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ, কত ভোটার করবেন ভোটদান, আজ কত প্রার্থীর ভাগ্য-পরীক্ষা?

    WB Assembly Election 2026: সকাল থেকেই শুরু দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ, কত ভোটার করবেন ভোটদান, আজ কত প্রার্থীর ভাগ্য-পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, দ্বিতীয় দফায় (Second Phase Polling) ভোট হচ্ছে ১৪২টি আসনে। সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটদান। বিভিন্ন বুথে ইতিমধ্যেই লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। নির্বাচনকে (WB Assembly Election 2026) ঘিরে মানুষের মধ্যে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্যে এবার দু’দফায় বিধানসভা ভোট। প্রথমটি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে ২৩ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফা হচ্ছে আজ, বুধবার ২৯ এপ্রিল। দু’দফায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২৯২৬। ২৯৪টি আসনের প্রথম দফায় ভোট হয়েছে ১৫২টিতে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফায় ভোট হচ্ছে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায়। ফল ঘোষণা হবে ৪ মে।

    কতজন ভোটার তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করবেন?

    এই দফায় ৭টি জেলার মোট ৩,২১,৭৩,৮৩৭ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, যার মধ্যে ১,৬৪,৩৫,৬২৭ জন পুরুষ ও ১,৫৭,৩৭,৪১৮ জন মহিলা ভোটার এবং ৭৯২ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। এর সঙ্গে জুড়বে ট্রাইবুনালে ‘পাশ’ করা আরও ১,৪৬৮ নাম। উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী লড়ছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে। এই আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ১৯। সবচেয়ে কম প্রার্থী লড়ছেন হুগলির গোঘাট (এসসি) আসনে। সেখানে প্রার্থী সংখ্যা ৫।

    কতজন প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হবে?

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি আসনের জন্য লড়ছেন ১৪৪৮ জন। মনোনয়ন জমা পড়েছিল ১৪৬৩টি। তার মধ্যে ১৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস সব আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ১৪১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সিপিএম প্রায় ১০০টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে দুজন রাজনৈতিক ময়দানে মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাতে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন।

    বুথের সংখ্যা কোথায় কত

    দ্বিতীয় দফার ভোটে বুথের সংখ্যা বারাসত পুলিশ জেলায় ১৯৭৮টি, বনগাঁয় ১০২৮টি, বসিরহাটে ২০৫২টি, বিধাননগরে ৮৮৩টি, ব্যারাকপুরে ২৯২৮টি, সুন্দরবন পুলিশ জেলায় ১৭৯৮টি, বারুইপুরে ২৮২৫টি, ডায়মন্ড হারবারে ২৪৪১টি, হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ২৪৩১টি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ২০৮৭টি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ২৮৪৪টি, রানাঘাট পুলিশ জেলায় ২২৯২টি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৫৬৮টি, হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ৪০৪১টি, পূর্ব বর্ধমানে ৪৪৬৫টি, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ১৯৫টি, কলকাতায় ৫১৭২টি।

    কোন কেন্দ্রে কতজন করে প্রার্থী?

    দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রার্থীর সংখ্যা ১৯ জন প্রার্থী রয়েছেন ভাঙড় কেন্দ্রে। ১৫ জন করে প্রার্থী নোয়াপাড়া, এন্টালি, হাওড়া মধ্য কেন্দ্রে, ১৪ জন করে প্রার্থী দেগঙ্গা, সোনারপুর দক্ষিণ, বেহালা পশ্চিম, কলকাতা বন্দর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া, বালি, ডোমজুড়জু কেন্দ্রে। ১৩ জন করে প্রার্থী বাদুড়িয়া, হাবড়া, বিজপুর, জগদ্দল, রাজারহাট-নিউটাউন, রায়দিঘি, জয়নগর (এসসি), কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, মানিকতলা, হাওড়া উত্তর, আমতা কেন্দ্রে। ১২ জন করে প্রার্থী কৃষ্ণগঞ্জ (এসসি), বনগাঁ উত্তর (এসসি), আমডাঙা, খড়দা, রাজারহাট-গোপালপুর, বারাসত, মগরাহাট পশ্চিম, বেহালা পূর্ব, ভবানীপুর, বালিগঞ্জ, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, হাওড়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, তারকেশ্বর কেন্দ্রে। ১১ জন করে প্রার্থী কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব (এসসি), হরিণঘাটা (এসসি), বনগাঁ দক্ষিণ (এসসি), গাইঘাটা (এসসি), পানিহাটি, কামারহাটি, বসিরহাট দক্ষিণ, কাকদ্বীপ, মন্দিরবাজার (এসসি), বারুইপুর পূর্ব (এসসি), টালিগঞ্জ, মেটিয়াব্রুজ, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, বাগনান, শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হরিপাল কেন্দ্রে। ১০ জন করে প্রার্থী বাগদা (এসসি), বরাহনগর, বিধাননগর, মধ্যমগ্রাম, হাড়োয়া, বসিরহাট উত্তর, বারুইপুর পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, মহেশতলা, শিবপুর, সাঁকরাইল (এসসি), চুঁচুড়া, জাঙ্গিপাড়া, ভাতার, কাটোয়া, কেতুগ্রাম কেন্দ্রে। ৯ জন করে প্রার্থী করিমপুর, পলাশিপাড়া, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, অশোকনগর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, ব্যারাকপুর, দমদম উত্তর, দমদম, হিঙ্গলগঞ্জ (এসসি), গোসাবা (এসসি), কুলতলি (এসসি), কুলপি, রাসবিহারী, উলুবেড়িয়া উত্তর (এসসি), উদয়নারায়ণপুর, চাঁপাদানি, সিঙ্গুর, পান্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, খানাকুল, বর্ধমান দক্ষিণ, বর্ধমান উত্তর (এসসি), মঙ্গলকোট কেন্দ্রে। ৮ জন করে প্রার্থী রানাঘাট দক্ষিণ (এসসি), স্বরূপনগর (এসসি), মিনাখাঁ (এসসি), সন্দেশখালি (এসটি), বাসন্তী (এসসি), ক্যানিং পশ্চিম (এসসি), ক্যানিং পূর্ব, মগরাহাট পূর্ব (র্বএসসি), সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর (এসসি), জগৎবল্লভপুর, চণ্ডীতলা, পুরশুড়া, রায়না (এসসি), জামালপুর (এসসি), মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর, গলসি (এসসি) কেন্দ্রে। ৭ জন করে প্রার্থী কৃষ্ণনগর উত্তর, পাথরপ্রতিমা, সাগর, বজবজ, পাঁচপাঁলা, উত্তরপাড়া, বলাগড় (এসসি), ধনেখালি (এসসি), খণ্ডঘোষ (এসসি), কালনা (এসসি), মেমারি, পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রে। ৬ জন করে প্রার্থী ফলতা, আরামবাগ (এসসি), আউশগ্রাম (এসসি) কেন্দ্রে। ৫ জন প্রার্থী গোঘাট (এসসি) কেন্দ্রে।

  • Daily Horoscope 29 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 April 2026: মানসিক শান্তি বজায় থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ (Aries)
    ১ আজ কর্মক্ষেত্রে চাপ বাড়তে পারে, তবে ধৈর্য রাখলে সফলতা আসবে।
    ২ অর্থনৈতিক দিক মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে।
    ৩ পরিবারের কারও সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    বৃষ (Taurus)
    ১ নতুন কাজ শুরু করার জন্য ভালো দিন।
    ২ প্রেমের সম্পর্কে মধুরতা বাড়বে।
    ৩ স্বাস্থ্য নিয়ে একটু সতর্ক থাকুন।

    মিথুন (Gemini)
    ১ আজ সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করলে সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।
    ২ বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন।
    ৩ খরচ বাড়তে পারে।

    কর্কট (Cancer)
    ১ মানসিক শান্তি বজায় থাকবে।
    ২ কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন।
    ৩ পুরনো সমস্যার সমাধান হতে পারে।

    সিংহ (Leo)
    ১ আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
    ২ নতুন যোগাযোগ লাভজনক হবে।
    ৩ অযথা তর্ক এড়িয়ে চলুন।

    কন্যা (Virgo)
    ১ কাজে মনোযোগ বাড়বে।
    ২ অর্থ প্রাপ্তির সম্ভাবনা আছে।
    ৩ পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    তুলা (Libra)
    ১ আজ দিনটি মিশ্র ফল দেবে।
    ২ প্রেমে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।
    ৩ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে।

    বৃশ্চিক (Scorpio)
    ১ গোপন শত্রু থেকে সাবধান থাকুন।
    ২ কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা।
    ৩ স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    ধনু (Sagittarius)
    ১ নতুন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২ অর্থ লাভের যোগ আছে।
    ৩ পরিবারের সমর্থন পাবেন।

    মকর (Capricorn)
    ১ দায়িত্ব বাড়বে।
    ২ ধৈর্য ধরে কাজ করুন।
    ৩ আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

    কুম্ভ (Aquarius)
    ১ সৃজনশীল কাজে সফলতা পাবেন।
    ২ নতুন বন্ধুত্ব হতে পারে।
    ৩ মানসিক চাপ কমবে।

    মীন (Pisces)
    ১ আজ আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ২ কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসবে।
    ৩ স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 634: “সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে—তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন, ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে”

    Ramakrishna 634: “সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে—তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন, ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৪ঠা জানুয়ারি
    ঈশ্বরের জন্য শ্রীযুক্ত নরেন্দ্রের ব্যাকুলতা ও তীব্র বৈরাগ্য

    সন্ধ্যা হইয়াছে, নরেন্দ্র নিচে বসিয়া তামাক খাইতেছেন ও নিভৃতে মণির কাছে নিজের প্রাণ কিরূপ ব্যাকুল গল্প করিতেছেন।

    নরেন্দ্র (মণির প্রতি) — গত শনিবার এখানে ধ্যান করছিলাম। হঠাৎ বুকের ভিতর কিরকম করে এল!

    মণি (Ramakrishna)— কুণ্ডলিনী জাগরণ।

    নরেন্দ্র — তাই হবে, বেশ বোধ হল — ইড়া-পিঙ্গলা। হাজরাকে বললাম, বুকে হাত দিয়ে দেখতে।

    “কাল রবিবার, উপরে গিয়ে এঁর সঙ্গে দেখা কল্লাম, ওঁকে সব বললাম।

    “আমি বললাম, ‘সব্বাই-এর হল, আমায় কিছু দিন। সব্বাই-এর হল, আমার হবে না’?”

    মণি — তিনি তোমায় কি বললেন?

    নরেন্দ্র — তিনি বললেন (Kathamrita), ‘তুই বাড়ির একটা ঠিক করে আয় না, সব হবে। তুই কি চাস?’

    Sri Ramakrishna and the Vedanta—নিত্যলীলা দুই গ্রহণ

    “আমি বললাম, — আমার ইচ্ছা অমনি তিন-চারদিন সমাধিস্থ হয়ে থাকব! কখন কখন এক-একবার খেতে উঠব!

    “তিনি বললেন, ‘তুই তো বড় হীনবুদ্ধি! ও অবস্থার উঁচু অবস্থা আছে। তুই তো গান গাস, ‘যো কুছ্‌ হ্যায় সো তুঁহি হ্যায়’।”

    মণি — হাঁ, উনি সর্বদাই বলেন যে, সমাধি থেকে নেমে এসে দেখে — তিনিই জীবজগৎ, এই সমস্ত হয়েছেন। ঈশ্বরকোটির এই অবস্থা হতে পারে। উনি বলেন, জীবকোটি সমাধি অবস্থা যদিও লাভ করে আর নামতে পারে না।

    নরেন্দ্র (Ramakrishna)— উনি বললেন, — তুই বাড়ির একটা ঠিক করে আয়, সমাধিলাভের অবস্থার চেয়েও উঁচু অবস্থা হতে পারবে।

    “আজ সকালে বাড়ি গেলাম। সকলে বকতে লাগল, — আর বললে, ‘কি হো-হো করে বেড়াচ্ছিস? আইন একজামিন (বি. এল.) এত নিকটে, পড়াশুনা নাই, হো-হো করে বেড়াচ্ছে’।”

    মণি — তোমার মা কিছু বললেন (Kathamrita)?

    নরেন্দ্র — না, তিনি খাওয়াবার জন্য ব্যস্ত, হরিণের মাংস ছিল; খেলুম, — কিন্তু খেতে ইচ্ছা ছিল না।

    মণি — তারপর?

    নরেন্দ্র — দিদিমার বাড়িতে, সেই পড়বার ঘরে পড়তে গেলাম। পড়তে গিয়ে পড়াতে একটা ভয়ানক আতঙ্ক এল, — পড়াটা যেন কি ভয়ের জিনিস! বুক আটুপাটু করতে লাগল! — অমন কান্না কখনও কাঁদি নাই।

    “তারপর বই-টই ফেলে দৌড়! রাস্তা দিয়ে ছুট! জুতো-টুতো রাস্তায় কোথায় একদিকে পড়ে রইল! খড়ের গাদার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলাম, — গায়েময়ে খড়, আমি দৌড়ুচ্চি, — কাশীপুরের রাস্তায়।”

    নরেন্দ্র একটু চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন।

  • Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat Local Body Polls) স্থানীয় পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া ঝড়—১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনই দখল করল বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশের পর স্পষ্ট হয়েছে, শহর থেকে গ্রাম—সব ক্ষেত্রেই বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে একতরফা জয় পেয়েছে তারা। রবিবার ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, ৮৪টি পৌরসভা, ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েত এবং ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতে। রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। প্রায় ৯,২০০টি আসনের জন্য ৪.১৮ কোটিরও বেশি ভোটার তাদের মতামত দিয়েছেন।

    শহর থেকে গ্রাম দাপট বিজেপির

    শহরাঞ্চলে বিজেপির (BJP in Gujarat) দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। আমেদাবাদে ১৯২টির মধ্যে ১৫৮টি আসন, সুরাটে ১১৫টি আসন দখল করেছে তারা। সুরাটে আপ (Aam Aadmi Party) পেয়েছে মাত্র ৪টি এবং কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র (Indian National Congress) ১টি আসন। রাজকোটে ৭২টির মধ্যে ৬৫টি এবং বরোদায় ৭৬টির মধ্যে ৬৯টি আসন জিতে নিয়েছে বিজেপি। শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও প্রভাব বিস্তার করেছে গেরুয়া শিবির। ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েতের মোট ১,০৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৫৬৮টি আসন। সেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৭৭টি এবং অন্যান্যরা ৩০টি আসন। একইভাবে, ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতের মোট ৫,২৩৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ২,৩৯৭টি। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ৫৯১টি আসন, অন্যরা পেয়েছে ৩২৯টি।

    অনেক পিছিয়ে কংগ্রেস

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটগ্রহণ হয়েছে ৯টি নতুন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে—নভসারি, গান্ধিধাম, মোরবি, ভাপি, আনন্দ, নাডিয়াদ, মেহসানা, পোরবন্দর ও সুরেন্দ্রনগর। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সংশোধিত ওবিসি সংরক্ষণ নীতির ভিত্তিতে, যার ফলে একাধিক জেলায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ও সীমা নির্ধারণ করা হয়। বিজেপি, কংগ্রেস, আপ ছাড়াও এআইএমআইএম (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen) কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তবে সামগ্রিকভাবে বিজেপির প্রাধান্যই স্পষ্ট হয়েছে গোটা রাজ্যে। কংগ্রেস সামগ্রিক ভাবে এই নির্বাচনে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কর্পোরেশনগুলিতে কার্যত তারা খাতা খুলতে পারেনি বললেই চলে। তবে কিছু নির্দিষ্ট পকেটে তারা সাফল্য পেয়েছে।

  • WB Assembly Polls 2026 Second Phase: দ্বিতীয় দফার ১৪২ কেন্দ্রে ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৩৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন, কোন জেলায় কত?

    WB Assembly Polls 2026 Second Phase: দ্বিতীয় দফার ১৪২ কেন্দ্রে ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৩৮ হাজার পুলিশ মোতায়েন, কোন জেলায় কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ (WB Assembly Polls 2026 Second Phase)। প্রথম দফার মতো বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তার জন্য একাধিক কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে মোতায়েন ৩৮ হাজার ২৯৭ রাজ্য পুলিশও। নিউটাউনে রয়েছে স্পেশাল কন্ট্রোল রুম।

    কোথায় কত বাহিনী…

    দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনে মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়— মোট ৫০৭ কোম্পানি। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৬২ কোম্পানি বাহিনী। বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের দিন। বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারাকপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে।

    আরও বাহিনী…

    হাওড়া জেলার হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১০ কোম্পানি। নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ওই জেলার রানাঘাট পুলিশ জেলায় থাকবে ১২৭ কোম্পানি। হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ভোট-দায়িত্ব সামলাবে ২৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পূর্ব বর্ধমানে মোট ২৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৫টি। বাহিনী থাকবে ১৩ কোম্পানি। কলকাতায় ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকেন।

    আরও পুলিশ অফিসার নিয়োগ

    দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আরও পুলিশ অফিসার নিয়োগ করেছে কমিশন। প্রথম দফার নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ২৬ জন পুলিশ অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও। ব্যারাকপুরে নিয়ে আসা হল অতিরিক্ত ৪ জন পুলিশ অফিসারকে। অন্যদিকে, হাওড়া-কৃষ্ণনগরে ১ জন অতিরিক্ত পুলিশ অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। বারাসাত-বসিরহাট-বারুইপুরে অতিরিক্ত ২ জন পুলিশ অফিসারকে নিয়োগ করেছে কমিশন। পূর্ব বর্ধমান, চন্দননগর, হাওড়া গ্রামীণ, হাওড়া শহরে নিয়োগ করা হয়েছে অতিরিক্ত ২ জন পুলিশ অফিসার। এছাড়াও ডায়মন্ডহারবারে অতিরিক্ত ৩ জন পুলিশ অফিসারকে নিয়োগ করেছে কমিশন। আর সুন্দরবন ও বনগাঁয় অতিরিক্ত পুলিশ অফিসার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।

    বাহিনীর বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর

    বুধবার দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগে বিশেষ হেল্পলাইন নম্বরও প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওয়েস্টবেঙ্গল সেক্টর ও রাজ্য ফোর্স কোঅর্ডিনেটর সিআরপিএফের আইজি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছেন। ভোটের দিন কোনও সমস্যা হলে বা অভিযোগ থাকলে হেল্পলাইন নম্বরে জানানো যাবে। দুটো মোবাইল ও একটি ল্যান্ড লাইন নম্বর দেওয়া হয়েছে। মোবাইল নম্বর দুটি হল- ৮৪২০২৭২১০১, ৮৪২০২৭২৩৪৩ ও ল্যান্ড লাইন নম্বরটি হল- ০৩৩২৩৬৭১১১৭। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, ‘‘প্রথম দফার থেকেও বেশি ভোট পড়বে দ্বিতীয় দফায়। নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। শান্তিপূর্ণ ভোটই হবে দ্বিতীয় দফাতেও।’’

  • WB Election 2026: কয়লা থেকে রেশন, শিক্ষক নিয়োগ থেকে গরু পাচার! এক ঝলকে গত ১৫ বছরে তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বর্ণমালা’

    WB Election 2026: কয়লা থেকে রেশন, শিক্ষক নিয়োগ থেকে গরু পাচার! এক ঝলকে গত ১৫ বছরে তৃণমূলের দুর্নীতির ‘বর্ণমালা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা পরেই শেষ দফার নির্বাচন (WB Election 2026)। ভোট দেওয়ার আগে দেখে নিন এক নজরে দুর্নীতির (West Benagl Scam) ইতিকথা। ছোটবেলায় আমরা সবাই বর্ণপরিচয় পড়েছি। ‘ক’-এ কলা, ‘খ’-এ খই। গত ১৫ বছরে বাংলার শাসকদল আমাদের এক নতুন ‘বর্ণপরিচয়’ শিখিয়েছে। এই বর্ণপরিচয় আদর্শলিপি নয়, বরং দুর্নীতির এক কলঙ্কিত ইতিহাস। পশ্চিমবঙ্গের দেওয়ালে দেওয়ালে সেই নতুন অ-আ-ক-খ লেখা হচ্ছে, যেখানে প্রতিটি বর্ণের সাথে জড়িয়ে আছে আপনার হকের টাকা চুরির গল্প।”

    চুরির “তৃণমূলী বর্ণপরিচয়’ 

    “কয়লা থেকে গরু, বালি থেকে চাকরি, এমনকি গরিবের হকের রেশন বা মিড-ডে মিলের চাল—কোনও কিছুই বাদ যায়নি। আমরা ভাবতাম দুর্নীতি বোধহয় দু—একটা দফতরে হয়, কিন্তু না! এরা তো রীতিমতো গবেষণার স্তরে নিয়ে গেছে বিষয়টাকে। ‘ক’ থেকে শুরু করে ‘হ’ পর্যন্ত প্রতিটি অক্ষরের পিছনে লুকিয়ে আছে হাজার হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি।

    ‘তৃণমূলী বর্ণপরিচয়’ দেখলে দেখা যাবে বর্ণমালার প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে আপনার পকেট কাটা হয়েছে আর সাধারণ মানুষের ভবিষ্যৎ চুরি করা হয়েছে। আজকের এই ভিডিও কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং খোদ বাংলার বর্তমান অবস্থার এক নগ্ন দলিল।

    ক-এ: কয়লা চুরি ও কাটমানি (WB Election 2026)

    শুরুটা করা যাক ‘ক’ দিয়ে। বাংলার খনি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার কয়লা পাচার হয়ে গেল, আর সেই কালো কারবারের ধোঁয়া গিয়ে পৌঁছাল খোদ রাঘববোয়ালদের দরজায়। শুধু কি কয়লা? যেকোনও সরকারি প্রকল্পের টাকা থেকে নেতাদের জন্য নির্দিষ্ট ‘কাটমানি’ রাখা এখন এক অলিখিত নিয়ম। আপনার বাড়ির ছাদ হোক বা এলাকার রাস্তা—নেতার কাটমানি না দিলে কাজ শুরু হওয়া অসম্ভব। ভোটে (WB Election 2026) কতটা প্রভাব পরে তাই এখন দেখার।

    খ-এ: খাদ্য বা রেশন দুর্নীতি (West Benagl Scam)

    খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার, কিন্তু সেই গরিবের রেশনেও থাবা বসাতে ছাড়েনি এরা। লকডাউনের সময় থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হাজার হাজার কুইন্টাল চাল আর গম কালোবাজারি হয়েছে। আজ রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী কেন জেল খেঁটে এসেছেন? কারণ তিনি আপনার থালার ভাতটা নিয়ে কোটি কোটি টাকার ডিল করেছেন।

    গ-এ: গরু পাচার

    বাংলার (WB Election 2026) সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার গরু পাচার হয়ে ভিনদেশে চলে গেল, আর তার বিনিময়ে ফুলে-ফেঁপে উঠল একশ্রেণীর নেতার ব্যাংক ব্যালেন্স। সীমান্তের ওপারে গরু পাঠাতে গিয়ে যারা মানুষের সুরক্ষাকে বাজি রেখেছে, তারা কি সত্যিই আপনার ভালো চাইবে? গ-এ গরু নয়, বরং ‘গ’ দিয়ে বাংলার কোটি কোটি টাকার আন্তর্জাতিক চোরাচালানের (West Benagl Scam)  গল্প লেখা হয়েছে।

    ঘ-এ: ঘাট ও বালি মাফিয়া

    বাংলার নদীগুলো আজ হাহাকার করছে। রাতের অন্ধকারে বেআইনিভাবে নদী থেকে বালি আর পাথর তুলে নিয়ে নদীগর্ভ উজাড় করে দিচ্ছে বালি মাফিয়ারা। গ্রামের পর গ্রাম ধসে যাচ্ছে, পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, আর এই ঘাটগুলো থেকে সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। ঘ-এ ঘাট আজ মাফিয়াদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চ-এ: চাকরি চুরি

    এটি সম্ভবত বাংলার আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় কলঙ্ক। ‘চ’ দিয়ে আজ চাতক পাখির মতো হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী রাজপথে বসে আছে। কারণ তাদের যোগ্যতার চাকরিটা কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে নেতার ঘনিষ্ঠদের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেধাকে হত্যা করে টাকার জোরে অযোগ্যদের চেয়ারে বসানোই হলো এদের আসল সাফল্য।

    ছ-এ: ছাত্রভর্তিতে তোলাবাজি

    পড়াশোনার মন্দির আজ তোলাবাজির আখড়া। কলেজে ভর্তি হতে গেলেও ছাত্র পরিষদের দাদাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। গরিব মেধাবী ছাত্রটি আজ তার স্বপ্নের বিষয়ে পড়তে পারছে না, কারণ তার কাছে সেই ‘ছ’-এ ছাত্রভর্তির তোলাবাজির টাকা নেই। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন চরম নির্লজ্জতা কি আগে কেউ দেখেছে?

    জ-এ: জব কার্ড কেলেঙ্কারি

    গরিব মানুষের একশো দিনের কাজের টাকা নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে, তার নাম ‘জ’ দিয়ে জব কার্ড কেলেঙ্কারি (West Benagl Scam) । মৃত মানুষের নামে জব কার্ড বানিয়ে কিংবা কাজ না করিয়েই টাকা তুলে নিয়েছে শাসকদলের নেতারা। আজ যে সাধারণ মানুষ একশো দিনের কাজের টাকা পাচ্ছেন না, তার দায় কি ওই তৃণমূলী মেম্বার আর প্রধানদের নয়, যারা দুর্নীতির পাহাড় বানিয়ে কেন্দ্রীয় টাকা আটকে যাওয়ার পথ করে দিয়েছে?

    ট-এ: টেট (TET) দুর্নীতি

    ‘ট’ দিয়ে আজ বাংলার ঘরে ঘরে কান পাতলে শোনা যায় টেট দুর্নীতির হাহাকার। ওএমআর শিট (OMR sheet) কারচুপি করে রাতারাতি ফেল করা প্রার্থীদের পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়েও অনেকে আজ চাকরি করছে, আর যারা দিনরাত এক করে পড়াশোনা করেছিল, তারা আজ গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চোখের জল ফেলছে। টেট আজ নিয়োগের পরীক্ষা নয়, বরং টাকা কামানোর মেশিনে পরিণত হয়েছে।

    ঠ-এ: ঠিকাদারি ও সিন্ডিকেট

    যেকোনও সরকারি নির্মাণ মানেই তৃণমূলী সিন্ডিকেটের রমরমা। ‘ঠ’ দিয়ে ঠিকাদারি আজ আর মেধার লড়াই নয়, বরং কে কত বড় নেতার কাছের লোক তার প্রতিযোগিতা। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা বা ব্রিজ তৈরি হচ্ছে, আর সেই মুনাফার টাকা ভাগ হয়ে যাচ্ছে ভাইপো থেকে পাড়ার মেজো নেতা—সবার মধ্যে। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স না দিলে বাংলায় একটা ইঁটও গাঁথা সম্ভব নয়।

    ড-এ: ডিয়ার লটারি দুর্নীতি

    সাধারণ মানুষের (WB Election 2026) ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার নাম লটারি। ‘ড’ দিয়ে এই ডিয়ার লটারি আজ কালো টাকা সাদা করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আমরা দেখছি বারবার একই প্রভাবশালী পরিবারের লোক লটারিতে কোটি টাকা জিতছে! এটা কি নিছক ভাগ্য, নাকি আপনার ঘাম ঝরানো পয়সা পকেটস্থ করার এক পরিকল্পিত নীল নকশা? লটারির নেশায় সাধারণ মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে, আর নেতারা কোটিপতি হচ্ছে।

    ত-এ: ত্রিপল ও ত্রাণ চুরি

    মানবিকতাও এদের কাছে ব্যবসার মাধ্যম। আমফানের সময় যখন মানুষের মাথার ছাদ উড়ে গিয়েছিল, তখন ‘ত’ দিয়ে সেই সামান্য ত্রিপলটুকুও চুরি করতে ছাড়েনি এরা। রিলিফের চাল থেকে শুরু করে ক্ষতিপূরণের টাকা—সবই চলে গেছে তৃণমূলী নেতাদের আত্মীয়স্বজনদের একাউন্টে। বিপদের দিনে যারা মানুষের হকের ত্রাণ চুরি করে, তারা মানুষের শত্রু ছাড়া আর কিছু নয়।

    ন-এ: নিয়োগ দুর্নীতি (পুরসভা)

    স্কুলের পর এবার নজর পুরসভার দিকে। ‘ন’ দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতি আজ পুরসভাগুলোতেও থাবা বসিয়েছে। অযোগ্যদের চাকরি দিয়ে শহর বা মফস্বলের প্রশাসনকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা আজও হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর নেতার প্যাডে নাম থাকা ব্যক্তিরা সরকারি চেয়ারে বসে জনগণের টাকায় মৌজ করছে।

    প-এ: প্রাথমিকে দুর্নীতি

    শিক্ষার একদম গোড়াতেই বিষ মিশিয়ে দিয়েছে এই সরকার। ‘প’ দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যে নির্লজ্জ কারচুপি আমরা দেখলাম, তা গোটা দেশের সামনে বাংলার মাথা হেঁট করে দিয়েছে। টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে আগামীর ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব। আজ যে শিশুরা প্রাথমিক স্কুলে যাচ্ছে, তারা কী শিখবে? যখন তাদের শিক্ষকরাই মেধার বদলে টাকার জোরে চাকরি পেয়েছে!

    ব-এ: বালি পাচার

    বাংলার নদীগুলো আজ কঙ্কালসার (West Benagl Scam) । ‘ব’ দিয়ে বালি পাচার আজ এক সংগঠিত অপরাধে পরিণত হয়েছে। কোনো রয়্যালটি ছাড়াই রাতের অন্ধকারে শয়ে শয়ে ট্রাক নদী থেকে বালি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতির এই ধ্বংসলীলা আর কয়েকশ কোটি টাকার এই পাচারকাণ্ডের পিছনে রয়েছে স্থানীয় নেতা আর প্রশাসনের এক গভীর আঁতাত। বালি চুরি করে নদীগর্ভ সাবাড় করা হচ্ছে, আর নেতাদের পকেট ভরাট হচ্ছে।

    র-এ: রেশন চুরি

    মানুষের অভাব নিয়ে ব্যবসা করাই এদের দস্তুর। ‘র’ দিয়ে রেশন চুরির জাল ছড়িয়ে আছে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত। গরিবের ডিজিটাল রেশন কার্ডের চাল-গম খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ মানুষ যখন ডিলারের কাছে যাচ্ছে, তখন বলা হচ্ছে “ওপর থেকে স্টক আসেনি”। আপনার পেটের ভাত যারা কেড়ে নেয়, তাদের ক্ষমা করার জায়গা কোথায়?

    ম-এ: মিড-ডে মিল তছরূপ

    এরা এতটাই নিচে নেমেছে যে শিশুদের খাবারটুকুও ছাড়েনি। ‘ম’ দিয়ে মিড-ডে মিলের টাকায় কখনো রাজনৈতিক সভা করা হচ্ছে, কখনো আবার সেই টাকা তছরূপ করে নেতাদের পকেট গরম করা হচ্ছে। বাড়ন্ত বয়সের বাচ্চাদের পাতে ডাল-ভাতের বদলে জুটেছে চরম দুর্নীতি। শিশুদের পুষ্টি নিয়ে যারা খেলা করে, তাদের থেকে নিষ্ঠুর আর কে হতে পারে?

    স-এ: সিন্ডিকেট রাজ

    বাংলায় (WB Election 2026) আজ আইনের শাসন নয়, চলছে ‘স’ দিয়ে সিন্ডিকেট রাজ। আপনি নিজের জমিতে বাড়ি করবেন? সিন্ডিকেটের থেকে মাল নিতে হবে। আপনি ছোট ব্যবসা করবেন? সিন্ডিকেটকে তোলা দিতে হবে। এই সিন্ডিকেট আজ বাংলার অর্থনীতির গলা টিপে ধরেছে। কোনও বড় শিল্প এখানে আসতে ভয় পায় কেবল এই সিন্ডিকেট আর তোলাবাজদের ভয়ে।

    শ-এ: শিক্ষা দুর্নীতি ও সারদা

    ‘শ’ দিয়ে বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের সর্বস্বান্ত হওয়ার ইতিহাস লেখা আছে। একদিকে সারদার মতো চিটফান্ডে সাধারণ মানুষের রক্তজল করা টাকা লোপাট, আর অন্যদিকে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিলামে তোলা। পর্ষদ সভাপতি থেকে শুরু করে শিক্ষামন্ত্রী—সবাই আজ জেল খাটছে। মেধা আজ রাজপথে কাঁদছে, আর দুর্নীতি আজ রাজপ্রাসাদে অট্টহাসি হাসছে।

    হ-এ: হান্ড্রেড ডেইজ ওয়ার্ক টাকা লুট

    সবশেষে ‘হ’—হান্ড্রেড ডেইজ ওয়ার্ক বা একশো দিনের কাজের টাকা লুট। গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের ঘামের দাম এরা নর্দমায় ছুড়ে ফেলেছে। ভুয়া মাস্টার রোল বানিয়ে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। আজ যখন কেন্দ্র হিসাব চাইছে, তখন এরা মুখ লুকাচ্ছে আর মাশুল গুনছে বাংলার সাধারণ শ্রমিকরা। ‘হ’-এ হাহাকার আজ বাংলার গ্রামে গ্রামে।

    এটাই আজকের বাংলার বাস্তব ‘বর্ণপরিচয়’ (West Benagl Scam)। আমরা ছোটবেলায় পড়েছিলাম ‘অজগরটি আসছে তেড়ে’, আজ বাংলার প্রতিটি প্রান্তে সেই অজগরের মতো দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে গিলে খেতে আসছে। ক-থেকে-হ, বর্ণমালার প্রতিটি অক্ষর আজ কলঙ্কিত। যারা আপনার সন্তানের শিক্ষার অধিকার বিক্রি করে দেয়, যারা আপনার ঘরের চাল চুরি করে, কিংবা যারা আপনার সারা জীবনের জমানো টাকা লটারির নামে বা চিটফান্ডের নামে লুটে নেয়—তারা কি সত্যিই আপনার বন্ধু?”

    যুবসমাজ পরিযায়ী শ্রমিক

    এই অ-আ-ক-খ দিয়ে কোনো উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব নয়। এই বর্ণপরিচয় কেবল ধ্বংস আর অন্ধকারের কথা বলে। আজ বাংলার (WB Election 2026) যুবসমাজ পরিযায়ী শ্রমিক, বাংলার মেধাবীরা রাজপথে অনশনরত, আর বাংলার কোষাগার দেউলিয়া। দেড় হাজার টাকার ভাতার মুলো ঝুলিয়ে যারা আপনার এই চরম ক্ষতিকে আড়াল করতে চাইছে, তাদের চিনে নেওয়ার সময় এসেছে। মনে রাখবেন, আজ যদি আপনি এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ না তোলেন, তবে আপনার আগামী প্রজন্ম আপনাকে ক্ষমা করবে না। এখন এই সব কিছুর প্রভাব ভোটে কতটা পরে তাই এখন দেখার।

LinkedIn
Share