Blog

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকার বিরাট চাপের মুখে। এই মামলায় আপাতত সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এখনও চাকরি থাকলেও ১৬ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে ফের শুনানি রয়েছে। এরপরই প্রকৃত ভাগ্য নির্ধারণ হবে চাকরি প্রার্থীদের। ভোট প্রচারের আবহেই পথসভায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “টাকা দিয়ে পাওয়া চাকরি বেশি দিন বাঁচবে না।”

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত(Sukanta Majumdar)?

    সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার কোতুলপুর নেতাজী মোড়ে বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁর সমর্থনে একটি পথসভায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “টাকা দিয়ে দুর্নীতি করে পাওয়া চাকরি বেশি দিন টিকবে না। এটাই সুযোগ, তাই তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন। একা না পারলে সঙ্গে বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যান। বিজেপি ঝান্ডা এবং ডান্ডা নিয়ে গিয়ে সেই টাকা উদ্ধার করে দেবে।”

    আরও পড়ুনঃ দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    আর কী বললেন?

    টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিবাদে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “বেকার ছেলেদের অনেকে জমি বিক্রি করে চাকরির জন্য তৃণমূল নেতাদের টাকা দিতে হয়েছে। এখন চাকরি চলে গেলে তাঁরা কী করবেন? তাঁকে তো টাকাটা আদায় করতেই দিতে হবে। সে একা না পারলে আমরাও সঙ্গে যাব। উল্টো করে ঝুলিয়ে বমি করিয়ে টাকা বের করব।” পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “এখন বিজেপির পক্ষে হাওয়া, এরপর সুনামি আসবে। তাই আগেভাগে ঘুরে যান। এবার ৩০ এর উপর আসন পেলে এক বছরের মধ্যে নবান্নে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসবে। হামলা হলে ব্যবস্থা নিন। না হলে বিজেপি ব্যবস্থা নেবে।” পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি সুকান্ত সমাজে উস্কানি দিচ্ছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 16: “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির..”

    Ramakrishna 16: “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির..”

    নবম পরিচ্ছেদ

    চতুর্থ দর্শন

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) আনন্দ করিতেছিলেন ও মাস্টারকে এক-একবার দেখিতেছেন। দেখিলেন, তিনি অবাক হইয়া বসিয়া আছেন। তখন রামলালকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, দেখ এর একটু উমের বেশি কিনা, তাই একটু গম্ভীর। এরা এত হাসিখুশি করছে, কিন্তু এ চুপ করে বসে আছে। মাস্টারের বয়স তখন সাতাশ বৎসর হইবে।

    কথা কহিতে কহিতে পরম ভক্ত হনুমানের কথা উঠিল। হনুমানের পট একখানি ঠাকুরের ঘরের দেওয়ালে ছিল। ঠাকুর বলিলেন, দেখ হনুমানের কি ভাব! ধন, মান, দেহসুখ কিছুই চায় না; কেবল ভগবান চায়! যখন স্ফটিকস্তম্ভ থেকে ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে পালাচ্ছে তখন মন্দোদরী অনেকরকম ফল নিয়ে লোভ দেখাতে লাগল। ভাবলে ফলের লোভে নেমে এসে অস্ত্রটা যদি ফেলে দেয়; কিন্তু হনুমান ভুলবার ছেলে নয়; সে ভাবলে।

    আমার কি ফলের অভাব।

    পেয়েছি যে ফল, জনম সফল,

    মোক্ষ-ফলের বৃক্ষ রাম হৃদয়।।

    শ্রীরামকল্পতরুমূলে বসে রই—

    যখন যে ফল বাঞ্চা সেই ফল প্রাপ্ত হই।

    ফলের কথা কই, (ধনি গো), ও ফল গ্রাহক নই;

    যাব তোদের প্রতিফল যে দিয়ে।।

    ঠাকুর এই গান গাহিতেছেন। আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির! বসিয়া আছেন—ফটোগ্রাফে যে রূপ ছবি দেখা যায়। ভক্তেরা এইমাত্র এত হাসিখুশি করিতেছিলেন, এখন সকলেই একদৃষ্টি হইয়া ঠাকুরের সেই অদ্ভুত অবস্থা নিরীক্ষণ করিতেছেন। দেহ শিতল হইল। মুখ সহাস্য হইল। ইন্দ্রিয়গণ আবার নিজের নিজের কার্য করিতেছে। চক্ষের কোণ দিয়া আনন্দাশ্রু বিসর্জন করিতে করিতে ঠাকুর (Ramakrishna) রাম রাম, এই রাম উচ্চারণ করিতেছেন।

    মাস্টার ভাবিতে লাগিলেন, এই মহাপুরুষ কি ছেলেদের সঙ্গে ফচকিমি করিতেছিলেন? তখন যেন পাঁচ বছরের বালক!

    ঠাকুর পূর্ববৎ প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার প্রাকৃত লোকের ন্যায় ব্যবহার করিতেছেন। মাস্টারকে ও নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, তোমরা দুজনে ইংরেজিতে কথা কও ও বিচার কর আমি শুনব।

    মাস্টার ও নরেন্দ্র উভয়ে এই কথা শুনিয়া হাসিতেছেন। দুইজনে কিছু কিছু আলাপ করিতে লাগিলেন, কিন্তু বাংলাতে। ঠাকুরের (Ramakrishna) সামনে মাস্টার বিচার আর সম্ভব নয়। তাঁহার তর্কের ঘর ঠাকুরের কৃপায় এরকম বন্ধ। আর কিরূপ তর্ক-বিচার করিবেন? ঠাকুর আর একবার জিদ করিলেন, কিন্তু ইংরেজিতে তর্ক করা হইল না।

     

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “দুরন্ত ছেলে বাবার কাছে যখন বসে, যেমন জুজুটি, আবার চাঁদনিতে যখন খেলে, আর এক মূর্তি”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৯ম পরিচ্ছেদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘মা গঙ্গা ডেকেছেন, বারাণসীর সঙ্গে আত্মিক-যোগ’, মনোনয়নের সকালে আবেগঘন পোস্ট মোদির

    Narendra Modi: ‘মা গঙ্গা ডেকেছেন, বারাণসীর সঙ্গে আত্মিক-যোগ’, মনোনয়নের সকালে আবেগঘন পোস্ট মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের আবহ বারাণসীতে। আজ, মঙ্গলবার সকালে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বারাণসী তাঁকে কখনও খালি হাতে ফেরায়নি। কাশীর বিশ্বনাথ ও কালভৈরবের প্রতি তাই তাঁর বিশ্বাস অটুট। ১ জুন কাশীর মানুষ তাঁকে ফেরাবে না, আশা নরেন্দ্র মোদির। এদিন মনোনয়ন পেশের আগে এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন পোস্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী। কাশীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ককে তিনি ব্যাখ্যা করলেন, ‘অদ্ভুত, অভিন্ন, অপ্রতিম’ বলে ব্যাখ্যা করেন।

    আবেগঘন বার্তা মোদির

    এই নিয়ে তৃতীয়বার কাশী থেকে মনোনয়ন জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন সকালে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘২০১৪ সালে আমি যখন কাশী আসি আমার মনে হয়েছিল, আমি এখানে এসেছি এমন নয় বা কেউ আমাকে পাঠিয়েছে এমনও নয়। আমায় মা গঙ্গা ডেকেছে। ১০ বছর কেটে গিয়েছে। কাশীর সঙ্গে এখন আমার এমন বন্ধন তৈরি হয়েছে যে আমি বলতে পারি আমার কাশী। একজন মায়ের তার সন্তানের সঙ্গে যে সম্পর্ক, আমার সঙ্গে কাশীর সেই সম্পর্ক। লোকতন্ত্র, তাই মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইব, মানুষ আশীর্বাদ দেবেনও। তবে এই সম্পর্ক জনপ্রতিনিধির নয়, এই সম্পর্ক আলাদা অনুভূতির যা আমি অনুভব করি।’ কথাগুলি বলতে বলতে চোখ ভিজে আসছিল প্রধানমন্ত্রীর, গলা ধরে আসছিল আবেগে।

    কড়া নিরাপত্তা 

    সোমবারই বারাণসীতে এক মেগা রোড শো করেছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  ৬ কিলোমিটার রোড শো ঘিরে মানুষের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। রোড শো শেষে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে বারাণসীতেই রাত্রিবাস করেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার দশাশ্বমেধ ঘাটে স্নান করে কালভৈরব মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন তিনি। নরেন্দ্র মোদির মনোনয়নে উপস্থিত থাকবেন ১২ জন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ১৮ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাংসদ-বিধায়ক ও এনডিএ জোটের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার কারণে যানজটের আশঙ্কায় বিবৃতি দিয়ে বিমান যাত্রীদের সময় হাতে নিয়ে বেরনোর  আবেদন জানানো হয়েছে। বারাণসী বিমানবন্দরে পৌঁছতে সময় লাগতে পারে অন্যদিনের থেকে বেশি, সে-বিষয় আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে বিমান সংস্থা ভিস্তারার তরফে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sushil Modi: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন, প্রয়াত বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সুশীল মোদি

    Sushil Modi: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন, প্রয়াত বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সুশীল মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ তথা বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি। সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির এইমসে প্রয়াত হন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২। বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেতা গত এক মাস ধরে দিল্লির এইমসের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, আমার দলীয় সহকর্মী এবং কয়েক দশকের বন্ধু সুশীল মোদিজির অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। বিহারে বিজেপির উত্থান এবং দলের সাফল্যে তিনি অনবদ্য অবদান রেখেছেন। জরুরী অবস্থার তীব্র বিরোধিতা করে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন।

    দলের প্রতি দায়বদ্ধ 

    বিহারে ২০০৫ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চার দফায় জোটসঙ্গী বিজেপির নেতা সুশীলকে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে পাশে পেয়েছিলেন নীতীশ কুমার। রাজনীতির ময়দানে সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুশীল।  চলতি মাসের গোড়ায় হিন্দিতে এক্স পোস্টে সুশীল লিখেছিলেন, ‘‘গত ছ’মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছি। এখন মনে হল সবাইকে বিষয়টি জানানো দরকার। লোকসভা ভোটে আর কিছু করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রীকে সব কিছু বলে দিয়েছি। তবে দেশ, বিহার এবং আমার পার্টির কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং নিবেদিত থাকব।’’ 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল

    সুশীল মোদির এভাবে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। তিন দশক ধরে বিহারের রাজনীতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। লোক জনশক্তি পার্টির প্রধান রামবিলাস পাসোয়ানের মৃত্যুর পর বিহারে খালি হওয়া রাজ্যসভার একটি আসনে ২০২০ সালের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিলেন সুশীল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওই পদে তাঁর মেয়াদ ছিল। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে রবিশঙ্কর প্রসাদ-সহ আরও অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৪/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ১৪/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি বিশেষ ভালো নয়।

    ২) মেজাজ কখনও ভালো, কখনও মন্দ থাকবে।

    ৩) কিছু বিষয় আপনাকে চিন্তিত করে তুলতে পারে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি হতাশাজনক।

    ২) কাজে ধৈর্য বজায় রাখুন।

    ৩) নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) কাজে সফল হবেন।

    ৩) পারিবারিক সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে না।

    কর্কট

    ১) জীবনে সাফল্য লাভ করবেন।

    ২) নতুন সম্পর্কের সূচনা করতে পারেন।

    ৩) বিয়ে পাকা হতে পারে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি নানান সমস্যায় ভরপুর থাকবে।

    ২) কাজে সতর্কতা অবলম্বন করুন।

    ৩) একাধিক সমস্যার মুখে পড়বেন।

    কন্যা

    ১) আজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।

    ২) নিজের কাজে অধিক পরিশ্রম করবেন।

    ৩) ব্যক্তিগত জীবনে মনোনিবেশ করতে হবে।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নিজের বিশেষ যোগ্যতা প্রদর্শন করবেন।

    ৩) নিজের স্বপ্নপূরণের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) জীবনে প্রচুর সাফল্য অর্জন করবেন।

    ৩) মনের মধ্যে নতুন চিন্তাভাবনা উৎপন্ন হবে, যা আপনাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অনুকূল নয়।

    ২) প্রতিদিনের কাজকর্মে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) কাজে মনোনিবেশ করুন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি আনন্দে ভরপুর থাকবে।

    ২) অসম্পূর্ণ ইচ্ছাপূরণ হবে।

    ৩) মনে আনন্দ থাকবে, যার ফলে স্বাস্থ্য প্রভাবিত হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজ মিশ্র ফলাফল পাবেন।

    ২) নতুন কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে।

    ৩) চিন্তাভাবনা স্পষ্ট করুন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) জীবনে নতুন কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

    ৩) আজকের দিনটি আপনাদের জন্য খুবই ভালো।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত হাতে গোণা কয়েকটি ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নেই পার হল চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচনও (Lok Sabha Election 2024)। হাতে রয়েছে আরও তিনটি দফা। সোমবার, ১৩ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৬টি লোকসভা কেন্দ্রে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.৩০ শতাংশ।

    বেশি ভোট বোলপুরে (Lok Sabha Election 2024)

    এদিন নির্বাচন হয়েছে রাজ্যের ৮টি কেন্দ্রেও। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে বোলপুরে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সেখানে ভোট পড়েছে ৭৭.৭৭ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র। এখানে ভোটদানের হার ৭৭.৪৬ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে ভোট পড়েছে বহরমপুরে ৭৫.৩৬ শতাংশ, কৃষ্ণনগরে ৭৭.২৭ শতাংশ, বর্ধমান পূর্বে ৭৭.৩৬ শতাংশ, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ৭৫.০২ শতাংশ, আসানসোলে ৬৯.৪৩ শতাংশ এবং বীরভূমে ৭৫.৪৫ শতাংশ।

    ছাপ্পা রুখল এআই

    এদিকে, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বাংলায় ছাপ্পা ভোট (Lok Sabha Election 2024) রুখে দিল নির্বাচন কমিশন। বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথে সকাল থেকে চলছিল দেদার ছাপ্পা। ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা ও এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ছাপ্পা ভোট রুখে দেয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর দেখতে পায় ২৫ নম্বর বুথে এক ব্যক্তি একাধিকবার ঢোকার চেষ্টা করছে। লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের প্রভাবিতও করছিল সে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই নেওয়া হয় ব্যবস্থা।

    এবারের নির্বাচনী-ক্যানভাসে অনুপস্থিত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। তবে কেষ্ট না থাকলে কী হবে, ছিল তাঁর গুড় বাতাসা নিদান। দুবরাজপুরে গুড় বাতাসা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে দ্রুত রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুুন: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    এদিন বিজেপি নেতা তথা প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে ঘিরে মন্তশ্বরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। এলাকাটি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভাঙচুর করা হয় সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি। সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের কাছ থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তলব করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Lok Sabha Election 2024)। এই দফার ভোটে ৬৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে কমিশনের কাছে জমা পড়েছে ১ হাজার ৭০৫টি অভিযোগ।

    অন্যদিকে, ভোটের ডিউটি করতে করতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বছর পঁয়তাল্লিশের মহেন্দ্র সিং। তিনি উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। পাইকরের ২০৩ নম্বর বুথে ডিউটি করছিলেন তিনি। রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Maoist Killed in Maharastra: মহারাষ্ট্রে মাও ডেরায় হানা বাহিনীর, খতম তিন মাও জঙ্গি

    Maoist Killed in Maharastra: মহারাষ্ট্রে মাও ডেরায় হানা বাহিনীর, খতম তিন মাও জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মহারাষ্ট্রের গঢ়চিরৌলি এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের (Maoist Killed in Maharastra) গুলি বিনিময়ে তিন মাওবাদীর মৃত্যু হল। মৃতদের মধ্যে রয়েছে দুজন মহিলা ও একজন পুরুষ। এই অপারেশন চালিয়েছে গঢ়চিরৌলি পুলিশের স্পেশালাইজড কমব্যাট উইঙ্গের সি-৬০ (C-60) কমান্ডো। ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭, একটি কারবাইন, একটি ইনসাস রাইফেল এবং মাওবাদী পাঠ্যপুস্তক পাওয়া গেছে।

    নিহত মাওবাদীরা পেরিমিলি দলমের সদস্য

    মহারাষ্ট্র (Maharashtra Police) পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল বেশ কিছু পেরিমিলি দলমের মাওবাদী জঙ্গি নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালাবার জন্য ধামরাগড় এলাকার কাটারাঙটা গ্রামের পাশের ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে আছে। এরপরই সার্চ অপারেশনের জন্য সি-৬০ কমান্ডো বাহিনীকে সেখানে পাঠানো হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর কমান্ডো বাহিনী পৌঁছানো মাত্র গুলিবর্ষণ শুরু করে দেয় মাওবাদীরা। এরপরই পাল্টা কমান্ডো বাহিনী গুলি চালাতে শুরু করে। বাহিনীর সঙ্গে গুলিবিনিময়ে এক পুরুষ এবং দুই মহিলা মাওবাদী (Maoist Killed in Maharastra) মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই তাদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে পুরুষ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁকে পেরিমিলি দলমের কমান্ডার বাসু নামে চিহ্নিত করা গেছে।

    আরও পড়ুন: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    এক বছরেই শতাধিক মাওবাদী খতম 

    গত সপ্তাহেই ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় মাওবাদীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযানে ১২ জন মাওবাদী নিহত (Maoist Killed in Maharastra) হয়েছিল। অভিযানে যারা মারা গিয়েছিল তাদের সকলের মোট মাথার দাম ছিল ৩১ লক্ষ টাকা। ১ সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই এবার মহারাষ্ট্রে অভিযান চালাল সুরক্ষা বাহিনী। যদিও চলতি বছরের মার্চ মাসেই এই এলাকাতেই বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ে চারজন মাওবাদী মারা যায় যাদের মাথায় মোট ৩৬ লক্ষ টাকার পুরস্কার রাশি ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার অভিযান চলাকালীন বেশকিছু সন্দেহভাজন মাওবাদীদেরও আটক করেছে পুলিশ। চলতি বছরের মার্চ মাসে গঢ়চিরৌলি (Gadhchirouli) সীমানার জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে চার জন মাওবাদী কমান্ডারকে মেরেছিল ছত্তীসগঢ় পুলিশ (Chattishgarh Police) এবং সিআরপিএফের (CRPF) যৌথবাহিনী। এর পর এপ্রিলে প্রথম দফার ভোটের আগে কাঁকেরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২৯ জন মাওবাদী গেরিলার মৃত্যু হয়েছিল

  • POJK Violence: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    POJK Violence: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিদ্রোহের জেরে উত্তাল পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (POJK Violence)। অন্তত একজন পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৯০ জন। রবিবারও প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে। পালিত হয়েছে হরতালও। সামাহিনি, সেহানসা, মিরপুর, রাওয়ালকোট, খুরিট্টা, তত্তপানি হাট্টিয়ান বালা – পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের এই সব অঞ্চলেই হয়েছে প্রবল প্রতিবাদ।

    পাকিস্তানে উড়ল তেরঙ্গা (POJK Violence)

    রাওয়ালকোটে ভারতের তেরঙ্গা ঝান্ডা উড়িয়েছেন প্রতিবাদকারীরা। পাকিস্তানের ইতিহাসে এই ঘটনা এই প্রথম। মিরপুরের পুলিশ সুপার কামরন আলি আডনান কুরেশি ডিউটি করছিলেন ইসলামগড়ে। সেখানে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। প্রতিবাদকারীদের বাধা দেওয়ায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এদিন কোটলি এবং পুঞ্চ জেলায় প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির ব্যানারে। পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের (POJK Violence) মুজফফরবাদে উত্তেজিত জনতা বেধড়ক পেটায় পাক রেঞ্জার্সের জওয়ান ও পুলিশ কর্মীদের। তাঁদের ইউনিফর্ম ছিঁড়ে দেয়। আজাদির স্লোগানও দেন আন্দোলনকারীরা। ভারতভুক্তির দাবির পাশাপাশি তাঁরা ওড়ান ভারতের তিরঙ্গা পতাকাও।

    অশান্তির সূত্রপাত

    মে মাসের ৮-৯ তারিখে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির প্রায় ৭০ জন কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার আগে তল্লাশি চালানো হয় তাঁদের বাড়িতে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার। এর পরেই ১০ মে চাক্কা জ্যাম ও হরতালের ডাক দেয় কমিটি। রবিবার মুজফফরবাদের দিকে মিছিলও করেন প্রতিবাদীরা। ১০ তারিখের এই হরতালের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। মুজফফরবাদের বিভিন্ন পকেটে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষের আগুন। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। প্রতিবাদীদের দমন করতে এবং নিরাপত্তার খাতিরে কর্তৃপক্ষ ইন্টিরিয়র ডিভিশনের সেক্রেটারিকে কয়েক প্লেটুন সিভিল আর্মড ফোর্স পাঠানোর অনুরোধ জানায়।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর পোস্টারে আপত্তি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা তৃণমূলের, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা আমজাদ আয়ুব মির্জা বলেন, “পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের এই পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে থাকতে পারে না ভারত। অবিলম্বে পদক্ষেপ করুক।” জারি করা বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের লোকজন লড়াই করছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীরা তামাম পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হরতাল পালন করছেন। পাকিস্তানি পুলিশ, পাঞ্জাব পুলিশ, এফসি এবং আজাদ কাশ্মীর পুলিশ তাদের পেটাচ্ছে, গুলি চালাচ্ছে।” তিনি বলেন, “ভারত সরকার যদি এখনই পদক্ষেপ না করে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর ও গিলগিট বাল্টিস্তানকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে মুক্ত করার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে (POJK Violence)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah: দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Howrah: দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে হাওড়ায় (Howrah) তৃণমূলের কঙ্কালসার চেহারা আবার প্রকাশ্যে চলে এল। সোমবার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভের মুখে পড়লেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। হুডখোলা জিপে প্রচার করার সময় পুরনো কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এতেই ধৈর্য হারান তিনি। আর ভোটের মুখে এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার হাওড়া (Howrah) এলাকায় প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় হুডখোলা জিপে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর সঙ্গে ছিল। প্রচার চলাকালীন সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী তৃণমূল প্রার্থীর দিকে এগিয়ে যান। জগৎ দাস নামে এক তৃণমূল কর্মী বলেন, “১৯৯৮ সাল থেকে আমরা দুলাল সেনের নেতৃত্বে পার্টিটা করি। আমরা এতদিন ধরে পার্টি করে আসছি। বিক্রম সরকারকে আমরা জিতিয়েছি। প্রসূনবাবুকেও তিনবার জিতিয়েছি। হঠাৎ এই পুরনো টিমটাকেই বাদ দিয়ে দিল। নতুন নতুন ছেলে মনোজ তিওয়ারির মতো লোকজন এসেছে। এরা আমাদের বাদ দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও বুথ স্লিপ আসেনি। এটা বিরোধিতা নয়। আপনাদের অ্যাটেনশনের জন্য বলছি। এভাবে চলতে থাকলে কর্মীরা বসে যাবে। দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর উৎসাহ হারিয়ে যাবে।” অবিলম্বে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার তাঁরা আর্জি জানান। তবে, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের ক্ষোভ একটুও কমেনি।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে বিজেপি কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ, আসানসোলে শাসক দলের দাপাদাপি

    বিজেপি প্রার্থী ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করেন

    হাওড়া (Howrah) সদরের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী এই ঘটনার তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “যেভাবে শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় তোলাবাজি সহ নানা ধরনের কাটমানির খেলা চলছে। তাতে মন্ত্রী এবং সাংসদ দুজনেই দায়ী। সাংসদ এবং মন্ত্রী দুজনেই দুর্নীতিতে যুক্ত। আজ মানুষ ক্ষোভ চেপে রাখতে না পেরে তারা বিক্ষোভ দেখান। ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ঘটনা তত বাড়বে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashid Khan: এখনই ছাড়া পাবে না রশিদ, বউবাজার বিস্ফোরণে অভিযুক্তের মামলা ছুটির পর শুনবে আদালত

    Rashid Khan: এখনই ছাড়া পাবে না রশিদ, বউবাজার বিস্ফোরণে অভিযুক্তের মামলা ছুটির পর শুনবে আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত রশিদ খানকে (Rashid Khan) মুক্তি দেওয়া যায় কি না তা বিবেচনা হবে হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন অবকাশের পর। এ মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। ইতিমধ্যেই ৩১ বছর জেল খেটেছে রশিদ খান ও তাঁর সঙ্গী খালিদ। ১৯৯৩ সালে বউ বাজারে বিস্ফোরণে (Bow Bazar Blast) ৬৯ জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু।  

    আদালতে সওয়াল জওয়াব

    বিচারপতি সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ বিস্ফোরণ (Bow Bazar Blast) মামলায় অভিযুক্ত রশিদকে (Rashid Khan) এপ্রিল মাসে মুক্তি দেওয়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আইনি জটিলতায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ২৪ শে জুন পর্যন্ত তাঁর সাগরেদ মোহাম্মদ খালিদকে ছাড়ার সিঙ্গেল বেঞ্চের (Calcutta High Court) নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে রশিদ খানের আইনজীবী জানিয়েছেন, “অভিযুক্তের বয়স ৫৯ বছর। ১৫ বারের বেশি প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। সামাজিক ক্ষেত্রে কোনও রকম ক্ষতিকর কিছু করেননি তিনি (Rashid Khan)। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন এই মর্মে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি আবেদন করতে পারেন যে ৩১ বছর ধরে তিনি জেলে আছেন। জেলে থাকাকালীন তার ভূমিকা ভাল ছিল। কিন্তু এই ধরনের কোন আইন কি রাজ্যে আছে? রাজ্যের কি কোন স্পষ্ট নীতি আছে? এই মর্মে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের কাছে এই মর্মে জানতে চেয়েছেন। প্রধান বিচারপতিকে এডভোকেট জেনারেল আদালতে জানিয়েছেন, “রিভিউ বোর্ডের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ১৯৯৩ সালের ঘটনায় ৬৯ জনের মৃত্যু হয়। ৯ অক্টোবর ২০২৩ মেদিনীপুরের (Medinipur) জেল সুপার জানান রশিদ খানের (Rashid Khan) ব্যবহার খুবই ভাল জানিয়েছেন। কিন্তু কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে রশিদ খানকে ছাড়লে সমাজে তার প্রভাব পড়তে পারে। পরবর্তীতে এলাকায় ফের অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। যেভাবে মানুষের মধ্যে তিনি অতীতে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন সেদিকে তাকিয়ে তাঁকে ছাড়া উচিত নয়।”

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    ১৯৯৩ সালের সেই কালো রাত

    উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালের ১৬ই মার্চ বাম আমলে ২৬৭ বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিটের দোতলা একটি বাড়িতে রাত্রিবেলা ভয়ংকর বিস্ফোরণ (Bow Bazar Blast) হয়। গোটা বাড়ি গুঁড়িয়ে যায়। মৃত্যু হয় ৬৯ জনের। সেই মামলায় কলকাতার তৎকালীন সাট্টার বেতাজ বাদশা রশিদ খানের (Rashid Khan) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। পুলিশের তরফ থেকে সেই সময় দাবি করা হয়েছিল, “রশিদের কাছে যে পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত ছিল তা কলকাতার একটা বড় অংশ উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” এই মামলাতেই রশিদের ছায়া সঙ্গে মোঃ খালিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। ৩১ বছর জেল খাটার পর খালিদ জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবিতে রাজ্য সরকারের সেন্টেন্স রিভিউ বোর্ডে আবেদন করেছিল। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে বিচারপতি সব্যসাচীর ভট্টাচার্য তাঁকে এপ্রিল মাসে ১৫ দিনের মধ্যে ছাড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের তরফে সেই নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা রয়েছে দাবি করে এক মাসের জন্য নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share