Blog

  • Rohith Vemula: দলিত ছিলেন না রোহিত ভেমুলা, পরিচয় ফাঁসের ভয়েই আত্মহত্যা, আদালতে রিপোর্ট জমা পুলিশের

    Rohith Vemula: দলিত ছিলেন না রোহিত ভেমুলা, পরিচয় ফাঁসের ভয়েই আত্মহত্যা, আদালতে রিপোর্ট জমা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত ভেমুলা (Rohith Vemula) দলিত ছিলেন না। প্রকৃত পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই আত্মহত্যা করেছিলেন। কংগ্রেস-শাসিত রাজ্য তেলঙ্গনার পুলিশ এমনই রিপোর্ট জমা করল আদালতে। এর পাশাপাশি পুলিশ রিপোর্ট মোতাবেক, জালিয়াতি করেই সার্টিফিকেট বের করেছিল রোহিতের পরিবার। ভেমুলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে শুক্রবারই তেলঙ্গানা হাইকোর্টে রাজ্য পুলিশের তরফে যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানেই সেই দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেকেন্দ্রবাদের তৎকালীন সাংসদ বান্দারু দত্তাত্রেয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আপ্পা রাও, তৎকালীন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) নেতাদেরও ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে।

    জাল শংসাপত্র

    পুলিশের রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে রোহিতের পরিবারের যে জাতিগত শংসাপত্র ছিল, সেটা জালিয়াতি করা হয়েছিল। উপযুক্ত প্রমাণের (Rohith Vemula) অভাবে সেই মামলার তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে দেওয়া হচ্ছে বলে তেলঙ্গানা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। 

    রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার ঘটনা

    ২০১৬ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন রোহিত ভেমুলা (Rohith Vemula)। সেসময় বামপন্থী- অতি বামপন্থীরা একযোগে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দলিত বঞ্চনার অভিযোগ তুলে রাস্তায় নামে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দলিতদের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে দেশজুড়ে বিক্ষোভ হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই মামলার জল অনেকদূর বিস্তৃত গড়িয়েছে। আর শেষপর্যন্ত রোহিতের মৃত্যুর আট বছর পরে তদন্তের ফাইল ‘ক্লোজ’ করে দেওয়ার পথে হাঁটল তেলঙ্গানা পুলিশ। পুলিশি তদন্তে উঠে এল প্রকৃত সত্য।

    কংগ্রেসও প্রতিবাদ করেছিল

    তদন্ত যে রাজনৈতিক প্রাভাবিত, এমন অভিযোগও তুলতে পারবেন না, রোহিতের পরিবার, কারণ তেলঙ্গনায় বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। সেই সময় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি করেছিলেন। রাহুল প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। সেই সময় কংগ্রেসের তরফে ‘জাস্টিস ফর ভেমুলা ক্যাম্পেইন’ সমর্থন করেছলেন রাহুল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shaksgam Valley: শাক্‌সগাম ভারতের অংশ, চিনা নির্মাণ প্রকাশ্যে আসতেই বিবৃতি দিল বিদেশ মন্ত্রক

    Shaksgam Valley: শাক্‌সগাম ভারতের অংশ, চিনা নির্মাণ প্রকাশ্যে আসতেই বিবৃতি দিল বিদেশ মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্বদিকে অবস্থিত শাক্‌সগাম উপত্যকা (Shaksgam Valley)। সেখানেই চিনা পিপল্‌স লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-র সড়ক এবং সুড়ঙ্গ নির্মাণের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল সপ্তাহ খানেক আগেই। মিলেছিল বিদেশি কয়েকটি সংস্থার তোলা উপগ্রহচিত্রও। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতিতে বলা হল, ‘‘শাক্‌সগাম উপত্যকা ভারতের অংশ।’’

    ১৯৬৩ সালে  শাক্‌সগাম (Shaksgam Valley) এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল ইসলামাবাদ

    পাক অধিকৃত ভারতীয় ভূখণ্ডে শাক্‌সগাম (Shaksgam Valley) এলাকায় সড়ক এবং সুড়ঙ্গপথ নির্মাণের চিন সেনার কর্মকাণ্ড নিয়ে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছিল নতুন উপগ্রহচিত্র। তাতে দেখা গিয়েছে, সেখানে স্থায়ী নির্মাণ চালাচ্ছে চিনা ফৌজ। তৈরি হচ্ছে সড়ক এবং সুড়ঙ্গপথ! প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালেই অবিভক্ত জম্মু ও কাশ্মীরের ওই এলাকা দখল করেছিল পাক সেনা। ১৯৬৩ সালে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্বপ্রান্তের শাক্‌সগাম এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল ইসলামাবাদ।

    ১৩০০ কিলোমিটার‘বাই লেন’ মহাসড়ক

    বছর কয়েক আগে প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণ তীর জুড়ে চিনা ফৌজকে সেতু নির্মাণ করতে দেখা গিয়েছিল উপগ্রহচিত্রে। এর পরেই দেখা গিয়েছিল আকসাই চিন এলাকায় চিন সেনা স্থায়ী বাঙ্কার এবং বড় সুড়ঙ্গ তৈরি করছে। ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিস্থিতির মোকাবিলার লক্ষ্যে শি জিনপিংয়ের সেনার এই পদক্ষেপ বলে ধারণা ভারতের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে দক্ষিণ পাকিস্তান পর্যস্ত বিস্তৃত কারাকোরাম হাইওয়ে গিয়েছে শাক্‌সগাম উপত্যকার অদূর থেকেই। ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ‘বাই লেন’ মহাসড়ক।

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা কী মনে করছেন

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের (Shaksgam Valley) একাংশ মনে করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণের জন্যই শাক্‌সগাম থেকে সিপিইসি সংযোগকারী রাস্তা বানাচ্ছে চিনা ফৌজ। যা ভারতের পক্ষে উদ্বেগজনক। এখানেই শেষ নয়, পাশাপাশি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গগুলিতে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সেনার পাশাপাশি ভারী অস্ত্রশস্ত্র এবং বিপুল পরিমাণ রসদ মজুত রাখার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলেও তাঁদের অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিতে রেকর্ড করেছে। শুক্রবার বোলপুরে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহা ও বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে এসে রাজ্যের শাসক দলকে এভাবেই তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়েও তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্দেশখালি যে ঘটনা ঘটেছে তা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা সবকিছু জানত।

    ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল (Narendra Modi)

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজি চলতে দেব না। এটা মোদীর গ্যারান্টি। সমস্ত লুঠ, সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবেই। বাংলার বিকাশের জন্য সব বুথে বিজেপিকে জেতাতে হবে। প্রিয়া সাহা, দেবতনু ভট্টাচার্যকে জেতাতে হবে। তাঁরা যে ভোট পাবেন তাতে মোদির শক্তি বাড়বে। প্রতিটা ভোট মোদির খাতায় যাবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ তৈরি করে। তৃণমূল তাতেও দুর্নীতি করেছে। শিক্ষকদের চাকরি তো গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    দেশে তৃণমূল ১৫টি আসন, কংগ্রেস ৫০টি আসন পাবে!

    এদিন নদিয়ার তেহট্টের শ্যামনগরে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায় ও রানাঘাটের দলীয় প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে উঠে প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য রাখেন মোদি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি (Narendra Modi) বলেন, গোটা দেশজুড়ে তৃণমূল ১৫টির বেশি আসন পাবে না। আর কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, কংগ্রেসের যা অবস্থা তাতে হাফ সেঞ্চুরি পার করতে পারবে না কংগ্রেস। সেই কারণে এ বছর একমাত্র সরকার গড়তে পারে বিজেপির এনডিএ সরকার। পাশাপাশি বাম মোর্চার লাল ঝান্ডা বিলীন হয়ে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার এলে দেশে আরও উন্নয়ন হবে। তৃণমূল যেভাবে তোলাবাজি করেছে আর মহিলাদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাতে এবার সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে সাজা দিতে চায়। গ্রাম কিংবা শহর সবাই একই কথা বলছে, এইবার মোদি সরকার। তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাটের সাধারণ মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছি, যেখানে যেখানে তৃণমূল তোলাবাজি করেছে সেই টাকার হিসাব নেওয়া হবে। সেই টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিএএ নিয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক সিএএ লাগু হওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও সাংবিধান মেনে কাজ করে না।

    হুমায়ুন কবীরের সমালোচনা করলেন মোদি

    দুদিন আগে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ রয়েছি। আর তোমরা ৩০ শতাংশ রয়েছ। মনে করলে দুঘণ্টার মধ্যে ভাগীরথীর জলে ফেলে দিতে পারি। নাম না করে হিন্দুদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূল বিধায়ক প্রকাশ্যে হিন্দুদের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই রাজ্যে হিন্দুদের কী অবস্থা। এটা একজন বিধায়কের মুখে ভাষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ানাড়ের (Wayanad) পর রাহুল গান্ধির এবারের ঠিকানা রায়বরেলি (Raybareli)। এই কেন্দ্র থেকে রাহুল গান্ধীর নাম (Rahul Gandhi) ঘোষণা হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির আমেঠি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। কংগ্রেসের যুবরাজের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভোট গ্রহণের আগেই রাহুল তাঁর নির্ধারিত পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। যার জন্যই কংগ্রেস এখানে একজন প্রক্সি ক্যান্ডিডেট দিয়েছেন।”

    আমেঠিতে অতিথিদের স্বাগত

    তিনি আরও বলেন, “আমি আমেঠিতে (Amethi) অতিথিদের স্বাগত করব। এখানে এই কেন্দ্রে গান্ধী পরিবার আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। ভোট গ্রহণে এখনও দেরি আছে। কিন্তু আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। সেই কারণে গান্ধী পরিবারের কোনও প্রতিনিধি আমেঠি থেকে দাঁড়াল না। প্রসঙ্গত আমেঠি থেকে কংগ্রেস পরিবারের বহু সদস্য আগে সাংসদ হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) বলেন, “রায়বেরেলি থেকে রাহুল গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত আমেঠির মানুষের বড় জয়। অনেকেই ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছেন ভারত কংগ্রেসমুক্ত হোক না হোক, আমেঠি গান্ধী পরিবার মুক্ত হয়ে গেছে।”

    আমেঠি কেন্দ্রে উন্নয়ন হয়েছে

    স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) দাবি করেছেন, “আমেঠি কেন্দ্রে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মাঝের ২ বছর করোনার জন্য এখানকার মানুষ যে পরিমাণ উন্নয়ন আশা করেছিলেন তা করতে দেরি হয়েছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ও পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দেব”। তাঁর প্রশ্ন, “আমেঠি কেন্দ্র জয়ী হয়েছেন গান্ধী পরিবারের বহু সদস্য। প্রতিদান স্বরূপ তাঁরা এই কেন্দ্রের জন্য কী করেছেন? স্মৃতি ইরানির দাবি, “মোদি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই আমেঠির জন্য একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    সুরক্ষিত আসনের খোঁজে রাহুল

    এদিন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন যেখানে তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেস এবার কেরালাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। রাহুল গান্ধী সেই কারণেই একটি তুলনামূলক সুরক্ষিত আসন খুঁজছেন”। প্রসঙ্গত এবার মায়ের ছেড়ে যাওয়া আসন রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেসের যুবরাজ। আমেঠি থেকে গান্ধীর পরিবারের যোগাযোগ সেই আশির দশক থেকে। এই কেন্দ্র থেকে ১৯৮০ সালে জয়ী হয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। এরপর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন রাহুল গান্ধীর পিতা রাজীব গান্ধী। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত এ কেন্দ্র থেকে সাংসদদের দায়িত্ব সামলেছেন প্রয়াত রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধী। রাহুল গান্ধী নিজেও ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালে রাহুল দুই জায়গা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আমেঠির ও ওয়ানাড়। আমেঠি থেকে হেরে গেলেও রাহুলের মান রক্ষা হয় ওয়ানাড়ে। চলতি বছর আর রাহুল গান্ধী এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস দেখাতে পারলেন না। তিনি মায়ের ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। যদিও রাহুলকে হারিয়ে ২০১৯ সালে জয়ী হওয়া স্মৃতি জুবিন ইরানি (Smriti Irani) এবারও এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET 2024: প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    NEET 2024: প্রকাশিত হল মেডিক্যালে প্রবেশিকা পরীক্ষার নির্দেশিকা, পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে কী কী মাথায় রাখতে হবে ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যালে প্রবেশিকার জন্য ‘ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স’ (NEET 2024) পরীক্ষায় নয়া নির্দেশিকা। এবছরের নিট পরীক্ষা হতে চলেছে ৫ মে। ২৪ লাখেরও বেশি ছেলে মেয়ে মেডিকেল পরীক্ষার  জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। ভারতের বিভিন্ন সেন্টার থেকে তাদের পরীক্ষা হবে দুপুর ২টো থেকে ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত। আর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে ১৪ জুন ২০২৪। তবে পরীক্ষার হলে ঢোকার আগে মানতে হবে কিছু নির্দেশিকা।

    ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) দ্বারা প্রকাশিত নির্দেশিকা গুলি হল-(NEET 2024)

    ১) পরীক্ষার দিন হলে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের সঙ্গে কোনো রকম স্টেশনারি আইটেম, ফোন, আনুষঙ্গিক দ্রব্য, খাদ্য সামগ্রী এবং অলংকার সঙ্গে নিয়ে ঢুকতে পারবে না। 
    ২) পরীক্ষা হলে নিজের জায়গায় অন্য কাউকে ছদ্মবেশে প্রবেশ করালে বাতিল হবে পরীক্ষা। 
    ৩) কোন রকম অসৎ উপায় ব্যবহার করে পরীক্ষার (NEET 2024) উত্তর লেখা বা এই কাজে কাউকে সাহায্য করলে বাতিল হবে পরীক্ষা।
    ৪) পরীক্ষার সময় পরীক্ষকের দেওয়া উত্তরপত্র ছাড়া অন্য কোন উত্তরপত্র গৃহীত হবেনা। 
    ৫) পরীক্ষার সময় পরীক্ষা কর্মী ব্যতীত অন্য কোনো বাইরের ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে বা যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  
    ৬) পরীক্ষা শেষে পরীক্ষা হল থেকে উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট বাইরে আনা যাবে না। 
    ৭) উত্তরপত্র ফাঁস করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
    8) পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষক বা পরীক্ষার (NEET 2024) সঙ্গে যুক্ত কোনো কর্মী বা কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে হুমকি দেওয়া যাবে না।  
    ৯) পরীক্ষার আগে বা পরীক্ষা শেষে জোর করে পরীক্ষা হলে প্রবেশ বা হল থেকে প্রস্থান করা যাবে না। 
    ১০) ওএমআর শিটে ব্যবহার করা রাফ, বা কোনরকম তথ্য মুছে ফেলা যাবে না।  
    ১১) উত্তরপত্রে কোনরকম ওভার রাইটিং করা যাবে না। 
    ১২) উত্তরপত্রে কোনোরকম ভুল তথ্য দিলে সেই ছাত্র বা ছাত্রীর পরীক্ষা বাতিল হবে। 

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পরীক্ষার নিয়মাবলী 

    প্রসঙ্গত, এবারের নিট ইউজি ২০২৪ মূলত পেন-পেপার ফর্ম্যাটেই আয়োজিত হবে। দেশের মোট ৫৭১টি শহরে সিট পড়েছে নিটের। এমনকী দেশের বাইরেও ১৪টি জায়গায় এই পরীক্ষার (NEET 2024) সিট পড়েছে। ইংরাজি, তামিল, মালয়ালম, উর্দু, বাংলা, ওড়িয়া, কন্নড়, পঞ্জাবি, হিন্দি, অসমীয়া এবং মারাঠি ও তেলুগু ভাষায় আয়োজিত হবে এই পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় (NEET 2024) মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকবে, যার মধ্যে ১৮০ টির উত্তর করতে হবে, যার মোট নম্বর ৭২০।  

    আর পরীক্ষা হলে ঢোকার সময় নিজের অ্যাডমিট কার্ড, একটা পাসপোর্ট মাপের ছবি, অরিজিনাল আইডি প্রুফ, বিশেষভাবে সক্ষম হলে তাঁর অরিজিনাল সার্টিফিকেট ইত্যাদি অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ৮টি জটিল অস্ত্রোপচারেও বাদ গিয়েছে ডান হাত! তবুও মাধ্যমিকে সফল শান্তিপুরের শুভজিৎ

    Nadia: ৮টি জটিল অস্ত্রোপচারেও বাদ গিয়েছে ডান হাত! তবুও মাধ্যমিকে সফল শান্তিপুরের শুভজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮টি জটিল অস্ত্রোপচারে ডানহাত বাদ গেলেও মনের জোরে মাধ্যমিক দিয়ে সফল ভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে শান্তিপুরের শুভজিৎ বিশ্বাস। তার সাফল্যে পরিবার এবং এলাকায় খুশির আবহ। মনের জোরে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে সাফল্যের নজির গড়ল নদিয়ার (Nadia) এই কৃতী সন্তান। তার বাবা কলকাতায় জন মজুররের কাজ করেন। মা লোকের বাড়িতে কাজ করেন। কোনও রকমে সংসার চালান, তাই আর্থিক অবস্থা ভালো না হবার কারণে মাসির বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করে শুভজিৎ। তবে দীর্ঘ প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে ২০২৪ এর মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হওয়ায় খুশি নদিয়ার (Nadia) শুভজিৎ ও তার পরিবার।

    হাতে ক্যান্সার ধরা পড়েছিল (Nadia)

    ছোটবেলায় হাতে সাইকেল পড়ে যাওয়ায় গুরুতর আহত হয় হাত। তারপর কালের নিয়মে দিনের পর দিন অসুস্থ থাকার পর, হঠাৎই হাতে ক্যান্সার ধরা পড়ে। পরবর্তীতে চিকিৎসকেরা জানান তার হাত কেটে বাদ দিতে হবে। তারপরেই বেঙ্গালুরুতে গিয়ে সমস্ত চিকিৎসা করা হয়। কিন্তু আর্থিকভাবে স্বচ্ছল না থাকার কারণে ফিরে আসতে হয় বাড়িতে। তারপর কৃষ্ণনগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্র প্রচার করে বাদ যায় ডান হাত। ঘটনায় রীতিমতো মনোবল ভেঙে পড়ে ২০২৪ এর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শুভজিৎ বিশ্বাসের। 

    শুভজিৎ-এর বক্তব্য

    নদিয়ার (Nadia) ছাত্র শুভজিৎ কথায়, “যখন হাত কাটা যায়, তখন মনোবল ভেঙে পড়ে আমার। কীভাবে পরীক্ষা দেব! তারপর বাবা-মায়ের আর্থিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অদম্য জেদ চলে আসে আমার মাথায়। নিজের মনের জোরে বাম হাত দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। তারপর দীর্ঘ দেড় মাসের প্রখর অনুশীলনে বাম হাতে লেখা অভ্যাস করে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসি। তবে আমি ভেবেছিলাম পরীক্ষায় পাশ করতে পারব না। কারণ জটিল অস্ত্রোপচার, তারপর হাত বাদ যাওয়া এবং হাতে সময় কম থাকার কারণে পড়াশুনা একদম হয়নি। পরীক্ষার প্রশ্ন হয়েছিল অনেকটা কঠিন, যেটুকু পড়াশোনা করেছি, তাতে করে পাশ করাটা খুব কঠিন ছিল। কিন্তু বাড়িতে পরিবারের সহযোগিতা এবং মনের অদম্য জেদ আমাকে সফলতার পথে নিয়ে গেছে। রাজ্য সরকারের কাছে কাতর আবেদন শুভজিৎ-এর (Nadia) যে যদি রাজ্য সরকার তার পড়াশোনার জন্য এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আর্থিক কিংবা কোনও রকম সাহায্য করে, তাহলে খুবই উপকৃত হবে পরিবার।

    আরও পড়ুনঃভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পরিবারের বক্তব্য

    অপরদিকে শুভজিৎ-এর বাবা ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস বলেন, “দীর্ঘ চার বছর ছেলেকে স্কুলে পাঠাতে পারেনি। তার হাতের অস্ত্রোপচারের কারণে পরীক্ষার আগে ডান হাতটা বাদ যাওয়ায় অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল পরিবারের সকলে। শুভজিৎ-এর ইচ্ছা ছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে, তাই আমরা যথাসাধ্য তার মনবল বাড়িয়ে (Nadia) তাকে পরীক্ষায় বসার জন্য সহযোগিতা করেছি। তারপর সাফল্য আসে, তবে ওর রেজাল্ট যাই হোক না কেন, পাস করেছে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও, এটাই আমাদের কাছে বড় পাওনা। তবে রাজ্য সরকার যদি একটুখানি পরিবারের দিকে মুখ তুলে চায়, তাহলে উচ্চশিক্ষার জন্য শুভজিৎ-এর অনেকটাই সুবিধে হবে। এখন দেখার, রাজ্য সরকার এই দুস্থ পরিবারের পাশে কতটা দাঁড়ায়? নাকি অন্ধকারেই ভবিষ্যত কাটাতে হবে শুভজিৎ-এর পরিবারকে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EVM: সন্দেহের বিরুদ্ধে বারবার লড়াই করে জিতেছে ইভিএম, ভোটের মাঝে জানুন সেই ইতিহাস

    EVM: সন্দেহের বিরুদ্ধে বারবার লড়াই করে জিতেছে ইভিএম, ভোটের মাঝে জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে হারলেই ইভিএমকে (EVM) তোপ দাগেন বিরোধীরা। তাঁরা নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপান ইভিএমের ওপরে। বর্তমানে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচন। এ সময় আবার একবার খবরের শিরোনামে এসেছে ইভিএম। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট ইভিএমের স্বচ্ছতায় সিলমোহর দিয়েছে। ইভিএমের ওপর হওয়া যাবতীয় সন্দেহকে মোকাবিলা করার জন্য বেঁচে নেই আজ সেই মানুষটি, যিনি ইভিএমের নকশা করেছিলেন। তিনি এস রঙ্গরাজন।

    এস রঙ্গরাজনের ৮৯তম জন্মদিন আজ 

    এস রঙ্গরাজন তামিলনাড়ুতে প্রসিদ্ধ ছিলেন ‘লেখক সুজাতা’ নামে। তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ তামিল লেখকদের মধ্যে অন্যতম। যিনি থ্রিলার, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, নাটক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি- এই সমস্ত বিষয় নিয়ে লেখা লিখতেন। তাঁর অসংখ্য চিত্রনাট্য আজও সমান জনপ্রিয়। আজ ইভিএম নির্মাতা এস রঙ্গরাজনের ৮৯তম জন্মদিন। দুর্ভাগ্যক্রমে ২০০৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মানুষটি পরলোকগমন করেন।

    ইভিএম তৈরির ভাবনা

    প্রসঙ্গত, রঙ্গরাজন ছিলেন ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের একজন ইঞ্জিনিয়ার। সেখানে তিনি যুক্ত ছিলেন নানা ধরনের মেশিন ডিজাইনের সঙ্গে। ১৯৮৯ সালে ইভিএম (EVM) এর পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেন তিনি। তার পরবর্তীকালে ২০০৪ সালে প্রায় ১০ লক্ষ ইভিএমে মেশিনে ভোট হয়। ১৯৭৭ সালে এস এল শাকধর যিনি ছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার, তিনি একবার হায়দরাবাদ সফর করেন। এই সময় তিনি ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডকে তৈরি করতে বলেন এমন একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, যা পরবর্তীকালে নির্বাচন পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। ১৯৭৭ সালে দেশের তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এমন অনুরোধ খুঁজে পাওয়া যায় অনিল মাহেশ্বরী এবং বিপুল মাহেশ্বরীর লেখা বই ‘India’s Experiment With Democracy: The Life of a Nation Through Its Elections’-তে।

    নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে প্রথমবার ইভিএম নিয়ে আলোচনা

    ১৯৮০ সালের অগাস্ট মাসে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের একটি বৈঠকে ভারতের নির্বাচন কমিশন (EVM) ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার কার্যকারিতা তুলে ধরে। ঠিক এই সময়ের মধ্যে ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, একটি মাইক্রোকম্পিউটার ভিত্তিক ভোটিং মেশিন তৈরি করে, যা কোম্পানির বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। একথা উল্লেখ রয়েছে অনিল মাহেশর এবং বিপুল মাহেশ্বরীর লেখা বই ‘The Power of the Ballot: Travail and Triumph in the Elections’-তে। ১৯৮১ সালের ২৯ জুলাই ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড ইভিএম তৈরির জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এর পাশাপাশি ভারত ইলেকট্রনিক লিমিটেড সে সময়ে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও এ নিয়ে একপ্রস্থ বৈঠক করে।

    ভিভিপ্যাট কবে এল?

    পরবর্তীকালে ইভিএমের (EVM) ভোটে কারচুপি হচ্ছে বলে সরব হয় বেশ কিছু বিরোধী দল। ইভিএমের ওপর যখন সন্দেহ শুরু হয় তখন চালু করা হয় ভোটার ভেরিফাইড পেপার অডিট ট্রেল, যাকে সংক্ষেপে বলা হয় ভিভিপ্যাট। আমরা ভোট দিতে গেলেই বুঝতে পারি যে ইভিএম মেশিনের সঙ্গে ভিভিপ্যাট জোড়া থাকে। ভোট দেওয়ার সঙ্গেই নিজেদের ভোট যাকে দেওয়া হয়, তার প্রমাণ পত্র হিসেবে একটি স্লিপ প্রিন্ট হয়ে যায়। এই স্লিপটি ৭ সেকেন্ডের জন্য দেখা যায়। তবে তা ভোটারদের কাছে আসে না। ভিভিপ্যাটে থেকে যায়। যাঁরা গণনা কেন্দ্রে থাকেন, তাঁরা ভোট যাচাই করতে এই স্লিপগুলিকে ব্যবহার করেন।

    ২০১০ সালে এসে ভিভিপ্যাটের ধারণা

    প্রসঙ্গত, নির্বাচন প্রক্রিয়াতে আরও স্বচ্ছতা আনতেই ২০১০ সালে ভিভিপ্যাট ধারণাটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন এই সংক্রান্ত প্রস্তাব তাদের প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ কমিটির কাছে পাঠায়। শেষমেশ তা সংযুক্ত করা হয় ইভিএমের সঙ্গে। ২০১৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বেশ কিছু এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ভিভিপ্যাট চালানো হয়। ২০১৯ সালে দেশের সপ্তদশ লোকসভার নির্বাচনে সমস্ত ইভিএম (EVM) মেশিনের সঙ্গে ভিপিপ্যাট সংযুক্ত ছিল।

    প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি কী বলছেন?

    প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এসওয়াই কুরেশি তাঁর লেখা ‘India’s Experiment With Democracy: The Life of a Nation Through Its Elections’ নামের বইতে লিখছেন, “ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি ইভিএম এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল সন্দেহ দূর করার জন্য। এছাড়া, ভোটাররা তাঁদের ভোট সঠিকভাবে দিতে পারছেন কিনা তার প্রমাণপত্র হিসেবে রাখা ছিল ভিভিপ্যাট। বেশ কিছু উপনির্বাচনে ভিভিপ্যাটকে ত্রুটিপূর্ণ পাওয়া গিয়েছে কিন্তু ইভিএম কে কখনও নয়।” কুরেশি তাঁর বইতে আরও লিখেছেন যে যতবারই কোনও রাজনৈতিক দল নির্বাচনে হেরেছে, ততবারই মেশিনকে দোষারোপ করেছে তারা। তবে তাদের কেউই প্রমাণ করতে পারেনি তাদের নিজেদের দাবি।

    এস রঙ্গরাজন কী বলতেন নিজের সৃষ্টি সম্পর্কে?

    ইভিএমের নকশাকারী এস রঙ্গরাজন তাঁর সৃষ্টিকে রক্ষা করতে কলম ধরেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, “ইভিএম (EVM) এমন একটা আবিষ্কার যা তাঁকে তার লেখার মতোই গর্বিত করেছে।” তবুও রঙ্গরাজনের মৃত্যুর এক বছর পরে ইভিএম ফের খবরে শিরোনামে আসে। যখন প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার নবীন চাওলা তার বই ‘এভরি ভোট কাউন্টস দ্য স্টোরি অব ইন্ডিয়া ইলেকশন’- এ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লেখেন, “ঝড় সমুদ্রে ইভিএম ক্রমশই বিধ্বস্ত হতে চলেছে।”  প্রসঙ্গত, হরিপ্রসাদ নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার, কয়েকজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানীর সহযোগিতায় দাবি করেছিলেন যে ইভিএমকে হ্যাক করা যায়। তবে হরিপ্রসাদ কোথা থেকে ইভিএম পেয়েছিলেন, সে কথা তিনি বলতে পারেননি। পরবর্তীকালে তাঁকে মুম্বইয়ের কাস্টম হাউস থেকে ইভিএম চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    ২৪ দেশে ইভিএমে ভোট হয় আজও

    আজও সারা পৃথিবীব্যাপী প্রায় ২৪ দেশে ইভিএমে ভোটিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন ইভিএমে (EVM) যাঁরা সন্দেহ করেন তাদের উদ্দেশে নিজেদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, “স্বঘোষিত কিছু প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং কিছু সমাজ মাধ্যমের ব্যক্তি এটা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হন যে ইভিএমকে কখনই কম্পিউটারের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। কম্পিউটার চলে একটি অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে। ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট গুলি চলে একটি বিশেষ প্রোগ্রামের মাধ্যমে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Water Crisis: বেঙ্গালুরু একা নয়, জলকষ্টের তালিকায় রয়েছে এই শহরগুলি

    Bengaluru Water Crisis: বেঙ্গালুরু একা নয়, জলকষ্টের তালিকায় রয়েছে এই শহরগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল কষ্ট (Bangaluru water Crisis) রয়েছে এমন দেশগুলির তালিকায় শীর্ষে ঠাঁই ভারতের (India)। সম্প্রতি নীতি আয়োগের (Niti Ayog) রিপোর্টের এই সত্যতা স্বীকার করেছে কেন্দ্র। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২০% মানুষ বাস করে এদেশে অথচ সারা বিশ্বের মাত্র ৪ শতাংশ পানীয় জলের স্রোত রয়েছে ভারতে। দেশে যথেচ্ছ পরিকল্পনাহীন নগরায়নের ফলে বহু শহরে জলস্তর চিন্তাজনক ভাবে কমে গিয়েছে। দেশের প্রায় সমস্ত রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে জনসংখ্যা (Population Explosion)। ফলে যত দিন যাচ্ছে মূল্যবান হয়ে উঠছে জীবনের অপর নাম জল। আগে রাজস্থানের (Rajsthan) বিভিন্ন শহর ও দিল্লি (Delhi), মুম্বাইয়ের (Mumbai) মত শহরে জলের হাহাকার ছিল। এখন সম্প্রতি সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেঙ্গালুরুর মত শহর।  

    কেন্দ্র সরকারের রিপোর্ট (Bengaluru water Crisis)

    জল শক্তি মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে জনপ্রতি পানীয় জলের প্রাপ্যতা ৭৫ শতাংশ কমেছে। স্বাধীনতার সময় জনপ্রতি পানীয় জল প্রাপ্যতা ৬০৪২ কিউবিক মিটার ছিল। ২০২১ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৬ কিউবিক মিটারে। শুধু পানীয় জলের ক্ষেত্রেই সমস্যা তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত জলও কমেছে সারা দেশ জুড়ে। দেশের নানান প্রান্তে নদী ও জলাধারে জলস্তর চিন্তাজনক ভাবে কমেছে। ভারতে টানা তিন বছর খরার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্ষার পরিমাণ দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই কমেছে। করোনা কাল থেকেই বৃষ্টি কমেছে ভারতের পশ্চিম, মধ্য, উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণাত্যের কিছু অঞ্চলে। এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় জল কমিশনের তরফে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তাতে জানানো হয়েছে শেষ পাঁচ বছরের মধ্যে এই মার্চ মাসে বিভিন্ন নদীবাঁধে ও জলাধারে যে পরিমাণ জল ছিল তা শেষ পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন স্তরে ছিল। এর জন্য এল-নিনো এফেক্টকে দায়ী করা হয়েছে। গত বছর বৃষ্টির পরিমাণ খুবই কম ছিল। ২০১৮ সালের পর বর্ষার পরিমাণ গত বছর রেকর্ড কম বর্ষা হয়েছিল।

    বহুমুখী যুদ্ধ

    জলবায়ু পরিবর্তন (Weather Change) ও জনবিস্ফোরণ ভারতের জন্য দ্বিমুখী যুদ্ধ। চলতিবছর তাপমাত্রা ভয়ানকভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে কমেছে জলস্তর। শুধু নদীর বা জলাধার জল নয় ভূগর্ভস্থ জলও কমেছে। বেড়েছে ভূগর্ভস্থ জলে আর্সেনিক ও অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিকের পরিমাণ। বহু জায়গায় অপ্রত্যাশিত বর্ষার ফলে বন্যা হয়েছে। বিশেষ করে হিমালয়ের কোলে অবস্থিত বহু শহর এই সমস্যায় ভুগছে। মৌসম ভবনের পূর্বানুমান ছাড়াই হঠাৎ হঠাৎ করে অনেক জায়গায় মেঘ ফেটে বর্ষা হচ্ছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতবর্ষে ২০২৫ সাল নাগাদ ২৪ কোটি মানুষ অসম্ভব জলকষ্টের সম্মুখীন হবেন।

    আরও খবর: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    ভূগর্ভস্থ জলের সমস্যা

    জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন নগরে পানীয় জলের ৪৮% প্রয়োজন মেটে ভূগর্ভস্থ জল থেকে। ভূগর্ভস্থ জলের স্তর প্রতি বছর কমে যাচ্ছে। বহু শহরে এখন ভূগর্ভস্থ জলের ভান্ডার নেই বললেই চলে। বাধ্য হয়ে পুরসভা আশপাশের নদী থেকে জল নিয়ে এসে তা শোধন করে বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এরই মাঝে চিন্তা বাড়াচ্ছে কয়েকটি রাজ্যের মাঝে নদীর জলবণ্টন সমস্যা। যেমন কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুর মধ্যে রয়েছে কাবেরী (Cauvery water dispute) নদী জল নিয়ে চুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা। অন্যদিকে গোয়া (Goa) ও কর্নাটকের (Karnataka) মধ্যে মহাদয়ী নদী নিয়ে ঝামেলা লেগেই রয়েছে।

    আগামীর সবচেয়ে বড় সংকট

    সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরাঞ্চলের ৪০ শতাংশ মানুষের কাছে সরাসরি জলের কল (Tap water) নেই তারা এর জন্য আশপাশের বাড়ি ও সরকারি ব্যবস্থার উপরে নির্ভরশীল। এই শহর গুলিতে নদী, খাল ও পুকুর জলপানের অযোগ্য হয়েছে বহু আগেই। বিশেষজ্ঞরা দাবি করে এসেছেন ভারতবর্ষের শহরগুলিতে জলকষ্টের জন্য বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিকল্পনার অভাব। প্রতিবছর যে পরিমাণ বর্ষা হয় সেই জল নর্দমার মাধ্যমে প্রথমে নদী ও নদীর মাধ্যমে সাগরে মিশে যায়। পাহাড়ি অঞ্চলে জল সংরক্ষণ করার চল রয়েছে। কিন্তু সমতলের শহরে জল সংরক্ষণের অভাব রয়েছে। যদি সঠিক পরিকল্পনা করে বর্ষার জল ভূগর্ভে ফিরিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে জলকষ্ট কয়েক বছরের মধ্যেই কমে যাবে। এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে ভারতবর্ষের শহরগুলিতে আগের তুলনায় খাল ও পুকুরের সংখ্যা কমে গিয়েছে। ফলে আগে যে পরিমাণ বর্ষার জল খাল কিংবা পুকুরের মাধ্যমে ফিরে যেত মাটির নীচে, বর্তমানে তা আর হচ্ছে না। বর্ষার জল ভূগর্ভে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকার স্তরে নীতিমালা নির্ধারণের প্রয়োজন আছে এবং নির্ধারিত নীতি পৌরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে কার্যকর করলেই দেশের জল কষ্টের সমস্যা আগামী কয়েক বছরে কমে যাবে।  

    বেঙ্গালুরুর সমস্যা (Bengaluru water Crisis)

    সেন্টার অফ ইকোলজিক্যাল সাইন্সের কো-অর্ডিনেটর ডঃ টি ভি রামচন্দ্র বেঙ্গালুরুর (Bengaluru water Crisis) জল কষ্ট সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানান, “বেঙ্গালুরুতে কংক্রিট এলাকা ১০৭৮ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে মাত্র কয়েক দশকে। ফলে ৮৮ শতাংশ সবুজ এলাকা নষ্ট হয়েছে। ৭৯ শতাংশ জলাশয় বুঝিয়ে ফেলা হয়েছে। ১৯৭৩ থেকে ২০২৩-এর মাঝে ৫০ বছরে যেভাবে অপরিকল্পিত নগরায়ন হয়েছে তাতে প্রশাসনের পরিপক্বতা ও সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কয়েক দশকে পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জল  যথেচ্ছ ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। তার ফলে শহরে আর কয়েক বছর পর পানীয় জলের স্রোত বলে আর কিছু থাকবে না।”

    কোন কোন শহরে সংকটে

    শুধুমাত্র বেঙ্গালুরু(Bengaluru water Crisis)  নয়, লখনউ, ভাটিণ্ডা, জয়পুর ও পাটনার মত শহরেও জলের সমস্যায় ভুগছে মানুষ। পাটনার পাশেই গঙ্গা নদী থাকা সত্ত্বেও জলের সমস্যা রয়েছে। ভারতে সমস্যার সমাধান রয়েছে। কিন্তু সবই খাতায়-কলমে। পরিকিল্পিত নগরায়ন, প্রয়োজনীয় সবুজায়ন ও বর্ষার জল সংরক্ষণ করার জন্য যা পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা স্থানীয় সরকার তরফে নেওয়া হচ্ছে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Durgapur: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন অতুল বাগদি নামে ওই বিজেপি নেতা। বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের (Durgapur) ট্রাঙ্ক রোড এলাকায়। অভিযোগের আঙুল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অতুল বাগদি বিজেপির এক নম্বর মণ্ডলের সহ সভাপতি। রাত আড়াইটে নাগাদ দুর্গাপুরের (Durgapur) ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় ভোলা পাসোওয়ান নামে এক তৃণমূল কর্মী বিজেপি নেতার বাড়ির কাছে চারচাকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করছি। বাড়ির সামনে গাড়িটি বারবার ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিজেপি নেতা বাড়ি থেকে বেরিয়ে তা দেখতে যান। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গাড়ি থেকে গুলি করা হয়। তবে, গুলিটি কোনওভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর তৃণমূল কর্মী ভোলা ও তাঁর দলবল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরই মধ্যে এই বিজেপি নেতা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পুরো ঘটনা জানিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে আর সন্ত্রাস মুক্ত ভোট করার দাবিতে শুক্রবার বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। দিন কয়েক আগে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর এজোনের কনিষ্ক সাউথ রোডের কাছে অভিষেক রায় নামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। অভিষেক তৃণমূলের নমঃশুদ্র ও উদ্বাস্তু সেলের জেলা সভাপতি ছিলেন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরের দিন রাতেই অভিষেক রায়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি ও তাঁর পরিবার। সেই ঘটনার এখনও কোনও কিনারা করতে পারেনি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঠিক এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের বিজেপির এক নম্বর মণ্ডলের সহ সভাপতি অতুল বাগদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা অতনু বাগদি বলেন, আমি বাড়িতে ঘুমিয়েছিলাম। বাড়ির কাছে গাড়ি ঘোরাঘুরি করার আওয়াজ শুনে আমি বেরিয়ে আসি। তখনই হামলা চালায়। ভোটের আগে আমার ওপর হামলা চালানোর জন্য তৃণমূল এসব করেছে। আসলে এসব করে ওরা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির লোকজন গুলি চালিয়েছে। তৃণমূল যুক্ত নয়। ভিত্তিহীন অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    Weather Update: বৃষ্টিতে ভিজবে শহর, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানে তীব্র গরম থেকে মুক্তির অপেক্ষায় রাজ্যবাসী। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরশুর পর থেকে তাপপ্রবাহের কবলের বাইরে চলে যাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। দহনজ্বালা থেকে মুক্তি পাবে দক্ষিণবঙ্গ। এতদিনে স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সোমবার রাজ্যের সব জেলায় বৃষ্টির (Rain fall) সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় আগামিকাল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার কলকাতাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টির পূর্বাভাস? (Weather Update) 

    সোমবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও শনিবার থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। হাওড়া, হুগলি ছাড়াও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার থেকেই হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনায়। 

    দহনজ্বালা থেকে মুক্তি দক্ষিণবঙ্গে 

    আবহাওয়া দফতর মনে করছে, এই বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে। তবে এখনই নিস্তার মিলবে না ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও বীরভূমে। শনিবার পর্যন্ত চলবে তীব্র তাপপ্রবাহ। কিন্তু রবিবারের পর গোটা রাজ্যেই ৪০ ডিগ্রির নীচে নামবে পারদ (Weather Update)। এমনই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    আরও পড়ুন: গিলগিট বালতিস্তানে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! খাদ থেকে বাস গড়িয়ে মৃত ২০, আহত ২১

    শহরের আবহাওয়ার আপডেট (Weather Update) 

    কলকাতায় (Kolkata) শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা শহরে তাপমাত্রা থাকবে ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    তবে এই বৃষ্টি তাপপ্রবাহ কে পরবর্তী কতদিন ঠেকিয়ে রাখতে পারবে সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে উষ্ণ এবং জলীয় হাওয়ার সংঘাতে কতটা ঘন মেঘ তৈরি হচ্ছে তার ওপর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share