Blog

  • Summer Special train: চালু হল হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি সামার স্পেশাল ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি

    Summer Special train: চালু হল হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি সামার স্পেশাল ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে গরমের ছুটি তো পড়ে গিয়েছে। আর গরমের ছুটি মানেই পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া। কারন এই ৪০-৪২ ডিগ্রী গরমে শান্তি একমাত্র পাহাড়েই। আর তাই সেদিকে নজর রেখেই এবার পূর্ব রেল তরফে গরমের ছুটিতে ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা করা হল। এসি ফার্স্ট ক্লাস থেকে ইকোনমি ক্লাস, স্লিপার ক্লাস, জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস সবই থাকছে এই সামার স্পেশাল ট্রেনে (Summer Special train)। এই বিশেষ ট্রেন চালুর মূল উদ্দেশ্য অতিরিক্ত যাত্রীদের ভিড় সামাল দেওয়া।

    চলবে ২২টি ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’ (Summer Special train)

    হাওড়া (Howrah) থেকে নিউ জলপাইগুড়ি রুটে ছুটছে ২২টি ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’। ২৬ জুন পর্যন্ত হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি (Howrah NJP Routes) রুটে চলবে এই বিশেষ ট্রেনগুলি। আবার ২৭ জুন পর্যন্ত নিউ জলপাইগুড়ি-হাওড়া রুটে চলবে সামার স্পেশাল এই ট্রেনগুলি।

    কোথায় কোথায় স্টপেজ?

    উল্লেখ্য সামার স্পেশাল ট্রেন (Summer Special train) চালিয়ে গতবার দারুণ সাড়া পেয়েছিল ভারতীয় রেল। বিভিন্ন স্টেশন যেখান থেকে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন সেই সব স্টেশন ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সব স্টেশনে সামার স্পেশাল ট্রেনের (Summer Special train) স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। এই স্পেশাল ট্রেনটি যাতায়াতের সময় ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, মালদহ টাউন, বারসোই, কিষাণগঞ্জ, আলুয়াবাড়ি রোড হয়ে চলাচল করবে। প্রতি বুধবার রাত ১১.৫৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে এনজেপি পৌঁছাবে এই ট্রেন। অন্যদিকে প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে এনজেপি থেকে ছেড়ে হাওড়ায় (Howrah) ঢুকবে রাত ১২টা ১০ মিনিটে।

    আরও পড়ুনঃ ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    এখনই বুক করুন স্পেশাল টিকিট

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত ট্রেনে বার্থ ক্রমাগত বুকিং হয়ে চলেছে , যে কোনো ক্লাসের বার্থ শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই দেরি না করে যাত্রীদের সামার স্পেশাল ট্রেনের (Summer Special train) টিকিট (Train ticket) কেটে ফেলা উচিত বলেই মনে করছেন রেলওয়ে আধিকারিকরা। পিআরএস এবং অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই এই সামার স্পেশাল ট্রেনের সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, এই স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচির বিশদ বিবরণ আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটে (IRCTC website)পাওয়া যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফা ভোটের আগে বাংলায় প্রচারের তীব্রতা আরও বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP)। ফের বঙ্গ সফরে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন বাংলায়। এর আগে মোদি উত্তরবঙ্গে একাধিক লোকসভায় জনসভা করে গিয়েছেন। এবার তিনদিনের ব্যবধানে রাজ্যে মোদি-যোগী আসায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা।

    কবে, কোথায় আসছেন মোদি-যোগী? (BJP)

    আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দলীয় প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে সভা করবেন তিনি। নদিয়া উত্তর বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক জেলার আয়োজিত ওই সভা হওয়ার কথা তেহট্ট শ্যামনগর ফুটবল প্লে-গ্রাউন্ডে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে রাজ্যের ৪২ আসনের মধ্যে অন্যতম ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্র কৃষ্ণনগর। শুধু রাজ্যের নিরিখেই নয়, গোটা দেশের নিরিখেও এবার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটি তাৎপর্যপূর্ণ। এ কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। অন্যদিকে, ৩০ এপ্রিল কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগর, বর্ধমান পূর্ব, বোলপুরে জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মালদায় সভা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ এপ্রিল বাংলায় তিনটি সভা করার কথা রয়েছে যোগীর। বহরমপুর, আসানসোল এবং বীরভূম, তিনটি জেলায় সভা করবেন যোগী। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে সাংগঠনিক প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার বহরমপুরের শক্তিপুরে, বীরভূমের বেণীমাধব স্কুল মাঠে এবং আসানসোলের নিনঘহ মাঠে সভা করবেন যোগী। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর দিন শক্তিপুরে রামভক্তদের মিছিলে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধ। একাধিক রামভক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। এবার সেই শক্তিপুরে যোগী আসায় এলাকায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন। এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে এই প্রথম আসছেন যোগী।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলছে তাপপ্রবাহ! দিনভর গরমে (Heatwave) নাজেহাল অনেকেই। কিন্তু তার মধ্যেও অনেকেই বাইরে যাচ্ছেন। কাজের জন্য ভরদুপুরেও অনেককে বাইরে যেতে হচ্ছে‌‌। কিন্তু বেলা বাড়তেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। এর ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে‌। অনেকেই এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কয়েকটি জিনিসে বাড়তি সতর্কতা রাখলেই বড় শারীরিক সমস্যা এড়ানো যাবে। এবার দেখা যাক, কোন কোন জিনিস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং ওআরএস (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে জল এবং ওআরএস রাখতে হবে। কারণ, বাইরের গরমের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আর তার জেরেই ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এমনকী হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও দেখা দিচ্ছে। তাই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল রাখা জরুরি। কিছু সময় অন্তর জল খাওয়া দরকার। এর পাশপাশি ওআরএস রাখতে হবে। যাতে শরীরে শর্করার পরিমাণ ঠিক থাকে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া দরকার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁচা আমে থাকে পটাশিয়াম। তাই শরীরে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকলে, শরীর ঠান্ডা থাকবে‌। পাশপাশি ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে কাঁচা আম। তাই এই গরমে (Heatwave) নিয়মিত কাঁচা আম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। গরম প্রতিহত করতে নিয়মিত টক ডাল, আম পোড়া সরবত খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই বাইরে যাঁদের নিয়মিত যেতে হচ্ছে, তাঁরা অবশ্যই কাঁচা আম দিয়ে তৈরি অন্তত একরকম কোনও রান্না খেয়ে অবশ্যই বাইরে যাবেন।

    তরমুজ ও ডাবের জল খাওয়ার‌ দরকার (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, তরমুজের কয়েক টুকরো অবশ্যই সঙ্গে রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে বাইরের অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। কিন্তু শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার খাওয়া জরুরি। তাই তরমুজের মতো রসালো ফল সঙ্গে থাকা জরুরি। বাড়ি থেকে তরমুজের কয়েক টুকরো কেটে টিফিন কৌটোয় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এই ফলে শরীরে শর্করা এবং জলের চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজের পাশাপাশি এই গরমে যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন তাঁদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। এর জেরে এই গরমেও লিভার ও অন্ত্র ভালো থাকে‌। তাই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানোর পাশপাশি পেটের গোলমাল দূরে রাখতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখা জরুরি

    অনেককে এই গরমেও দীর্ঘ সময় রোদে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের সান স্ট্রোকের (Heatwave) ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ঝুঁকি কমাতে তাঁদের ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার জল দিয়ে চোখ-মুখ ধোয়া দরকার। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। আবার ভিজে তোয়ালে ঘাড় ও মাথায় রাখলে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এতে সান স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমবে‌।

    রঙিন ও প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা নিয়মিত বাইরে যাচ্ছেন, তাঁদের রঙিন সরবত এবং প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই ধরনের পানীয়তে শরীরে একাধিক খারাপ প্রভাব পড়ে‌। শরীরে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি রঙিন সরবত থেকে অনেক সময়েই পেটের গোলমাল হয়। যা এই গরমে বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করবে। তাই এই ধরনের সরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: শাহি ভাষণ বিকৃত করে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, মামলা ঠুকল বিজেপি

    Amit Shah: শাহি ভাষণ বিকৃত করে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, মামলা ঠুকল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন চলাকালীনই ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে বিজেপিকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা! ডক্টরেট ডিগ্রিতে সংরক্ষণ কোটা নিয়ে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) একটি ভিডিও বিকৃত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার অভিযোগ ওঠে। ভিডিওটিতে এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণের নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা তুলে দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায় শাহকে।

    বিজেপির পদক্ষেপ

    সম্পাদিত এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। এর পরেই দিল্লি পুলিশে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। অন্যটি দায়ের করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল সাইবার উইং আইএফএস ইউনিটও একটি এফআইআর দায়ের করেছে (Amit Shah)। বিজেপির অভিযোগ, শাহের ভিডিও বিকৃত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে কেউ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন কথা কখনওই বলেননি। ভিডিওটি ভুয়ো।

    গেরুয়া পার্টির দাবি

    গেরুয়া পার্টির দাবি, তেলঙ্গনার মুসলমানদের জন্য যে অসাংবিধানিক সংরক্ষণ রয়েছে, তা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন শাহ। কিন্তু আসল কথা সরিয়ে বিকৃত করা হয়েছে শাহি ভাষণ। অভিযোগ পেয়েই পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। এক্স এবং ফেসবুককে চিঠি দিয়ে ভুয়ো ভিডিওর বিষয়ে জানতে চেয়েছে পুলিশ। সম্পাদিত এই ভিডিওটি প্রথমে কোন অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই তথ্য হাতে এলেই জানা যাবে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর উৎস সম্পর্কে।

    বিকৃত এই ভিডিওর বিষয়ে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছে পদ্ম-পার্টি। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে তেলঙ্গনা কংগ্রেসের একটি পোস্ট ভাগ করে নেন। সেখানে বিকৃত ভিডিওটি দিয়ে মালব্য লিখেছেন, “কংগ্রেস একটি সম্পাদিত ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়াচ্ছে। যা সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং ভিডিওটির মাধ্যমে বড় ধরনের সহিংসতা ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অমিত শাহ কখনওই এসসি এবং এসটি সংরক্ষণ নিয়ে কথা বলেননি। ধর্মের ভিত্তিতে মুসলমানদের দেওয়া অসাংবিধানিক সংরক্ষণ অপসারণের কথা বলেছিলেন তিনি।” মালব্য লিখেছেন, “এই ভুয়ো ভিডিওটি কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পোস্ট করেছেন। তাঁদের অবশ্যই আইনি পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে (Amit Shah)।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Suvendu Adhikari: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। এই ইস্যুতে ভোট আবহের মধ্যে তোলপাড় চলছে। এই অবস্থায় নতুন করে চাকরি দুর্নীতি নিয়ে ফের সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি।

    আরও চাকরি দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রবিবার নন্দকুমারের জনসভা থেকে চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে সরব হন  শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এদিন তিনি বলেন, ‘এসএসসি তো পহেলা ঝাঁকি হ্যায়, আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়। এসএসসি দুর্নীতির জেরে চাকরিহারা হয়েছেন অনেকে। এবার আরও বেশ কয়েকটি দুর্নীতি প্রমাণ হবে বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাহলে কি আরও অনেকে চাকরিহারা হবেন? ‘

    আরও পড়ুন: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    নাম না করে মমতাকে তোপ

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বলেন, ‘অনেকগুলো মিটিং করেছেন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। আমাকে উনি নাকি তৈরি করেছেন। আমাকে কেউ তৈরি করলে তিনি সুশীল ধাড়া, কুমুদিনী ডাকুয়া। আমার অভিভাবিকা আভা মাইতি।’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘১৯৯৫ সালে কাউন্সিলর হই। তার আগে ১৯৮৮ সালে কলেজে ইউনিয়নের জিএস। কলকাতা থেকে লাফিয়ে নন্দীগ্রামে এসেছিলেন। তিন বছর আগের কথা। ৬৫ হাজার মুসলিম ভোট ছিল। ভেবেছিলেন তা পেলে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে দেওয়া যাবে। হেরে বাড়ি গিয়েছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, কানের কাছে বাজবে হেরেছি, হেরেছি, হেরেছি।’

    অযোগ্যদের জন্য ২০ হাজারকে বলি দিয়েছেন মমতা

    মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘আদালত যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা চেয়েছিল। ৫৪০০ অযোগ্যের জন্য ২০ হাজারকে বলি দিয়েছে। যোগ্যদের নিয়ে চিন্তা নেই। অযোগ্যদের বাঁচাতে ১৮ – ২০ লাখ টাকা করে তুলেছে। বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানতে চেয়েছেন, অতিরিক্ত শূন্য পদ কারা তৈরি করেছিল? তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই। ওই সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০২২ সালের ক্যাবিনেটে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita: “শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও”

    Sri Ramakrishna Kathamrita: “শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও”

     

    অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্

          তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।

    গুরু শিষ্য-সংবাদ

    দ্বিতীয় দর্শন সকাল বেলা, আটটার সময়। ঠাকুর তখন কামাতে যাচ্ছেন। এখনও একটু শীত আছে। তাই তাঁহার গায়ে মেলেস্কিনের র‍্যাপার। র‍্যাপারের কিনারা শালু দিয়ে মোড়া। মাস্টারকে দেখিয়ে বলিলেন, তুমি এসেছ? আচ্ছা, এখানে বস।

    এ-কথা দক্ষিণ-পূর্ব বারান্দায় হইতেছিল। নাপিত উপস্থিত। সেই বারান্দায় ঠাকুর কামাইতে বসিলেন ও মাঝে মাঝে মাস্টারের সহিত কথা কহিতে লাগিলেন। গায়ে ওইরূপ র‍্যাপার, পায়ে চটি জুতা, সহাস্যবদন। কথা কহিবার সময় কেবল একটু তোতলা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)–হ্যাঁগা, তোমার বাড়ি কোথায়?

    মাস্টার–আজ্ঞা, কলিকাতায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–এখানে কোথায় এসেছে?

    মাস্টার-এখানে বরাহনগরে বড় দিদির বাড়ি আসিয়াছি। ঈশান কবিরাজের বাটী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ–ওহ্‌ ঈশানের বাড়ি!

    শ্রীকেশবচন্দ্র সেন ও মার কাছে ঠাকুরের ক্রন্দন

    শ্রীরামকৃষ্ণ–হ্যাঁগা, কেশব আছে? বড় অসুখ হয়েছিল।

    মাস্টার–আমিও শুনেছিলাম বটে, এখন বোধ হয় ভাল আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–আমি আবার কেশবের জন্য মার কাছে ডাব-চিনি মেনেছিলুম। শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর মার কাছে কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও; কেশব না থাকলে আমি কলকাতায় গেলে কার সঙ্গে কথা কব? তাই-চিনি মেনেছিলুম।

    হ্যাঁগা, কুক্‌ সাহেব নাকি একজন এসেছে? সে নাকি লেকচার দিচ্ছে? আমাকে কেশব জাহাজে তুলে নিয়ে গিছিল। কুক্‌ সাহেবও ছিল।”

    মাস্টার–আজ্ঞা, এই রকম শুনেছিলুম বটে, কিন্তু আমি তাঁর লেকচার শুনি নাই। আমি তাঁর বিষয় বিশেষ জানি না।

    আরও পড়ুনঃ “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

    গৃহস্থ ও পিতার কর্তব্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)-প্রতাপের ভাই এসেছিল। এখানে কয়দিন ছিল। কাজকর্ম নাই। বলে, আমি এখানে থাকব। শুনলাম, মাগছেলে সব শ্বশুরবাড়িতে রেখেছে। অনেকগুলি ছেলেপিলে। আমি বকলুম, দেখ দেখি ছেলেপিলে হয়েছে; তাঁদের কি আবার ও-পাড়ার লোক এসে খাওয়াবে-দাওয়াবে, মানুষ করবে? লজ্জা করে না যে, মাগছেলেদের আর একজন খাওয়াচ্ছে, আর তাদের শ্বশুরবাড়ি ফেলে রেখেছে। অনেক বকলুম, আর কর্মকাজ খুঁজে নিতে বললুম। তবে এখান থেকে যেতে চায়।    

     

    তথ্যসূত্রঃ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সংক্ষিপ্ত চরিতামৃত, ৩য় পরিচ্ছেদ, দ্বিতীয় দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের ৭২  ঘণ্টার মধ্যে রক্ত ঝরল শিলিগুড়িতে। অভিযোগ, বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করা ও জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার কারণে তৃণমূলের হাতে  গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলেন বিজেপি বুথ সভাপতি সহ ছ’ জন কর্মী। এর মধ্যে দু’জন মহিলা রয়েছেন। আক্রান্তদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাতে মাটিগাড়া ব্লকের কলাইবক্তিয়ারিতে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর করে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার রাতেই মাটিগাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মাটিগাড়া ব্লক বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসিপি, হেড কোয়ার্টার তন্ময় সরকার বলেন, হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধানসভা এলাকায় কলাইবক্তিয়ারিতে  বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি নন্দকিশোর ঠাকুরকে বিজেপির হয়ে কাজ করতে বারণ করেছিল তৃণমূল। সেই নিষেধ অমান্য করে এলাকায় তাঁরা প্রচার করেছিলেন। এমনকী ভোটের দিন বুথের কাছে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়েছিলেন। ভোট শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপির বুথ সভাপতিসহ ছ’জন বিজেপি কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালায় দুস্কুতিরা। দু’জন মহিলা সহ ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মন্ডল বলেন, তৃণমূল নেতা স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল ভোটের আগে থেকেই আমাদের বুথ সভাপতি  নন্দকিশোর ঠাকুরকে হুমকি দিচ্ছিল। রবিবার সকালে বাড়ি গিয়ে নন্দকিশোরকে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। রাতেই প্রাণঘাতি হামলা চালায় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা নন্দকিশোরবাবু বলেন, ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। আমার পাশাপাশি দু’জন মহিলা সহ আমাদের ছ’জন কর্মী গুরুতর জখম হন। এর প্রতিবাদে সোমবার আমরা মাটিগাড়া বনধের ডাক দিয়েছি। মানুষ তাতে সাড়া দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    তৃণমূলের দালাল পুলিশের মদতেই এই ঘটনা, বললেন রাজু বিস্তা

    বিজেপির দার্জিলিং লোকসভা আসনের প্রার্থী ও বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা এই ঘটানার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, রবিবার সকালে পুলিশকে অভিযোগ জানানোর পর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনা ঘটত না। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। সকালে অভিযোগ পেয়েও এই ঘটনা ঘটানোর জন্য পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে বসেছিল। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর তিনটি বোমাবাজি ছোড়ার অভিযোগ। অভিষেক রায় ওরফে রকির বাড়িতে বোমাবাজিরে জেরে আতংকিত তাঁর পরিবার এবং স্থানীয়রা। উত্তপ্ত দুর্গাপুরের (Durgapur) ইস্পাত নগরীর কনিষ্ক এলাকা। অভিযোগের তির তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতিদের দিকে। বোমাবাজির পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও অভিযুক্তরা অধরা। বিজেপি (BJP News) সূত্রে খবর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত (BJP News)

    জানা গিয়েছে পশ্চিম বর্ধমান (Paschim bardhaman) জেলার এসসি সেলের সভাপতি ছিলেন অভিষেক রায় (Abhshek Roy) ওরফে রকি। শনিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করেন তিনি। এর পরেই তাঁকে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল বাহিনী। দলবল নিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা রকি সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুপক্ষের হাতাহাতি সংঘর্ষে পরিণত হয়। রণক্ষেত্রে মত পরিস্থিতির জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। মুহুর্মুহু ইট বৃষ্টিতে আহত হয় বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এলাকায় পুলিশ আসে । দায়ের হয় অভিযোগ।এর পর রবিবার রাতে ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। বিজেপি কর্মীদের কোণঠাসা করার লক্ষ্যে অভিষেক রায়ের বাড়িতে দফায় দফায় চলে বোমাবাজি।

    আক্রান্ত নেতার বক্তব্য

    বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করার পর অভিষেক রায় অভিযোগের সুরে বলেন, ” রাতে দিকে কাজ থেকে ফিরে আমি যখন বাড়ির মধ্যে বাইক রাখতে যাচ্ছি দেখি আমাকে লক্ষ্য করে ৩টি বোম ছোড়া হয়। আমি বোমা ছোড়ার দৃশ্য দেখে ঘরে ভেতরে ঢুকে যাই। তখনই দুটি বোম ফাটে। বিকট শব্দ হওয়ায় পাড়ার লোক বেরিয়ে আসেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। একটি বোম ফাটে নি।” তৃণমূল নেতা বান্টি সিংহের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছে বলেও অভিযোগ রকির।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতিকে আক্রমণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুলিশ পৌঁছে একটি বোম উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য,”বিজেপির (BJP News) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। আদি আর নব্য বিজেপিদের মধ্যে এই ঝামেলা। আর নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলকে দোষারোপ করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবি হয়ে গেল সন্দেশখালি (Sandeshkhali Violence) মামলার শুনানি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসে। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলাই আপাতত মুলতুবি রইল। হাইকোর্টের রায়েও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত।

    কী বলছে আদালত? (Sandeshkhali Violence)

    বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এই মামলায় মহিলাদের ওপর নির্যাতন, জমি কেড়ে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। তার পরেই জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলার শুনানি মুলতুবি রাখার কথা জানায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত (Sandeshkhali Violence) এও জানিয়েছে, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। তা যেমন চলছিল, চলবে। হাইকোর্টে চলা মামলায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সন্দেশখালি মামলায় নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি জবরদখল করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাই কোনওভাবেই এর বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না।

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সন্দেশখালির তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার শাগরেদদের বিরুদ্ধে জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের একরাশ অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পুলিশের কাছে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পঞ্চান্ন দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। সিবিআই এবং ইডি হেফাজতে দিন কতক কাটিয়ে শাহজাহান আপাতত গারদে। শিবু হাজরা-সহ শাহজাহানের কয়েকজন স্যাঙাৎও গ্রেফতার হয়েছে। সন্দেশখালি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে।

    আরও পড়ুুন: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    সম্প্রতি তারই একটি মামলার শুনানিতে সিবিআইকে সিট গঠনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালি নিয়ে একটি ইমেল আইডি চালু করার নির্দেশও দেয়। সেখানেই জমা হতে থাকে অভিযোগের পাহাড়। নারী নির্যাতনের পাশাপাশি নানা বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে সিবিআইকে। সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর বেশ কয়েকবার সেখানে গিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। হাইকোর্টের এই সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করেই শুক্রবার শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানিই মুলতুবি রাখল শীর্ষ আদালত (Sandeshkhali Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে অপরাজেয় মোহনবাগান (ISL 2024)। সোজাসুজি আইএসএল সেমিফাইনালে ফিরতি লেগের ম্যাচে রবিবার যুবভারতীতে ওড়িশাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মোহনবাগান। সমর্থকদের আনন্দে ভেসে আইএসএল ফাইনালে চলে গেল সবুজ মেরুন। এবার ট্রফি জয়ের অপেক্ষা। জেসন কামিংস এবং সাহাল আব্দুল সামাদ গোল করলেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-২ জিতে ফাইনালে উঠে গেল হাবাসের ছাত্ররা। প্রথম পর্বে তারা হেরেছিল ১-২ গোলে।

    ম্যাচে মেহনবাগান

    এদিন ঘরের মাঠে ৬৬ হাজার দর্শকের সামনে প্রাধান্য বেশি ছিল মোহনবাগানেরই (ISL 2024)। দিমিত্রি পেত্রাতোসের পাশাপাশি কামিংসকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। কামিংস গোল করে আস্থার দাম রেখেছেন। চোট সারিয়ে দীর্ঘ দিন পরে নেমে গোল করেছেন সাহালও। এদিন ২২ মিনিটে গোলের দরজা খুলে দেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেসন কামিন্স। বক্সের বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের দূর্গ লক্ষ্য করে একটা শট নিয়েছিলেন পেত্রাতোস। কিন্তু, অমরিন্দরের কাছে তা প্রতিহত হয়। বাগানের ভাগ্য ভালো যে অমরিন্দর বলটা তালুবন্দি করতে পারেননি। তিনি ঠেলে সামনের দিকে পাঠিয়ে দেন। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন কামিংস। এরপর আক্রমণ বাড়াতে থআকে ওড়িশা। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ফের আক্রমণের ঝড় ওঠে। ৭১ মিনিটে অনিরূদ্ধ থাপার পরিবর্তে মাঠে নামলেন আবদুল সাহাল। হাবাস যেন কোনওক্রমে ম্যাচটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে চাইছিলেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর আরও ৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। ৯৩ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। 

    সাহালের স্বপ্ন

    জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন। সেই চোট সারতে লেগে গেল প্রায় তিনটে মাস। অপেক্ষা ছিল কবে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন তিনি। মাঠে তো নামলেনই, গোল করে মোহনবাগানকে আইএসএলের ফাইনালে তুলে দিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ম্যাচের পর সাহাল বলেন, “মাঠে নেমে যে ভাবেই হোক দলকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কোচ বলেছিলেন, বুদ্ধি দিয়ে খেলো। মাঠে খোলা মনে থাকো। কোনও রকম চাপ মাথার মধ্যে নেবে না। আমি সেটাই করেছি। এত দিন ধরে এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে আমাকে। চোট-আঘাত ফুটবলেরই অংশ। আমি ধৈর্য রেখেছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করেছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা ফাইনালে উঠেছি।” সাহাল বলেন, “মাঠে আসার পর একটাই লক্ষ্য ছিল, বক্সের মধ্যে যতটা সম্ভব থেকে সুযোগের অপেক্ষা করা। মনবীর অসাধারণ খেলেছে। আমার নয়, ওটা ওর গোল। আমরা একটা দল হিসাবে খেলি। এটা দলেরই গোল।”

    আরও পড়ুন: আগামী তিন দিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কী বলছে আলিপুর?

    তৃপ্ত হাবাস

    লিগ-শিল্ড (ISL 2024) আগেই জিতেছিল সবুজ-মেরুন। এ বার ফাইনাল জিতে ‘ডাবল’ করার সুযোগ তাদের সামনে। ম্যাচের পর তৃপ্ত স্যার হাবাস। সেমিফাইনালে পরিকল্পনা কী ছিল? হাবাসের সাফ জবাব, “আমি আর আমার দল হারার আগে হারতে জানে না। ৯০ মিনিট লড়াই করতে হবে এই বার্তা দিয়েছিলাম দলকে। দল সেটা করে দেখিয়েছে। দ্রুত সম্ভব গোল করার লক্ষ্য নিয়েই আমরা নেমেছিলাম। কিন্তু ম্যাচটা অনেক লম্বা হবে, এই আশঙ্কাও ছিল। শারীরিক ভাবে আমরা অনেক ভাল জায়গায় ছিলাম। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।” 

    রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল যুবভারতী। শিল্ড জয়ের দিন ৬১,৭৭৭ আর সেমিফাইনালে সেটাও ছাপিয়ে গিয়ে যুবভারতী গর্জন শুনল ৬২,০০৭ সমর্থকের। তারও ভুয়সী প্রশংসা শোনা গেল হাবাসের গলায়। জানালেন, “সমর্থকদের গর্জন ফুটবলারদের এনার্জি জুগিয়েছে। বিশ্বাস ছিল আমরা পারব। এত সমর্থক পুরো ম্যাচে আমাদের পাশে থেকেছে। চাপের ম্যাচে এটা অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share