Blog

  • India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    India US Relation: ‘ভারতকে বোঝেইনি’, মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ মার্কিন রিপোর্টে করা হয়েছে, তাকে পক্ষপাতিত্বমূলক আখ্যা দিল ভারত (India US Relation)। শুধু তাই নয়, আমেরিকার এই অভিযোগ ভারত সম্পর্কে দুর্বল মূল্যায়ন বলেও জানিয়েছে নয়াদিল্লি। মণিপুরে হিংসার আগুন নেভার পর সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রিপোর্টে।

    কী বলছে বিদেশমন্ত্রক? (India US Relation)

    এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “রিপোর্টটি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের) দারুণভাবে পক্ষপাতিত্বমূলক। ওরা যে ভারতকে বোঝেনি, এই রিপোর্টেই তা স্পষ্ট। আমরা একে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি না। আপনাদেরও (সাংবাদিকদের) বলছি, একে এত গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই।” সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে ‘২০২৩ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্র্যাকটিসেস: ইন্ডিয়া’ শীর্ষক রিপোর্ট। এই রিপোর্টেই মণিপুরের সাম্প্রতিক হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে যে মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, ফলাও করে তাও বলা হয়েছে।

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    তার পরেই বলা হয়েছে, এর পরিণতিতে মণিপুরে তাৎপর্যপূর্ণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (India US Relation)। উল্লেখ্য যে, ঘটনাটিকে (মানবাধিকার লঙ্ঘনের) লজ্জাজনক আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। ফেব্রুয়ারি মাসে যে রিপোর্ট স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরে পরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মার্কিন রিপোর্টে বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে ১৪ ফেব্রুয়ারি আয়কর দফতর যে খানাতল্লাশি চালিয়েছিল, তারও উল্লেখ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের যেসব ইক্যুইপমেন্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, সেসবেরও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ‘মোদি’ পদবিকে অপমান করার যে অভিযোগ উঠেছিল তাও উঠে এসেছে মার্কিন রিপোর্টে। এই ঘটনার জেরে লোকসভার সাংসদ পদ খোয়াতে হয়েছিল রাহুলকে। পরে অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয় রাহুলকে। এ প্রসঙ্গেরও অবতারণা করা হয়েছে ওই রিপোর্টে (India US Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: গরম উপেক্ষা করে মুর্শিদাবাদে মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: (Murshidabad) মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের জিয়াগঞ্জে বিজেপি (B.J.P.) প্রার্থী গৌরী শংকর ঘোষের সমর্থনে রোড শো করলেন তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।  জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে এই বর্ণাঢ্য রোড শো শুরু হয়। রোড শোয়ে পা মেলান কয়েক হাজার বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থক। রোড শো চলাকালীন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। চড়া রোদ ও দাবদাহ উপেক্ষা করে হাজারো কর্মী সমর্থক কয়েক কিলোমিটার হাঁটলেন প্রার্থীর সমর্থনে। প্রচুর সাধারণ মানুষ বিজেপি প্রার্থী ও তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে রাস্তার ধারে জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদেরও অনেকে এদিন মিছিলে পা মেলান। প্রচারের একেবারে শেষ পর্বে ঝড় তুলে দিল বিজেপি। যা কর্মী সমর্থকদের মনোবল বাড়াতে অনেকটাই সুবিধা করবে। 

    মিঠুনের রোড শোয়ে জনজোয়ার

    গত লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি এই আসনে সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে অনেক সুবিধা জনক জায়গায় ছিল। যদিও জয়ী হন আবু তাহের খান। সংখ্যালঘু উদ্দেশ্য অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হিন্দুদের ভোট অনেকটাই নিজেদের শিবিরে আনতে সক্ষম হয়েছিল বিজেপি। হয়েছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এমনকী গত লোকসভায় জিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়েছিল। এবার এই কেন্দ্রে জয় পেতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বিজেপি কর্মী রঘুনাথ হাজরা এদিন বলেন, “সকাল থেকেই মিঠুনের অপেক্ষায় আমরা জড়ো হয়েছিলাম। প্রার্থীকে এবার জেতাতে হবে। এই জোর আমাদের মনে আছে। আমরা জিয়াগঞ্জ সহ আরও বেশ কয়েকটা বিধানসভা থেকে লিড দেব। এবং আমাদের প্রার্থী মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হবে। তার জন্য প্রতিজ্ঞা নিয়ে দিনের রোড শোয়ে আমরা পা মিলিয়েছি। আমরা প্রচারে বেশ ভাল সাড়া পাচ্ছি। গতবার একটুর জন্য হাতছাড়া হয়েছিল এই লোকসভা কেন্দ্র। এবার আর সেটা হবে না আমরা এই কেন্দ্রেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার দিতে চাই”। এদিন জিয়াগঞ্জের বাগদহ মোড় থেকে নেতাজি মোড় পর্যন্ত রোড স করে বিজেপি। এদিন বেলা বারোটা নাগাদ জিয়াগঞ্জ বাগদহের মোড় থেকে গৌরীশংকর ঘোষ কে সঙ্গে নিয়ে রোড-শো শুরু হয়। জিয়াগঞ্জ ফুলতলা বাস স্ট্যান্ড হয়ে জিয়াগঞ্জ বাজারের রাজপথ ধরে নেতাজি মূর্তি পাদদেশে মিঠুন চক্রবর্তীর রোড শো শেষ হয়। রোড শোয়ে উপচে পড়়ে ভিড়।

    বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে

    এবার বিজেপি মিঠুনকে বাংলা এবং ত্রিপুরায় তারকা প্রচারকের তালিকায় রেখেছে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদে জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী ধনঞ্জয় ঘোষের হয়ে প্রচারে আসেন মিঠুন চক্রবর্তী। নবগ্রামের চাণক এলাকায় তিনি নামেন। তারপরেই তার প্রচার শুরু হয়। সেখানে তিনি একটি জনসভায় অংশগ্রহণ করেন, “বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ভিড়ের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজন মহাগুরুকে দেখার জন্য ভিড় করে। এদিনের সভায় মিঠুন বলেন, বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করুন। বিজেপি সোনার বাংলা উপহার দেবে। আর তৃণমূলের নাম করে বলেন, অন্যদলকে ভোট দিলে চাকরি দুর্নীতি, বালি চুরি, গরু চুরি, সন্দেশখালির মতো মেয়েদের ওপর অত্যাচার হবে। এদিন মিঠুন তাঁর সিনেমার কয়েকটি ডায়লগ একটু ঘুরিয়ে বলেন। কারণ, সিনেমার দায়লগে কয়েকটি শব্দ নাকি হিংসাশ্রয়ী। আদর্শ আচরণ বিধির জন্য মিঠুনের নতুন ডায়লগে প্রচুর হাততালি পড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    Bankura: “চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই”, বিস্ফোরক সৌমিত্র খাঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই ইস্যুতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই যোগ্যরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই আবহের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বাঁকুড়ার (Bankura) সভায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সৌমিত্র খাঁ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    চাকরীপ্রার্থী পিছু আট লক্ষ করে টাকা চেয়েছিলেন অভিষেকের ভাই (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) রতনপুরে নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, তৃণমূলে থাকার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছু ছেলের চাকরির জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তাঁর ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেছিলেন। আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গেলে তিনি প্রার্থী পিছ আট লক্ষ টাকা দাবি করেন। সৌমিত্রর কথায়, ” আমি ওনার ছোট ভাই আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললাম অভিষেকদা বলল চাকরি করে দেবেন। তো কী করতে পারবেন? আমায় বললেন, দাদা তোমার কাছ থেকে বেশি নেব না। এক কাজ করো আট লক্ষ টাকা আর দু’লক্ষ টাকা তোমার জন্য। মোট ১০ লক্ষ টাকা করে ১০০টা ক্যান্ডিডেট এনে দিতে পারো।”  এরপরই সৌমিত্র খাঁ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চোর দাবি করে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা আসতেন আমি তাঁর প্যান্ট জামা খুলে নিতাম।” শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ আদালত যে করছে তা বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। এই নির্বাচনে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বড়জোড়ার (Bankura) তৃণমূল বিধায়ক অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ওর হিম্মত রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাক খুলে নেওয়ার? ও তো তিনটে-চারটে লোক আর পয়সার থলি নিয়ে ঘুরছে। আর এই ভোটে পাবলিক ওকে যোগ্য জবাব দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rose Valley Case: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    Rose Valley Case: রোজভ্যালি মামলায় সিবিআই চার্জশিটে সাধন-কন্যার নাম, আরও গাড্ডায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে আরও গাড্ডায় পড়ল তৃণমূল। রোজভ্যালি মামলায় (Rose Valley Case) সিবিআই যে চার্জশিট পেশ করেছে, সেখানে এক নম্বরেই রয়েছে শ্রেয়া পাণ্ডের নাম। শ্রেয়া উত্তর কলকাতার তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বাবা প্রয়াত সাধন পাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।

    শ্রেয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ (Rose Valley Case)

    চার্জশিটে সিবিআইয়ের অভিযোগ, রোজভ্যালির ২ কোটি ২২ হাজারেরও বেশি টাকা গিয়েছে শ্রেয়ার দুই সংস্থায়। রোজভ্যালির টাকায় চিনও ঘুরে এসেছেন এই তৃণমূল নেত্রী। ওড়িশার ভুবনেশ্বর আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, মন্ত্রিকন্যা হওয়ায় প্রভাবও খাটিয়েছেন শ্রেয়া। চিটফান্ড সংস্থা রোজভ্যালির (Rose Valley Case) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত শ্রেয়াকে। তাঁর সংস্থা রোজভ্যালির বিভিন্ন কাজের বরাতও পেয়েছিল। অভিযোগ, মন্ত্রিকন্যা হওয়ার সুবাদে প্রাপ্য টাকার চেয়েও বেশি টাকা দেওয়া হয়েছিল শ্রেয়ার সংস্থাকে।

    সিবিআইয়ের দাবি

    সিবিআইয়ের দাবি, রোজভ্যালি চিটফান্ড জানা সত্ত্বেও শ্রেয়া এই সংস্থার ব্যবসা বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছেন। উল্লেখ্য, সিবিআই চার্জশিটে শ্রেয়ার নাম থাকলেও, ইডির চার্জশিটে নাম নেই তাঁর। ইডি সূত্রে খবর, তদন্ত চলছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে শ্রেয়ার নাম যোগ করা হতে পারে। সিবিআইয়ের চার্জশিটের এক নম্বরে শ্রেয়ার নাম রয়েছে শুনে, উত্তর কলকাতা বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় বলেন, “এই দুর্নীতির পয়লা নম্বর অভিযুক্ত হচ্ছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি আপাতত জামিনে রয়েছেন। শ্রেয়ার নামও তালিকায় রয়েছে। আশা করি, ওঁর বিরুদ্ধেও উপযুক্ত পদক্ষেপ করবে তদন্তকারী সংস্থা।” সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে অভিযুক্ত শ্রেয়া বলেন, “সরকারিভাবে আমায় কিছু জানানো হয়নি। এখনও অবধি আমার কাছে কোনও নোটিশ আসেনি।”

    আরও পড়ুুন: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    ২০১৩ সালে প্রকাশ্যে আসে সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি। ওই মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন সংস্থার কর্ণধার সুদীপ্ত সেন, দেবযানী মুখোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। এর পরে পরেই গ্রেফতার করা হয় আর এক চিটফান্ড রোজভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকেও। তার পর একে একে প্রকাশ্যে আসে এমপিএস, পিনকন, টাওয়ার, ত্রিভুবন অ্যাগ্রো-সহ বেশ কিছু চিটফান্ডের নাম। সেই মামলায় এখনও জেলবন্দি রয়েছেন সুদীপ্ত, গৌতম, অনুকূল মাইতিরা (Rose Valley Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    Sandeshkhali Incident: পুলিশের পর সন্দেশখালিকাণ্ডে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের পর এবার সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই। সন্দেশখালির ঘটনায় (Sandeshkhali Incident) আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে ই-মেল আইডি তৈরি করে স্থানীয়দের অভিযোগ গ্রহণ করে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, মেল আইডি খুলে দিতেই সন্দেশখালি থেকে আসা লিখিত অভিযোগ উপচে পড়ে সিবিআইয়ের মেলবক্সে। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার তদন্তকারী সংস্থা সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে নেমে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল।

    চাপে পড়ে পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে

    সন্দেশখালিকাণ্ডে এর আগে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) সহযোগী তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে ধর্ষণের দুটি অভিযোগ দায়ের করেছিল পুলিশ। বসিরহাট মহকুমা আদালতে অভিযোগকারিণীর গোপন জবানবন্দির ভিত্তিতে শিবু হাজরার (Shibu Hazra) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল শিবু-সহ মোট তিন জনের বিরুদ্ধে। এ বার সন্দেশখালিকাণ্ডে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
    ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের।

    ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলে সিবিআই

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ই-মেইলে আসা অভিযোগের ভিত্তিতে এক নির্যাতিতার বাড়ি গিয়ে কথা বলেন তাঁরা (Sandeshkhali Incident)। অভিযোগকারিনী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড করে সিবিআই (CBI)। সেই বয়ানের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ। তবে ধর্ষণে অভিযুক্ত কে বা কারা তা জানা যায়নি।

    গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের

    উল্লেখ্য শাহজাহান পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর প্রথমে সিবিআই হেফাজত এবং তার পরে ইডি হেফাজতে ছিলেন। বর্তমানে জেলে রয়েছেন শেখ শাহজাহান। গ্রেফতার হয়েছেন শিবু-সহ শাহজাহানের শাগরেদরাও। গত ১০ এপ্রিল সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইকে (Sandeshkhali Incident) দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে রাজ্য পুলিশকে সব রকম সাহায্য করার নির্দেশ দেয় আদালত। আর এর পরেই আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে নারী নি‌র্যাতনের অভিযোগ দায়ের করল সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    CBI: আরও প্যাঁচে ‘কালীঘাটের কাকু’, সুজয়কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলেছে এমনটাই আদালতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সেই আবহে জেলে গিয়ে তাঁকে জেরা করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হল সিবিআই (CBI)। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য বুধবার কলকাতার বিচার ভবনের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছে সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে তদন্তের জন্য তাঁকে জেরা করার প্রয়োজন আছে জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই (CBI)। এমনকি এই মামলায় দ্রুত অয়ন শীল ও শান্তনু বন্দোপাধ্যায়কেও জেরা করতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। আরও জানা গেছে আলিপুর আদালতকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছে এনিয়ে নগর দায়রা আদালত।

    রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কলকাতার ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে একটি মুখ বন্ধ খামে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট তাদের দফতরে আসে বলে ইডি সূত্রে খবর। এরপর সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালীন তদন্তের স্বার্থে কয়েকটি বিষয় প্রকাশ্যে আনেননি। তবে দুই পক্ষের কথোপকথন থেকে জানা যায় কণ্ঠস্বরের রিপোর্ট মিলেছে। তবে সেই রিপোর্টে খুশি নয় আদালত। কারণ কণ্ঠস্বর মেলার পর যা করণীয় তা করা হয়নি এমনটাই মনে করেছে আদালত। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কল রেকর্ডিং এবং পরে সংগ্রহ করা কণ্ঠস্বরের নমুনা ইতিবাচক রয়েছে একথা আদালতে জানানো হলেও যার সঙ্গে কথা সুজয়ের কথা হয়েছিল তাঁকে এখনও হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলেই জানা গেছে। কণ্ঠস্বরের নমুনার রিপোর্ট চলে আসায় সেই জটিলতা অনেকটাই কেটে গেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে খবর।

    গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের দীর্ঘদিন ঠিকানা ছিল হাসপাতাল। অসুস্থতার অজুহাতে কখনও সরকারি আবার কখনও বেসরকারি হাসপাতালে থেকেছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। মাঝে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর হার্টে অস্ত্রপচার করা হয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে ইডি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে কী উঠে এসেছে তা এখনও জানা যায়নি। প্রসঙ্গত ৩ জানুয়ারি জোকা ইএসআই হাসপাতালে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিন”, চাকরিহারাদের বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার পর তৃণমূল থাকবে না। যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন তাদের বলব, ভোটের আগে তৃণমূল নেতাদের কাছে যান, কলার ধরে চাকরির টাকা ফেরত নিয়ে নিন।” বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, তৃণমূল আমলে যারা চাকরি পেয়েছেন, কার চাকরি থাকবে, কার চাকরি যাবে বলা অসম্ভব। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তারা তো টাকা দিয়ে চাকরি পাননি। তাহলে তো আটা ও ভুষি এক হয়ে যাচ্ছে। যারা ঘুষ নিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাদের চাকরি যাচ্ছে আর যারা পড়াশুনা করে চাকরি পেয়েছেন, তাদেরও চাকরি চলে যাচ্ছে।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিকে রাত পোহালেই দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন বালুঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত, বুথের অবস্থা কি তার খোঁজ খবর নিচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী। এদিন দুপুরে বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরাম এলাকায় যান বিজেপি প্রার্থী। সেখানে দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত। পাশাপাশি ওই এলাকায় কিছু তৃণমূলের লোকজন একটু হুমকি দিচ্ছে। তারা আবার দিনের বেলা বেরতে পারে না বলে জানান বিজেপি কর্মীরা । দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন সুকান্ত মজুমদার এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এদিন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আলিপুর, গোপালপুর ও হিলি ব্লকের তিওর সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেরান।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কী বললেন সুকান্ত?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বুধবার তো প্রচার শেষ হয়েছে। তাই, এদিন বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কি না, কেউ ভয় দেখাচ্ছে কি না এইসব শুনছি। ছোট খাটো ধমকানো চমকানো চলছে। ভয় দেখানো হচ্ছে, বিভিন্ন ভাতা বন্ধ হবে এইসব চলছে। মুর্শিদাবাদের বড়ঞাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীর হাত উড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বোমা বাধঁতে গিয়ে হাত উড়েছে। পশ্চিমবঙ্গ হল বোমা শিল্পর জন্য বিখ্যাত। মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এইসব জায়গায় বোমা ঘরে ঘরে কুটির শিল্প এখন। বোমা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque Case: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    Gyanvapi Mosque Case: এবার ‘বিদেশ থেকে’ প্রাণনাশের হুমকি-ফোন জ্ঞানবাপী মামলার বিচারককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রাণনাশের হুমকি জ্ঞানবাপী মামলার (Gyanvapi Mosque Case) বিচারককে। জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় বির্তকে ইতি টানতে অতিরিক্ত দায়রা বিচারক রবি কুমার দিবাকর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগকে বিতর্কিত কাঠামোর পুরাতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

    হুমকি-ফোন (Gyanvapi Mosque Case)

    তাঁর অভিযোগ, একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। চলতি সপ্তাহে এসএসপি সুশীল চন্দ্রভান ঘুলেকে লেখা চিঠিতে দিবাকর লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে বিদ্বেষপূর্ণ ফোন পাচ্ছেন তিনি। দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকিও। এটা খুবই উদ্বেগজনক।’ এর আগেও একবার দিবাকরকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এলাহাবাদ হাইকোর্ট দিবাকরের জন্য ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছিল। পরে তা নামিয়ে আনা হয় এক্স ক্যাটেগরিতে। তার পরেই ফের এল হুমকি-ফোন (Gyanvapi Mosque Case)।

    নিরাপত্তা অপর্যাপ্ত

    বর্তমানে দিবাকরের নিরাপত্তায় রয়েছেন দু’জন নিরাপত্তারক্ষী। হুমকি ফোন আসার পরে তাঁদেরই একজন জানিয়েছেন, দিবাকরের নিরাপত্তা অপর্যাপ্ত। কারণ জঙ্গি হামলার মোকাবিলায় অত্যাধুনিক যেসব অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন, তা তাঁদের নেই। ২০২২ সালে জ্ঞানবাপী মামলায় বিতর্কিত কাঠামোর পুরাতাত্ত্বিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন দিবাকর। তার পরেই এসেছিল হুমকি-ফোন। সেই সময় দিবাকর বলেছিলেন, ‘এই সিভিল কেসকে এক্সট্রাঅর্ডিনারি কেসে পরিণত করতে একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভয়ের বাতাবরণ এমনই যে, আমার নিরাপত্তা নিয়ে আমার পরিবার উদ্বিগ্ন। তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমিও উদ্বিগ্ন। আমি যখনই বাড়ির বাইরে যাই আমার স্ত্রী বারংবার আমার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।’

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    দিবাকরের স্ত্রীর উদ্বেগ যে নিছক কথার কথা নয়, তার প্রমাণ মিলেছিল গত বছরই। সেবার দিবাকরের লখনউয়ের বাড়ির সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার এক সদস্যকে। সেই সময় শাহাজাহানপুরের এসএসপি অশোক কুমার মিনা দিবাকরের ভাইয়ের বাড়ি প্রহরায় একজন বন্দুকধারী পুলিশ কর্মী নিয়োগ করেছিলেন। দিবাকরের ভাইও অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ। লোকসভা নির্বাচনের মুখে সেই পুলিশ কর্মীকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বেরিলিতে। এই দিবাকরই ২০১৮ সালে বেরিলি হিংসা মামলায় স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। মূল চক্রী বলে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন প্রবীণ ধর্মগুরু তাকির রাজাকে (Gyanvapi Mosque Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Horlicks: আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয় হরলিক্স! ঘোষণা প্রস্তুতকারী সংস্থার, কেন জানেন?

    Horlicks: আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয় হরলিক্স! ঘোষণা প্রস্তুতকারী সংস্থার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্নভিটার পর এবার হরলিক্স (Horlicks)। এগুলি আর স্বাস্থ্যকর পানীয় নয়। এই পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘হিন্দুস্তান ইউনিলিভার’ হরলিক্সের বোতল থেকে ‘হেল্‌থ ফুড ড্রিঙ্কস’ ট্যাগটি সরিয়ে নিচ্ছে। বদলে লেখা হয়েছে, ‘ফাংশানাল ন্যাশনাল ড্রিঙ্ক’ (এফএনডি)। এই খবর সামনে আসতেই মাথায় হাত পড়েছে অভিভাবকদের। বাচ্চাদের এই ধরনের পানীয় দেবেন কি না তা নিয়ে চিন্তায় বাবা-মায়েরা।

    কেন নয় স্বাস্থ্যকর পানীয়

    বুস্ট, বোর্নভিটা, হরলিক্সের (Horlicks) মতো পানীয়ে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই ধরনের পানীয় সাধারণত শিশু এবং বয়স্করাই খেয়ে থাকে। ফলে বাড়ন্ত বয়সে এবং বার্ধক্যে অত্যধিক চিনি শরীরে প্রবেশ করলে ক্ষতি হতে পারে বলেই অনেকের মত। শরীরে অতিরিক্ত চিনি প্রবেশ করলে তাতে ওবেসিটি বাড়ে। যা থেকে নানা সমস্যা দেখা যায়। ফলে এগুলিকে স্বাস্থ্যকর পানীয় বলা যায় না।

    কী জানাল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    ‘হিন্দুস্তান ইউনিলিভার’-এর চিফ ফিনানশিয়াল অফিসার রীতেশ তিওয়ারি জানিয়েছেন, হরলিক্স (Horlicks) এখন থেকে ‘এফএনডি’ বিভাগভুক্ত। তবে বদল এলেও গ্রাহক বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের হরলিক্সের প্রতি আস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে নজর দেওয়া হচ্ছে।  ‘এফএনডি’ হল কারও জীবনযাপন অনুসারে পুষ্টির চাহিদা মেটায়। এই ধরনের পানীয় প্রোটিন এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি পূরণ করে।

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    কেন এই পদক্ষেপ

    ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস বা (NCPCR) সম্প্রতি জানিয়েছে, ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অ্যাক্ট, ২০০৬-এর আওতায় হেলথ ড্রিংকসের কোনও সংজ্ঞা নেই। এপ্রিলের শুরুতে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) সমস্ত ই- কমার্স ওয়েবসাইটগুলিকে দুধ বা মল্টকরা পানীয়গুলোকে হেলথ ড্রিংকসের তালিকায় আনতে নিষেধ করেছিল। FSSAI এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে, ভুল শব্দের ব্যবহার গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করতে পারে, তাই সমস্ত ওয়েবসাইটগুলিকে এমন প্রোডাক্ট হেলথ ড্রিংকস ক্যাটেগরি থেকে সরাতে বা বিজ্ঞাপনগুলি সংশোধন করতে বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    Lok Sabha Election 2024: ভোট প্রচারে বেরিয়ে কাঞ্চনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে আবার সামনে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। ভোটের প্রচারে বেরিয়ে উত্তরপাড়ার বিধায়ক তথা অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে গাড়ি (campaign car) থেকে নামিয়ে দিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই মনমরা হয়ে কাঞ্চন বেরিয়ে গেলেন কল্যাণের প্রচার (election campaign) ছেড়ে। এই ঘটনার জেরে শুরুতেই তাল কাটে কল্যাণের প্রচারের।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Lok Sabha Election 2024) 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে কোন্নগর নবগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট (Lok Sabha Election 2024) প্রচার ও জনসংযোগে বের হন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (kalyan bandhopadhyay)। এই প্রচারে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক এবং অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (kanchan mallick)। কিন্তু প্রচার শুরু হতেই ঘটে বিপত্তি। গাড়ি থেকে নেমে যেতে বলা হয় বিধায়ককে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, কাঞ্চনকে দেখলেই গ্রামের মহিলারা ‘ভীষণ রিয়্যাক্ট’ করছেন। তাই তিনি কাঞ্চনকে তাঁর সঙ্গে গ্রামে প্রচারে যেতে মানা করেছেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,”আমি ওঁকে আগেই বলে দিয়েছিলাম, গ্রামে এসো না। আমি ব্যক্তি বিশেষের জন্য নই, আমি সমষ্টিগত মানুষের সুখের জন্য। একজনের সুখের জন্য আমি সমষ্টিগত মানুষকে কষ্ট দিতে পারব না।”এরপর কাঞ্চন এক দলীয় কর্মীর বাইকের পিছনে বসে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। কাঞ্চনের অনুগামীদের সূত্রে খবর, ঘটনার পর তিনি কলকাতায় ফিরে গেছেন।

    আরও পড়ুন: শ্রীরূপার বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য, অভিষেকের বিরুদ্ধে কমিশনে বিজেপি

    কাঞ্চনের বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায়

    প্রসঙ্গত, কাঞ্চন টলিউডের (tollywood actor) একজন জনপ্রিয় অভিনেত। কিন্তু, বর্তমানে ব্যক্তিগত কারণে শিরোনামে  আছেন তিনি। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর খুব সম্প্রতি আবারো বিয়ে করেছেন অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। আর কাঞ্চনের এই বিয়ে নিয়েই শোরগোল টলিপাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র। আর এদিনের প্রচারে কাঞ্চনকে দেখে সেই নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে দাবি কল্যাণের। যদিও কল্যাণ স্পষ্ট করেননি, গ্রামের মহিলারা ঠিক কোনও কারণে কাঞ্চনকে নিয়ে আপত্তি করছেন। অন্যদিকে গোটা ঘটনায় কাঞ্চন মল্লিকের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share