Blog

  • Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় চাহিদা সবচেয়ে বেশি, দ্বিতীয়-তৃতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফায় বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। চলতি লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের জন্য দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ, ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রস্তাব করেছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মোতায়েনের পরিকল্পনা যে ভাবে চলছে, তাতে চতুর্থ দফাতেই বাহিনীর চাহিদা সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে অনুমান। 

    কী বলছে কমিশন

    মুখ্য নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) আধিকারিকের দফতরের অনেকে মনে করছেন, রাজ্যে প্রতি দফায় বাহিনীর চাহিদা বাড়ছে। সেই অনুপাতে চতুর্থ দফায় বাহিনীর প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি হবে বলে অনুমান। ১৩ মে চতুর্থ দফায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হবে। স্বাভাবিক ভাবেই বুথ সংখ্যা বাড়বে। আগের দফাগুলির তুলনায় বেশি থাকতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ (ক্রিটিকাল) এবং অতি-ঝুঁকিপূর্ণ (ভালনারেবল) এলাকার সংখ্যাও। এক আধিকারিকের কথায়, ‘‘একটি দফার ভোট শেষ হওয়ার পরেই পরের দফার জন্য বাহিনীর তথ্য পাঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে চতুর্থ দফায় বেশি সংখ্যায় বাহিনী প্রয়োজন।’’নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, চতুর্থ দফায় প্রায় ৭৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তম দফায় রাজ্যে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাটা প্রায় পৌঁছে যাবে ১২০০ কোম্পানিতে। 

    আরও পড়ুন: কোথায় উঠবে তাপমাত্রার পারদ! লু-তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, কবে নামবে বৃষ্টি?

    দ্বিতীয় দফায় কোথায় কত বাহিনী

    দ্বিতীয় দফায় ভোটের দিন জেলার পুলিশ কন্ট্রোলরুমগুলিতে থাকবেন আধা সামরিক বাহিনী। জেলার কোথায়, কী ধরনের গোলমাল চলছে তার নজরদারি রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) থাকছে ৩০৩ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃতীয় দফায় সেই সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৪০৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দ্বিতীয় পর্বে দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৮৮ কোম্পানি। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ১১১ কোম্পানি। বালুরঘাটে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ৭৩ কোম্পানি। মোট মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ৩ টি লোকসভা কেন্দ্রে কাজে লাগানো হবে ২৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কোথায় উঠবে তাপমাত্রার পারদ! লু-তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, কবে নামবে বৃষ্টি?

    Weather Update: কোথায় উঠবে তাপমাত্রার পারদ! লু-তাপপ্রবাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ, কবে নামবে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দহন-জ্বালায় জেরবার জনজীবন। আগুন ঢালছে সূর্যদেব। বেলা ১১টার পর বাইরে বার হওয়া যেন বিভীষিকা। প্রকৃতির এই রুদ্রমূর্তি দেখে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠছে জনমানসে। মানুষের প্রার্থনা আর না, এবার ধারাপাতে ভিজুক ধরিত্রী। কিন্তু, তাঁদের আশায় জল ঢেলে আপাতত আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Weather Update) বার্তা, এপ্রিল মাস জুড়ে দক্ষিণবঙ্গে রয়েছে তাপপ্রবাহের (Heat Wave) সম্ভাবনা। মে মাসের প্রথম সপ্তাহেও এই ভোগান্তি অব্যাহত থাকবে, এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    পারদ ঊর্ধ্বমুখী

    টানা আট দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে চলছে তাপপ্রবাহ (Heat Wave)। বেড়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, সপ্তাহান্তে আরও বাড়বে গরম। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বাঁকুড়া, এই চার জেলায় জারি হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহের লাল সতর্কতা। কিছু জায়গায় লু বইবে। চরম তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কিছু অংশে। কলকাতাতেও গরম বাড়বে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি জারি থাকবে সপ্তাহভর। বৃহস্পতি ও শুক্রবার চরম তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকবে ৯টি জেলায়। ২৫ তারিখে ঝাড়গ্রাম, উত্তর চব্বিশ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে পারে। আপাতত কলকাতার এবং দক্ষিণবঙ্গের জন্য বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই আগামী সাত দিন। উত্তরবঙ্গের দুই জেলা— উত্তর দিনাজপুর এবং মালদহেও তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    কলকাতার আবহাওয়া

    কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপর তাপমাত্রা থাকবে। বৃহস্পতিবারও কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update) ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশাপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়ালের কাছাকাছি। গতকাল অর্থাৎ বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি বেশি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৮১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩০ শতাংশ। এপ্রিল মাসের শেষে কলকাতার তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। আপাতত কলকাতায় বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসান হতে চলেছে দীর্ঘ অপেক্ষার। রূপায়ণ হতে চলেছে ইরানের চাবাহার বন্দর চুক্তি (Chabahar Port Contract)। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনা চলছিল। শেষমেশ রাজি হয়েছে তেহরান (ইরানের রাজধানী)। বর্তমানে ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এই পর্ব চুকে গেলেই স্বাক্ষরিত হবে চাবাহার বন্দর চুক্তি।

    চিনকে চাপে রাখার কৌশল! (Chabahar Port Contract)

    ভারতকে চাপে রাখতে বিভিন্ন দেশের বন্দরের দখল নিচ্ছে চিন। এর পরেই ভারতও উদ্যোগী হয় বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নিতে। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের একটি বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। ভারত-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে চাবাহার বন্দরের রশিও চলে আসবে নয়াদিল্লির হাতে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের পর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানের ওই বন্দর পরিদর্শনে যাবে। চলতি বছরের মাঝামাঝি ওই দল যেতে পারে চাবাহার (Chabahar Port Contract) দর্শনে। চাবাহার বন্দর চুক্তির জল যে অনেক দূর গড়িয়েছে, তা জানিয়েছে ইরানও। ইরানিয়ান দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, “চুক্তি শেষ পর্যায়ে। ভারতীয় প্রতিনিধি দল কবে ইরান সফরে যান, আমরা সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি। এই চুক্তির ফলে উভয় তরফই লাভবান হবে।”

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব যে খুব কম নয়, সে ইঙ্গিত মিলেছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়। ২০১৮ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রওহানি। তাঁর সেই সফরে ভারতের সঙ্গে ইরানের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “চাবাহার বন্দর তৈরি হওয়ার পর আফগানিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত একটি দেশের সামনে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গেল।”

    আরও পড়ুুন: ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়াদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই

    প্রসঙ্গত, শত্রুদেশ পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের ট্রানজিট রুট গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। সেই কারণেই চাবাহার বন্দরের রাশ হাতে নিতে চাইছে নয়াদিল্লি। এই সমুদ্রবন্দরটি বাড়ানো হচ্ছে সাড়ে ৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে। মনে রাখতে হবে, পাকিস্তানের গ্বদরে চিনের অর্থ সাহায্যে যে সমুদ্রবন্দরটি গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখান থেকে চাবাহার বন্দরের দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার। ভূকৌশলগতভাবে চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব ভারতের কাছে অপরিসীম। ’২২ সালের বাজেটে তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই বন্দরের উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেছিলেন ১০০ কোটি টাকা (Chabahar Port Contract)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sarbananda Sonowal: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে”, দাবি সোনোয়ালের

    Sarbananda Sonowal: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে”, দাবি সোনোয়ালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি জমানায় ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বহুগুণ বেড়েছে।” বুধবার এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল (Sarbananda Sonowal)। এদিন অসমের শিলচরে বিজেপির একটি নির্বাচনী প্রচার সভায় যোগ দিয়েছিলেন সর্বানন্দ। শিলচর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পরিমল শুক্লাবৈদ্যর সমর্থনে আয়োজন করা হয়েছিল এই জনসভার।

    কী বললেন সোনোয়াল? (Sarbananda Sonowal)

    এই সভায়ই সোনোয়াল বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বাস্থ্যকর। উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভারত সরকার ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি গ্রহণ করেছে। তাই এই অঞ্চলে স্থায়ী একটি ট্রান্স-শিপমেন্ট উন্নত ব্যবস্থা গড়ে উঠছে। ভুটান থেকে আসা জিনিসপত্রও আসামের মাধ্যমে বাংলাদেশে রফতানি করা যাচ্ছে।” ভারত-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক গটবন্ধনের জেরে যে অসমের বরাক উপত্যকা উপকৃত হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি (Sarbananda Sonowal) বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে গিয়ে যাতে সময়, অর্থ এবং ভ্রমণের খরচ অপচয় না হয়, তাই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার কালাদান মাল্টামোডাল প্রজেক্টের কাজ করে চলেছে। এই প্রকল্পে কাজ শেষ হলে কলকাতার সঙ্গে দূরত্ব কমবে বরাক উপত্যকার। মায়ানমার এবং মিজোরামের মধ্যে দিয়েই গড়ে উঠবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। যার জেরে কলকাতা থেকে বরাক উপত্যকার দূরত্ব কমবে।”

    কংগ্রেসকে তোপ মন্ত্রীর

    সোনোয়াল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাক নদীকে জাতীয় জলপথ ঘোষণা করেছেন। এ পথেও ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হবে অনায়াস।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম করতে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা লগ্নি করেছে। এটা করা হয়েছে বারাক উপত্যকায় যাতায়াতের যে সড়ক যোগাযোগ রয়েছে, তার উন্নয়ন করতে। এই কাজ শেষ হলে এই অঞ্চলে পরিবহন বেড়ে যাবে এক লপ্তে বহুগুণ।” তিনি বলেন, “কংগ্রেস জমানায় এটা উপেক্ষিত ছিল। অথচ এটা একটা বাণিজ্যিক হাব হতে পারত। সুগম হতে পারত ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্য।”

    আরও পড়ুুন: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    মোদি সরকারে প্রশংসার পাশাপাশি সোনোয়াল এদিন আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেসকেও। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের ছ’দশকের অপশাসনে বারাক উপত্যকার মানুষ প্রচুর কষ্ট ভোগ করেছেন। কংগ্রেস সরকারের উদাসীনতার কারণে এই উপত্যকার মানুষকে অনেক কিছুই সহ্য করতে হয়েছে। কংগ্রেসের এই অপশাসন জন্ম দিয়েছে দুর্নীতির, স্বজন-পোষণ এবং বঞ্চনার (Sarbananda Sonowal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • SSC Recruitment Scam: ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়াদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই

    SSC Recruitment Scam: ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়াদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাল থেকে কাঁকর বাছতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষকতার চাকরি খুইয়েছেন ২৬ হাজার জন (SSC Recruitment Scam)। এই ভিড়ে যোগ্যদের পাশাপাশি রয়েছেন অযোগ্যরাও, যাঁরা শাসকদলের নেতাদের এজেন্টদের টাকা দিয়ে চাকরি বাগিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। যোগ্যদের চাকরি কেন বাতিল হল, তা জানতে চেয়ে আন্দোলনে নেমে পড়েছেন চাকরি খোয়ানো ‘শিক্ষক’দের একাংশ।

    মাঠে সিবিআই (SSC Recruitment Scam)

    এহেন আবহে ঘুরপথে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে দিয়েছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলেই খবর। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার ২৪৩ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই। এই মর্মে ইতিমধ্যেই চিঠি দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতরকে। ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কেলেঙ্কারির গোড়ায় পৌঁছতে চাইছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    কেলেঙ্কারি কবুল 

    শিক্ষক নিয়োগে যে কেলেঙ্কারি হয়েছিল, সেকথা হাইকোর্টে স্বীকার করে নিয়েছিল এসএসসি। তবে বাঁকা পথে কারা চাকরি পেয়েছিলেন, সেই অযোগ্যদের নাম বলেননি এসএসসি কর্তৃপক্ষ। যাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, এসএসসি কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের নামের তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এবার সেই একই মর্মে এসএসসি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিল সিবিআই (SSC Recruitment Scam)।

    সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও শব্বর রাশিদির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে চাকরি খোয়া যায় প্রায় ছাব্বিশ হাজারজনের। এই সময়ই আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, সিবিআই যেমন অতিরিক্ত নিয়োগে রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত করতে পারবে, তারা অযোগ্যদের চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও পারবে। সেই প্রক্রিয়াই শুরু করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    হাইকোর্টের চাকরি বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে এসএসসি। বুধবারই এ বিষয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছেন এসএসসি কর্তৃপক্ষ। এক সঙ্গে প্রায় ছাব্বিশ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ার বড় প্রভাব শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর। এদিকে, রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষকদের একটি করে ফর্ম পাঠিয়েছেন ডিআইরা। কোন স্কুলে কতজন চাকরি খুইয়েছেন, কোন কোন বিষয়ের শিক্ষকরা সেই তালিকায় রয়েছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে ডিআইদের তরফে। দ্রুত ওই তালিকা সংশ্লিষ্ট জেলা ডিআইদের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (SSC Recruitment Scam)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhijit Ganguly: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “মমতা রোহিঙ্গা নন তো?” মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া আক্রমণ করলেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির রায় দিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষককে চাকরি থেকে বহিষ্কার করেছে। ভোটের মুখে চরম বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল। রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়চে হচ্ছে। রাজ্যেজুড়ে এই ক্ষোভে ব্যালটে প্রভাব পড়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। স্বাভাবিকভাবে এই রায়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছেন। বুধবারও বিচারব্যবস্থাকে তিনি কড়া আক্রমণ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন তমলুকের বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। 

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রোহিঙ্গা নন তো? (Abhijit Ganguly)

    বুধবার বিকেলে এক নির্বাচনী সভায় অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভারতের নাগরিক? না রোহিঙ্গা? মুখ্যমন্ত্রী কী ভাবে বলতে পারেন যে, ভারতবর্ষের বিচারব্যবস্থা না কি বিজেপির বিচারব্যবস্থা? কাল তিনি একথা বলেছেন। এখন প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে, এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি ভারতবর্ষের নাগরিক? না কি তিনি অন্য কোথা থেকে এসেছেন? কোথা থেকে এসেছেন তিনি? তিনি রোহিঙ্গা নন তো? এই প্রশ্ন আজ আমাদের তুলতে হবে’। মমতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘তুমি জেনে রাখো, ভারতবর্ষের বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে এই অভিযোগ করায় তোমাকে নাক খদ দিতে হবে। আমাকে ভারত সরকার ও এই বিচারব্যবস্থা তার অন্তর্ভুক্ত হতে দিয়েছিল বলে আমি গর্বিত। ভারতের প্রতিটা মানুষ গর্বিত। অনেক রায় অনেক সরকারের বিরুদ্ধে, অনেক রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে যায়। সেজন্য কেউ কোনও দিন বলেছে, এই বিচারব্যবস্থা, বিজেপির বিচারব্যবস্থা’? বিজেপি প্রার্থীর প্রশ্ন, ‘বিজেপির বিচারব্যবস্থা হলে কী ভাবে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ডকে বেআইনি ঘোষণা করল। নির্লজ্জ মিথ্যাচারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থাকার যোগ্যতা আর তাঁর নেই। তাঁকে আমি ব্যক্তিগতভাবে আর মুখ্যমন্ত্রী বলে সম্মোধন করি না’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Malaria Day 2024: প্রচণ্ড গরমেও বাড়ছে ম্যালেরিয়া! কীভাবে চিনবেন? মোকাবিলাই বা করবেন কীভাবে?

    World Malaria Day 2024: প্রচণ্ড গরমেও বাড়ছে ম্যালেরিয়া! কীভাবে চিনবেন? মোকাবিলাই বা করবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    গরমের দাপট চলছেই। আর তার সঙ্গে দেখা দিয়েছে নতুন বিপদ! ম্যালেরিয়ার (World Malaria Day 2024) দাপটও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমেও কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় অনেকেই ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে সচেতনতা থাকলে বড় বিপদ এড়ানো যাবে।

    কেন হয় ম্যালেরিয়া?

    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া মশাবাহিত রোগ। স্ত্রী অ্যানোফিলিস‌ মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। এই মশা ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহন করে। একজনের দেহ থেকে আরেক জনের দেহে এই রোগ সংক্রমণ হয়। ম্যালেরিয়াকে প্রথম পর্যায়ে চিহ্নিত করতে হবে। তবেই এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া World Malaria Day 2024) নিয়ে সতর্ক আর সচেতনতা না বাড়লে এই রোগ মহামারির আকার নিতে পারে। তাই এই রোগ নিয়ে জনসচেতনতা জরুরি।

    এই রোগের উপসর্গ কী? (World Malaria Day 2024) 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া রোগের নির্দিষ্ট কিছু উপসর্গ রয়েছে‌। সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। তবেই এই রোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে‌। প্রথমত, ম্যালেরিয়া আক্রান্তের প্রচণ্ড জ্বর হয়। গায়ের তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি মাথাব্যথা, খিঁচুনি, অত্যাধিক ঘাম হতে থাকে। আবার শরীরে মারাত্মক ক্লান্তিবোধ বাড়ে। দূর্বল লাগে। এক ধরনের যন্ত্রণাও অনুভব হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে সতর্ক থাকা দরকার। জ্বরের সঙ্গে এই ধরনের কোনও উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত রক্তপরীক্ষা জরুরি। রোগ নির্ণয় করলে তবেই চিকিৎসা শুরু করা যাবে। তাঁরা অবশ্য জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার ওষুধ রয়েছে। সময় মতো চিকিৎসা শুরু করলে বড় বিপদ এড়ানো যায়। পাশপাশি পরিবারের কেউ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে, অন্যদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি। কারণ এই রোগের সংক্রমণ ক্ষমতা যথেষ্ট।

    ম্যালেরিয়া আক্রান্ত কী খাবেন? আর কী এড়িয়ে চলবেন? (World Malaria Day 2024) 

    ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হলে খাবারে বাড়তি নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আক্রান্তের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য চিকিৎসার পাশপাশি পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস থাকা দরকার। তা না হলে এই রোগে শরীর মারাত্মক দুর্বল হয়ে যায়। ফলে অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার মতো বিপদও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। অন্তত কয়েক মাস এই ধরনের খাবারে রাশ টানতে হবে‌। কারণ ম্যালেরিয়া হলে তার প্রভাব পড়ে লিভার ও পাকস্থলীতে। অন্ত্রেও প্রভাব পড়ে‌। ফলে হজম শক্তি কমে‌। তাই কী ধরনের খাবার খাওয়া হবে, সেটা নির্বাচন জরুরি। আবার পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীর মারাত্মক দুর্বল হয়ে যায়। তাই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম জাতীয় প্রাণীজ প্রোটিন কখনই বাদ দেওয়া যাবে না। তাই স্ট্রু, স্যুপ জাতীয় খাবার খেতে হবে। ডিম সিদ্ধ নিয়মিত খেতে হবে। যাতে সহজে এই প্রাণীজ প্রোটিন হজম হয়। আবার শরীরের পেশি শক্তিশালী হয়‌। দুর্বলতা কমে। 
    পাশপাশি, ম্যালেরিয়া আক্রান্ত রোগীকে ভিটামিন বি এবং সি জাতীয় খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে দিতে হবে। লেবু, বিট জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। তাতে ম্যালেরিয়ার জীবাণুর বিরুদ্ধে মোকাবিলা সহজ হবে‌। তবে ময়দা ও পনির জাতীয় খাবারে রাশ টানতে হবে। কারণ অতিরিক্ত ফাইবার জাতীয় খাবার অনেক সময়েই হজম হয় না।‌ তাই অন্য ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে (World Malaria Day 2024)।
    কীভাবে ম্যালেরিয়া রুখবেন?
    পতঙ্গবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া রুখতে প্রয়োজন প্রশাসনের সক্রিয়তা ও জনসচেতনতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ম‌্যালেরিয়া আটকানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। নিয়মিত এলাকা পরিষ্কার রাখতে হবে। জল জমতে দেওয়া চলবে না। পার্ক হোক বা বাগান, অপরিচ্ছন্ন থাকলেই মশা বংশবিস্তার করবে। আর মশার উপদ্রব বাড়লে, ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়বে। তাই এলাকা পরিষ্কার করা জরুরি‌। কোনও এলাকায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত একাধিক হলে, সেই এলাকায় প্রশাসনিক স্তর থেকে সতর্কতা জারি করতে হবে। কারণ, তাতে এলাকাবাসী সচেতন হবেন। মশারি টাঙিয়ে ঘুমোবেন, জ্বর হলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন। এই বাড়তি সতর্কতা প্রচারের দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবেই ম্যালেরিয়ার (World Malaria Day 2024) দাপট কমানো সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “মুম্বই হামলার পরেও ব্যবস্থা নেয়নি ইউপিএ সরকার”, তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলার পরেও তৎকালীন ইউপিএ সরকার কোনও সামরিক পদক্ষেপ করেনি। অন্তত এমনই অভিযোগ বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar)। পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে মূল্য চোকাতে হতে পারে ভারতকে। তাই পাকিস্তানে আক্রমণ চালায়নি নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন জয়শঙ্কর।

    ভারত “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর

    ভারতকে তিনি “গ্লোবাল সাউথে”র স্বর বলেও অভিহিত করেন। এই গ্লোবাল সাউথে রয়েছে বিশ্বের ১২৫টি দেশ। জয়শঙ্কর বলেন, “গ্লোবাল সাউথের দেশগুলি ভারতকে বিশ্বাস করে।” এদিন ‘ফরেন পলিসি দ্য ইন্ডিয়া ওয়ে: ফ্রম ডিফিডেন্স টু কনফিডেন্স’ শীর্ষক আলোচনাচক্রে ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “মুম্বই হামলার পরেও আগের ইউপিএ সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লিখেছিলেন যে আমরা বসেছিলাম, আমরা আলোচনা করেছি। আমরা সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করেছি। তারপর আমরা কিছুই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের পদক্ষেপ না নেওয়ার পিছনে যুক্তি ছিল যে, পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে বেশি মূল্য চোকাতে হবে বলে মনে হয়েছে।”

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এরপর আপনারাই বিচার করুন।” তিনি বলেন, “কিছু দেশের প্রতি ভারতের একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই দেশগুলি ঔপনিবেশিক শাসনে ছিল এবং দ্রুত পুনরুদ্ধার বা পুনর্গঠনের কাজ করতে পারেনি, যেমন ভারত করেছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “সীমান্তে ভারতের কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সেগুলিকে রক্ষা করার মূল চাবিকাঠি কেবল জনসমক্ষে ভাষণ দেওয়া নয়, বরং পরিকাঠামো তৈরি করা। সামরিক বাহিনীকে সমর্থন করা ও এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা যা সীমান্ত হুমকির মুখে পাল্টা প্রতিক্রায়া জানাবে।

    আরও পড়ুুন: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমরা যখন নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করেছিলাম, আমরা তা করেছিলাম আত্মবিশ্বাসের ভর করেই। আমরা যখন বালাকোটের সীমান্ত অতিক্রম করে আঘাত করি, তখন আমরা একই কাজ করেছি। আগের চেয়ে এখন আমাদের দেশ অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আমেরিকারও মোকাবিলা করছে।” ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আপনার দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে বলেও মনে করেন রাজনীতির কারবারিরা। কেবল ব্রহ্মোস নয়, অন্যান্য সরঞ্জামও রফতানি করা হবে (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    SSC Scam: চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের তথ্য জানাতে হবে,  নির্দেশ জেলা স্কুল পরিদর্শকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন স্কুলে কর্মরত ২৫,৭৫৩ জন। নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) জাল কাটতে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ। এই নির্দেশে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে স্কুলগুলিতে। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করছে স্কুল শিক্ষা দফতরের একাংশ। ইতিমধ্যেই ২০১৬ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানার কাজ শুরু হয়েছে। 

    কী বলছে শিক্ষা দফতর

    শিক্ষা দফতর (SSC Scam) সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শকেরা (ডিআই) স্কুলের প্রধানশিক্ষকদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। সেই বার্তায় বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী চাকরি পেয়েছেন তাঁদের যাবতীয় তথ্য জানাতে হবে। স্কুলশিক্ষকদের কাছে একটি গুগ্‌ল ফর্ম পাঠানো হয়েছে। সেই ফর্ম পূরণ করেই এই সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলার ডিআইদের জানাতে বলা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে শিক্ষা দফতর থেকে নির্দেশ না দেওয়া হলেও, এই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ডিআইদের ভূমিকার পিছনে ‘মৌন’ সম্মতি রয়েছে দফতরের। যাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সেই সংক্রান্ত তথ্য শিক্ষা দফতরের প্রয়োজন হলে তা দ্রুত পাওয়া সম্ভব হয়। বে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও বিবৃতি দিতে নারাজ দফতরের শীর্ষকর্তারা।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য, ২৬ হাজর চাকরি বাতিল করা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ

    কেন এই নির্দেশ

    হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়ের পর রাজ্যের স্কুলগুলিতে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে, এমনই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০১৬-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চাকরি পাওয়া শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা যে সব স্কুল নিযুক্ত রয়েছেন, সেখানে জটিলতা আরও প্রকট। তাই সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় চাকরি পাওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের কাজে যোগদানের যাবতীয় তথ্য জানতে চাইলেন জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা।  আদালতের নির্দেশ মাফিক যদি ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে যায় সেক্ষেত্রে স্কুলগুলিতে যাতে কোনও রকম সমস্যা তৈরি না হয় তার জন্যই আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সরকারি স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শুরু হয়েছে। গরমের ছুটি শেষে স্কুল খুললে কী অবস্থা তৈরি হবে, তা এখন থেকেই ভাবাচ্ছে পড়ুয়া তথা অভিভাবকদের। রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা, দুর্নীতির (SSC Scam) পরিণাম ভুগতে হতে পারে বাংলার এই প্রজন্মকে এমনই ভাবছে শিক্ষামহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    Calcutta High Court: “সন্দেহ মিলে গিয়েছে”, কাকুর স্বর-রিপোর্ট জমা দিয়ে বলল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যা সন্দেহ করা হয়েছিল, তা মিলে গিয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে এমনই বলল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সন্দেহের স্বপক্ষেই রিপোর্ট এসেছে বলে দাবি ইডির।

    কী বলল আদালত? (Calcutta High Court)

    তবে কথোপকথনের সঙ্গে কার কণ্ঠস্বরের নমুনা মিলিয়ে দেখা হয়েছে, তা জানায়নি ইডি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ টালবাহানার পর প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেয়েছে ইডি। সেই রিপোর্টই জমা দেওয়া হল এদিন। যদিও ইডির জমা দেওয়া কণ্ঠস্বরের রিপোর্টে অসন্তোষ প্রকাশ করেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইডির রিপোর্ট সংক্ষিপ্ত বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এদিন ইডির তরফে আদালতে (Calcutta High Court) যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, তা পাঁচ পাতার। এর মধ্যে তিন পাতাজুড়ে রয়েছে কাকুর কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত তথ্য। বাকি দু’পাতায় ছিল এই মামলায় ইডির সার্বিক তদন্তের রিপোর্ট।

    বিচারপতির প্রশ্ন

    সেই রিপোর্ট দেখেই বিচারপতির প্রশ্ন, “এত সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট কেন?” ইডির রিপোর্টের শেষ দু’পাতায় কাকুর ও প্রাথমিক মামলায় সার্বিকভাবে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কী কী সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, তার হিসেব দেওয়া হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের ১৩৪ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর পরেই বিচারপতি সিনহার প্রশ্ন, “২০১৪ সাল থেকে যে দুর্নীতি হচ্ছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ এত কম কেন? টাকার অঙ্কই বা এত কম কেন?” এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ জুন।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    ইডির উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, “অভিযোগ উঠেছে যে চাকরি বিক্রি হয়েছে। এটা একটা স্ক্যাম। সত্যিই কি চাকরি বিক্রি হয়েছে? তার কি কোনও প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন? টাকার উৎস জানতে আপনারা কি কোনও পদক্ষেপ করেছেন?” ইডির তরফে জানানো হয়, নিত্য এগোচ্ছে তদন্ত। আদালতের তরফে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইডিকে। এদিন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসে। ইডির দাবি, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share