Blog

  • Dilip Ghosh: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    Dilip Ghosh: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি ভোটের প্রচারে বলেন, “অপকর্ম করলে ফল পাবেন। এখানেও পাবেন, ভগবানের কাছেও পাবেন। আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উচিত তাঁর নেতাদের বলা যে সুদ সমেত টাকা ফেরত দিয়ে দাও। নাহলে যাঁদের চাকরি গেছে তাঁদের টাকাও যাবে। তবে এখন টাকা দিতে গেলে বাপের জমি বেচতে হবে। যাঁরা গরিব ছেলে-মেয়ের টাকা নিয়েছে, প্রত্যেকের সাজা না হওয়া পর্যন্ত এই তদন্ত এবং এই রায় ফলপ্রসূ হবে না।” মঙ্গলবার দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের আশিষ মার্কেটে চায়ে পে চর্চায় যোগ দিয়েছিলে বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    ওই কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মাইক হাতে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে (CM) আক্রমণ করে বলেন, “ইডি (ED), সিবিআই (CBI) নেতাদের বাড়ি থেকে টাকা বের করে নিয়ে যাচ্ছে। তাতে তাঁর খুব কষ্ট। মানুষ আপনাকে মানে না, মানবে না। তাই রাস্তায় চোর চোর স্লোগান শুনতে হয়। তাঁর পার্টির ছিঁচকে চোররা শুনত চোর চোর। এখন মুখ্যমন্ত্রীকেও চোর শুনতে হচ্ছে। তাঁদের জলে ডুবে মরা উচিত। ৫০ বছর রাজনীতি করার পরে শেষ জীবনে চোর চোর শুনে যেতে হবে। এ জীবনের কোনও মূল্য নেই। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) অশ্বত্থ গাছে নিচে দাঁড়িয়ে বলছে, ডুবে মরো, ডুবে মরার জলও নেই পশ্চিমবঙ্গে। খাওয়ার জল পাওয়া যাচ্ছে না ডুববে কোথায়।”

    ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি বাতিল

    প্রসঙ্গত সোমবার কলকাতা উচ্চ আদালতের (Calcutta High Court) দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে একসঙ্গে ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে। এ যেন ঢাকি সমেত বিসর্জন! সাম্প্রতিক কালে এত সংখ্যক সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে চাকরি যাওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এরই মাঝে চাকরি যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)? সহ একাধিক বিজেপি নেতা।

    আরও পড়ুনঃ ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মমতার অভিযোগ বিচারব্যবস্থার দিকে

    আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার ভোটের প্রচার কর্মসূচি থেকে যে বক্তব্য রাখেন তাতে তাঁর অভিযোগ ছিল বিচারব্যবস্থার দিকেই। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ সহ একাধিক তৃণমূল নেতারা যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁদের দলের নেতারা গ্রেফতার হলেও তাঁরা এই দায় নিতে নারাজ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যদি সমস্ত ওএমআর শিট আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার কাছে জমা দিত কমিশন, তাহলে যোগ্য-অযোগ্য বাছাইয়ের কাজ আরও ভালোভাবে করা যেত। এখানেই প্রশ্ন তাহলে কি এসএসসি তদন্তকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে? এদিন নির্বাচনী প্রচারে চোর চোর বলে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: তাপপ্রবাহ চলবেই জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস, বুধবার থেকে আরও পারদ চড়ার ইঙ্গিত

    Weather Update: তাপপ্রবাহ চলবেই জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস, বুধবার থেকে আরও পারদ চড়ার ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহের দ্বিতীয় স্পেল শুরু হতে চলেছে। বুধবার থেকে আবার বাড়বে তাপমাত্রা, জানিয়ে দিল আলিপুর হাওয়া অফিস (Weather Update)। সপ্তাহান্তে তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণের অন্তত ছয়টি জেলায়। বাকি জেলায় মডারেট বা মৃদু তাপপ্রবাহ হবে। কলকাতাতেও বইবে লু।

    বাড়বে তাপমাত্রা

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা এবং হাওড়া জেলায় তাপপ্রবাহ (Weather Update) না হলেও গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া সারা দিন জুড়ে বজায় থাকবে। কলকাতা এবং হাওড়া তাপপ্রবাহের হাত থেকে নিস্তার পেলেও গরমের হাত থেকে বাঁচতে পারবে না। এই দুই জেলা ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে কলকাতা এবং হাওড়ার পাশাপাশি দক্ষিণের সমস্ত জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা দু’এক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমলেও দু’দিন পর তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    অতীতে দীর্ঘস্থায়ী গরম কলকাতায়

    ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। সেবার রেকর্ড গরম পড়েছিল কলকাতায়। সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় হয়েছিল রেকর্ড। এখনও পর্যন্ত কলকাতার পারদ ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করেছে। একটানা ৪০ এর উপর কলকাতার তাপমাত্রা আট দিন ছিল ২০১৬ য় ও ২০০৯ সালে। ২০২৩ সালেও কলকাতায় ৫ দিন ছিল ৪০-এর উপর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা । ২০২৪ এ মাত্র দুদিন কলকাতায়  টানা ৪০ ডিগ্রির উপরে ছিল তাপমাত্রা ।  

    আরও পড়ুন: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    উত্তরেও বাড়বে তাপমাত্রা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বুধবার থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের (Weather Update) সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে। তাপপ্রবাহের কারণে বুধবার থেকে দক্ষিণের জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি চলবে সপ্তাহভর। ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা নেই। এবার স্বস্তি পাবে না পাহাড়ও। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি কমবে, বাড়বে গরম। সমতলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ এই দুই জেলাতেও তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি   হবে মঙ্গলবার। বুধবার থেকে এই তিন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা উপাচার্য পেল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU)। ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মহিলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসলেন। এএমইউ-এর (Aligarh Muslim University) উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন। আগামী পাঁচ বছর তিনিই এই পদে থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সই করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এএমইউ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নাইমা খাতুনকে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (woman Vice-Chancellor) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক হিসাবে তাঁর ক্ষমতায়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাইমা খাতুনকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন।” ভোট চলাকালীন যেহেতু এখন নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি রয়েছে, তাই এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও (ECI) অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন শর্ত আরোপ করে জানিয়েছে, “এই নিয়োগ নিয়ে কোনও প্রচার হবে না এবং এর থেকে কোনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা

    উল্লেখ্য, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা (Naima Khatoon), এখান থেকে সাইকোলজিতে পিএইচডি করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সেই বিভাগেই লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে প্রফেসর হন। এরপর ২০১৪ সালে ওমেন্স কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত এর আগে ১৯২০ সালে এএমইউ-তে আচার্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বেগম সুলতান জাহান। সেই সময় তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা আচার্য। আর এবার প্রথম মহিলা উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    SSC Scam: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) ২০১৬ সালে এসএসসি নিয়োগের গোটা প্যানেলটাই বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। ২৫ হাজার ৭৫৩জনের চাকরি বাতিল করেছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালত জানিয়েছে, এসএসসি প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে হবে। সুদের হার হবে বছরে ১২ শতাংশ। চার সপ্তাহের মধ্যে বেতন ফেরত দিতে বলেছে আদালত। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায় দিতে গিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, ১৭টি পন্থায় দুর্নীতি হয়েছে। কী কী উপায়ে দুর্নীতি হয়েছে, তা-ও স্পষ্ট করে জানিয়েছে বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শাব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ।

    কী কী উপায়ে দুর্নীতি

    ১) মেধাতালিকায় নম্বর গোপন: ‘কুকীর্তি’ লুকোতে প্রার্থীদের নম্বর-সহ মেধাতালিকা কখনও প্রকাশই করেনি এসএসসি। নম্বর-সহ মেরিট লিস্ট প্রকাশ না করেই চাকরি দেওয়া হয়েছে।

    ২) ‘গোপন’ টেন্ডার : সংবিধানের ১৪ এবং ১৬ নম্বর ধারা অমান্য করে, ‘গোপন’ টেন্ডারে ওএমআর মূল্যায়নকারী সংস্থা নাইসাকে বেছে নেয় এসএসসি।

    ৩) ওএমআর নষ্ট : স্ক্যান কপি না রেখেই ওএমআর শিট নষ্ট করে দেওয়া হয় (এক্ষেত্রে আরটিআইতে স্ক্যান কপি পেলেও, তদন্ত করতে গিয়ে সেই এএমআর-এর হদিশ পায়নি সিবিআই)।

    ৪) নিয়োগে প্রশ্ন : নাইসা-র তরফে ওএমআর স্ক্যানের জন্য় নিয়োগ করা হয় ‘ডেটা স্ক্যানটেক’ নামক সংস্থাকে। ওএমআর স্ক্যান হত এসএসসি-র অফিসে। অথচ, ‘ডেটা স্ক্যানটেক’-কে নিয়োগ করার কথা অস্বীকার করে এসএসসি।

    আরও পড়ুন: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    ৫) ওএমআর নিরুদ্দেশ: মিরর ইমেজের নামে যা করা হয়েছে সেটা বেআইনি।  আসল ওএমআর শিট পাওয়া যায়নি।সিবিআই এসএসসি সার্ভার থেকে ওই ধরনের কোনও ‘মিরর ইমেজ’ খুঁজে পায়নি।

    ৬) প্রমাণ লোপাট : সার্ভারে ওএমআর-এর স্ক্যান করা ছবিও রাখা হয়নি।

    ৭ ) ভুয়ো দাবি: ২০১৮ থেকে ২০২৩ অবধি, আরটিআই আবেদনকারীদের ওএমআর-এর স্ক্যান কপি দিয়ে, এসএসসি দাবি করত, এগুলি তাদের ডেটাবেসে ছিল। যা অসত্য।

    ৮) পদ কম, নিয়োগ বেশি: ৪টি ক্যাটাগরিতেই ঘোষিত শূন্যপদের থেকে বেশি সংখ্যক প্রার্থী নিয়োগ করা হয়।

    ৯) নাম নেই, চাকরি আছে: প্যানেলে নামই নেই, এমন প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়।

    ১০) সাদা খাতায় চাকরি: সাদা খাতা জমা দিয়েও মিলেছে চাকরি 

    ১১) ‘এক্সপায়ার্ড’ চাকরি: প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও, সেখান থেকে চাকরি দেওয়া হয়।

    ১২ )  র‍্যাঙ্ক জাম্প করে চাকরি: মেধাতালিকার প্রথমে থাকা প্রার্থীদের বদলে, অগ্রাধিকার দেওয়া হয় শেষের দিকে থাকা প্রার্থীদের।

    ১৩ ) বেআইনি কাউন্সেলিং: অযোগ্য প্রার্থীদের কাউন্সেলিং করা হয়।

    ১৫ ) দুর্নীতি খুঁজতে অসহযোগিতা: দুর্নীতির সমস্ত সুবিধাভোগীকে এখনও চিহ্নিত করা বাকি। রাজ্য সরকার ও এসএসসি-র সহযোগিতা ছাড়া করা সম্ভব নয়।

    ১৬ ) চুরি ঢাকতে বাড়তি পদ: অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরির সুযোগ করে দিতে, অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরির আবেদন জানানো হয়।

    ১৭ ) সর্বত্রই বিধি ভঙ্গ: গ্রুপ ডি, গ্রুপ সি, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ—চারটি ক্যাটেগরির ক্ষেত্রেই, কখনও নিয়োগের কোনও বিধি মানা হয়নি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    Birbhum: শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু ভোটের ওপর ভরসা করেই তৃণমূল অনেক আসনে বাজিমাত করে। বিশেষ করে বীরভূমে (Birbhum) সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের মস্ত বড় ভোটব্যাঙ্ক। এমনই দাবি বিরোধীদের। এবার সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও কি তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে? তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে প্রায় ৩০০টি সংখ্যালঘু পরিবার বিজেপিতে যোগদান করল। ভোটের মুখে এই যোগদানে বিজেপি কর্মীরা নতুন করে অক্সিজেন পেতে শুরু করেছেন।

    কথা রাখেননি শতাব্দী, ক্ষোভ উগরে দিলেন সংখ্যালঘুরা (Birbhum)

    সম্প্রতি বীরভূমের (Birbhum) মহম্মদবাজারের বাটেরবাঁধ গ্রামে প্রচারে যান শতাব্দী। সেই সময় তাঁকে দেখে বিজেপির পতাকা হাতে প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামে উন্নয়ন হয়নি। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি রাকেশ মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। ওই গ্রামেরই সংখ্যালঘু পরিবার এবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। বিজেপিতে যোগদানের সময়ও শতাব্দীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। শেখ মইনুল নামে এক যোগদানকারী বলেন, “শতাব্দী রায় বলেছিলেন, আর কিছু দিতে না পারি, জল আর আলো পাবেন। এর জন্য দরখাস্তও লিখেছি। জল তো দূরে থাকুক। আলোও দিল না। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় মিছিলের সময় আমাদের সঙ্গে কথা বলার যোগ্য মনে করলেন না। আরে আমাদের ভোটে তো সাংসদ হয়েছিলেন। তাহলে আমাদের সঙ্গে এরকম আচরণ কেন?” শেখ সাবির আলি বলে আরও এক যোগদানকারী বলেন, “আমরা আলোর জন্য বলেছিলাম। কিছুই হল না। সব কিছুই তৃণমূলের ঢপের কাজ। কার্যকর কিছু হয় না।”

    আরও পড়ুন: বজরংবলীকে কেন আমরা আদর্শ মানি? পড়ুন হনুমান চরিত্রের বিশ্লেষণ

    অনুন্নয়ন নিয়ে বার বার বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন শতাব্দী

    তবে, এবার তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে বেরিয়ে অনুন্নয়ন নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। একবার নয়, একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। আর সেই খবর সংবাদে প্রকাশিত হওয়ায় সম্প্রতি, সংবাদ মাধ্যমের ওপর মেজাজ হারাতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এই সব আবহের মধ্যেই এবার দেখা গেল শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দল ছাড়লেন তিনশোটি সংখ্যালঘু পরিবার। যোগ দিলেন বিজেপি-তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    Lok Sabha Election 2024: ঝাঁঝাঁ রোদ! ভোট দেবেন কী ভাবে? বৈঠক নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চলছে তাপপ্রবাহ। এর মধ্যেই চলছে লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election 2024)। প্রথম দফা ভোট মিটলেও এখনও বাকি ছয় দফা। এর মাঝেই আবহাওয়া দফতরের (IMD) তরফে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আগামী দিনগুলিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্বাভাবিকের থেকে বেশি হবে তাপমাত্রা। এই অসহনীয় গরমে কীভাবে ভোট দেবেন তা ভেবেই নাজেহাল বাসিন্দারা। ব্যবস্থা করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। 

    বৈঠকে কমিশন

    গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভোট আয়োজনের জন্য সোমবার আবহাওয়া দফতর সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসল নির্বাচন (Loksabha Election 2024) কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধু এই বৈঠকটি পরিচালনা করেন। এই গরমে কীভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করে সুষ্ঠুভাবে পুরো নির্বাচনটি সম্পন্ন করা যাবে? তাপপ্রবাহ থেকে কীভাবে রক্ষা করা যাবে ভোটারদের? এর উত্তর খুঁজতে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের পাশাপাশি হাজির ছিলেন ভারতীয় আবহাওয়া দফতর, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের আধিকারিকরা।

    কী বলছে আবহাওয়া দফতর

    এপ্রসঙ্গে ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের ডিজি মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, “আবহাওয়া দফতরের তরফে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ঋতু অনুযায়ী পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি আমরা মাসিক, সাপ্তাহিক ও প্রতিদিনের পূর্বাভাস দিচ্ছি এবং তাদের তাপপ্রবাহ এবং আর্দ্রতা সম্পর্কেও পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দফায় যেখানে যেখান ভোটগ্রহণ হবে সেই এলাকাগুলি সম্পর্কেও কমিশনকে তথ্য ও পূর্বাভাস পৌঁছে দিচ্ছি আমরা।” উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল তাপপ্রবাহের এই মরশুমে নির্বাচন নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত তা নিয়ে একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতে কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যাবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। বৈঠকে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election 2024) সময় তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নিয়ে আলোচন হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Jayanti 2024: বজরংবলীকে কেন আমরা আদর্শ মানি? পড়ুন হনুমান চরিত্রের বিশ্লেষণ

    Hanuman Jayanti 2024: বজরংবলীকে কেন আমরা আদর্শ মানি? পড়ুন হনুমান চরিত্রের বিশ্লেষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যস্ততা এবং কাজের চাপে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই যে বস্তুবাদী জীবন এবং আধ্যাত্মিক জীবন এই দুটিরই সমান ভূমিকা রয়েছে সুশৃঙ্খল জীবন যাপনের ক্ষেত্রে। বর্তমানকালে আমরা জীবনের বস্তুগত উপাদানগুলির দিকেই বড় বেশি ঝুঁকে পড়ছি। এর ফলে মানসিকভাবে চাপ বাড়ছে আমাদের। ডিপ্রেশনের শিকার হচ্ছি। আধ্যাত্মিকতার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য। সেটা কোনওভাবে অস্বীকার করা যায়না। জীবনকে আরও অনেক বেশি ছন্দময় এবং গতিময় করতে আধ্যাত্মিকতার অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু কীভাবে আমরা জীবনে এই ইতিবাচক পরিবর্তন আনব? 
    আজকে হনুমান জয়ন্তীর (Hanuman Jayanti 2024) পূণ্য তিথিতে আমাদের জানা দরকার যে ভগবান রামচন্দ্রের এই মহান শিষ্য কীভাবে তাঁর জীবন, চরিত্র এবং ব্যক্তিত্বকে ভরপুর উৎসাহ এবং অসীম শক্তির মোড়কে সাজিয়েছিলেন। বজরংবলীর জীবন আমাদের শেখায় শৃঙ্খলা পরায়ণতা, কঠিন পরিস্থিতিতে নেতৃত্বদান, গুরুর প্রতি আনুগত্য, ভগবানের প্রতি সমর্পণ, যুক্তিবাদী সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

    তুলসী দাস হনুমান চালিশায় খুব সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন হনুমানজির সমস্ত গুণগুলি, এবার আমরা সেই সম্পর্কিত কিছু শ্লোক নিয়ে আলোচনা করব

    সূক্ষ্ম রূপধরি সিযহি দিখাবা ।
    বিকট রূপধরি লংক জলাবা ॥ 

    হনুমানজি (Hanuman Jayanti 2024) যখন মা সীতার সন্ধানে লঙ্কায় গেলেন তখন অনেক বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে সমুদ্র পার হয়ে তিনি লক্ষ্যে পৌঁছলেন। এখান থেকে আমরা কী শিক্ষা পেলাম? তিনি মনের মধ্যে একটি লক্ষ্যকে স্থাপন করে নিতে পারতেন। চলার পথে বিশ্রামের স্থানও পেয়েছিলেন কিন্তু তিনি গ্রহণ করলেন না। যতক্ষণ না পর্যন্ত তিনি মা সীতাকে খুঁজে পেলেন। মা সীতাকে দেখার পরেও হনুমানজি সঙ্গে সঙ্গে তাঁর কাছে গেলেন না, এখান থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই?

    এত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে তাঁর লক্ষ্যে পৌঁছানোর পরেও তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকলেন সঠিক সময়ের জন্য। কখন সেই ক্ষণ আসবে যখন মা সীতার সঙ্গে কথা বলার মতো অনুকূল পরিবেশ সেখানে তৈরি হবে। ভগবান রামচন্দ্র তাঁকে যে আংটি দিয়েছিলেন সেটা তিনি মা সীতাকে দেখালেন এবং নিজের পরিচয় দিলেন। বললেন যে রামচন্দ্র তাঁকে এখানে পাঠিয়েছেন। ফিরে আসার সময় রাক্ষস রাজা রাবণের বাহিনীর সঙ্গে তাঁর সামনাসামনি সংঘর্ষ হল। রাক্ষসরা হনুমানজির লেজে আগুন ধরিয়ে দিল। তিনি এটাকে একটি সুযোগ হিসেবে দেখলেন। ওই আগুনে তিনি গোটা লঙ্কাকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিলেন। অর্থাৎ পরিস্থিতি যখন কঠিন হল তখন তিনি পরিস্থিতিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত নিলেন। তাঁর (Hanuman Jayanti 2024) কাছ থেকে আমরা শিখতে পারলাম একজন নারীকে কিভাবে সম্মান করা উচিত।

    তুম্হরো মংত্র বিভীষণ মানা ।
    লংকেশ্বর ভযে সব জগ জানা ॥

    যখন হনুমানজি উপলব্ধি করলেন যে রাবণের আপন ভ্রাতা বিভীষণ অনেক ভালো গুণের অধিকারী তখন তিনি তাঁকে এই প্রস্তাব দিলেন যে রাবণের সঙ্গ ত্যাগ কর এবং লঙ্কা তথা মানবতার কল্যাণের জন্য রামচন্দ্রের পক্ষে এস। বিভীষণ রামচন্দ্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলেন এবং তখন মর্যাদা পুরুষোত্তম প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করলেন যে বিভীষণকে প্রয়োজন কিনা! তখন বেশিরভাগ জনই বললেন, না।  কিন্তু রামচন্দ্র যখন হনুমানজিকে জিজ্ঞেস করলেন তখন তিনি বললেন তাঁকে প্রয়োজন এবং রামচন্দ্র সেই সিদ্ধান্তটাই নিলেন। এরপরের ঘটনাক্রম আমরা প্রত্যেকেই জানি, রামচন্দ্র নিজের সঙ্গে বিভীষণকে রেখেছিলেন এবং এই সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক ছিল। পরবর্তীকালে বিভীষণ লঙ্কার একজন ভালো রাজা হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। এভাবেই আমরা বুঝতে পারি যে হনুমানজির (Hanuman Jayanti 2024) দূরদর্শিতা ঠিক কতটা ছিল, এবং কিভাবে তিনি সঠিক মানুষকে চিনতে পারতেন।

    সব পর রাম তপস্বী রাজা ।
    তিনকে কাজ সকল তুম সাজা ॥

    যখন একজন ভক্ত তাঁর গুরুর প্রতি গভীর আনুগত্য এবং বিশ্বাস রাখেন তখন গুরু সর্বশক্তিমান এবং অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। কারণ ভক্তের (Hanuman Jayanti 2024) আনুগত্য সমস্ত বাধা-বিপত্তি থেকে তাঁকে দূরে রাখে। বর্তমান সমাজ জীবনের ক্ষেত্রেও একই কথা। গুরুর প্রতি এমন চরম আনুগত্য এবং বিশ্বাস জীবনকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

    সাধু সংত কে তুম রখবারে ।
    অসুর নিকংদন রাম দুলারে ॥

    অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ করার যে প্রবণতা সেটা হনুমানজির মধ্যে ছিল। যার ফলে সমস্ত অশুভ শক্তিকে তিনি ধ্বংস করতে পেরেছিলেন এবং সকলকে রক্ষা করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এখানেও বজরংবলির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে আমাদের। আমরা যারা দুর্বল প্রকৃতির মানুষ তাদের অবশ্যই শক্তিশালী হওয়ার জন্য চেষ্টা করা উচিত। এবং অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় রসদ জোগাড় করার চেষ্টাও করা উচিত আমাদের যাতে নিজেদের সংস্কৃতি এবং সমাজকে আমরা বাঁচাতে পারি। 

    পবন তনয সংকট হরণ – মংগল মূরতি রূপ্ ।
    রাম লখন সীতা সহিত – হৃদয বসহু সুরভূপ্ ॥

    স্বামী তুলসীদাস প্রার্থনা করছেন হনুমানজির (Hanuman Jayanti 2024) সম্পর্কে যে তুমি হলে সমস্ত রকমের আনন্দ এবং শুভ যা কিছু আছে তার সমষ্টি। ‌আমরা প্রার্থনা করছি ভগবান রামচন্দ্র, মা সীতা, এবং লক্ষণ আমাদের হৃদয়ে সর্বদা থাকবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০৪/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০৪/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২)  কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি নানান ওঠাপড়ার মধ্য দিয়ে কাটবে।

    ২) পরিবারের কিছু বিষয়ের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    ৩) আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

    কর্কট

    ১) জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির আনন্দ উপভোগ করবেন।

    ২) বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    ৩) প্রাণশক্তির জোরে সাফল্যের পথে অগ্রসর হবেন।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।  

    ২) নতুন সম্পর্কের সূচনার সুযোগ পাবেন।

    ৩) বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) অভিনব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ সম্ভব।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ থাকবে।

    ২) জীবনে নতুন সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সমস্যার মুখে পড়বেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি কঠিন সমস্যায় ভরে থাকবে।

    ২) একাধিক সমস্যার মোকাবিলা করে হতাশ হবেন।

    ৩) শক্তি ও ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) জীবনে প্রচুর আনন্দ ও সমৃদ্ধি অনুভব করবেন।

    ৩) জীবনের স্বপ্ন পূরণ ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছনোর সুযোগ পেতে পারেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো। 

    ২) নিজের কাজে সাফল্য লাভ করতে পারেন।

    ৩) বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

    ২) স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনও গাফিলতি করবেন না।

    ৩) আত্মীয়দের কাছ থেকে কিছু বিশেষ উপহার পেতে পারেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) স্মরণীয় মুহূর্ত কাটাবেন আজ।

    ৩) কোনও অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    UGC Chairman: ভারতে ক্যাম্পাস খুলতে উৎসাহী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, জানালেন ইউজিসি চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়া ভারতের সঙ্গে কথা এখানে তাদের ক্যাম্পাস খোলার জন্য। এ কথা জানিয়েছেন ইউজিসির চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman)। সোমবারই জগদীশ কুমার এ বিষয়ে বলেন যে এ নিয়ে বিভিন্ন খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আবেদনও জমা করেছে। কিন্তু যেহেতু আবেদন প্রক্রিয়া চলছে তাই কোনও নাম এখনও তিনি মুখে আনেননি। কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে ক্যাম্পাস খোলার ক্ষেত্রে বিপুল আগ্রহ দেখা গিয়েছে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসেই ইউজিসি নোটিশ জারি করে জানায় যে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চাইলে ভারতে তাদের ক্যাম্পাস খুলতে পারে।

    ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে 

    এক সাক্ষাৎকারে এম জগদীশ কুমার (UGC Chairman) জানিয়েছেন, বিশ্বের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে ভারতে আসার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে দেখা যাচ্ছে। আমরা প্রতিনিধির দল পাঠিয়েছিলাম উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং আরও অন্যান্য জায়গায়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগ্রহ দেখিয়েছে ভারতে ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়ে। অস্ট্রেলিয়ার ডিয়াকিন বিশ্ববিদ্যালয় হল প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় যারা ভারতে তাদের শাখা স্থাপন করছে। গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্স টেকনোলজি সিটিতে প্রথম তাদের ক্যাম্পাস খুলছে এই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    চালু হয়েছে অনলাইন পোর্টাল 

    ইউজিসি চেয়ারম্যান (UGC Chairman) আরও জানিয়েছেন, অনলাইন পোর্টাল চালু করা হয়েছে। যে পোর্টালের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে আবেদন করতে পারবে। মাত্র ৬০ দিনের মধ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি দেখাশোনা করবে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বের প্রথম ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে থেকেই আবেদন নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। পরবর্তীকালে সেই তালিকাকে অনুমোদন দেবে ইউজিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    UGC NET: ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স করেই সরাসরি পিএইচডি! সম্মতি ইউজিসি-র, মানতে হবে এই শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কলেজের চার বছর পূর্ণ হলেই শিক্ষার্থীরা পিএইচডি করতে পারবেন এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারবেন। এমনই তথ্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অর্থাৎ ইউজিসি চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা ছাড়াই পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদেরকে তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর বা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। এখনও পর্যন্ত, ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টের (NET) একজন প্রার্থীর ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন ছিল।

    নতুন নিয়ম কত নম্বর লাগবে

    নেট দিয়ে পিএইচডি করার জন্য আর তিন বছর ধরে কলেজ করে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান জগদীশ কুমার জানিয়েছেন যে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এখন সরাসরি নেট পরীক্ষায় উপস্থিত হতে পারবেন এবং পিএইচডি করতে পারবেন। এতদিন সাধারণ নিয়মে তিন বছরের ডিগ্রিধারী পরীক্ষার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (NET) দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর সহ স্নাতকোত্তর পাস করতে হত। কিন্তু এখন চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) সহ বা জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ ছাড়া পিএইচডি করার জন্য, প্রার্থীদের অবশ্যই তাদের চার বছরের স্নাতক কোর্সে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে কিংবা সমমানের গ্রেডের প্রয়োজন হবে। আর যে প্রার্থীরা তিন বছর স্নাতক করেছেন বা ৭৫ শতাংশের কম নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা আগের মতোই ৫৫ শতাংশ স্কোর সহ মাস্টার্স করে নেট এবং পিএইচডি করতে পারবেন। 

    আরও পড়ুন: জালালাবাদের মুক্তি যুদ্ধ, ভারতের ইতিহাসে এক প্রেরণা ২২শে এপ্রিল ১৯৩০

    কুমার জানিয়েছেন, ‘চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা এখন সরাসরি পিএইচডি করতে এবং নেট পরীক্ষা দিতে পারেন। এই ধরনের প্রার্থীরা যে বিষয়ে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাঁর বাইরেও অন্যান্য বিষয়ে তাঁদেরকে এই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে’। ইউজিসি-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসসি, এসটি, ওবিসি (নন-ক্রিমি লেয়ার), ভিন্নভাবে সক্ষম, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগের প্রার্থীদের জন্য পাঁচ শতাংশ নম্বর বা এর সমতুল্য গ্রেডের শিথিলকরণ অনুমোদিত হতে পারে। নেট পরীক্ষা বছরে দু’বার নেওয়া হয়। প্রতি বছর জুন এবং ডিসেম্বর। এর স্কোরগুলি বর্তমানে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ (JRF) প্রদান করতে এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share