Blog

  • Annapurna Puja 2024: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, আজই অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    Annapurna Puja 2024: আজ চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমী, আজই অন্নপূর্ণা পুজো, জানুন দেবীর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2024)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। চলতি বছরে শ্রী শ্রী অন্নপূর্ণা পুজো আজ, মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বাসন্তী পুজোর চলার অষ্টমীতেই পূজিতা হন মা অন্নপূর্ণা। চৈত্র নবরাত্রির অষ্টমীতে অন্নপূর্ণা পুজোর (Annapurna Puja 2024) পরের দিন অনুষ্ঠিত হয় রামনবমী।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2024) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2024) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের আর্থিক অনটনের কারণে দাম্পত্য সমস্যা শুরু হয়।  সে সময়ে ভোলেনাথের সঙ্গে মা পার্বতীর (Annapurna Puja 2024) মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2024)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    মায়ের প্রিয় ভোগ কী জানেন

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর (Annapurna Puja 2024) উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Char Dham Yatra: উত্তরাখণ্ডের ‘চারধাম যাত্রা’র জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু

    Char Dham Yatra: উত্তরাখণ্ডের ‘চারধাম যাত্রা’র জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ড সরকার ‘চারধাম যাত্রা’ (Char Dham Yatra) সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে চালু হয়ে গেল অনলাইন পোর্টাল। অনলাইন নিবন্ধিকরণের মাধ্যমে এই চারধামে পুণ্যার্থীরা তীর্থ দর্শন করতে পারবেন। আজ মঙ্গলবার থেকেই উত্তরাখণ্ড সরকারের পর্যটন দফতর এই পোর্টাল চালুর কথা জানিয়েছে। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা চালু হল।

    অনলাইন রেজিস্ট্রেশন (Char Dham Yatra)

    উত্তরাখণ্ডে কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, যমুনোত্রী এবং গঙ্গোত্রী এই চার ধাম যাত্রা (Char Dham Yatra) করতে এবার থেকে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন ভক্তরা। সারা দেশে হিন্দু ধর্মমতে এই চার ধাম গভীর আধ্যাত্মিক চেতনার প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে মনে করা হয়ে থাকে। এই যাত্রা যাতে আরও মসৃণ, সুন্দর এবং নিরাপদ হয় সেই কথা ভেবেই এই অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকার এই চারধাম যাত্রা নিয়ে যথেষ্ট সচেতন।

    হিন্দু শাস্ত্রে অত্যন্ত পবিত্র এই চারধাম

    এই চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra) শুরু হবে আগামী মে ১০ তারিখ থেকে। গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী, কেদারনাথ হুয়ে এই যাত্রা বদ্রীনাথ পৌঁছাবে মে মাসের ১২ তারিখে। এই ১২ তারিখ থেকেই বাবা বদ্রীনাথনাথের মন্দির খোলা হবে। এই চারধাম যাত্রাকে হিন্দু শাস্ত্রে অত্যন্ত পবিত্র এবং পুণ্যের মনে করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক বছর মূলত এপ্রিল-মে থেকে এই যাত্রা শুরু হয় এবং চলে অক্টোবর-নভেম্বর মাস পর্যন্ত। প্রত্যেক বছর এই ধাম যাত্রা গ্রীষ্মকালীন সময়ে খোলা থাকে এবং শীত পড়তে পড়তে মন্দির ধামগুলি বন্ধ হয়ে যায়। আগেই উত্তরাখণ্ডের চম্বল জেলার জেলা শাসক হিমাংশু খোরানা ইতিমধ্যে বদ্রীনাথ ধাম পর্যবেক্ষণ করেছেন।

    আরও পড়ুন: গাজনে শিবভক্তদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর! দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেলডাঙায়

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    এই বছর থেকে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। যাত্রা আগে অন লাইনে নথিভুক্ত করতে হবে ভক্তদের। আবেদনকারীদের নিজেদের আধার, পাসপোর্ট দিয়ে বায়োমেট্রিক বা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনের ক্ষেত্রে প্রথমে পোর্টালে নিজের নাম, ঠিকানা, যোগাযোগ নম্বর দিতে হবে। পোর্টালে ফর্ম ফিলাপ করে আইডি প্রুফ জমা করলে ওটিপি আসবে। তথ্যের সত্যতা যাচাই করার পর মিলবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর। এই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে লগইন করলে ভ্রমণের তারিখ, দর্শনীয় স্থান এবং যাঁরা যাবেন তাঁদের সকলের পরিচয় জানা যাবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী সড়ক পথে এবং আকশ পথেও ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru Blast: ২ নয়, ৩ জঙ্গি আসে বাংলায়! ধৃতদের মুখোমুখি জেরার প্রস্তুতি এনআইএ-র

    Bengaluru Blast: ২ নয়, ৩ জঙ্গি আসে বাংলায়! ধৃতদের মুখোমুখি জেরার প্রস্তুতি এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : বেঙ্গালুরু ক্যাফে বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) ঘটনায় জড়িত দু’জন নয়, বরং তিনজন জঙ্গিই শহরে এসেছিল।  এই তিন জঙ্গি এখন এনআইএ-র হাতে বন্দি।  এনআইএ’র দাবি, তৃতীয়জনের নাম মুজাম্মিল শরিফ। বিস্ফোরণের ঘটনায় তাকেই চেন্নাই থেকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল এনআইএ ৷ এবার তাই নিউ দিঘা থেকে গ্রেফতার আবদুল মাতিন আহমেদ ত্বহা এবং মুসাভির হুসেন সাজিবের সঙ্গে মুজাম্মিল শরিফকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চান এনআইএ’র আধিকারিকরা।

    কেন কলকাতায় ৩ জঙ্গি

    এনআইএ সূত্রে খবর,  ত্বহা এবং সাজিব দু’জনেই জঙ্গি সংগঠন আইএসের ‘আল হিন্দ’ মডিউলের সদস্য। সন্দেহ করা হচ্ছে, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ পালানোর ছক ছিল ত্বহা এবং সাজিবের। তাই এ রাজ্যে এসেছিল তারা। এখানে কে তাদের পালাতে সাহায্য করত সে বিষয়েও খোঁজ শুরু হয়েছে । ‘আল হিন্দ’ মডিউলের এখানে কোনও গোপন গোষ্ঠীর কাজ করছে কি না, তাও খুঁজে দেখছেন গোয়েন্দারা। ।গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, গত ১০ মার্চ রাজ্যে এসেছিল ত্বহা এবং শাজিব। এরপর ১২ তারিখ ধর্মতলার দু’টি হোটেলে পরপর দু’দিন আশ্রয় নেয় তারা। তবে এর মাঝে তারা কোথায় ছিল সেটা এখনও জানা যায়নি। কলকাতা থেকে পুরুলিয়া এবং দার্জিলিং গিয়েছিল। এরপর ২১ মার্চ ফের কলকাতায় ফিরে এসে খিদিরপুর এবং একবালপুরের হোটেলে উঠেছিল। ২৪ মার্চ, এক দিনের জন্য তারা বেপাত্তা ছিল। এরপর ২৮ মার্চ হাওড়া থেকে বাস ধরে দিঘায় গিয়েছিল বলে জেনেছেন গোয়েন্দারা। বাংলায় নানা জায়গায় গা ঢাকা দেওয়ার জন্য তাদের অর্থের প্রয়োজন ছিল। সেই অর্থের যোগান দিতে তৃতীয় ব্যক্তি মুজাম্মিল শরিফ কলকাতায় এসেছিল বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। টাকা দিয়েই সে বাংলা ছেড়ে চলে যায়। এরপর তাকে ধরে এনআইএ। মুজাম্মিলকে ধরতেই তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ সাজিবদের বিষয়ে জানতে পারে। 

    আরও পড়ুন: বৈশাখ পড়তেই বাড়ছে গরম, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বেসরকারি পরিবহণে নজর

    দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট কাটতে প্রয়োজন পড়ে পরিচয়ত্রের ৷ কিন্তু দূরপাল্লার বাসের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র না থাকলেও মেলে টিকিট ৷ সেই কারণেই ট্রেনের বদলে বাসযাত্রাকেই নিরাপদ মনে করেছিল দুই জঙ্গি ৷ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাসেই ঘোরাঘুরি করেছে বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে (Bengaluru Blast) বিস্ফোরণের ঘটনায় দুই অভিযুক্ত ৷ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে ধর্মতলার একটি নামী বেসরকারি পরিবহণ সংস্থা এখন এনআইএ-র তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে ৷ এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ হোক বা অন্য কোনও জায়গা, তারা দূরপাল্লার বাসেই যাতায়াত করেছে ৷ ট্রেন তারা একেবারেই ব্যবহার করেনি৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: ওয়াংখেড়েতে ধোনি ধামাকা! লাগাতার ৩ ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ৫০০

    IPL 2024: ওয়াংখেড়েতে ধোনি ধামাকা! লাগাতার ৩ ছক্কা, স্ট্রাইক রেট ৫০০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচে (IPL 2024) ফের একবার দেখা গেল ধোনি ধামাকা। ৪২ বছর বয়সী মহেন্দ্র সিং ধোনি মাত্র চারটি বলই খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন এবং তারই মধ্যে দুরমুশ করলেন হার্দিক পান্ডিয়াকে। হার্দিক পান্ডিয়ার তিন বলে লাগাতার তিনটি ছক্কা হাঁকান ধোনি। ম্যাচে জয়ও পায় চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে বিশেষ রেকর্ডও তৈরি হয়ে গেল তাঁর (ধোনির)। টুর্নামেন্টের প্রথম কোন ব্যাটার এই নজির গড়লেন। ছক্কার হ্যাটট্রিক। এর পাশাপাশি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রোহিত শর্মাও শতরান করেন টানটান উত্তেজনার উপভোগ্য এই ম্যাচে। গোটা ম্যাচ দেখে নিশ্চিতভাবে পয়সা উসুল হল দর্শকদেরও।

    ৫০২ ছক্কার মালিক হলেন রোহিত

    নিজের শতরানের ইনিংসে (IPL 2024) মোট পাঁচটি ছক্কা মেরেছেন রোহিত শর্মা। রবিবারের ম্যাচের পরে টি-টোয়েন্টিতে ৫০২ ছক্কার মালিক হলেন রোহিত। কিন্তু শতরানের পরেও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। আইপিএলের ইতিহাস এটি তাঁর একটি লজ্জার রেকর্ডও বটে। যেখানে ইনিংস তাড়া করতে নেমে অপরাজিত শতরান করেও হারতে হল তাঁর দলকে। এর আগে অবশ্য রান তাড়া করতে নেমে শতরান করেও হেরেছেন ইউসুফ পাঠান ও সঞ্জু স্যামসন। তবে তাঁরা আউট হয়ে গিয়েছিলেন। রোহিত অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন রবিবার।

    ম্যাচের সার সংক্ষেপ

    ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামের এই হাই ভোল্টেজ ম্যাচে (IPL 2024) টসে জিতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপরই চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৬ রান তোলে। চেন্নাইয়ের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন ঋতুরাজ গায়গায়কোয়ার এবং শিবম দুবে। একেবারে শেষ ওভারে এসে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৮৬ রান তোলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। কুড়ি রানে হারে তারা। ৬৩ বলে ১০৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রোহিত শর্মা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: গাজনে শিবভক্তদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর! দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেলডাঙায়

    Murshidabad: গাজনে শিবভক্তদের ওপর হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর! দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব বেলডাঙায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীল ষষ্ঠীর (Nil Sasti) পরের দিনই মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। শুধু মন্দির ভাঙচুরই নয়, শিবের স্তুতি করার অপরাধে গাজনে সন্ন্যাস নেওয়া কয়েকজন সন্ন্যাসীর ওপর স্থানীয় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। এইসব ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বেলডাঙা থানার কামনগর পঞ্চায়েতের কামনগর গ্রামে গাজনে সন্ন্যাস নেওয়া কয়েকজন গ্রামবাসী টোটোয় চড়ে গ্রামের মন্দিরে (Temple) ফিরছিলেন। সেই সময় তাঁরা ভগবান শিবের স্তুতি করছিলেন। আর এই অপরাধে স্থানীয় দুষ্কৃতীরা তাঁদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে৷ হামলার ঘটনায় ১৮-২০ জন সন্ন্যাসী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের অভিযোগ, রীতিমতো মারধর করা হয়েছে তাঁদের। অন্যদিকে একই দিনে বেলডাঙা, শক্তিপুর, সালার থানা এলাকার কুমারপুর, মির্জাপুর তালিতপুরসহ একাধিক এলাকার মন্দিরে হামলা এবং প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। কুমারপুরের শিবমন্দিরের (shiv Temple) ভিতরে ঢুকে দুষ্কৃতীরা প্রস্রাব করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    বিজেপি প্রধানের বক্তব্য

    এই ঘটনায় কামনগর (Murshidabad) পঞ্চায়েতের বিজেপি (BJP) প্রধান বাপন ঘোষ বলেছেন, “শুধু গাজনের সন্ন্যাসীদের উপর হামলাই নয়, বিজেপি পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে একটা মুদিখানা দোকানে ভাঙচুরও চালায় দুষ্কৃতীরা। থানায় (Police Station) আমরা অভিযোগ দায়ের করব। হিন্দু সমাজের উপর আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। 

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত!

    এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দুর পোস্ট

    এই প্রসঙ্গে মন্দিরে ভাঙচুরের একটি ভিডিও ফুটেজ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি লিখেছেন, “মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত মৌজামপুর ও মির্জাপুরে দুপুর থেকে দুষ্কৃতীরা ধর্মীয় স্থান ভাঙচুর করেছে। এমনকী গুন্ডারা নিরপরাধ মানুষের বাড়িঘর টার্গেট করে হামলা চালাচ্ছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আমি মুখ্যসচিব শ্রী বি পি গোপালিকা (আইএএস), ডিজিপি পুলিশ শ্রীসঞ্জয় মুখার্জি (আইপিএস), এডিজি শ্রী মনোজ কুমার ভার্মাকে (আইপিএস) অনুরোধ করছি, অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিস্থিতি স্বাভাবিক করুন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) উচিত সচেতন হওয়া এবং এলাকায় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “তৃণমূলের লোক জড়ো করতে মুখ্যমন্ত্রীকে নাচতে হচ্ছে”, কটাক্ষ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “তৃণমূলের লোক জড়ো করতে মুখ্যমন্ত্রীকে নাচতে হচ্ছে”, কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মমতাকে নিশানা করে তোপ দাগলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সোমবার তিনি বর্ধমানের সদরঘাটে যান প্রাতঃভ্রমণে। সেখানে ছট পুজোয় অংশ নেন দামোদরের ঘাটে। চৈত্র ছটে আসা ভক্তদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন বিজেপি প্রার্থী। তারপর তিনি মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে হাঁটেন। এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি ব্যাট হাতে মাঠে ছক্কা হাঁকান।

    মমতাকে তোপ দিলীপের (Dilip Ghosh)

    উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসীদের সঙ্গে নাচের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, তৃণমূলের লোক জড়ো করতে গেলে মুখ্যমন্ত্রীও নাচতে হচ্ছে, প্রার্থীরাও নাচছেন। রাস্তার ধারে নেচে লোক জড়ো করছেন। আমরা যেখানে যাচ্ছি এমনিতেই লোক জড়ো হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, রাজনীতি, ব্যাট, বল, ক্যারাটে সবই করি। তাই আমার সামনে সবাই আসতে ভয় খায়। যত দিন যাচ্ছে তত ফিকে হয়ে যাচ্ছেন কীর্তি আজাদ, কারণ উনি তো রিটায়ার্ড এবং টায়ার্ড ম্যান। উনি এখন বুঝতে পারছেন এখানকার জনতা ওনাকে নিচ্ছেন না, পার্টির লোকেরাই ওনার সঙ্গে বের হচ্ছেন না। আমরা মানুষের সঙ্গে আছি, আমাদের সঙ্গে মানুষ আছে। পঞ্চায়েতে এখানে পুলিশ ও গুন্ডা দিয়ে লুট করা হয়েছে। সামনের পঞ্চায়েতে দেখবেন আমরা ওদের বাড়ি থেকে বের হতে দেব না। আমি তো প্রচারই করিনি। লোকের সঙ্গে দেখা করছি, ক্রিকেট খেলছি। ওরা ঘোড়া নিয়ে আসছে, টাকা খরচ করে। দিলীপ ঘোষ একাই একশো, যতই ওরা এখানে প্রচারে আসুক।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

     তৃণমূলের গুন্ডারা যেখানে সেখানে রাস্তা আটকে টাকা তুলছে

    এদিন বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh) বলেন, বুথে আমার শুধু কর্মীরা বসবে না, বুথ সামলাবে। বাইরে থেকে যদি কেউ যায় সে কীভাবে ফিরবে আমরা ঠিক করে দেব। গতবারে বুথে গন্ডগোল হয়নি, বুথের বাইরে হয়েছিল, এবার হতে দেব না। ওদের বলে দেবেন দিলীপ ঘোষ এসে গেছে। আমি যেখানে যাই, সেখানে মূল শুদ্ধ উপরে ফেলি, ওদের বলে দেবেন। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর ভরসা করে ভোট করি না। সাধারণ মানুষ যাতে ঠিক ভাবে ভোট দিতে পারেন সেজন্য সেন্ট্রাল ফোর্স এসেছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, ট্রান্সপোর্টের লোকেরা আমাকে বলেছে, আমরা খুব সমস্যার মধ্যে আছি। পুলিশ এবং তৃণমূলের গুন্ডারা যেখানে সেখানে রাস্তা আটকে টাকা তুলছে। মমতাকে উদ্দেশ্য করে দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি কিছুই করেননি, মোদিজি হাইওয়ে করেছেন, চন্দ্রযান করেছেন। উনি করেছেন বলেই আজ উদ্বোধন করছেন। এয়ারপোর্ট, ট্রেন উদ্বোধন করছেন। মমতা টাকা দাও টাকা দাও করে রাস্তায় হাঁটছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Accident: সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয়

    Accident: সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়িতেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের ৭ আত্মীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিরাট থেকে সালাসর বালাজির দর্শন করে ফেরার সময় রাজস্থানের সিকর এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় (Accident) ৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সকলেই গাড়ির ভিতরে জীবন্ত অবস্থায় দগ্ধ হয়ে মারা যান। মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের পাঁচজন ও দুজন তাঁদের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা সকলেই মিরাট ক্যান্টনমেন্টের বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক সত্যপ্রকাশ অগরওয়ালের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে হল দুর্ঘটনা (Accident)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মিরাট রোড থেকে এই পরিবার সালাসর বালাজির দর্শন করতে গিয়েছিলেন। দর্শন করার পর পরিবারের সকলে একই গাড়িতে ফেরত আসার সময় সতীমাতার দর্শন করার জন্য হিসার যাচ্ছিলেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে সেই সময় সিকর এলাকায় উড়ালপুলে একটি ট্রাককে ওভারটেক করার সময় তাঁদের গাড়ি ট্রাকে ধাক্কা মারে। এরপরই গাড়ির সিএনজি ট্যাঙ্ক দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে। গাড়ির ভিতরেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে সাতজন মারা (Accident) যান। মারা যাওয়া সকলেই শিবশংকর পুরীর বাসিন্দা। তাঁদের নাম নিলম গোয়েল, মুকেশ গোয়েল, মঞ্জু বিন্দাল, হার্দিক বিন্দাল, স্বাতী বিন্দাল, দিশা ও তাঁর দু বছরের বোন (নাম অজ্ঞাত) বলে জানা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে হার্দিক বিন্দল প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক প্রকাশ আগরওয়ালের শ্যালক। তাঁরা সকলের প্রাক্তন বিধায়কের আত্মীয় বলে জানা গিয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

    রবিবার দুপুরবেলায় এই ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী রামনিবাস সৈনি বলেছেন, “দুপুর বেলা ২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি নিজের পিকআপ গাড়ি সার্ভিস করানোর জন্য উড়ালপুলের পাশের একটি সার্ভিস সেন্টারে যাচ্ছিলাম। সেই সময় উড়ালপুলের ওপরে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমার পাশ থেকে একটি ট্রাক যাচ্ছিল। গাড়ি ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেই সময় ট্রাকে ধাক্কা মারে গাড়ি। আমি নিজের গাড়ি সাইড করে দুর্ঘটনাস্থলের (Accident) দিকে দৌড়ে যাই। পিছনে বসে থাকা দুজন ব্যক্তি চিৎকার করে সাহায্যের আবেদন করছিলেন। সেই সময় গাড়ির পিছনের সিএনজির ট্যাংক থেকে গ্যাস লিক করতে শুরু করে। এর পরে গাড়িতে আগুন ধরে যায়। তাতে পুড়ে মারা যান সকলে। আগুন এতটাই জোরালো ছিল যে গাড়ির দরজা খোলা যায়নি। পুলিশ এসে আগুন নেভায় এবং এরপর গাড়িটিকে ক্রেনের সাহায্যে তুলে অন্যত্র নিয়ে যায়।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে মনোজ টিগ্গার হয়ে প্রচারে রাজনাথ সিং, জয় জয়কার মোদির

    মোবাইল থেকে মৃতদেহ শনাক্ত

    ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর এবং সিম কার্ড থেকে মৃতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের মোবাইলের সিম কার্ড থেকে পাওয়া তথ্য থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর এই দুর্ঘটনার (Accident) কথা জানানো হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohun Bagan: ঘরের মাঠে লিগ শিল্ড জয় পাখির চোখ মোহনবাগানের! কখন, কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    Mohun Bagan: ঘরের মাঠে লিগ শিল্ড জয় পাখির চোখ মোহনবাগানের! কখন, কোথায় দেখবেন ম্যাচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতীতে সবুজ-মেরুনের দর্শক সমর্থন চিন্তায় রেখেছে মুম্বই সিটি এফসি-কে। ঘরের মাঠে আজ মোহনবাগান জিততে পারলেই কেল্লাফতে। আইএসএল-এ লিগ শিল্ড জিতবে সবুজ-মেরুন। রবিবার আইপিএলে ইডেনে কেকেআর বনাম লখনউ-এর ম্যাচে সবুজ-মেরুন সমর্থকের অভাব ছিল। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই কলকাতা কিন্তু গলা ফাটাবে সবুজ-মেরুনের হয়েই। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। এ বারও দুর্দান্ত শুরু হয়েছিল। মাঝ পথে খেই হারিয়েছিল সবুজ মেরুন। কোচও বদল হয়েছে। দুর্দান্ত ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মোহনবাগান। এখন জোড়া লক্ষ্য মোহনবাগানের সামনে। প্রথমত, লিগ শিল্ড জয়, দ্বিতীয়ত ট্রফি ধরে রাখা। 

    মোহনবাগানের ভরসা

    মোহনবাগান বনাম মুম্বই ম্যাচকে লিগ শিল্ডের ‘ভার্চুয়াল’ ফাইনাল বলাই যায়। তবে মোহনবাগানের কাছে জয় ছাড়া বিকল্প নেই। জিতলেই লিগ শিল্ড। পরবর্তী লক্ষ্য দাঁড়াবে আইএসএল খেতাব ধরে রাখা। সেই লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজিয়ে চলেছেন বাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। শরীরটা একটু সুস্থ হতেই প্র্যাকটিসে নেমে পড়েছেন তিনি। অনুশীলন করানোর পাশাপাশি ফুটবলারদের হাতে ধরে ভুল শুধরে দিলেন। সোমবার ডাগ আউটেও বসবেন তিনি। আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের উপস্থিতি বদলে দিতে পারে একটা গোটা ম্যাচের ছবি। তাঁর মগজাস্ত্র বড় ভরসা সবুজ-মেরুনের।  

    কী ভাবছে কোচ

    সোমবার মুম্বই সিটি এফসি’র বিরুদ্ধে ম্যাচ ইতিহাসে স্থান করে নেওয়ার ম্যাচ। স্বপ্নপূরণের ম্যাচ। হাবাসের ডেপুটি ম্যানুয়েল বলেন, ” হাবাস ডাগ আউটে থাকুন কি না থাকুন, তাঁর মস্তিষ্ক সব সময় সঙ্গে থাকে। ওনার ট্যাকটিক্সেই খেলা হবে। ঘরের মাঠে পঞ্চাশ হাজার দর্শকের সামনে আমরাই সেরা।” বিপক্ষ দলের বিপিন, ছাংতেদের নিয়ে ভাবছেন না তিনি। তার বদলে তিনি ভাবছেন কীভাবে মুম্বইয়ের দুর্ভেদ্য রক্ষণে ফাটল ধরানো যায়। “ওদের কাছে ম্যাচটা অনেক সহজ। কারণ ওদের দরকার মাত্র এক পয়েন্ট। তবে ঘরের মাঠে আমাদের হারানো সহজ হবে না। আমাদের কাছে মাস্ট উইন ম্যাচ,” বলছেন ম্যানুয়েল। তাঁর পাশে বসে জনি কাউকো বলেন, “হেড কোচ হাবাসের জন্যই আমরা এই ম্যাচটা জিততে চাই। আমরা নিজেদের সেরাটা ছাপিয়ে যেতে প্রস্তুত।”

    আরও পড়ুন: বৈশাখ পড়তেই বাড়ছে গরম, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিপক্ষ মুম্বই সিটি এফসি-র কোচ ক্রাতকি বলেছেন, ‘‘পরিস্থিতি খুবই উত্তেজক। আমি আত্মবিশ্বাসী। কারণ, আমাদের দল খুব ভাল। আমাদের ফুটবলারদের এই পরীক্ষায় পাশ করার ক্ষমতা রয়েছে। ম্যাচটা বেশ কঠিন হবে জানি। আমাদের পরিশ্রম করতে হবে। এই ম্যাচ অনেকটা মানসিক শক্তির লড়াই। মোহনবাগানও যথেষ্ট ভাল দল। তার উপর ঘরের মাঠে খেলবে। সব রকম সুবিধা ওরা পাবে। তাই আমাদের প্রথম থেকে শেষ মিনিট পর্যন্ত সংঘবদ্ধ ভাবে লড়াই করতে হবে।’’

    কখন ও কোথায় ম্যাচ দেখবেন

    স্পোর্টস ১৮ ১ HD (ইংরেজি), স্পোর্টস১৮ ৩ (বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি), স্পোর্টস১৮ খেল (হিন্দি) এবং ডিডি বাংলায় সরাসরি আইএসএলের ম্যাচ সম্প্রচারিত হবে। আর অনলাইনে জিয়ো সিনেমায় মোহনবাগান বনাম মুম্বই ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং হবে। অনলাইনে জিয়ো সিনেমায় বিনামূল্যে সেই ম্যাচ দেখতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

    Narendra Modi: সুকান্তর সমর্থনে প্রচারে ঝড় তুলতে বালুরঘাটে আসছেন মোদি, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য জেলায় ভোটপ্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এর আগে ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে বুনিয়াদপুরে এবং ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে গঙ্গারামপুরে ভোটপ্রচারে এসেছিলেন। ১৬ এপ্রিল ফের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় আসছেন প্রধানমনন্ত্রী। বালুরঘাট রেল স্টেশন ময়দানে নরেন্দ্র মোদির সভাকে ঘিরে প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

    মোদির সভাস্থলে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি (Narendra Modi)

    রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সভা করতে আসছেন নরেন্দ্র মোদি। জেলার সমস্ত বিধানসভা ক্ষেত্র থেকেই কর্মী-সমর্থকরা আসবেন মোদির এই সভায় যোগ দিতে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোদির (Narendra Modi) সভায় এক লক্ষ মানুষের ভিড় হবে। এর আগে ২০১৯ সালে বুনিয়াদপুরে এসেছিলেন সুকান্তর হয়ে ভোট প্রচারে। সেবার ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছিলেন সুকান্ত মজুমদার। এবার ভোটের ব্যবধান বাড়াতে বিজেপি নেতৃত্ব কোনওরকম কসুর রাখছেন না। এর আগেই জেলায় সভা করে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বুনিয়াদপুরের সভা করেছেন। এবার নরেন্দ্র মোদির সভা বালুরঘাটে। মোদির সভা মঞ্চ গড়ে তোলার কাজ প্রায় শেষ। চলছে বিশেষ সুরক্ষা বাহিনীর কুকুর ও মেটাল ডিটেক্টর নিয়ে তল্লাশি। এছাড়াও সভাস্থলে নিরাপত্তা রক্ষার জন্য এখন থেকেই শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন। ইতিমধ্যে সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি সভাস্থলের কাজ পুরো খতিয়ে দেখেন। মোদির সভাস্থলে সঞ্চালনার কাজ করবেন একজন আদিবাসী নেত্রী ও একজন আদিবাসী নেতা। সভাস্থলের হেলিপ্যাডে তিনটি পরীক্ষামূলক উড়ান দেয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার। বালুরঘাটে নরেন্দ্র মোদির সভাকে কেন্দ্র করে উৎসাহে আছে বালুরঘাট সহ জেলাবাসী।

    আরও পড়ুন: “পিটিয়ে মেরে দিল তৃণমূলের লোকজন”, বলল নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,”অন্য রাজনৈতিক দলের যেটুকু হাওয়া রয়েছে, ওটুকুই থাকবে। কারণ, আগামীকাল ১৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বালুরঘাটে সভা করবেন। সভা করে যাওয়ার পর জেলায় বিজেপির যে ঝড় উঠবে, তাতে অন্য রাজনৈতিক দলগুলি লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। এই আসনে জয় নিশ্চিত হয়ে যাবে বিজেপির।” তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল পাল্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসেও কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৈশাখ পড়তেই বাড়ছে গরম, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: বৈশাখ পড়তেই বাড়ছে গরম, দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখ পড়তেই “রজনী নিদ্রাহীন, দীর্ঘ দগ্ধ দিন”! নববর্ষের প্রথম দিনেই এক ডিগ্রি করে বাড়ল শহরের দিন ও রাতের তাপমাত্রা। প্রায় ৩৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে গেল কলকাতার পারদ। পশ্চিমের জেলায় পারদ ছুঁল ৪০ ডিগ্রি। দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আপাতত দক্ষিণের কোথাও বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।

    বাড়ছে তাপমাত্রা

    হাওয়া অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রবিবার রাজ্যের তিনটি জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়েছিল। বাঁকুড়া (৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস), বিষ্ণুপুর (৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং পানাগড়ে (৪০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিল। বাকি এলাকায় তাপমাত্রা এখনও ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি না ছুঁলেও হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু’তিন দিনে আরও চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে সর্বত্র। সে ক্ষেত্রে অনেক জেলায় তাপমাত্রা ৪০-এর গণ্ডি ছাড়িয়ে যাবে। রবিবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও রবিবার  সকালে অনেকটা বেড়ে ৯০ শতাংশ হয়ে যায়। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা-ও স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি। 

    অস্বস্তিকর আবহাওয়া 

    সোমবার সকাল থেকে শহরে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার জন্য বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত সরাসরি রোদে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বেলা বাড়লে আপেক্ষিক আর্দ্রতা কমে যায় এবং লু -এর মতো শুষ্ক গরম বাতাস বইতে শুরু করে কলকাতায়। কষ্টের মধ্যে পড়েছে স্কুল ফেরতারা। ১৭ বা ১৮ এপ্রিলের মধ্যে কলকাতার পারদ ৩৯ এর ঘরে পৌঁছে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। 

    আরও পড়ুন: ইরান-ইজরায়েল দ্বন্দ্বের জের, অনির্দিষ্টকালের জন্য উড়ান পরিষেবা বন্ধ করল এয়ার ইন্ডিয়া

    বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে

    উত্তরবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে। ১৬ এবং ১৯ এ এপ্রিল বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামী চার দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। মঙ্গলবার ১৬ই এপ্রিল বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের ৮ জেলাতেই ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার জেলাতে বজবিদ্যুৎ-সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি এবং সঙ্গে ৪০/৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝড়ের সতর্কবার্তা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share