Blog

  • Lok Sabha Election: প্রথম পর্যায়ে ৩৯ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ কংগ্রেসের, রাহুল লড়ছেন কেরলে

    Lok Sabha Election: প্রথম পর্যায়ে ৩৯ জনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ কংগ্রেসের, রাহুল লড়ছেন কেরলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election) প্রথম পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। এদিন কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় ৩৯ জনের নাম রয়েছে। দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী, শশী থারুর এবং ভূপেশ বাঘেলের মতো কংগ্রেস নেতাদের নাম দেখা যাচ্ছে ওই তালিকায়। ২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশের একমাত্র আসন রায়বেরিলি কেন্দ্র থেকে জয়ী হন সোনিয়া গান্ধী। তবে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় রায়বেরিলির প্রার্থী (Lok Sabha Election) ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধী নিজেকে বর্তমানে রাজ্যসভায় সরিয়ে নিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, পরিবারতন্ত্র বজায় থাকবেই রায়বেরিলিতে এবং সেক্ষেত্রে ২০২৪ সালের ভোটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি।

    রাহুল গান্ধী কেরালার ওয়েনাড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন

    কংগ্রেসের প্রকাশিত তালিকা (Lok Sabha Election) অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, রাহুল গান্ধী কেরালার ওয়েনাড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রসঙ্গত, আমেথিকে কংগ্রেসের দূর্গ বলা হতো একসময়। মোদি ঝড়ে সেই দূর্গ উড়ে যায় ২০১৯ সালে। গান্ধী পরিবারের খাসতালুক বলে পরিচিত আমেথিতে পরাস্ত হন রাহুল গান্ধী। জেতেন বিজেপির স্মৃতি ইরানি। কিন্তু ২০১৯ সালের মতো তিনি এবার আমেথি থেকেও রাহুল প্রার্থী হবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশী থারুর তিরুঅনন্তপুরম থেকে লড়বেন। একইভাবে ছত্তিশগড়ের রাজনন্দগাঁও আসন থেকে  লড়বেন সেরাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল।

    কোন কোন রাজ্যের প্রার্থীর নাম রয়েছে প্রথম তালিকায়

    কংগ্রেসের প্রকাশিত তালিকায় থাকা (Lok Sabha Election) নামগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল দলের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল, যিনি কেরালার আলাপুজ্জা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ২০০৯ সালে এই কেন্দ্রেরই প্রার্থী ছিলেন ভেনুগোপাল। এছাড়াও প্রকাশিত তালিকায় নাম রয়েছে ডি কে সুরেশের। কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের ভাই সুরেশ লড়বেন বেঙ্গালুরু গ্রামীণ লোকসভা কেন্দ্র থেকে। জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় প্রকাশিত তালিকায় দিল্লি, কর্নাটক, কেরল, তেলঙ্গানা, ছত্তিশগড়, লাক্ষাদ্বীপের, পাশাপাশি সিকিম, মণিপুর, মেঘালয়, ত্রিপুরার মতো উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির প্রার্থীদের নাম রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বিজেপি প্রথম পর্যায়ের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল। তাতে ১৯৫ জনের নাম ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: লোকসভার প্রচারে দেওয়াল লিখন শুরু, শ্রীরূপার হয়ে ময়দানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    Malda: লোকসভার প্রচারে দেওয়াল লিখন শুরু, শ্রীরূপার হয়ে ময়দানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার মালদায় (Malda) দ্বিতীয় দিনের নির্বাচনী প্রচার সফরে দেওয়াল লিখন কর্মসূচি করলো বিজেপি নেতৃত্ব। শুক্রবার সকাল থেকেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মসূচি গ্রহণ করে বিজেপির মালদা জেলা নেতৃত্ব। রাজ্যে লোকসভার ভোটের প্রচারে একধাপ এগিয়ে বিজেপি। মালদা উত্তরের লোকসভা প্রার্থী হয়েছেন ২০১৯ সালের বিজপির জয়ী প্রার্থী খগেন মুর্মু এবং অপরদিকে মালদা দক্ষিণ ইংরেজ বাজার লোকসভার প্রার্থী হয়েছেন শ্রীরূপা মিত্র। দুজনেই জয় বিষয়ে ভীষণ আত্মবিশ্বাসী। ২০২৪ সালের লোকসভা জন্য এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ১৯৫ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। আর এই রাজ্যের মোট ২০ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি।   

    কী বললেন মানিক সরকার (Malda)?

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার মালদায় (Malda) এদিন বলেন, “আমাদের অভিভাবক হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর হাত শক্ত করাটা সবথেকে বেশি দরকার। দেশকে শাক্তিশালী করতে হলে শক্তসবল সরকার দরকার। পার্টির নির্দেশে আমি আজ মালাদায় এসেছি। দল যা বলবে, আমাদের কাজ সেই অনুসারে প্রচার করা। আগামী লোকসভার নির্বাচনে বিজেপি ৩৭৫ টি আসনের বেশি পাবে।”

    দেওয়াল লিখন কর্ম সূচিতে মানিক সরকার

    এদিন ইংরেজবাজার (Malda) শহরের কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের গির্জা মোড়ে দক্ষিণ মালদার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশ নেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। পাশাপাশি এদিন শিবরাত্রি উপলক্ষে ইংরেজবাজার পুরসভার ঝলঝলিয়া এলাকার শিব মন্দিরে পুজো দেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। আবার ওই এলাকাতেই কয়েকজন দুঃস্থ মানুষের সঙ্গেও বাড়িতে গিয়ে কথা বলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিজেপির জেলা নেতৃত্ব ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার করেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী, ইংরেজবাজার পুরসভার বিজেপি দলের কাউন্সিলর সুতপা মুখার্জি, দক্ষিণ মালদার বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি পার্থসরথি ঘোষ সহ দলের জেলা নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের আরও এক ‘সহচরে’র বাড়িতে সিবিআই-এর তল্লাশি

    Sandeshkhali: শাহজাহানের আরও এক ‘সহচরে’র বাড়িতে সিবিআই-এর তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আরও সক্রিয়। এবার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ ‘সহচরে’র বাড়িতে তাল্লাশি অভিযানে পৌঁছাল। জানা গিয়েছে, এই তৃণমূল নেতা শাহজাহানের ‘সহচর’। ইতিমধ্যে শাহজাহানের সরবেড়িয়ার বাড়িতে সিল করা তালা খুলে তল্লাশি এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছেন তদন্তকারী অফিসারেরা। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় জাওয়ান, দুই ইডি আধিকারিক এবং ফরেন্সিক টিমের সদস্যরা। শাহজাহানের চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

    কে এই শাহ জাহানের সহচর (Sandeshkhali)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই যে সহচরের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছে তাঁর নাম হল আবু হোসেন মোল্লা ওরফ দুরন্ত আলি মোল্লা। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আকুঞ্জবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়ির একদম কাছেই ডুগরি গ্রামে দুরন্ত আলি মোল্লার বাড়ি। তিনি শাহজাহানের ভীষণ অনুগত। কিন্তু শুক্রবার সন্দেশখালিতে অভিযান করলে এই দুরন্ত মোল্লা পলাতক বলে জানা যায়। আপাতত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছে সিবিআই। জানা গিয়েছে  শাহজাহানের সঙ্গে ফোনে খুব কথা হতো তাঁর। 

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    দুরন্ত শেখ শাহজাহানের কতটা কাছের, সেই সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে এক এলাকাবাসী বলছেন, “বছর খানেক আগে দুরন্ত আলির অনুগত্যের প্রমাণ মিলেছিল। পাঁচতলা বিল্ডিং থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন দুরন্ত! সরবেড়িয়া (Sandeshkhali) হাইস্কুলের উলটো দিকে শাহজাহানের একটি নির্মীয়মাণ বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে দেন। শাহজাহান দুরন্তকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কি জান দিতে পারবে? কি দিতে পারবে? কথা শোনা মাত্রই এক নিমিষে ঝাঁপ দিয়ে দেন দুরন্ত। উঁচু স্থান থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যায় দুরন্তের। এরপর প্রায় ছয়মাস বাড়িতে শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। এটাই আনুগত্য এবং সহচরের নমুনা।”

    গত ৫ জানুয়ারি ইডি তল্লাশি করতে গেলে দুরন্তই প্রথম ফোনে শাহজাহানকে খবর দেয় বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী অফিসারেরা মোবাইলের সূত্র ধরে জানতে পারেন আক্রমণের দিন প্রথম ফোন করেছিলেন দুরন্ত।        

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maha Shivratri: শিবরাত্রিতে ব্যাসপুরের শিব মন্দিরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Maha Shivratri: শিবরাত্রিতে ব্যাসপুরের শিব মন্দিরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর শহরের একটি অতি প্রাচীন মন্দির হলো ব্যাসপুর শিব মন্দির। শিবরাত্রি (Maha Shivratri) উপলক্ষে চলে চার দিনব্যাপী উৎসব ও নরনারায়ণ সেবা। বহু দূর-দুরান্ত থেকে ভক্তেরা সমাবেত হন এই মন্দিরে, এই মন্দিরের উৎসব আজ থেকেই শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্দির কমিটির সদস্যবৃন্দরা।

    ১৯১৮ সালে মন্দির সংস্করণ হয় (Maha Shivratri)

    বহরমপুর শহরের কাশিমবাজারের ব্যাসপুরে অবস্থিত এই বিখ্যাত শিব মন্দির। কথিত রয়েছে যে পণ্ডিত রামকেশব দেবশর্মন ১৮১১ সালে এই মন্দির তৈরি করেন। এই মন্দিরটির স্থাপত্য শৈলী খুব সুন্দর। এরকম উচু মন্দির এখানে আর নেই। অনেকের মতে আবার রাণী ভবানীর তৈরি বরানগরের মন্দির থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই মন্দির তৈরি হয়েছে। আজ এই মন্দিরে শিবরাত্রির দিনেই শিবকে পুজো করা হয়েছে। তবে সময়ের সাথে সাথে এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ১৯১৮ সালে মুর্শিদাবাদের লালগোলার মহারাজা যোগীন্দ্র নারায়ণ রায় বাহাদুর এই মন্দিররের সংস্কার করেন। তখন এই মন্দিরের সংস্কারের তত্ত্বাবধানে ছিলেন আইনজীবী ও জাতীয়তাবাদী নেতা রায়বাহাদুর বৈকুণ্ঠ নাথ সেন। ১৯৯৫ সালে মহারাষ্ট্রের অমিত কুমার ভোঁসলে আবার এই মন্দিরের সংস্কার করেন।

    বিভিন্ন স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণ

    মন্দিরটি বিভিন্ন স্থাপত্য শৈলীর মিশ্রণে তৈরি। মন্দিরে কার্নিশসহ চালা,পদ্মফুলের আট পাপড়ি, মন্দিরে আট কোণ যুক্ত চূড়া আছে। মন্দিরের চুড়ায় কলস ও ত্রিশূল আছে। যা উল্টো পদ্মের মতো দেখতে। মন্দিরের গায়ে দুর্গা, কালী, রাধামাধব, গণেশ ,সিংহ, হাতি, সর্প ইত্যাদি অঙ্কিত রয়েছে। মন্দিরের প্রবেশ পথে মন্দিরের গায়ে রাম-রাবণের যুদ্ধ, কৃষ্ণলীলা, বিষ্ণুর দশাবতার, মহিষাসুরমর্দিনী, ফুল, লতাপাতা আঁকা রয়েছে। মন্দির সংস্কারের ফলে টেরাকোটার কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। শিবরাত্রির (Maha Shivratri) দিনে জল ঢালার জন্য প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।

    মন্দিরের উচ্চতা ৫৭ ফুট

    এই মন্দিরের উচ্চতা ৫৭ ফুট। মন্দিরের গর্ভগৃহে আছে কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ। তাঁরই নাম ব্যাস দেব। এই শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৫ ফুট। সম্প্রতি মন্দিরটির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের প্রবেশ পথের পাশেই তৈরি করা হয়েছে বিশাল “হরগৌরীর” মূর্তি। প্রধান মন্দিরের সম্মুখে তৈরি হয়েছে বিশাল “নাট মন্দির”। এখানে শিবরাত্রিতে (Maha Shivratri) ভক্তরা নিজের মনস্কামনার কথা জানিয়ে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘বাংলার কাশী’ শিবনিবাস, শিবরাত্রিতে ছুটে আসেন হাজার হাজার ভক্ত

    Nadia: ‘বাংলার কাশী’ শিবনিবাস, শিবরাত্রিতে ছুটে আসেন হাজার হাজার ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথিত আছে মহাদেবের স্বপ্নাদেশেই তৎকালীন সময় ১০৮টি শিবমন্দির তৈরি করেছিলেন নদিয়ার (Nadia) রাজা কৃষ্ণচন্দ্র। শিবনিবাস নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বাংলার ইতিহাস খ্যাত ও পুরাকীর্তি সমৃদ্ধ এক প্রাচীন স্থান। এখানেই রয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে নদিয়া জেলার এই শিবনিবাসকে বাংলার কাশী বলা হয়। শিবরাত্রি উপলক্ষে শুক্রবার দেশজুড়ে বিভিন্ন শিব মন্দিরের পাশাপাশি কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস শিবমন্দিরেও শিবরাত্রি পালিত হচ্ছে। হিন্দু ধর্মে মহা শিবরাত্রি তিথির এক বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। পুণ্যার্থীরা মনস্কামনা পূরণের জন্য এদিন নানা ধর্মীয় ক্রিয়াকর্মের মধ্যে দিয়ে শিবের ব্রত পালন করেন। একইভাবে এদিন শিবনিবাস মন্দিরে দিনভর চলে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ ছুটে আসেন মন্দির প্রাঙ্গনে। ভক্তবৃন্দদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরো মন্দির চত্বর ঘিরে রাখা হয় কড়া পুলিশি প্রহরায়।

    শিবরাত্রি উপলক্ষে মেলার আয়োজন (Nadia)

    এছাড়াও শিবরাত্রি উপলক্ষে শিবনিবাস মন্দির সংলগ্ন এলাকায় মেলার আয়োজন করা হয়। মেলাকে ঘিরেও উপস্থিত স্থানীয় ও বহিরাগত মানুষজনদের বাড়তি উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। এই মন্দিরের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে চুর্ণী নদী। জনশ্রুতি আছে যে, দেবাদিদেব শিবের স্বপ্নাদেশের পর মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁর নতুন রাজধানী কৃষ্ণগঞ্জে স্থাপন করেছিলেন এবং ১০৮ টি মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। তবে ইতিহাসবিদরা আরও কিছু যুক্তি দিয়েছেন। কেউ কেউ বলেন, আঠারো শতকের মাঝামাঝি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র বহিরাগত শত্রু মারাঠাদের আক্রমণের হাত থেকে তাঁর রাজধানী কৃষ্ণনগরকে বাঁচানোর জন্য চূর্ণী নদীর ধারে অবস্থিত কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস (Nadia) এলাকা বেছে নেন এবং আক্রমণকারীদের থেকে তিনি সুরক্ষিত থাকেন। তাঁর রাজধানী স্থানান্তরিত হওয়ার পরে মহারাজা সম্ভবত এই জায়গাটির নাম ‘শিবনিবাস’ করেন। লোকেদের বিশ্বাস, এটি মহাদেব নিজেই করেছেন। আবার অনেকে বলেন, এই নামটি তাঁর পুত্র শিবচন্দ্রের নামে রাখা হয়েছিল।

    দ্বিতীয় উচ্চতম শিবলিঙ্গ (Nadia)

    মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালে (১৭২৮-১৭৮২) বাংলায় সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয়েছিল। তাঁর জ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতি তাঁকে বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি অনন্য স্থান দিয়েছে। তাঁর নবরত্ন (নয়টি রত্ন) সভা এখনও বাংলার সাংস্কৃতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মন্দিরের (Nadia) ছাদ ঢালু এবং গম্বুজবিশিষ্ট, যা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি প্রাচীন পরম্পরাকে অনুসরণ করে না। এই মন্দিরে রয়েছে পোড়ামাটি কাজ। তেমনি রয়েছে ইসলামিক ও গথিকের কাজ। এখানে সবচেয়ে বড় শিব মন্দিরটি বুড়ো শিব নামে পরিচিত। চূড়া সমেত মন্দিরের উচ্চতা ১২০ ফুট। মন্দিরের ভিতরের শিবলিঙ্গটি দ্বিতীয় উচ্চতম শিবলিঙ্গ। এছাড়াও শিবনিবাসের অন্যান্য মন্দিরগুলি রাজ রাজেশ্বর মন্দির, রগনিশ্বর মন্দির, রাম-সীতা মন্দির, বুড়ো শিব মন্দির নামে পরিচিত। 

    তিনটি মন্দিরের অস্তিত্ব (Nadia)

    যদিও বর্তমানে এখানে ১০৮ টির মধ্যে মাত্র তিনটি মন্দিরের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। যার মধ্যে একটিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গ রয়েছে। পাশাপাশি এখানে রাম-সীতা মন্দিরের সঙ্গে রয়েছে আরও দুটি শিব মন্দির এবং কৃষ্ণচন্দ্রের প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ, যা মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের (Nadia) প্রাচীন ইতিহাসের ঐতিহ্য বহন করে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: দীর্ঘদিন ফাঁকা পিএসসি-র চেয়ারম্যানের পদ, রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: দীর্ঘদিন ফাঁকা পিএসসি-র চেয়ারম্যানের পদ, রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিএসসি চেয়ারম্যান (Psc Chairman) পদে নিয়োগ নিয়ে কড়া অবস্থান নিতে দেখা গেল কলকাতা হাইকোর্টকে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান পদটি খালি রয়েছে। এর ফলে পিএসসির নিয়োগ সংক্রান্ত অনেক ইন্টারভিউ আটকে রয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিস বা ডাব্লুবিসিএস-এর মতো পরীক্ষার ইন্টারভিউও আটকে রয়েছে, শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদ খালি থাকার কারণে। এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, রাজ্য যদি না পারে তাহলে আদালত এই পদে নিয়োগ (Psc Chairman) নিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবে।

    চেয়ারম্যান নিয়োগের দাবিতে মামলা করেন এক আইনজীবী

    প্রসঙ্গত, পিএসসি চেয়ারম্যান (Psc Chairman) নিয়োগের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শামিম আহমেদ। এবং তিনি জানান, পিএসসিতে ৬ থেকে ৭ জন সদস্য থাকার কথা থাকলেও সেখানে মেম্বার রয়েছেন মাত্র দুই জন। এর ফলে একাধিক পরীক্ষার ইন্টারভিউ নেওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবারের শুনানিতে পিএসসি-এর চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, পিএসসি চেয়ারম্যান নিয়োগ ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের বিরুদ্ধে। আদালতের বক্তব্য, চেয়ারম্যান নিয়োগ না করার ফলে সুপ্রিম কোর্টেও নির্দেশ মানা হচ্ছে না।

    ১৪ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি

    আগামী ১৪ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। তবে তার আগেই রাজ্যকে এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছে হাইকোর্ট। পিএসসি চেয়ারম্যান পদ খালি থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও। রাজ্য সরকারের নিয়োগের (Psc Chairman) ক্ষেত্রে গতি আনার পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপালও। কিন্তু রাজ্যের যেন কোনও হেলদোলই নেই। প্রসঙ্গত, আগে রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে গ্রুপ ডি এবং গ্রুপ সি পদের নিয়োগের পরীক্ষা থেকে ইন্টারভিউ সবটাই দেখাশোনা করতো পিএসসি। তবে তা পিএসসির-র কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বর্তমানে।

     

    আরও পড়ুুন: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) সফরে এসে উত্তরবঙ্গবাসীকে আরও একটি নতুন ট্রেন উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে শিলিগুড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে রাজনৈতিক মহল তাকিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন কী বার্তা দেন, তা শোনার জন্য অধীর প্রতীক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরে কী কর্মসূচি?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের কাছে কাওয়াখালি মাঠে শনিবার বিকেলে সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিকেল তিনটেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকে সড়ক পথে যাবেন কাওয়াখালি ময়দানে। প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি জংশন-রাধিকাপুর ডেমু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রেলের আরও আটটি বিভিন্ন প্রকল্পেরও (Siliguri) উদ্বোধন করবেন। এই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষপুকুর-ধুপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা এবং ইসলামপুরে জাতীয় সড়কের বাইপাসের উদ্বোধন করবেন। আধ ঘন্টার এই সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য কাওয়াখালির মাঠে দুটি মঞ্চ করা হয়েছে। একটি মঞ্চ সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য, অপরটিতে হবে জনসভা। জনসভা করে সড়ক পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাবেন তিনি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা (Siliguri)

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি জন্য দুদিন আগেই এসপিজি’র একটি দল পৌঁছে গিয়েছে। মঞ্চ তৈরি ও যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ তারা তদারকি করছে। শুক্রবার স্নিফার ডগ দিয়ে মঞ্চ ও গোটা মাঠ তল্লাশি চালায় তারা। রয়েছে রাজ্য পুলিশও। শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যেই সকলকে জনসভার মাঠে (Siliguri) উপস্থিত হতে হবে। তারপর থেকে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গ বিজেপি (Siliguri)

    গতবার  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছে। আটটি আসনের মধ্যে সাতটি জিতেছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনেও ভালো ফল হয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে নতুন কী বার্তা দেন, তা নিয়ে সব মহলেই উৎসাহ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা সফল করতে বিজেপির প্রচার তুঙ্গে। উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই (Siliguri) লোক আসবে বলে এদিন জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। তাঁর দাবি, দুই লাখ লোক হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায়। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব বিধায়ক, সাংসদ এবং জেলা নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে দেওয়াল লিখন শুরু, প্রার্থী নিয়ে জল্পনা

    Abhijit Gangopadhyay: তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে দেওয়াল লিখন শুরু, প্রার্থী নিয়ে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গেল। তাঁর বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। এই নিয়ে রাজ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। বিজেপিতে যোগদান করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।

    হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র তমলুক (Abhijit Gangopadhyay)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় সব থেকে হাই ভোল্টেজ কেন্দ্র হল তমলুক। ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন সিপিএমের নেতা লক্ষ্মণ শেঠ। কিন্তু তারপর থেকে এই কেন্দ্র যায় অধিকারী পরিবারের দখলে। সিপিএমের এই প্রতাপশালী নেতাকে রাজনৈতিক ময়দানে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন শুভেন্দু নিজেই। এরপর ২০১৬ সালে ইস্তফা দিতে হয়। এরপর বিধানসভার ভোটে শুভেন্দু দাঁড়ালে সেই আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। ২০১৯ সালের লোকসভার নির্বাচনে জয়ী হন ফের দিব্যেন্দু অধিকারী। তবে এই দিব্যেন্দু তৃণমূলের সাংসদ হলেও কার্যত তাঁরা যে তৃণমূলের সঙ্গে নেই, এই কথা আগে খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। ফলে এই পরিস্থিতির মধ্যে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নামে দেওয়াল লিখনে এক বিশেষ ইঙ্গিত রয়েছে।  

    বিজেপিতে যোগদান করেছেন অভিজিৎ (Abhijit Gangopadhyay)

    প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) নিজের বিচারক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগদান করেছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে এদিন যোগদান করেছিলেন তিনি। তিনি অবশ্য বলেছেন দল যে দায়িত্ব দেবে, সেই দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন। তবে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি এবং তমলুক এই দুই আসনে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। আর বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা এতটাই উৎসাহী যে প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগেই দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই টালমাটাল পরিস্থিতির সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের ৫ই জানুয়ারি। সেদিন শাহজাহান বাহিনী ইডি’র ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল। শাহজাহানের দাপটের কথা যতই তারপর থেকে প্রকাশ্যে এসেছে, ততই একটা প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। তা হল, তাঁর মাথায় কার কার হাত রয়েছে অর্থাৎ তৃণমূলের কোন কোন প্রভাবশালী নেতা তাঁর এই ধরনের অমানবিক অত্যাচারে মদত জুগিয়ে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই শাহজাহানের ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই খবর পাওয়া মাত্রই সেখানকার বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সাফাই গাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন। নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে সেদিন তিনি শাহজাহানকে ফোন করেছিলেন।

    কী বললেন বিধায়ক? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “ওইদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমি শাহজাহানকে ফোন করেছিলাম।” আর সেই ফোন তিনি নাকি নিজের ইচ্ছায় করেননি, করেছিলেন হাজি নুরুলের নির্দেশ মেনে। ফোনে তিনি শাহজাহানকে (Sandeshkhali) কী বলেছিলেন? সুকুমার মাহাতোর কথায়, “ইডির ওপর যাতে হামলা না হয়, সেই পরামর্শই আমি ওকে দিয়েছিলাম। যদিও ততক্ষণে সমস্ত ঘটনা ঘটে গিয়েছে।” তৃণমূলের প্রভাবশালী তত্ত্ব এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে। তাই সুযোগ বুঝে তৃণমূলের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরিতে নেমেছেন ওই বিধায়ক। তিনি বলেন, “আমি তেমনভাবে দল করি না। শুধু উন্নয়নের কাজকর্ম দেখছি।” তাঁর দাবি, তিনি রাজনৈতিকভাবে কোনও প্রভাবশালী নেতাও নন।

    ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন? (Sandeshkhali)

    এদিকে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হওয়ার পর ৩ মিনিটে মোট ২৮ টি ফোন করেছিলেন শাহজাহান। তাঁর নিজের হেফাজতে ছিল দুটি ফোন। ফোনগুলি করা হয়েছিল সেখান থেকেই। যেহেতু এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছিল ইডি, তাই তারা শুরুতেই ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছিল। এরপর সিবিআই যখন তদন্তের নির্দেশ পায়, তখন সেই কল লিস্ট (Sandeshkhali) তারা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। তৃণমূল বিধায়কের কাছে এটা পরিষ্কার যে কল লিস্ট অনুযায়ী তাঁরও ডাক আসবে। তাই আগেভাগেই তিনি সাফাই দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন, এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ডোমকলে চা চর্চার মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী গৌরী শঙ্কর ঘোষ

    Murshidabad: ডোমকলে চা চর্চার মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী গৌরী শঙ্কর ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের তারিখ এখনও অজানা, প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই আগেভাগে ভোট প্রচার শুরু করে দিলেন মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌরী শঙ্কর ঘোষ। বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই করিমপুর, জলঙ্গির পাশাপাশি ডোমকলে চা চর্চার মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী। লোকসভা নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফ থেকে মোট ১৯৫ টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই রাজ্যের মোট ২০ জন বিজেপি পদ প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিজেপি প্রার্থীরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রার্থী পরিচিতির সঙ্গে সঙ্গে প্রচার অভিযান শুরু করে দিয়েছেন।

    ডোমকলে প্রচার শুরু (Murshidabad)

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ডোমকলে ভোট প্রচার করলেন মুর্শিদাবাদ লোকসভার বিজেপি প্রার্থী গৌরী শঙ্কর ঘোষ। এদিন দলের বিজেপি মন্ডল নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে চায়ের আড্ডা দিলেন তিনি। তিনি জানান যে ডোমকল মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হলেও এই অঞ্চল থেকে তিনি প্রচুর পরিমাণে ভোট পাবেন এবং তিনি জয় নিয়েও ১০০ শতাংশ আশাবাদী। বর্তমানে গৌরি শঙ্কর ঘোষ মুর্শিদাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক।  

    আর কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থী গৌরী শঙ্কর ঘোষ আরও বলেন, “সারা দিন ধরেই ভোটের প্রচার চলছে। এখনও পর্যন্ত অন্য দলের তরফ থেকে প্রার্থী নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাই ভোটের জন্য এই ফাঁকা ময়দানে আমরা প্রচার কাজে এগিয়ে থাকতে চাইছি। আমরা এইবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) লোকসভায় বিজেপিকে জয়যুক্ত করব। আগামী দিনে আমরা শহরে গ্রামে সভা-সমিতি করব। বাড়িতে বাড়িতে, দোকানে দোকানে গিয়ে প্রচার অভিযান চালাবো। কেন্দ্র সরকারের উজ্জ্বলা যোজনা, কিষান সম্মান নিধি, আয়ুষ্মান ভারতের সুফলের কথা সকলের কাছে পৌঁছে দেবো। এই লোকসভায় আগে কোনও সময় বিজেপি জয়যুক্ত হয়নি, তাই মানুষ একবার বিজেপিকে সুযোগ দিলে মানুষের জন্য কাজ করব। রাজনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মুসলমান সমাজের জন্য বিজেপি কাজ করবে। বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে মুসলমানদের উপর অত্যাচার হয়না, কাউকেই পালিয়ে অন্য রাজ্যে কাজ খুঁজতে যেতে হয়না। মানুষের কাছে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়াই বিজেপির একমাত্র কাজ। আমারাও তাই করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share