Blog

  • North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথের কাঁটা সরাতে প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করেছিল মনুয়া। হাড়হিম করা সেই খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। বারাসতের সেই মনুয়া কাণ্ডের ছায়া এবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে শিমুলতলা এলাকায়। প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে  স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম হারাধন রায় (৩৫)। তাঁর বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শিমুলতলা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে হারাধন রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সবিতার। হারাধন পেশায় দিনমজুর। তাঁদের তিন সন্তানও রয়েছে। সবিতা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে একটি পানশালায় নর্তকীর কাজ করেন। বেশ কিছুদিন ধরেই সবিতা বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্বামী-স্ত্রীর অশান্তি চরমে ওঠে। অশান্তি মেটাতে এলাকায় সালিশি সভাও বসে। পরে সবিতা তাঁর প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে শুরু করেন। অন্যদিকে, শ্রমিকের কাজ নিয়ে মাস তিনেক আগে ওড়িশায় চলে যান হারাধন। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি সবিতা ফোন করে একসঙ্গে থাকবেন বলে অশোকনগরে চলে আসতে বলেন স্বামীকে। স্ত্রীর কথা শুনে এক সপ্তাহ আগে ফেরেন হারাধন। বারাসতে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে হারাধনবাবু ছিলেন। বারাসতের নপাড়ায় রেলের কারশেড এলাকার রেললাইনের ধার থেকে হারাধনবাবুর মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাসতের রেল পুলিশ। রেল পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে বারাসতে এসে দেহ শনাক্ত করেন হারাধন রায়ের পরিবার। শনিবার রাতে দেহ অশোকনগরের শিমুলতলায় পৌঁছতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ভাই এবং প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্ত্রী সবিতাই খুন করেছে হারাধনকে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবার এনং স্থানীয়রা। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। জনরোষের মুখে পড়ে মৃতের স্ত্রী সবিতা এবং শ্যালক-সহ সবিতার প্রেমিককে আটক করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lata Mangeshkar: অবিবাহিত হয়েও কেন লাল টিপ পরতেন লতা মঙ্গেশকর?

    Lata Mangeshkar: অবিবাহিত হয়েও কেন লাল টিপ পরতেন লতা মঙ্গেশকর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালজয়ী গায়িকা লতা মঙ্গেশকর (Lata Mangeshkar) ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে চির ঘুমের দেশে চলে যান, যা গোটা ভারতবর্ষের কাছে মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে যাওয়ার থেকে কম ছিল না। আজও যা মেনে নিতে পারেন না ভক্তবৃন্দরা। দেবী সরস্বতীর বড় কন্যা হিসেবেই মানুষ তাঁকে মনে করতেন। সব কিছুর পিছনে তিনি অনেকবার বিতর্কের মাঝেও পড়েছিলেন। কখনও কর্মজীবনের পলিটিক্স, কখনও প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক, আবার অনেকের দাবি, তাঁর জন্য নাকি বহু গায়িকা তাঁর কেরিয়ারের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেননি। তাই তাঁরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

    সাদামাটা জীবনযাপন করতেই অভ্যস্ত (Lata Mangeshkar)

    যদিও লতা সব সময় নিজেকে বিতর্ক থেকে সরিয়ে রাখতেই পছন্দ করতেন। কখনও কোনও মিডিয়াতে তাঁকে মুখ খুলতেও দেখা যায়নি। লতা সাদামাটা জীবনযাপন করতেই অভ্যস্ত ছিলেন, করেননি বিয়ে। লতা মঙ্গেশকর অবিবাহিত হওয়ার পিছনেও ছিল নানান বিতর্ক, এমনকি অবিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও কেন তিনি লাল টিপ পরতেন তা নিয়েও ছিল জল্পনা। সারাজীবন বিবাহ না করার এই প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনেক আগেই। ভাই-বোনদের স্নেহ দিয়ে ছোট থেকে বড় করে তোলার মধ্যেই তিনি তাঁর (Lata Mangeshkar) সারাটা জীবন অতিবাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এবার প্রসঙ্গ কপালে লাল টিপ কেন পরতেন?

    কেন লতা অবিবাহিত হয়েও লাল টিপ পরতেন? (Lata Mangeshkar)

    শোনা যায় একসময় BCCI প্রেসিডেন্ট রাজ সিং দুনগাপুরের সাথে তিনি প্রেমের সম্পর্কে আবদ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল। রাজ সিং ছিলেন লতার দাদা হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরের ভালো বন্ধু। সেই সূত্রেই পরিচয় হয় লতার সাথে। ভালোবাসার সম্পর্ক তাঁদের মধ্যে অনেকটাই বেড়ে ওঠে আস্তে অস্তে। এমনকি রাজ সিং ভালোবেসে লতার নাম রাখেন মিঠু।পরবর্তীতে তাঁরা দুজন একে অপরকে বিয়ে করবেন বলেও স্থির করেন। কিন্তু রাজ সিং-এর বাবা এই সম্পর্ক মেনে নিতে নারাজ ছিলেন। যেহেতু লতা (Lata Mangeshkar) রাজ পরিবারের কন্যা ছিলেন না। তাই সেখানেই তাঁদের সম্পর্কের ইতি হয়। এরই মধ্যে শোনা যায়, তাঁরা দুজন গোপনে বিয়েও করেছিলেন। আর সেই সূত্রেই তিনি কপালে লাল টিপ পরতেন। কিন্তু এই বিষয়ে লতা কোনওদিন মুখ খোলেননি। তাঁর মতে, সংগীতের নামেই তিনি কপালে লাল টিপ পরতেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    Dakshin Dinajpur: ১ মিনিটেই ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে পঞ্চম শ্রেণির ইমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিমেষেই বলে দিতে পারে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। আবার ইসলাম ধর্মের আলবাকারা শূরা থেকে ২৬টি স্ট্যাচু ঠোঁটস্থ। এই ব্যতিক্রমী প্রতিভার জন্য দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) পঞ্চম শ্রেণির ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দিল ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস। পরিবার এবং এলাকায় খুশির আবহ। ইমন চায় বড় হয়ে ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার হতে।

    মিস্ত্রির ছেলে ইমন (Dakshin Dinajpur)

    হিলি থানার (Dakshin Dinajpur) ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা চুকুরপাই গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি ইমরান মণ্ডল। তাঁর ১০ বছর বয়সি ছেলে ইমন মণ্ডল। পাঞ্জুল হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সে। তার এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা রয়েছে। ইন্টারনেট ঘেঁটে একাধিক বিষয়ে জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছে। ১ মিনিটেই বলে দিতে পারছে ১৩০টি দেশের রাজধানীর নাম। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পৃথিবীর ২৬টি স্ট্যাচুর নাম অবলীলায় বলে দিতে পারে ওই খুদে। ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় সবচেয়ে বড় কোরান শরিফ আলবাকারা শূরা এক লহমায় ঠোঁটস্থ ওই বিস্ময় বালকের।

    প্রতিযোগিতায় প্রথম

    সম্প্রতি ওই কিশোরের পরিবারের (Dakshin Dinajpur) তরফে তার এই প্রতিভার কথা জানানো হয় ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস-এ। তারপরই ওই সংস্থার তরফে ইমনের ব্যতিক্রমী প্রতিভার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। মোট ভারতের ১০ জন কিশোরের মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়। সেখানেই ইমনের প্রতিভা প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ১৫ জানুয়ারি ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ড থেকে ইমন মণ্ডলকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সম্প্রতি ইমনের বাড়িতে স্বীকৃতিপত্র পাঠিয়েছে ওই সংস্থা। তারপর থেকে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা।

    ইমনের বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে ইমন মণ্ডল বলেন, ‘আমি বাড়িতে (Dakshin Dinajpur) ইন্টারনেট ব্যবহার করে সব শিখেছি। খেলাধুলোর থেকে পড়াশোনা বেশি পছন্দ করি। সারাক্ষণ এইসব নিয়ে থাকি। আমার স্কুলের শিক্ষকেরাও উৎসাহ দেন। বাড়িতে মা-বাবাও সাহায্য করে। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলতে পেরে আনন্দ হচ্ছে। ভবিষ্যতে আমার ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছে রয়েছে।‘

    পরিবারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে ইমনের মা বিজিয়া সুলতানা মুন্সী (Dakshin Dinajpur) বলেন, “ছোট থেকেই ওর এরকম বিষয়ে বেশি নজর রয়েছে। মোবাইল ঘেঁটে সবটা শিখেছে। আমরা গাইড করেছি। শিক্ষকেরা গাইড করেছেন। এই স্বীকৃতিতে আমরা খুব খুশি। আমরা ওর পড়াশোনার জন্য সবরকমভাবে পাশে রয়েছি। এই চর্চাতেও আমরা সবসময় সাহায্য করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হানার পর থেকে সন্দেশখালির ‘ডন’ শেখ শাহজাহান এখন গর্তে ঢুকে রয়েছেন। পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারছে না। শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন এলাকার মহিলারা। আর তাকে কেন্দ্র করেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি। এই আবহের মাঝে তৃণমূলের ফেরার নেতা শাহজাহানকে নিয়ে গান ভাইরাল হয়েছে। আর সেই গানে তৃণমূল নেতাকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    ভাইরাল হওয়া গানে কী রয়েছে? (Sheikh Shahjahan)

    এমনিতেই এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হতে অনেকেই তাঁকে নানা মণীষীর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। অনেক সময় মণীষীদের সঙ্গে তাঁর ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চাও হয়েছে। এবার সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারকারী তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ‘জাতির জনক’ বলায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। শাহজাহানের মতো কুখ্যাত নেতাকে জাতির জনক বলায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল গানটিতে দেখা যাচ্ছে রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে হাঁটছেন। কোথাও আবার ঝাঁঝালো বক্তৃতা দিচ্ছেন। আর তাতেই মন মজেছে শাহজাহানের অনুগামীদের। গানের প্রতিটি লাইনে বারবার বলা হয়েছে, ‘বাদশা তুমি শাহজাহান ভাই, উত্তর ২৪ পরগনা তোমাকেই চায়’। কোথাও তিনি ‘বাদশা’, কোথাও ‘জাতির জনক’, কোথাও ‘নারীদের ত্রাতা” থেকে ‘গরিবের রবিন হুড’ হেন কোনও বিশেষণ বাদ দেননি তাঁর অনুগামীরা। আর এই নিয়ে একটি গানও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শাহজাহান বাহিনী সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করত। সেই সময় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের তৈরি করা গানে বলা হচ্ছে তিনিই নারীদের ত্রাতা। গানের লাইন ঠিক এই রকম, ‘বাজি রেখে প্রাণ, যে বাঁচায় নারীর সম্মান, রাখি মন কুটিরে, স্বপ্ন জুড়ে ভাই শাহজাহান।’ এখানেই শেষ নয়, অনুগামীরা মজেছেন শাহজাহানের হাসিতেও। গানে-গানে তাই গাইতে শোনা গিয়েছে, ‘তোমার মিষ্টি হাসি-ভালবাসি লাভ ইউ সুলতান।’

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    শাহজাহানের অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দারকে সাসপেন্ড করে বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। এখন শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মাথা থেকে হাত সরায়নি শাসক দল। তবে, সন্দেশখালি ইস্যুতে যেভাবে দিনে দিনে পায়ের তলায় মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল, তাতে শাহজাহানের ওপর কতদিন দল আস্থা রাখতে পারে, তা নিয়ে অনুগামীরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাই, শাহজাহানের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁর অনুগামীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জাতির জনক বলতে আমরা মহাত্মা গান্ধীতে বুঝি। এভাবে মহিলাদের ওপর নির্যাতনকারী, তোলাবাজকে জাতির জনক বলায় মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করা। এই ধরনের গান অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    Chandipur: পূর্ণিমার রাতে ওড়িশার চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা ছবি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার এক অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র চাঁদিপুর (Chandipur)। ওড়িশার বালাসোর জেলার সৈকত পর্যটন কেন্দ্র এই চাঁদিপুর। অখণ্ড নির্জনতা, সুনীল আকাশ, বিস্তীর্ণ সোনালী বালুকাবেলা আর বঙ্গোপসাগরের নীল জল, এই হল চাঁদিপুরের সংসার। এই অনুপম সৌন্দর্যের মাঝেই ইতিউতি দেখা মেলে সাগরের বুকে ভেসে যাওয়া পাল তোলা নৌকা, মাছ ধরার ট্রলার, নাম না জানা বিভিন্ন প্রজাতির পাখির। আর পূর্ণিমার রাতে চাঁদিপুর যেন শিল্পীর ক্যানভাসে আঁকা কোনও ছবি। এখনও এখানে কিছুটা হলেও রয়ে গেছে গ্রাম্য জীবনের সহজ-সরল ছবি। দেখা মেলে জেলেদের বাড়ি-ঘরেরও। আর আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ঝাউগাছের সারি। চাঁদিপুর থেকে মাত্র ২ কিমি দূরে বলরামগড়ি। এখানেই বুড়িবালাম নদী এসে মিশেছে সাগরের সঙ্গে।

    চাঁদিপুরের অন্যতম দিক (Chandipur)

    এখানকার বঙ্গোপসাগরের বুকের জোয়ার-ভাটার খেলা দেখার মতো। জোয়ারের সময় এখানে সাগরের জল যেন “চরণ ছুঁয়ে যায়”, আবার সেই সাগরের জলই ভাটার টানে সরে যায় প্রায় ৫ কিমি দূরে। সাধারণত এতখানি দূরে সমুদ্রের জল সরে যেতে অন্য কোথাও বড় একটা দেখা যায় না। সেই দিক থেকে দেখলে চাঁদিপুরের (Chandipur) সমুদ্রকে একটু ব্যতিক্রমী বলা যেতেই পারে। দেখে নেওয়া যায় এখানকার মৎস্য বন্দরটি, বিভিন্ন রকমের সামুদ্রিক মাছের পসরা নিয়ে মাছের আড়ত প্রভৃতি। হাতে সময় এবং ইচ্ছে থাকলে দেখে নেওয়া যায় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পদধূলিধন্য রেমুনার ক্ষীরচোরা গোপীনাথ মন্দির অথবা চাঁদিপুর থেকে প্রায় ৫০ কিমি দূরে ওড়িশার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পঞ্চ লিঙ্গেশ্বরও।

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chandipur)

    হাওড়া থেকে কটক, ভুবনেশ্বর, পুরীগামী সব ট্রেন যাচ্ছে বালাসোরের ওপর দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে পুরী এক্সপ্রেস, জগন্নাথ এক্সপ্রেস, ধৌলি এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। এছাড়াও দক্ষিণ ভারতগামী প্রায় সব ট্রেনই যায় বালাসোরের ওপর দিয়ে। হাওড়া থেকে রেলপথে বালাসোরের দূরত্ব প্রায় ২৩৪ কিমি। বালাসোর থেকে প্রায় ১৫-১৬ কিমি দূরে চাঁদিপুর (Chandipur)। স্টেশন থেকে যেতে হবে অটো বা গাড়িতে।

    এখানে রয়েছে ওটিডিসি-র হোটেল “পান্থনিবাস”। ফোন-০৬৭৮২ ২৭০০৫১। এছাড়াও এখানে (Chandipur) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দামের ও বিভিন্ন মানের প্রচুর হোটেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Bankura: “আমরা চুড়ি পরে বসে নেই”, প্রকাশ্য সভায় বিজেপিকে হুমকি তৃণমূলের

    Bankura: “আমরা চুড়ি পরে বসে নেই”, প্রকাশ্য সভায় বিজেপিকে হুমকি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, কুকথা বলার যেন প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা। এক প্রকাশ্য সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে হুমকি দিয়ে বলতে শোনা গেল, “গাছে বেঁধে রাখবো”। পাশাপাশি আর এক তৃণমূল নেতা বলেন, “আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে নেই”। বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, তাঁর স্বামী এবং উপ-প্রধানকে হুমকি দিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনা ব্লকের ভগবানপুর এলাকায়। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য, “তৃণমূল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।” এই নিয়ে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কী বলল তৃণমূল (Bankura)?

    ভগবানপুর পঞ্চায়েত মোড়ে তৃণমূলের একটি সভা ছিল গতকাল শনিবার। সেখানে প্রকাশ্য সভায় বাঁকুড়া (Bankura) জেলা পরিষদদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মৌ সেনগুপ্ত নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, “এবার চোখ রাঙাতে এলে মা বোনেরা আপনাদেরকে গাছে বেঁধে রাখবে।” আবার তৃণমূলের ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বঙ্কিম মিশ্র বলেন, “এভাবে আগামী দিনে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে আমরা ছেড়ে কথা বলব না। আমরা কেউ চুড়ি পরে বসে নেই।” তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, প্রধানের স্বামী এবং উপ-প্রধান দাদাগিরি করেছেন। বিডিওর কাছে এই বিষয়ে তারা অভিযোগও জানিয়েছে।

    বিজপির বক্তব্য

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনা ব্লকের তেঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে সমান সমান আসন পায় বিজেপি এবং তৃণমূল। পরবর্তী সময়ে টস হলে জয়ী হয় বিজেপি। এরপর বিজেপি পঞ্চায়েত দখল করে। আর সেখান থেকেই শাসক দল তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের টার্গেট করতে শুরু করেন। পঞ্চায়েতের বিজেপি উপ-প্রধান তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের হুমকির প্রেক্ষিতে বলেন, “আমরা কোনও মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি। আমাদের আপত্তি ছিল, কারণ তাঁদের কাছে বৈধ কাগজ ছিল না। কোনও খারাপ ভাষা প্রয়োগ করিনি আমরা। শাসক দল আমাদের উপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে হামলার ছক করছে।”     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদবী পাল নয়। বংশে কেউ কোনওদিন প্রতিমা তৈরি করেননি। তাতে কী হয়েছে? মনের মধ্যে ইচ্ছা ছিল মৃৎশিল্পী হওয়ার। পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের শিল্প সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) অতনু বিশ্বাস। গত চার বছর আগে বিদ্যালয়ের সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করার জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন তিনি। যদিও তখন তিনি স্কুল ছাত্র ছিলেন। এক সময় তিনি শান্তিপুর তন্তুবাই হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। তাঁর ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষককে। এরপর প্রধান শিক্ষকের অনুমতি মেলায় শুরু করে সরস্বতী প্রতিমা তৈরির কাজ।

    কী বললেন কলেজ পড়ুয়া প্রতিমা শিল্পী? (Santipur)

    প্রথম বছরই প্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের। তারপর চার বছর ধরে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করছেন অতনু। ২০২৩ এ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এখন শান্তিপুর (Santipur) কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। কিন্তু, বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি তাঁর। এবছরও বিদ্যালয়ে তৈরি করছেন সরস্বতী প্রতিমা। তবে, অতনুর সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়েছেন অন্যান্য ছাত্ররা। এখন দিনরাত এক করে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত অতনুসহ তাঁর সহকারীরা। অতনু বলেন, আমার এই অদম্য ইচ্ছা শক্তির একটাই কারণ হচ্ছে, প্রতিমা তৈরির জন্য কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়, সেখানে শান্তিপুরেও স্বনামধন্য অনেক মৃৎশিল্পী থাকলেও তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও শুধু ইচ্ছা শক্তি থাকলে সবই সম্ভব।

    শিল্পীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধান শিক্ষক

    অতনুর এই আত্মবিশ্বাসকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ সাহা। তিনি বলেন, ও বরাবরই শিল্পপ্রেমী। পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না হলেও ওর মধ্যে অদ্ভুত পাগলপনা আছে। সব থেকে বড় কথা অতনু বরাবরই খুবই বাধ্য ছেলে। প্রথমবার প্রতিমা তৈরি করে সকলের নজর কেড়েছিল। অন্যবারের মতো এবারও আমাদের স্কুলে ও প্রতিমা তৈরি করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    Honey: রাতে ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না? নিয়ম মেনে মধু খেলেই মিলতে পারে সমাধান!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    এক গ্লাস গরম জলে এক চামচ মধু কিংবা রাতে রুটির সঙ্গে সামান্য মধু (Honey) মিশিয়ে খেলেই পাওয়া যাবে নানা উপকার। এমনকী একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যাও কমবে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত মধু খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে, কয়েকটি নিয়ম মেনে তবেই মধু খাওয়া উচিত। না হলে আবার বিপত্তি ঘটতে পারে।

    নিয়মিত মধু খেলে কী উপকার পাওয়া যায়? (Honey)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনিদ্রার সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ অনিদ্রার সমস্যায় ভোগে। রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়ায় অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। আবার মানসিক অস্থিরতাও বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব পড়ে। এতে ঘুম ভালো হয়। 
    অনেকেই মুখের ভিতরে ঘায়ের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিনের অভাবে অনেকের মুখের ভিতরে ঘা হয়। যার জেরে খেতে অসুবিধা হয়। জ্বালা অনুভব হয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু খেলে মুখের ঘা দ্রুত কমে। কারণ, মধুতে (Honey) রয়েছে অ্যান্টি-বায়োটিক। তাই তা ঘা সারাতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    পাশপাশি, মধু ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বকের একাধিক রোগ প্রতিরোধে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকে লাল দাগ হলে কিংবা ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে মধু খাওয়ার পাশপাশি মধু ত্বকে লাগালেও বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। তাই ত্বকের সমস্যায় মধু বিশেষ কাজ করে। 
    ফুসফুসের সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে অনেকেই সর্দি-জ্বর-কাশির সমস্যায় ভোগেন। এর জেরে ফুসফুসের একাধিক সমস্যা দেখা যায়। নিয়মিত মধু খেলে এই ধরনের সমস্যা আটকানো‌ সম্ভব। কারণ, মধুতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল যৌগ।‌ তাই সংক্রমণ রুখতে মধু বিশেষ উপকারী।

    মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন দিকে নজর দিতে হবে? (Honey)

    মধু খুবই উপকারী। কিন্তু মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে বিশেষ‌ ভাবে নজর দেওয়া জরুরি। কারণ, অতিরিক্ত মধু খেলে দাঁত ও মাড়ির সমস্যা হতে পারে। তবে, ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়ায় বিশেষ সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মধুতে থাকে ফ্রুকটোস। তাই রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি‌ থাকলে মধু খাওয়ার ক্ষেত্রে রাশ টানতে হবে। 
    পাশপাশি ফ্যাটি লিভারের সমস‌্যা থাকলেও নিয়মিত মধু খাওয়া যাবে না। কারণ, মধু্তে হজমের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ মাসের কম বয়সী শিশুদের একেবারেই মধু খাওয়ানো যাবে না। কারণ, মধুর একাধিক উপাদান শিশুদের পেটে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সদ্যোজাত থেকে জন্মের প্রথম এক বছর মধু (Honey) না‌ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    South 24 Parganas: বিজেপি কর্মীর নামে থাকা বার্ধক্য ভাতা হাতিয়ে নিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে হাত করে একসঙ্গে দুটি বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন এক তৃণমূল নেতা। হাতিয়ে ছিলেন অন্যের আবাস যোজনার বাড়িও। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে। এতদিন এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। এবার পঞ্চায়েতে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। আর তার পরই দুর্নীতি পর্দাফাঁস হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার বাবুরমহল গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর গ্রামে স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম বাসুদেব মাইতি। তাঁর দাদা বসুদেব মাইতি বিজেপি কর্মী। তৃণমূল নেতা নিজের নামে বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করেন। আর তাঁর দাদা বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু, তাঁর নামে কোনও টাকা এলেও তিনি তা পেতেন না। সরাসরি সেই টাকা তৃণমূল নেতার অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেত। বিজেপি কর্মী বসুদেব মাইতি বলেন, বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন করেছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। এমনকী তাঁর আরও অভিযোগ, আমার নামে আসা আবাস যোজনার বাড়িও হাতিয়ে নিয়ে তৃণমূল নেতা ভাই। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা বাসুদেব মাইতির সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তিনি কোনও কিছুই বলতে রাজি হননি। বিজেপি বোর্ড ক্ষমতায় এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে জানতে পারেন, তালিকায় নাম আলাদা হলেও অ্যাকাউন্ট নম্বর তৃণমূল নেতার ছিল। ফলে, বিজেপি কর্মী ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কুলপির বিডিও সৌরভ গুপ্ত বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা কুলপি ব্লকের শিক্ষার কর্মাধ্যক্ষ সুপ্রিয় হালদার বলেন, এই ধরনের কোনও অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। তবে, ওই ব্যক্তি ব্লকে এসে যোগাযোগ করলে অবশ্যই তিনি তাঁর টাকা ফেরত পাবেন। বিজেপি নেতা বিকাশ মণ্ডল বলেন, ওই বৃদ্ধ আমাদের দলের কর্মী বলে তাঁর বার্ধক্য ভাতা পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও কিছুই কারণ নয়। আমাদের দাবি, বকেয়া সমস্ত টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    Weather Update: সরস্বতী পুজোয় আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত, বৃষ্টির সম্ভাবনা কয়েকটি জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নামল শহরের পারদ। শনিবার কলকাতায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। অন্যদিকে রাজ্যের পুরুলিয়ায় সহ বাকি জেলাগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুরে শীতের প্রাবল্য অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সরস্বতী পুজোর আগে এই আবহাওয়ার বদলে আমজনতার মনে খুশির বাতাবরণ। তবে সরস্বতী পুজোর দিনের আবহাওয়া থাকবে কিছুটা উত্তপ্ত।

    কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া?

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর দিন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির (Weather Update) কাছাকাছি থাকবে। তবে আজ রবিবার তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী। সকাল থেকেই কুয়াশার প্রভাব। বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পায়। তবে সেরকম কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। গতকাল কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। তবে এদিন বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল সবথেকে বেশি ৯০ শতাংশ এবং সবথেকে কম ছিল ৩৬ শতাংশ। আজ রবিবারের তাপমাত্রা ছিল ১৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

    রাজ্যে ঊর্ধবমুখী তাপমাত্রার (Weather Update) মধ্যে সপ্তাহের শুরুতেই হাওয়া বদলের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান এবং বাঁকুড়াতে হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বুধ এবং বৃহস্পতিবার বৃষ্টিপাত আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রা বাড়তে পারে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে রাজ্যের বিহার এবং ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলায় হবে হালকা বৃষ্টিপাত।

    কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে থাকতে পারে কুয়াশার (Weather Update) প্রভাব। আগামী সপ্তাহের প্রথম থেকে মাঝামাঝি পর্যন্ত থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায়। রবিবার, সোমবার ওড়িশা এবং ছত্তিশগড়ে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্ব এবং মধ্য ভারতের রাজ্যের নানান জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share