Blog

  • Sarnath: গৌতম বুদ্ধ প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন এখানেই, পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা সারনাথ

    Sarnath: গৌতম বুদ্ধ প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেন এখানেই, পর্যটকদের ভিড়ে ঠাসা সারনাথ

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, সারনাথ থেকে ফিরে: পাহাড়, সমুদ্র ছাড়া ইতিহাসের টানেও ভ্রমণপ্রিয় মানুষ ঘুরতে যায়। একে শিক্ষামূলক ভ্রমণও বলা যেতে পারে। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ভ্রমণের গুরুত্ব যে কতটা, তা চাক্ষুষ করলাম সারনাথে পা রেখে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে সারনাথে যখন পৌঁছালাম তখন দুপুর গড়িয়েছে। নেপালের রাজপুত্র সিদ্ধার্থ, গৌতম বুদ্ধ হয়ে তাঁর প্রথম উপদেশ সারনাথে (Sarnath) প্রদান করেছিলেন। তাই দেশ-বিদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ভিড়ে থিক থিক করছে সারনাথ। বৌদ্ধ বিহার, স্তূপগুলির দেওয়ালজুড়ে গৌতম বুদ্ধের বাণী এবং জীবনী নজরে পড়বে। সারনাথের মূল আকর্ষণ ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’ স্থান। এখানেই পাঁচ শিষ্যকে উপদেশ দান করেছিলেন গৌতম বুদ্ধ। ব্যাখ্যা করেছিলেন জীবনে দুঃখ-কষ্টের কারণ ও তার সমাধান নিয়ে।

    শিক্ষামূলক ভ্রমণে হাজির কলেজ পড়ুয়ারাও

    আগে থেকেই আমাদের জন্য ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল মহাবোধি সোসাইটির গেস্ট হাউস (Sarnath)। গেস্ট হাউসের অবস্থান ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’-এর স্থানের সামনেই। মহাবোধি সোসাইটি বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে কাজ করে। গেস্ট হাউস সংলগ্ন স্থানে চলছে মহাবোধি সোসাইটির স্কুলও। শিশু ও কিশোর বয়সের ছাত্ররা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর বেশে সেখানে শিক্ষাগ্রহণ করছে। অরুণাচল প্রদেশ থেকে আসা এমন একাধিক ছাত্রর সঙ্গে কথা হল। এরপর আমরা বেরিয়ে পড়লাম ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’-এর  স্থানের দিকে। ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’-এর স্থান তখন ভিড়ে ঠাসা (Sarnath)। স্থানীয় কলেজগুলি থেকে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী সেদিন এসেছিলেন শিক্ষামূলক ভ্রমণের উদ্দেশ্যে। যে জায়গায় বসে গৌতমবুদ্ধ উপদেশ দিয়েছিলেন, সেখানে রয়েছে তাঁর মূর্তি। গোল করে বুদ্ধ মূর্তি ঘিরে আরও পাঁচ মূর্তি, এঁরা গৌতম বুদ্ধের প্রথম পাঁচ শিষ্য।

    কী বললেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী?

    জার্মানি থেকেও বেশ কয়েকজন পর্যটক এসেছেন দেখলাম। কথা হল তাঁদের মধ্যে একজনের সঙ্গে। বিদেশি পর্যটক জানালেন, ভারতের সংস্কৃতি তাঁকে টানে। গৌতম বুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান দর্শন করতেই তাঁর আসা। ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’-এর স্থানের মাহাত্ম্য আমাদের সামনে ব্যাখ্যা করলেন এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। বললেন, ‘‘তাঁর (গৌতম বুদ্ধ) গোটা জীবনজুড়েই অরণ্য। জন্মস্থান, তপস্যা স্থান এবং প্রথম উপদেশ স্থান, তিনটেই অরণ্যে।’’ আমাদের সঙ্গে থাকা চিত্র সাংবাদিক শ্যামল দত্ত তাঁর গোটা বক্তব্য রেকর্ড করলেন। ‘ধম্মচক্রপ্রবর্তন’-এর (Sarnath) ঠিক পাশেই রয়েছে গৌতম বুদ্ধের বড় মন্দির। বাকি অংশ সবুজ ঘাষে মোড়া। শীতের সন্ধ্যায়, আলো-আবছায়াতে এক আলাদাই অনুভূতি মেলে সারনাথে। এখান থেকে বারাণসী যা ভারতের আধ্যাত্মিক রাজধানী বলে পরিচিত মাত্র আধঘণ্টায় পৌঁছানো যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ED: সুবোধের বাড়িতে অভিযানের সময় হাজির দমদম থানার আইসি, ঢুকতেই দিল না ইডি

    ED: সুবোধের বাড়িতে অভিযানের সময় হাজির দমদম থানার আইসি, ঢুকতেই দিল না ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সাত সকালে বিশাল বাহিনী নিয়ে উত্তর দমদম পুরসভার বিরাটিতে হানা দেন ইডি (ED) আধিকারিকরা। পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। অভিযান চলার সময় স্থানীয় দমদম থানার আইসি তৃণমূল নেতার বাড়ির ভিতরে ঢুকতে যান। কিন্তু, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে ঢুকতে দেননি। ইডি-র অভিযান চলার সময় রাজ্য পুলিশের সেখানে নাক গলানোর চেষ্টার ঘটনা প্রথম বলেই ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। ইডি-র অভিযানের সময় থানার আইসি কেন ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    থানার আইসিকে ঢুকতে বাধা ইডি-র (ED)  

    সাত সকালে ইডির তল্লাশি অভিযানের খবর পেয়ে দমদমের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিন নম্বর খলিসাকোটা পল্লিতে উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সুবোধ চক্রবর্তী বাড়িতে পৌঁছেছিলেন দমদম থানার আইসি বঙ্কিম বিশ্বাস। সুবোধবাবুর বাড়ির চারদিকে তখন গিজগিজ করছেন জওয়ানরা। দমদম থানার আইসি নিজের পরিচয় দিয়ে এগিয়ে যান। খবর পেয়ে সুবোধবাবুর বাড়ির ভিতর থেকে দরজা খুলে বেরিয়ে আসেন ইডির এক আধিকারিক। তাঁকে নিজের পরিচয়ও দেন বঙ্কিমবাবু। কিন্তু, ইডির (ED) কর্তা সাফ জানিয়ে দেন, তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার কোনও অনুমতি নেই। পরে, এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে দমদম থানার আইসি বঙ্কিম বিশ্বাস বলেন, ‘এটা আমার এরিয়া। সেই কারণেই আমি এখানে এসেছিলাম। আমার জানার অধিকার রয়েছে ভিতরে কী হচ্ছে।’ যদিও ইডির তরফে ভিতরে ঢোকার অনুমতি না মেলায় হতাশ হয়ে সেখান থেকে ফিরে যান আইসি।

    অয়ন শীলের বাড়িতে পাওয়া ফাইলে নাম ছিল সুবোধের!

    এদিন ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সুবোধ চক্রবর্তীর বিরাটির খলিসাকোটা পল্লির বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দারা। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে সুবোধবাবুর বিরুদ্ধে। ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান পদে ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, প্রভাব খাটিয়েই নিজের ছেলেমেয়েকে পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন কিনা, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখছে ইডি (ED)। গত বছর অক্টোবর মাসে সিবিআই তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। পাশাপাশি রাজ্যের ১২টি জায়গায় হানা দিয়েছিল। জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া অয়ন শীলের বাড়ি থেকে প্রথম নিয়োগ দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। ইডি সূত্রের খবর, সেখানে একটি ফাইল পাওয়া গিয়েছিল। ফাইলে ছিল একটি নামের তালিকা। তাতেই সুবোধ চক্রবর্তীর নাম রয়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই এদিন ইডি হানা দেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) পুণ্যস্নানের আগে বড়সড় বিপত্তি! অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলে প্লাবিত হল বেশ কয়েকটি দোকান সহ অস্থায়ী ক্যাম্প। চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কারণ, মেলা চত্বরে সাগরের জল যাতে ঢুকতে না পারে, তার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোটি কোটি খরচ করে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। সেই বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। জলে চলে যায় কোটি কোটি টাকা।

    কত দোকান প্লাবিত হল? (Gangasagar)  

    মূলত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অমাবস্যার কোটালের কারণে সাগরের জলে গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) প্লাবিত হয়ে যায় ৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন দোকান ও অস্থায়ী স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। সব মিলিয়ে ২০টি দোকানে জল ঢুকে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাঁচটি স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। তৎক্ষণাৎ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরিয়ে আনা হয় সেখানকার মানুষজনকে। তবে, পুণ্যস্নানের আগে দোকানে জল ঢুকে যাওয়ায় চিন্তিত ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সমুদ্র এগিয়ে আসছে শুনেছিলাম। তবে, এভাবে দোকানে জল ঢুকে যাবে তা ভাবতে পারিনি।  

    গতবারের তুলনায় সাগর ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে

    বিপজ্জনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম (Gangasagar)। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসায় এই বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গতবারের মেলায় সাগরের যা দূরত্ব ছিল, এবার এই দূরত্ব ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সাগরের আগ্রাসন ঠেকাতে পাঁচ ফুটের শালবল্লা, জিও ব্যাগ, ইট-বালি দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাগরপাড়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বাঁধের কাজ করা স্থানীয় ঠিকাদার কর্মী মানিক খাঁড়া বলেন, যেভাবে সমুদ্র এগিয়ে আসছে, তাতে আগামী দিনে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে আরও একটি মন্দির (Gangasagar) সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়েছে। এবার কি এটাও যাবে? বৃহস্পতিবারের ঘটনা সেই আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    সব টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে, কটাক্ষ বিজেপি-র

    এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি-র মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুণাভ দাস বলেন, গঙ্গাসাগর মেলার জন্য যা খরচ করা হয়েছে, তা বিন্দুমাত্র কাজে লাগেনি। কাজও ঠিকমতো হয়নি। সমস্তটাই তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে মানুষ। না হলে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘প্রাণ প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন ঈশ্বর’’, ট্যুইট মোদির

    Narendra Modi: ‘‘প্রাণ প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন ঈশ্বর’’, ট্যুইট মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ জানুয়ারি রয়েছে রাম মন্দিরের উদ্বোধন। সেদিনই রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তার আগে শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর একটি অডিওবার্তা ভেসে এল। যেখানে তিনি বলছেন, ‘‘১১ দিনের পবিত্র অনুষ্ঠান আজ থেকেই শুরু করছি।’’ নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করা হয়েছে ওই অডিওবার্তা। সেখানে প্রধানমন্ত্রী আরও বলছেন, ‘‘আমি সৌভাগ্যবান, এমন ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে।’’ এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘‘প্রাণ প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব আমাকে দিয়েছেন ঈশ্বর। আজ থেকেই আমি ১১ দিনের অনুষ্ঠান শুরু করছি। আমি খুবই আবেগপ্রবণ বর্তমানে। জীবনে প্রথমবার আমি এইরকম অনুভূতি পাচ্ছি।’’

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট 

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আরও বলেন, ‘‘জীবনের কিছু মুহূর্ত আসে, যা সম্ভব হয় সর্বশক্তিমানের আশীর্বাদের কারণে। এটাই হল সেরকম একটি পবিত্র অনুষ্ঠান। যা আমাদের সবার জীবনে এসেছে।’’

    আমন্ত্রিত ৭ হাজার

    অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) সঙ্গেই সারাক্ষণ হাজির থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেদিন রামনগরীতে হাজির থাকবেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতও। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠায় অযোধ্যায় আমন্ত্রিত প্রায় ৭ হাজার অতিথি। যার মধ্যে ভিভিআইপি প্রায় ৩ হাজার। ইতিমধ্যে অযোধ্যার অনুষ্ঠানে জঙ্গি হামলার চেষ্টা করা হতে পারে বলে সতর্কতাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। গোটা রামনগরীকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তার চাদরে রামনগরী

    Ram Mandir: অযোধ্যায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তার চাদরে রামনগরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন জঙ্গি হামলার সম্ভাবনার রয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সূত্রে এমনই খবর মিলেছে। সন্ত্রাসবাদীরা টার্গেট করছে মূলত বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনিক আধিকারিকদের। অযোধ্যায় ওই দিন একটি অশান্তির পরিবেশও তারা তৈরি করতে চাইছে। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, সন্ত্রাসবাদীরা চলতি ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ইজরায়েলের পক্ষে ভারতের দাঁড়ানোকেও ব্যবহার করছে, উস্কানি হিসেবে। রাম জন্মভূমিতে ওই দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অতি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুধুমাত্র অযোধ্যা নয়, সারা উত্তরপ্রদেশকে অস্থির করার একটি ষড়যন্ত্র চলছে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে ভারত বিরোধী শক্তিগুলো সমাজ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে এই অশান্তির পরিবেশ নির্মাণ করতে চাইছে। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনকে ঘিরে সাজো সাজো রব। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনিতেই আঁটোসাঁটো। তবে জঙ্গি হামলার আশঙ্কার পরে আরও জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা।

    নিরাপত্তার কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, চলুন জেনে নেওয়া যাক এক নজরে 

    বুম ব্যারিয়ার্স

    এই ব্যবস্থাকে টায়ার কিলার্সও বলে। একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আন-অথরাইজড যানবাহন প্রবেশে বাধা দেয় এই টায়ার কিলার্স নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    অ্যান্টি ড্রোন টেকনোলজি

    যোগী রাজ্যের পুলিশই ভারতের একমাত্র রাজ্য পুলিশ যারা রাম মন্দিরের (Ram Mandir) নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে অ্যান্টি ড্রোন টেকনোলজি অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে। ড্রোন হামলা কোনও বাবেই সম্ভব হবে না এই প্রযুক্তির ব্যবহারে।

    হাই-টেক সিসিটিভি

    হাইটেক সিসিটিভি দিয়ে মুড়ে দেওয়া হয়েছে গোটা অযোধ্যাকে। 

    ইন্টেলিজেন্ট ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ITMS)

    এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কড়া ভাবে ট্রাফিকের উপর নজরদারি চালানো হবে। থাকবে ইমার্জেন্সি কল বক্স, অসুবিধায় পড়লে যাতে দ্রুত জানানো যায়।  

    ২৫টি টেলিস্কোপ

    প্রতিটি টেলিস্কোপের এক একটিতে থাকবে ৯টি করে লেন্স। কড়া নজরদারি চলবে এর মাধ্যমে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি

    সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই সেখানেও নজরদারি চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Bose: বেপাত্তা শাহজাহান, রাজ্যের মুখ্য ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে জরুরি তলব রাজ্যপালের, কী নির্দেশ দিলেন?

    CV Bose: বেপাত্তা শাহজাহান, রাজ্যের মুখ্য ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে জরুরি তলব রাজ্যপালের, কী নির্দেশ দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের শুক্রবারই সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যেই এই হামলা নিয়ে কড়া বার্তাও শোনা গিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Bose) মুখে। দোষীদের গ্রেফতার করতেই হবে, বার বার এই বার্তাই দিয়েছেন রাজ্যপাল। সন্দেশখালির ঘটনার পরে কলকাতায় পা রেখেছিলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করতে দেখা যায় তাঁকে। বৃহস্পতিবারই রাজভবনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। সেই মতো এদিন বিকেলে রাজভবনে ঢুকতে দেখা যায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা ও স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে।

    কেন শাহজাহান গ্রেফতার হল না

    জানা গিয়েছে, বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট নাগাদ রাজভবনে (CV Bose) ঢোকে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের গাড়ি। এরপর থেকে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় রাজভবনে অতিবাহিত করেন তাঁরা। রাজভবন সূত্রের খবর, সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনায় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং রেশন দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে রাজ্যের দুই শীর্ষ সরকারি আমলাকে জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল বোস (CV Bose) তাঁদের থেকে জানতে চেয়েছিলেন, ‘‘এখনও কেন শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করা হল না? কবে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে?’’ জানা যাচ্ছে, মূলত বেশিরভাগ প্রশ্নই রাজ্যপাল করেন শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা গেল না সে বিষয়ে।

    কোথায় শাহজাহান

    সন্দেশখালির ঘটনার পরেই বেপাত্তা শাহজাহান। তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার দিন নিজের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, ইডি আধিকারিকদের ফোন রিসিভ করে তা কেটেও দেন শাহজাহান। তারপরেই মাত্র ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন করেন শাহজাহান। শাহজাহানের কল লিস্ট চেক করে এমনটাই জানতে পেরেছে ইডি। শাহজহানের এত ফোনের পরেই তার বাড়ির সামনে ব্যপক ভিড় জমতে শুরু করে দুষ্কৃতীদের। পরবর্তী কালে শাহজাহানের মোবাইল লোকেশন সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় ঘন ঘন বদলাতে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: কেন্দ্র মিটিয়ে দিলেও হিলি রেল প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে বঞ্চিত জমিদাতারা

    Dakshin Dinajpur: কেন্দ্র মিটিয়ে দিলেও হিলি রেল প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা থেকে বঞ্চিত জমিদাতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রেল জমি অধিগ্রহণের জন্য টাকা দিয়ে দিয়েছে। জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হলেও এখনও জমিদাতাদের টাকা মেলেনি। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা মিটিয়ে দিলেও রাজ্য তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। ফলে, জমির টাকা পেতে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট শহরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখালেন জমিদাতারা। 

    জমিদাতারা কী বললেন? (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) হিলি ব্লকের ত্রিমোহিনী, ধলপাড়া, পাঞ্জুল সহ একাধিক গ্রামের শতাধিক জমিদাতারা জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রশাসনকে জমি দেওয়ার জন্য সমস্ত নথি জমা করেছেন। কিন্তু এখনও জমির টাকা মেলেনি। জমিদাতাদের অভিযোগ, টাকা না পাওয়ায় কারও মেয়ের বিয়ে আটকে, কেউ অন্যত্র জমি কিনতে পারছেন না। ফলে, তাঁরা আর্থিক সংকটের মুখে পড়ছেন। এবিষয়ে হিলির ধলপাড়া এলাকার একজন জমিদাতা সুজন ঘোষ বলেন, রেলকে জমি দেওয়ার জন্য আমাদের কারও বসত জমি, কেউ আবাদি জমি দিয়েছে। এখন আমাদের টাকার প্রয়োজন। একবছর হতে চলল তবুও টাকা পাচ্ছি না। অনেকের বিবাহ যোগ্য কন্যা রয়েছে, টাকার অভাবে বিয়ে দিতে পারছি না। আবার কেউ অন্যত্র জমি কিনবে, তবুও পারছে না। ফলে আমরা আর্থিক সমস্যায় ভুগছি। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে আমাদের যাতে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়, তার জন্য প্রশাসনকে চিঠি করেছি।

    জেলাশাসকের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। যাদের কাগজ ঠিকঠাক রয়েছে, টাকাও ঢুকে যাচ্ছে। তবে একই প্লটে অনেকেই রয়েছে। সেই বিষয়গুলি ফিল্ডে গিয়ে ভালো করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভালো করে সবার কাগজ দেখেই টাকাটা দেওয়া হবে। কারণ একটা ভুল হলে পুরো প্রকল্পের ক্ষতি হতে পারে। তাই টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। কারও দ্রুত টাকার প্রয়োজন হলেও তা দিয়ে দেওয়া হবে।

    কেন্দ্রীয় সরকার টাকা মিটিয়ে দিলেও রাজ্য টাকা দিচ্ছে না

    এবিষয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা বিজেপি সভাপতি স্বরুপ চৌধুরী বলেন, রেলের তরফে প্রশাসনকে ২৯৮ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, কেন এই টাকা জমিদাতাদের অ্যাকাউন্টে এখনও ঢোকেনি, সেই বিষয় প্রশাসনই বলতে পারবে। ইচ্ছে করেই দেরি করছে প্রশাসন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

     তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, টাকা যখন ঢুকতে শুরু করেছে, তাহলে সবাই টাকা পাবে। এনিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর কিছু নেই। এটা রাজনৈতিক চক্রান্ত বলেই মনে হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বালুরঘাট হিলি রেল প্রকল্পে বালুরঘাট থেকে হিলি পর্যন্ত  ২৯.৭ কিলোমিটার পথ এবং ওই পথের জন্য ৩৮৬ একর জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে ২৯৮ কোটি টাকা প্রশাসনকে দিয়েছে রেল মন্ত্রক। এছাড়াও রেলমন্ত্রী ওই প্রকল্পের জন্য ৬৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছে। এদিকে জেলাপ্রশাসনের তরফে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যেই জেলাপ্রশাসনের তরফে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা জমিদাতাদের দিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, একই প্লটে অনেকের জমি রয়েছে। সেই প্লটের কারও না কারও কাগজের সমস্যা রয়েছে। ফলে, বাকিদেরও টাকা পেতে দেরি হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ১২/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শুক্রবার ১২/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) কোনও কাজে সময় নষ্ট হতে পারে। 

    বৃষ

    ১) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ২) ব্যবসায় লাভের যোগ। 

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে মাথাগরম করবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য ক্ষতি হতে পারে। 

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। 

    কন্যা

    ১) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে। 

    তুলা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধিকে প্রশ্রয় দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে। 

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে। 

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদের সম্ভাবনা।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ‘হয় কাজ দিন, না হলে মৃত্যু দিন’, আন্দোলনে নেমে করুণ আবেদন আপদ মিত্রদের

    Bankura: ‘হয় কাজ দিন, না হলে মৃত্যু দিন’, আন্দোলনে নেমে করুণ আবেদন আপদ মিত্রদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন বিপর্যয়, দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার সময়ে তাঁরা জীবন বাজি রেখে কাজ করেন আপদ মিত্ররা। তাঁদের হাতে এখন কাজ নেই। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁকুড়া (Bankura) জেলা শাসকের অফিসের সামনে রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এই আপদ মিত্রদের মূলত অস্থায়ী ভিত্তিক ভলান্টিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন বিপর্যয় বা দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার সময়ে। তার আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু, বাঁকুড়ার এই আপদ মিত্ররা দাবি করছেন, গত প্রায় দেড় বছর ধরে তাঁদের কোনও কাজে ব্যবহার করা হয়নি। এমন অবস্থায় এর আগেও তাঁরা আন্দোলন, প্রতিবাদ, বিক্ষোভে রাস্তায় নেমেছিলেন। তারপরও কোনও কাজের সুবিধা তাঁরা  পাননি। তাই, এদিন সকলে জোটবদ্ধ হলে আন্দোলনে সামিল হলেন। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে কাজের দাবি জানালেন। যদিও প্রশাসনের কর্তারা এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    হয় আমাদের কাজ দিন, না হয় মৃত্যু দিন, দাবি বিক্ষোভকারীদের (Bankura)

    আপদ মিত্রদের কাজ কোনও স্থায়ী চাকরি নয়। কোনও বিপর্যয় বা দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই আপদ মিত্রদের ব্যবহার করা হয়। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলাতেও আপদ মিত্রদের ব্যবহার করা হয়েছিল। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ২০২২ সালে আমরা আপদ মিত্রের প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আমাদের নিয়মিত কাজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু, দেড় বছর ধরে হাতে কোনও কাজ নেই। বাড়িতে আমাদের অসহায় বৃদ্ধ বাবা-মা আছেন। এত উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হয়ে আমরা শুধু কাজের দাবি করছি। এটা কি আমাদের পাওনা নয়? আমাদের বলা হয়েছিল, বিপর্যয়ের সময় ডাকা হবে। কিন্তু কেন ডাকা হচ্ছে না? এদিন বাঁকুড়া (Bankura) জেলা শাসকের ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করেন, হয় আমাদের কাজ দিন, না হয় মৃত্যু দিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মক্কা থেকে মনোনয়ন, অবিলম্বে ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    North 24 Parganas: মক্কা থেকে মনোনয়ন, অবিলম্বে ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হয়নি। বিডিও পঞ্চায়েত চালাচ্ছেন। বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া আদালতে ঝুলে রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি অমৃত সিনহা মামলার শুনানিতে কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হয়নি শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি।

    কেন পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন হয়নি? (North 24 Parganas)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের এক তৃণমূল প্রার্থী মইনুদ্দিন গাজির বিরুদ্ধে মক্কায় বসে মনোনয়ন জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তাঁর মনোনয়ন পরীক্ষায় পাশও হয়ে যায়। এর পর আদালতের দ্বারস্থ হয় বিরোধীরা। আদালত মনোনয়ন বাতিল করে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়। যার জেরে বোর্ড গঠন হয়নি ওই পঞ্চায়েতে। পঞ্চায়েত চালাচ্ছিলেন বিডিও। আর সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ।

    আদালত কী নির্দেশ দিল?

    বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি অমৃতা সিনহা ওই পঞ্চায়েতে এখনও ভোটগ্রহণ হয়নি শুনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে তিনি বলেন, এতদিনে শূন্য আসনে ভোট করাননি কেন? অবিলম্বে ভোটগ্রহণ করে ওই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেন তিনি। বিচারপতি বলেন, বিডিও কেন পঞ্চায়েত চালাবেন? এটা তাঁর কাজ না কি? বিডিওর আরও অনেক কাজ আছে।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পেশের পরঅভিযোগ ওঠে মিনাখাঁর কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতেরএকটি সংসদে তৃণমূলের টিকিটে মইনুদ্দিন গাজি নামে একব্যক্তি যখন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তখন তিনি সৌদিআরবের মক্কায়। ৪ জুন হজ করতে দেশ ছাড়েন মইনুদ্দিন। ১২ জুন তাঁর নামে জমা পড়ে মনোনয়ন। ১৬ জুলাই দেশে ফেরেন তিনি। হজ কমিটি মইনুদ্দিনের হজে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর পরই বিডিওর সঙ্গে যোগসাজসে বিদেশ থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ারঅভিযোগ প্রমাণিত হয় মইনুদ্দিনের বিরুদ্ধে। তাঁর মনোয়ন খারিজ করে আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share