Blog

  • One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    One Nation One Election committee: “এক দেশ এক ভোট” নিয়ে মোট ৮ জনের কমিটি গড়ল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দেশ এক ভোট অর্থাৎ ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন (One Nation One Election committee) নীতিকে বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্র সরকার বিশেষ কমিটি গঠন করল। এই কমিটির প্রধান নেতৃত্বে রয়েছেন, দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। শনিবার এই কমিটির মধ্যে আরও ৭ জনের নাম ঘোষণা করে, এক দেশ এক ভোটকে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে, বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কমিটিতে কে কে আছেন (One Nation One Election committee)?

    এই এক দেশ এক ভোটের (One Nation One Election committee) কথা, কেন্দ্রের মোদি সরকার অনেকদিন আগে থেকেই বলে আসছিলেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই এই নীতি নিয়ে কথা শুরু হয়েছে। প্রথমে একজন সদস্য হিসাবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কথা হলেও আজ আরও সাতজনকে এই কমিটির মধ্যে নাম ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে প্রথমে সদস্য সংখ্যা ছিল ১। এখন আরও ৭ জনের নাম যুক্ত হওয়ায় মোট কমিটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়ালো ৮। এই কমিটির মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, লোকসভার বিরোধী দল নেতা অধীর রঞ্জন চৌধরি এছাড়াও থাকছেন গোলাম নবী আজাদ, এনকে সিংহ, সুভাষ সি কাশ্যপ, হরিশ সালবে এবং সঞ্জয় কোঠারী।

    সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই কেন্দ্র সরকার চাইছেন দেশে এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) ব্যবস্থা কার্যকর হোক। সারা দেশে এতও নির্বাচন এবং এত সময় অপচয়ের কথা মাথায় রেখে, অতিরিক্ত খরচের বোঝা থেকে দেশকে মুক্ত করতে এই এক দেশ এক নির্বাচন। কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সাংবাদিক সম্মেলন করে সংসদের বিশেষ অধিবেশনের কথা ঘোষণা করছেন। এই অধিবেশন হবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে টানা ৫ দিন। এই অধিবেশনে সরকার পক্ষ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করানোর কথা ভাবছেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল। যদিও এই অধিবেশনে কী কী বিষয় থাকবে তা এখনও সরকার স্থির করে কিছুই বলেননি।

    হতে পারে বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল

    এক দেশ এক ভোট (One Nation One Election committee) কার্যকর হলে দেশের বিধানসভা গুলিতে আঞ্চলিক দল গুলির অস্তিত্ব হারিয়ে যেতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। একই কথা বিরোধীদের মহাজোটের মুম্বাই বৈঠকে ইঙ্গিত মিলেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে বিধানসভা, লোকসভার বেশ কিছু অনুচ্ছেদের বদল ঘটতেও পারে। ৮৩ নম্বর ধরায় যেমন সংসদের উভয় কক্ষের মেয়াদের কথা বলা হয়েছে। আবার ৮৫ নম্বর ধারায় লোকসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। ১৭২ নম্বর ধারায় রাজ্যের বিধানসভার কথা যেমন রয়েছে তেমনি আবার ১৭৪ নম্বর ধারায় বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সর্বপরি ৩৫৬ নম্বর ধারায় রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বলা হয়েছে। ফলে জনপ্রতিনিধি আইনের সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya-L1:  মিশন সূর্য! ‘আদিত্য-এল ওয়ান’ অভিযানের প্রযুক্তি টিমের সদস্য নদিয়ার বরুণ বিশ্বাস

    Aditya-L1: মিশন সূর্য! ‘আদিত্য-এল ওয়ান’ অভিযানের প্রযুক্তি টিমের সদস্য নদিয়ার বরুণ বিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান- ৩ এর সাফল্যের পিছনেও ইসরোর অন্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গে ছিলেন নদিয়ার কালীনারায়ণপুরের পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধানগরের বাসিন্দা বরুণ বিশ্বাসও। আদিত্য-এল ওয়ান এর বিশেষ দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এদিন আদিত্য-এল ওয়ান (Aditya-L1) এর সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় গর্বিত পরিবারের সদস্যরা।

    আদিত্য-এল ওয়ানের (Aditya-L1) কী দায়িত্বে রয়েছেন বরুণ?

    মাত্র কয়েকদিন আগে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছে চন্দ্রযান-৩। প্রতি মুহূর্তে চাঁদের আপডেট দিচ্ছে সে। এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে ইসরোর কয়েকশো বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রম। চন্দ্রযান-৩ এর পর এবার আদিত্য-এল ওয়ানের সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। এর পরই ইসরোর অন্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কালীনারায়ণপুরের বরুণও চরম ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বরুণ প্রথমে নদিয়া জেলার কালীনারায়ণপুরের রাধানগর গ্রামের স্কুল থেকে পড়াশুনা করেন। পরে, বীরনগর উচ্চ বিদ্যালয় পাশ করে বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। পরে, হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে গত ১০ বছর আগে ইসরোতে তিনি যোগ দেন। চন্দ্রযান-৩ ল্যান্ডিংয়ের তিনি দায়িত্বে ছিলেন। অদ্যিত্য-এলওয়ান (Aditya-L1) সফল উৎক্ষেপণ হওয়ায় দেশবাসীর সঙ্গে চরম আনন্দিত বরুণের পরিবারের লোকজন। কারণ, অদ্যিত্য-এলওয়ান প্রযুক্তি টিমে রয়েছেন বরুণ।

    কী বললেন বিজ্ঞানী বরুণের পরিবারের লোকজন?

    পরপর দুটি সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া নিয়ে গর্বে বুক ভরে উঠেছে বরুণের মা, বাবার। বাবা জহরলাল বিশ্বাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই টেকনিক্যাল বিষয়ে বরুণের ঝোঁক ছিল বরাবরই। পড়াশুনার ফাঁকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র দিয়ে নানারকম জিনিস তৈরি করত,যা আমরা দেখে অবাক হয়ে যেতাম। আজকে ছেলের এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। মা সরস্বতী বিশ্বাস বলেন, আদিত্য-এল ওয়ানের জন্য অন্যদের ছেলে খুব পরিশ্রম করেছে। আজ সকাল থেকে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম। অবশেষে সফল উৎক্ষেপণ হওয়ার পরই আমরা গর্বিত। অন্যদিকে, বরুণের এই সাফল্যে গর্বিত গোটা গ্রামের মানুষ। তবে, চন্দ্রযান-৩ যখন ভারতের মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তখনও টিভির পর্দায় চোখ ছিল গোটা গ্রামের মানুষের, এবারও আদিত্য-এল ওয়ানের (Aditya-L1) সাফল্য কামনা করেছে গোটা গ্রামের বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: তৃণমূলের মদতেই আরামবাগে চলছে তোলাবাজি, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ব্যবসায়ীরা

    Arambagh: তৃণমূলের মদতেই আরামবাগে চলছে তোলাবাজি, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মদতেই এলাকায় রমরমে চলছিল তোলাবাজি। প্রতিবাদে পথে নামলেন ব্যবসায়ীরা। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের প্রতিবাদে দোকান বন্ধ রেখে রাজ্য সড়ক অবরোধের পাশাপাশি বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের (Arambagh) মায়াপুর এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)  

    অভিযোগ, তোলাবাজদের মাথায় শাসক দলের নেতাদের একাংশের হাত রয়েছে। শাসক দলের প্রভাব খাটিয়ে কিছু সমাজ বিরোধী ব্যাবসায়ীদের কাছে থেকে তোলা চাইছে। আর কেউ দিতে অস্বীকার করলে দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছে। গোটা এলাকাজুড়ে যা খুশি তাই করে বেড়াছে। এমনকী সাধারণ মানুষের কাছে থেকেও তোলা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শাসক দলের মদত থাকায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে না। ওরা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। যার জেরে ব্যাপক সমস্যায় এলাকার ব্যাবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। তোলাবাজদের বিরুদ্ধে পুলিশকে বার বার  জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলে অভিযোগ। তাই এবার এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বাধ্য হয়ে এদিন মায়াপুর এলাকার ব্যাবসায়ীরা আরামবাগ-(Arambagh) কোলকাতা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। বেশ কিছুক্ষণ অবরোধের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে  দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তাঁরা অবরোধ তুলে নেয়। একই আশ্বাস দেন হরিণখোলা- ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ হাজারিও। তবে, ব্যবসায়ীরা পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শাসক দলের একাংশের মদতেই এসব হচ্ছে। এ ধরনের দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য ফের দেখা দিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে করা হবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিভিন্ন এলাকায় তোলাবাজি চালাচ্ছে। ব্যবসাদার ও সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে তাঁদের কাছে থেকে তোলা আদায় করছে। মায়াপুরেতে দীর্ঘদিন ধরেই এই ঘটনা ঘটে চলেছে। পুলিশ, প্রশাসনকে ব্যবসায়ীরা বারবার জানিও কোন কাজ না হওয়ার কারণে এদিন ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়েই পথে নেমে প্রতিবাদ জানান।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরামবাগ (Arambagh) সংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, তৃণমূলের কর্মীরা এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনওরকমভাবেই জড়িত নয়। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নিয়োগ দুর্নীতিতে বারাকপুরের ৬টি পুরসভায় ইডি-র নোটিশ ঘিরে তোলপাড়

    Barrackpore: নিয়োগ দুর্নীতিতে বারাকপুরের ৬টি পুরসভায় ইডি-র নোটিশ ঘিরে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমায় ৬টি পুরসভাকে নোটিশ পাঠাল ইডি। নতুন করে এই নোটিশ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে বারাকপুর মহকুমার জুড়ে। ইতিমধ্যেই এই বিষয় নিয়ে পুরসভাগুলিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কোন কোন পুরসভাকে নোটিশ পাঠাল ইডি?(Barrackpore)

    ইডি ও পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমায় বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটি, টিটাগড়, হালিশহর এবং নিউ ব্যারাকপুর পুরসভাতে ইডি নোটিশ পাঠিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ধারণা, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে এই সব পুরসভাগুলিতে কয়েক দফায় নিয়োগ হয়েছে। আর সেই নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলেই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন। ইতিমধ্যে কামারহাটি পুরসভায় অয়ন শীল এর বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তী নিয়োগ হয়েছেন। এই অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে কোথাও একবার, কোথাও দুবার বা তিনবারে টিটাগড়, হালিশহর সহ একাধিক পুরসভায় বহু কর্মী নিয়োগ হয়েছিলেন। বরানগর এবং কামারহাটি পুরসভায় স্থানীয় তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রাও চাকরি পেয়েছেন। এমনকী অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বীরভূমের এক তৃণমূল নেতার ছেলেও বরানগর পুরসভায় চাকরি করছেন।  স্বাভাবিকভাবে অয়ন শীল এর তালিকায় ব্যারাকপুর মহকুমায় যে সমস্ত পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল, সেখানে দুর্নীতি হয়েছে বলেই অন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা মনে করছেন। এর আগে সিবিআই এর পক্ষ থেকে এই সব পুরসভায় নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কামারহাটি পুরসভায় অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে চাকরি পাওয়া এরকম ৩১ জনকে তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আরও বেশ কয়েকজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে বারাকপুর মহকুমার ৬টি পুরসভাকে ইডি নোটিশ দেওয়ায়  বারাকপুর মহকুমা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ইডি-র নোটিশ নিয়ে কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যানরা?

    এই বিষয়ে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, তদন্তকারী সংস্থা যে সমস্ত বিষয় জানতে চেয়েছিল, আমরা তা লিখিত আকারে জানিয়ে দিয়েছি। পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, আমাদের পুরসভায় অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে কোনও নিয়োগ হয়নি। এর আগেও আমরা জানিয়েছি। আমরা একই কথা এই সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছি। নিউ বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা বলেন, ইডি-র পক্ষ থেকে যে সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়েছিল, পুরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত তথ্য দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: সমবায়ে চাষিদের কোটি কোটি টাকা বড়লোকদের পকেটে, কী করছে প্রশাসন?

    Paschim Medinipur: সমবায়ে চাষিদের কোটি কোটি টাকা বড়লোকদের পকেটে, কী করছে প্রশাসন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিল তিল করে জমানো টাকা, গ্রামের সমবায়ে গচ্ছিত করে রেখেছিলেন গ্রামের সাধারণ খেটে খাওয়া এলাকাবাসী। কিন্তু, বছরের পর বছর গড়ালেও গচ্ছিত টাকা ফেরত পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছেন সমবায়ের গ্রাহকরা। অপরদিকে, সাধারণ মানুষের গচ্ছিত কোটি কোটি টাকা, হিমঘরের মালিকদের ঋণ দিয়েছে সমবায় সমিতি। আর তাতেই বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা।এমনই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোণা- ১ নম্বর ব্লকের শ্রীনগর ঠাকুরহাটি সমবায় সমিতিতে।  টাকা কবে মিলবে জানেনা কেউ। চরম দুশ্চিন্তায় দিন গুণছেন আমানতকারীরা।

    প্রতারিত গ্রাহকদের কী অভিযোগ? (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) চন্দ্রকোণা- ১ নম্বর ব্লকের শ্রীনগর ঠাকুরহাটি সমবায় সমিতিতে লক্ষ লক্ষ টাকা রেখে টাকা ফেরত না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। তাঁদের বক্তব্য, দ্রুত প্রশাসন আমাদের গচ্ছিত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। জানা গিয়েছে, কৃষি প্রধান এলাকার মানুষের কথা ভেবে সমবায় সমিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সমবায় সমিতির টাকা রেখেই প্রতারিত হতে বসেছেন গ্রাহকরা। এই সমবায় সমিতিতে এলাকার প্রায় দুই হাজার গ্রাহক রয়েছেন। নিজেদের জমানো অর্থ একটু একটু করে সেখানে তাঁরা সঞ্চয় করতে শুরু করেছিলেন। প্রতারিত গ্রাহকরা বলেন, হঠাৎ করেই আমরা জানতে পারলাম, সমবায় সমিতির বন্ধের মুখে। কারণ, এলাকার বেশ কয়েকজন হিমঘর মালিক এই সমবায় সমিতি থেকে কোটি কোটি  টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। আর সেই ঋণের টাকা পরিশোধ না হওয়ায় কারণ দেখিয়ে সমিতি আমাদের গচ্ছিত টাকা ফেরত দিতে পারছে না। টাকা ফেরত এর দাবিতে আমরা সমবায় সমিতি বার বার গিয়েছি। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    কী বললেন ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক?

    যদিও এ বিষয়ে চন্দ্রকোণা-১ নম্বর ব্লকের সমবায় পরিদর্শক অর্পিতা চক্রবর্তী বলেন, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের নামে ঋণ পরিশোধ না করায় আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে।  সাধারণ মানুষের টাকা ফেরত এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই ধূপগুড়িতে তৃণমূলকে তুলোধোনা কং-বাম নেতৃত্বের

    Dhupguri: ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিনই ধূপগুড়িতে তৃণমূলকে তুলোধোনা কং-বাম নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক হচ্ছে। সেই বৈঠকে তৃণমূল, কংগ্রেস, বাম নেতৃত্ব সহ সকলেই জোট বেঁধে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার রূপরেখা তৈরি করছে। ঠিক সেই সময় ধূপগুড়ি (Dhupguri) উপনির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তেড়ে ফুড়ে নামল কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট। ফলে,কেন্দ্রে ইন্ডিয়া জোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ধূপগুড়়ির বাসিন্দারা।

    কেন্দ্রের জোট শরিক তৃণমূলকে নিয়ে কী বললেন কং-বাম নেতৃত্ব?

    শুক্রবার ধূপগুড়ির (Dhupguri) উপনির্বাচনে কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী এবং সি পি আই এমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মহ:সেলিম এক মঞ্চে বাম প্রার্থীর হয়ে প্রচার সভা করেন। ধূপগুড়ি ডাকবাংলো মাঠে শুক্রবার তাঁরা একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এদিন প্রথমে অধীর চৌধুরী বক্তব্য দিতে উঠেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, তৃণমূল গোটা রাজ্য জুড়ে লুট করে চলেছে। একদিকে কয়লা, গরু, বালি পাচারের টাকা খাচ্ছে, এর পাশাপাশি চাকরিও চুরি করছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস চালিয়েছে। ভোটের আগে সন্ত্রাস, ভোটের মনোনয়নে সন্ত্রাস,ভোটের দিন সন্ত্রাস,ভোটের পরেও সন্ত্রাস করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অধীর চৌধুরী। একই সুর শোনা যায় মহ: সেলিমের গলায়। তাঁর বক্তব্যের মূল নিশানা ছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনিই চোরেদের সর্দার। গোটা রাজ্য জুড়েই তারা সব টাকা লুটে পুটে খাচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা তারা লুটে পুটে নিয়ে সাধারণ মানুষকে সব কিছু থেকে বঞ্চিত করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই জোট প্রসঙ্গে বিজেপির জলপাইগুড়ির জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যাম প্রাসাদ বলেন, এই জোট শিয়ালের জোট। তারা এই ইন্ডিয়া জোটকে শিয়ালের জোট হিসেবেই দেখছেন। কারণ, এক শিয়াল যখন চুরি করার জন্য হুক্কা হুয়া ডাকে তখন অন্য শিয়ালরাও হুক্কা হুয়া করে। এরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এই জোট করছে। মানুষের সেবার জন্য নয়। এরা শুধু মানুষের রক্ত চোষার জন্য এই জোটে সামিল হয়েছে

    ইন্ডিয়া জোট নিয়ে একী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    এদিন মহ:সেলিমকে ইন্ডিয়া জোট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কিছুটা বিরক্ত বোধ করে বলেন মুম্বইয়ের কথা মুম্বাই থেকে শুনবেন। ধূপগুড়ির (Dhupguri) বিষয় ধূপগুড়িতে হবে। এই মঞ্চে ইন্ডিয়া জোট বা বৈঠক নিয়ে কোনও কথাই বলতে রাজি হন নি। এক কথায় এই প্রাশ্ন এড়িয়ে গিয়ে বলেন, রাজ্যের বিষয়টি একেবারেই আলাদা। এর সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের কোনও সম্পর্ক নেই। রাজ্যের বিষয় রাজ্যেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ, এতে হতাশ বিরোধীরা’’, খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ, এতে হতাশ বিরোধীরা’’, খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। পৃথিবীর মধ্যে ক্রমশ দ্রুত বেড়ে চলা প্রধান অর্থনীতি হয়ে উঠছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এমনই পোস্ট করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন এই পরিসংখ্যান তুলে ধরার পাশাপাশি মুম্বইয়ের অভিজাত হোটেলে চলা বিরোধী জোটের নেতাদের বৈঠককেও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে ভারতের জিডিপি গত এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে বিশ্বের উন্নত দেশগুলির থেকেও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রিপোর্ট প্রকাশ, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোন রায় বছরের সেরা?

    কী লিখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)? 

    শুক্রবার তিনি (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘ভারতের অর্থনীতির দ্রুত এগিয়ে চলেছে এবং দেশের এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজীর দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই।’’ রীতিমতো পরিসংখ্যানও তুলে ধরেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, জিডিপির বৃদ্ধিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া, জাপান, চিনকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত।

    বিরোধী জোটের নেতাদের নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    এই পরিসংখ্যান তুলে ধরার পাশাপাশি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এদিন তীব্র আক্রমণ শানান মুম্বইয়ের গ্রান্ড হায়াত হোটেলে বিরোধী জোটের নেতা নেত্রীদেরও। তিনি বলেন, ‘‘মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড ডাহায়াত হোটেলে নেতা-নেত্রীরা ভারতের এই অর্থনৈতিক উন্নতি দেখে নিশ্চয়ই হতাশ হবেন।’’

    আরও পড়ুুন: “দেদার ছাপ্পা চললেও, প্রাণভয়ে কিছু করতে পারিনি”! হাইকোর্টে স্বীকারোক্তি প্রিসাইডিং অফিসারের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টের রিপোর্ট প্রকাশ, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোন রায় বছরের সেরা?

    Calcutta High Court: হাইকোর্টের রিপোর্ট প্রকাশ, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোন রায় বছরের সেরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হল। বই আকারে প্রকাশিত হওয়া এই রিপোর্টগুলিতে রয়েছে বিচারপতিদের দেওয়া অন্যতম সেরা রায়গুলি। তাতে স্থান পেয়েছে, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেওয়া প্রাথমিকে নিয়োগ মামলার রায়। তালিকায় নাবালিকার গর্ভপাতের রায় থেকে শুরু করে বন্যপ্রাণ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, এই সমস্ত কিছু রয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের এই বার্ষিক রিপোর্টে। বই আকারে এই রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে হাইকোর্টের কাজকর্ম এবং আদালতের (Calcutta High Court) দেওয়ার রায় আরও বোধগম্য হয়ে উঠবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেওয়া রায়

    প্রসঙ্গত, গত বছর থেকে এই নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় গতি আসে। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হন তৃণমূলের বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আবার নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় উঠে আসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হাইকোর্টের প্রকাশিত ওই বইতে বলা হচ্ছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সেরা রায় (Calcutta High Court) দিয়েছেন। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির সত্য উদঘাটন এবং এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি।

    প্রধান বিচারপতির সেরা রায়

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিচারপতিদের এজলাসে সারা বছর ধরে অসংখ্য মামলা চলে। হাইকোর্টের প্রকাশিত এই রিপোর্টে সেই সমস্ত মামলা থেকে একটি রায়কে বাছাই করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যেক বিচারপতিদের জন্য একটি সেরা রায় বাছাই করে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এই রায়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের (Calcutta High Court) একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের উল্লেখ রয়েছে। সেটি আয়কর বিভাগ সম্পর্কিত একটি মামলা। অন্যদিকে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ জুভেনাইল আইন সংক্রান্ত একটি রায় দিয়েছেন তা সেরার তালিকায় স্থান পেয়েছে। এভাবেই প্রকাশিত হয়েছে বাকি বিচারপতিদের রায়ও।

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বহু চর্চিত নাম

    জুলাই ২০২২ সাল থেকে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত এক বছরে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বইতে। বিভিন্ন আদালতে (Calcutta High Court) এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কত মামলা এসেছে সে মামলা গুলির বর্তমানে কী অবস্থা রয়েছে, তা নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান ও গ্রাফের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতিদের মধ্যে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় নিয়ে সবথেকে চর্চা হয়। তাঁর রায়কে ঘিরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার, ০২/০৯/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (শনিবার, ০২/০৯/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) নিজের উচ্চাকাঙ্খা পূরণে সফল হবেন। তাই চেষ্টা চালিয়ে যান।

    ২) চাকরিজীবীরা অংশীদারীত্বের কাজ করতে চাইলে, তার জন্য সময় বের করতে হবে।

    বৃষ

    ১) সন্ধ্যা নাগাদ পরিবারে কোনও বিশেষ অতিথি আসতে পারেন।

    ২) শ্বশুরবাড়ির তরফে ধন লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।    

    মিথুন

    ১) প্রচুর ধন লাভ করতে পারবেন আজ।

    ২) ব্যবসার গতি বাড়ানোর জন্য অধিক পরিশ্রম করতে হবে। তখনই অগ্রসর হতে পারবেন।

    কর্কট

    ১) কিছু সমস্যার মুখে পড়তে পারেন এই রাশির জাতক। তবে পরবর্তীকালে সমস্ত কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

    ২) ছাত্রদের পরীক্ষায় সাফল্য লাভের জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    সিংহ 

    ১) চাকরিজীবীরা মহিলা বন্ধুদের সাহায্যে ধন লাভ করতে পারেন।

    ২) আলস্য ও বিশ্রাম ত্যাগ করে অগ্রসর হতে হবে। তখনই ব্যবসায়ে গতি বাড়াতে পারবেন।

    কন্যা

    ১) ব্যস্ততা সত্ত্বেও পারিবারিক জীবনের জন্য সময় বের করতে পারবেন না। এর ফলে আপনার মা রুষ্ট হবেন।

    ২) সরকারি চাকরিজীবীদের পদোন্নতি সম্ভব। এর ফলে তাঁদের মন প্রসন্ন হবে।       

    তুলা 

    ১) সামাজিক ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধি বাড়বে। আপনি এর পূর্ণ লাভ অর্জন করবেন।

    ২) কিছু নতুন শত্রু উৎপন্ন হতে পারে। সাহস ও বুদ্ধিমানীর সাহায্যে তাঁদের পরাজিত করতে পারবেন।
     
    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারে বোনের বিয়েতে আগত বাধা কোনও আত্মীয়ের সাহায্যে দূর হবে।

    ২) জীবনসঙ্গীকে কোথাও ঘোরাতে নিয়ে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) দীর্ঘদিন ধরে কোনও কাজ আটকে থাকলে তা অত্যন্ত কষ্টে পূর্ণ হতে পারে।

    ২) দৈনন্দিন কাজের বিশেষ যত্ন নিন। কারণ আপনি বহুদিন ধরে এমন কাজ এড়িয়ে যাচ্ছেন। এবার সেই কাজ সম্পন্ন করার দিন।

    মকর

    ১) শ্বশুরবাড়ির তরফে কোনও সম্পত্তি উপহার পেতে পারেন।
     
    ২) সন্তানকে ভালো কাজ করতে দেখে আনন্দিত হবেন।    

    কুম্ভ

    ১) সন্ধ্যাবেলা মা-বাবাকে মন্দিরে নিয়ে যেতে পারেন।

    ২) অংশীদারীত্বে কোনও ব্যবসা করে থাকলে তাতে ভালো মুনাফা অর্জন করবেন।

    মীন

    ১) কেউ আপনার কাছ থেকে টাকা ধার চাইলে তা এড়িয়ে যান। সেই টাকা ফিরে না-ও পেতে পারেন।

    ২) মা-বাবার আশীর্বাদে করে থাকা কাজ সফল হবে। লাভ অর্জন করবেন।

     
         

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Malda: হরির লুট! নির্বিচারে ভাতা বিলিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের কাছে এখন ফেরত চাইছে প্রশাসন

    Malda: হরির লুট! নির্বিচারে ভাতা বিলিয়ে দুঃস্থ মহিলাদের কাছে এখন ফেরত চাইছে প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭ লক্ষ টাকা গায়েব মালদা জেলার কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লক প্রশাসনের তহবিল থেকে। আর সেই টাকা তুলতে ৩২৯ জন দুঃস্থ মহিলাকে নোটিশ দিলেন কালিয়াচকের (Malda) বিডিও। এমন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদা প্রশাসনিক মহলে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।

    মূল অভিযোগ কী (Malda)?

    বিরোধীরা প্রশ্ন করছেন, ভাতা দিয়ে আবার ভাতা ফেরত! এ কেমন ঘটনা! আসলে এখানেও নতুন কৌশল করে দুঃস্থ মহিলাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করার চেষ্টা করছে কালিয়াচকের (Malda) ব্লক প্রশাসন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া। কালিয়াচক এক নম্বর ব্লক প্রশাসন ও সমাজ কল্যাণ বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের সময় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি থেকে ঢালাও নাম পাঠানো হয়েছিল। সে সময় নথিপত্র, বয়স কোনও তথ্য যাচাই করা হয়নি। একজন উপভোক্তাকে বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা, মানবিক ভাতা দেওয়া হয়েছে। যেখানে সরকারি নিয়ম রয়েছে, যে কোনও একজন উপভোক্তা একটি ভাতাই পাবেন। অথচ যে মহিলারা বিধবা ভাতা পাচ্ছেন, তাঁরাই আবার বার্ধক্য ভাতাও পেয়েছেন।

    উপভোক্তাদের বক্তব্য

    স্থানীয় (Malda) উপভোক্তা বয়স্ক মহিলারা জানিয়েছেন, এত টাকা কোথায় পাবেন! তাঁরা ফেরত দিবেন কীভাবে। তাঁদের যখন টাকা দিয়েছিল, তখন তো কিছু বলেনি। বরং ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বাড়তি টাকা সরকার যখন দিচ্ছে, নিতে ক্ষতি কী। কিন্তু আজ এতগুলো টাকা ফেরত তাঁরা কীভাবে দেবেন! এই নিয়ে মাথায় হাত। পাশাপাশি তাঁরা জানাচ্ছেন, সরকার রীতিমতো তাঁদের ঠকিয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, যাঁরা টাকা ফেরত দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিজেপির বক্তব্য

    দক্ষিণ মালদা (Malda) বিজেপির সম্পাদক নন্দনকুমার ঘোষ বলেন, এই গাফিলতি বিডিও এবং তাঁর কর্মীদের। নথিপত্র যাচাই না করে কী করে টাকা দেওয়া হয়েছিল? আবার সেই টাকা আজ দুঃস্থ মহিলাদের কাছ থেকে চাওয়া হচ্ছে। এর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে সব মহিলাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হয়তো পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক বিরোধী ছিলেন। ভারতীয় জনতা পার্টি এই মহিলাদের পাশে থেকে আন্দোলন করবে, দরকার হলে রাস্তায় নামবে।

    জেলা সভাধিপতির বক্তব্য

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) জেলা পরিষদের সভাধিপতি এবং তৃণমূল নেত্রী লিপিকা বর্মন ঘোষ বলেন, এই খবরটা আমি পেয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন মহিলা যিনি বিধবা, তিনি শুধু বিধবা ভাতাই পাবেন, অন্য ভাতা পাবেন না। সে ক্ষেত্রে এখানে একজন মহিলা দু-তিনটি করে ভাতা পেয়েছেন, সেটা ঠিক নয়। সে ক্ষেত্রে কিভাবে বিষয়টিকে দেখা যায়, তা ইতিমধ্যেই ব্লক প্রশাসন খতিয়ে দেখছে । বিরোধীদের কাজই হচ্ছে বিরোধিতা করা। নিয়ম যা রয়েছে সে বিষয়ে ব্লক প্রশাসন দেখবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share