Blog

  • Jalpaiguri: জলে ভেসে যাওয়া চারদিনের গণ্ডার শাবককে উদ্ধার, দিনরাত সেবায় রত বনকর্মীরা

    Jalpaiguri: জলে ভেসে যাওয়া চারদিনের গণ্ডার শাবককে উদ্ধার, দিনরাত সেবায় রত বনকর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স তিন থেকে চার দিন, এই বয়সেই মাতৃ হারা অবস্থা একটি গণ্ডার শাবকের। মায়ের জন্য শাবকটি তনছট করছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) গরুমারা জাতীয় উদ্যানের সীমানা এলাকায় জিরো বাধের কাছে জলে ভেসে যাওয়া অবস্থায় সেটিকে উদ্ধার করেন বন কর্মীরা। বন কর্মীরা টহল দেওয়ার সময় এই গণ্ডার শাবকটিকে জলে ভেসে যেতে দেখেন। তখনই বন কর্মীরা জলে লাফ দিয়ে ওই শাবকটিকে তাঁরা উদ্ধার করেন। এখন বন কর্মীরা গন্ডার শাবকটিকে নিরাপত্তার স্বার্থে ঘিরে রেখেছেন। অন্যদিকে সন্তানহারা মা গণ্ডারটির খোঁজ চালাচ্ছেন বন কর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মা গণ্ডারটিকে  খুঁজে শাবকটিকে তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন বন কর্মীরা। ঘটনাস্থলে রয়েছেন গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের আধিকারিকরা। সারাদিন রাত শাবকটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    কী বললেন উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল?

    পুরুষ শাবকটি সদ্যজাত হওয়ায়  হওয়ায় তার খাদ্য খাবার নিয়েও চিন্তিত জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার বন কর্তারা। এই শাবকটিকে কৌটোর দুধ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, শাবকটি উদ্ধারের পরেই সেখানে একজন পশু চিকিৎসক রয়েছেন। তার তত্ত্বাবধানেই শাবকটির শারীরিক বিষয়টি নজরে রাখা হয়েছে বলে জানান বন্যপ্রাণী বিভাগের উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল রাজেন্দ্র জাখর। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে শাবকটির আওয়াজ রেকর্ড করার চেষ্টা করছেন বন কর্মীরা। সেই আওয়াজ গণ্ডারের কানে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টাও করছেন তাঁরা। এই ধরনের প্রচেষ্টা এই প্রথম, বন দফতরের ইতিহাসে এই রকম নজির আগে দেখা যায়নি। বন দফতরের পক্ষ থেকে যেন তেন প্রকারে শাবকটিকে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের এখন প্রধান কাজ। শাবকটির মায়ের সন্ধানে বেড়িয়ে পড়েছেন বন কর্মীরা। গোটা এলাকা তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা। আমাদের বিশ্বাস সন্তান হারা মা গণ্ডারটিও সন্তানের খোঁজে ঠিক তাঁর সন্তানের কাছে আসবেই। অন্যদিকে, এই মা হারা অবস্থায় সদ্যোজাত  শাবকটিকে বাঁচিয়ে রাখাও আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • BJP: বেহাল রাস্তায় কচু গাছ পুঁতে বাঁকুড়ায় বিজেপির অভিনব প্রতিবাদ

    BJP: বেহাল রাস্তায় কচু গাছ পুঁতে বাঁকুড়ায় বিজেপির অভিনব প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেহাল রাস্তায় জর্জরিত এলাকাবাসী। রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল পরিচালিত বাঁকুড়া পুরসভার কোনও হেলদোল নেই। এবার রাস্তায় নেমে আন্দোলন শুরু করল বিজেপি। রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে অভিনব প্রতিবাদ করল বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। যা দেখে খুশি শহরবাসীও। তাঁদের বক্তব্য, রাস্তা খানাখন্দে ভরা। বহুবার আবেদন করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এলাকার মানুষের হয়ে পথে নেমে বিজেপি আন্দোলন করায় ভাল লাগছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তা তৈরি করতে হবে।

    বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের ঠিক কী অভিযোগ?

    কচু গাছ পুঁতে অভিনব প্রতিবাদ বিজেপির (BJP)। শুক্রবার বাঁকুড়া শহরের ব্যস্ততম লালবাজার এলাকার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে রয়েছে। খানাখন্দে ভরা এই রাস্তা যান চলাচলের অযোগ্য বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ২০ নম্বর ওয়ার্ড লালবাজার এলাকায় একাধিক রাস্তা বেহাল। বিশালাকার গর্ত তৈরি হয়ে জমে আছে জল। পুরকর্তৃপক্ষ এই রাস্তা সংস্কারে কোন উদ্যোগ নেয়নি। এদিনের এই কর্মসূচিতে নেতৃত্বদানকারী বাঁকুড়া জেলা বিজেপি সম্পাদক উজ্জ্বল মণ্ডলের বক্তব্য, তৃণমূল পরিচালিত বাঁকুড়া পুরসভার ২৪ টি ওয়ার্ডের রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা। লালবাজারের এই খানাখন্দে ভরা রাস্তার উপরেই হিন্দু হাইস্কুল। রাস্তার যা পরিস্থিতি তাতে যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মাঝে মাঝে রাস্তা সংস্কার করা হয়, ক’দিন পরেই আবার সেই একই অবস্থা। শুধুমাত্র ‘কাটমানি’র জন্য লোক দেখানো করে রাস্তা সারাই হয়। অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল পরিচালিত বাঁকুড়া পুরসভার চেয়ারপার্সন অলকা সেন মজুমদার বলেন, বিজেপি (BJP) রাজনীতি করার জন্য এসব করছে। ওরা আমাদের কাছে আসতে পারত। কিন্তু, ওরা সেটা করেনি। বিজেপি এসব করে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, এই পুরসভা এলাকায় অধিকাংশ ওয়ার্ডে রাস্তা তৈরি হয়েছে। খুব শীঘ্রই আরও ২১ টি রাস্তা তৈরি করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আরামবাগে বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তায় পড়েনি পিচ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: আরামবাগে বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তায় পড়েনি পিচ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডের রাস্তা কোথাও ঢালাই, কোথাও আবার পিচ দিয়ে মোড়া রয়েছে। একই চিত্র পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের অলিগলি রাস্তা কংক্রিটের। কিন্তু, এই ওয়ার্ডের বিশেষ এলাকায় অবহেলায় পড়ে রয়েছে রাস্তা। রাস্তায় পিচ দেওয়া তো দূরে থাক ইট পাতার প্রয়োজন মনে করেনি পুর কর্তৃপক্ষ। অপরাধ ওই এলাকায় বিজেপি (BJP) বিধায়ক মধুসূদন বাগ থাকেন। তাই, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার কর্মকর্তারা রাস্তা তৈরি করার বিষয়ে সময় নষ্ট করার প্রয়োজন মনে করেনি বলে বিজেপির অভিযোগ। যার জেরে রাস্তার বেহাল দশা। কাদায় ভরে গিয়েছে রাস্তা। রাস্তার হাল দেখলে মনে হবে পঞ্চায়েত এলাকার প্রত্যন্ত কোনও গ্রামের রাস্তা।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি(BJP) বিধায়কের বক্তব্য, তৃণমূল বরাবরই নোংরা রাজনীতি করে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে গোটা রাজ্যজুড়ে ওরা কী করেছে তা রাজ্যবাসী দেখেছেন। কিন্তু, ওদের মানসিকতা এতটাই নীচ যে আমি বিজেপি দলের বিধায়ক বলে আমার এলাকায় ওরা পরিকল্পিতভাবে কোনও উন্নয়ন করবে। অথচ অন্যান্য রাস্তার কাজ হয়েছে, শুধু মাত্র বিজেপি বিধায়ক হওয়ার জন্যই আমার বাড়ির সামনে প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল বোর্ডের নজর পড়েনি। তাই, সেখানে কোনও কাজ করা হয়নি। যার জেরে ওই রাস্তায় খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। আমি ও আমার এলাকার লোকজনকে কাদা মেখে যাতায়াত করতে হয়। রাজনৈতিক কারণে দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা। এই ওয়ার্ডে এবারে জয়ী হয় বিজেপি। সেক্ষেত্রেও বিজেপির কাউন্সিলারকে কোনও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    যদিও বিজেপির (BJP) এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি। তিনি বলেন, সব ওয়ার্ডে রাস্তার কাজ হয়েছে। তবে, ওখানেও কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে পুরসভাকে। তাই রাস্তা করা সম্ভব হয়নি। যদি এবিষয়ে বিধায়ক পুরসভাকে আবেদন করেন তাহলে ফের বিষয়টি দেখা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: রোগী পড়ে আছে, ওষুধ-পরিষেবা নেই! কাঠগড়ায় গলসির স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    Purba Bardhaman: রোগী পড়ে আছে, ওষুধ-পরিষেবা নেই! কাঠগড়ায় গলসির স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে সরবরাহ নেই ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইন। এই জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে। জীবনদায়ী ওষুধ ও সেলাইনের সরবরাহ নেই এবং এরপর উপরে নেই নজর কারও। অভিযোগ রোগীর আত্মীয় এবং এলাকাবাসীর। ঠিক এই কারণেই বেশ কিছুদিন ধরে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসির পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা কার্যত শিকেয় উঠেছে। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে এসে নিঃস্ব হচ্ছেন গ্রামগঞ্জের গরিব দিন আনা দিন খাওয়া মানুষরা। স্বাভাবিকভাবেই  স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

    মূল সমস্যা কী  (Purba Bardhaman)?

    জানাগেছে, হাসপাতালে (Purba Bardhaman) রোগী ভর্তি হলেই ডাক্তার বাবুরা চিকিৎসার জন্য ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইনের প্রেসক্রিপশন করে দিচ্ছেন। তবে সেই ওষুধের বেশিরভাগই যোগান নেই হাসপাতালে। এমন অবস্থায় প্রয়োজনীয় ওষুধ, ইনজেকশন ও সেলাইন বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হচ্ছে রোগীদের। এমনকি জ্বর ও ডায়েরিয়া চিকিৎসাতে মিলছে না সাধারণ সেলাইন। এদিকে রোগী ভর্তি করলেই প্রতিদিন পাঁচ-সাতশো টাকার ওষুধ। ইনজেকশন ও সেলাইন কিনে আনতে হচ্ছে হাসপাতালে আসা গরিব রোগীর পরিজনদের। ঘটনার জেরে কিছুদিন ধরে ব্যাপক ক্ষোভের সৃ‌ষ্টি হয়েছে হাসপাতাল চত্বর জুড়ে। ক্ষোভের আঁচ ভোগ করতে হচ্ছে হাসপাতালের আউটডোর ও ইনডোরে কর্মরত চিকিৎসক-স্বাস্থ্য কর্মীদের। এই কঠিন অবস্থার কথা স্বীকার করেছেন হাসপাতালের ডাক্তারবাবুরা। বেশিরভাগ গরিব রোগী পরিবারের পক্ষে বাইরে বহুমূল্যের চিকিৎসা নেবার ক্ষমতা নেই। এমন অবস্থায় এই হাসপাতাল বন্ধ রাখার দাবি করছেন স্থানীয়রা।

    রোগীর আত্মীয়ের বক্তব্য

    পরিষেবা না পেয়ে অসহায় রোগীর পরিজনেরা ক্ষিপ্ত। ক্যামেরার সামনে উগরে দিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষোভ; যন্ত্রণার কথা। রোগীর আত্মীয়া জাহানারা খাতুন আনসারি বলেন, ‘এর মধ্যে ওষুধ আর টেস্ট বাবদ ৭০০ টাকা খরচ হয়ে গেছে।’ নার্সিংহোমে (Purba Bardhaman) যাওয়া তাঁদের সাধ্যের বাইরে। মিলছেনা প্রয়োজনীয় ওষুধ। আরেক রোগীর আত্মীয় হাদিয়া বিবি শেখ, তিনি বলেন, ‘কিছু ফ্রিতে হচ্ছে না। সব পয়সা লাগছে। এত পয়সা থাকলে তো বাইরে চিকিৎসা করাতাম।’ রোগীর আত্মীয় ইনামুল হক, তিনিও ক্ষুব্ধ, বললেন, ‘আগে সব পাওয়া যেত। এখন কিছুই নেই। শুধু একরকম সেলাইন ছাড়া।’ তাঁরা কোথায় যাবেন?’ রোগীর পরিজন সুভাষ আকুড়ে জানালেন, ‘রোগী পড়ে আছেন, ওষুধ নেই, পরিষেবা নেই। বাইরে নিয়ে যাবার মত আমাদের ক্ষমতা নেই।’ প্রশাসন কবে সুব্যাবস্থা করবে কে জানে! এইভাবে রোগীদের পরিজনদের ক্ষোভ চরমে উঠেছে। রোগীর আত্মীয় আসগর আলি মল্লিক জানান, ‘আগে আমরা সব পেতাম। এখন কিছু নেই। কর্মীরা বলছেন তাঁদের কিছু করার নেই। তবে হাসপাতাল গুটিয়ে দেওয়া হোক। 

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    একইরকম ভাবে অসহায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রের (Purba Bardhaman) চিকিৎসকরা। মেনে নিলেন সরঞ্জামের অভাবে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে ভীষণভাবে। ডাঃ সায়ন জোয়ারদার বলেন, রোগীর পরিজনেরা রেগে যাচ্ছেন। তাঁদের ধৈর্য  রাখতে হচ্ছে। ২/৩ সপ্তাহ ধরে এমনটা হচ্ছে। যদিও ওষুধ সরবরাহ করার বিষয়টি তাঁদের নয়। তবু মানুষ হাসপাতালেই প্রথমে আসেন। তাঁরা জবাব চাইছেন। ডাঃ পায়েল মল্লিক, তিনি নতুন বিএমও এইচ। তিনি জানান, ‘সব বিষয়টি শুনেছি। আমি জেলায় সব জানিয়েছি। সমাধানের চেষ্টা চলছে। আশাকরি সমাধান হয়ে যাবে।’ এই সমাধানের অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: হুইল চেয়ারে বসেই ‘ড্রাগন বোট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে’ ঘাটালের অপূর্ব

    Paschim Medinipur: হুইল চেয়ারে বসেই ‘ড্রাগন বোট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে’ ঘাটালের অপূর্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনায় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারত। ভগবান সহায়, হয়নি। পরে অসুস্থতায় মৃত্যু একরকম নিশ্চিত, এমনটা ভেবেছিলেন চিকিৎসকরাও। কিন্তু বেঁচে আছেন অপূর্ব সামন্ত। তখন কোনও স্বপ্নই ছিল না তাঁর চোখে। পরিবারের লোককে চিকিৎসক বলেই দিয়েছিলেন, হাতে বেশি সময় নেই। ভগবানকে ডাকার পাশাপাশি, ছেলে যা যা ভালবাসে, সে সব খাওয়ানোর কথাও বলেছিলেন। দিয়েছিলেন শেষ দিনগুলি সুখে কাটানোর পরামর্শও। যাঁর সম্পর্কে এই সব পরামর্শ, সেই অপূর্ব সামন্তও তখন নিজের মৃত্যুই চেয়েছেন। কিন্তু এখন ঘাটালের (Paschim Medinipur) সেই যুবক অপূর্ব স্বপ্ন দেখান অনেককে। হুইল চেয়ারে বসেই দেশকে সম্মানিত করার স্বপ্ন দেখেন নিজে। এবার প্রথম বিদেশেও যাচ্ছেন স্বপ্ন সফল করতে।

    চোখেমুখে দেশের জন্য পদক জেতার স্বপ্ন (Paschim Medinipur)

    আগামী সোমবার থেকে তাইল্যান্ডে শুরু হচ্ছে ‘ড্রাগন বোট বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ’। তাতে ভারতীয় প্যারা দলের প্রতিনিধি অপূর্ব। তিনি বললেন, ‘‘আপাতত আমার একটাই স্বপ্ন। দেশের হয়ে পদক জয়।’’ পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল শহর থেকে অনেকটাই দূরে দাসপুরের দুবরাজপুর গ্রামে বাড়ি অপূর্বর। ২০১৭ সালে মারাত্মক বাইক দুর্ঘটনা। বাইকের হ্যান্ডেলটা ভেঙে ঢুকে গিয়েছিল কোমরে। প্রথম বার সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে ফিরলেন। কিন্তু মেরুদণ্ডের আঘাত শয্যাশায়ী করে দেয়। দিনের পর দিন বিছানায় শুয়ে থাকতে থাকতে ‘বেড সোর’ হয়ে যায়। এক সময়ে পিঠে ‘সংক্রমণ’ হয়ে যায়। তখনই জবাব দিয়ে দেন স্থানীয় (Paschim Medinipur) চিকিৎসকরা। আর অপূর্ব কোনও রকমে বাইরের দিকে চেয়ে থাকতেন এক ফালি জানালা দিয়ে। জানালা নয়, অপূর্ব প্রথম বার আলো দেখতে পেয়েছিলেন ফেসবুকে। তাঁর শরীরের অবস্থার কথা জেনে ফেসবুকেরই এক বন্ধু জানান, চিকিৎসা আছে। সঠিক জায়গায় গেলে চিকিৎসা করানো যায়। একটু একটু করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন অপূর্ব। তাইল্যান্ড রওনা হওয়ার আগে অবশ্য তাঁর চোখেমুখে অনেক স্বপ্ন। আগে হুইল চেয়ারে ম্যারাথনে অংশ নিয়েছেন। বাস্কেটবল, ভলিবলও খেলেছেন। কিন্তু এখন ড্রাগন বোটই তাঁর মূল খেলা।

    হুইল চেয়ার ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেন (Paschim Medinipur)

    ড্রাগন বোট খেলা এখনও ভারতে তেমন জনপ্রিয় না-হলেও দিন দিন তা বাড়ছে বলে দাবি করলেন অপূর্ব। তিনি জানালেন, সম্প্রতি জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা হয় বিহারে। সেখানে বাংলার প্যারা দল চ্যাম্পিয়নও হয়। এবার ভারতীয় প্যারা দলে অপূর্ব-সহ রয়েছেন পাঁচ জন। তবে তিনিই একা হুইল চেয়ারে বসা প্রতিনিধি (Paschim Medinipur)। কলকাতায় এক বার একটি প্যারা ম্যারাথনে যোগ দিতে এসেছিলেন অপূর্ব। সেই সময়ে আলাপ হয় কলকাতার নিউরো রিহ্যাব চিকিৎসক সুপর্ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পরে অপূর্বর প্রশিক্ষণ থেকে এই বিদেশযাত্রায় পাশে রয়েছেন সুপর্ণ। তিনি বলেন, ‘‘অপূর্ব খেলাধুলোর চেয়েও বড় যে কাজটি করে, তা হল হুইল চেয়ারে বসে হুইল চেয়ার ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেয়। খুবই বড় একটা কাজ। ও শেখায়, হুইলচেয়ারে বসেও কী ভাবে ব্যালান্স রেখে খেলাধুলো করা যায়, কী ভাবে সব কাজ স্বনির্ভরতার সঙ্গে করা যায়।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    Kedarnath Yatra: ফের ধস কেদারনাথ যাত্রাপথে, চাপা পড়েছে দোকানপাট, কমপক্ষে ১২ জন নিখোঁজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথ যাত্রাপথে (Kedarnath Yatra) ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বিরাট ধস নেমেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার কেদারনাথ যাওয়ার পথে গৌরীকুণ্ডে ব্যাপক ধস নামার খবর জানা গেছে। ধসের ফলে তলিয়ে গেছে রাস্তার পাশের বহু দোকান। চাপা পড়েছেন অন্তত ১২ জন। উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Kedarnath Yatra)?

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই উত্তরাখণ্ডে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ভোরের দিকে কেদারনাথের পথে (Kedarnath Yatra) ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুণ্ডের দাঁতপুলিয়া এলাকায় ধস নেমেছে। উল্লেখ্য কেদারনাথ যাত্রায় গৌরীকুণ্ড হল একটি বিশেষ বেস ক্যাম্প। সমস্ত কেদারনাথ পুণ্যার্থীরা এই পথেই পৌঁছান কেদারনাথ ধামে। তাই ধসের কারণে আপাতত বন্ধ কেদারনাথ যাত্রা। রাস্তার পাশে থাকা বেশ কিছু দোকান বড় পাথরের নিচে চাপা পড়েছে।

    বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বক্তব্য

    রুদ্রপ্রয়াগ বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর অফিসার দলিপ সিং রাজওয়ার জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে ধস (Kedarnath Yatra) নেমেছে। অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধসের কারণে বেশ কিছু দোকানও চাপা পড়েছে। এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিপর্যয় বাহিনীর অফিসার। রুদ্রপ্রয়াগ পুলিশ সুপারের বক্তব্য, নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বার করতে অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকায় অনেক বাড়ি ধসে গিয়েছে।

    কতটা সুরক্ষিত কেদারনাথ যাত্রা?

    উল্লেখ্য গত বছর জুলাই মাসেও প্রবল বৃষ্টিপাত হয় সোনপ্রয়াগ, গৌরীকুণ্ডতে। সেই সময় সাময়িক ভাবে অতি বৃষ্টিপাতের কারণে কেদারনাথ যাত্রা (Kedarnath Yatra) বন্ধ রাখতে হয়েছিল। ৬ মাস বন্ধ রাখার পর, এই বছর এপ্রিলে আবার খোলা হয় কেদারনাথ ধাম। এই ধস এবং অতি ভারী বর্ষণের ফলে গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী এবং বদ্রীনাথ যাত্রা কতটা সুরক্ষিত হবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০১৩ সালেও অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল উত্তরাখণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি করার অপরাধে বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপি করার অপরাধে বাড়ি ভাঙচুর, দোকানে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) কর্মীর বাড়িতে হামলার চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর শহরের কালগাং এলাকায়। অভিযোগ, বিজেপি করার অপরাধে এদিন সকালে উত্তম পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালায় এলাকার জনা কয়েক তৃণমূল কর্মী। এরপর উত্তম পণ্ডিতের মাংসের দোকান ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর দল বেঁধে হামলা করার প্রতিবাদ করতে গেলে উত্তম পণ্ডিতের বাবা কাজল পণ্ডিতকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে, হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম  অবস্থায় কাজলবাবুকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কর্মী?

    বিজেপি (BJP) কর্মী উত্তম পণ্ডিত বলেন, ‘বিজেপি করি এটাই আমার অপরাধ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় প্রচুর হুমকি দিয়েছে ওরা। হুমকি উপেক্ষা করেই দলের হয়ে কাজ করেছি। এর আগেও একাধিক সময় আমার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবার ভোট পর্ব মিটে যাওয়ার পর  এবারও আমাকে শিক্ষা দিতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমাকে না পেয়ে আমার বাবাকে বেধড়ক পেটায়। ওরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এসব করছে। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে।’ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া অভিযুক্তরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। কারণ, এরকমভাবে হামলা চালানো তৃণমূলের কালচার নয়। তবুও, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রং না দেখে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতেও পুলিশকে জানানো হয়েছে। আমরা কোনওভাবে এই ধরনের ঘটনাকে সমর্থন করি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: স্বস্তি রাহুলের, ২ বছরের জেল হাজতের সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    Rahul Gandhi: স্বস্তি রাহুলের, ২ বছরের জেল হাজতের সাজার ওপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি পদবী মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস নেতার রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সুপ্রিম কোর্টে এদিন বিচারপতি আরএস গাভাই এবং বিচারপতি পিকে মিশ্রের বেঞ্চ তাঁর দু বছরে জেল হাজতের সাজার উপর স্থগিতাদেশ জারি করে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গুজরাটের সুরাট আদালতে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মোদি পদবী অবমাননা মামলায় দু বছরের শাস্তি ঘোষণা করেছিল। 

    মামলার ঘটনাক্রম 

    চলতি বছরের মার্চ মাসের ২৩ তারিখে সুরাতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সাজা ঘোষণা হয়। এই সাজার উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে  রাহুল গান্ধীর আবেদন গত ৭ জুলাই খারিজ করে দিয়েছিল গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি হেমন্ত প্রচ্ছকের একক বেঞ্চ। গুজরাট হাইকোর্টের আগে সুরাতের দায়রা আদালতও একই সাজা বহাল রেখেছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১৭ জুলাই রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। এদিন রাহুল গান্ধীর সাজার ওপর স্থগিতাদেশ জারি হল সুপ্রিম কোর্টে।

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্য

     ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট প্রচার চলছিল। সে সময়ে কর্নাটকে মোদি পদবি তুলে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তিনি বলেছিলেন যে সব চোরদের পদবী মোদি কেন হয়!  এ নিয়ে সেইসময় মামলা দায়ের করেন গুজরাটের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি। তাঁদের দাবি ছিল রাহুল গান্ধী এভাবে সব চোরেদের মোদি কেন হয়, মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা তেলি সমাজকে অপমান করেছেন। প্রসঙ্গত, মোদি পদবী তেলি সমাজের অন্তর্ভুক্ত। তেলি সমাজের পক্ষ থেকে ব্যাপক আন্দোলনও শুরু হয় এই সময়।  সুরাতের ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সাজা ঘোষণা করার পরেই, চলতি বছরের ২৪ মার্চ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, ভারতীয় সংবিধানের ১০২(১)-ই এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (১৯৫১) ৮(৩) নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ করেন।  আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০২৪ সালে নির্বাচনে রাহুল গান্ধী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন কারণ শুক্রবার রায়ের পরে তাঁর সে পথ অনেকটাই প্রশস্ত হয়ে গেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ল হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, খেলেন স্যুপ, ভাল আছেন বুদ্ধদেব

    Buddhadeb Bhattacharjee: বাড়ল হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, খেলেন স্যুপ, ভাল আছেন বুদ্ধদেব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শারীরিক অবস্থার ক্রমশই উন্নতি হচ্ছে। তিনি আগের থেকে অনেকটাই ভাল আছেন বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে সংক্রমণের মাত্রা খুব বেশি তাঁর শরীরে বাড়েনি বরং আগে যা ছিল তার থেকে কিছুটা অল্প হলেও কমেছে। শুক্রবারে নতুন করে তাঁর রক্তের রিপোর্টকরানো হয়। কিন্তু সেটিও স্বাভাবিক রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে।

    শুক্রবার বিকেলে বুদ্ধবাবুকে আমের রস খাওয়ানো হবে

     শুক্রবার বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে (Buddhadeb Bhattacharjee) স্যুপ খাওয়ানো হয়েছে বলেও হাসপাতাল সূত্রে খবর মিলেছে। প্রসঙ্গত, আম খেতে চেয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই কথা মাথায় রেখে বিকেলে তাঁকে আমের রস খাওয়ানোর পরিকল্পনা করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এখনই রাইলস টিউব খোলা হচ্ছে না। তবে চেষ্টা করানো হচ্ছে তাঁকে মুখ দিয়ে খাওয়ানোর। আস্তে আস্তে এই অভ্যাসটা তৈরি করানো হবে। শুক্রবার সকালের মেডিকেল রিপোর্টে জানানো হয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নন ইনসেটিভ ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে বর্তমানে দেখাশোনা করছেন চিকিৎসক ধীমান গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বুদ্ধবাবুকে (Buddhadeb Bhattacharjee)। বর্ষীয়ান চিকিৎসককে ছত্তিশগড় থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে বলে খবর। শুক্রবার বিকেলে ফের একবার মেডিকেল বোর্ড বসবে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়েছে

     ইতিমধ্যে রক্ত পরীক্ষা করার পরে দেখা যাচ্ছে যে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণও আগের থেকে বেশ খানিকটা বেড়েছে (Buddhadeb Bhattacharjee)।  আগের মতোই রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী থেকে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কলাকুশলীরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবারও সারাদিন তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য এবং একমাত্র সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। গত শনিবারে অসুস্থতার মাত্রা বাড়তে থাকায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেদিন হাসপাতালের মেডিকেল বুলেটিন সম্পর্কে জানানো হয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) শ্বাসনালীতে সংক্রমণ রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Teacher: অবাক কাণ্ড! থানায় লাইন দিয়ে মুচলেকা জমা দিলেন শিক্ষকরা, কেন জানেন?

    Primary Teacher: অবাক কাণ্ড! থানায় লাইন দিয়ে মুচলেকা জমা দিলেন শিক্ষকরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সিলেকশান কমিটিতে কোনও আত্মীয় ছিলেন না’, এই মর্মে প্রাথমিক শিক্ষকদের থেকে হলফনামা নিচ্ছে পুলিশ। ২০১২ সালে নিয়োগ পাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের ৩,৯২৪ জন প্রাথমিক শিক্ষককে দ্রুত এই হলফনামা স্থানীয় পুলিশ স্টেশন ও প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের অফিসে জমা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরেই জেলার ২১টি থানায় লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের এই হলফনামা জমা দিতে দেখা গিয়েছে।

    থানায় লাইন দিয়ে হলফনামা জমা দেওয়া নিয়ে কী বললেন প্রাইমারি শিক্ষক?

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০১২ সালে প্রাথমিকে ঢালাও শিক্ষক নিয়োগ হয় রাজ্য জুড়ে। সেই নিয়োগে সিলেকশন কমিটিতে প্রার্থীদের আত্মীয়দের থাকার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন মৃণাল কান্তি মাইতি নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলার সূত্র ধরেই ২০১২ সালের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের থেকে হলফনামা চায় জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল। ৪ আগষ্টের মধ্যে এই হলফনামা জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আচমকাই পুলিশের তরফ থেকেও ওই শিক্ষকদের ফোন করে থানাতেও হলফনামা জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, জেলা শাসকের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই পুলিশের তরফ থেকেও  মুচলেকা জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। থানায় লাইন দিয়ে হলফনামা জমা প্রসঙ্গে এক শিক্ষক বলেন, মনে হচ্ছে আমরা কোনও অপরাধ করেছি। অন্য এক শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষা দফতর থেকে পুলিশের কাছে মুচলেকা জমা দেওয়ার কোনও নির্দশ নেই। কিন্তু আচমকা পুলিশের ফোন পেয়ে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এখন নির্দেশ মেনেই আমরা হলফনামা জমা দিয়েছি।’

    কি রয়েছে এই হলফনামায়?

    জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হলফনামায় নিজের নাম পরিচয় উল্লেখ করার পাশাপাশি ৩টি পয়েন্টের উল্লেখ করতে হচ্ছে। যেখানে ওই শিক্ষকদের জানাতে হচ্ছে, ‘আমি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলের ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ২০১২ সালে চাকরি প্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক। ইন্টারভিউ বোর্ড বা সিলেকশন কমিটির এক বা একাধিক সদস্য আমার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয় এবং আমি ঘোষণা করছি, আমার দেওয়া বিবরণ মিথ্যা বা ভুল হলে আমার নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং আমি প্যানেল কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য দায়ী থাকব’। স্ট্যাম্প পেপারে এই হলফনামাটি লিখে এফিডেভিটের পর তা জেলা স্কুল কাউন্সিলে জমার পাশাপাশি প্রত্যয়িত কপি থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে প্রথমবার বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। এই পরীক্ষায় বেসিক পাশ না থাকাদেরও বসতে সুযোগ দেওয়া হয় এবং ওই বছর বিপুল পরিমাণে নিয়োগ হয় রাজ্যে। যার মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর শীর্ষস্থানে ছিল বলে খবর। পরে এনসিইআরটি’র গাইডলাইন মেনে এই সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক ভাবে উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে নতুন করে পাশ করতে হয় এবং ডিএড পাশ করে সেই সার্টিফিকেটও জমা করতে হয় সংসদে। এবার নতুন করে এই সমস্ত শিক্ষকদের হলফনামা দেওয়া নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share