Blog

  • South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    South 24 Parganas: তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষে উত্তাল ডায়মন্ডহারবার, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোটা এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ডায়মন্ডহারবারের (South 24 Parganas) হটুগঞ্জ এলাকায়। আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের বোমা মেরেছে। অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে হিংসা ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আইএসএফ। পরিস্থিতি সামাল দিলে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    কী ঘটেছে (South 24 Parganas)?

    পঞ্চায়েত ভোটের মাত্র চার দিন বাকি! এর মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার (South 24 Parganas)। রাস্তায় নেমে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখতে গেলে আইএসএফ এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মূলত এলাকায় আইএসএফ দল করার জন্যই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে বলে জানা গেছে। দুষ্কৃতীরা, এলাকায় ঢুকে আইএসএফ করার জন্য কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরণ করে। এছাড়াও রড, বাঁশ, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    অভিযোগ কী?

    এই এলাকায় (South 24 Parganas) যারা বর্তমানে আইএসএফ করে, তারা প্রায় ১২ বছর ধরে এলাকায় থাকতে পারছে না বলে জানা গেছে। দোষ একটাই, কেন তৃণমূল বিরোধী দল করে তারা! রাস্তায় বের হলে বাড়ির মহিলাদের হাত ধরে টানাটানি করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করতে গেলেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে এলাকায়। আজকের ঘটনায় তৃণমূলের দুষ্কৃতী সামশুল ঘড়ামী, সিরাজুল ঘড়ামী, আলি আব্দুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। এলাকার আইএসএফ কর্মী এবং সাধারণ মানুষ জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ গিয়ে পৌঁছায়। ভোটের আগে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায়।

    পুলিশের ভূমিকা

    উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে আসেন উস্তি, কুলপি থানার পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মন্দির বাজারের এসডিপিও। তাঁদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় দোকানপাট সব বন্ধ এবং পথচলতি মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: বাসন্তীতে ফের তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা

    Panchayat Poll: বাসন্তীতে ফের তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। শুধু গুলিবিদ্ধ হয়ে একের পর এক রাজনৈতিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দুদিন আগেই জিয়ারুল মোল্লা নামে যুব তৃণমূল কর্মীকে খুন করার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। রাজ্যপাল সন্ত্রাস কবলিত বাসন্তী থেকে ফিরে যেতে না যেতেই ফের বাসন্তীতে চলল গুলি। গুলিবিদ্ধ হলেন এক তৃণমূল কর্মী। খগেন খুটিয়া নামে বছর পঞ্চান্নর ওই তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সোমবার রাত এগারোটা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর নফরগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌরঙ্গির কাছে খগেনবাবু সহ অন্যান্য তৃণমূল কর্মীরা এলাকায় ভোটের (Panchayat Poll) কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় মোটর বাইকে চেপে দুষ্কৃতীরা এসে গুলি চালায়। পায়ে গুলি লাগে ওই তৃণমূল কর্মীর। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঝড়খালি কোস্টাল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কয়েকদিন আগে বাসন্তী থানার ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের চাতরাখালি এলাকায় রাস্তার পাশে জিয়ারুল মোল্লাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে, তাঁর মৃত্যু হয়। জিয়ারুল যুব তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। আর হামলাকারীরা মাদার তৃণমূল করতেন। আর এদিন খগেনবাবুকে যারা গুলি করেছে, তারা বিজেপি করে বলে অভিযোগ। 

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয় নিয়ে বারাইপুর পূর্ব সংগঠনিক জেলার সভাপতি অরূপ কর বলেন, বাসন্তীতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরেই এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। এখানে বিজেপি কোনওভাবেই যুক্ত নয়। নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলই প্রকাশ্যে আসছে বারে বারে।

    পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যদিও এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ

    Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু থেকেই বার বার বাদ সাধছে অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra)। কখনও বৃষ্টি, কখনও তুষারপাতের ফলে আটকে পড়ছেন তীর্থযাত্রীরা। আবহাওয়া একটু পরিষ্কার হতেই যাত্রা শুরু হয়েছে অমরনাথের উদ্দেশে। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পুণ্যার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাঁদের সেবার ভার নিয়েছে ভারত সেবাশ্রম সংঘ। প্রতিবারের মতো এবারেও ভারত সেবাশ্রম সংঘের জম্মু শাখার উদ্যোগে অমরনাথের পথে চন্দনবাড়িতে তৈরি হয়েছে ত্রাণ শিবির ও মেডিক্যাল ক্যাম্প। যেখানে ইতিমধ্যেই কলকাতায় সংঘের প্রধান কার্যালয় থেকে সন্ন্যাসী, স্বেচ্ছাসেবক ও চিকিৎসক দল পৌঁছে সেবা কাজ শুরু করেছে।

    কী জানালেন সংঘের প্রধান?

    ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, সংঘের জম্মু শাখার অধ্যক্ষ স্বামী সত্যমিত্রানন্দজি মহারাজ সহ অন্যান্য সন্ন্যাসী ও সেচ্ছাসেবক তীর্থযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরিষেবা দিচ্ছেন বিনামূল্যে। যাঁরা অমরনাথের (Amarnath Yatra) উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন, এঁদেরও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। প্রচণ্ড ঠান্ডা থেকে বাঁচতে তীর্থযাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে গরম চা। এছাড়া সাধু ও দুঃস্থ তীর্থযাত্রীদের শীতবস্ত্র, ছাতা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।

    পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি তীর্থযাত্রীর (Amarnath Yatra) সংখ্যা সব থেকে বেশি।

    বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, প্রতি বছরই হাজার হাজার তীর্থযাত্রী দুর্যোগ উপেক্ষা করেই অমরনাথের (Amarnath Yatra) উদ্দেশে রওনা দেন। তাঁদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাওয়া বাঙালি তীর্থযাত্রীর সংখ্যা সব থেকে বেশি। তাই এই তীর্থযাত্রীদের সব ধরনের সহযোগিতা দিতে বহু বছর ধরে তাঁরা এই মেডিক্যাল ক্যাম্প করে আসছেন। এর পাশাপাশি জম্মুতে ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্যালয়ে লঙ্গরের মাধ্যমে তীর্থযাত্রীদের বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বয়স্ক তীর্থযাত্রী, যাঁরা অমরনাথ যেতে চান, তাঁদেরও নানা ভাবে গাইড করেন সংঘের সন্ন্যাসী ও স্বেচ্ছাসেবকরা। চন্দনবাড়িতে মেডিক্যাল ক্যাম্পের পাশে তৈরি হয়েছে তীর্থযাত্রীদের থাকার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্প। সেখানেও প্রতিদিন পূজা-আরতি দেখতে ভিড় করেন তীর্থযাত্রীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাড়ুয়াবিলা (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৃণমূল প্রার্থী মানব পড়ুয়াকে। আগামী ৫ ই জুলাই ডাকা হয়েছে তাঁকে। ভোটের আগে এই  নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য।

    বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Purba Medinipur) কেন ডাকল এনআইএ?

    নাড়ুয়াবিলা  (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে গত জুন মাসের ২০ তারিখ ভূপতিনগর থানায় এসেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। তাঁরা নাড়ুয়াবিলা গ্রামের বিস্ফোরণস্থলেও গিয়েছিলেন। এই স্থানেই গত বছর ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখের রাতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

    নাড়ুয়াবিলা গ্রামে কী ঘটেছিল?

    ভগবানপুর (Purba Medinipur) ২ ব্লকের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ঘটা সেদিনের বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তিন তৃণমূল কর্মীর। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার ডাকা হল মানব পড়ুয়াকে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের বিদায়ী সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের বর্তমান প্রার্থীকে নির্বাচনের তিন দিন আগে ডেকে পাঠানোর খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভগবানপুরের রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, শুধু মানব পড়ুয়া নয়, আরও কয়েক জনকে ডেকেছে এনআইএ, যারা প্রত্যেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা কর্মী। এই বিস্ফোরণের সঙ্গে তৃণমূলের এই নেতাদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের এইভাবে ডাকার জন্য নিন্দা করেছেন ভগবানপুর দুই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অম্বিকেশ মান্না। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ঠেকাতে ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি। অপর দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ভগবানপুর (Purba Medinipur) বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, আইন আইনের পথে চলছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্তরা আজ না হয় কাল ধরা পড়বেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগের উদ্যোগ, বোতলভর্তি গঙ্গাজল এবার মিলবে ডাকঘরেই

    India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগের উদ্যোগ, বোতলভর্তি গঙ্গাজল এবার মিলবে ডাকঘরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিন ২৪ পরগনায় সুন্দরবন সংলগ্ন সাগরে গিয়ে মিশেছে মা গঙ্গা। গঙ্গাসাগরের সেই পবিত্র গঙ্গাজল এবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে ভারতীয় ডাক বিভাগ (India Post)। ডাক বিভাগের উদ্যোগে কলকাতায় জেনারেল পোস্ট অফিস বা জিপিও-তে সেই বোতলবন্দি গঙ্গা জল পরিষেবার উদ্বোধন হল। তাই এখন থেকে গঙ্গাসাগরের গঙ্গা জল ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। কলকাতা জিপিওতে এক অনুষ্ঠানে ‘গঙ্গাসাগর গঙ্গাজল’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ডাক বিভাগের বিজনেস ডেভেলপমেন্টের পোস্ট মাস্টার জেনারেল অনিল কুমার।

    কী জানালেন ডাক বিভাগের (India Post) কর্তা?

    তিনি জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে গঙ্গাসাগরের গঙ্গাজল এখন থেকে ডাকঘরে বিক্রি করা হবে। আড়াইশো মিলিলিটার জলের বোতল ৩০ টাকা মূল্যে পাওয়া যাবে। কলকাতা জিপিও সহ শহরের ১০টি ডাকঘরে এই গঙ্গাজল পাওয়া যাবে। আগামী সপ্তাহ থেকে কলকাতা এবং চলতি মাসের ১৫ তারিখের পর সমগ্র বেঙ্গল সার্কেলের মানুষ ডাকঘর থেকে গঙ্গাজল কিনতে পারবেন। এরপর আগামী মাস থেকে সারা দেশে গঙ্গাসাগরের গঙ্গাজল বিক্রি করা হবে। অনলাইনে অর্ডার দিয়েও গ্রাহকরা এই গঙ্গাজল পাবেন। অনিল কুমার জানিয়েছেন, এর আগে ডাক বিভাগের মাধ্যমে গঙ্গোত্রী, ঋষিকেশ এবং হরিদ্বারের গঙ্গাজল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে ডাক বিভাগের (India Post) পক্ষ থেকে গঙ্গাসাগর গঙ্গাজল প্রকল্পের একটি বিশেষ কভার প্রকাশ করা হয়। অনেকেরই বিশ্বাস, এই গঙ্গাসাগরে একবার ডুব দিলে ঘুচে যায় সমস্ত গ্লানি। মানুষের সেই আস্থা, বিশ্বাসকে সম্মান জানিয়েই ডাক বিভাগের পশ্চিমবঙ্গ সার্কেলের এই উদ্যোগ।

    বোতলে মিলবে কোথাকার গঙ্গাজল?

    ডাক বিভাগের (India Post) এক কর্তা বলেন, একটা সময় গঙ্গাজল আনতে গঙ্গার ঘাটে ছুটতেন বাড়ির কর্তারা। এখন ছোটেন বাজারে। কলকাতা শহরে তো বটেই, এখন শহরতলিতেও এ ছবি দেখা যায়। বাজারে বোতল ভর্তি গঙ্গাজল বিক্রি হয় চড়া দামে। অনেকের মনে সংশয়ও থেকে যায়, সে জল আদৌ পুণ্যতোয়ার, নাকি এলাকায় ট্যাপকলের। সেসব দিকে নজরে রেখেই পোস্ট অফিস থেকে এই গঙ্গাজল বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাও আবার হাওড়া-কলকাতার মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘোলা জঙ্গার জল নয়। একেবারে সাগরে গিয়ে যেখানে মিশছে, সেই সঙ্গমের পবিত্র ও স্বচ্ছ গঙ্গার জল। যে জলের পুণ্য অনেকটা বেশি বলে মনে করেন ধর্মপ্রাণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলেরই বহিষ্কৃত কর্মীরা

    TMC: তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত দলেরই বহিষ্কৃত কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মিছিল থেকে গলায় গামছা জড়িয়ে দলীয় কর্মীদের সামনে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল বহিষ্কৃত তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বিরুদ্ধে। পরে, তৃণমূল নেতাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদ থানার দেবশালা এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম আজম মোল্লা। রাস্তায় ফেলে তাঁকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পরে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালায় হামলাকারীরা। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সোমবার সন্ধ্যায় বুদবুদের দেবশালা পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের (TMC) পদযাত্রা ছিল। সেই পদযাত্রায় অঞ্চলের সহ সভাপতি আজম মোল্লা সহ একাধিক দলীয় নেতাকর্মীরা ছিলেন। পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর আজম সাহেব দেবশালা বাসস্ট্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি গাড়ি করে কয়েকজন এসে তাঁর সামনে গাড়ি দাঁড় করায়। গলায় গামছা জডিয়ে তাঁকে ধরে বেধড়ক পেটানো হয়। পরে, গাড়িতে করে তুলে নিয়ে গিয়ে প্রায় দু’ কিলোমিটার দূরে একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফের হামলা চালানো হয়। হামলার জেরে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে, তাঁকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে বুদবুদ থানার পুলিশ। আহত তৃণমূল কর্মীকে কাঁকসার রাজবাঁধের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে বুদবুদ থানার পুলিশ।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) নেতা?

    জখম তৃণমূল (TMC) নেতা আজম সাহেব বলেন, ২০২১ সালে ৭ সেপ্টেম্বর দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধান শ্যামল বক্সির ছেলে চঞ্চল বক্সি খুন হয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে। নাম জড়িয়ে ছিল বেশ কিছু তৃণমূল নেতার। তাদের নাম সামনে আসতেই তাঁদের বহিষ্কার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। জামিনে মুক্তি পেয়ে সেই দুষ্কৃতীরা আমার ওপর চড়াও হয়। সমস্ত বিষয়টি দলীয় নেতৃত্ব জানে। পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। আমি চাই, অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এবার ডিজিটাল দেওয়াল! মামলার নথিও পেপারলেস

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এবার ডিজিটাল দেওয়াল! মামলার নথিও পেপারলেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধন হয়েছে গত মাসেই। এবার খোলনলচে বদলে ফেলে ঢেলে সাজা হল সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্টের আধুনিকীকরণের ফলে মিলবে বেশ কিছু সুবিধা ও পরিষেবা। মোদি সরকারের নীতিই হল ‘পেপারলেস ওয়ার্ক এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া’। সুপ্রিম কোর্টের সংস্কারে সেই নীতিরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

    কী কী পরিষেবা মিলবে?

    সব কিছুই ডিজিটাল হয়ে যাচ্ছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। মামলার নথি থেকে লাইব্রেরি, এমনকী ১২০ ইঞ্চির স্ক্রিনে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে চলবে বিচারপর্বও। সোমবার থেকেই আদালতে শুরু হয়েছে এই সুবিধা। আদালত কক্ষের দেওয়ালগুলিতেও ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়া। আদালতের প্রতিটি দেওয়াল এলইডি স্ক্রিন হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতে ২ এবং ৫ নম্বর কক্ষে এবার ওয়াই ফাইয়ের মাধ্যমে মিলছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। তবে ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা আপাতত ১ থেকে ৩ নম্বর আদালত কক্ষ পর্যন্ত মিলবে বলেই জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের সামনের বারান্দা এবং ক্যান্টিনেও মিলবে ওয়াই ফাই পরিষেবা। আধুনিক ইলেকট্রনিক সামগ্রী চার্জ দেওয়ার জন্য চার্জিং পয়েন্টও রাখা হয়েছে আদালত কক্ষগুলির ভিতরে। সব মিলিয়ে ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় গড়ে উঠেছে ডিজিটাল সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: বাকি ৪৮৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে শীঘ্রই! চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    কী জানা গেল শীর্ষ আদালত সূত্রে?

    শীর্ষ আদালত (Supreme Court) সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নিজেই এই সংস্কারের উদ্যোক্তা। প্রতিটি মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছানোর জন্যই এই ডিজিটাল উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সর্বোচ্চ আদালতের আধুনিকীকরণ করার কথা বলেন। তার পরেই শুরু হয় সংস্কার পর্ব। শুনানি চলার সময়ে আদালত কক্ষে উপস্থিত বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, বিচারপতি, সাংবাদিক প্রত্যেকের সুবিধার জন্যই ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: কেশপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম ৭

    Panchayat Poll: কেশপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, জখম ৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Poll) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। দুদিন আগেই গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে যুব তৃণমূল কর্মীকে খুন করার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে। মূলত মাদারের সঙ্গে যুব তৃণমূলের গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে ফের শাসকের গোষ্ঠী কোন্দল। ব্লক যুব সভাপতি আসিফ ইকবালের অনুগামীদের সঙ্গে ব্লক সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা অনুগামীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    কেশপুরের শাকপুর এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এই এলাকায় শুধু জেলা পরিষদের ভোট হবে। তৃণমূলের পঞ্চায়েত স্তরে জয়লাভ করার পরও স্বস্তিতে নেই দলীয় কর্মীরা। সোমবার বিকেলে চায়ের দোকানে বসেছিলেন কেশপুর ব্লকের যুব তৃণমূলের সভাপতি আসিফ ইকবালের অনুগামীরা। অভিযোগ, সেই সময় তাঁদের লক্ষ্য করে গালাগালি করে ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজার অনুগামীরা। এর পরই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দু-পক্ষ। ঘটনায় জখম হয়েছেন দু-পক্ষের ৭ জন, যুব তৃণমূলের ৫ জন এবং ব্লক তৃণমূলের ২ জন। এঁদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত যুব তৃণমূল নেতা?

    আক্রান্ত যুব তৃণমূলের বুথ সভাপতি আমারুল ইসলাম বলেন, আমরা গত বিধানসভায় দলের জন্য প্রাণ দিয়ে লড়াই করেছিলাম। এখন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Poll) ব্লক সভাপতির অনুগামীরা নব্য তৃণমূলীদের নিয়ে দল করছে। দলে আমাদের কোনও গুরুত্ব নেই। চায়ের দোকানে বসেছিলাম। সেখানেই ওরা হামলা চালিয়েছে। আমাদের ৫ জন জখম হয়েছে।

    কী বললেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব?

     রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া বলেন, হামলাকারীরা বিজেপির লোকজন নয়তো! বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব। দলগত কোনও সমস্যা হলে দলীয় স্তরে গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। আর এই ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে পুলিশ-প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত প্রার্থীরও হলফনামা প্রকাশের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    Panchayat Vote: গ্রাম পঞ্চায়েতের সমস্ত প্রার্থীরও হলফনামা প্রকাশের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote)। সোমবার কমিশনকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। এবার গ্রাম সংসদের প্রার্থীদেরও হলফনামা প্রকাশ করতে হবে। উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ, এর ফলে ভোটাররা জানতে পারবেন, তাঁরা কাকে ভোট দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ করে থাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই প্রথম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রার্থীদেরও হলফনামা প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আদালতের এই নির্দেশের ফলে শনিবারের মধ্যে কমিশনকে ৬০ হাজারেরও বেশি আসনে সমস্ত প্রার্থীর হলফনামা প্রকাশ করতে হবে। কমিশন সূত্রে খবর, গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে কমিশন হলফনামা প্রকাশ করে না।

    আরও পড়ুন: কোর্টের গুঁতো! স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ১৮৯ থেকে দাঁড়াল কয়েক হাজারে

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই নির্দেশ দেন

    সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। সেখানেই বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দেন, শুধু জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সমিতি নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতে হলফনামা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। কেন পঞ্চায়েত প্রার্থীদেরও হলফনামা প্রকাশ করা দরকার, তাও বিচারপতি সিনহা তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘‘ভোটারা যাদের ভোট দেবেন তাঁদের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকবেন। তাই এই হলফনামা প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন।’’

    জনৈক দেবপ্রসাদ নস্কর এ বিষয়ে মামলা করেন হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, গ্রাম পঞ্চায়েতে (Panchayat Vote) প্রার্থীদের হলফনামাও প্রকাশ্যে আনতে হবে, এই দাবি নিয়ে হাইকোর্টর দ্বারস্থ হন জনৈক দেবপ্রসাদ নস্কর। তাঁর দাবিতেই এদিন সিলমোহর দিতে দেখা গেল হাইকোর্টকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদালতের এই নির্দেশের ফলে ফের চাপের মুখে পড়ল কমিশন। হাইকোর্টে একের পর এক ধাক্কা খেয়েই চলেছে কমিশন, তার মাঝে আবার এটা নতুন সংযোজন। পাঁচদিনের মধ্যে ৬০ হাজার হলফনামা প্রকাশ করা বেশ কঠিন কাজ বলেই মনে করছেন কমিশনের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি’, কেন বললেন সুকান্ত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: লক্ষ্য ২০৪৭! বাদল অধিবেশনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক! ক্লাস নিলেন মোদি

    PM Modi: লক্ষ্য ২০৪৭! বাদল অধিবেশনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক! ক্লাস নিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ নয়, লক্ষ্য হোক ২০৪৭! এভাবেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানের কনভেনশন সেন্টারে সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক সম্পন্ন হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের ক্লাস নিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। আসনে বসে মন্ত্রিসভার কমবেশি সব সদস্যকে খাতা-পেন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নোট করতে দেখা যায়। সূত্রের খবর, বাদল অধিবেশনের আগে এই বৈঠকে নানা উন্নয়ন প্রকল্প, একাধিক বিল পেশ নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিনের বৈঠকে।

    লক্ষ্য হোক ২০৪৭! 

    মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, ২০২৪-এ সীমাবদ্ধ না রেখে, তার পরবর্তী ২৫ বছর—স্বাধীনতার ১০০ বছরের লক্ষ্যে কাজ করা। ২০৪৭ সাল পর্যন্ত এই সময়কে দেশের অমৃতকাল বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে উচ্চশিক্ষিত দেশ হিসেবে উঠে আসবে ভারত। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বৈঠক সম্পর্কে ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘মন্ত্রিসভার একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমরা বিভিন্ন নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে মতামত বিনিময় করেছি।’’ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল প্রত্যাশিত ছিল। কারণ কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে পাঁচ রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা ভোট এবং পরের বছরের লোকসভা ভোটের আগে সংগঠনের কাজে আনা হতে পারে।

    ২০ জুলাই শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন

    ২০ জুলাই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে। তার আগেই মন্ত্রিসভার রদবদল হতে পারে বলে জল্পনা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইয়ে শেষ বার মন্ত্রিসভায় বড় মাপের পরিবর্তন করেছিলেন মোদি সরকার। সেসময় রবিশঙ্কর প্রসাদ, হর্ষ বর্ধন, প্রকাশ জাভড়েকরের মতো ১২ জন মন্ত্রীর স্থলাভিষিক্ত হন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, অশ্বিনী বৈষ্ণব-সহ ১৭ জন। অন্যদিকে কোনও কোনও মহল বলছে, একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা এবং অজিত পাওয়ারের এনসিপি থেকেও কিছু নতুন মুখ আসতে পারে মন্ত্রিসভায়। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে গত বছরেই সব সমীকরণ বদলে যায়, যখন একনাথ শিন্ডে উদ্ধভ ঠাকরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে শিবসেনা ছেড়ে বিজেপির জোট সঙ্গী হন। রবিবারই কাকা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে সংঘাতের কারণে এনসিপি ছেড়েছেন অজিত পাওয়ার। যোগ দিয়েছেন শিবসেনা-বিজেপি জোটে। মন্ত্রীত্ব প্রাপ্তির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বিহারের রামবিলাস পাসওয়ানের পুত্র চিরাগ পাসোয়ানেরও।

     

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উপরে উড়ছে রহস্যজনক ড্রোন! তদন্ত শুরু দিল্লি পুলিশের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share