Blog

  • Trump Wishes Modi: ‘দুর্দান্ত কাজ করছেন’, জন্মদিনে মোদিকে ফোনে শুভেচ্ছাবার্তা ট্রাম্পের

    Trump Wishes Modi: ‘দুর্দান্ত কাজ করছেন’, জন্মদিনে মোদিকে ফোনে শুভেচ্ছাবার্তা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মদিনেই কি ভাঙল ‘দুই বন্ধুর’ সম্পর্কের শীতলতা? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ফোন করে বার্থ ডে উইশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ফোন যে তিনি করেছিলেন তা নিজেই জানালেন সোশ্যাল মাধ্যমে। পাল্টা মোদিও বন্ধুকে উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা জানাতে ভুললেন না। ট্রাম্প একাধারে যেমন মোদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর জন্য ধন্যবাদ দিলেন, তেমনই মোদিও পাল্টা লিখলেন, “আমিও ভারত-মার্কিন অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আপনার উদ্যোগকে আমরা সমর্থন করি।”

    মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

    বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৫তম জন্মদিন। মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই উপলক্ষ্যে তাঁকে ফোন করেছিলেন ট্রাম্প। দু’জনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথা হয়। পরে ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘‘এখনই আমার বন্ধু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে দারুণ কথা হল। আমি ওঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছি। উনি দারুণ কাজ করছেন। নরেন্দ্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ থামাতে সহযোগিতার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’’ ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের কথা এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন মোদিও। তিনি লিখেছেন, ‘‘ফোন করে ৭৫তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য আমার বন্ধু, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ধন্যবাদ। আপনার মতোই, আমিও ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ মোদি আরও লিখেছেন, ‘‘ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আপনার উদ্যোগকে সমর্থন করি।”

    ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে ফোনে কথা

    ১৭ জুনের পর এই প্রথম ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে ফোনে কথা হয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সূত্রে খবর, ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের পর মোদিকে অন্তত চার বার ফোন করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু মোদি ফোন তোলেননি। কথাই বলেননি ট্রাম্পের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের পর ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে কিছুটা তিক্ততা দেখা দিয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে চাপানউতোরও কম হয়নি। আমেরিকা এবং ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্কের টানাপড়েনের মাঝেই ট্রাম্পের ফোন কিছুটা ‘ইতিবাচক’ বলেই মনে করছেন অনেকেই।

    ভারত-আমেরিকা সম্পর্কে বরফ গলছে

    সম্প্রতি ভারতের ওপর আমেরিকা সব মিলিয়ে ৫০ শতাংশ শুল্ক জারি করেছে। তার মধ্যে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য জরিমানা বাবদ ২৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। ওয়াশিংটনের তরফে এই সিদ্ধান্তের পর ভারত মার্কিন সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। সম্প্রতি বেজিংয়ে এসসিও সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার বার্তা দেয় নয়াদিল্লি। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে আমেরিকা বিরোধী অক্ষ তৈরীর সম্ভাবনা দেখা দেয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এতেই খানিকটা চাপে পড়ে যান ট্রাম্প। কার্যত এর পরই কিছুটা সুর নরম করতে থাকে আমেরিকা।

    বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা

    সোমবারই ভারতে এসেছেন আমেরিকার অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডন লিঞ্চ। মঙ্গলবার বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয় তাঁর। বৈঠকে বাণিজ্য অংশীদারিত্ব এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে খবর। আলোচনার পর ভারতের বিবৃতিও এসেছে। ভারত জানিয়েছে যে, সবকিছু ইতিবাচক। আমেরিকারও সুর তেমনটাই। তারপরই ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ফোন দু’দেশের সম্পর্ককে আরো সহজ করে নেওয়ার পক্ষে নতুন ধাপ বলেই মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে শুল্ক জটিলতা কাটার পথে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেল দুই দেশ।

  • Green Energy in India: ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ লক্ষ টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত

    Green Energy in India: ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ লক্ষ টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবীকরণযোগ্য জ্বালানি (Green Energy in India) খাতে দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে ভারত। ০৩০ সালের মধ্যে ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন করতে চলেছে দেশ। ‘পুনর্ণবীকরণযোগ্য এনার্জি’র ক্ষেত্রে ২০৩০-এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনোর কথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত “পাঞ্চজন্য ইনফ্রা কনক্লেভ ২০২৫”-এ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

    চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে দেশ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Pralhad Joshi) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনও নিজের বা মন্ত্রিসভার জন্য সহজ লক্ষ্য নির্ধারণ করেন না। তিনি সব সময় এমন চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য স্থির করেন যা আমাদের আরও কঠোর পরিশ্রমে উৎসাহিত করে।” মন্ত্রী যোশী আরও বলেন, “নবীকরণযোগ্য জ্বালানি খাতেও প্রধানমন্ত্রী একটি অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। আমরা ইতিমধ্যেই সেই লক্ষ্য পূরণের অর্ধেক পথ অতিক্রম করেছি। আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলেছি।”

    ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন -এর মূল উদ্দেশ্য

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে চালু হওয়া ‘ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন (NGHM)’-এর মূল উদ্দেশ্য ভারতের জ্বালানি ব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করা এবং দেশকে বিশ্বব্যাপী সবুজ হাইড্রোজেন (Green Energy in India) উৎপাদনের কেন্দ্রে পরিণত করা। এর জন্য ₹১৯,৭৪৪ কোটির বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে এবং এটি চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্মিত। এগুলি হল নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো, চাহিদা তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবন, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলা। মন্ত্রী যোশী (Pralhad Joshi) জানান, ইতিমধ্যেই কাণ্ডলা, পারাদীপ ও তুতিকোরিন বন্দরে বিশেষ হাইড্রোজেন হাব গড়ে তোলা হচ্ছে, যা ভারতের সবুজ হাইড্রোজেন (Green Energy in India) রফতানির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। এছাড়াও, এনটিপিসি, রিলায়েন্স, আইওসিএল-এর মতো বড় সংস্থার পাশাপাশি বহু স্টার্ট-আপ এবং এমএসএমই (MSME) সবুজ হাইড্রোজেন খাতে বিপুল বিনিয়োগ করছে, যার ফলে গঠিত হচ্ছে শক্তিশালী ভ্যালু চেইন। তৈরি হচ্ছে লক্ষ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বেই ভারতে সবুজ-বিপ্লব

    ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন (Green Energy in India) মিশন-এর লক্ষ্য হল বার্ষিক ৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন, ১২৫ গিগাওয়াট নতুন নবীকরণযোগ্য জ্বালানি ক্ষমতা, ৮ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ৬ লক্ষ নতুন চাকরি, প্রতি বছর ৫০ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গম কমানো। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi) জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই ফুয়েল বেসড বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে গিয়েছে ভারত। ২০৩০-এর মধ্যে ‘পুনর্ণবীকরণযোগ্য এনার্জি’ থেকে ৫০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার লক্ষ্য স্থির করেছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জলবায়ু নিয়ে ভারত তার লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে। সবুজ ও পরিষ্কার পরিবেশ তৈরির পথে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে দেশ। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বেই হবে ভারতের সবুজ-বিপ্লব। ভবিষ্যৎ হবে স্বনির্ভর।

  • Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    Israel: লক্ষ্য হামাসের বিনাশ! গাজা শহরে স্থল অভিযান ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার গাজা শহরে (Gaza City) স্থল অভিযান চালাল ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইজরায়েলের (Israel) নেতানিয়াহু সরকারের দাবি, গাজা শহর থেকে হামাসকে একেবারে নির্মূল করতে চালানো হচ্ছে এই অভিযান। সূত্রের খবর, ইজরায়েলের ভারী ট্যাংকগুলি গাজা শহরে ঢুকে পড়েছে। শুরু হয়ে গিয়েছে ব্যাপক বিমান হামলা। এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর রেসিডেন্সিয়াল ও সিভিলিয়ন টাওয়ার। এই টাওয়ারগুলিতেই হামাস জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়েছিল বলে খবর। যুদ্ধে যাতে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি না হয়, তাই গাজার সাধারণ মানুষকে শহরের দক্ষিণ দিকে সরে গিয়ে নির্দিষ্ট একটি এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইডিএফ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “হামাসের কোনও নিরাপত্তা নেই। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের রক্ষে নেই।”

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ (Israel)

    ক্রমেই গভীরতর হচ্ছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে প্রায় প্রতিদিনই চলছে যুদ্ধ। মাঝে অবশ্য কিছুদিনের জন্য যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে তা উঠে গিয়ে ফের শুরু হয় সংঘাত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় একাধিকবার আলোচনার পরেও ক্রমশই ঘোর হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ (Israel)। গত ৯ সেপ্টেম্বর ইজরায়েল কাতারে হামাসের একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট হামলা চালায়। খতম হয় পাঁচজন হামাস জঙ্গি। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী গাজার পশ্চিম অংশে একটি ১৬ তলা ভবনও আক্রমণ করে। এটি গাজার সবচেয়ে উঁচু ভবন। ইজরায়েলের দাবি, এটি একটি জঙ্গি ঘাঁটি। এক ইজরায়েলি সেনাকর্তার দাবি, গাজা সিটিতে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ হাজার হামাস জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল ক্যাটজ-এর কথায়, ‘জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অপহৃতদের মুক্তি এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।’

    কী বলছেন ট্রাম্প

    এদিকে, মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও বলেন, “হামাস সমস্ত বন্দিকে মুক্তি দিয়ে এবং আত্মসমর্পণ করে যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তবে এটাও ঠিক যে ওরা এটা করবে না।” প্রসঙ্গত, বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইজরায়েলের স্থলভাগে অভিযান চালানোর খবরে হামাসের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “আমি একটি সংবাদ প্রতিবেদন পড়েছি যে ইসরায়েলের স্থল আক্রমণের বিরুদ্ধে হামাস বন্দিদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। আমি আশা করি, হামাসের নেতারা বুঝতে পারবে তারা কী বিপদে পড়ছে যদি তারা এমন কাজ করে। এটি একটি (Gaza City) মানবতাবিরোধী অপরাধ। এখনই সব বন্দিকে মুক্তি দাও (Israel)!”

  • Daily Horoscope 17 September 2025: সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 17 September 2025: সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ধৈর্য ধরতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১)  পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করে সময় কাটাবেন।

    ২) বাড়ির বাইরের ব্যক্তিদের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে বুদ্ধিমানীর সঙ্গে কাজ করুন।

    বৃষ

    ১) পরিবারের কোনও সদস্যের বিবাহে বাধা এলে তার সমাধান হবে, বিবাহ প্রস্তাবে সকলে সহমতি প্রদান করবে।

    ২) পড়াশোনার জন্য বিদেশ যাত্রার পরিকল্পনা করে থাকলে তাঁদের ইচ্ছা পূরণ হবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে আধিকারিকরা আপনার কাজের প্রশংসা করবেন।

    মিথুন

    ১) সরকারি চাকরিজীবীদের বদলি হতে পারে।

    ২) সাবধানে আর্থিক লেনদেন করুন, তা না-হলে সম্পর্কে বিভেদ দেখা দিতে পারে।

    ৩) মার্কটিংয়ের সঙ্গে জড়িত জাতকরা ভালো কাজ শুরু করতে পারেন।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায়ীদের জন্য দিন ঠিকঠাক।

    ২) লক্ষ্য পূরণের জন্য কঠিন পরিশ্রম করবেন।

    ৩) বন্ধু আর্থিক সাহায্য চাইলে তা পূরণ করতে সক্ষম হবেন।

    সিংহ

    ১) প্রেম জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করবেন।

    ২) গোপন রহস্য পরিবারের সদস্যদের সামনে প্রকট হবে।

    ৩) সন্তান কোনও কারণে জেদ করতে পারে, যা আপনাদের পুরো করতে হবে।

    কন্যা

    ১) পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে হতাশাজনক সংবাদ শুনতে পাবেন।

    ২) ব্যবসায়ে নতুন পরিকল্পনা করে থাকলে তা পূরণ করতে পারেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় সাফল্য লাভের জন্য কঠিন পরিশ্রম করতে হবে।

    তুলা

    ১) সকলকে খুশি করার চেষ্টা করবেন এবং এ কারণে সমস্যা হতে পারে।

    ২) জরুরি কাজে যাত্রা করতে পারেন এই রাশির জাতক।

    ৩) সন্তানের কেরিয়ারের কারণে চিন্তিত থাকলে, তা এবার দূর হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতার দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ২) কারও কথায় আসবেন না, সমস্যা হতে পারে।

    ৩) ভালোভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য কিছু ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা বজায় রাখতে হবে।

    ধনু

    ১) পরিকল্পনা পুরো করার আগে অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে নিন।

    ২) সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ধৈর্য ধরে থাকতে হবে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য পরিশ্রম করবেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে নিজের কাজের জন্য অন্যের কাছ থেকে অধিক প্রত্যাশা করবেন না, প্রতারিত হতে পারেন।

    ২) কর্মকৌশলে বিশ্বাস রাখুন।

    ৩) ব্যবসায়ীরা নতুন প্রকল্প শুরু করতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) লোকদেখানোর জন্য অধিক অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

    ২) অর্থকষ্টে কাটবে দিনটি।

    ৩) পরিশ্রম সফল হবে, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব বাড়বে, ভয় পাবেন না।

    মীন

    ১) ব্যবসায়িক সমস্যার কারণে অবসাদগ্রস্ত হবেন।

    ২) জীবনসঙ্গীর সঙ্গে মিলে ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) অহংকার করবেন না।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 469: ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    Ramakrishna 469: ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    ঠাকুর চুপ করিলেন। ঠাকুর আবার বলিতেছেন — “আরও কত কী বলতে দে না! — মুখ যেন কে আটকে দেয়!”

    “সজনে তুলসী এক বংশ হত। ভেদ-বুদ্ধি দূর করিয়া দিলেন। বেলতলায় ধ্যান করিতি, দেখিল এক জন দেব মুসলমান (মোহাম্মদ) সান্নিধ্য করিয়া ভাত লইয়া সামনে এল। সান্নিধ্য হইতে শ্রেষ্ঠদের খাইয়া আমাকে দুটি দিল। মা দেখাইলেন, এক বৈ দু’ই নাই। সচিদানন্দই নানা রূপ ধরিয়া রহিয়াছেন। তিনিই জীবজগৎ সমস্তই হইয়াছেন। তিনিই অম্বর হইয়াছেন।”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের বালকভাব ও ভাবাবেশ

    গিরিশ, মাস্টার প্রভৃতির প্রতি —
    “আমার বালক স্বভাব। হৃদয় বললে, মাথা, মস্তক কিছু স্থির কথা বলে, — আমাতে মাথা বলে চলল না! এমন অবস্থায় রয়েছে যে, যে ব্যক্তির কাছে থাকবে তার কথা শুনতে হবে। ছোট ছেলেদের যেমন আছে লোক না থাকলে অন্ধকার দেখে — আমারও সেইরূপ হত! হৃদয়ে কাছে না থাকিলে প্রাণ যায় যায় হত। ওই দেখো! ওই ভাবটা আসছে!… কথা কইতে কইতে উদ্দীপন হয়।”

    এই কথা বলিতে বলিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হয়েছেন। দেশ কাল বোধ চলিয়া গিয়াছে। অতি কষ্টে ভাব সংবরণ করিতে চেষ্টা করিতেছেন। ভাব বলিতেছেন, “এখনও তোমাদের দেখিতেছি, — কিন্তু বোধ হচ্ছে যেন চিরকাল তোমার বনে আছি, কখন এসেছি, কোথায় এসেছি এ-সব কিছু মনে নাই।”

    ঠাকুর কিঞ্চিৎকাল প্রকৃতিস্থ হইয়া বলিতেছেন, “জল খাব।”
    সমাধিভঙ্গের পর মন নামাযিবার জন্য ঠাকুর এই কথা প্রায় বলিয়া থাকেন। গিরিশ নতুন আসিতেছেন, জানেন না তাই জল আনিতে উদ্দত ইলিশেন। ঠাকুর বারণ করিতেছেন আর বলিতেছেন, “না বাপু, এখন খেতে পারব না।”

  • Suvendu Adhikari: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে পদ্ম না ফুটলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন শুভেন্দু। তার পরের দিনই আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় পদ্ম ফোটার কথা বললেন তিনি। এর আগেও একাধিকবার শুভেন্দুকে বলতে শোনা গিয়েছে, ২০২৬ সালে রাজ্য থেকে বিদায় হবে তৃণমূল কংগ্রেসের, মুখ্যমন্ত্রিত্ব খোয়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু বলেন, “দেশের যতগুলি রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠন করুক না কেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে যদি বিজেপি না আসে, তাহলে বৃত্ত সম্পূর্ণ হবে না।” তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতারা প্রত্যেকেই বিষয়টি নিয়ে আশাবাদী। এক সময়ের ৩টি আসন যদি পরে ৭৭ হতে পারে, বা ১০ শতাংশ ভোট যখন ৪০ শতাংশে আসতে পারে, তাহলে আসন সংখ্যা ১৭৭, আর ভোট ৪৫ শতাংশ না হওয়ার কোনও কারণ নেই।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় চান। কোনও দলের ঝান্ডা ছেড়ে, সাংবাদিক পরিচয় না দিয়ে প্রান্তিক মানুষের কাছে প্রশ্ন করলে বহু মানুষ একই উত্তর দেবেন। তাঁরা বলবেন, বিজেপির হাত ধরেই বাংলায় পরিবর্তন চাই। কারণ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিই একমাত্র বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প।”

    বিজেপিই একমাত্র বিকল্প

    রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “এটা এমন একটা রাজ্য যেখানে ৯ বছর পরে চাকরির পরীক্ষা হয়, তাও আবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। এখানে এমনও অনেক যুবক রয়েছেন যাঁরা একটা প্যান্ট তিনবার সেলাই করে পরেন। তাঁরা জানেন বেকারত্বের জ্বালা।” কেন অন্য কোনও দল নয়, বিজেপিই একমাত্র বিকল্প, এদিন তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। বলেন, “যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার রয়েছে, সেটা যাঁদের দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হোক না কেন, নজরদারি থাকে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তাঁর দেশপ্রেম, মমত্ববোধ, জনগণের প্রতি একাত্মতা সর্বজনবিদিত। প্রধানমন্ত্রীর সততা নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলতে পারেননি, ভবিষ্যতেও পারবেন না।”

    একদম সাফ করে দেব

    এদিকে, সোমবারই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, “যাদবপুরে যারা সংবিধান মানে না, যারা হেরোইন আর চরসের আখড়া করে রেখেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের লালন-পালন করেন। কারণ ভোটের সময় এরা ‘নো ভোট টু মোদি’ স্লোগান দেয়।” পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বিজেপি (BJP) এলে যে যাদবপুরের হাল বদলে যাবে, এদিন সেই আশ্বাসও দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু। বলেন, “বিজেপিকে আনুন, একদম সাফ করে দেব আমরা। যাদবপুরে যত জঞ্জাল আছে, সব পরিষ্কার করে দেব।” তিনি বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং ফের তাকে মূল স্রোতে শামিল করতে হলে বিজেপিকে আনতেই হবে। বিজেপি এলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।”

    বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থার খবর মিথ্যে প্রচার

    ভিন রাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা মিথ্যে বলেও জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এগুলো বেশিরভাগই ভুয়ো প্রচার। হরিয়ানা সরকার প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, সেখানে আটক হওয়া এক হাজার বাংলাভাষীর মধ্যে ৯১৫ জনই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।” তিনি বলেন, “যারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি পোড়ায়, তারা আর যাই হোক না কেন, বাংলা ও বাঙালির রক্ষক হতে পারে না।”

    শাহ সন্দর্শনে শুভেন্দু

    এদিকে, সোমবার হঠাৎই দিল্লি উড়ে যান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। নয়াদিল্লিতে শাহের বাসভবনে দু’জনের বৈঠক হয় মিনিট পঁয়তাল্লিশেক ধরে (BJP)। শাহের সঙ্গে বৈঠকের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শুভেন্দু অবশ্য নিজেই লিখেছেন, ‘তাঁদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তবে ঠিক কী কী বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, তা স্পষ্ট করে জানাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। মাস ছয়েক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। শুভেন্দু-সহ (Suvendu Adhikari) বিজেপি নেতাদের দাবি, এবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। চলতি বছরের শেষের দিকে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা বিহারে। তার পরেই বাংলায় ঘাঁটি গাড়বেন অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, পুজোর পর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের যাতায়াত বাড়বে এ রাজ্যে। এই আবহে শাহ-শুভেন্দুর এই বৈঠক (যাকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলছেন ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’) তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (BJP)।

  • Muhammad Masood Azhar: ‘অপারেশেন সিঁদুর’-এই ছিন্নভিন্ন মাসুদের পরিবারের সদস্যরা! স্বীকার জইশ কামান্ডারের

    Muhammad Masood Azhar: ‘অপারেশেন সিঁদুর’-এই ছিন্নভিন্ন মাসুদের পরিবারের সদস্যরা! স্বীকার জইশ কামান্ডারের

    মাধ্যম নিউজ: অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) ছিন্নভিন্ন হয়েছে মাসুদ আজাহারের (Muhammad Masood Azhar) পরিবার। পাকিস্তানের মুখ পুড়িয়ে এবার মন্তব্য জইশ কামান্ডারের। ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। মঞ্চের দুই দিকে বন্দুকধারী রক্ষী ছিল কঠিন পাহারায়। মাইক নিয়ে হাত উঁচু করে জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি বলছে, “গত ৭ মে ভারত যখন বাহাওয়ালপুরের জঙ্গি ডেরায় হামলা চালিয়েছিল সেই সময় সেই সময় জইশ প্রধান মৌলনা মাসুদ আজাহারের পরিবারের সদস্যদের টুকরো টুকরো করে নিঃশেষ করা হয়েছিল। ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে সবকিছু।” এই মন্তব্যে ফের একবার ভারতের অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে পাকিস্তানের থোতা মুখ ভোঁতা হয়েছে। জঙ্গি উৎপাদনকারী দেশের কুকর্ম আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে।

    কী বলল জইশ কমান্ডার (Muhammad Masood Azhar)?

    পাকিস্তানের স্বঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জইশ কমান্ডার মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি বলে, “ভারতের হামলায় মাসুদ আজাহারের (Muhammad Masood Azhar) পরিবারের অনেক ক্ষতি হয়েছে। পরিবারের একাধিক সদস্য মারা পড়েছে।” জইশের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে ওই কমান্ডারকে আরও বলতে শোনা যায়, “আমরা দেশের সীমান্ত সুরক্ষার স্বার্থে কাবুল, কান্দাহার, দিল্লির সঙ্গে লড়াই করছি। মাসুদ আজাহারের পরিবার সদস্য এবং পুত্রকে বোমায় টুকরো টুকরো করা হয়েছে।” ভারতের সেনাবাহিনী যে ভাবে অপারেশন সিঁদুরকে (Operation Sindoor) সুপরিণতি দিয়েছে তাতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের জয়ই প্রতিধ্বনিত হয়েছে। ভারত বিরোধীরা ঘরেবাইরে জঙ্গিদের মন্তব্যে আরও কোনঠাসা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর

    পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের একটি শহর হল বাহাওয়ালপুর। জইশ-ই-মহম্মদের (Muhammad Masood Azhar) সদর দফতর মারকাজ সুবহান আল্লাহ নামে একটি স্থানে অবস্থিত। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের অভ্যন্তরে ১০০ কিমি গভীরে অবস্থিত এই জঙ্গি ডেরা। আর এখানেই ভারতীয় সেনা ব্যাপক আঘাত করেছিল। এটা ছিল জইশ-ই-মহম্মদের সদর দফতর। তাকে সম্পূর্ণ ভাবে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই আস্তানায় মাসুদের পরিবারের আত্মীয়রা থাকত। ধ্বংসের পর উপগ্রহের চিত্র প্রকাশ্যে এনেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী (Operation Sindoor)। স্পষ্ট দেখা গিয়েছে পাকজঙ্গি ঘাঁটির অবস্থা কতটা করুণ। সম্পূর্ণ ভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

    ১৫ একর জমির উপর নির্মিত

    মাসুদ ইলিয়াসের মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের জন্য দারুণ ধাক্কা। সে নিজেই স্বীকার করে নেয় যে, ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মাসুদ আজাহারের (Muhammad Masood Azhar) পরিবারের ১০ জন সদস্য এবং ৪ জন সহযোগী নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে মাসুদ আজাহারের বোন, তার স্বামী এবং বেশ কয়েকজনের শিশু। যদিও প্রথমে পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম প্রথমে ১৪ জনের মৃত্যু সংবাদ পরিবেশন করেছিল। পরে অবশ্য মাসুদ নিজেই স্বীকারোক্তি করে। তবে এই জঙ্গি ডেরাটি মোট ১৫ একর জমির উপর নির্মিত। এখানে কট্টর ধর্মীয় জিহাদ এবং মৌলবাদের শিক্ষা প্রদানের কাজ চলত।

    ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণের পরিকল্পনা হয়েছিল

    ভারতীয় সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে মুখপাত্র হিসেবে কর্নেল সোফিয়া কুরেশি এবং উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং যৌথ সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “মোট ৯টি জঙ্গি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করেছে ভারতীয় সেনা (Operation Sindoor)। তার মধ্যে বাহাওয়ালপুরের এই জঙ্গিঘাঁটিও ছিল। আগেও বারবার ভারতের বিরুদ্ধে এই জঙ্গি আস্তানা থেকে ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়।” জঙ্গিদের (Muhammad Masood Azhar) প্রতি পাকসেনা বাহিনী কতটা সহমর্মী তা আরও স্পষ্ট হয়েছিল যখন মৃত জঙ্গিদের জানাজায় তাঁদের স্পষ্ট উপস্থিতি সংবাদ মাধ্যমে দেখা গিয়েছিল।

    মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি

    ভারতের কাছে মাসুদ আজাহার মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি। ২০০০ সালে জইশ-ই-মহম্মদ নামে জঙ্গি সংগঠন গড়ে তোলে মাসুদ। ভারতে লাগাতার হামলার ছক করে ইতিমধ্যে কুখ্যাত মাসুদ আজাহার। তার হামলা করা ষড়যন্ত্রগুলির মধ্যে হল- ২০০১ সালে সংসদে হামলা, ২০০৮ সালে মুম্বই জঙ্গি হামলা এবং ২০১৬ সালে পাঠানকোটে বিমানঘাঁটিতে হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিল এই জঙ্গি। আন্তর্জাতিক মহলে লাগাতার পাকিস্তানের এই জঙ্গিকে উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য দাবি করে আসছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান সরকার সম্পূর্ণ ভাবে এই জেহাদি সংগঠনের সহযোগিতা নেয় এবং তাদের লালনপালন করে থাকে। তবে অপারেশন সিঁদুরে পাক জঙ্গি সংগঠনগুলিকে যে ব্যাপক ভাবে আঘাত করেছে তাও আরও একবার স্পষ্ট হয়।

  • Donald Trump: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাইছে ট্রাম্পের দেশ

    Donald Trump: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের, নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাইছে ট্রাম্পের দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের। নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক পোক্ত করতে চাইছে রাশিয়ার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও (Donald Trump)। বিশ্ব মঞ্চে ফের একবার ভারতের সঙ্গে তার অটল বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করল রাশিয়া। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক (Trade Talks) নিয়ে রাশিয়ার আশ্বাস, নয়াদিল্লির সঙ্গে তার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক ব্যাহত করতে বহিরাগত শক্তির যে কোনও প্রচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হবে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে বাধ্য। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরটিতে জারি করা এক বিবৃতিতে মন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক স্থির এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে এবং এই প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যে কোনও প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।” আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি রাশিয়ার সঙ্গে বহুমুখী সহযোগিতার প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে, যাকে রাশিয়া দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের চেতনা ও ঐতিহ্য বলে অভিহিত করেছে।

    ভারত অপরিহার্য খেলোয়াড় (Donald Trump)

    এদিকে, দেরিতে হলেও শেষমেশ বোধহয় হয়েছে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি স্বীকার করেন, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের মধ্যস্থতা করা তার আগের ধারণার চেয়েও কঠিন বলে প্রমাণিত হচ্ছে। ওয়াশিংটন নয়াদিল্লির সঙ্গে স্থগিত থাকা বাণিজ্য আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে এগিয়ে চলেছে। আমেরিকা ও রাশিয়ার মতো বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দুই দেশের ভারতকে নিয়ে এই দড়ি টানাটানি নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় অবস্থানকেই তুলে ধরছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে, ভারত মস্কোর একটি স্থিতিশীল অংশীদার এবং ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক গণনায় এক  অপরিহার্য খেলোয়াড় (Trade Talks)।

    যৌথ প্রকল্পে কাজ

    রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুটি দেশ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যৌথ প্রকল্পে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে নাগরিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পারমাণবিক শক্তি উন্নয়ন, মানবযুক্ত মহাকাশ অভিযান, এবং রাশিয়ায় তেল অনুসন্ধানে ভারতের উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ। দুই দেশ একই সঙ্গে কাজ করছে তাদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহারে পেমেন্ট সিস্টেম বিস্তৃত করার এবং বিকল্প পরিবহণ ও নয়া রুট তৈরিতে। এই উদ্যোগগুলিকে একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতি প্রতিক্রিয়াশীল কোনও ব্যবস্থাই নয়।

    মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা

    মার্কিন (Donald Trump) রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহেও মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে চলেছে ভারত। তার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তার পরেও রাশিয়া থেকে নিয়মিত তেল কিনে চলেছে ভারত। পশ্চিমী চাপ উপেক্ষা করেও নিজের সিদ্ধান্ত অটল থাকায় নয়াদিল্লির ব্যাপক প্রশংসাও করেছে রাশিয়া। শুধু তাই নয় (Trade Talks), স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অটল থাকায় নয়াদিল্লিকে সাধুবাদও জানিয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক বিষয়ক কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রতিনিধিত্ব করে। এই অংশীদারিত্বে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং মজবুত কূটনৈতিক সম্পর্ককে।”

    ভারত-সহ বিভিন্ন দেশকে চাপ

    রাশিয়ার এহেন প্রশস্তিবাক্য এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প (Donald Trump) ভারত-সহ বিভিন্ন দেশকে চাপ দিচ্ছেন রাশিয়া থেকে তেল না কিনতে। এই জন্যই চাপানো হয়েছে চড়া শুল্ক। তার পরেও ভারত মস্কোর সঙ্গে তার জীবাশ্ম-জ্বালানি ব্যবসা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেছে। রাশিয়া একে “বিশ্বাসভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব” বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে, প্রথম থেকেই ভারতকে চাপে ফেলতে নানা চেষ্টা করে গিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক চাপানো হল ৫০ শতাংশ। তার পরেও নতি স্বীকার করেনি নরেন্দ্র মোদি সরকার। যার নিট ফল, ট্রাম্পের পরিকল্পনা ফেল। ট্রাম্প এবার ইউকে-কে বলল ভারত থেকে তেল না কিনতে। কিন্তু মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির স্বার্থে মাথা নোয়াল না ব্রিটেনও।

    ট্রাম্পের পরিকল্পনা ব্যর্থ

    আরও একবার মুখ থুবড়ে পড়ল ট্রাম্পের পরিকল্পনা। জি-৭ গোষ্ঠীকেও ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয় (Trade Talks)। শেষমেশ নেটোকে বলছে ভারতের ওপর শুল্ক আরোপ করতে। কিন্তু ‘সুপার পাওয়ার’ হতে চলা ভারতের ওপর শুল্ক চাপাতে অস্বীকার করে একের পর এক মিত্র দেশগুলি। উল্টে রাশিয়া ও চিন ভারতকে সমর্থন করে মোদির হাত শক্ত করল। এসসিও-ব্রিকসকে ভাঙার পরিকল্পনাও ব্যর্থ। এহ বাহ্য। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে না পেরে এখন ট্রাম্প স্বীকার করছেন, ওটা গভীর সমস্যা। এত সহজে মিটবে না। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে (Donald Trump) বেগ দিতে গিয়ে উল্টে একা হয়ে গিয়েছে ট্রাম্পের দেশ। তাই মোদির প্রতি সুর নরম করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। আবারও আলোচনার টেবিলে বসছে ভারত ও আমেরিকা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দিল্লিতে আসছে উচ্চস্তরের এক মার্কিন প্রতিনিধি দল। আমেরিকার প্রধান বাণিজ্য আলোচনা নেতা ব্রেন্ডেন লিঞ্চ এই দলের নেতৃত্ব দেবেন। ভারতের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন বাণিজ্যমন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ আগরওয়াল।

  • India vs Pakistan: পাকিস্তানের অভিযোগ উড়িয়ে দিল আইসিসি, নিজেদের লোককেই সাসপেন্ড করল পিসিবি

    India vs Pakistan: পাকিস্তানের অভিযোগ উড়িয়ে দিল আইসিসি, নিজেদের লোককেই সাসপেন্ড করল পিসিবি

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: করমর্দন-বিতর্কে পাকিস্তানের (India vs Pakistan) দাবি খারিজ করল আইসিসি। এশিয়া কাপ থেকে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টকে সরানোর দাবি জানিয়েছিল পাকিস্তান। না হলে বুধবার আমিরশাহি ম্যাচ বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল তারা। সংবাদ সংস্থা পিটিআই আইসিসির একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানাচ্ছে, ‘‘সোমবার রাতে আইসিসি জবাব পাঠিয়ে দিয়েছে পিসিবিকে যে, পাইক্রফ্টকে সরানো হবে না। তাদের আবেদন খারিজ করা হচ্ছে।’’

    পাকিস্তানের দাবি অযৌক্তিক

    আইসিসি সূত্রে খবর, পাকিস্তানের কোনও দাবি মানা হবে না। আইসিসি কর্তারা পাকিস্তান (India vs Pakistan) ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। আইসিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের দাবি মেনে নেওয়ার যথেষ্ট কারণ নেই। হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাইক্রফ্টের ভূমিকা ছিল অতি নগণ্য। তিনি শুধু পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আঘাকে একটি সতর্কতামূলক বার্তা দিয়েছিলেন। টসের সময় হ্যান্ডশেককে কেন্দ্র করে যাতে প্রকাশ্যে কোনও অপ্রীতিকর বা লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেটাই নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন ম্যাচ রেফারি হিসেবে। জিম্বাবোয়ের ৬৯ বছর বয়সি পাইক্রফ্ট আইসিসির এলিট প্যানেলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ম্যাচ রেফারিদের অন্যতম। সব মিলিয়ে তিনি ৬৯৫ আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। রবিবারের ম্যাচের ঘটনায় পাইক্রফ্টের কোনও দোষ খুঁজে পাননি আইসিসি কর্তারা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান কী করে সে দিকেই নজর ক্রিকেটবিশ্বের।

    পাক ক্রিকেট কর্তাকেই সরানো হল

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেক বিতর্কে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্ট নির্দোষ, আইসিসি-র এই চিঠি পেয়েই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে পাকিস্তান। জানা গিয়েছে, ম্যাচ রেফারি পাইক্রফ্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল মহসিন নকভির বোর্ড থেকে। সেই নির্দেশ পেয়েই দুই অধিনায়ককে হাত মেলাতে নিষেধ করেছিলেন পাইক্রফ্ট। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার পাশাপাশি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও প্রধান নকভি। দু’টি দায়িত্বই সামলান তিনি। সূত্রের খবর, পিসিবির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট অপারেশনস উসমান ওয়ালহা তাঁর দলের অধিনায়ককেই জানাননি প্রতিযোগিতা চলাকালীন কী নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। এর পরেই নাকি ক্ষুব্ধ পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি, যিনি আবার বর্তমান এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যানও, জাতীয় দল ও অধিনায়ক এমন লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়ার জন্য ওয়ালহাকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ওয়ালহারই নাকি দায়িত্ব ছিল পাক অধিনায়ক সলমন আঘাকে ‘‘নো-হ্যান্ডশেক’’ নীতি জানানোর। কিন্তু তিনি তা জানাননি। পাকিস্তান অধিনায়ককেও দেখে তাই মনে হচ্ছিল, তিনি কিছু জানেন না। পিসিবির একটি সূত্র পিটিআইকে জানিয়েছে, ‘‘টসের সময় ওয়ালহার জানানো উচিত ছিল যখন দুই অধিনায়ক করমর্দন করেননি। তিনি যে ভাবে ওই পরিস্থিতি সামলেছেন তাতে প্রচণ্ড ভাবে ক্ষুব্ধ নকভি।’’

    পাকিস্তানের সরে দাঁড়ানো অসম্ভব

    পিসিবির এক সূত্রের দাবি, ‘পাকিস্তানের এশিয়া কাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা কম। সেটা করলে, জয় শাহের নেতৃত্বাধীন আইসিসি পিসিবিকে বড় জরিমানা করতে পারে। সেটা আমাদের বোর্ড হতে দিতে পারবে না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর বোর্ডের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না।’ গত পরশু থেকেই পিসিবি (PCB) একযোগে কাঠগড়ায় তুলেছে ভারত ও ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটকে (Andy Pycroft)। অভিযোগ ‘স্পিরিট অফ ক্রিকেট’ (Spirit of Cricket) লঙ্ঘনের। এমনকি, পাইক্রফটকে সরানো না হলে পরের ম্যাচ বয়কট করার হুমকিও শুনিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি এই মুহূর্তে এমন দাঁড়িয়েছে, যে বয়কট না করলেও এশিয়া কাপ থেকে তাদের ছুটি হয়ে যেতে পারে। পাক শিবিরের আশঙ্কা বাড়িয়েছে পয়েন্ট তালিকা। গ্রুপ এ–তে ভারতের অবস্থান নির্ভেজাল নিরাপদ। শুভমান–সূর্যরা ইতিমধ্যেই সুপার ফোরের টিকিট কেটে ফেলেছেন। অন্যদিকে ওমানকে হারিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) এখন চাঙ্গা মেজাজে। ফলে আগামী বুধবার দুবাইয়ে পাকিস্তান-ইউএই ম্যাচ কার্যত নকআউট। দুই দলের ঝুলিতেই এখন ২ পয়েন্ট। জয়ী দল ৪ পয়েন্টে নিশ্চিত করবে সুপার ফোরের টিকিট। হেরে যাওয়া টিম ছিটকে যাবে।

    রবিবার ফের ভারতের সামনে!

    মঙ্গলবার আইসিসি অ্যাকাডেমিতে ভারত এবং পাকিস্তানের ট্রেনিং করার কথা। সময় আলাদা হলেও, পরের ম্যাচের জন্য একই ভেন্যুতে প্রস্তুতি নেবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ। সন্ধে ৬টা থেকে রান ৯টা পর্যন্ত ভারতের ট্রেনিং। রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্র্যাকটিস করবে পাকিস্তান। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে ম্যাচ পাকিস্তানের। জিতলে রবিবার সুপার ফোরে আবার ভারতের মুখোমুখি। প্রসঙ্গত, এশিয়া কাপের প্রথম সাক্ষাতে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়া। কোনও বিভাগেই সূর্যকুমার যাদবদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি সলমন আঘার দল। এশিয়া কাপের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের পরাজয়ের পর টেস্ট ক্রিকেটে দশ হাজারি ক্লাবের প্রথম সদস্য গাভাসকর কটাক্ষ করে বলেছেন, পাকিস্তানের জাতীয় দল এখন পোপটওয়াড়ি দলের (Pakistan Popatwadi team) কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। মারাঠি ভাষায় পোপট মানে হল টিয়া পাখি আর ওয়াড়ি মানে মাঝারি। গাভাসকর আদতে মুম্বই নিবাসী। মুম্বইয়ের দুর্বল দলকে বলা হয় পোপটওয়াড়ি দল। ম্যাচের কথা বলতে গেলে, ভারত একতরফাভাবে পাকিস্তানকে পরাজিত করে সাত উইকেটে ম্যাচটি জিতেছে। ভারত ২৫ বল বাকি থাকতেই পাকিস্তানকে পরাজিত করে বর্তমান টুর্নামেন্টে তাদের টানা দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করেছে। এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, পাকিস্তান ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৭ রান করে। জবাবে, ভারত ১৫.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১৩১ রান করে ম্যাচটি জিতে নেয়। ভারতীয় বোলারদের পর, ব্যাটাররাও হতাশ করেননি এবং সহজেই লক্ষ্য অর্জন করেন।

    হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক

    হ্যান্ডশেক বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। রবিবার এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাননি ভারতীয় ক্রিকেটারেরা। এই ঘটনা নিয়ে জলঘোলা করেই চলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ভারতীয় দল ও ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তারা। অবশেষে ৪৮ ঘণ্টা পর পাক বোর্ডকে কড়া জবাব দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সরকারি ভাবে বিসিসিআই কোনও বিবৃতি না দিলেও সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সূর্যকুমার যাদবেরা যা করেছেন, তা একেবারে ঠিক। ভারতীয় বোর্ড ক্রিকেটারদের পাশে রয়েছে। ওই আধিকারিক বলেন, “দেখুন, ক্রিকেটের নিয়মে খেলা শেষে প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক নিয়ে কিছু লেখা নেই। সাধারণত সম্মান জানাতে দু’দলের ক্রিকেটারেরা হাত মেলান। বিশ্ব জুড়ে সেটাই দেখা যায়। কিন্তু এর তো কোনও নিয়ম নেই। তা হলে পাকিস্তান কোন ভিত্তিতে অভিযোগ করছে।” ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, দু’দেশের মধ্যে যে সম্পর্ক তাতে ভারতীয় ক্রিকেটারেরা পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক হত। সূর্যেরা ঠিক করেছেন। তিনি বলেন, “যদি কোনও নিয়মই না থাকে তা হলে সূর্যেরা একদম ঠিক করেছে। যে দেশের সঙ্গে আমাদের এত খারাপ সম্পর্ক, যে দেশ সব সময় আমাদের খারাপ চেয়েছে তাদের সঙ্গে হাত কেন মেলাব। কোনও রকম সম্পর্ক রাখব না। সূচি অনুযায়ী ভারত খেলেছে। তার বেশি কোনও সম্মান দেখানো হবে না।”

  • Indian Railways: প্রথম ১৫ মিনিট আধার ছাড়া বুকিং নয়, অনলাইনে টিকিটে জালিয়াতি রুখতে বড় পদক্ষেপ রেলের

    Indian Railways: প্রথম ১৫ মিনিট আধার ছাড়া বুকিং নয়, অনলাইনে টিকিটে জালিয়াতি রুখতে বড় পদক্ষেপ রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সংরক্ষিত টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় আসছে যুগান্তকারী পরিবর্তন। যাত্রীদের সুবিধা ও টিকিট কালোবাজারি রুখতে এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রেল। আগামী ১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে আইআরসিটিসি (IRCTC)-র ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে এক নতুন নিয়ম। সেই নিয়ম অনুযায়ী, বুকিং শুরুর প্রথম ১৫ মিনিটের মধ্যে আধার সংযুক্ত ইউজার আইডি দিয়েই কেবল সংরক্ষিত টিকিট কাটা যাবে। আধার সংযোগ (Aadhaar Verification) ছাড়া অন্য কোনও ইউজার আইডি ওই সময়টিতে টিকিট বুক করতে পারবে না।

    সমস্যার মূলে দালালচক্র

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বহুদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে যে অনলাইনে টিকিট বুকিং (Indian Railways) খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বিপুল সংখ্যক আসন অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। সাধারণ যাত্রীদের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘রিগ্রেট’ বা ‘নো রুম’ বার্তা। অনেক সময় দীর্ঘ ওয়েটিং লিস্টও দেখা যায়, যা কনফার্ম হওয়া প্রায় অসম্ভব। অথচ সেই একই টিকিট কিছুক্ষণের মধ্যেই পাওয়া যায় এজেন্ট বা দালালদের কাছে, তবে দ্বিগুণ বা তারও বেশি দামে। অভিযোগ, একাধিক ভুয়ো ইউজার আইডি ব্যবহার করে বা বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে বহু টিকিট কেটে নেয় অসাধু চক্র। পরে তা চড়া অঙ্কে বিক্রি করা হয় প্রকৃত যাত্রীদের কাছে।

    আগেও উদ্যোগ নিয়েছে রেল

    টিকিট কালোবাজারি রুখতে এর আগে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রেল। গত জুলাই থেকে তৎকাল টিকিট (Indian Railways) বুকিংয়ে আধার যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সত্ত্বেও উৎসবের মরশুমে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন। এবার সেই সমস্যার সমাধানেই সাধারণ সংরক্ষিত বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও আধার যাচাই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

    নতুন নিয়মের খুঁটিনাটি

    বুকিং খোলার প্রথম ১৫ মিনিটে কেবলমাত্র আধার লিঙ্ক করা ইউজার আইডি ব্যবহারকারীরাই টিকিট কাটতে পারবেন।

    আধার লিঙ্ক না করা ইউজাররা সেই সময়টায় টিকিট কাটতে পারবেন না, তবে ১৫ মিনিট পার হওয়ার পর তারা আবার বুকিং করতে পারবেন।

    নতুন নিয়ম কার্যকর হবে শুধুমাত্র অনলাইন বুকিংয়ের ক্ষেত্রে।

    পিআরএস (Passenger Reservation System) কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার নিয়মে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

    অনুমোদিত এজেন্টদের ক্ষেত্রেও আগের মতোই প্রথম ১০ মিনিট টিকিট কাটার সুযোগ থাকবে না। সাধারণ যাত্রীদের অগ্রাধিকার বজায় থাকবে।

    সিআরআইএস (CRIS) ও আইআরসিটিসি-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিস্টেম আপডেট করার জন্য, যাতে নতুন নিয়ম কার্যকর হয় নির্দিষ্ট সময় থেকে।

    দূরপাল্লার ট্রেনে সংরক্ষণ খোলা হয় যাত্রার ৬০ দিন আগে

    বর্তমানে দূরপাল্লার ট্রেনে (Indian Railways) সংরক্ষণ খোলা হয় যাত্রার ৬০ দিন আগে। সেই এআরপি-র শুরুর দিনেই সাধারণত কনফার্মড টিকিটের জন্য যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করেন। সেই সময়ই সক্রিয় হয়ে ওঠে অসাধু চক্র। তাই এবার থেকে বুকিং খোলার ওই প্রথম ১৫ মিনিটে কেবল আধার যাচাই করা যাত্রীরাই অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নিয়ম কার্যকর হলে কী কী সুবিধা

    ভুয়ো আইডি ব্যবহার করে অসাধু চক্রের পক্ষে মুহূর্তে বহু টিকিট বুক করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

    প্রকৃত যাত্রীরা অনলাইনে কনফার্মড টিকিট পাওয়ার বেশি সুযোগ পাবেন।

    কালোবাজারি ও বেআইনি দালালচক্রের প্রভাব অনেকটাই কমবে।

    উৎসবের মরশুমে টিকিট না পেয়ে যাত্রীদের নাকাল হওয়ার আশঙ্কাও অনেকটা হ্রাস পাবে।

    তবে যাত্রী মহলের একাংশ মনে করছেন, যাঁদের ইউজার আইডি এখনও আধার সংযুক্ত নয়, তারা প্রাথমিকভাবে অসুবিধায় পড়তে পারেন। এছাড়া, সার্ভারের উপর চাপ বেড়ে গেলে বা প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে বুকিং প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই যাত্রীদের আগে থেকেই নিজেদের আইআরসিটিসি অ্যাকাউন্টে আধার লিঙ্ক করে রাখতে রেলের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    রেলের দাবি এতে অনিয়ম অনেকটাই কমবে (Indian Railways)

    রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, নয়া নিয়ম কার্যকর হলে টিকিট বুকিং প্রক্রিয়ায় অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। এত দিন শুধুমাত্র তৎকাল টিকিট বুকিংয়ে আধার যাচাই বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এবার সাধারণ সংরক্ষিত টিকিট বুকিংয়েও সেই নিয়ম চালু হওয়ায় প্রকৃত যাত্রীরা অনেকটাই স্বস্তি পাবেন। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে অসাধু দালালচক্রের কার্যকলাপ রোধ হবে এবং যাত্রীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে উৎসব ও দীর্ঘ ছুটির মরশুমে, যখন দূরপাল্লার ট্রেনে টিকিট পাওয়া নিয়ে হাহাকার দেখা দেয়, তখন কনফার্মড আসন পাওয়া তুলনামূলক সহজ হবে। ফলে ভোগান্তি কমবে সাধারণ মানুষের, আর টিকিট বুকিং ব্যবস্থার উপর যাত্রীদের আস্থা আরও বাড়বে।

LinkedIn
Share