Blog

  • Deer: বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হল শতাধিক হরিণ! কেন জানেন?

    Deer: বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হল শতাধিক হরিণ! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ আলিপুরদুয়ারের বক্সার জঙ্গল পর্যটকদের অন্যতম ডেস্টিনেশন। ফি বছরই হাজার হাজার পর্যটক এই জঙ্গলে ঘুরতে আসেন। এই জঙ্গলে সাফারি করতে পর্যটকরা অত্যন্ত ভালোবাসেন। এবার জঙ্গলকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষনীয় করে তুলতেই উদ্যোগী হয়েছে বন দপ্তর। সোমবারই জঙ্গলে ১০৪টি চিতল হরিণ (Deer) ছাড়া হল। তবে, বন দপ্তরের উদ্যোগে এই জঙ্গলে হরিণ ছাড়ার উদ্যোগ নতুন কিছু নয়। গত ১৭ ই মার্চ ৮৬ টি চিতল হরিণ (Deer)  ছাড়া হয়েছিল বক্সার জঙ্গলে। বীরভূমের বল্লভপুর অভয়ারণ্য থেকে হরিণগুলি (Deer)  আনা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে দুই দফায় ১৯০ টি হরিণ বক্সারের গভীর জঙ্গলে ছাড়ার ঘটনায় বোঝা যাচ্ছে বক্সারকে আরও পর্যটকমুখী করতে চাইছে বন দপ্তর। বক্সার টাইগার রিজার্ভের ডি এফ ডি (ওয়েস্ট) পারভিন কাশোয়ান বলেন, চারটি বড় গাড়িতে করে বল্লভপুর থেকে হরিণগুলি (Deer)  এনে এদিন বক্সার জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বক্সার।

    বক্সার জঙ্গলে বাঘ ছাড়া নিয়ে জল্পনা কেন? Deer

    বক্সার জঙ্গলে এসে পর্যটকরা গাড়ি করে ঘুরে বেড়ান। ফলে, নানা ধরনের জন্তু, জানোয়ার দেখতে পেলেই তাঁদের কাছে বাড়তি পাওনা। জঙ্গলে হাতি, বাইসন, শুয়োর, শেয়াল, লেপার্ড, ব্ল্যাক প্যান্থার, ভল্লুকের দেখা মিললেও হরিণের (Deer)  খুব বেশি দেখা মিলত না। বলা ভালো, আগে হাতে গোনা কয়েকটি হরিণ ছিল। যা পর্যটকদের কাছে খুব বেশি ধরা দিত না। ফলে, গত তিন বছর ধরে বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জঙ্গলে হরিণের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত কয়েক বছরের মধ্যে প্রায় ৫০০টি  হরিণ এই জঙ্গলে ছাড়া হয়েছে। আর এই এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন করে আর ১৯০টি হরিণ (Deer)  ছাড়া হল। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০০টি হরিণ (Deer)  জঙ্গলে ছাড়া হল। জঙ্গল জুড়ে তারা এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। অন্যান্য জন্তু, জানোয়ারের সঙ্গে হরিণও এবার পর্যটকদের কাছে আরও বেশি করে ধরা দেবে বলে বন দপ্তরের আধিকারিকদের আশা। তবে, এই জঙ্গলে হরিণসহ অন্যান্য জন্তু থাকলেও গত কয়েক দশক বাঘের উপস্থিতি দেখা যায়নি। যদিও দুবছর আগে বন দপ্তরের ট্যাপ ক্যামেরায় একটি বাঘের ছবি ধরা পড়েছিল। তবে, পরে আর সেই বাঘের কোনও হদিশ মেলেনি। পরবর্তীকালে আসাম থেকে বাঘ নিয়ে এসে এই জঙ্গলে বাঘ ছাড়ার ভাবনাচিন্তা অনেক আগেই শুরু হয়েছে। যারজন্য গভীর জঙ্গলে কয়েকটি বনবস্তিকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাঘ ছাড়লেই তো হবে না, পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাঘের প্রিয় খাবার হরিণ (Deer) । জঙ্গলে পর্যাপ্ত হরিণ (Deer)  থাকলে বাঘেরাও এই জঙ্গলকে নিরাপদ জায়গা হিসেবে বেছে নিতে পারে। তবে, কী খুব শীঘ্রই বক্সার জঙ্গলে বাঘ আনা হবে? তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gate: রাজ্যে আরও একটি বিশ্ববাংলা গেট তৈরি হচ্ছে, কোথায় জানেন?

    Gate: রাজ্যে আরও একটি বিশ্ববাংলা গেট তৈরি হচ্ছে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ইতিহাস সমৃদ্ধ শহর বারাকপুর। মঙ্গল পান্ডের হাত ধরে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহের প্রথম সূচনা হয়েছিল এই পূন্যভূমিতে। এই সিপাহী বিদ্রোহ ছিল প্রথম স্বাধীনতার আন্দোলন। ঐতিহাসিক শহর বারাকপুরের নিজস্ব কোনও আইকোণ নেই। গত বছরই আগস্ট মাসে বারাকপুর স্টেশনের সামনে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ১০০ ফুট উচ্চতার জাতীয় পতাকা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার নিউ টাউনের আদলে ব্যারাকপুর চিড়িয়ামোড়ে তৈরি করা হচ্ছে বিশ্ববাংলা গেট (Gate) । একইসঙ্গে সেখানে ঝুলন্ত রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যেই বারাকপুর শহরে এসে জায়গা পরিদর্শন করে যান রাজ্য হেরিটেজ কমিশনের কর্তা শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী এবং বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস। তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী বলেন, বারাকপুর ঐতিহাসিক শহর। তাই, এই শহরের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন এলাকা পরিদর্শন করে কোথায় উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে তা খতিয়ে দেখা হয়।

    বারাকপুরের ইতিহাস তুলে ধরতে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে? Gate

    কয়েক বছর আগে বারাকপুর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerje) উত্স্যধারা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে বারাকপুরের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রকল্পের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এবার তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে বারাকপুর স্টেশনের সামনে থেকে ১৫ নম্বর রেল গেট পর্যন্ত ঘোষ পাড়া রোডের ধারে রেলের যে পাঁচিল রয়েছে, সেই পাঁচিলের দেওয়ালে বারাকপুরের ইতিহাস সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হবে। রং দিয়ে ছবি এঁকে ফুটিয়ে তোলা হবে। বিধায়ক কোটার টাকায় এই প্রকল্পের কাজ করা হবে।  এমনিতেই বারাকপুর স্টেশন থেকে ১৫ নম্বর রেল গেট পর্যন্ত রাস্তাটি অত্যন্ত খারাপ ছিল। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে যেত। যানবাহন চলাচলে চরম সমস্যা হত। কয়েক মাস আগে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে পূর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে রাস্তাটি ঢেলে সংস্কার করা হয়েছে। সঙ্গে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাতও তৈরি করা হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, এবার পাঁচিলের দেওয়ালে সুন্দর ছবি এঁকে বারাকপুরের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হবে। বাইরে থেকে আসা মানুষ এই ছবি দেখেই বারাকপুরের ইতিহাস সম্পর্কে একটি সুন্দর ধারণা তৈরি হবে। পাশাপাশি বারাকপুর চিড়িয়ামোড়ে নিউ টাউনের বিশ্ববাংলার আদলে একটি বিশাল গেট(Gate)  তৈরি করা হবে। একইসঙ্গে সেখানে থাকবে ঝুলন্ত রেষ্টুরেন্ট। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের টাকায় এই কাজ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের  

    Amit Shah: নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা, তরুণদের বার্তা অমিত শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনে যাই করো, নিজের মাতৃভাষা কখনও ভুলোনা। বক্তা অমিত শাহ। এদিন গুজরাটের মহারাজা সয়াজীরাও বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ গিয়ে একথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। ইতিমধ্যে মাতৃভাষায় ডাক্তারি থেকে উচ্চশিক্ষায় যেকোনও বিষয় পড়া যাবে এমন ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে কেন্দ্র। উত্তরাখণ্ড সরকার তা শুরুও করেছে। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘যারা গদিতে ঘুমোয়, তারা ভাবুক, কী হবে’, বললেন কম্বলকাণ্ডে ধৃত জিতেন্দ্র

    কী বললেন অমিত শাহ

    এদিন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জীবনে যাই করুন, কিন্তু কখনও নিজের মাতৃভাষাকে অবহেলা করবেন না। বর্তমান সমাজে ইংরেজি জানলে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়, এমন ধারণাকেও একহাত নিয়ে তিনি বলেন, কখনও ভাববেন না, একটি নির্দিষ্ট ভাষা আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে। তিনি আরও বলেন, ভাষা একটি অভিব্যক্তি কোনও বস্তু নয়। একজন ব্যক্তি মাতৃভাষায় গবেষণা করলে তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা আরও বেড়ে যায়। যেকোনও মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশে মাতৃভাষা খুব কার্যকরী বলেও মনে করেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমাদের দেশের ভাষাগুলির রয়েছে অফুরন্ত শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণ। ভারতীয় ভাষাগুলির রয়েছে একটি ইতিহাস, অজস্র সাহিত্য তৈরি করতে পেরেছে আমাদের দেশের ভাষাগুলি। এদিন সকল পড়ুয়াকে জাতীয় শিক্ষানীতি অধ্যয়ন করার কথাও বলেন তিনি। এদিন শিক্ষার উদ্দেশ্য ব্যাখা করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র চাকরি পাওয়া বা সহজ সুন্দর জীবনযাত্রা লাভ করা শিক্ষার উদ্দেশ্য হতে পারেনা। শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পূর্ণভাবে মানুষ তৈরি করা বলেও জানা তিনি। জাতীয় শিক্ষানীতি বিষয়ের পাশাপাশি তাঁর মুখে ভারতীয় সংবিধানের কথাও শোনা যায়, তিনি বলেন, আমাদের সংবিধান পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা, বিআর আম্বেদকর এর স্থপতি। প্রসঙ্গত, মহারাজা সয়াজীরাও বৃত্তি পেতেন ভীমরাও আম্বেদকর।

    আরও পড়ুন: এভারেস্টে বরফের নীচে চাপা পড়ে আছে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, দাবি বিজ্ঞানীদের

     

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ ছিল। সত্যতা যাচাই করতে রবিবার কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে কাশীপুর এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে জবকার্ডধারীদের কাছে অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিদের চক্ষু চড়কগাছ। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জবকার্ডধারীদের দিয়ে দিনের পর দিন ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ করানো হয়েছে। কিন্তু, তাঁরা কেউ টাকা পাননি। আলাউদ্দিন শেখ নামে এক জবকার্ডধারী বলেন, পঞ্চায়েতের  পক্ষ থেকে ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হয়। দিনের পর দিন আমরা কাজ করেছি। কিন্তু, টাকা পাইনি। পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে টাকার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, তাঁরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় টিম এসে টাকা দেবে। তাই, এসেছি। মনোরমা মণ্ডল বলেন,  ১০০ দিনের কাজ করেছি। পঞ্চায়েত টাকা দেয়নি। কেন্দ্রীয় টিম এসেছে। তাঁদের কাছে আমরা সকলে নালিশ জানাতে এসেছি। আর এই এলাকায় কোনও যানবাহন নেই। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় টিমের কাছে সেই অভিযোগও জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা কাশীপুর এলাকা পরিদর্শনের সময় এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। কারণ, ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ করার পরও অধিকাংশ জবকার্ডধারী টাকা পাননি। ফলে, কেন্দ্রীয় টিম টাকা দেবে ভেবে নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। পরে, কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করে নেন। এলাকার তাঁরা ছবি তাঁরা তুলে রাখেন।

    কেন বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লক পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় টিম? Corruption

    ১০০ দিনের প্রকল্পে বড়সড় দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে। আর তার তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল জেলায় আসেন। শনিবারই দুই সদস্যের ওই প্রতিনিধি  বেলডাঙা-২ ব্লক অফিসে যান। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাঁরা ম্যারাথন বৈঠক করেন। সেখানে ১০০ দিনের প্রকল্পে যে সব দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন কাশীপুর এলাকায় গিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে তাঁরা খতিয়ে দেখেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Missing: বারো বছর ধরে নিখোঁজ!  খুঁজে পেলেন বাড়ির ঠিকানা, কীভাবে?

    Missing: বারো বছর ধরে নিখোঁজ! খুঁজে পেলেন বাড়ির ঠিকানা, কীভাবে?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক বা দুবছর নয়, বারো বছরের বেশি সময় ধরে কোনও খোঁজ  ছিল না শিব নারায়ণ শর্মার। মধ্য প্রদেশের বরেথা গ্রামে তাঁর বাড়ির লোকজন ধরেই নিয়েছিলেন তিনি আর বেঁচে নেই। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ (Missing) ডায়েরি করা হয়েছিল। কিন্তু, আর তাঁর কোনও হদিশ মেলেনি। রবিবার হ্যাম রেডিওর পক্ষ থেকে তাঁদের পরিবারের লোকজনের কাছে ফোন যায়। তখনই তাঁরা জানতে পারেন, শিব নারায়ণ শর্মা রয়েছে। আর তাঁর বেঁচে থাকার খবর পৌঁছাতেই আনন্দে মেতে ওঠেন পরিবারের লোকজন। তাঁরা শিব নারায়ণবাবুকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কলকাতার উদ্দেশে ইতিমধ্যেই রওনা হয়েছেন।

    কী করে নিখোঁজ হয়েছিলেন শিব নারায়ণ? Missing

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিব নারায়ণবাবু পেশায় গাড়ির চালক ছিলেন। বাড়িতে মা, বাবা, ভাই সকলেই ছিলেন। তিনি তখনও বিয়ে থা করেন নি। ভাই ছোট ছিল। ট্রাক নিয়ে তিনি ভিন রাজ্যে যেতেন।  বারো বছর আগে তিনি ট্রাক নিয়ে মহারাষ্ট্রে কাজে গিয়েছিলেন। রাস্তার ধারে একটি ধাবায় খালাসির সঙ্গে তিনি খেতে বসেন। তারপর হাত ধুতে যাচ্ছি বলে তিনি চলে যান। আর তাঁর কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। গাড়ির মালিক বাড়ির লোকজনকে জানান। বাড়ির লোকজন থানায় মিসিং (Missing) ডায়েরি করেন। কিন্তু, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। শিব নারয়ণের ভাই ভগবান শর্মা বলেন, দাদা বেঁচে রয়েছে তা আমরা ভাবতে পারিনি। এখন মা, বাবা কেউ আর বেঁচে নেই। ওরা থাকলে আরও খুশি হত। এতদিন পর দাদাকে ফিরে পেয়ে খুব ভালো লাগছে।  দাদাকে আনার জন্য আমরা রওনা দিয়েছি।

    কী করে খোঁজ মিলল? Missing

    মহারাষ্ট্রে নিখোঁজ (Missing)  হওয়ার পর তিনি একাধিক রাজ্যে ঘুরে বেরিয়েছেন। পরে, ট্রেনে করে কলকাতায় আসেন। পরে, সেখান থেকে ট্রেনে করে হিঙ্গলগঞ্জ চলে যান। এই বিষয়ে হ্যাম রেডিওর ওয়েস্ট বেঙ্গল শাখার রাজ্য সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, শিব নারায়ণবাবুকে হিঙ্গলগঞ্জ বাজার থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বৃষ্টির মধ্যে ভিচ্ছিলেন। বাজার কমিটির সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। পরে, তাঁকে নতুন পোশাক পড়িয়ে তাঁর সম্পর্কে খোঁজ খবর করেন। পরে, তিনি আমাদের বিষয়টি জানান। আমরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তাঁর ছবি পাঠিয়ে দিই। পরে, মধ্য প্রদেশ থেকে তাঁর গ্রামের ঠিকানা পাই। পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি। আর শিব নারায়ণবাবুর সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, ১২ বছর আগে মানসিক অসুস্থতার কারণে তিনি হারিয়ে গিয়েছিলেন। গত ১২ বছরে তিনি বিহার, উত্তর প্রদেশ, আসামসহ একাধিক রাজ্য ঘুরে বেরিয়েছেন। এতদিন পর ফিরে পেলেন তাঁর বাড়ির ঠিকানা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mario Molina: গুগল ডুডলে আজ ম্যারিও মোলিনা! জানেন কে ছিলেন তিনি?

    Mario Molina: গুগল ডুডলে আজ ম্যারিও মোলিনা! জানেন কে ছিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মদিনে গুগল আজ স্মরণ করছে ম্যালিও মোলিনাকে (Mario Molina)। তাদের ডুডলে রয়েছে এই রসায়নবিদের ছবি। ১৯৯৫ সালে নোবেলজয়ী এই রসায়নবিদ ওজনস্তরের ওপর গবেষণা করেছেন যা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে বিজ্ঞান মহলে। তাঁর গবেষণায় উঠে এসেছে কীভাবে বিভিন্ন কেমিক্যাল ওজনস্তরকে ক্ষয় করে চলেছে। প্রস্ঙগত, ওজনস্তর সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। এই রশ্মি মানুষ এবং পৃথিবীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    ম্যারিও মোলিনা (Mario Molina) জন্মগ্রহণ করেন ১৯ মার্চ ১৯৪৩ সালে মেক্সিকো শহরে। ছোট থেকেই বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল খুব বেশি। তাঁর নিজের স্নানাগারকেই তিনি একটি বিজ্ঞানের পরীক্ষাগারে পরিণত করেছিলেন। ম্যালিও মোরিনার (Mario Molina) নিজের ভাষায়, হাইস্কুলে ভর্তি হওয়ার আগেই বিজ্ঞানের প্রতি আমার আগ্রহ তৈরি হয়, মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে প্যারামেসিয়া এবং অ্যামিবাকে যখন আমি প্রথম দেখেছিলাম তখনকার উত্তেজনার কথা এখনও মনে আছে।

    আরও পড়ুন: ইডির হাতে আটক বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার, উদ্ধার হার্ডডিস্ক

    মেক্সিকোর National Autonomous University থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি পান। পরবর্তীকালে জার্মানিতেও যান গবেষণা করতে। এরপর দেশে ফিরে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং Massachusetts Institute of Technology তে রিসার্চের কাজে যোগ দেন। ১৯৭০ সাল নাগাদ তিনি গবেষণা করেন কীভাবে পৃথিবী নির্গত বিভিন্ন কেমিক্যালের প্রভাবে ওজন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে। তিনিই ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ওজন স্তরকে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলছে। তাঁর এই গবেষণা নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত হলে ১৯৯৫ সালে তাঁকে এবং তাঁর দলকে যৌথভাবে নোবেল সম্মানে ভূষিত করা হয়। ২০১৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ম্যারিও মোলিনাকে আমেরিকার সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করেন। ২০২০ সালের ৭ অক্টোবর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই খ্যাতনামা বিজ্ঞানী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Scam: সরকারি ধান বিক্রিতে যুব তৃণমূল নেতার এমন দুর্নীতি! কোথায় জানেন?

    Scam: সরকারি ধান বিক্রিতে যুব তৃণমূল নেতার এমন দুর্নীতি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পুকুর খনন না করেই ১০০ দিনের প্রকল্পে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূলের এক মন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। যদিও ইতিমধ্যেই আদালত টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এবার সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রিতে দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির আজিম রহমান খানের বিরুদ্ধে। তিনি গোঘাটের শ্যামবাজার অঞ্চলের যুব তৃণমূলের নেতা।  গোঘাট- ২ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন খানের তিনি ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায়  পরিচিত। সেই কারণে এলাকায় তাঁর দাপটও রয়েছে। অন্যের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ধান বিক্রির অভিযোগ। লক্ষ লক্ষ টাকা কারচুপির (Scam)  অভিযোগ রয়েছে। প্রায় একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পরেই টাকা তুলে দিতে চাপ দিচ্ছে বলে ওই যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। শুধুমাত্র শাসক দলের প্রভাব খাটিয়েই তিনি এধরনের দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ। প্রশ্ন হল, এলাকার  যাদের  সামান্য জমি  অথবা জমিই নেই, তাঁদের  বিঘার পর বিঘা জমি দেখিয়ে কিভাবে হাজার হাজার টাকা  অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হল ? ইতিমধ্যেই অনেকেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাশিনী -ই বলেন, ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে যুব তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে? Scam

    সাধারন মানুষের কথা ভেবে রাজ্য সরকার সি পি সি – র মাধ্যমে সরকারি সহায়ক মূল্যে প্রতিটি ব্লক থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুব তৃণমূলের দাপুটে নেতা হওয়ার সুবাদে এলাকার বহু সাধারণ মানুষের আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জমা নিয়েছে ওই নেতা। আর সেই অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে তৃণমূল নেতার কাছে টাকা পৌঁছে দিতে হয়েছে। এরকমভাবে গোঘাট এলাকায় ওই যুব তৃণমূল নেতা লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান খাঁ বলেন, আমার দুকাঠা জমি রয়েছে। আমি সরকারের কাছে কোনও ধান বিক্রি করিনি। ওই তৃণমূল নেতা আমার কাছে থেকে আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে যায়। দুদফায় আমার অ্যাকাউন্টে ৯০ হাজার টাকা ঢুকেছে। সব টাকা যুব তৃণমূল নেতাকে আমি দিয়ে দিয়েছি। অন্য এক বাসিন্দা বলেন, আমি কোনও ধান বিক্রি করিনি। আমার অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে। সব টাকা তৃণমূল নেতাকে দিয়ে দিয়েছি। যদিও বিরোধী দলের চক্রান্তে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আজিম রহমান খানের। তিনি বলেন, আমি কোনও দুর্নীতি (Scam)  করিনি। আমি সামান্য আলু ব্যবসায়ী। কাউকে আলু বীজ দিয়েছি। সে আমাকে টাকা দিয়েছে। সেটা নিয়ে বিরোধীরা আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্য জুড়েই দুর্নীতি (Scam) চলছে। এই দলে সবাই চোর। তাই, তৃণমূলের দুর্নীতি (Scam)  নিয়ে নতুন করে আমার কিছু বলার নেই। সিপিএম নেতা বাবলু রায় বলেন, শুধু ধান নয়, ১০০ দিনের কাজেও তৃণমূল নেতারা লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে। সব জায়গায় দুর্নীতি (Scam)  করছে। আর এসব দুর্নীতির (Scam)  টাকা যাচ্ছে কালীঘাটে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    Amritpal Singh: ধৃত খলিস্তানপন্থী নেতা অমৃতপাল সিংহের পিছনে পাক যোগ?

    মাধ্যম নিউজ: বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানি নেতা অমৃতপাল সিংহের (Amritpal Singh) পিছনে মদত রয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর। এমনটাই দাবি সরকারি আধিকারিকদের। জানা গিয়েছে ৩০ বছর বয়সী অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh) একজন ট্রাক ড্রাইভারের কাজ করতেন দুবাইতে। সেখান থেকে পরিকল্পনামাফিক আইএসআই তাঁকে ভারতে পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ। পাঞ্জাবকে আবারও অস্থির করতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিংকে উদ্দেশ্য করে একাধিকবার তোপ দেগেছেন অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh)। শনিবার তাঁকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশ।

    শনিবারই গ্রেফতার হন এই নেতা

    শনিবার বিকেলের দিকে অমৃতপাল সিংহকে (Amritpal Singh) জলন্ধর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। রাজ্যের পরিস্থিতি কেমন সেই বিষয়ে সময়ে সময়ে খবর নিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শনিবার সকাল থেকেই তাঁকে এবং তাঁর সহযোগীদেরও  গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে খুঁজছিল পাঞ্জাব পুলিশ। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট বলছে, সকাল থেকে অমৃতপাল সিংহ (Amritpal Singh) পলাতক। তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কট্টরপন্থী শিখ নেতা এবং খলিস্তানি সহানুভূতিশীল অমৃতপাল সিংহকে নিয়ে পাঞ্জাবের রাজ্য-রাজনীতি এখন উত্তাল। গতমাসে অমৃতের সমর্থকরা অমৃতসররের উপকণ্ঠে অবস্থিত অঞ্জালা পুলিশ স্টেশনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল। অমৃতের এক সহযোগীকে মুক্তির দাবি নিয়ে তাঁরা থানায় গিয়েছিলেন। সেই সময়ই ওই ঘটনা ঘটায় অমৃতের সমর্থকরা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুসারে, শনিবার জলন্ধরে  অমৃতের ছয় সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। 

    অমৃতপাল সিংহের পরিচয়

    বিতর্কিত শিখ নেতা অমৃতপাল সিং হলেন ওয়ারিশ পাঞ্জাবে দে সংস্থার প্রধান। এই সংস্থার তৈরি করেছিলেন দীপ সিধু । ২০২২ সালে তিনি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। 
    ৩০ বছরের অমৃতপাল ব্লুস্টার অপারেশনের সময় নিহত ভিন্দ্রনওয়ালের মতোই পোশাক-আশাক পরেন বলে, সমর্থকরা তাঁকে ভিন্দ্রনওয়ালে ২.০ বলেন।
    অমৃতপাল সিং ভারতে এসেছেন ২০২২ সালে, এখানে তাঁর দেশে আসা ওয়ারিশ পাঞ্জাবে দে-র দায়িত্ব নেওয়ার জন্যই। এর আগে তিনি দুবাইতে কাজ করতেন। 
    অমৃতপাল সিং অনুগামীর সংখ্যা প্রচুর। রাস্তাঘাটে তাঁকে অস্ত্রশস্ত্র সহ ঘুরে-বেড়াতে দেখা যায়, তাঁর সঙ্গে সবসময় সমর্থকরা থাকেন (আটক হওয়ার আগে পর্যন্ত)। 
    অমৃতপাল অমৃতসর জেলার বাবা বাকালা শহরের  অন্তর্গত জল্লু-পুর খইরা গ্রামের বাসিন্দা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Dead: দুই সন্তানসহ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য! কোথায় জানেন?

    Dead: দুই সন্তানসহ দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঘরের ভিতর স্ত্রী সন্তানসহ একই পরিবারের চারজনের মৃতদেহ (Dead) উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রবিবার সাতসকালে মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের কুড়ুরিয়াডাঙা এলাকায়। স্বামী, স্ত্রীসহ দুই সন্তানের মৃত্যুর (Dead) ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে মৃতদেহ (Dead)  উদ্ধার করতে বাধা দেন মৃতের অত্মীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, মৃত্যুর আগে সোশ্যাল মিডিয়াতে তাঁদের মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী তা উল্লেখ করেছেন। সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তাঁদের দাবি, দুই সন্তান সহ স্বামী ও স্ত্রীকে খুন করা হয়েছে। যদিও ঘটনার তদন্তে ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম অমিত মণ্ডল (৪২)। তিনি পেশায় জমি ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী রূপা মণ্ডল (৩৪)। তাঁদের পুত্র মিমিত মণ্ডল(১০) ও শিশুকণ্যা নিকিতা মণ্ডল (২)। তাঁদের বাড়ি দুর্গাপুর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ুরিয়াডাঙায়। কী করে জানাজানি হল বিষয়টি? পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন পারিবারিক হোয়াট’স অ্যাপ গ্রুপে সুইসাইড নোট দেখে মৃত অমিত মণ্ডলের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। বাড়ির ভিতরে দেখা যায়, ঘরের ভেতর নীচে পড়ে রয়েছে  ১০ বছরের মিমিত মণ্ডলের নিথর দেহ। বিছানায় শিশুকণ্যার সঙ্গে পড়ে রয়েছে মা রূপা মণ্ডলের দেহ। সিলিংয়ে হাতবাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত দেহ (Dead)  উদ্ধার হয় অমিতের। বিষয়টি জানাজানি  হতেই আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আসানসোল দুর্গাপর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (পূর্ব) কুমার গৌতম বলেন, ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করেছে। দুজনকে আটক করা হয়েছে। সমস্ত ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সুইসাইড নোটে কী লেখা রয়েছে? Dead

     অমিতের বাবা নরেশ মণ্ডল একসময় প্রভাবশালী প্রোমোটার ছিলেন। শিল্পশহর লাগোয়া জমির কেনাবেচা করতেন তিনি। বছর ছয়েক আগে কিডনির অসুস্থতায় মৃত্যু হয় তাঁর। বাবা বেঁচে থাকতে তাঁর সঙ্গে জমি কেনাবেচায় হাতপাকান অমিত। ফলে, ফুলেফেঁপে ওঠে তাঁদের সম্পত্তি। ওই জমি ব্যবসা থেকে কয়েক’শো কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি করেন। কুড়ুরিয়াডাঙায় বিলাসবহুল তাঁদের বাড়ি রয়েছে। সুইসাইড নোটে লেখা রয়েছে, তাঁদের মৃত্যুর (Dead)  পিছনে হাত রয়েছে তাঁর বড় মামার ছোটো ছেলে সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। সে মাস্টার মাইন্ড। এছাড়াও  মামার বাড়ির  অনেকে জড়িত রয়েছে। সুশান্ত নায়েক অন্ডালের সিঁদুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করে। এছাড়া মা বুলা রানি মণ্ডলের নাম রয়েছে। মা বাপের বাড়ির সকলকে ভালোবাসে। আমার ছেলেমেয়েদের দেখতে পারে না। আমাকে পছন্দ করে না। ছোটো মামার মেয়ে মিলি নায়েক ঘোষের নামও উল্লেখ রয়েছে। তিনি পান্ডবেশ্বরে বৈদ্যনাথপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বড় মামার সেজো ছেলের বৌ শিলা নায়েক মণ্ডলের নাম রয়েছে। তিনি আমরাই প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ২০১২ সালে পরীক্ষা, ইন্টারভিউ  না দিয়ে তাঁরা সকলে চাকরি পেয়েছেন। সুশান্ত নায়েক সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস সমস্ত দলই করেছেন। ওরাই আমাদের পরিবারকে শেষ করে দিল। প্রভাবশালী মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের যোগ রয়েছে তিনি উল্লেখ করেছেন। সুইসাইড নোটটি সিবিআই(CBI), ইডি (ED), রাজ্য পুলিশ এবং বিচারপতি অভিজিত্ গঙ্গোপাধ্যায়কে তিনি ট্যাগ করেন।

    কী বললেন মৃতের আত্মীয়? Dead

    মৃতা রূপা মণ্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষ বলেন,” গতকাল রাতে জামাইবাবু বলল মা এসেছে বাড়িতে। আবারও অশান্তি হবে।” তিনি আরও বলেন,” সম্পত্তির বিবাদ। জামাইবাবুর মা বুলা রানি জামাইবাবু, দিদি ভাগ্নে, ভাগ্নিকে সহ্য করতে পারে না। সমস্ত সম্পত্তি জামাইবাবুর মামার ছেলেদের তিনি দিয়ে দিতে চান। তাই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। আমাদের অনুমান পরিকল্পিত খুন। কারণ, বাড়ির সিসিটিভি উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাতে স্ট্রিট লাইট বন্ধ রাখা ছিল। আমাদের দাবি, বুলা রানি, সুশান্ত, প্রশান্ত সহ জামাইবাবুর মামার বাড়ির সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। ঘটনার সিবিআই (CBI) তদন্ত করা হোক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share