Blog

  • RSS: উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন, বিশ্বাস আরএসএস-এর

    RSS: উন্নততর ভারত গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন, বিশ্বাস আরএসএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ গঠনের কাজে সমাজের সব অংশকেই সক্রিয়ভাবে প্রয়োজন বলে মনে করে আরএসএস। পানিপথে শুরু হওয়া তিন দিনের অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবে সে কথা উল্লেখ করেছে সঙ্ঘ।। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পসমন্দা মুসলিম থেকে মৎসজীবীদের বিজেপির কাজের সঙ্গে আরও বেশি করে জোড়ার প্রস্তাব রেখেছেন। সঙ্ঘপ্রধানও মুসলিম সমাজের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের সঙ্গে বার্তালাভ করেছেন। সঙ্ঘের প্রস্তাবে তারই প্রতিফলন হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

    উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে সমাজের সব অংশকেই প্রয়োজন বলে মনে করে আরএসএস (RSS)

    দলিত সমাজ বা অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জাতি, দেশগঠনের কাজে সবাইকেই সমানভাবে দরকারী বলে মনে করে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। প্রত্যেক শ্রেণির আবশ্যকতা রয়েছে উন্নততর দেশগঠনে এমনটাই বলছে আরএসএস (RSS)। তাদের প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে, সুসংগঠিত, আধুনিক এবং সমৃদ্ধশালী দেশগঠনের লক্ষ্যে সমাজের প্রত্যেক জাতির অংশগ্রহণ প্রয়োজন।  এবং এটাও লক্ষ্য রাখা দরকার যে বিভিন্ন ধরনের বুনিয়াদি সুবিধা সব শ্রেণির কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে কিনা। সমাজের সব অংশের সামগ্রিক উন্নয়নের কথাও বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই মহারাষ্ট্রের পিছিয়ে পড়া একটি যাযাবর শ্রেণিকে নিয়ে মহাকুম্ভের আয়োজন করেছিল সঙ্ঘ। সেখানে কমবেশি ওই শ্রেণির ১০ লক্ষ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। যাযাবর সমাজের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির জন্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও চলে ওই সম্মেলনে। বিভিন্ন মহলের ধারণা, দেশ গড়তে সমাজের সব অংশের সমান সহযোগিতার কথা আসলে ঐক্যবদ্ধ ভারত তৈরির প্রচেষ্টা। সঙ্ঘের ওই প্রস্তাবেও উল্লেখ রয়েছে বারবার সংগঠিত ভারত শব্দটি। সঙ্ঘ মনে করে, এই কাজে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও আসবে, তবে সবকিছুকে প্রতিহত করে আধুনিক প্রযুক্তির ভরপুর ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে উন্নততর ভারত গঠনের কাজ।

    প্রসঙ্গত, ১২ মার্চ থেকে হরিয়ানার পানিপথে শুরু হয়েছে সঙ্ঘের প্রতিনিধি বৈঠক চলবে ১৪ মার্চ অবধি। সারাদেশ থেকে প্রায় ১৪০০ এর বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন এই বৈঠকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Fake: স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি হতে যুব তৃণমূল নেতার জাল ডিগ্রি, কোথায় দেখে নিন

    Fake: স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি হতে যুব তৃণমূল নেতার জাল ডিগ্রি, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এলাকার কোনও কলেজে পড়েছেন বলে মনে করতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা। আচমকাই তিনি গ্র্যাজুয়েট হয়ে গিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সেই ডিগ্রি দাখিল করেই উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ ব্লকের রামপুর ইন্দিরা উচ্চ বিদ্যাপীঠের পরিচালন কমিটির সভাপতি হয়েছেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হতেই চক্ষু চড়কগাছ এলাকাবাসীর। স্থানীয়দের আশঙ্কা ছিল, জাল (Fake) ডিগ্রি জমা দিয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে, তাঁর নাম তিলক সরকার। তিনি যুব তৃনমূলের জেলা সহ সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন রামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মলয় সরকার। ইতিমধ্যেই তিনি স্কুল ইন্সপেক্টরকে লিখিত আকারে অভিযোগ জানিয়েছেন। সোমবার জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতরের এসে তিনি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। এমনিতেই শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে যখন তোলপাড় সারা রাজ্য, তখন জাল (Fake)  ডিগ্রি দাখিল করে বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আর এটা কোনও বিরোধী দলের অভিযোগ নয়, উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ দিয়ে দলেরই পঞ্চায়েত সদস্য এই অভিযোগ করেছেন। ফলে, এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল নেতার বিএ ডিগ্রি জাল, জানা গেল কী করে? Fake

    বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সভাপতি হতে গেলে স্নাতক ডিগ্রি লাগে। নিয়ম মেনেই সেই ডিগ্রি জমা দিয়ে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এরপরই ঝোলা থেকে বেড়াল বেরিয়ে আসে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মলয় সরকার বলেন, আমি জানি ও মাধ্যমিক পাশ। গ্র্যাজুয়েশন করেনি। আমি বিষয়টি নিয়ে আরটিআই করি। ও উত্তর প্রদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাশ করেছে বলে স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। আমি ফের সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আরটিআই করি। কিন্তু, সেখানেও তিলকের উচ্চ শিক্ষার কোনও রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমাদের মেল করে জানানো হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হই।  তিলক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের ঘনিষ্ঠ। এক্ষেত্রে মন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক মুরারী মোহন মণ্ডল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়ে তিলক সরকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে,যুব তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসায় চাপ বাড়ছে শাসক দলের অন্দরে, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Conflict: ডানা ছাঁটা হল টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    Conflict: ডানা ছাঁটা হল টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যানের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  গোষ্ঠী কোন্দলে (Conflict) জেরবার টিটাগড় পুরসভা। চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দল (Conflict) এমন পর্যায় গিয়েছে যে পুরবোর্ড আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছুদিন ধরেই জেলা নেতৃত্ব বিষয়টি নজরে রাখছিল। এবার বিধানসভায় তলব করে টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউয়ের ডানা ছাঁটা হল। সোমবার সোমবার বিধানসভায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে ডেকে পাঠানো হয়। বৈঠকে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায়, বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই টিটাগড় পুরসভায় চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দলের জেরে অচলাবস্থা নিয়ে কথা হয়। ভাইস চেয়ারম্যান মহম্মদ জলিল জেলা নেতৃত্বের সামনে বলেন, চেয়ারম্যান সকলের সামনে অপমান করেছে। এভাবে বোর্ড মিটিংয়ে এই ধরনের আচরণ করতে পারে না। তাই, আমরা মিটিং ওয়াক আউট করেছিলাম। বিষয়টি জানার পর জেলা নেতৃত্ব নতুন করে কমিটি গঠন করে পুরসভা পরিচালনার কথা বলেন। ঠিক হয়েছে, গোষ্ঠী কোন্দল (Conflict) কমাতে পুরসভায় এককভাবে চেয়ারম্যান কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। একইসঙ্গে পুরসভা পরিচালনার জন্য ৯ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে কারা কারা থাকবে তা দলের পক্ষ থেকে ঠিক করে দেওয়া হয়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন ৯ জনের কমিটিতে পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, তিনজন সিআইসি, প্রাক্তন চেয়ারম্যান, টাউন সভাপতি, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি এবং যুব সভাপতিকে রাখা হয়েছে। এই আটজনের কমিটির সদস্যদের নিয়ে প্রতি মাসে বৈঠক করতে হবে বলে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এইধরনের ঘটনা নজিরবিহীন। এর আগে টিটাগড় পুরসভা পরিচালনা করতে গিয়ে দলকে এভাবে হস্তক্ষেপ করতে হয়নি। বৈঠকের পর টিটাগড় পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ বলেন, জেলা নেতৃত্ব যা নির্দেশ দিয়েছে সেই মতো এবার পুরসভা পরিচালনা হবে। নতুন কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেই সব কাজ করা হবে। অন্যদিকে,  টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বলেন, দল যা দায়িত্ব দিয়েছে, সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব।

    টিটাগড়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দল কেন? Conflict

    গত ৩ মার্চ টিটাগর পুরসভায় একটি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের কোন্দলে (Conflict) পুরবোর্ড মিটিং সরগরম হয়ে ওঠে। ভাইস চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৩ জন কাউন্সিলর পুরবোর্ড থেকে ওয়াক আউট করেন। মূলত, পুরবোর্ডে সকলের সামনে ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে চেয়ারম্যান খারাপ ব্যবহার করেন। এমনকী ৩ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বিল্ডিং অনুমোদন দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মতানৈক্য হয়। চেয়ারম্যান এক তরফাভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে বোর্ডের একটি বড় অংশ প্রশ্ন তোলে। ৩ মার্চ থেকে পুরবোর্ড আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ে। পুরসভা পরিচলনার হাল ফেরাতেই জেলা নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    Indian Army: পূর্ব সিকিমে তুষারপাতে আটকে ছিলেন ৪০০ পর্যটক, উদ্ধার করে গ্যাংটকে পাঠাল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল তুষারপাতে সিকিমে আটকে পড়েছিলেন প্রায় চারশো পর্যটক। ভারতীয় সেনার (Indian Army) ‘অপারেশন হিমরাহত’-এর দৌলতে নিরাপদে প্রত্যেকেই ফিরলেন গ্যাংটকে। পূর্ব সিকিমের চিন সীমান্তে পাহারারত ভারতীয় সেনা (Indian Army) খবর পায় পর্যটকরা আটকে পড়েছেন তুষারপাতের কারণে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ‘অপারেশন হিমরাহত’ গঠন করে পর্যটকদের উদ্ধারের কাজে কয়েকশো সেনাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

    সিকিমের কোথায় আটকে ছিলেন পর্যটকরা

    সেনা জওয়ানদের টানা ২৪ ঘণ্টার অক্লান্ত চেষ্টার ফলে রবিবার বিকেলে গ্যাংটকে নিরাপদে ফিরেছেন পর্যটকেরা। তাঁদের মধ্যে ১৭৮ জন পুরুষ, ১৪২ জন মহিলা এবং ৫০টি শিশু রয়েছে। সিকিম রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে শনিবার বিকেলে পূর্ব সিকিমের নাথু লা, ছাঙ্গু, জুলুক সমেত বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবল তুষারপাত হয়। তার জেরে আটকে পড়েন পর্যটকেরা। শনিবার দিনভর ঘুরে এঁদের কেউ তখন নাথু লা, কেউ বাবা মন্দির, কেউ আবার ছাঙ্গু থেকে গ্যাংটক ফেরার তোড়জোড় করছিলেন। কিন্তু তুষারপাত শুরু হয়ে যাওয়ায় গাড়ির চালকেরা রাজি হননি। কারণ তুষারপাতের সময়ে পাহাড়ি রাস্তায় যানবাহন চালানো কার্যত অসম্ভব। চাকার তলায় বরফ ঢুকে গেলে গাড়ি পিছলে খাদে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সেনা ছাউনিতে পর্যটকদের রাত্রিবাসের ব্যবস্থা করে জওয়ানরা

    গাড়ির চালকরা রাজি না হওয়ায় পর্যটকদের পক্ষে গ্যাংটকে ফেরা কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। এ দিকে, প্রবল ঠান্ডার মধ্যে রাত্রিবাসের অনিশ্চয়তা সংকট আরও বাড়ায়। রাতে তাপমাত্রা আরও নীচে নামতে পারে ভেবে সকলেই তখন উদ্বেগের প্রহর গুণছেন। সিকিম রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই খবর পৌঁছয় ভারতীয় সেনার (Indian Army) কাছে। সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাঁরা। শুরু হয় উদ্ধার কার্য। আটকে পড়া গাড়ি থেকে নামিয়ে আনা হয় পর্যটকদের। এর পর সেনা ছাউনিতে আশ্রয় দেওয়া হয় তাঁদের। প্রত্যেকের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়। রাতের খাবারও দেওয়া হয় উদ্ধার হওয়া প্রত্যেক পর্যটককে। এর পর মেলে রাত পার করার মতো নিশ্চিত আশ্রয়। তুষারপাতের মধ্যে তা তখন রীতিমতো জীবনদায়ী। পর্যটকদের উদ্ধার করার পরই সেনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাকেও সতর্ক করে দিয়েছিলেন জওয়ানরা। রবিবার ভোরের মধ্যেই ছাঙ্গু থেকে গ্যাংটকে ফেরার রাস্তা পরিষ্কার করে দেন সেনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কর্মীরা। অবশেষে সকলেই নিরাপদে ফিরে আসেন গ্যাংটকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Superfood: আম থেকে জাম! তাপপ্রবাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কী কী খাবেন?

    Superfood: আম থেকে জাম! তাপপ্রবাহে নিজেকে সতেজ রাখতে কী কী খাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরের ইমিউনিটি শক্তিশালী হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। বেশ কিছু খাদ্য আছে যেগুলি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রখর দাবদাহে শরীরে জলের পরিমাণও ঠিক রাখা জরুরি।

    আসুন আমরা জানি এমনই ৯টি সুপারফুড (Superfood) সম্পর্কে

    ১. তরমুজ

    তরমুজে থাকে প্রায় ৯০ শতাংশ জলীয় উপাদান এবং ৬ শতাংশ শর্করা সহ লাইকোপিন, ভিটামিন সি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি নিয়মিত ডায়েটে রাখলে তরতাজা থাকা যায় এবং শরীরে শক্তির মাত্রা বজায় থাকে।

    ২. কালো জাম

    বাঙালি বাড়িতে বেশ পরিচিত গাছ হল জাম। সাহিত্যে, গল্পে, কবিতাতেও এই জাম গাছের উল্লেখ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে থাকে প্রায় ৮০ শতাংশ জলীয় উপাদান এবং ১৬ শতাংশ শর্করা।

    ৩. আম

    ফলের রাজা আম! বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম, যা শুধু প্রদাহ কমায় না রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং উচ্চ ফাইবার উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 

    ৪. করলা

     জলীয় উপাদান ছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন কে, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ই, পাশাপাশি আয়রন, ফোলেট, পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং দ্রবণীয় ফাইবার। করলা হজমে সহায়তা করে।

    ৫. ডাবের জল

    ডাবের জলে ক্যালোরি এবং কার্বোহাইড্রেট অত্যন্ত কম থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পটাসিয়াম, সোডিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর থাকে ডাবের জল।

    ৬. তুলসীর বীজ

    এগুলিতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আলফা-লিনোলিক অ্যাসিড এবং দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে যা হাইড্রেশন, রক্তে শর্করার মাত্রা এবং হজমে সহায়তা করে।

    ৭. দই

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন দই প্রোবায়োটিক খাবার নয় তবে এতে থাকে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের একটি ভরপুর উৎস, যা দাঁত ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। তাই, এটি হজমে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

    ৮. ছাতু

    এটি একধরনের ভারতীয় সুপারফুড যা ছোলা বা যব থেকে তৈরি করা হয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এতে ভরপুর প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে। 

    ৯. কোকাম

    গ্রীষ্মকালে কোকাম ফলের শীতল শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এটি একধরনের মালাবার তেঁতুল। এতে থাকে ভরপুর ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৩, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    Road: সংস্কারের দুদিনের মধ্যেই হাত দিলেই উঠে আসছে রাস্তার পিচ! কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সংস্কারের দুদিনের মাথায় হাত দিলেই খুবলে আসছে পিচের রাস্তার (Road) চাদর। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনায় নিম্নমানের কাজে সরব গোটা এলাকাবাসী। এমনকী দুদিন আগে   গ্রামীণ সড়কের রাস্তায় (Road)  বাঁশের ব্যারিকেড বেঁধে পথ অবরোধ করেছিলেন বাসিন্দারা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কলিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের দুলিয়াবাড়ি এলাকায়। সপ্তাহ খানেক আগে  গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। তবে, সড়ক সংস্কার হলেও তা নিম্নমানের বলে অভিযোগ তুলছে বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কার হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু, কাজের গুণগতমাণ এতটাই খারাপ যে এক সপ্তাহের মধ্যে এই রাস্তা আগের মতো বেহাল হয়ে পড়বে। তাঁরা আরও বলেন,সামনেই পঞ্চায়েত ভোট।ভোট পাওয়ার আশাই মানুষকে শুধু দেখানোর জন্য এই রাস্তা(Road)  সংস্কার করা হচ্ছে।কিন্তু, আদৌও এই রাস্তা ব্যবহারের উপযোগী হবে না।ঝাড়ু দিলেই বেরিয়ে আসছে রাস্তার কঙ্কালসার চেহারা।এমনভাবে নিম্নমানের কাজ হলে পঞ্চায়েত ভোটে প্রভাব পড়বে।

    সড়ক যোজনার রাস্তাতেও কাটমানি! Road

    দুলিয়াবাড়ি থেকে অরবরা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক যোজনার বেহাল রাস্তা (Road)  সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। এই রাস্তার জন্য প্রায় ১১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এত টাকা খরচ করে সংস্কার করা হলেও কাজের গুণগতমাণ নিম্মমানের। আর এর পিছনে রয়েছে কাটমানি। বিজেপির চাঁচল-১ নম্বর ব্লকের কো-কনভেনার প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন,কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের জন্য যথার্থ অর্থ বরাদ্দ করলেও রাজ্য সরকার সেই কাজে কাটমানি বসিয়ে  নিম্নমানের কাজ করছে। ঠিকাদার সংস্থা তৃণমূল নেতাদের মোটা অঙ্কের কাটমানি দিতে গিয়েই নিম্নমানের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে, এলাকার মানুষ রাস্তা নেমে প্রতিবাদ করায় বেকায়দায় পড়েছে তৃণমূল। আসলে কাটমানির জন্যই এসব হচ্ছে। যদিও বিজেপির এই অভিযোগকে মানতে নারাজ মালদহ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি পাল্টা মন্তব্য করে বলেন,বিজেপির এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি নিজে এলাকায় যাব। কাজের গুণগত মান খতিয়ে দেখব। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন,গ্রামীণ সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে যদি পাঁচ বছরের মধ্যে কাজ খারাপ হয়, তাহলে তা ঠিকাদার বহন করবে। তাই, বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। রাস্তা (Road)  সংস্কারের কাজ ঠিকমতো হবে। আমি নিজে এই বিষয়ে উদ্যোগী হব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Signature Bank: সিলিকন ভ্যালির পর এবার দেউলিয়া সিগনেচার ব্যাঙ্ক! কী বললেন জো বাইডেন?  

    Signature Bank: সিলিকন ভ্যালির পর এবার দেউলিয়া সিগনেচার ব্যাঙ্ক! কী বললেন জো বাইডেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার পর রবিবার বন্ধ হয়ে গেল মার্কিন দেশের সিগনেচার ব্যাঙ্ক (Signature Bank)। সিলিকনের মতো তার গচ্ছিত অর্থ এবং যাবতীয় নথিপত্র অধিগ্রহণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। জানা গিয়েছে, সিলিকনের মতোই গ্রাহকদের মাঝে জনপ্রিয় ছিল নিউ ইয়র্কের সিগনেচার ব্যাঙ্ক (Signature Bank)। বহু মানুষ এই ব্যাঙ্কে ডিপোজিট করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি ব্যাঙ্কটির অগ্রগতি থমকে যায়। আমেরিকার প্রশাসন অবশ্য গ্রাহকদের আশ্বস্ত করেছে। সোমবার থেকেই তাঁরা তাঁদের অর্থ সংগ্রহ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে সচল রাখতে দেশের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলিকেও সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

    ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উপর গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন

    ব্যাঙ্কগুলির গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে বাড়তি অর্থের জোগান দেওয়ার কথা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে আমেরিকার ফেডেরাল রিজার্ভ। আমেরিকান ট্রেজারি, ফেডেরাল ডিপোজিট ইনসিওরেন্স কর্পোরেশনের সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘‘আমেরিকার অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আমরা করছি। আমাদের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উপর গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে।’’

    গত ১৫ বছরে খুচরো ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় বিপর্যয় হল আমেরিকাতে 

    আমেরিকার ষোড়শ বৃহত্তম ব্যাঙ্ক ছিল সিলিকন ভ্যালি। গত শুক্রবার ব্যাঙ্কটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দু’দিনের মাথায় দেউলিয়া হল সিগনেচার ব্যাঙ্কও। ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার পর, একেই খুচরো ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা বলা হচ্ছে। জানা গিয়েছে,  গ্রাহকদের টাকার জোগান দিতে সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নিজেদের শেয়ার বিক্রি করতে হয়। ফলে অচিরেই ব্যাঙ্কের ভাঁড়ারে টান পড়ে। কিছু দিন আগেই সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্কের তরফে যে পরিসংখ্যান দেখানো হয়েছিল, তাতে বলা হয়, ব্যাঙ্কটি গত কয়েক দিনে প্রায় ২০০ কোটি ডলার খুইয়েছে। ফলে ব্যাঙ্কের বিপর্যয় এক প্রকার নিশ্চিত হয়ে পড়ে। একই পরিণতি হল সিগনেচার ব্যাঙ্কেরও (Signature Bank)।

    কী বললেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি

    রবিবার রাতে একটি বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ‘‘আমাদের ঐতিহাসিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদকে রক্ষা করার জন্য কী ভাবে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা যায়, তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। একইসঙ্গে, যাঁরা এই ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বিপর্যয়ের জন্য দায়ী, তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Police: হিমঘরে আলুর বন্ড নিতে এসে পুলিশের লাঠিপেটা, জখম বহু চাষি, কোথায় দেখে নিন

    Police: হিমঘরে আলুর বন্ড নিতে এসে পুলিশের লাঠিপেটা, জখম বহু চাষি, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শনিবার রাত থেকে চাষিরা হিমঘরের সামনে ভিড় করেন। রবিবার হিমঘর থেকে চাষিদের আলুর বন্ড দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো চাষিরা হিমঘরের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন। রাত গড়িয়ে সকাল হতেই কয়েক হাজার চাষি সেখানে আলুর বন্ড নেওয়ার জন্য হাজির হন। কিন্তু, বহু চাষি আলুর বন্ড না পেয়ে পুলিশের (Police) হাতে মার খেয়ে হতাশ হয়ে শুকনো মুখে বাড়ি ফিরে যান। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের শ্রীকৃষ্ণপুর হিমঘরে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে অনেকে জখম হন। যদিও পুলিশের এক আধিকারিকের বক্তব্য, হিমঘরের সামনে প্রচুর জমায়েত হয়েছিল। হিমঘরের ভিতরে ঢোকা নিয়ে গন্ডগোলও হচ্ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতেই লাঠি উঁচিয়ে তাড়়া করা হয়েছিল।

    বন্ড না পেয়ে রাজ্য সরকারকেই কেন দুষছেন চাষিরা? Police

    রাজ্য সরকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের হিমঘরে আলু রাখার জন্য এবার সংরক্ষণ ঘোষণা করে। কৃষি বিপণন দপ্তরের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে যে সব চাষির নাম রয়েছে তারা বন্ড নিতে পারবেন। সরকারের এই ঘোষণায় চাষিরা মুখে হাসি ফুটেছিল। কারণ, এতদিন হিমঘরের বন্ড এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা মোটা টাকা দিয়ে বন্ড কিনে নিতেন। সেখানে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের আলু রাখার মতো ক্ষমতা ছিল না। সরকারি এই সিদ্ধান্তে চাষিরাও নিজেদের জমির আলু হিমঘরে রাখার স্বপ্ন দেখেন। কারণ, এমনিতেই খোলা বাজারে আলুর দাম কম। তাই, চাষিরা হিমঘরে আলু রাখার জন্য বন্ড নিতে আসেন। আগের দিন রাত থেকে তাঁরা লাইন দেন। সারা রাত ধরে হিমঘরের সামনে পিল পিল করে চাষিদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। রবিবার সকালে হিমঘরের গেট খুলতে বিস্ফোরণ হয়। চাষিদের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে তা সামাল দিতে পুলিশকে (Police) বেধড়ক লাঠি চার্জ করতে হয়। নজরুল ইসলাম নামে এক আলু চাষি বলেন, রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। কিন্তু, বন্ড পাইনি। পুলিশ (Police) লাঠিচার্জ করে তাড়িয়ে দিচ্ছে। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চাষিদের বক্তব্য, বন্ড বিলির নির্দিষ্ট নিয়ম থাকবে। সরকারের কোনও ভূমিকা নেই। এই সুযোগে বন্ড নিয়ে কালোবাজারি হচ্ছে। যাদের টাকা রয়েছে, তারা বন্ড কিনে রেখে দিচ্ছে। আর আমাদের মতো চাষিরা পুলিশের (Police) হাতে মার খাচ্ছে। এদিন হাজার হাজার চাষি রোদের মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পুলিশ (Police) চাষিদের সুষ্ঠুভাবে বন্ড দেওয়ার ব্যবস্থা না করে লাঠিচার্জ করে এলাকা ছাড়া করেছে। বহু চাষি জখম হয়েছেন। রাজ্য সরকারের ভুল নীতির জন্য হাজার হাজার চাষি নাকাল হচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ (Dance) করছেন এক সুন্দরী তরুণী। আর ওই তৃণমূল নেতা তা তাড়িয়ে তাড়িয়ে শুধু উপভোগ করছেন না, ওই নর্তকীর উপর টাকা ছড়াচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পান্ডবেশ্বর ব্লকের। আর ওই তৃণমূল নেতার নাম সন্তোষ পাশোয়ান। পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির তিনি কর্মাধ্যক্ষ। এই তৃণমূল নেতার এমন ছবি ভাইরাল হতেই তোলপাড় জেলার রাজনীতি। এমনিতেই চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে জেরবার শাসক দল। এরমধ্যেই পাণ্ডবেশ্বর ব্লকের এই তৃণমূল নেতার এক নর্তকীর সঙ্গে এরকম আচরণ করতে দেখে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে সন্তোষবাবু বলেন, আমি নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছিলাম। কী অনুষ্ঠান ছিল তা জানতাম না। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর আমি চলে আসছিলাম। সেই সময় এই তরুণী আমার সামনে চলে আসে। আমি তো তার সঙ্গে কোনও নাচ (Dance)  করিনি। আমি তাঁর সামনে শুধু দাঁড়য়েছিলাম। তারপরই আমি চলে আসি। সামান্য বিষয় নিয়ে বিজেপি এখন রাজনীতি করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    দলীয় নেতার সঙ্গে নর্তকীর চটুল নাচ নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব? Dance

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বুথে বুথে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক নেতার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে দলের নীচুতলার কর্মীদের মধ্যে জোর চর্চা চলছে। এই বিষয় নিয়ে পান্ডবেশ্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কিরীটি মুখোপাধ্যায় বলেন, ভিডিওটি পুরানো। বিষয়টি আমি জানতাম। পরে, ভিডিওটি দেখেছি। সন্তোষ এক জায়গায় দাঁড়িয়েছিল। ও কোনও নাচ (Dance)  করেনি। মহিলাই নাচ করছিল। তাই, আর আচরণ কোনও খারাপ ছিল না। আসলে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আমাদের সংগঠন আর উন্নয়নের সঙ্গে বিজেপি পেরে উঠছে না । তাই, এই ধরনের ভিডিও ভাইরাল করে আমাদের দলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।  ওরা নোংরা রাজনীতির করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, এবার নির্বাচনেও তৃণমূল ভাল ফল করবে।

    এই বিষয়ে বিজেপি নেতা জীতেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুধু শিক্ষা চুরি, চাকরি চুরি নয়, তৃণমূল শাসনে এই বাংলার সংস্কৃতিকেও নষ্ট করছে। ভিডিওতে ওই তৃণমূল নেতা ওই নর্তকীর উপর খোশ মেজাজে টাকা ওড়াচ্ছিল তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। একজন জনপ্রতিনিধির এই ধরনের আচরণ সমর্থণ করা যায় না। আসলে যে দলে দুর্নীতির জন্য একের পর এক নেতা জেলে যাচ্ছেন তাদের কাছে এসব চটুল নাচ কিছুই নয়। তবে, এটা বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Virat Kohli: প্রায় সাড়ে তিন বছর পর টেস্টে শতরান বিরাটের 

    Virat Kohli: প্রায় সাড়ে তিন বছর পর টেস্টে শতরান বিরাটের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে শেষবার টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন বিরাট। এরপর দীর্ঘ তিন বছর পর ফের লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান এল বিরাট কোহলির (Virat Kohli) ব্যাট থেকে। আহমেদাবাদে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্টে দুরন্ত শতরান হাঁকান বিরাট। ১৮৬ রানের ইনিংস খেললেন বিরাট। এই শতরান হাঁকিয়েই নতুন ইতিহাস গড়লেন ভারতের তারকা ব্যাটার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে এটাই বিরাটের সর্বকালের সর্বোচ্চ স্কোর। কোহলি বরাবার আগ্রাসী ব্যাটিং করতেই দেখা যায়। কিন্তু আহমেদাবাদে দেখা গেল অন্য বিরাটকে ঠান্ডা মাথায় নিজের ইনিংস গড়েন। ২৪১ বলে শতরান করেন তিনি। যার মধ্যে কেবল ৫ বাউন্ডারি মারেন। অর্থাৎ ৮০ রান সিঙ্গেলে নিয়েছেন কোহলি। ফলে লাল বলে ক্রিকেটে শতরানের খরা কাটাতে কম কষ্ট করতে হয়নি বিরাটকে।

    এটি ছিল তাঁর কেরিয়ারের ২৮ তম শতরান

    কোহলি নিজের টেস্ট কেরিয়ারের ২৮তম শতরান পূর্ণ করেন। সব থেকে টেস্ট সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটারদের তালিকায় তিনি পিছনে ফেলে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রেম স্মিথ ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যালান বর্ডারকে। এই নিরিখে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল ক্লার্ক ও দক্ষিণ আফ্রিকার হাসিম আমলাকে।
    অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে এটি কোহলির ৮ নম্বর সেঞ্চুরি। এই নিরিখে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন সুনীল গাভাসকরকে। ভারতীয়দের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি ১১টি টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন সচিন তেন্ডুলকর। তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোহলির এটি ১৬ নম্বর আন্তর্জাতিক শতরান।

    দেশের মাটিতে ৫০তম টেস্ট খেলছেন বিরাট

    দেশের মাটিতে এটি বিরাট কোহলির (Virat Kohli) ৫০তম টেস্ট ম্যাচ। কেরিয়ারের স্মরণীয় ম্যাচে আরও একটি নজির গড়েন বিরাট কোহলি। দেশের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে ৪ হাজার রান পূরণ করেন বিরাট কোহলি। ৫৯ রান করতেই এই রেকর্ড করেন কোহলি (Virat Kohli)।

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ৭৫ তম শতরান করলেন বিরাট কোহলি। যা একমাত্র সচিন তেন্ডুলকরের রয়েছে। শততম সেঞ্চুরিরও একমাত্র মালিক সচিন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ শতরানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আগেই পৌছে গিয়েছিলেন বিরাট (Virat Kohli) এখন। সামনে শুধু সচিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share