Blog

  • ABVP: ফেসবুক পোস্ট করে গ্রেফতার এবিভিপি নেতা, প্রতিবাদে সরব নেটিজেনরা

    ABVP: ফেসবুক পোস্ট করে গ্রেফতার এবিভিপি নেতা, প্রতিবাদে সরব নেটিজেনরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বাক স্বাধীনতা হরণের অভিযোগ উঠল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট করার কারণে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের এক এবিভিপি ছাত্র নেতাকে অন্যায়ভাবে  গ্রেফতার করল পুলিশ। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে সমগ্র জেলা জুড়ে।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে ২৩ বছর বয়সী কৌশিক সাহা বর্তমানে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সোশ্যাল মিডিয়া প্রমুখের দায়িত্বে রয়েছেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কৌশিক নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে পোস্ট করে জানতে চান, “ওপার বাংলায় জমি বাড়ি রেখে কেন আমাদের এপার বাংলায় চলে আসতে হল”? এই পোস্ট ২৭ ফেব্রুয়ারি করা হলেও কৌশিককে তপন থানার পুলিশ গ্রেফতার করে ১ মার্চ। শোনা যাচ্ছে, নিজের এলাকাতে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়াতে কৌশিককে দীর্ঘদিন ধরেই চাপে রাখার কৌশল নিচ্ছিল স্থানীয় শাসকদলের নেতারা। মূলত তাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই কৌশিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

    কোন কোন ধারায় মামলা দায়ের করা হল কৌশিকের বিরুদ্ধে

    জানা গিয়েছে কৌশিকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি ২৯৫-এ, ৫০৪, ৫০৫ এবং আইটি অ্যাক্ট ৬৬, ৬৭ অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে তপন থানার পুলিশ। বর্তমানে সে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সংশোধনাগারে রয়েছে, তাকে ১১ দিনের জন্য জেল হাজত দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন এবিভিপির উত্তরবঙ্গের নেত্রী

    এবিভিপির উত্তরবঙ্গ জোনের সহ সভাপতি গার্গী মণ্ডল বলেন, কৌশিক নামের ছেলেটি বাংলাদেশ থেকে আগত একটি উদ্বাস্তু হিন্দু পরিবারের শিক্ষিত ছেলে। সে ফেসবুকের মাধ্যমে তার মনের আবেগ প্রকাশ করে একটি পোষ্ট করে। সেখানে কোনও ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠীকে আক্রমণ করা হয়নি। অথচ সেই পোষ্টকে কেন্দ্র করে এই স্বৈরাচারী সরকারের তৃণমূলের দলদাস পুলিশ কিছু তৃণমূলের নেতার কথায় ছেলেটিকে থানায় ডেকে গ্রেফতার করে এবং পরদিন তাকে ১১ দিনের জেল হেফাজত দেয়। এই সরকার তার দলদাস পুলিশ প্রশাসনকে অপব্যবহার করে জনসাধারণের বাকস্বাধীনতাকে হরণ করতে চাইছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি এবং অবিলম্বে কৌশিক সাহার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।

    কী প্রতিক্রিয়া বিজেপি বিধায়কের

    উত্তরবঙ্গের বিজেপি বিধায়ক তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, ভয়ানক অবস্থা চলছে সারা রাজ্য জুড়ে। ঠিক যেন জরুরি অবস্থা, বাক স্বাধীনতার অধিকার আমাদের সংবিধান দিয়েছে, অথচ তা লঙ্ঘিত হচ্ছে এ রাজ্যে। তৃনমূল সরকারের আমলে মানুষের মৌলিক অধিকার বলে কিছু নেই।

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে প্রতিবাদে সরব হয়েছে নেটিজেনরা। কৌশিকের ছবি ব্যবহার করে ‘নিঃশর্ত মুক্তি চাই’ হ্যাশ ট্যাগ লিখে প্রচার চলছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

     

  • Tmc Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই নিয়ে এমনকাণ্ড, নামল পুলিশও, কোথায় দেখে নিন?

    Tmc Candidate: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই নিয়ে এমনকাণ্ড, নামল পুলিশও, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে শাসক দল। সামনের পাঁচ বছরের ক্ষমতার রাশ কার দখলে থাকবে তা নিয়ে এখন দলের অন্দরে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে। পঞ্চায়েতে কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে দলের অন্দরেই চর্চা শুরু হয়েছে। আর এই প্রার্থী বাছাই নিয়ে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহেরা নিল মালদহের হরিশচন্দ্রপুর-১ ব্লকের মহেন্দ্রপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। এই পঞ্চায়েতের মহেন্দ্রপুর বুথ কমিটির বৈঠকে দলীয় প্রার্থী (Tmc Candidate) ঠিক করা নিয়ে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।  ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    বুথ কমিটির বৈঠকে কী নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত? Tmc Candidate

    মহেন্দ্রপুর গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের নাম মহম্মদ মুজাহিদ। এবার এই বুথে শাসক দলের প্রার্থী (Tmc Candidate)কে হবেন তা নিয়ে হাইস্কুল মাঠে বুথ কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে প্রার্থী হওয়া নিয়ে নাম সংগ্রহ করা হয়। আলোচনার মাধ্যমে দলীয় সদস্য মুজাহিদের পাশাপাশি তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা জাকির হোসেনের নাম ওঠে। অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন এই নাম নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা বাধে। পরে, হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। এই বিবাদ বাড়ি পর্যন্ত পৌঁচ্ছে যায়। মুজাহিদের অনুগামীরা জাকিরের বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে সোহেল আক্তারকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। সোহেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এই বিষয়ে আক্রান্ত তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা জাকির হোসেন বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী (Tmc Candidate) হওয়া নিয়ে ঝামেলা। এখন যে পঞ্চায়েত সদস্য আছে সে তার দলবল নিয়ে আমার বাড়িতে ঢুকে মারধর করেছে। আমার ছেলের অবস্থা খুব খারাপ। আমি ওদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সদস্য মহম্মদ মুজাহিদ বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছি। এবারেও প্রার্থী (Tmc Candidate) হিসেবে আমার নাম প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। সেই জন্যই এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

    তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে বিরোধীরা কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। মহেন্দ্রপুর অঞ্চল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুস শোভান বলেন, যত ভোটের দিন এগিয়ে আসবে তৃণমূলের কোন্দল তত বাড়বে। এদের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। সাগরদিঘি উপ নির্বাচনে ভরাডুবি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এখন বিদায় বেলায় তারা নিজেদের মধ্যেই ঝামেলা করে শেষ হবে। এই ঘটনায় আদতে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় কোন্দল নিয়ে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বসু সাফাই দিয়ে বলেন,তৃণমূল বড় দল।একই আসনে অনেক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে।মতান্তর হতেই পারে।এই নিয়ে বিরোধীরা অযথা রাজনীতি করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitaraman: রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র, বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেচে দেওয়ার জন্য উন্মাদের মতো ছুটছে না কেন্দ্র। যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা চালানো হবে। এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman)। তিনি আরও বলেন, প্রতিরক্ষা, টেলিকম-সহ চারটি বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থার উপস্থিতি থাকবে।

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ একথা বলেন তিনি

    শনিবার ‘রাইসিনা ডায়লগ’-এ তিনি বক্তব্য রাখছিলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতি অনুযায়ী চার বৃহত্তর ক্ষেত্রে সরকারের মালিকাধীন পেশাদারি সংস্থা থাকবে। অর্থাৎ ওই ক্ষেত্রগুলিতে সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণের পথে হাঁটবে না কেন্দ্রীয় সরকার। ওই চারটি ক্ষেত্র হল – পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা; পরিবহণ ও টেলিযোগাযোগ; শক্তি, পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ এবং ব্যাঙ্কিং, বিমা ও আর্থিক পরিষেবা।

    নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitaraman) এদিন আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সংক্রান্ত নীতিতে বলা হয়নি যে পিন তৈরি থেকে শস্য- সব ব্যবসা চালাবে সরকার। তাই যে ক্ষেত্রে সরকারের (ব্যবসা চালানোর) প্রয়োজন নেই, সেখানে চালাবে না। কিন্তু কৌশলগত স্বার্থে যেখানে সরকারকে (রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা) চালাতে হবে, সেখানে চালাতে হবে। যেমন টেলিকমের ক্ষেত্রে (সরকার ব্যবসা চালিয়ে যাবে)।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘একটি টেলিকম সংস্থা (বিএসএনএল যেমন আছে) থাকবে, যে সংস্থার মালিক হবে সরকার এবং সেই সংস্থাকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে চালানো হবে।’

    বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, যে প্রতিষ্ঠানগুলি বড় এবং নিজেদের ক্ষমতায় চলতে পারবে, সেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি চলতে থাকবে। কিন্তু যে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি ছোটো, অলাভজনক এবং আখেরে কোনও লাভের মুখ দেখাচ্ছে না, সেগুলিকে সম্ভব হলে বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যাতে ওই সংস্থাগুলি নিজেদের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে এবং নিজের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    Goutam Adani: আদানির প্রশংসায় পঞ্চমুখ অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবট এদিন ভূয়সী প্রশংসা করলেন আদানি গোষ্ঠীর (Goutam Adani)। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মানুষ বিনিয়োগের কারণে আদানির (Goutam Adani) প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। অস্ট্রেলিয়ার সার্বিক উন্নয়নে আদানিদের অবদান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন অ্যাবট।

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এদিন সাক্ষাৎকার দেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী

    একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এদিন আদানিকে সমর্থন করে অ্যাবট বলেন, ‘‘অভিযোগ করা খুব সহজ। কোনও একটা অভিযোগ করা হয়েছে বলেই তা সত্যি হয়ে যায় না। আমি যত দূর জানি, দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।’’

     তিনি আরও বলেন, ‘‘যদি সত্যিই কোথাও কিছু গোলমাল থেকে থাকে, তা নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবেন। তবে আমি আদানিদের (Goutam Adani) প্রতি কৃতজ্ঞ। ওঁরা অস্ট্রেলিয়ার উপর যে ভাবে ভরসা রেখেছেন, তাতে আমাদের দেশের অনেক উপকার হয়েছে।’’

     

    অস্ট্রেলিয়াতে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর

    প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ায় আদানি (Goutam Adani) গোষ্ঠীর কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। অ্যাবট জানিয়েছেন, আদানিদের ওই বিনিয়োগের ফলে তাঁদের দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে, দেশের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে।  গত বছর অস্ট্রেলিয়া সরকারের সঙ্গে আদানিদের একটি চুক্তি হয়। যার মাধ্যমে সে দেশের কয়লা আদানিদের হাত ধরে ভারতে এসে প্রত্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি মেটাবে।

    আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে

    জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে আমেরিকার লগ্নি সংক্রান্ত গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ এনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এমন আবহে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এই ভারতীয় শিল্পগোষ্ঠীকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    Tmc Leader: দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে দলীয় নেত্রীকে ঘিরে কেন বিক্ষোভ তৃণমূলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েতে প্রার্থী ঠিক করতেও কাটমানি! এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদুল শেখের বিরুদ্ধে। তিনি আদতে ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়ত প্রধানের স্বামী। আর স্থানীয় এই তৃণমূল নেতাকে মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ তথা ইংরেজবাজার ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহের বিরুদ্ধে। ফলে, দলীয় নেতাদের এই আচরণে শাসক দলের একাংশ বহুদিন ধরেই ক্ষোভ ফুঁসছিলেন। ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দলীয় ব্লক সভানেত্রী প্রতিভা সিংহ দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীদের একাংশ কার্যত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ থেকে বাঁচতে দলীয় নেত্রী ও তাঁর অনুগামীদের রীতিমতো কসরত করতে হয়। আর এই ঘটনায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই শাসক দলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মীরা কেন বিক্ষোভ দেখালেন?

    ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মহিলা। তাঁর স্বামী জাহিদুলই বকলমে পঞ্চায়েত চালান বলে দলের একাংশের অভিযোগ। শুধু পঞ্চায়েত পরিচালনা নয়, আর্থিক সিদ্ধান্ত নিজের মতো করে নেন তিনি। দলের গ্রাম পঞ্চায়ত সদস্যদের তিনি পাত্তা পর্যন্ত দেন না। ফলে, দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যদের পাশাপাশি দলের একটি বড় অংশ তাঁর আচরণে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। দলীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর নামে দরবার করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের চোরাস্রোত বইছিল। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, জাহিদুল পঞ্চায়েতকে ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। এখন দল একে অঞ্চল কমিটির চেয়ারম্যান করেছেন। সেই পদ ভাঙিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী করার টোপ দিয়ে তিন-চার লক্ষ টাকা করে তুলছেন। দলীয় সভানেত্রী দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে আসতেই দলীয় কর্মীদের একাংশ নিজেদের ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি। দলীয় ঝান্ডা হাতে নিয়ে দলীয় নেত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের তৃণমূলের কর্মাধ্যক্ষ প্রতিভা সিংহ বলেন, দলের অন্দরে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া হবে। আর যার বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ সেই জাহিদুল শেখ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অভিযোগ তুলে আদালত পর্যন্ত ওরা গিয়েছিল। জেলা প্রশাসনও সমস্ত বিষয়টি জানে। কিন্তু, অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Harmanpreet Kaur: “স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত”, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জয়ে উচ্ছ্বসিত হরমনপ্রীত

    Harmanpreet Kaur: “স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত”, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জয়ে উচ্ছ্বসিত হরমনপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার নাভি মুম্বইতে মহিলা প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ,গুজরাট জায়ান্টসকে ১৪৩ রানে পরাজিত করার পরে অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur) এটিকে “স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মুহূর্ত” বলে অভিহিত করেছেন। মহিলা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং গুজরাট জায়েন্টসের মধ্যে খেলা হয়। এই ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন। এই ইনিংসে ইতিহাস তৈরি করেন তিনি। এই ম্যাচে তিনি ৩০ বলে ৬৫ রান করেন।  

    তাঁর ব্যাট থেকে এদিন ১৪টি চার আসে। হরমনপ্রীত কৌরের ফর্ম দেখে গ্যালারিতে দর্শকরা বিস্মিত। হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur) মহিলা প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত অভিষেক করেন। তার ইনিংস বছরের পর বছর মনে থাকবে সকলের। হরমনপ্রীত কৌর তার ইনিংসের জোরে এই ম্যাচে মুম্বাই দলকে ২০৭ রানে পৌঁছে দেন।   

    দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর (Harmanpreet Kaur)। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরিও করেছিলেন তিনি। যদিও এই ম্যাচে রানআউট হয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক থাকার পরামর্শ কেন্দ্রের 

    ম্যাচ-পরবর্তী উপস্থাপনায় হরমনপ্রীত বলেছেন, “এটি একটি দুর্দান্ত শুরু ছিল। স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো অনুভব করছি….প্রথম দিন। আমরা আশা করছিলাম সবকিছুই ভালো হবে। ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতিটি বিষয়কে সহজ এবং স্বাভাবিক রেখেছি। খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলতে বলেছি। এটি মহিলাদের ক্রিকেটের জন্য একটি বড় দিন।”

    হরমনপ্রীত (Harmanpreet Kaur) বলেন, “আমি শুধু ভেবেছিলাম আমি বলে চোখ রাখব এবং তার জবাব দেব। আমি খুব বেশি ভাবব না, এবং পরিবর্তে পরিস্থিতির ওপর আমার প্রতিক্রিয়া নির্ভর করবে। এটি কেবল শুরু। এটি একটি শেখার অভিজ্ঞতা ছিল এবং আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসব।” 

    তিনি আরও বলেন, “এটা নিশ্চিত একটি সুযোগ। কিন্তু আমি চাই, যে দল যেন তাদের ভুলের পুনরাবৃত্তি না করে। আমি মেয়েদের বলব মাথা উঁচু করে থাকতে এবং আজ থেকে এটাই  শিখতে। অবশ্যই আমরা ভালো পারফর্ম করব।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    Bamboo Crash Barrier: দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার চালু হল মহারাষ্ট্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সড়কপথের পাশে রোড ব্যারিয়ার সকলেই লক্ষ্য করে থাকি। যা সাধারণত স্টিলের হয়ে থাকে, এবার দেশে প্রথম বাঁশের রোড ব্যারিয়ার দেখা গেল মহারাষ্ট্রে চন্দ্রপুর থেকে যাবাতমল অবধি। ২০০ মিটারের এই বাঁশের তৈরি ব্যারিয়ার ইতিমধ্যে ‘বাহুবলী’ নামের তকমাও পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    কী বললেন সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী

    ভারতবর্ষে এমন বাঁশের রোড ব্যারিয়ার এই প্রথম বলে এদিন ট্যুইটও করেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী। তিনি বলেন, এই প্রকল্প এককথায় পরিবেশ বান্ধব। স্টিলের বিকল্পও বটে, আত্মনির্ভর ভারতের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছি আমরা। তাঁর আরও সংযোজন, গ্রামীণ ভারতের কুটিরশিল্পের অন্যতম উপাদান হল বাঁশ। বাঁশের তৈরি নানা সরঞ্জামের চাহিদাও রয়েছে। তাই এই কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা রয়েছেন তাঁরা উপকৃত হবেন বলেই আশা করছি।

    জানা যাচ্ছে, ব্যারিয়ার তৈরির আগে বাঁশগুলির উপরে রীতিমতো পরীক্ষা নিরীক্ষা চলানো হয় National Automotive Test Tracks (NATRAX) এ। তারপরেই ছাড়পত্র মেলে রোড ব্যারিয়ার তৈরির।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার! 

     

    আরও পড়ুন: হোলি খেলতে ভালো লাগলেও রাসায়নিককে ভয়? বাড়িতেই বানিয়ে নিন ভেষজ রং

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

     

  • Tea Stall:  বাহাত্তর বছরের চায়েওয়ালার জীবন যুদ্ধের কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    Tea Stall: বাহাত্তর বছরের চায়েওয়ালার জীবন যুদ্ধের কাহিনী জানলে চমকে উঠবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এভাবেও ঘুরে দাঁড়ানো যায়। চাঁপদানী ফাঁড়ির সামনে অর্জুন টি স্টলের (Tea Stall) মালিক বছর বাহাত্তরের অর্জুন রাজভর তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যে সময় মানুষ অবসর জীবন কাটান, সেই বয়সে দাঁড়িয়ে তিনি ভোর থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন।  ভোর থেকে রাত দশটা পর্যন্ত তাঁর চায়ের দোকানে (Tea Stall)  ভিড় লেগে থাকে। এই অল্প সময়ের মধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তাঁর এই চায়ের দোকান।

    কীভাবে গড়ে উঠল এই অর্জুন টি স্টল? Tea Stall

    দোকানের মালিক  অর্জুনবাবুর বাড়ি  চাঁপদানীর ফেসুয়াবাজারে। এই দোকান তৈরি হয়েছে মাসখানেক আগে। তৈরি করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই চায়ের দোকানের (Tea Stall)  পিছনে রয়েছে এক লম্বা ইতিহাস। আসলে এই চায়ের দোকানের মধ্য দিয়েই এক জন যাবজ্জীবন কয়েদিকে তার মেয়াদ পূর্ন হবার পর নতুন ভাবে পথ চলার পথ খুলে দেন জেলা প্রবেশন অফিসার মনোজ রায়। অতীত আর মনে রাখতে চাননা অর্জুনবাবু। একসময় তিনি একটি কারখানার গাড়ির চালক হিসেবে জীবন শুরু করেছিলেন। কিন্তু, ছেলের অসুখকে কেন্দ্র করে কিছু অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় মালিকপক্ষের সঙ্গে তাঁর বিবাদ বাধে। খুনের মামলায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। সেটা ২০০৪ সাল। খুনে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়। ঠাঁই হয় প্রেসিডেন্সি জেলে। প্রায় ১৭ বছর সংশোধনাগারে কাটিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। সংশোধনাগারে তাঁর ভালো আচরণের জন্য জেলা প্রবেশন অফিসারের সুনজরে পরে যান তিনি। সেই অফিসার মনোজ রায় জেলাশাসকের কাছে দরবার করে আইনগত ভাবে অর্জুনকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেন। আর তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী নিয়ে অর্জুনবাবু বলেন, পুরোনো দিনের কথা আর মনে রাখতে চাইনা। কিছু ভুল করেছিলাম। তার শাস্তি পেয়েছি। শাস্তি দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তাঁর আরও সংযোজন, যাঁরা শাস্তি দিলেন তাঁরাই আবার আমায় সাহারা দিয়েছেন। এরজন্য আমি সরকারি আধিকারিক দের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। শুধু যে ভালোভাবে তিনি দোকান চালাচ্ছেন তা নয়, দোকানে মাইনে দিয়ে দু জন কর্মচারীও রেখেছেন তিনি। জীবন সায়াহ্নে এসে তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইকে সকলেই কুর্ণিশ জানাচ্ছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৬): ১৫ বছর ধরে আটকে পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    Indian Railways: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৬): ১৫ বছর ধরে আটকে পাঁশকুড়া-ঘাটাল রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মোট ৪৪টি প্রকল্প আটকে রয়েছে রেলের (Indian Railways)। অভিযোগ রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা এবং জমি জটিলতার কারণে এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন করতে পারছে না রেল। রেল সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পগুলির মোট বাজেট ধরা হয়েছে ৯,২২৫ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মোট ১০৪৯ কিমির এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত রেল কিন্তু জমি জটের কারণেই নাকি এই প্রকল্পগুলি এগোচ্ছেনা। রেলের দাবি, কয়েকটি প্রকল্পের জন্য জমি কিনতে রাজ্য সরকারকে টাকাও দেওয়া হয়েছিল! কিন্তু রাজ্য সরকার কোনও জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি। রেল আবার রাজ্য সরকারকে চিঠি দেয় ওই টাকা ফেরতের জন্য। রেল (Indian Railways) বলছে, রাজ্য সরকারের এমন অসহযোগিতার কারণে তারা প্রকল্প আপাতত বন্ধ রেখেছে।

    ১৫ বছর ধরে আটকে ঘাটাল-পাঁশকুড়া রেলপথ নির্মানের কাজ

    ২০০৮ সালে ঠিক হয় রেলপথের মাধ্যমে জোড়া হবে পাঁশকুড়া এবং খড়গপুরকে (৪৪ কিমি)। পাশাপাশি পাঁশকুড়া ও ঘাটালের মধ্যেও রেললাইন পাতার পরিকল্পনা নেওয়া তখন কিন্তু গত ১৫ বছরে সম্পন্ন হয়েছে শুধুমাত্র পাঁশকুড়া ও খড়গপুরের মধ্যে লাইন সম্প্রসারণের কাজ। এখনও থমকে রয়েছে পাঁশকুড়া ও ঘাটালের মধ্যে ৩২ কিমি রেল সম্প্রসারণের কাজ। সেসময় এই প্রকল্পের জন্য ১০৬৪ কোটি টাকা বরাদ্দও করে রেলমন্ত্রক। কিন্তু জমি জটের কারণেই নাকি আটকে রয়েছে এই প্রকল্প। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এলাকার মানুষজন। রেলের অভিযোগ রাজ্য সরকারের জমিনীতির কারণেই আটকে রয়েছে এই প্রকল্প।

     

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৫): ২৩ বছর ধরে আটকে নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগর রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৪): ১৬ বছর ধরে আটকে দাঁইহাট-মন্তেশ্বর-মেমারি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

     জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৩): ২৩ বছর ধরে আটকে রায়গঞ্জ-ডালখোলা রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১২): ২৫ বছর ধরে আটকে বাঁকুড়া-মুকুটমণিপুর রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১১): ১৮ বছর ধরে আটকে সিউড়ি-প্রান্তিক রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১০): আপাতত ঠাণ্ডা ঘরে আরামবাগ-বোয়াইচণ্ডী রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৯): ১৩ বছর ধরে আটকে দিঘা-জলেশ্বর প্রকল্পের কাজ

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৮): থমকে রয়েছে কালিয়াগঞ্জ বুনিয়াদপুর রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৭): তেরো বছরেও সম্পূর্ণ হয়নি বালুরঘাট-হিলি রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৬): একযুগ অতিক্রান্ত! বিশ বাঁও জলে হাসনাবাদ-হিঙ্গলগঞ্জ রেলপ্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৫): দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় বিশ বাঁও জলে ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৪): থমকে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ৪ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-৩): প্রায় ৪০ বছরেও সম্পূর্ণ হল না উত্তর দিনাজপুর জেলার ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-২): প্রায় ৫০ বছরেও শেষ হলনা হুগলির ৩ প্রকল্প

    জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১): ১৩ বছরের প্রাপ্তি ৮টি স্তম্ভ! জমি জটে বিশ বাঁও জলে আমতা-বাগনান রেল প্রকল্প

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

     

  • Minority Rights: ‘পাকিস্তানের নীতির কারণেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে’, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত  

    Minority Rights: ‘পাকিস্তানের নীতির কারণেই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে’, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) নীতির কারণেই গোটা বিশ্বে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদে একথা বলেন রাষ্ট্রসংঘে (UN) ভারতে (India) প্রতিনিধি সীমা পূজানি। সম্প্রতি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকে আঙুল তোলে ইসলামাবাদ। পাক বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হিনা রব্বানি খারের দাবি, নয়াদিল্লির কারণেই তাঁদের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এই ইস্যুতে জবাবের অধিকার প্রয়োগ করে এদিন কড়া জবাব দেন সীমা পূজানি। তিনি বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানে কোনও সংখ্যালঘু (Minority Rights) মানুষ মুক্তভাবে তাঁর ধর্মাচরণ করতে পারেন না। এর পরেই তিনি বলেন, পাকিস্তানের নীতির জন্যই তামাম বিশ্বে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। সীমা বলেন, গত এক দশকে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ক্ষেত্রে ৮ হাজারের বেশি অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

    সংখ্যালঘুর অধিকার (Minority Rights)…

    সীমা বলেন, বর্তমান সময়ে পাক নাগরিকরা মারাত্মক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু সেদিকে আদৌ নজর নেই পাক সরকারের। উল্টে সব সময় ভারতকে নিয়েই পড়ে রয়েছে ইসলামাবাদ। এতেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতকে নিয়ে কতটা আবিষ্ট হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। তিনি বলেন, আসলে বর্তমান সময়ে নিজেদের অগ্রাধিকার বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে ইসলামাবাদ। তিনি বলেন, পাক নেতৃত্বকে আমার উপদেশ, এই সব ভিত্তিহীন প্রচার বাদ দিয়ে নিজেদের নাগরিকদের সুখ-দুঃখ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করুন।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    কিছু দিন আগেই জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন তুরস্কের প্রতিনিধি (Minority Rights)। তাঁর মন্তব্যকে সমর্থন করে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন। এদিন এ প্রসঙ্গে সীমা বলেন, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের অযাচিত মন্তব্য আমরা অগ্রাহ্য করছি। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং চিরকালই থাকবে। তিনি বলেন, পাকিস্তান বেআইনিভাবে ভারতের এলাকা দখল করে রেখেছে।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় নাম না করে ভারতকে আক্রমণ করেন হিনা। আমাদের প্রতিবেশী (Minority Rights) দেশে বিপুল পরিমাণে প্রথা বহির্ভূত অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। এর জেরই গোটা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে। পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে। শুধু তাই নয়, নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে পরমাণু অস্ত্রের দিকে বারবার ঝুঁকেছে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম দেশটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
LinkedIn
Share