Blog

  • Obesity: দিন দিন স্থূলতা বাড়ছে ভারতীয়দের! দেশের অর্থনীতিতে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    Obesity: দিন দিন স্থূলতা বাড়ছে ভারতীয়দের! দেশের অর্থনীতিতে এর কী প্রভাব পড়ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকে ওয়ার্ল্ড ওবেসিটি ডে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়তি ওজন বা ওবেসিটি (Obesity) বিভিন্ন ক্রনিক রোগকে টেনে আনে। শুধু কী তাই! গবেষকরা বলছেন, যতদিন যাচ্ছে ওবেসিটির প্রভাব ব্যাপক ভাবে পড়ছে অর্থনীতির ওপরেও। একটি রিপোর্ট বলছে, ওবেসিটির কারণে ২০৩৫ সালের মধ্যেই ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষতি হতে চলেছে বেশ কয়েক হাজার হাজার কোটি টাকা।

    এই রিপোর্ট পাবলিশ করেছে  World Obesity Federation নামের একটি সংস্থা। ওই সমীক্ষায় আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে প্রতিবছর ওবেসিটির (Obesity) সমস্যা ৫.২ শতাংশ হারে বাড়বে, অন্যদিকে বাচ্ছাদের মধ্যে এই প্রবণতা ৯.১ শতাংশ করে বাড়বে। চিকিৎসকরা বলছেন, BMI যদি ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে থাকে, তবে তাকে বাড়তি ওজন বলে, অন্যদিকে ৩০ এর বেশি BMI চলে গেলে তাকে ওবেসিটি বলা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন গত কয়েক দশকে ভারতীয়দের মধ্যে গড় স্থূলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। National Family Health Survey (NFHS) এর একটি রিপোর্ট বলছে ২০০৬ সালে ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে ওবেসিটির প্রবণতা ছিল ৯.৩ শতাংশ অন্যদিকে এই প্রবণতা ২০২১ সালে দাঁড়িয়েছে ২২.৯ শতাংশে। মহিলাদের মধ্যে এই প্রবণতা ছিল যথাক্রমে ১২.৬ এবং ২৪ শতাংশ।

    ওবেসিটি কীভাবে প্রভাব ফেলবে ভারতীয় অর্থনীতির ওপর

    রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ২০৩৫ সাল অবধি ওবেসিটির কারণে স্বাস্থ্যবিষয়ক খরচ হতে চলেছে ৮৪৩ কোটি টাকা। ওবেসিটির জন্য অপরিণত বয়সে মৃত্যুর কারণে ক্ষতি হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। আরও অন্যান্য নন মেডিক্যাল ক্ষতি ১৭ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। ওবেসিটির দরুণ প্রভাব পড়বে কর্মজগতেও। ওবেসিটির কারণে কর্মক্ষমতা কমার ফলে ক্ষতি হবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এবং এর ফলে যে উৎপাদন কমবে সেখানে ক্ষতি হতে পারে ৯০০ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

      
     

     

  • Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    Magician: জাদুকরের ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে ভ্যানিশ হয়ে গেল বধূ, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জাদু সম্রাট জুনিয়র পিসি সরকারের (PC Sarkar) জাদুর ভেলকিতে কিছুক্ষনের জন্যই কলকাতার ভিক্টোরিয়া বিল্ডিং ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছিল। নব্বইয়ের দশকে রাজ্যবাসীর অনেকেই সেই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। এবার রাকেশ পাহাড়ি নামে অন্য এক কুখ্যাত জাদুকরের (Magician) হদিশ মিলেছে। তাঁর হাতযশের ক্যারিশমা এখন হারে হারে টের পাচ্ছেন মালদহের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিপুর গ্রামের বাসিন্দারা। কারণ, জাদুকরের (Magician)হাতযশে গ্রামের বহু বধূর সোনার গয়না উধাও হয়ে গিয়েছে। আর তাঁর জাদুর ভেলকিতে স্বামীর ঘর থেকে গৃহবধূ ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে। হন্যে হয়ে সেই জাদুকরকে খুঁজছে গোটা শান্তিপুর গ্রাম।

    শান্তিপুরে গিয়ে জাদুকর আর কী কী ভেলকি দেখিয়েছেন?

    কিছুদিন আগে নিছক সাইকেল খেলা দেখাবেন বলেই গ্রামে ঘাঁটি বেঁধেছিলেন জাদুকর(Magician) রাকেশ পাহাড়ি। সুঠাম চেহারা, তেমনি মুখে মিষ্টি কথা। তাঁর হাতে ভেলকি ছিল চোখ জুড়ানো। কচিকাঁচা থেকে গ্রামের সকলেই তাঁর জাদুতেই মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন। সোনা ডবল করার টোপও দিয়েছিলেন তিনি। সেই ফাঁদে পড়ে গ্রামের অনেক বধূ নিজের কানের সোনার দুল, হাতের বালা, আংটি জাদুকরের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আর জাদুকরের (Magician) মিষ্টি কথার জাদুতেই মজে গিয়েছিলেন প্রসেনজিত্ রায়ের অষ্টাদশী স্ত্রী খুশি রায়। তাঁর জাদুর (Magician) ভেলকি এতটাই নিখুঁত ছিল যে স্ত্রীর মন চুরি হওয়ার খবর স্বামীও টের পাননি। স্ত্রীকে হারিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন প্রসেনজিত্ রায়। তিনি বলেন, গ্রামে এসে জাদুকর খুব সুন্দর খেলা দেখাতেন। কথাবার্তাও তাঁর খুব ভালো ছিল। গ্রামের সকলের সঙ্গে ওর সখ্যতা হয়ে গিয়েছিল। সোনা, টাকা ডবল করার প্রলোভন দেখিয়ে বহু বাসিন্দাদের সর্বস্ব লুঠ করেছেন ওই জাদুকর। তবে, কখন যে আমার স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা টের পাইনি। জাদুকরের (Magician) হাত ধরে চলে যাওয়ার পরই আমাদের টনক নড়ে। ততক্ষণে ওই জাদুকর আমাদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে। তবে, শুধু খুশি রায়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন নন,অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গোটা গ্রাম।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জাদুকরের (Magician)  বাড়ি নদিয়া জেলায়। তবে, সেটা তাঁর আসল বাড়ি কি না তা এখনও পরিষ্কার নয়। এই বিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, ওই জাদুকরের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Saptahik Rashifal: কী বলছে আগামী ৭ দিনের ভাগ্যরেখা? সাপ্তাহিক রাশিফল ৫-১১ মার্চ

    Saptahik Rashifal: কী বলছে আগামী ৭ দিনের ভাগ্যরেখা? সাপ্তাহিক রাশিফল ৫-১১ মার্চ

      মেষ রাশিফল

    এই সপ্তাহে আপনার কেউ কেউ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারেন। সপ্তম ভাবে কেতু মহারাজের উপস্থিতির কারণে, আপনি নিজেকে চাপ এবং উদ্বিগ্ন বোধ করবেন, যার ফলস্বরূপ আপনার স্বাস্থ্যের হঠাৎ অবনতি হবে, তবে আপনি এতে মনোযোগ দিতে পারবেন না। অতীতে, আপনি যদি অর্থ সংক্রান্ত কোনও বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তবে এই সপ্তাহে আপনি অনেকাংশে স্বস্তি পেতে সক্ষম হবেন কারণ আপনার চন্দ্র রাশি থেকে দ্বাদশ ভাবে বৃহস্পতি বসে আছে। এমন পরিস্থিতিতে, পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আপনি সামলে নিতে পারবেন, যাতে আপনাকে কোনও আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে না। সেজন্য, চরম বোঝাপড়া দেখিয়ে অর্থ সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত নিন। এই সপ্তাহে, আপনি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি, আপনি আপনার বড় ভাই এবং বোনের সমর্থন পাবেন। যার কারণে আপনিও আপনার বড় ঝামেলা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। যদিও, এর জন্য আপনাকে বিনা দ্বিধায় তাদের সামনে আপনার সমস্যাগুলি প্রকাশ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই সপ্তাহটি কোনও নতুন কাজ শুরু করার বা কোথাও বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং ভাল সমন্বয় দেখাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যদি এই সময়ের মধ্যে একটি বিনিয়োগ বা নতুন কাজ শুরু করেন, তবে ভাল লাভ করা সম্ভব। যারা অবিলম্বে তাদের শিক্ষা শেষ করে পাস করেছেন, তারা এই সপ্তাহে চাকরি পাওয়ার ভালো সম্ভাবনা দেখছেন। এছাড়াও, যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্য বিদেশে যেতে চায়, তাদের ইচ্ছাও এই সময় পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কারণ কর্মের অধিপতি শনি লাভ এবং ইচ্ছা পূরণের একাদশ ভাবে বসে আছেন। 

     বৃষভ রাশিফল 

    এই সপ্তাহে আপনাকে স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে না, যেহেতু আপনার চন্দ্র রাশি থেকে বৃহস্পতি একাদশ ভাবে অবস্থিত, তাই যোগ করুন, নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং আপনার স্বাস্থ্যের যত্ন এবং সঠিক রুটিনের কারণে সুস্বাস্থ্য উপভোগ করুন। হ্যাঁ, এটি অনেকগুলি দূর করতে পারে। আপনার অতীত সমস্যা। এই সপ্তাহে, আপনি আপনার ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য কোনও ধরনের লোন বা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন, কারণ রাহু মহারাজ চন্দ্র রাশি থেকে দ্বাদশ ভাবে রয়েছে। যদিও এই সময় আপনি একটি ব্যাঙ্ক বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে সক্ষম হবেন, তবে অর্থ সংক্রান্ত লেনদেন করার সময়, আপনাকে প্রথম থেকেই খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই সপ্তাহে অনেক গ্রহের গর্তের কারণে আপনার পারিবারিক জীবনে সুখ ফিরে আসবে। তবে তার আগে আপনার পরিবারে উন্নতির সম্ভাবনা থাকবে। কোন ব্যক্তির বিবাহ বা সন্তানের জন্মের কারণে এই বৃদ্ধি সম্ভব। এসময় পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে এই আনন্দগুলো উদযাপন করুন। এই সপ্তাহে, আপনি প্রতিটি সময়কালে নিজেকে আশাবাদী রাখতে সক্ষম হবেন, যার কারণে আপনি এই সময়ে দৃঢ়তার সাথে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারবেন। এর পাশাপাশি, এই মেয়াদে আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার উপর কাজ করার সময়, আপনি এটির যথাযথ সুবিধা নিতে সক্ষম হবেন। এই সপ্তাহে আপনার অনেক বিষয় বোঝার ক্ষেত্রে সব ধরনের অসুবিধা থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এই সময়ে আপনি আপনার ব্যক্তিগত জীবনে চলমান উত্থান-পতন থেকে নিজেকে বের করে আনতে পুরোপুরি সফল হবেন, যার কারণে আপনার মন পড়াশোনায় আরও মনোনিবেশ করতে সক্ষম হবে।

     মিথুন রাশিফল 

    আপনি এই সপ্তাহে খুব আবেগপ্রবণ দেখাবেন, যার কারণে আপনার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার এই অদ্ভুত মনোভাব মানুষকে বিভ্রান্ত করবে এবং তাই আপনার মধ্যে বিরক্তি তৈরি হতে পারে। এটি আপনার জন্য ভাল হবে, আপাতত অন্যদের সামনে আপনার অনুভূতি প্রদর্শন করা এড়িয়ে চলুন। এই সপ্তাহে আপনি কমিশন, লভ্যাংশ বা রয়্যালটি কাজের মাধ্যমে কিছু বড় লাভ পাবেন। এছাড়াও, আপনার মধ্যে অনেকেই এমন যেকোন স্কিমে অর্থ বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত হবেন, যেখানে লাভের সম্ভাবনা দৃশ্যমান এবং বিশেষ। এই সপ্তাহটি আপনার পারিবারিক জীবনে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে কারণ চন্দ্র রাশি থেকে দশম ভাবে বৃহস্পতি অবস্থান করছে। এই কারণে, আপনি পুরো পরিবার নিয়ে কোনও ধর্মীয় স্থান বা কোনও আত্মীয়ের জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। এই সপ্তাহে, কর্মক্ষেত্রে আপনার জন্য আগের চেয়ে অনেক ভালোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হবে। এসময়, আপনার এই সাফল্যের পিছনে জড়িত ক্ষুদ্র মানুষ ও কর্মীদের কঠোর পরিশ্রম, এই সময়ে আপনাকে নিজেই এগিয়ে এসে তাদের সালাম জানাতে হবে। কারণ এটি এই সময়ে তাদের পাশাপাশি আপনাকে ইতিবাচক উত্সাহ দেবে। আপনি যদি বাড়ি থেকে দূরে একটি ভাল এবং বড় কলেজে ভর্তির কথা ভাবছিলেন, তবে এই সময়ে সম্ভাবনাগুলি কিছুটা বেশি অনুকূল দেখাচ্ছে। তাই এর জন্য অনেক শিক্ষার্থীকে তাদের শিক্ষকদের সহযোগিতা নিতে হবে। যাইহোক, এই সময়ে কোন কারণে শর্ট-কাট নেওয়া এড়িয়ে চলুন, অন্যথায় আপনাকে সারাজীবন অনুতপ্ত হতে হতে পারে।

     কর্কট রাশিফল

    এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক ভালো থাকবে। যার কারণে আপনাকে আরও ভাল স্বাস্থ্য উপভোগ করতে দেখা যাবে। আপনি যদি কোনও পুরানো সমস্যায় ভুগছিলেন, তবে এই সময়টি আপনাকে সেই সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্তি দিতেও কাজ করতে চলেছে। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে, এই সময়টি আপনাকে আরও ভাল দিকনির্দেশনা এবং সুযোগ দেবে বলে প্রমাণিত হবে কারণ বৃহস্পতি, দেব গুরু নবম ভাবে বসে আছেন। এই সপ্তাহে আপনি অর্থ সঞ্চয় বা জমাতে আপনার পরিবারের সদস্যদের সমর্থন পাবেন। কিন্তু অষ্টম ভাবে শনিদেবের উপস্থিতির কারণে, এই সপ্তাহে আপনার বন্ধু বা কাছের লোকেরা আপনার কথা বা পরামর্শকে খুব বেশি গুরুত্ব দেবে না যার কারণে আপনি বন্ধুদের সাথে কিছু করার সময় আপনার আগ্রহকে উপেক্ষা করা অনুভব করবেন। এর কারণে মানসিক চাপে পড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এই সপ্তাহে কাজের ক্ষেত্রে আপনার মধ্যে উদ্যম ও মানসিক শক্তির অভাব দেখা দেবে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব আপনার ক্যারিয়ারে দৃশ্যমান হবে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনি আপনার হারানো শক্তি এবং উদ্যম ফিরে পেতে একটি বই পড়তে পারেন বা আপনার প্রিয় সঙ্গীত শুনতে পারেন। যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্য বিদেশে যাওয়ার কথা ভাবছিল তাদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং এই সপ্তাহে তাদের কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। কারণ সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে যে শুধুমাত্র এটি করার মাধ্যমে আপনি সপ্তাহের শেষে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

     সিংহ রাশিফল 

    এই সপ্তাহে আপনি মানসিক এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত বোধ করতে পারেন, কারণ বৃহস্পতি চন্দ্র রাশি থেকে অষ্টম ভাবে অবস্থান করছে। তাই, কিছু বিশ্রাম এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে, আপনার শক্তির মাত্রা বাড়ান এবং উন্নত করুন। কারণ এটি করা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল হতে চলেছে। এই সপ্তাহে ব্যবসায়ীদের মনে রাখতে হবে যে যারা আপনার কাছে ঋণের জন্য আসবেন, তাদের উপেক্ষা করুন। কারণ আপনি যদি ধার করতে থাকেন তবে আপনার অল্প সময় অর্থের অভাব হবে, যার কারণে আপনি অনেক ভাল সুযোগের সদ্ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। এই সময় আপনি আপনার বন্ধু এবং পরিবারের সাথে মজার সময় কাটাবেন। এর সাথে সাথে, এই সময় আপনার উচ্চ শক্তি এবং প্রচন্ড উদ্যম আপনার পারিবারিক জীবনে অনেক ইতিবাচক ফলাফল আনবে এবং আপনাকে ঘরোয়া উত্তেজনা থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হিসাবে প্রমাণিত হবে। এই সপ্তাহে, কর্মক্ষেত্রে জিনিসগুলি আপনার জন্য উন্নতির দিকে অগ্রসর হবে বলে মনে হবে কারণ শনিদেব চন্দ্র রাশি থেকে সপ্তম ভাবে বসে আছেন। এসময়, আপনার এই সাফল্যের পিছনে জড়িত ক্ষুদ্র মানুষ ও কর্মীদের কঠোর পরিশ্রম, এই সময় আপনাকে নিজেই এগিয়ে এসে তাদের সালাম জানাতে হবে। কারণ এটি এই সময়ে তাদের পাশাপাশি আপনাকে ইতিবাচক উৎসাহ দেবে। অতীতে আপনার দ্বারা করা কঠোর পরিশ্রমের কারণে, এই সপ্তাহে আপনার প্রচেষ্টা সফল হবে এবং আপনি বন্ধুদের দ্বারা সম্মানিত হবেন। এই সময়ে, পরিবারে সম্মান পাওয়ার পাশাপাশি আপনি শিক্ষকদের কাছ থেকেও প্রচুর প্রশংসা পাবেন। যাইহোক, এই সময়ে আপনার মনে অহংকারকে প্রবেশ করতে দেবেন না, অন্যথায় আপনার সাফল্য আপনার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

     কন্যা রাশিফল 

    এই সপ্তাহে আপনাকে এমন কিছু কাজ করতে হবে, যা আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। এই জন্য, একটি ভাল খাদ্য গ্রহণ করার সময়, আপনাকে ফল এবং সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। অতীতে আপনার দ্বারা করা সমস্ত ধরণের সম্পত্তি সম্পর্কিত লেনদেন এই সপ্তাহে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি আপনি আপনার ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে অনেকাংশে সফল হবেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে একটি আরামদায়ক এবং শান্ত সপ্তাহ উপভোগ করুন। যদি লোকেরা আপনার কাছে সমস্যা নিয়ে আসে, তবে তাদের উপেক্ষা করুন এবং তাদের আপনার মনের শান্তিতে বিঘ্নিত হতে দেবেন না। এই জন্য, সম্ভব হলে, বাড়িতে থাকাকালীন, আপনার ফোন বন্ধ রাখুন। এই সময়টি আপনার স্ব-মূল্যায়ন এবং আপনার অতীতের ভুল এবং অভিজ্ঞতা থেকে বোঝার এবং শেখার দিকে নির্দেশ করছে। কিন্তু আপনার কর্মজীবনে অন্যদের থেকে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা আপনাকে তা করতে বাধা দেবে, যার কারণে শনিদেব ষষ্ঠ ঘরে উপস্থিত থাকায় এর নেতিবাচক প্রভাবের কারণে আপনাকে অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে দেখা যাবে। যারা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের এই সপ্তাহে তাদের ভাগ্যের চেয়ে কঠোর পরিশ্রমকে বিশ্বাস করতে হবে কারণ বুধও ষষ্ঠ ঘরে উপস্থিত রয়েছে। তুমি ভালো করেই বোঝো যে ভাগ্য সব সময় তোমার সাথে থাকে না, কিন্তু তোমার শিক্ষা তোমার সাথে থাকে আমৃত্যু। তাই শুধুমাত্র ভাগ্যের উপর নির্ভর করে, আপনি সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। এসময় অতীত ভুলে আজ থেকেই নিজের পরিশ্রমকে গতি দিয়ে এগিয়ে যান। 

     তুলা রাশিফল

    এই সপ্তাহে, ছোটখাটো স্বাস্থ্য সমস্যা ছাড়াও, কোনও বড় রোগ হওয়ার সম্ভাবনা এই রাশির জাতক/জাতিকাদের কাছে তুচ্ছ থাকবে। যদিও, কোন মৌসুমী অসুস্থতার ক্ষেত্রে, বাড়িতে নিজের চিকিত্সা না করে, আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ষষ্ঠ ভাবে বৃহস্পতির উপস্থিতির কারণে, এই রাশির লোকেরা এই সপ্তাহে সমস্ত আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হবেন, কারণ আপনি আপনার আর্থিক জীবনের উত্থান-পতনগুলিকে আপনার বোঝাপড়া এবং সঠিকভাবে কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবেন। অতীতে করা বিনিয়োগ সব শঙ্কা দূর করতে পুরোপুরি সফল হবে। কিন্তু তারপরও, আপনি এখনও আপনার সিদ্ধান্ত থেকে অনেক কিছু শিখতে পারেন। এমনকি পিতার স্বাস্থ্যেও এই সপ্তাহে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। যার কারণে তাদের সাথে সময় কাটানোর সময় আপনাকে অনেক ঘরোয়া বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যাবে। এটি শুধুমাত্র আপনার বাবার সাথে আপনার সম্পর্ক উন্নত করতে সাহায্য করবে না, আপনার বাবাও আপনাকে সহযোগিতা করতে সক্ষম হবেন। পঞ্চম ভাবে কর্ম দেব শনির অবস্থানের ফলে আপনার নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক ক্ষমতা সামনে আসবে। যার কারণে আপনি কর্মক্ষেত্রে নিজের পরিচয় ও সম্মান পেতে সফল হবেন। এছাড়াও, এই সময়ে আপনি কর্মক্ষেত্রে কোনও মহিলা সহকর্মীর পূর্ণ সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়টি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, কারণ আপনি কেবল আপনার কঠোর পরিশ্রমের ভিত্তিতে ভাল নম্বর পেতে সক্ষম হবেন না, তবে এই সাফল্য আপনার উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাবে। এতে সমাজে আপনার ও আপনার পরিবারের সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

    বৃশ্চিক রাশিফল 

    এই সপ্তাহে, আপনি আপনার ব্যস্ত রুটিন থেকে কিছু আরামদায়ক মুহূর্তগুলি বের করে নিজেকে যথেষ্ট সময় দিতে সক্ষম হবেন, কারণ শনিদেব চতুর্থ ভাবে অবস্থিত। এসময় এই ভালো সুযোগের সঠিক ব্যবহার করুন এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন হেঁটে যান। এই সময়ে আপনাকে চপ্পলের পরিবর্তে চলমান জুতা পরতে হবে। এই সময়টি আপনাকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করে তুলবে। চন্দ্র রাশি থেকে পঞ্চম ভাবে বৃহস্পতির উপস্থিতির কারণে, এই সময়ে আপনি কোনও পুরানো বিনিয়োগ থেকে কেবল লাভবান হবেন না, আপনি যদি কোনও ঋণ নিয়ে থাকেন তবে আপনি তা পরিশোধ করতে সক্ষম হবেন। তবুও, আপনাকে প্রথম থেকেই আরও বেশি অর্থ উপার্জনের জন্য আরও বেশি প্রচেষ্টা করতে হবে, অর্থ নিয়ে আত্মতুষ্ট না হয়ে। আপনার হাস্যরসের অনুভূতি সামাজিক সমাবেশে আপনার জনপ্রিয়তা যোগ করবে। যার কারণে সমাজে আপনার সম্মান বৃদ্ধির পাশাপাশি আপনি আপনার প্রতি অনেক বিশিষ্টজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন। এই সপ্তাহে, আপনি আপনার আগের অমীমাংসিত কাজগুলি সময়মতো সম্পন্ন করতে সক্ষম হবেন, যার কারণে কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি, বেতন বৃদ্ধি এবং উচ্চ পদে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সপ্তাহে, শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, কারণ এই সময়ে তাদের বোঝার ক্ষমতা আরও ভাল হবে। এইরকম পরিস্থিতিতে, আপনি আপনার খারাপ সঙ্গকে খুব একটা পাত্তা না দিয়ে আপনার নিজের ব্যবসায় মন দিয়ে এবং আসন্ন পরীক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার চেষ্টা করবেন। 

      ধনু রাশিফল 

    এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে থাকবে। অতএব, আপনার মানসিক অবস্থার উন্নতির জন্য, এই সময়ে নিয়মিত ধ্যান এবং যোগ,ব্যায়াম অনুশীলন করুন এবং বাসি খাবার এড়িয়ে চলুন। শারীরিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করাও এই সময় আপনার জন্য অনেক ভাল হতে চলেছে। এই সপ্তাহে পঞ্চম ভাবে রাহু মহারাজের উপস্থিতির কারণে, আপনি কোনও বিনিয়োগ থেকে ততটা লাভ পাবেন না যতটা আপনি ভেবেছিলেন। কিন্তু এই লাভ আপনাকে অনেকাংশে সন্তুষ্ট করবে এবং এর সাহায্যে আপনি আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। যেখানে আপনি সঠিক কৌশল অবলম্বন করলে খুব দ্রুত টাকা দ্বিগুণ করতে পারবেন। বাড়ির ছোট সদস্যদের সাথে তর্ক-বিতর্ক এই সপ্তাহে আপনার মনে বিরক্তি তৈরি করবে। যার কারণে আপনার মানসিক চাপ বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্বও তৈরি হতে পারে। তৃতীয় ঘরে শনিদেবের অবস্থানের কারণে, এই সপ্তাহে আপনার কর্মজীবনের প্রতিটি পরিস্থিতিতে ভাগ্য আপনার সাথে থাকবে। যা দেখায় যে এই সময়ে আপনি আপনার উর্ধ্বতনদের কাছ থেকে যথাযথ প্রশংসা এবং সহযোগিতাও পাবেন। অন্যদিকে, আপনার মধ্যে কেউ কেউ এই সময়ের মধ্যে আপনার পছন্দসই পদোন্নতিও পেতে পারেন। আপনি যদি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে চান তবে আপনাকে এই সময় জুড়ে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ এই সময়ে, আপনি আপনার কঠোর পরিশ্রমের ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন। যদিও উচ্চশিক্ষা লাভের পথে কিছু ছোটখাটো প্রতিবন্ধকতা অবশ্যই আসবে, কিন্তু আপনার কঠোর পরিশ্রম অবশ্যই প্রতিফলিত হবে এবং আপনি একা হাতে সেই সমস্ত সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে সক্ষম হবেন। 

     মকর রাশিফল 

    স্বাস্থ্য রাশিফল ​​অনুসারে, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এই সপ্তাহটি কিছুটা ভালো যাচ্ছে। যদিও, এই সময় আপনাকে কিছু বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে, যেমন: সময় পেলে পার্কে ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম করুন এবং সকাল-সন্ধ্যা প্রায় 30 মিনিট নিয়মিত হাঁটুন। এই সপ্তাহে রাহু মহারাজ চতুর্থ ঘরে অবস্থান করছেন। এমন পরিস্থিতিতে, মনে রাখবেন যে সমস্ত বিনিয়োগ স্কিম যা আপনাকে আকৃষ্ট করছে সেগুলি সম্পর্কে তাড়াহুড়ো না করে সেগুলি সম্পর্কে গভীরভাবে জানার চেষ্টা করুন, কারণ এই মুহূর্তে আপনার জন্য যে কোনও পদক্ষেপ আর্থিকভাবে ক্ষতিকারক হতে পারে৷ কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে, নিশ্চিত হন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে। এটা সম্ভব যে এই সপ্তাহে আপনি কিছু ঘরোয়া কেনাকাটার জন্য বাইরে যেতে পারেন, তবে আপনি অপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলিতে বেশি ব্যয় করে নিজের জন্য অনেক আর্থিক সমস্যা তৈরি করতে পারেন। এটি পরিবারে আপনার সম্মান এবং ভাবমূর্তিকেও প্রভাবিত করবে। কাজের দিক থেকে এই সপ্তাহ আগের থেকে অনেক ভালো যাচ্ছে কারণ শনিদেব দ্বিতীয় ঘরে বসে আছেন। এই সময়ে, আপনি আপনার বাড়ির বড়দের, বিশেষ করে আপনার পিতামাতার সমর্থন পাবেন, যার কারণে আপনার জীবনে আসা প্রতিটি সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হবে। এর সাথে এটাও সম্ভব যে আপনাকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে, পিতামাতারাও আপনাকে ব্যবসা বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করবে। এই সপ্তাহে, জ্ঞানের দেবতা অনেক শিক্ষার্থীকে তাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল দিয়ে সাফল্য অর্জন করতে কাজ করবেন। এর পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীরাও এই সময়ে ভাগ্যবান হবেন। 

     কুম্ভ রাশিফল 

    নিজেকে ফিট রাখতে, আপনাকে এই সপ্তাহে খুব বেশি পরিশ্রম করতে হবে না। কারণ এই সময়ে ভাগ্য আপনার সাথে থাকবে। যার কারণে আপনি আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কম চেষ্টা করবেন, তারপরও আপনি নিজেকে সুস্থ রাখতে সফল হতে পারবেন। দ্বিতীয় ভাবে ভগবান বৃহস্পতির অবস্থানের কারণে, এই সপ্তাহে আপনি আপনার আরামদায়ক জিনিসগুলিতে এত অর্থ ব্যয় করতে পারেন, যা আপনি কেবল ভবিষ্যতেই অনুমান করতে পারবেন। কারণ এই সময়ে আপনার অর্থের অভাব হবে না, তাই খরচ করার সময় আপনাকে খুব একটা ভাবতে দেখা যাবে না। সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনার অংশগ্রহণ আপনাকে সমাজের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার সুযোগ দেবে। এসময়, এই সমস্ত সুযোগগুলি আপনার হাতের বাইরে যেতে না দিয়ে, তাদের সর্বোত্তম সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করুন। আপনার রাশিতে অনেক উপকারী গ্রহের উপস্থিতি আপনার শত্রুদের জন্য ভালো নয়। কারণ এই সময়ে তারা সক্রিয় থাকবে, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের পরাজিত করে আপনি তাদের আপনার বন্ধু করতে সক্ষম হবেন। এই সপ্তাহে আপনার রাশিতে অনেক শুভ গ্রহের উপস্থিতি এবং প্রভাব আপনাকে পরিশ্রম অনুযায়ী পরীক্ষায় নম্বর পেতে সাহায্য করবে। তাই কঠোর পরিশ্রম করুন এবং প্রয়োজনে আপনার শিক্ষকদের সাহায্য নিন। 

     মীন রাশিফল 

    আপনি যদি এই সপ্তাহে আপনার স্বাস্থ্য রাশিফল ​​দেখেন তবে আপনার স্বাস্থ্য দুর্দান্ত হবে কারণ ভগবান বৃহস্পতি ঊর্ধ্বগত ভাবে অর্থাৎ প্রথম ভাবে অধিষ্ঠিত। এর কারণে, আপনি জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও দুর্দান্তভাবে পারফর্ম করতে সক্ষম হবেন। এর সাথে সাথে আপনার সাহস এবং আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধিও দেখা যাবে, যার ফলস্বরূপ আপনি আপনার জীবনের সাথে সম্পর্কিত সেই সমস্ত সিদ্ধান্তগুলি স্বাচ্ছন্দ্যে নিতে সক্ষম হবেন যা আগে নিতে আপনার অসুবিধা ছিল। এই সপ্তাহ জুড়ে আপনার আর্থিক জীবন ভাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে এই সময়ে গ্রহের প্রভাবে আপনি অর্থ উপার্জনের অনেক সুযোগ পাবেন। এর সাথে সাথে আপনার সম্মান ও সম্মান বাড়তে দেখা যাবে। যে সব মানুষ বা ছাত্রছাত্রীরা বাড়ি থেকে দূরে থাকেন, তাদের একাকীত্বের অনুভূতি এই সপ্তাহে অনেক বেশি বিরক্ত করবে। এই সময়ে আপনি নিজেকে খুব একা দেখতে পাবেন, যার কারণে আপনি একটি অদ্ভুত আঁটসাঁটতাও অনুভব করতে পারেন। এমন পরিস্থিতিতে, এই সপ্তাহে আপনার একাকীত্ব আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেবেন না এবং আপনি যখন সময় পাবেন, কোথাও বাইরে যান এবং কিছু বন্ধুদের সাথে সময় কাটান। আপনার শত্রুরা এই পুরো সপ্তাহে সক্রিয় থাকবে এবং সময়ে সময়ে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদের আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে দেখা যাবে। এই কারণে, আপনি আপনার ক্যারিয়ারে নিজেকে এগিয়ে নিতে পারবেন না। এর পাশাপাশি, আপনি কোনও বড় ঝামেলায়ও ফেঁসে যেতে পারেন। সপ্তাহের শুরুটা শিক্ষার্থীদের জন্য খুব ভালো হবে এবং তারপর শেষ পর্যন্ত আপনি স্বাভাবিকের থেকে অনেক ভালো পারফর্ম করতে পারবেন। যদিও, এর পরে কিছু ঘরোয়া সমস্যার কারণে আপনাকে ছোটখাটো চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তাই পড়াশুনা, স্বাস্থ্য পরিচর্যায় একাগ্রতা ও আগ্রহ বজায় রাখুন এবং যতটা সম্ভব মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ  

     

  • Holi: দরজায় কড়া নাড়ছে দোল উৎসব! ত্বকের যত্ন কীভাবে নেবেন?

    Holi: দরজায় কড়া নাড়ছে দোল উৎসব! ত্বকের যত্ন কীভাবে নেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলবো হোলি রঙ দেবনা তাই কখনও হয়! দরজায় কড়া নাড়ছে দোল। অনেকের কাছেই দোল মানে শুকনো রঙে ঠিক মন ভরেনা। দোলের পোশাক রাস্তার ওপরে মালার আকারে সাজানো পর্যন্ত চলে রঙ খেলা। কিন্তু রঙের উৎসবে গা ভাসানোর সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে নিজের। উৎসবের আনন্দের মাঝেও যত্ন নিতে হবে চুল এবং ত্বকের। অনেকেরই দোলের সময় রং থেকে অ্যালার্জি সহ ত্বকের সমস্যা হয়ে থাকে। 

    দোল উৎসবে ত্বকের যত্ন নিতে কী কী উপায় নেবেন

    ওটমিলের মিশ্রণ: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন টেবিল চামচ ওটসের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ লেবুর রস এবং মধু মেশাতে হবে। হোলির ঠিক পরেই এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। সামান্য শুকিয়ে এলে অল্প জল দিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করতে হবে। ৪০ মিনিট মুখে রেখে উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    বেসন ও দুধের মিশ্রণ– বেসনের সঙ্গে পরিমাণ মতো দুধ মিশিয়ে মুখে মাখুন। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।  সামান্য গরম জল দিয়ে মুখ ধুতে পারেন। দুধে আছে ভিটামিন-এ। যা ব্রণর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

    নারকেল তেল– এখন দোলের সময় বেশিরভাগ রঙই ভেষজভাবে তৈরি হয় যাতে তা ক্ষতিকারক না হয় ত্বকের জন্য। ভেষজ উপায়ে বানানো রং ছাড়া দোলের সময় যে রং সাধারণত ব্যবহার করা হয়, তাতে থাকে রাসায়নিক পদার্থ। তা থেকেই মুখে অ্যালার্জি বা অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। যেখানে মনে হচ্ছে সমস্যা হচ্ছে, সেই সব জায়গায় সামান্য পরিমাণে নারকেল তেল দিতে পারেন। এতে সাময়িকভাবে স্বস্তি মিলতে পারে।

    দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ– সামান্য পরিমাণে লেবুর রস, দই এবং এক চিমটে চন্দন কাঠ ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এই মিশ্রণ ত্বক থেকে রঙের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বকে আনে জেল্লা। দোলের রং থেকে ত্বক রক্ষা করতে এই মিশ্রণের জুড়ি মেলা ভার।

    অ্যালোভেরা– অ্যালোভেরাতে রয়েছে অ্যান্টি-অ্যালার্জিক এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। যা আপনার ত্বককে অ্যালার্জি এবং ফুসকুড়ি থেকে রক্ষা করে। দোলে রং মাখার আগে অ্যালোভেরা দিয়ে ত্বককে হাইড্রেট করতে পারেন। 

    এগুলো সবই ঘরোয়াভাবে উপলব্ধ। পাশাপাশি আরও যে উপাদানগুলো ত্বকের যত্ন নিতে সাহায্য করবে হোলিতে সেগুলি হল, বডি অয়েল বা ময়েশ্চারাইজার, নন-কমেডোজেনিক এসপিএফ ব্যবহার করতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘাড়, মুখ ও কানে সানস্ক্রিন যত ঘন হবে তত ভাল। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Poppy Cultivation: ধান, আলু ছেড়ে জমিতে এ কী চাষ করছেন গোঘাটের চাষিরা?

    Poppy Cultivation: ধান, আলু ছেড়ে জমিতে এ কী চাষ করছেন গোঘাটের চাষিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তৃণমূল সরকারের আমলে ধান বা আলু চাষ করে লাভের মুখ দেখতে পান না চাষিরা। এমনই অভিযোগ চাষিদের। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সহায়ক মূল্যে চাষিদের থেকে সরাসরি ধান কেনার কথা বলা হলেও আদতে ফড়েরা লাভের গুড় খেয়ে নেয়। তাই, বেশি লাভের আশায় হুগলির গোঘাটের মান্দারণ, কাঁটালি এলাকায় প্রথাগত চাষ ছেড়ে বিঘার পর বিঘা জমি জুড়়ে রমরমিয়ে চলছে পোস্ত চাষ (Poppy Cultivation)। পোস্ত চাষ করা বেআইনি। কারণ, এই পোস্ত থেকে আফিম তৈরি হয়। মাদক বিরোধী প্রচার চলছে রাজ্য জুড়ে। কিন্তু, প্রশাসনের নাকের ডগায় এই কারবার চললেও পুলিশ প্রশাসন উদাসীন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রথমে এলাকার একজন বা দুজন এই চাষ করতেন। আর এই চাষ করে চাষি পরিবার রাতারাতি ফুলে ফেঁপে উঠতেই গ্রামের অন্য চাষিরা এখন পোস্ত চাষে মেতেছেন।

    এক বিঘা জমিতে পোস্ত চাষ (Poppy Cultivation) করলে কত আফিম তৈরি হয় জানেন কী?

    বিঘা প্রতি পোস্ত চাষ (Poppy Cultivation) করে তৈরি হচ্ছে ২ থেকে ৩ কেজি করে আফিম। প্রতি কেজি আফিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার টাকারও বেশি দামে।  চাষিদের মতে, এক বিঘা জমি থেকে পোস্তর আঠা সংগ্রহ করে ২ থেকে আড়াই কেজি মতো আফিম তৈরি হয়। যার বাজার মূল্য কেজি প্রতি ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা। পোস্তর আঠা বের করে নেওয়ার পর যে ফলটি পড়ে থাকে, তার ভেতর থেকে তৈরি হয় খাবারের পোস্ত।

    পোস্ত চাষ (Poppy Cultivation) আদতে বেআইনি। জরিমানা থেকে শুরু করে জেল পর্যন্ত হতে পারে। কড়া আইন থাকলেও তাকে উপেক্ষা করেই বিঘার পর বিঘা জমিতে চলছে পোস্ত চাষ। প্রশাসনের তরফে পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে প্রচার এবং আবগারি দফতর মাঝে মধ্যে অভিযান চালালেও কোনও সুরাহা হয়নি। জমির মালিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্যই রমরমিয়ে এই চাষ হচ্ছে বলে অভিযোগ। শুধু হুগলির গোঘাট বলে নয়, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম জেলায় এই  চাষের রমরমা রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালানো হয়। বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয় না। এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় মানুষেরও।

    যদিও এই বিষয়ে গোঘাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনিমা কাটারি বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “এই ধরনের খবর আমাকে কেউ দেয়নি। সংবাদ মাধ্যমের কাছেই শুনলাম। যদি কেউ এরকম করে থাকে, আমরা ব্যবস্থা নেব।” অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুশান্ত বেরা বলেন, প্রশাসনের প্রশয়ে এই ধরনের বেআইনি চাষের রমরমা। প্রশাসন খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা না নিলে, আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Tiktok: ভারতের মতোই আমেরিকাতে নিষিদ্ধ হল টিকটক, কেন জানেন?

    Tiktok: ভারতের মতোই আমেরিকাতে নিষিদ্ধ হল টিকটক, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা অ্যাপ টিকটক (Tiktok) ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে বছর দুই আগেই, এবার ভারতের অবস্থান নিতে চলেছে আমেরিকা। মাত্র ৩০ দিনের মধ্যেই সেদেশের সমস্ত সরকারি ডিভাইস থেকে টিকটক সরিয়ে ফেলার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। টিকটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এই অ্যাপস গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করে। ইতিমধ্যে একাধিক দেশ টিকটক নিষিদ্ধ করেছে। সোমবারেই নতুন করে এই চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছে কানাডা সরকার।

    এবিষয়ে কী বললেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি

    বুধবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জিন-পিয়ের স্পষ্ট বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড়সড় বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে টিকটক (Tiktok)। তিনি আরও বলেন, “আমরা আগেও বলেছি যে টিকটক নিয়ে উদ্বেগের বেশকিছু কারণ রয়েছে। যেভাবে চিন মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করছে তা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খুবই বিপজ্জনক। তাই এই বিষয়ে পদক্ষেপ করতে আমরা (বাইডেন প্রশাসন) কংগ্রেসকে অনুরোধ জানিয়েছি।”

    টিকটকের (Tiktok) বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক দেশের

    ভারত-সহ একাধিক দেশের অভিযোগ রয়েছে, টিকটক (Tiktok) অ্যাপের মাধ্যমে ইউজারদের সমস্ত তথ্য পাচার করছে চিন। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে চিনা টেক সংস্থাটি। জানা গেছে, ২০২০ সালেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক (Tiktok) নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছিল চিনা সংস্থাটি। পরে আদালতের সিদ্ধান্তে সেই দেশে নিষিদ্ধ করা সম্ভব হয়নি টিকটক। এবার আইন করে টিকটক বন্ধের পথে হাঁটছে আমেরিকা। সোমবার একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন আমেরিকার ম্যানেজমেন্ট ও বাজেট ডিরেক্টর শ্যালান্ডা ইয়ং। সেখানে বলা হয়েছে, সমস্ত সরকারি ডিভাইস থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে চিনা অ্যাপ। কোনওভাবে যেন এই অ্যাপ ইনস্টল না করা যায়, তার ব্যবস্থাও করতে হবে। ডিভাইসে থাকা যাবতীয় তথ্য যেন কোনওভাবেই এই অ্যাপের নাগালে যেতে না পারে।

    চিনের তীব্র বিরোধিতা

    ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তের পর চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেছেন যে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দমন করার জন্য তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। “আমরা এই ভুল সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করি,” মঙ্গলবার সাংবাদিকদের একথা বলেন চিনা মুখপাত্র মাও নিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     

     

  • Jogendra Nath Mandal: ‘‘নিজেকেই প্রশ্ন করলাম, ইসলামের নামে পাকিস্তানে কী ঘটছে?’’

    Jogendra Nath Mandal: ‘‘নিজেকেই প্রশ্ন করলাম, ইসলামের নামে পাকিস্তানে কী ঘটছে?’’

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৫

    চতুর্থ পর্বের পর…

     

    ২১। ঢাকার দাঙ্গার পিছনে প্রধান কারণ ছিল ৫টি

    (i) কালশিরা এবং নাচোলের ঘটনাসমূহের উপর ২টি মুলতুবি প্রস্তাব গণপরিষদে প্রত্যাখ্যাত হলে সংসদে হিন্দু প্রতিনিধিদের ওয়াক আউটের জন্য এবং হিন্দুদের শিক্ষাপ্রদানের উদ্দেশ্যে

    (ii)  সংসদীয় দলে সোহরাওয়ার্দী গ্রুপ এবং নাজিমুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দিন দিন বেড়ে চলা মতবিরোধ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    (iii) পূর্ব বাংলার সরকার এবং মুসলিম লিগ, হিন্দু-মুসলিম উভয় পক্ষের নেতারা পূর্ব-পশ্চিম দুই বাংলার মিলনের স্বপক্ষে একটি আন্দোলন শুরু করতে পারে এমন ভয়ে ভীত ছিল। তারা এই মিলন আটকাতে চাইছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল যে পূর্ব বাংলায় যেকোনও বড় আকারের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়বে এবং সেখানে মুসলিমদের হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। উভয় বঙ্গে এরূপ দাঙ্গা দুই বাংলার মিলনকে রোধ করতে পারবে।

    (iv) পূর্ব বাংলার বাঙালী এবং অবাঙালী মুসলিমদের মধ্যে বৈরিতা ক্রমশ বাড়ছিল। এটা রোধের একমাত্র উপায় ছিল পূর্ববঙ্গের মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়ানো। ভাষার ব্যাপারটিও এর সঙ্গে জড়িত ছিল।

    (v) অবমূল্যায়নে অসম্মতি এবং ইন্দো-পাকিস্তান ব্যবসার ক্ষেত্রে অচলাবস্থার ফলাফল পূর্ব বাংলায় অনুভূত হচ্ছিল, প্রথমে শহরাঞ্চলে পরবর্তীতে গ্রামাঞ্চলেও। মুসলিম লীগের সদস্য এবং কর্মকর্তাগণ এই আসন্ন অর্থনৈতিক ধ্বস থেকে জনগণের মনোযোগ সরিয়ে দিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে জেহাদের সূচনা করতে চেয়েছিলেন।

    হতভম্বকারী বর্ণনা-প্রায় ১০,০০০ মৃত্যু

    ২২। ঢাকায় আমার ৯ দিনের অবস্থানকালে আমি শহর ও শহরতলীর বেশিরভাগ দাঙ্গা আক্রান্ত অঞ্চলে গিয়েছি। তেজগাঁও এর অন্তর্ভুক্ত মিরপুরেও আমার যাওয়া হয়েছে। আমি সবচেয়ে মর্মাহত হয়েছি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেনে শত শত নিরপরাধ হিন্দু হত্যার খবরে। ঢাকার দাঙ্গার দ্বিতীয় দিনে আমি পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে অনুরোধ করি দাঙ্গা যেন জেলা শহর ও গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ যেন তিনি অবিলম্বে জেলা কর্তৃপক্ষ গুলোর নিকট পৌঁছে দেন। ২০ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫০ তারিখে আমি বরিশাল শহরে পৌঁছে সেখানকার ঘটনা শুনে বিস্মিত হয়ে যাই। জেলা শহরে বেশকিছু হিন্দু ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়, প্রচুর হিন্দু নিহত হয়। আমি জেলাটির প্রায় সব দাঙ্গা আক্রান্ত অঞ্চল পরিদর্শন করেছি। জেলা শহরের ৬ মাইলের মধ্যে অবস্থিত এবং গাড়ি চলাচলের রাস্তা দিয়ে সংযুক্ত কাশিপুর, মাধবপাশা, লাকুটিয়ার মত জায়গাগুলোয় ধ্বংসযজ্ঞের পরিমাণ দেখে আমি বিহ্বল হয়ে পড়েছিলাম। মাধবপাশা জমিদার বাড়িতে প্রায় ২০০ মানুষ নিহত হন, আহত হন আরো অন্তত ৪০ জন। মুলাদী নামক স্থানে যেন নরক নেমে আসে। স্থানীয় মুসলিমদের ও কিছু কর্মকর্তার ভাষ্য অনুসারে শুধু মুলাদী বন্দরেই ৩০০ এর বেশি লোক নিহত হয়। আমি মুলাদী গ্রামও পরিদর্শন করি এবং সেখানে মৃতদেহের কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখি। কুকুর এবং শকুন নদীর ধারে মৃতদেহ কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল। আমাকে অবগত করা হয় যে সকল পূর্ণবয়স্ক পুরুষকে হত্যার পর সমস্ত যুবতীদের দুর্বৃত্ত দলের হোতাদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়। রাজাপুরের অন্তর্গত কৈবর্তখালী নামক স্থানে ৬৩ জন নিহত হয়। থানা থেকে ঠিল ছোঁড়া দূরত্বে অবস্থিত হিন্দু বাড়িগুলোতেও লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়, সেগুলোতে বসবাসকারীদের হত্যা করা হয়। বাবুগঞ্জ বাজারের সকল হিন্দু দোকানে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে, বহু হিন্দু নিহত হয়। বিস্তারিত বর্ণনা পাবার পর কম করে ধরলেও দেখা যায় শুধুমাত্র বরিশাল জেলাতেই ২,৫০০ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে পূর্ব বঙ্গে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ হাজার! সব খোয়ানো নারী-শিশুদের স্বজন হারাবার হাহাকারে আমার হৃদয় দ্রবীভূত হয়ে গিয়েছিল। আমি নিজের কাছেই জানতে চাইলাম “ইসলামের নামে পাকিস্তানে কি ঘটতে চলেছে”।

    দিল্লী চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিকতার অভাব

    ২৩। মার্চের শেষভাগে বিশাল সংখ্যায় হিন্দুরা বাংলা ছাড়তে শুরু করে। মনে হচ্ছিল কিছুদিনের মধ্যেই সকল হিন্দু ভারতে চলে যাবে। ভারতে রণধ্বনি বেজে উঠলো। পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ল। জাতীয় দুর্যোগ অবশ্যম্ভাবী হয়ে দেখা দিল। ৮ এপ্রিলের দিল্লী চুক্তি অবশ্য এই অনুমিত দুর্যোগকে থামিয়ে দিতে পারল। ভয়ার্ত হিন্দুদের মনোবল পুনরুদ্ধারের আশায় আমি সারা পূর্ব বাংলা চষে বেড়ালাম। আমি ঢাকা, বরিশাল, ফরিদপুর, খুলনা ও যশোরের অনেক স্থান পরিদর্শন করলাম। আমি বহু বড় বড় জনসমাবেশে হিন্দুদের নিকট আহ্বান জানাই তারা যেন তাদের সাহস ধরে রাখে এবং নিজেদের পূর্বপুরুষের ভিটা-মাটি ছেড়ে না যায়। আমি আশা করেছিলাম যে পূর্ব বাংলার সরকার এবং মুসলিম লীগের নেতৃবৃন্দ দিল্লী চুক্তির শর্তসমূহ যথাযথভাবে পালন করবে। কিন্তু যতই সময় গড়াতে লাগল আমি উপলব্ধি করলাম এই দুই পক্ষের কেউই দিল্লী চুক্তির শর্তাদি পালনের ব্যাপারে প্রকৃতরূপে উৎসাহী নয়। দিল্লী চুক্তির শর্ত মোতাবেক একটি সিস্টেম দাঁড় করাতে পূর্ব বাংলার সরকার যে শুধুমাত্র অক্ষম ছিল তাই নয়, সেই বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপও তারা নিতে চায়নি। দিল্লি চুক্তির পরপর বেশ কিছু হিন্দু তাদের নিজ বাসভূমে ফিরলেও ইতিমধ্যে মুসলিমদের দখলে চলে যাওয়া তাদের জায়গা-জমি ও ঘরবাড়ি আর ফিরে পায়নি।

    মাওলানা আকরাম খানের প্রেরণায়

    ২৪। ‘মোহাম্মাদী’ নামক একটি মাসিক পত্রিকার ‘বৈশাখ’ সংখ্যায় ছাপা হওয়া প্রাদেশিক মুসলিম লিগের সভাপতি মাওলানা আকরাম খানের সম্পাদকীয় পড়ে লিগের নেতৃবৃন্দের মনোভাব সম্বন্ধে আমার অনুমান যে অভ্রান্ত তা আমি বুঝতে পারি। ঢাকা রেডিও স্টেশন থেকে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী ড. এ. এম. মালিকের প্রচারিত প্রথম রেডিও বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি এই সম্পাদকীয় লিখেন। ড. মালিক বলেন, “এমনকি নবী হযরত মুহম্মদ(সাঃ)ও আরবের ইহুদীদের নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন”। মাওলানা আকরাম খান এর প্রেক্ষিতে বলেন, “ড. মালিক তাঁর বক্তব্যে আরবের ইহুদীদের প্রসঙ্গ না টানলেই ভাল করতেন। এটা সত্য যে নবী হযরত মুহম্মদ(সাঃ) আরবের ইহুদীদের নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন; কিন্তু সেটা ছিল ইতিহাসের প্রথম অংশ মাত্র। শেষদিকে তাঁর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল এরকম – আরব থেকে সকল ইহুদীদের বিতাড়িত কর”। মুসলিম সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং আধ্যাত্মিক জীবনে অতি উচ্চ পদে আসীন একজন ব্যক্তির এহেন মন্তব্যের পরেও আমি আশা করে ছিলাম যে নুরুল আমিন মন্ত্রীসভা এতটা আন্তরিকতাশূন্য হবেনা। কিন্তু দিল্লী চুক্তির শর্ত মেনে নিতে যখন নুরুল আমিন ড. এন. বারারীকে মন্ত্রী মনোনীত করলেন তখন আমার সমস্ত আশা চূর্ণ হয়ে গেল। শর্তে ছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে তাদের একজন করে প্রতিনিধি পূর্ব বাংলা এবং পশ্চিমবাংলার মন্ত্রীসভায় নিয়োগ পাবে।

    নুরুল আমিন সরকারের আন্তরিকতাশূন্য কার্যকলাপ

    ২৫। আমার এক সাধারণ বিবৃতিতে আমি ড. এন. বারারীকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবার ব্যাপারে আমার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে বলি যে এর ফলে কোনও বিশ্বাস তো ফেরত আসবেই না বরং নুরুল আমিন সরকারের আন্তরিকতা বিষয়ে যদি সংখ্যালঘুদের মনে কিছু আশার মরীচিকা তখনও জেগে থাকে তবে তাও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমার নিজস্ব মত হল নুরুল আমিনের সরকার যে শুধু আন্তরিকতাহীন কাজ করেছে তাই নয়, তাদের ইচ্ছা ছিল দিল্লি চুক্তির প্রধান প্রধান লক্ষ্যসমূহ অর্জনে বাধা প্রদান করা। আমি আবারো বলতে চাই যে ড. এন. বারারী নিজেকে ছাড়া আর কারও প্রতিনিধিত্ব করেন না। তিনি কংগ্রেসের টিকিটে সংগঠনটির টাকা এবং সাংগঠনিক শক্তির সুবাদে বাংলার আইনসভায় ফিরে আসতে সক্ষম হন। তিনি নমঃশূদ্রদের ফেডারেশনটির প্রার্থীদের বিরোধিতা করেছিলেন। নির্বাচিত হবার কিছুদিন পর তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ফেডারেশনে যোগ দেন। মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হবার কালে তিনি ফেডারেশনেরও সদস্য ছিলেন না। বাঙালি হিন্দুরা আমার সঙ্গে একমত হবেন যে পূর্ববর্তী কার্যকলাপ, চরিত্র এবং বুদ্ধিবৃত্তির দিক থেকে দিল্লী চুক্তি অনুসারে মন্ত্রী নিযুক্ত হবার পক্ষে বারারী বিবেচনার উপযুক্ত নন।

    (ক্রমশ……..)

     

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৪

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি -পর্ব ৩

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি – পর্ব ২

    জিন্নার হিন্দু মন্ত্রীর পাঁচালি – পর্ব ১

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • TET Recruitment: প্রাথমিকে এবার দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের! কত শূন্যপদে জানেন?

    TET Recruitment: প্রাথমিকে এবার দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের! কত শূন্যপদে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে (TET Recruitment) ফের নিয়োগের নির্দেশ। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ২০০৯ সালের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যে প্রাথমিক নিয়োগ (TET Recruitment) হয়েছে সেখানে ৩০০-এর বেশি শূন্যপদ ছিল। সেই পদে অবিলম্বে নিয়োগ করতে হবে।

    নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে যে নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছিল সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১৮৩৪টি শূন্যপদ ছিল। তখন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগের জন্য ১৫০৬ চাকরিপ্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করেছিল। বাকি ৩২৮টি শূন্যপদে নিয়োগ হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
    বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই শূন্যপদ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। শুনানি শেষে পর্ষদকে অবিলম্বে মেধার ভিত্তিতে শূন্যপদ পূরণের নির্দেশ দেন বিচারপতি। শুধু তাই নয়, আরও ৫ শতাংশ অতিরিক্ত নিয়োগের কথাও এদিন জানিয়েছেন বিচারপতি।

    প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে গান্ধীমূর্তির নীচে চাকরির দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার চাকরিপ্রার্থীরা। এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ৩২৮ জনের পাশাপাশি আরও ৯২ জনকে নিয়োগ করতে হবে। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

    ২০০৯ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও পরীক্ষা হয় ২০১২ সালে

    প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে এই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল, তখন টেট পরীক্ষা নেওয়ার প্রক্রিয়া ছিল না। পরে ২০১২ সালে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। ২০২২-এ ফল প্রকাশ হলেও সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলায় নিয়োগ আটকে ছিল দীর্ঘদিন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কর্তারা বলেন, এক্স সার্ভিসম্যান ক্যাটাগরি, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোটায় পর্যাপ্ত প্রার্থী পাওয়া যায়নি বলেই ৩২৮ টি শূন্যপদ ফাঁকা রাখা হয়। এবার সেই সব পদেই দ্রুত নিয়োগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: উহানের ল্যাবেই জন্ম হয়েছিল করোনা ভাইরাসের, নিশ্চিত করল এফবিআই

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Environment Recycling: দেশের প্রথম ‘কার্বন-নেগেটিভ’ শৌচাগার তৈরি করলেন অষ্টাদশী! বিশেষত্ব জানেন?

    Environment Recycling: দেশের প্রথম ‘কার্বন-নেগেটিভ’ শৌচাগার তৈরি করলেন অষ্টাদশী! বিশেষত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রথম দর্শনে মনে হবে কোনও ইগলু! বোঝার বিন্দুমাত্র উপায় নেই যে এটি কোনও শৌচাগার। আর এই অভিনব নকশার টয়লেটের নির্মাণেও রয়েছে অভিনবত্বের ছোঁয়া। কারণ, এটি সুলভ-এর মতো আর পাঁচটা সাধারণ শৌচাগার নয়। এটি দেশের প্রথম কার্বন-নেগেটিভ টয়লেট। এই টয়লেট তৈরি করেছেন এক অষ্টাদশী।  যার দৌলতে গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন ওই তরুণী। পাঞ্জাবের ১৮ বছরের তরুণী রুহানি ভার্মা ছোটবেলা থেকেই একজন পরিবেশপ্রেমী। প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের (Environment Recycling) প্রতি ছোট থেকেই আগ্রহ তাঁর। এরপর রুহানি হাইস্কুলে ওঠামাত্রই পরিবেশ বান্ধব কিছু প্রজেক্ট করার বিষয়ে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। তিনি তখন মনে করতেন, যেকোনও নির্মাণই পরিবেশের (Environment Recycling) উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে। জলের অপচয়, বায়ু দূষণ ইত্যাদি।  তাঁর নিজের কথায়, “আমি ইউটিউবে ভিডিও দেখে এবং ইন্টারনেটে নিবন্ধ পড়ে পরিবেশ বান্ধব ইট নিয়ে গবেষণা শুরু করি। আমি তখন জানতে পারি ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক লোক বিভিন্ন প্রকল্পে এই ইটগুলি ব্যবহার করছে।  কিন্তু এখানকার বেশিরভাগ লোকই এবিষয়ে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ। পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প শুরু করতে, তিনি  প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার করার চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। একাজে সাহায্য পান তাঁর পিতামাতা, এবং বিভিন্ন পেশাদারের। 

    কীভাবে বাস্তবায়িত হল এমন পরিবেশ বান্ধব প্রকল্প (Environment Recycling)

     রুহানির সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল শ্রী ধর রাও এর। শ্রী ধর রাও একজন ইঞ্জিনিয়ার। এই কাজে ব্যবহার করা হয় ফাউন্ড্রি ধুলো এবং প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে তৈরি, সিলিকা প্লাস্টিক ব্লক বা SPB, একটি টেকসই এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ইঁট। এরপর পরিবেশ বান্ধব এই প্রকল্পটির বাস্তবায়নের জন্য তৈরি করা হয় একটি টিম, ওই টিমের সদস্যরা হলেন শিখা ডুগার, রানা সরকার, জুনিয়র আর্কিটেক্ট হিসাবে মানবী দীক্ষিত এবং গ্রাফিক্স বিভাগে ছিলেন অভিষেক সিং। শুরু হয় কার্বন নেগেটিভ পরিবেশ বান্ধব টয়লেট ডিজাইনের কাজ। এরপর রুহানি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেন। এরপর ওই প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয় হয় ইঁট। আরও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যেমন,  এমএস অ্যাঙ্গেল, পিভিসি পাইপ, এইচডিএইচএমআর বোর্ড, ধাতু, ঢেউতোলা শীট, ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। যা সবই ছিল পুনর্ব্যবহারযোগ্য (Environment Recycling)। রুহানি জানান, এটি ছিল পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাবলিক টয়লেট,  ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হয়। মোট ৪ লক্ষ প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে এটা তৈরি করা হয়েছে।
    রুহানি বলেন, পাবলিক টয়লেট সাধারণত নোংরা দেখায়। তাই আমরা ভেবেছিলাম এই টয়লেটগুলো যেন বাকি জায়গার মতো নোংরা হয়না। এবং গঠনমূলকভাবে এটাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে চেয়েছিলাম।
    প্রকল্পের রুপায়নকারী সংস্থা বলে, এটি আমাদের প্রথম প্রকল্প ছিল, এটি তৈরি করতে আমাদের প্রায় দুই মাস সময় লেগেছিল, কিন্তু ভবিষ্যতের প্রকল্পগুলি  আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ করত পারব বলে মনে হয়। অমৃতসর বিমানবন্দরের এই কাঠামোটি কমপক্ষে পাঁচ বছর স্থায়ী হবে। রুহানি বলেন, এই প্রকল্পটি আমরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করেছি। বর্তমানে এটি স্বচ্ছভারত মিশনের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। আমরা এটিকে প্রতিনিয়ত দেখভাল করছি। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Naatu Naatu: অস্কারের মঞ্চে ‘নাটু নাটু’ গানের লাইভ পারফর্ম দেখা যাবে এবছর

    Naatu Naatu: অস্কারের মঞ্চে ‘নাটু নাটু’ গানের লাইভ পারফর্ম দেখা যাবে এবছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক নতুন পালক যোগ হতে চলেছে টিম ‘আরআরআর’-এর মুকুটে। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় মঞ্চ অস্কারের আসরে সেরা মৌলিক গানের মনোনয়ন জিতে আগেই দেশকে বড় সম্মান এনে দিয়েছে ‘আরআরআর’ ছবির গান ‘নাটু নাটু’ (Naatu Naatu)। এবার এই দক্ষিণী সিনেমার গান লাইভ পারফর্ম করা হবে ৯৫তম অ্যাকাডেমি অ্য়াওয়ার্ডসের আসরে। আগামী ১৩ মার্চ হবে অস্কারের অনুষ্ঠান। সেখানেই এই এম এম কিরাবাণীর সুর করা এবং চন্দ্র বোসের লেখা এই গান গাইবেন কালা ভৈরব এবং রাহুল সিপলিগঞ্জ। ‘আরআরআর’ ছবির এই গানের তালে এবার নাচবে গোটা বিশ্ব। ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলসের ডলবি থিয়েটারে বসবে অস্কারের বার্ণাঢ্য আসর। এইবার অস্কার সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকছেন জিমি কিমেল। 

    কালা ভৈরব এবং রাহুল সিপলিগুঞ্জের গান শোনা যাবে অস্কারের মঞ্চে

    সেই অর্থে ভারতীয় মিউজিক দুনিয়ার পরিচিত নাম নন কালা ভৈরব এবং রাহুল সিপলিগুঞ্জ। তবে এই দুই তরুণ গায়কের হাত ধরেই অস্কারের মঞ্চে নয়া ইতিহাস লিখবে ভারত। গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, অবশেষে সেই খবরে সিলমোহর দিয়ে মঙ্গলবার রাত ১১.৩০টা নাগাদ অ্যাকাডেমির অফিসিয়্যাল ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে জানানো হয় ‘নাটু নাটু’ (Naatu Naatu) গান পারফর্ম করা হবে অস্কারের মঞ্চে।

    প্রতিযোগিতায় আর কোন কোন গান থাকছে  

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের অস্কারের মঞ্চে ‘লিফ্‌ট মি আপ’ গানে পারফর্ম করতে চলেছেন পপ তারকা রিহানা। অন্যদিকে ‘এভরিথিং এভরিথিং অল অ্যাট ওয়ানস’ ছবির ‘দিজ ইজ লাইফ’ গানে পারফর্ম করতে দেখা যাবে ডেভিড বাইরনে এবং স্টেফানি হসুকে। এছাড়াও থাকবে ‘অ্যাপ্লোস’ গানে সোফিয়া কারসনের পারফরম্যান্সও। সেরা মৌলিক গানের দৌড়ে থাকছে লেডি গাগার ‘হোল্ড মাই হ্যান্ড’ গানটিও।

    এর আগে ২০০৯ সালে অস্কার জিতেছিল জয় হো গান  

    এর আগে সেরা মৌলিক গানের জন্য ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়ার’ ছবির জয় হো-অস্কার (২০০৯) ছিনিয়ে নিয়েছিল। তবে ব্রিটিশ প্রযোজনা সংস্থার তৈরি ছবি সেটি। ‘নাটু নাটু’র (Naatu Naatu) হাতে অস্কার উঠলে এই প্রথম সম্পূর্ণরূপে কোনও ভারতীয় ছবির জন্য অস্কার জিতবেন ভারতীয় শিল্পীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share