Blog

  • Adeno Virus: দু’দিনে তিন শিশুর মৃত্যু! শিশুদের ক্ষেত্রে করোনার মতোই বিপজ্জনক অ্যাডিনো, বলছেন চিকিৎসকেরা

    Adeno Virus: দু’দিনে তিন শিশুর মৃত্যু! শিশুদের ক্ষেত্রে করোনার মতোই বিপজ্জনক অ্যাডিনো, বলছেন চিকিৎসকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে (এআরআই) শহরে শনিবার এবং রবিবারের মধ্যে তিনটি শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে অ্যাডেনোভাইরাসে আক্রান্ত এক শিশুকে, হাসপাতালে আইসিইউ-তে রাখাই যায়নি। সরকারি হোক, বা বেসরকারি, কলকাতার প্রায় সব হাসপাতালেই পেডিয়াট্রিক ICU ভর্তি। কোনও বেড নেই। এই বছর শিশুদের মধ্যে ভাইরাল সংক্রমণের তীব্রতা খুব বেশি। যা সময় বিশেষে প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। মৃত তিন শিশুর মধ্যে দুজন বিসি রায় শিশু হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। একজন ছিলেন মেডিক্যাল কলেজে।

    সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক

    আ্যডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার থেকেই শহরের একাধিক স্কুলে কার্যকর হচ্ছে মাস্ক-স্যানিটাইজার-দূরত্ববিধি। অনেক স্কুলের গেটে বসানো হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র। এখন পরীক্ষার মরশুম। তার মধ্যেই বহু স্কুল জানিয়েছে, নিজের বা বাড়ির কারও জ্বর-সর্দি-কাশি হলে স্কুলে যেতে হবে না। প্রয়োজনে পরে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বা অন্য পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের রেজাল্ট তৈরি করা হবে। জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হয়ে স্কুলে স্কুলে বহু পড়ুয়া অনুপস্থিত। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অ্যাডিনো-য় সবচেয়ে সাবধানে রাখা দরকার ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু  

    করোনার থেকে কোনও অংশে কম বিপজ্জনক নয় অ্যাডিনো ভাইরাস। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে অ্যাডিনো ভাইরাস ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে, অভিমত চিকিৎসকদের। চিকিৎসকরা বলছেন, এই ভাইরাস আগে থাকলেও এবার ভয়ঙ্কর হওয়ার অন্যতম কারণ ইমিউনিটি গ্যাপ। ২ বছরের নীচে যারা রয়েছে তারা সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। শিশু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকা জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে দু’তিনদিনের বেশি জ্বর বা শ্বাসকষ্ট, ভয়ানক কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। লক্ষণগুলি মাত্রাছাড়া হলে হাসপাতালে যেতে হবে। আর যারা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত, তাদের বাড়িতে থাকতে হবে। ভিড় এলাকায় শিশুদের না নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এই সংক্রমণ কমতে আরও ৩ সপ্তাহ লাগবে বলে অনুমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Obesity: বাড়তি ওজনে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯১ শতাংশ! ঠিক কী বলছে নতুন গবেষণা

    Obesity: বাড়তি ওজনে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায় ৯১ শতাংশ! ঠিক কী বলছে নতুন গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়তি ওজন বা স্থূলতা (Obesity)  খুবই ভয়ঙ্কর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়তি ওজন (Obesity) বিভিন্ন ক্রনিক রোগকে টেনে আনে। একটি সমীক্ষা অনুসারে, বাড়তি ওজনের ফলে মৃত্যুর ঝুঁকি ২২ থেকে ৯১ শতাংশ বেড়ে যায়। অতিকায় শরীর নিয়ে কোনও সুখ নেই! চিকিৎসকরা বলছেন বাড়তি ওজন (Obesity) টেনে আনে উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মতো কঠিন অসুখ। স্লিম হওয়ার জন্য তাই নানা রকমের উপায় অবলম্বনের চেষ্টা করেন প্রত্যেকেই। ছোটা, হাঁটা, ঘাম ঝড়ানো, সাইক্লিং, সাঁতার কাটা এসব তো আছেই। সমীক্ষায় দেখা গেছে  যাদের বিএমআই বেশি তাদের মধ্যে মৃত্যুর প্রবণতাও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন মানুষের প্রচলিত ধারণা হল বিএমআই-এর সঙ্গে মানুষের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই কিন্তু এটা একেবারেই ভুল ধারণা। গবেষকরা বলছেন মোট ১৭,৭৭৪ জনের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয় যার মধ্যে থেকে ৪,৪৬৮ জনের মৃত্যুর কারণ দেখা যায় বাড়তি ওজন (Obesity)। এই সমীক্ষা বেশ কয়েকবছর ধরে চালিয়েছে ওই সংস্থা।

    পুষ্টিবিদদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে প্রতি বছর একটু একটু করে ওজন বৃদ্ধির ফলে যে স্থূলতা তৈরি হয়, তা চিকিৎসা করা কঠিন। দৈনিক মাত্র ৫০-২০০ কিলোক্যালরি অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করলে ৪-১০ বছরে ২-২০ কেজি ওজন বাড়বে।

    বাড়তি ওজন টেনে আনে অসংখ্য রোগ

    গবেষকদের মতে, স্থূলত্ব হলো কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (করোনারি আর্টারি ডিজিজ, স্ট্রোক এবং হাইপারটেনশন) এবং করোনারি হার্ট ডিজিজের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। হৃদরোগ হলো স্থূল রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণ, তবে ক্যান্সারের হারও মাত্রাতিরিক্ত ওজনের রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষত পুরুষদের বেলায় বৃহদ্রন্ত্রের (কালোরেক্টাল) ক্যান্সার এবং মহিলাদের বেলায় পিত্তথলি, পিত্তনালি, স্তন, জরায়ু মুখ এবং এন্ডোমেট্রিয়াম ক্যান্সার। স্থূলতা আয়ু হ্রাস করে। ৪০ বছর বয়সে স্থূলত্ব অধূমপায়ীদের আয়ু ৭ বছর এবং ধূমপায়ীদের আয়ু ১৩ বছর হ্রাস করতে পারে। স্থূলত্ব রোগীর জীবন এবং কর্মের ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলে।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

      

     

     

  • Olaf Scholz: জার্মানিতে এসে কাজ করুন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষ কর্মীরা, আবেদন জার্মান চ্যান্সেলরের

    Olaf Scholz: জার্মানিতে এসে কাজ করুন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষ কর্মীরা, আবেদন জার্মান চ্যান্সেলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত ভারত সফরে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ (Olaf Scholz)। শনিবার দুদিনের জন্যে এই দেশে এসেছেন তিনি। এ দিন রাষ্ট্রপতি ভবনে যান শলৎজ। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। এছাড়াও একাধিক প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গেও দেখা করেন। ক্লিন এনার্জি, বাণিজ্য ও নয়া প্রযুক্তি নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে মোদি বলেন, ইউরোপে ভারতের সবথেকে বড় বাণিজ্য অংশীদার হল জার্মানি। সেখানেই শলৎজ প্রধানমন্ত্রীর সামনে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য কারিগরি শিল্পে দক্ষ কর্মীদের জার্মানিতে গিয়ে চাকরি করার আর্জি জানান।

    কী বললেন জার্মান চ্যান্সেলর?

      
    এ দিন বৈঠকের আগেই শলৎজ (Olaf Scholz) সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেছেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের ইতিমধ্যেই ভাল সম্পর্ক রয়েছে। আমি আশা করি এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আশা করি আমরা আমাদের দেশের উন্নয়ন এবং বিশ্বের শান্তির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক সমস্ত বিষয় নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করব।” এ দিন একাধিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

    বৈঠক শেষে দিল্লিতে হায়দ্রাবাদ হাউস থেকে একটি যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জার্মান চ্যান্সেলর (Olaf Scholz) বলেন, “দুই দেশের মধ্যে গভীর বোঝাপড়ার উপর ভিত্তি করে ভারত ও জার্মানির সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। আমাদের বাণিজ্য বিনিময়ের ইতিহাস রয়েছে। জার্মানি ও ইউরোপ আমাদের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যের অংশীদার।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ইউরোপে আমাদের বাণিজ্যের সর্ববৃহৎ অংশীদার হওয়া ছাড়াও ভারতে বিনিয়োগের অন্যতম একটি উৎস হল জার্মানি। তিনি বলেন, “একে অপরের স্বার্থের অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে ভারত ও জার্মানির মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।”  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বিগত কয়েক বছরে দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। আজ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের ফলে সমস্ত ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ এসেছে। আমরা এই সুযোগগুলিতে জার্মানির আগ্রহ দেখে উত্সাহিত হয়েছি।” সেখানেই শলৎজ় বলেন, “আমাদের দরকার মেধা ও দক্ষ কর্মীর। ভারতে তথ্য প্রযুক্তি ও সফ্টওয়্যারের বিকাশ হচ্ছে এবং অনেক সক্ষম সংস্থা ভারতে রয়েছে। ভারতে এত প্রতিভা রয়েছে এবং আমরা তা থেকে উপকৃত হতে চাই। আমরা জার্মানিতে সেই প্রতিভা নিয়োগ করতে চাই।”

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথাও উঠে এসেছে আলোচনায়। শলৎজ (Olaf Scholz) বলেন, “ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ গোটা বিশ্বে একটি বড় বিপর্যয় নিয়ে এসেছে। কারণ আমরা জানি এই যুদ্ধ অর্থনৈতিক নীতিগুলি লঙ্ঘন করে। প্রায় ১,৮০০ জার্মান সংস্থা ভারতে সক্রিয় এবং হাজার হাজার চাকরি দিয়েছে।” তিনি রাশিয়ার আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা করে বলেন, “রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রভাবে ভুগছে গোটা বিশ্ব। খাদ্য ও জ্বালানির সরবরাহ অবিচ্ছিন্ন রাখতে নিশ্চিত করা হচ্ছে।” ভারতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শলৎজ বলেন, “এই সময়ে ভারতের অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের জন্য তা ভাল।”   

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ বিষয়ে বলেন, “ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হতেই ভারত আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে এই বিরোধ সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে। ভারত যে কোনও শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত। নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nisith Pramanik: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলা! মামলা দায়েরের অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

    Nisith Pramanik: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলা! মামলা দায়েরের অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় বিজেপিকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শনিবার কোচবিহারের দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কনভয়ে হামলা চালানো হয়। বোমা, গুলি এবং পাথর ছুড়ে হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে আইনজীবী সূর্যনীল দাস প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিচারপতি শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ সেই মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে আদালত। 

    সাধারণের নিরাপত্তা কোথায়

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনী থাকার পরেও, তার উপর হামলা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? প্রশ্ন মামলাকারী আইনজীবীর। আর পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হোক সিবিআইকে বলে আবেদন করা হয়েছে। দিনহাটায় সেন্ট্রাল ফোর্স মোতায়েন করার আবেদনও জানানো হয়েছে। এই নিয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সম্ভাবনা আছে। 

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু  

    বিজেপির অভিযোগ, নিশীথের কনভয়ে হামলা আসলে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের চক্রান্ত। অন্য দিকে, পুরো ঘটনার দায় নিশীথের ঘাড়েই চাপিয়েছেন উদয়ন। শনিবার সন্ধ্যার হামলার ঘটনাকে ‘শোচনীয়’ আখ্যা দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। 

    দিনহাটা যাচ্ছেন সুকান্ত!

    ইতিমধ্যেই দিনহাটা যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোমবার রাতেই তিনি দিনহাটার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘মঙ্গলবার দিনভর দিনহাটার রাস্তায় রাস্তায় ঘুরব, দেখি তৃণমূলের কত দুষ্কৃতী আছে।’’মঙ্গলবার সকালেই দিনহাটায় পৌঁছে যাওয়ার কথা সুকান্তের। নিশীথকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দিনহাটায় ঘুরবেন। শনিবারের ঘটনায় যাঁরা আহত হয়েছেন, সেই সব বিজেপি কর্মীদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Agnipath Scheme: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    Agnipath Scheme: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Agnipath Scheme)। খারিজ হয়ে গেল অগ্নিপথ প্রকল্পের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া যাবতীয় মামলা। হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলে, “সেনা ও দেশের যুব সমাজের স্বার্থে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে আপত্তির কিছু নেই।”

     


     
     
    কেন্দ্র অগ্নিপথ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) ঘোষণা করার পর থেকেই দেশজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসে। অনেকেই এই প্রকল্পের বিরোধীতায় সরব হন। আদালতে দায়ের করা হয় একাধিক মামলা। দিল্লি হাইকোর্টেও দায়ের হয়েছিল বেশ কিছু জনস্বার্থের মামলা। তারমধ্যে কয়েকটি মামলা করেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তারা।

    আরও পড়ুন: সুদূর ফ্রান্সে গিয়ে যোগ্যতা অর্জন, বাংলার ১১তম গ্র্যান্ডমাস্টার সায়ন্তন দাস

    বেশ কিছু মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। শীর্ষ আদালত সেই মামলা দিল্লি হাইকোর্টে পাঠায়। এছাড়া দেশের একাধিক হাইকোর্টে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাকারীদের মূল বক্তব্য, জওয়ানদের চার বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হলে সেনার সক্ষমতা হ্রাস পাবে। একইভাবে বিপাকে পড়বেন অবসরপ্রাপ্ত অগ্নিবীররা।

    কী বলেছেন বিচারপতি?

    দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি (Agnipath Scheme) সতীশচন্দ্র শর্মার ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, সেনা বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে মামলাকারীরা প্রশ্ন তুলতে পারেন না। সেনাই ভাল জানে নিয়োগের ভালমন্দ। আদালতেরও হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই। দিল্লি হাইকোর্ট গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে তার রায় সংরক্ষণ করেছে।

    প্রসঙ্গত, সশস্ত্র বাহিনীতে যুবকদের নিয়োগের জন্য গত বছরের ১৪ জুন ‘অগ্নিপথ প্রকল্প’ (Agnipath Scheme) চালু করা হয়েছিল। নিয়ম অনুসারে, সাড়ে সতেরো ​​থেকে ২১ বছর বয়সী যুবকরা এই স্কিমের আওতায় সেনাবাহিনীতে আবেদন করার যোগ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Bengal Chess Player: সুদূর ফ্রান্সে গিয়ে যোগ্যতা অর্জন, বাংলার ১১তম গ্র্যান্ডমাস্টার সায়ন্তন দাস

    Bengal Chess Player: সুদূর ফ্রান্সে গিয়ে যোগ্যতা অর্জন, বাংলার ১১তম গ্র্যান্ডমাস্টার সায়ন্তন দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে গিয়ে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেন বাংলার দাবাড়ু সায়ন্তন দাস (Bengal Chess Player)। বাংলার একাদশতম গ্র্যান্ডমাস্টার হচ্ছেন তিনি। বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছেন সায়ন্তন দাস। সেখানেই একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন তিনি। এর আগে চারটি গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম পেয়েছেন সায়ন্তন। তারপর বেশ কয়েক দিনের অপেক্ষা। গ্র্যান্ডমাস্টার হতে প্রয়োজন ছিল ২৫০০ রেটিং পয়েন্ট। আর সেই স্বপ্নই পূরণ হল। গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন তিনি।   

    ফ্রান্সের এক প্রতিযোগিতায় শেষ রাউন্ডে জিতে সেই রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেন তিনি (Bengal Chess Player)। সেই সঙ্গে গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন তিনি। সায়ন্তনের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাংলার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার  দিব্যেন্দু বড়ুয়াও। তিনি বলেন, “সায়ন্তনের সাফল্য প্রমাণ করে যে বাংলার দাবা সঠিক পথে রয়েছে। বাংলার দাবার জন্য এটা খুবই আনন্দের দিন। সায়ন্তন একজন প্রতিভাবান দাবাড়ু। আগেই জিএম নর্ম পেয়ে গিয়েছিল। প্রয়োজন ছিল কিছু রেটিং পয়েন্টের। সেটাও পেয়ে গিয়েছে সায়ন্তন।”

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ‘গ্রাম সম্পর্ক’ অভিযানে নামছে বিজেপি যুব মোর্চা

    উচ্ছ্বসিত কোচ

    ২৬ বছরের সায়ন্তনের ছোটবেলার কোচ সপ্তর্ষি রায়। কলকাতার গুডরিক ন্যাশনাল চেস অ্যাকাডেমি থেকেই দাবায় হাতে খড়ি তাঁর (Bengal Chess Player)। শিষ্যের সাফল্যে খুশি কোচ সপ্তর্ষি রায়। কুর্নিশ জানিয়েছেন নিজের ছাত্রকে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “সায়ন্তন খুবই প্রতিভাবান। আমি ছোট থেকে ওকে কোচিং করিয়েছি। আমার হাতে রাজ্য থেকে শুরু করে জাতীয় ও পরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নও হয়েছে সায়ন্তন। যে পরিবার থেকে উঠে ও এই লড়াই করেছে তার জন্য সায়ন্তনকে কুর্নিশ জানাতেই হবে। ওর আরও আগে গ্র্যান্ডমাস্টারের যোগ্যতা পাওয়া উচিত ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত যে পেয়েছে তার জন্য আমি খুব খুশি।” 

    কৌস্তুভ চট্টোপাধ্যায়ের গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার একমাসের মধ্যে ফের গ্র্যান্ডমাস্টার পেল বাংলা। স্কটিশচার্চ স্কুল এবং কলেজের প্রাক্তন ছাত্র সায়ন্তন (Bengal Chess Player)। কান আর্ন্তজাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় ৯ রাউন্ডে ৭.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে চ্যাম্পিয়ন হন তিনি। ফ্রান্সে যাওয়ার আগে কাঙ্খিত পয়েন্ট থেকে ২৪ পয়েন্ট দূরে ছিলেন বাঙালি তরুণ এই দাবাড়ু। সেখানে গিয়ে প্রতিযোগিতা থেকে ২৮ রেটিং পয়েন্ট এল ৷ তা আসতেই ভারতের ৮১ নম্বর গ্র্যান্ডমাস্টার হলেন সায়ন্তন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Nagaland Manipur: নাগাল্যান্ডে ভোটগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা! আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল, কড়া নিরাপত্তা মেঘালয়ে

    Nagaland Manipur: নাগাল্যান্ডে ভোটগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা! আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল, কড়া নিরাপত্তা মেঘালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই মেঘালয়, নাগাল্যান্ড বিধানসভায় নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে। চোখে পড়েছে লম্বা লাইন। মেঘালয়ে মোট ২১ লক্ষ ভোটার ৩৬৯ জন প্রার্থীর মধ্যে নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিনিধি বেছে নেবে জনসাধারণ। পাশাপাশি নাগাল্যান্ডে ১৩ লক্ষ ভোটার আজ, ১৮৩ জন প্রার্থীর ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন। বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে যাতে কেউ এখানে প্রবেশ না করতে পারে, সেজন্য ভোটগ্রহণ ঘিরে দুই রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ২ তারিখ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শেষ না হওয়া অবধি আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল থাকবে। ভোটারদের অবাধে ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নাগাল্যান্ডে উত্তেজনা

    নাগাল্যান্ডে এবারও জোট করেই লড়াই করছে এনডিপিপি এবং বিজেপি। নাগাল্যান্ডে নিফো রিওর দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টি (এনডিপিপি)-র সঙ্গে জোটে লড়াই করছে দেশের শাসকদল। এনডিপিপি ৪০টি আসনে, ২০টি আসনে বিজেপি লড়াই করছে। এই দু’দলের জোট সরকারই বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে নাগাল্যান্ডে। আবারও তাঁরা ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। এবারে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডারা। এখানে নাগা পিপলস পার্টি (এনপিপি) ২২টি আসনে লড়াই করছে। কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ২৩টি আসনে।

    ভোটগ্রহণ চলার সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠল নাগাল্যান্ডের একটি ভোটকেন্দ্র। অভিযোগ, বুথের ভিতরেই এনপিপি সমর্থককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এক এনপিএফ সমর্থক। ওই বুথে ভোটগ্রহণ কিছু সময়ের জন্য স্থগিত থাকলেও আবারও শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া।

    আরও পড়ুন:কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    মেঘালয়ে কড়া নিরাপত্তা

    মেঘালয়ে ৬০ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী কানরাড সাংমার দল এনপিপি। মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে তৎপর দুই রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। ভোটে অশান্তি এড়াতে দুই রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আবার মেঘালয়ের ৯০০টি বুথ স্পর্শকাতর হিসাবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই ওই বুথগুলিতে বিশেষ নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এফ আর খারকোনগোর ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sagardighi Bypoll: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    Sagardighi Bypoll: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন (Sagardighi Bypoll)। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। সাগরদিঘির ২৪৬টি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। থাকছে মহিলা পরিচালিত একটি বুথ। ভোটের নিরাপত্তায় প্রস্তুত থাকছে ২২টি ক্যুইক রেসপন্স টিম। ১০০ শতাংশ বুথেই হবে ওয়েব কাস্টিং। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি থাকছে ১৪৪ ধারা। 

    শুরু ভোটগ্রহণ

    মুর্শিদাবাদ জেলার এই কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহার প্রয়াণে এই উপনির্বাচন হচ্ছে। এই ভোটে নিজেদের আসন ধরে রাখতে মরিয়া শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর সম্পর্কের আত্মীয়। এখানে বাম কংগ্রেস জোট প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বাইরন বিশ্বাস। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহা। তাঁর প্রচারে এখানে দিনভর এক করেছে গেরুয়া শিবির। একুশের ভোটে এই কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। এবারও তৃণমূল-বিজেপি লড়াইটাই মূল।

    আরও পড়ুন: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! রাজ্য সরকারকে কড়া বার্তা

    উপনির্বাচন হলেও সাগরদিঘিতে ঘটনার ঘনঘটা। রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেই নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে সাগরদিঘি থানার ওসিকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। মকপোলের মধ্যে দিয়ে উপনির্বাচন শুরু হয় সাগরদিঘিতে। সাগরদিঘি বিধানসভার হোসেনপুর ২১০ ও ২১১ নম্বর বুথে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রণ বিশ্বাস বুথের ভিতরে প্রবেশ করায় এলাকায় উত্তেজনা। বোখারা অঞ্চলের ৬৩ নম্বর বুথের ভিতরে আলো কমের অভিযোগ তোলে তৃণমূল কর্মীরা। সাগরদিঘি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৮৭ নম্বর বুথে ইভিএম উল্টো করে রেখে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সাগরদিঘির ৫৩ নম্বর বুথে মক পোল না করেই ভোটগ্রহণ শুরুর অভিযোগ উঠেছে।

    উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে আজ ভোট হচ্ছে। দুটি রাজ্যেই ৬০টি করে আসন। নাগাল্যান্ডে ক্ষমতায় ছিল এনডিপিপি-বিজেপি ও মেঘালয়ে ছিল এনপিপি-বিজেপি জোট সরকার। ত্রিপুরায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোট হয়ে গিয়েছে। এই তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোট ও সাগরদিঘির উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে আগামী ২ মার্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Sidhu Moosewala: জেলের মধ্যেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! মৃত্যু হল মুসেওয়ালা খুনে ধৃত ২ দুষ্কৃতীর, আহত ১

    Sidhu Moosewala: জেলের মধ্যেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ! মৃত্যু হল মুসেওয়ালা খুনে ধৃত ২ দুষ্কৃতীর, আহত ১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলের মধ্যেই হাতাহাতি করে মৃত্যু হল সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) খুনে দুই অভিযুক্তের। পাঞ্জাবের গোইন্দওয়াল সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিল সিধু মুসেওয়ালা হত্যা মামলার অভিযুক্তরা। আজ, রবিবার হঠাৎ বিকেলে জেলের ভেতরে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তিন অভিযুক্ত। সংঘর্ষে দুই গ্যাংস্টারের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন মনদীপ সিং ওরফে তুফান। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে অপর অভিযুক্ত মনমোহন সিংয়ের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আরেক অভিযুক্ত কেশব। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৯ মে গুলিবিদ্ধ হন পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, পাঞ্জাবের তারন তারান জেলার গোইন্দওয়াল সাহেব সেন্ট্রাল জেলের ভিতরে হঠাৎই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। জেলের রক্ষীরা থামাতে যাওয়ার আগেই আঘাত পেয়ে মৃত্যু হয় দুরান মনদীপ সিং ওরফে তুফানের। গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশ। তারপর থেকেই জেল হেফাজতে রাখা হয়েছিল মনদীপকে। এই সংঘর্ষে অপর অভিযুক্ত মনমোহন সিং গুরুতর আহত হন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মনমোহনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গত বছর জুন মাসে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিল মনমোহনের। পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে মুসেওয়ালার (Sidhu Moosewala) গতিবিধির উপর নজর রাখত সে। এই অভিযোগেই গ্রেফতার হয়েছিল মনমোহন। আবার এই ঘটনায় গুরুতর আহত কেশবকে অমৃতসরের গুরু নানক দেব হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। যেখানে তার চিকিৎসা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, কেশবের মাথায় গুরুতর চোট রয়েছে।

    মুসেওয়ালার মৃত্যু

    মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) গত বছর কংগ্রেসের টিকিটে পাঞ্জাব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পাঞ্জাবের মানসা জেলায় গতবছর ২৯ মে হামলাকারীদের গুলিতে মারা যান তিনি। গ্যাংওয়ারের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। হাজতে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে মুসেওয়ালা খুনের অপরাধের মূলচক্রী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৮৫০ পাতার চার্জশিটে ৩৬ জনের নাম রয়েছে। এছাড়াও ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ দাবি করে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই-র দলের সদস্য গোল্ডি ব্রার সিধুর হাত। চলতি বছরে গোল্ডি ব্রারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

    প্রশ্নের মুখে আপ সরকার

    জেলের মধ্যেই কী করে এহেন প্রাণঘাতী হামলায় জড়িয়ে পড়ল বন্দিরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনার জেরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছে আম আদমি পার্টি বা আপ পরিচালিত পাঞ্জাবের ভগবন্ত মানের সরকার। জেলের মধ্যে কী ভাবে গ্যাংওয়ারে জড়িয়ে পড়ল মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) খুনে তিন অভিযুক্ত? এই নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত। খতিয়ে দেখা হচ্ছে জেলের সিসিটিভি ফুটেজ। ঘটনার নেপথ্যে কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Twitter Layoffs: ফের ট্যুইটারে কর্মী ছাঁটাই! এই নিয়ে ৮ বার! মোট কত জন ছাঁটাই হল এবার?

    Twitter Layoffs: ফের ট্যুইটারে কর্মী ছাঁটাই! এই নিয়ে ৮ বার! মোট কত জন ছাঁটাই হল এবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলন মাস্ক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্য়ুইটারে চলছে একের পর এক ছাঁটাই পর্ব। ফের একবার কর্মী ছাঁটাই হতে চলেছে মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটারে (Twitter)। গত বছরের অক্টোবর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই নিয়ে মোট আটবার কর্মী ছাঁটাই হচ্ছে ট্যুইটারে। 

    ৫০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করা হল এদিন

    ট্যুইটার জানিয়েছে, তাদের প্রযুক্তি বিভাগ থেকে ৫০ জন কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে ট্যুইটার অ্যাপ, অ্যাড সাপোর্টিং টেকনোলজি ছাড়াও প্রযুক্তি পরিকাঠামোর দল থেকে কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। গত সপ্তাহে একই সময়ে, ট্যুইটার বিজ্ঞাপন সেলস টিম থেকেও কর্মীদের ছাঁটাই করেছে। 

    ছাঁটাই পর্ব চলছেই
     

    অক্টোবর মাসে ট্যুইটার কেনার পর খরচ কমানোর কারণ দেখিয়ে ইলন মাস্ক কোম্পানি থেকে ৩,৭০০ কর্মচারীকে বরখাস্ত করেছিলেন। ৪৪ বিলিয়ন ডলারে ট্যুইটার কেনার পর এটিই ছিল প্রথম ছাঁটাই। পরর্তীকালে ধাপে ধাপে আরও অনেককে ট্যুইটার থেকে বাদ দেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশের বেশি কর্মীকে ছাঁটাই করেছেন ইলন মাস্ক। তবে তাতেও যেন তাঁর মন ভরছেনা।  ইলন মাস্ক আগেই ভারতে ট্যুইটারের দুটি অফিসই বন্ধ করে দিয়েছেন। কর্মীরা ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছে। মুম্বই ও দিল্লি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আগেই। শুধুমাত্র ব্যাঙ্গালোর অফিসটিই খোলা রেখেছে ট্যুইটার। পরিসংখ্যান বলছে, মুম্বই ও দিল্লিতে ২০০ জন কর্মচারীর মধ্যে ৯০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ট্যুইটারে সিইও রয়েছেন নিজের মেজাজেই। সম্প্রতি নিজেই ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে ট্যুইটারে তিনি যাঁদের ব্লক করেছিলেন তাঁদের আনব্লক করেছেন। কারণ তাঁর কাছে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াও ভাল বিষয়। তাই যত ইউজারের অ্যাকাউন্ট তিনি ট্যুইটারে ব্লক করেছিলেন সকলকেই আনব্লক করেছেন এলন মাস্ক। তবে এই তালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন স্ক্যামারদের। অন্যদিকে ট্যুইটারের অন্যান্য ইউজারদেরও এভাবে আনব্লকের পরামর্শ দিয়েছেন ইলন মাস্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

LinkedIn
Share