Blog

  • Ekbalpur Mominpur: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    Ekbalpur Mominpur: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ড নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। একবালপুর-মোমিনপুর সংঘর্ষের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন করা নিয়ে আগেই আর্জি জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু রাজ্য সরকারের অস্বস্তি যেন আরও বেড়ে গেল। শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা নিয়ে হাইকোর্টের দরজা নাড়লেন আরও এক ব্যক্তি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কলকাতা শহরে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) মোতায়েনের আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)।

    একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্যের পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আগেই উঠেছে। এমনকি অভিযোগ উঠেছে, সেখানকার ঘটনা ঠেকাতে ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। লক্ষ্মী পুজোর আগের রাত থেকে এই হিংসা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের দিকে বারবার ব্যর্থতার আঙুল তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ায় বিজেপি ট্যুইটে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছে ও এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করেছে।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    অন্যদিকে গতকাল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ওই অঞ্চলে যেতে চাইলে তাঁকেও আটকে দেয় পুলিশ। আটক করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় লালবাজারে। সুকান্ত মজুমদারের গ্রেফতারির প্রতিবাদে, কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-নেতারা। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে, বিধানসভা থেকে মিছিল করে রাজভবনে যান বিজেপির বিধায়করা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে এমনটা অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠান শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও তিনি এই ঘটনার পর থেকেই একবালপুর-মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে দাবি করেছিলেন। আর তারই মধ্যে এক আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে।  

     

  • Amazon Tree: আমাজনে মিলল বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো গাছ  

    Amazon Tree: আমাজনে মিলল বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো গাছ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বছরের চেষ্টায় আমাজনে দেখা মিলল (Amazon) বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু গাছ।২৫ তলা উঁচু বাড়ির( 25 Storey) সমান লম্বা গাছটির থ্রিডি ম্যাপিং স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালে।৩ বছরের প্ল্যানিং, ৪ টি অভিযান, ঘনতম জঙ্গলে দীর্ঘ যাত্রার পরে শেষ অবধি এল সেই কাজে সাফল্য ৷ বৈজ্ঞানিকেরা জানিয়েছেন, এই গাছের সামনে পৌঁছতে গিয়ে বারবার বাধা পেয়েছেন তাঁরা। বিষাক্ত মাকড়সা এবং অন্য পোকামাকড়ের কামড় খেয়ে অদম্য সাহস নিয়ে ১৯ জনের টিম দুই সপ্তাহের পর পৌঁছেছে সেই গাছের কাছে।বিজ্ঞানীরা গাছটির বিশালতা দেখার পর থেকেই তাজ্জব বনে গিয়েছে। ঘনজঙ্গল ঘেরা নদী পথে নৌকায় ২৫০ কিলোমিটার, তার পরে আরও ২০ কিলোমিটার হেঁটে বিজ্ঞানীরা সেই গাছের গোড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন।তাঁরা জানিয়েছেন, এই বিশালাকার গাছটিতে কত কার্বন জমা রয়েছে তারও পরীক্ষা করবেন৷ উত্তর ব্রাজিলের ইরাতাপুর নদীর নেচার রিজার্ভে (Reserve) গাছটি অবস্থিত৷গাছটির নাম অ্যাঞ্জেলিম বর্মেলো এবং এর বিজ্ঞানসম্মত নাম দেওয়া হয়েছে ডিনিজিয়া এক্সেলসা (Dinizia excelsa) গাছটি লম্বায় ৮৮.৫ মিটার (২৯০ ফুট), প্রায় একটি ২৫ তলা বাড়ির মতো, আর চওড়ায় ৯.৯ মিটার (৩২ ফুট)৷ এখনও অবধি বিজ্ঞানীদের সন্ধানে পাওয়া আমাজনের সবচেয়ে বড় গাছ৷

    [tw]


    [/tw] 

    টিমের অন্যতম সদস্য আমাপা ফেডারেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (Amapa Federal University) ফরেস্ট ইঞ্জিনিয়ার দিয়েগো আর্মান্দো সিলভা বলেন, এই গাছের কাছে পৌছানো তার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা।তিনি বলেন, দেখে  হচ্ছে গাছটি অন্তত ৪০০-৬০০ বছরের প্রাচীন। বিজ্ঞানীরা সেখানকার মাটি, গাছের পাতা ও অন্যান্য নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তাদের দাবি, বাতাসের কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে নেওয়ার কারণেই এই গাছটির এতটা ওজন।

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল। আমাজন নদী এই বনটির জীবনীশক্তি। প্রায় ৭০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বনাঞ্চলটি আয়তনের দিক থেকে ভারতের প্রায় ৫ গুন । সমগ্র পৃথিবীতে যত রেইনফরেস্ট আছে তার মধ্যে অর্ধেকই হল এখানে। আমাজনের ৪০ হাজার প্রজাতির প্রায় 3 হাজার 900 কোটি বৃক্ষ রয়েছে। পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের কুড়ি শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজনের জঙ্গলে। সে কারণে এই জঙ্গলকে পৃথিবীর ফুসফুসও বলা হয়। পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম এই আমাজন বন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার (GOa) সমুদ্রের উপর ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌ সেনার মিগ২৯-কে যুদ্ধ বিমানটি (MiG 29K Fighter Jet Crash)। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিমানচালক। জানা গিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে ভেঙে পড়ার মুহূর্তে বিমান থেকে বেরতে সক্ষম হয়েছেন সেই পাইলট। দুর্ঘটনার পরই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নৌ সেনা (Indian Navy)।

    আরও পড়ুন: এনসিবি, এটিএসের বড় সাফল্য, প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার

    নৌ সেনার তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, গোয়ার সমুদ্রের উপর দিয়ে একটি মিগ ২৯-কে নিয়মিত যাত্রা করছিল। তখন বিমানটি নৌ সেনা ঘাঁটিতে ফিরে আসার সময় তাতে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে এটি ভেঙে পড়ে। পাইলট নিরাপদে বের হয়ে গেছে এবং দ্রুত SAR অপারেশনে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাইলটের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। বোর্ড অফ এনকোয়ারি-এর তরফে এই ঘটনার কারণ তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৌ সেনা সূত্রে খবর, বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মিগ২৯-কে একটি অত্যাধুনিক, এয়ার ডমিনেন্স ফাইটার ও সবরকম আবহাওয়াতেই চলতে পারে, এমন একটি যুদ্ধ বিমান। এর সর্বোচ্চ গতি শব্দের গতির দ্বিগুণেরও বেশি। আর এটি ৬৫০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে। তবে আজ ফাইটার জেটে কিছু যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০২০ সালে, মিগ২৯-কে আরব সাগরের উপর যাওয়ার সময় হঠাৎ ভেঙে পড়ায় নিশান্ত সিং নামে এক ভারতীয় নৌ সেনার পাইলট মারা যান। এই ঘটনার আগে, ২০১৯ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯ নভেম্বর, দুটি মিগ২৯ ভেঙে পড়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। আবার ২০১৮ সালেও একটি ভারতীয় মিগ২৯-কে মাঝ পথে ভেঙে পড়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubarata Mandal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যার কোম্পানিকে নোটিস! সংস্থার যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই

    Anubarata Mandal: অনুব্রত কন্যা সুকন্যার কোম্পানিকে নোটিস! সংস্থার যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখবে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কাটতে না কাটতেই গরু পাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) তদন্তে আরও গতি আনল সিবিআই (CBI)। আয়-ব্যয়ের হিসেব চেয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নোটিস পাঠাল ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) মেয়ে সুকন্যার নামে থাকা সংস্থাকে। সূত্রের খবর, ANM অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সংস্থার উপর নজর রয়েছে সিবিআইয়ের। তাই ওই সংস্থার আধিকারিকদের যাবতীয় নথি সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে জমা দিতে বলা হয়েছে। আসলে ওই কোম্পানির ডিরেক্টর অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল এবং বিদ্যুৎবরণ গায়েন। গরুপাচার মামলায় দু’জনেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার র‌্যাডারে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    গরু পাচার মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। আপাতত তিনি জেলে। তবে গোয়েন্দাদের ধারণা, এই বৃহত্তর দুর্নীতির সঙ্গে শুধু অনুব্রত নন, তাঁর ঘনিষ্ঠরা ওতপ্রতোভাবে জড়িয়ে। গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলের বেনামি অর্থ বিভিন্ন সংস্থায় খাটানো হয়েছে বলে ধারণা সিবিআইয়ের। সেই কারণেই ANM অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডের আধিকারিকদের ১৬০ ধারায় নোটিস দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। মূলত সাক্ষী হিসেবে তাঁদের তলব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    উল্লেখ্য, এই সংস্থার নামে অতীতে একাধিক সম্পত্তি কেনা হয়েছে। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মূলত ভয় দেখিয়ে, চাপ দিয়ে বাজার মূল্যের থেকে অনেক কম দামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সম্পত্তি কেনার জন্য এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সোর্স জানতে চায় সিবিআই। এই সংস্থার দু’জন ডিরেক্টর। একজন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। অন্যজন বিদ্যুৎবরণ। যিনি তৃণমূল নেতার খুবই ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, নথি হাতে পাওয়ার পর সুকন্যা ও বিদ্যুৎবরণকে আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন সিবিআই অফিসাররা। উল্লেখ্য, এর আগেও সুকন্যাকে জেরা করতে সিবিআইয়ের দল হাজির হয়েছিল বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে। নানা বাহানায় সুকন্যা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাই এখন দেখার, নোটিস পাওয়ার পর তিনি কী করেন?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DY Chandrachud: ছেলেকে অন্যায় ‘সুবিধা’ পাইয়ে দিতেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়! অভিযোগ খারিজ বার কাউন্সিলের

    DY Chandrachud: ছেলেকে অন্যায় ‘সুবিধা’ পাইয়ে দিতেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়! অভিযোগ খারিজ বার কাউন্সিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার লাইনে রয়েছেন তিনি। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে তিনিই প্রবীণতম বিচারপতি। রীতি ও প্রথা অনুযায়ী তিনিই হতে পারেন দেশের ৫০তম প্রধান বিচারপতি। সেই ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) বিরুদ্ধে উঠল অভিযোগ। রশিদ খান পাঠান নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, চন্দ্রচূড় অবৈধভাবে তাঁর ছেলের ক্লায়েন্টকে অন্যায়ভাবে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিলেন। যদিও পাঠানের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া।

    একটি চিঠিতে সুপ্রিম কোর্ট অ্যান্ড হাইকোর্ট লিটিগেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, বিচারপতি চন্দ্রচূড় কয়েকটি অর্ডার পাশ করেছিলেন, যেখানে তাঁর ছেলে অভিনব চন্দ্রচূড় বম্বে হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে সওয়াল করেছিলেন। পাঠানের দাবি, পরিবেশ প্রতিকূল আঁচ করে এবং তাঁদের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে বুঝতে পেরে অ্যাডভোকেট অভিনব চন্দ্রচূ়ড় ও ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud) সহ অন্য অভিযুক্তরা অন্যান্য পিটিশনকারী ও হাইকোর্টের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আরও একটি পরিকল্পনা করেছিল।

    অভিযোগপত্রে সুপ্রিম কোর্টের বিচাপতি চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud)  বিরুদ্ধে অভিযোগ, যে মামলায় তাঁর ছেলে কোনও এক মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করছেন, সেই মামলা থেকে চন্দ্রচূড়কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বার্থের সংঘাত হওয়া সত্ত্বেও তিনি ওই মামলা শুনেছেন এবং ছেলের ক্লায়েন্টকে সুবিধা পাইয়ে দিতে অর্ডার পাশ করেছেন। এটি ভারতীয় পিনাল কোডের ১৬৬, ২১৯, ৪০৯, ১২০ (বি), ৩৪ এবং ৫২ নম্বর ধারার পরিপন্থী। অভিযোগকারী রশিদ খান পাঠান দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতকে দেশের পরবর্তী বিচারপতি হিসেবে চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নাম প্রস্তাব না করতেও অনুরোধ করেছেন।

    আরও পড়ুন : “স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া স্বামীর কর্তব্য…”, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    তবে রশিদ খান পাঠানের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বার অ্যান্ড বেঞ্চ। তাদের দাবি, বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ মিথ্যে। বিবৃতি জারি করে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াও জানিয়েছে, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যে। তাদের পাল্টা অভিযোগ, কিছু লোক নিজস্ব স্বার্থ চরিতার্থ করতে এসব করছে। ঘটনাটিকে বিচারব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের  কুৎসিত প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে তারা। এই জাতীয় প্রবণতা দেশের পক্ষে খুবই উদ্বেগের। এবং একে যেনতেন প্রকারে বন্ধ করতে হবে বলেও জানিয়েছে বার কাউন্সিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Uttarkashi Uttarakhand: উত্তরকাশীতে ভূমি ধসে মৃত্যু মিছিল! মিলল আরও পাঁচজনের দেহ

    Uttarkashi Uttarakhand: উত্তরকাশীতে ভূমি ধসে মৃত্যু মিছিল! মিলল আরও পাঁচজনের দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবমীর দিনে উত্তর কাশীতে তুষার ধসের (Uttarkashi Avalanche) ঘটনায় মৃত আরও পাঁচজনের দেহ উদ্ধার করা হল (Five More Bodies Discovered)৷ আবহাওয়া খারাপ থাকায় উদ্ধার কাজে সময় লাগছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এই পাঁচটি দেহ মতলির (Matli) আইটিবিপি ক্য়াম্পে (ITBP Camp) নিয়ে আসা হয় ৷ এর আগে ২৬টি দেহ মিলেছিল।

    আরও পড়ুন: যদি আমরা ১০ সেকেন্ড সময়ও পেতাম, আমরা আরও জীবন বাঁচাতে পারতাম…   

    গত মঙ্গলবার, প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ‘দ্বিতীয় দ্রৌপদী কা দন্ড’ শিখরে আছড়ে পড়ে ওই তুষারধস। নেহরু ইনস্টিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং-র ৬১ জন শিক্ষানবিশের একটি দল তখন তাঁদের ক্যাম্পে ফিরছিলেন। বিপর্যয়ের ধাক্কায় ৩৪ জন শিক্ষানবিশ ও তাঁদের ৭ প্রশিক্ষক আটকে পড়েন বলে ইনস্টিটিউটের তরফে জানানো হয়েছিল। বিপর্যয়ের মধ্যেই তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা, সেনা ও আইটিবিপির সদস্যরা। 

    আরও পড়ুন: “কোমর্বিডিটি থাকলে…”, চারধাম পুণ্যার্থীদের বিশেষ পরামর্শ উত্তরাখণ্ড প্রশাসনের

    উত্তর কাশীর জেলাশাসক অভিষেক রুহেলা জানিয়েছেন, সামিট ক্যাম্প ও তার আশপাশেই দেহগুলি খুঁজে পান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ৷ তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁদের কাছে খবর রয়েছে ৷ কিন্তু, সেই ব্যক্তির দেহ এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি ৷ এছাড়াও তুষার ধসের পর থেকে আরও দু’জনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না ৷ গত ৪ অক্টোবর থেকে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হলেও এখনও তা চলছে ৷ জেলাশাসক জানিয়েছেন, তুষার ধসের পরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নতুন করে তুষারপাত হয় ৷ ফলে দুর্গতরা সকলেই বরফের চাদরে ঢাকা পড়ে যান ৷ উপরন্তু, গত কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া অনুকূলে নেই ৷ অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। যখনই আবহাওয়া অনুকূলে এসেছে তখনই উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে। এখনও দুই পর্বতারোহীর জীবিত থাকার আশা ছাড়তে নারাজ উদ্ধারকারীরা ৷ নিখোঁজদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা ৷ পাশাপাশি, আরও একটি মৃতদেহের খোঁজও চালাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ৷ দ্রুত এই অভিযান সম্পন্ন হবে বলে জানান জেলাশাসক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন শতাব্দী?

    Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন শতাব্দী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ার জন্যে চার্জশিটে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy as Witness) নাম উল্লেখ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। গত শুক্রবারই অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে আসানসোল আদালতে ৩৫ পাতার চার্জশিট জমা দিয়েছে  সিবিআই৷ জানা গিয়েছে, সাক্ষী হিসেবে ওই চার্জশিটে মোট ৯৫ জন সাক্ষীর নাম উল্লেখ রয়েছে। তার মধ্যে ৪৬ নম্বরে নাম রয়েছে তারকা সাংসদের। চার্জশিট জমা করার একেবারে শেষ মুহূর্তে অর্থাৎ ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁর বক্তব্য নথিভূক্ত করা হয়। ১৬০ নং ধারায় শতাব্দীকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ১৬১ নং ধারায় তৃণমূল সাংসদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। তার পরই চার্জশিটে সাক্ষী হিসাবে শতাব্দীর নাম রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি সাংসদ। 

    প্রসঙ্গত, বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে বীরভূম তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পর্কের তিক্ততা কারও অজানা নয়। যদিও, অনুব্রত মণ্ডলকে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) সিবিআই গ্রেফতার করার পর, অনুব্রত মণ্ডলের সমর্থনে কথা বলেছিলেন শতাব্দী ৷ শতাব্দী রায় ছাড়াও চার্জশিটে মলয় পিঠের নামও উল্লেখ করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা ৷ এছাড়া ব্যাংক ম্যানেজার ও ব্যাংক কর্মীদের নামও সাক্ষী তালিকায় রয়েছে ৷

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার  

    এবার প্রশ্ন উঠছে, যে শতাব্দী অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ার পর, তাঁর হয়ে সওয়াল করেছিলেন, সেই শতাব্দীই নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেবেন? এই বিষয়ে অনুব্রতর আইনজীবীরা বলছেন, “চার্জশিটে যে কাউকেই সাক্ষী করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু বিচারকের সামনে ওই সাক্ষী কী বলছেন, সেটাই বড় কথা।” শতাব্দী এজলাসে দাঁড়িয়ে কী বলেন, এবার সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। 

    গরুপাচার মামলার তদন্তে নেমে বহু টাকা লেনদেনের তথ্য হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। চার্জশিটে ১৮ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ফিক্সড ডিপোজিট অনুব্রতের পরিবারের বলে দাবি করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। ব্যাংকে লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যে সিজার লিস্টে যে সকল ব্যাংক ম্যানেজার ও কর্মী সই করেছিলেন, তাঁদের নাম সাক্ষী হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mominpur-Ekbalpur Clash: উত্তপ্ত মোমিনপুর! বাইক ভাঙচুর, দোকানে আগুন, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বিজেপির

    Mominpur-Ekbalpur Clash: উত্তপ্ত মোমিনপুর! বাইক ভাঙচুর, দোকানে আগুন, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (Mominpur Violence) কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই ভাঙচুর চালানো হয় ইকবালপুর থানা এলাকায়। রাতে এই নিয়ে ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতারা (BJP Leaders)। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), তরুণজ্যোতি তিওয়ারিরা ধিক্কার জানিয়েছেন। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার খিদিরপুর এলাকায় যাবে বিজেপির প্রতিনিধি দল। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও চিঠি লিখেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যত শীঘ্র সম্ভব কলকাতার মোমিনপুর, ইকবালপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন রাত থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। একটি বিশেষ ধর্মের পতাকা লাগানো হয় ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে। কিন্তু ওই বাড়ির আবাসিকরা সেই পতাকা খুলে দেন। তাঁদের কথায়, ওই পতাকা তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে। । কিন্তু এর জেরে শুরু হয় হিংসা। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মোমিনপুরের ইকবালপুর থানা এলাকায়। এরপর রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী একের পর এক মোটরবাইক এবং দোকান ও রাস্তার পাশে থাকা গুমটিতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসায়। ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। 

    ট্যুইটবার্তায় সুকান্ত মজুমদার জানান, ‘মোমিনপুর-খিদিরপুরের পরিস্থিতি জানতে পেরে খুবই চিন্তিত। সেখানকার পরিবারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি আবেদন জানাচ্ছি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার কখন পদক্ষেপ করবেন এই নিয়ে?’এই ঘটনায় দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hindi as official language: শিক্ষাদান, সরকারি কাজের ভাষা হোক হিন্দি, প্রস্তাব সংসদীয় কমিটির

    Hindi as official language: শিক্ষাদান, সরকারি কাজের ভাষা হোক হিন্দি, প্রস্তাব সংসদীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহর নেতৃত্বাধীন সরকারি ভাষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি (Parliament Panel) সম্প্রতি সুপারিশ করেছে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় বা আইআইটি, এমনকী হিন্দিভাষী রাজ্যের হাই কোর্ট, সর্বত্র ইংরাজির বদলে হিন্দি (Hindi as official language) ভাষা ব্যবহার করা হোক। এমনকী রাষ্ট্রসংঘেও হিন্দিকে ভারতের সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব দিয়েছে এই কমিটি। 

    এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কমিটির ওই রিপোর্ট ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রসংঘে ভারতের সরকারি ভাষা হোক হিন্দি (Hindi as official language)। আবার সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় থেকে আইআইটি ও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে শিক্ষাদানের ভাষাও হিন্দিই হোক। পাশাপাশি হিন্দিভাষী রাজ্যগুলিতে হাই কোর্টের কাজের ভাষাও করা হোক হিন্দিকে। এছাড়াও সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক ইংরাজির জায়গায় এবার থেকে হিন্দি রাখতে হবে। 

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার 

    শিক্ষার ক্ষেত্রে কমিটির বক্তব্য, “শিক্ষাদানের ভাষা হিন্দি (Hindi as official language) হওয়াই উচিৎ। ইংরেজির ভাষা ঐচ্ছিক হতে পারে। প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রেও একই নীতি।” সরকারি কর্মী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে হিন্দির জ্ঞান অন্যতম মাপকাঠি যেন হয়, সে দিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

    সংসদীয় কমিটির প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, যে সব সরকারি আধিকারিকরা ইচ্ছাকৃত ভাবে হিন্দিতে (Hindi as official language) কাজকর্ম এড়িয়ে যান, তাঁদের থেকে ব্যাখ্যা চাইতে হবে। সন্তোষজনক উত্তর না পেলে বার্ষিক পারফরম্যান্স রিপোর্টে সেটার উল্লেখ করতে হবে বলেও কমিটির প্রস্তাবে বলা হয়েছে। গত মাসেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে এই রিপোর্ট জমা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    কমিটির আরও প্রস্তাব, সরকারি বিজ্ঞাপনে ৫০ শতাংশেরও বেশি হোক হিন্দি (Hindi as official language) বিজ্ঞাপন। পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাতে বিজ্ঞাপনেও জোর দেওয়ার কথাও সুপারিশ করা হয়েছে রিপোর্টে। প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, হিন্দি ভাষায় বিশেষ পারদর্শিতা থাকা প্রয়োজন এমন কোনও সরকারি পদ যদি তিন বছরের বেশি সময় ধরে শূন্য হয়ে থাকলে, সেই সংস্থার প্রধানকে দায়ী করা হবে। এবং তাঁর বার্ষিক পারফরম্যান্স রিপোর্টেও বিষয়টির উল্লেখ থাকতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    TET Scam: মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ‘আরকে’, ‘ডিডি’,  রহস্যের আড়ালে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের ফোনে রহস্যজনক দুই নাম। দুটি নামই সংক্ষেপে। একটি আরকে (RK), অন্যটি ডিডি (DD)। এই দুই রহস্যজনক ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার চ্যাট হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। প্রশ্ন হল, কে এই আরকে? ডিডি-ই বা কে?

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্য। অভিযোগ, টেটে সাদা খাতা জমা দেওয়া সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়েছে অযোগ্যদের। নিয়ম মেনে প্রকাশ করা হয়নি মেধাতালিকাও। টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা সত্ত্বেও সকলের নম্বর বাড়ানো হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে মানিককে। স্বজনপোষণের অভিযোগও উঠেছে মানিকের বিরুদ্ধে।

    টেট কেলেঙ্কারিতে (TET Scam) মানিককে গ্রেফতার করার পর তাঁর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই মোবাইল ঘাঁটতেই বেরিয়ে এসেছে রহস্যজনক দুই নাম। আরকে এবং ডিডি। এই দুজনের সঙ্গেই চ্যাট করেছেন মানিক। একটি চ্যাটে এও বলা হয়েছে, ফাইনাল লিস্ট তৈরি করে ডিডিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা ইডি দেখেও নিয়েছে। এখানেই ঘনিয়েছে রহস্য। তদন্তকারীদের প্রশ্ন, এই যে আরকে কিংবা ডিডি নতুবা ইডি এঁরা কে? এঁরা কি পার্টির কেউ নাকি শিক্ষা দফতরের কর্তা? যদি দলের কেউ হন, তাহলে তিনি কে? শিক্ষা দফতরের হলেও, প্রশ্ন এঁরা কে?

    আরও পড়ুন : মঙ্গলবার ভোর রাতে গ্রেফতার মানিক ভট্টাচার্য! টেট দুর্নীতির তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ইডির

    মানিক যে টাকা নিয়েছিলেন, সে অভিযোগ সংক্রান্ত মেসেজ আগেই পেয়েছে ইডি। চার্জশিটে তারা উল্লেখ করেছিল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইল ঘেঁটে একটি মেসেজ পেয়েছে তারা। ওই মেসেজে পার্থকে কেউ বলছেন, মানিক ইজ টেকিং মানি, যা তা ভাবে। অন্য একটি মেসেজে লেখা হয়েছিল, আবারও টাকা নিয়ে করবে, আবার কেস হবে, আবার পার্টি খাস্তা হবে। প্লিজ, এটা দেখুন, লাভ। সেই মেসেজ মানিককেই ফরওয়ার্ড করেছিলেন পার্থ। যদিও মানিকের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি পার্থ। অথচ ওই সময় পার্থ ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আর মানিক ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান। কোনও এক ব্যক্তির সতর্কতা সত্ত্বেও পার্থ কেন মানিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেননি, সে প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share