Blog

  • Ekbalpur_Mominpur: মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ! যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন মোমিনপুরের বাসিন্দারা

    Ekbalpur_Mominpur: মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ! যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন মোমিনপুরের বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  থমথমে একবালপুর-মোমিনপুর অঞ্চল (Mominpore)। আতঙ্কে নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে গিয়েছেন বহু মানুষ। এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী। জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এরই মধ্যে নিজেদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরলেন ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা। ভয়ে এখনও কথা জড়িয়ে যাচ্ছে তাঁদের। কেউ বা লন্ডভন্ড দোকানে বসে যেটুকু রক্ষা পেয়েছে তা বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। কেউ ভাবছেন ভাঙা বাইক, পানের দোকানটা কীভাবে মেরামত করবেন। আতঙ্কে বাড়ির এক কোণে পরিবারের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন মহিলারা। বাড়িতে ঢুকে ঢুকে মহিলাদের হাত ধরে টানার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, জানলা দিয়ে ঘরের মধ্যে বোমা ছোড়া হয়েছে, পুড়ে গিয়েছে সমস্ত জিনিস। দমকল থেকে পুলিশ কেউ ঘটনাস্থলে আসেনি। ঘটনার ৪ ঘণ্টা পরে ইকবালপুর থানার পুলিশ ঘটলাস্থলে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন আক্রান্তেরা।

    উল্লেখ্য, শনিবার রাত থেকে দফায় দফায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে একবালপুর-মোমিনপুর অঞ্চল। ময়ূরভঞ্জ রোডে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জেরে বোতল ছোড়াছুড়ি-ইটবৃষ্টি হয়। অভিযোগ করা হয় বোমাবাজিরও। শনিবার রাতের পর, রবিবার সন্ধ্যায় আবার উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। এরপরই, একবালপুর থানা ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। ঘটনায় কলকাতা পুলিশের দুই ডিসি-সহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় দু’পক্ষের ৩৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী (Police Force)। নামানো হয়েছে র‍্যাফ  (RAF)।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সেই ঘটনার পর একবালপুর থানা এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। সোমবার থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এলাকায় জারি থাকবে ১৪৪ ধারা। কেউ এলাকার শান্তি ভঙ্গ করলে তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukant Majumder) ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হলে পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় তাঁকে লালবাজার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মোমিনপুরকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা দাবি করেছেন সুকান্ত। তাঁর কথায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে খুব একটা দূরে নয় এই অঞ্চল। এখানেই মানুষের নিরাপত্তা নেই। জনজীবন ব্যাহত। স্তব্ধ দৈনন্দিন জীবনযাত্রা। তাহলে রাজ্যের অন্যত্র কী পরিস্থিতি?

  • Kerala’s vegetarian crocodile died: কেরালার পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের নিরামিষভোজী কুমিরের মৃত্যু

    Kerala’s vegetarian crocodile died: কেরালার পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের নিরামিষভোজী কুমিরের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমির মানেই আমাদের কাছে তা হিংস্র জীব। আর কুমিরকে ভয় পান না এমন বীরপুরুষ হাতেগোনা। কিন্তু সেই কুমীরই যদি নিরামিষাশী হয় আর মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে বেঁচে থাকে। বিশেষ করে পুরোহিত যদি তাঁকে নিজের হাতে প্রসাদ খাইয়ে দেন বা সকলের সামনে কুমিরটির চোয়ালে চুমু খান, সেক্ষেত্রে বিস্ময় তৈরি হতে বাধ্য।

    এমনই বিস্ময়কর ঘটনার নিত্যদিন সাক্ষী থেকেছেন কেরলের পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের দর্শনার্থীরা। মন্দিরের পূজারীর থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শনার্থীরা ঈশ্বর রুপে দেখেন এই কুমিরটিকে।কেরলের এই পদ্মনাভস্বামী মন্দিরে বিষ্ণু পূজিত হন। মন্দিরের পুরোহিতদের দাবি এই কুমিরটি স্বয়ং ভগবান বিষ্ণুর অবতার তাই সে মন্দিরের প্রসাদান্নে তুষ্ট থাকত।

    বাবিয়া নামে এই কুমিরটি গতকাল রবিবার মারা গিয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ৭৫ বছর বয়সী এই কুমিরটি বেশ কিছু দিন ধরে ভালো করে খেতে পারত না। রবিবার মন্দিরের কাছে পুকুর থেকে কুমিরটির মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। কুমিরটির মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে মন্দিরে।

    [tw]


    [/tw] 

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরে হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ, ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের সঙ্গে বৈঠক জয়শঙ্করের 

    মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, কবে ওই কুমিরটি মন্দির চত্বরের পুকুরে এসেছিল, বা কে নামকরণ করেছিল তার, সে বিষয়ে কেউই জানেন না। পূজারীদের মতে, ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মন্দিরে বাস করছিল কুমিরটি। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, বাবিয়া খুবই নিরীহ ছিল। প্রত্যহ তাঁর সাথে পুকুরে নেমে দু’বার স্নান করতেন প্রধান পুরোহিত। প্রসাদান্নের থালা হাতে মন্দিরের লাগোয়া পুকুর ঘাটে নেমে নিজে হাতে বাবিয়াকে ভাত খাওয়াতেন তিনি।

    তবে, কুমির বিশেষজ্ঞ অনির্বাণ চৌধুরী বলেছিলেন, ‘‘বিষয়টি কিছুটা হলেও অস্বাভাবিক। যে কুমিরটিকে নিরামিষাশী বলে বর্ণনা করা হচ্ছে, সেটি আসলে মিষ্টি জলের কুমির (মগর)। মাছ এদের স্বাভাবিক খাদ্য। তবে হরিণ, বন্য শূকরের মতো প্রাণীর মাংসও খায় এরা।’’তবে অনির্বাণের কথায়, ‘‘কুমিরের বেঁচে থাকার তাগিদ অন্যান্য জীবজন্তুর থেকে অনেক বেশি। এরা যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে। তবে বিকল্প থাকলে এরা সব সময় স্বাভাবিক খাবার বেছে নেয়। সে ক্ষেত্রে মাছ পেয়েও তা না খাওয়ার বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর যাওয়ার পথে গ্রেফতার করা হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP WB President Sukanta Majumdar) নিউটাউন থেকে মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গার্ড দিয়ে পথ আটকানো হয় সাংসদের। কেন এভাবে আটক করা হল তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। এরপরই সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে চিংড়িঘাটা থেকে লালবাজার, বিক্ষোভে সামিল বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (Mominpur Violence) কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই ভাঙচুর চালানো হয় ইকবালপুর থানা এলাকায়। রাতে এই নিয়ে ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতারা (BJP Leaders)।

    সোমবার সকালে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কিন্তু তাঁকে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। সুকান্ত প্রশ্ন তোলেন মোমিনপুরে ১৪৪ ধারা নেই। তাও বাধা কেন? কিন্তু পুলিশ কোনও কথাই না শুনে তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। সুকান্ত জানিয়েছেন, বিষয়টি আদালতে তুলবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় সাংসদ। চিংড়িঘাটায় পৌঁছতেই সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি আটক করে কলকাতা পুলিশ। শুরু হয়ে যায় যানজট। যানজটের সমস্যা মেটাতে পুলিশ অন্যান্য গাড়ি ছাড়লেও সুকান্তর গাড়ি রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ২০-২৫ মিনিট পরে গাড়ি থেকে  নেমে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁকে পুলিশ জানায়, মোমিনপুরে যেতে পারবেন না তিনি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি গেলে অশান্তি আরও বাড়বে। কোন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে সাংসদকে, পুলিশের তরফ থেকে তার কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। গ্রেফতার করে তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে সেখানে ভিড় করছেন বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন রাত থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। একটি বিশেষ ধর্মের পতাকা লাগানো হয় ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে। কিন্তু ওই বাড়ির আবাসিকরা সেই পতাকা খুলে দেন। তাঁদের কথায়, ওই পতাকা তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে। কিন্তু এর জেরে শুরু হয় হিংসা। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মোমিনপুরের ইকবালপুর থানা এলাকায়। এরপর রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী একের পর এক মোটরবাইক এবং দোকান ও রাস্তার পাশে থাকা গুমটিতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আজ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলতে সেই অঞ্চলে যাচ্ছিলেন সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WWE Wrestler died: মাত্র ৩০ বছরেই মৃত্যু প্রাক্তন ডব্লুডব্লুই চ্যাম্পিয়ন সারা লি-র

    WWE Wrestler died: মাত্র ৩০ বছরেই মৃত্যু প্রাক্তন ডব্লুডব্লুই চ্যাম্পিয়ন সারা লি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রীড়া বিনোদন জগতে নক্ষত্রপতন। মাত্র ৩০ বছর বয়সে মৃত্যু হল ওয়ার্ল্ড রেসলিং এন্টারটেইনমেন্ট (ডব্লুডব্লুই) এর প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন সারা লির। সারার মৃত্যুর খবর দেন তাঁর মা টেরি লি। ডব্লুডব্লুইর জগতে অত্যন্ত পরিচিত নাম সারার মৃত্যুতে শোকের ছায়া। সারা লির মা টেরি লি  সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে আপনাদের জানাতে চাই, আমাদের খুব প্রিয় সারা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। আমরা বেদনাহত। এই শোকের মুহূর্তে আমাদের পরিবারের পাশে থাকুন।

    কিন্তু ঠিক কী কারণে সারার মৃত্যু হল, তা জানা যায়নি। তাঁর কি অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হল? প্রশ্ন উঠছে।সারার মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে টুইট করেছে ডব্লুডব্লুইও।ডব্লুডব্লুই এর অফিসিয়্যাল সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন ‘সারা লির মৃত্যুর খবরে ডব্লুডব্লুই শোকাহত। ‘টাফ এনাফ’-এর প্রাক্তন বিজয়ী হিসেবে লি ক্রীড়া বিনোদন দুনিয়ার সবার কাছেই অনুপ্রেরণা। সারা, তোমার অভাব অনুভূত হবে।

    [tw]


    [/tw]

    ২০১৫-য় সারা জিতেছিলেন ডব্লুডব্লুই রিয়্যালিটি প্রতিযোগিতার সিরিজ ‘টাফ এনাফ’। এই প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করার পরেই সারার নাম ছড়িয়ে পড়ে। বাড়তে থাকে তাঁর ভক্তের সংখ্যা।আচমকা সারার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রীড়মহলে। সারা পরিচিত ছিলেন তাঁর অত্যন্ত হাসিখুশি মেজাজের কারণেও। অন্যের বিপদে সারাকে সব সময়ই পাশে পাওয়া যেত বলেও বলছেন তাঁর গুণমুগ্ধরা।

    আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপের পরেই অবসর নেবেন লিওনেল মেসি! কী বললেন তিনি?

    ২০১৫-য় সারা ‘টাফ এনাফ’-এর ষষ্ঠ সিজনে চ্যাম্পিয়ন হন। তার পরের বছর, ২০১৬-য় সারা কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলেন। অগস্টে ডাবলস ম্যাচেও নেমেছিলেন রিংয়ে। সঙ্গী ছিলেন লিভ মর্গান। তাঁদের মোকাবিলা ছিল আলিয়া ও বিলির বিরুদ্ধে।

    শুধু রিংয়েই নয়, সারার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজমাধ্যমের পাতায় পাতায়। তাঁর দেওয়া যে কোনও ভিডিয়ো ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ত চার দিকে। তা নিয়ে চলত আলোচনা, চর্চা। ২০১৭-এর ৩০ ডিসেম্বর বিয়ে করেন সারা। বিয়ে করেন অনেক দিনের সঙ্গী কুস্তিগির ওয়েস্টিন ব্লেক। দু’জনের তিনটি সন্তান আছে। 

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sara Lee (@saraann_lee)

    সারা নিজের সাম্প্রতিক সমাজমাধ্যম পোস্টটি করেছিলেন মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টা আগে। সেখানে সারা লিখেছিলেন, ‘শেষ পর্যন্ত স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করে পর পর দু’দিন জিমে ফিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। প্রথম সাইনাস সংক্রমণ আমার জীবনকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছিল।’

    [insta]

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Sara Lee (@saraann_lee)


    [/insta]

    জানা গিয়েছে, মিশিগানের আদি বাসিন্দা সারার সঙ্গে ‘টাফ এনাফ’ প্রতিযোগিতায় নামার জন্য ডব্লুডব্লুইর সঙ্গে আড়াই লক্ষ ডলারের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু পরের বছরই সেই চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে আসেন সারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • Kamal Haasan: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের

    Kamal Haasan: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জাতীয় পুরস্কার জয়ী দক্ষিনী অভিনেতা কমল হাসানের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক। দক্ষিণ ভারতের চোল রাজাদের আমলে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না বলে বিস্ফোরক দাবি করেন কমল হাসান। মণি রত্নমের (Mani Ratnam) ‘পোন্নিয়িন সেল্ভান ১’(Ponniyin Selvan) মুক্তি পেয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে। ঐশ্বর্যা রাই ও বিক্রম অভিনীত সে ছবি দর্শকের মন কাড়লেও ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলেছে দক্ষিনপন্থীরা। তামিল পরিচালক ভেত্রিমারানের দাবি, চোল সাম্রাজ্যের প্রথম রাজা প্রথম রাজ রাজ চোল হিন্দু রাজা ছিলেন না।ওই সময় ছিল বৈনাবরণ, শিভম এবং সামানাম। কিন্তু ব্রিটিশরা অজ্ঞতার কারণে হিন্দু প্রতিশব্দটি নিয়ে আসেন।খ্রিস্টীয় ৮ শতকের এক জন শাসককে হিন্দু বলা আদৌ যুক্তিযুক্ত কি না, প্রশ্ন তুলেছেন ভেত্রিমারান। এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় নয়া বিতর্ক। তামিল পরিচালক ভেত্রিমারানের (Vetrimaaran) যুক্তির সমর্থনে বলতে গিয়ে এই কথা বলেন কমল হাসান।

    [tw]


    [/tw]

    পোন্নিয়িন সেল্ভান ১ সিনেমাটির মূল গল্পটি আবর্তিত হয়েছে  চোল সাম্রাজ্য (Chola Empire) এবং সিংহাসন দখল ঘিরে। রাষ্ট্রকূটদের উপর চোল যুবরাজ আদিত্য কারিকলনের আক্রমণ দিয়ে গল্পের সূত্রপাত। যুদ্ধ শেষে যুবরাজ আদিত্য (বিক্রম) নিজের অন্যতম বিশ্বস্ত সেনাপতি ভান্থিয়াথেবন (কার্থি)-কে গুপ্তচর হিসাবে পাঠিয়ে দেন, চোল রাজ্যের উপর কাদের কুনজর রয়েছে তা খুঁজে বার করতে। সেখান থেকেই আস্তে আস্তে খুলতে থাকে ছবির জট। গল্পের মাঝে আসেন যুবরাজ আদিত্যের ভাই যুবরাজ পনিয়ন সেলভান (জয়ম রবি)। গল্প যত গড়ায় ততই বোঝা যায়, বাইরের শত্রুর থেকে ভিতরের শত্রুর সংখ্যা বেশি। চোল বংশ ছাড়া আরও কিছু দক্ষিণ ভারতীয় রাজবংশের উল্লেখ রয়েছে এই ছবিতে। তাদের অধিকাংশই চোলদের শত্রু। তবে চোলদের সব সময়েই হিন্দু শাসক হিসাবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে এ ছবিতে।

    এই ছবি দেখার পর জাতীয় পুরস্কার জয়ী তামিল পরিচালক ভেত্রিমারান আরও বলেন, ক্রমাগত আমাদের প্রতীকগুলি ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।ইতিমধ্যেই তিরুভালুভারে গৈরিকীকরণের চেষ্টা চালিয়েছে তাঁরা। এটা কখনই বরদাস্ত করা যায় না। সিনেমা এমন এক মাধ্যম যা সকলের কাছে তথ্য পৌঁছে দেয়। ঠিক হলে ঠিক, ভুল হলে ভুল। আর রাজনীতির কাজ কিন্তু ইতিহাস সুরক্ষিত করা, যেটা আমরা ভুলতে বসেছি। তাঁর এই বক্তব্যে খেপে ওঠেন বিজেপি নেতা এইচ রাজা। তিনি বলেন, ভেত্রিমারানের মতো ইতিহাসে দখল নেই আমার। তবু রাজ রাজের তৈরি দুটি চার্চ এবং দুটি মন্দিরের কথা আমি বলতে পারি। নিজেকে তিনি শিবপদ সেকারন নামে পরিচয় দিতেন। তিনি হিন্দু নন এর পরও? তা হলে ঠিক কী?”

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই অভিনেতা কমল হাসান বলেন চোলরাজ রাজ রাজ চোলের আমলে হিন্দু ধর্ম বলে কোনও ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না। বইনবম, শিবম এবং সমনাম এই তিন গোষ্ঠীকে এক ছাতার তলায় এনে পরবর্তীকালে হিন্দু বলে চিহ্নিত করেছিলেন ব্রিটিশেরা। তাঁরা জানতেন না কোনটার উচ্চারণ কি। যেমন থুথুকুন্ডিকে করেছিলেন তুতিকোরিন।

    আরও পড়ুন: মুক্তি পেয়েছে ‘আদিপুরুষ’- এর টিজার, মুগ্ধ দর্শক

    প্রসঙ্গত, খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০ শতাব্দীতে চোল রাজবংশের উত্থান দক্ষিণ ভারতের ইতিহাসে এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেবল রাজনৈতিক সংহতি নয়, শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশের ক্ষেত্রেও চোল রাজাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।আদি-মধ্যযুগে ভারতের রাজবংশগুলির মধ্যে চোল বংশ অন্যতম।চোল রাজবংশের প্রথম নথিভুক্ত উল্লেখ পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে লিখিত সম্রাট অশোকের শিলালিপিতে।  এই রাজবংশের শাসন খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। বিজয়ালয় (৮৫০-৮৭১ খ্রিঃ) ছিলেন চোল বংশের প্রথম রাজা। তিনি পল্লবরাজা নৃপতুঙ্গের অধীন সামন্ত নৃপতি ছিলেন। পল্লবরাজের হয়ে তিনি তাঞ্জোর অধিকার করেন। তাঁর পুত্র প্রথম আদিত্যও (৮৭১-৯০৭ খ্রিঃ) পাণ্ডাদের বিরুদ্ধে শ্রীপুরামবিয়ামের যুদ্ধে পল্লবরাজাকে সাহায্য করেন। পরিবর্তে পল্লবরাজ অপরাজিত বর্মন তাঞ্জোরের ওপর আদিত্যের অধিকার স্বীকার করে নেন। এইভাবে তিনি ক্ষুদ্র চোলরাজ্যের ভিত্তিপ্রস্তর হয়।

    চোলবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন প্রথম রাজরাজ চোল। তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় চোলরাজ্য সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছিল। ‘তাঞ্জোর লিপি’ থেকে তাঁর সামরিক কৃতিত্ব সম্পর্কে জানা যায়। তিনি শৈব ধর্মাবলম্বী  হলেও অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তাঞ্জোরের বিখ্যাত রাজরাজেশ্বর মন্দির (Raj Rajeshwara Temple) তারই কীর্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Arun Bali dies on Myasthenia Gravis disease :মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস নামক বিরল রোগের আক্রান্তে মারা গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুন বালি

    Arun Bali dies on Myasthenia Gravis disease :মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস নামক বিরল রোগের আক্রান্তে মারা গেলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুন বালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন ৭৯ বয়সী অভিনেতা অরুন বালি। মুম্বইয়ে তাঁর নিজের বাসভবনে মারা গেলেন তিনি।তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত অনুগামী সহ বলিউড মহল। আজ মুক্তি পেল তাঁর শেষ ছবি ‘গুডবাই’ (Goodbye)।এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। জনপ্রিয় সিরিয়াল স্বাভিমানে কুনওয়ার সিং চরিত্রের জন্য বিশেষ পরিচিতি লাভ করে এছাড়াও বলিউডের ব্লকবাস্টার হিট ছবি থ্রি ইডিয়টসে (3 idiots) অভিনয় করেছেন। এছাড়াও কেদারনাথ, পিকে, পানিপথের মতো বিখ্যাত সিনেমাতে কাজ করেছেন। এই বছরের শুরুতেই অভিনেতা মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস (Myasthenia gravis) নামক এক বিরল নিউরোমাসকুলার রোগে ভুগছিলেন। তাঁর ছেলে অঙ্কুশ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তার বাবার দুই তিন দিন ধরে মুড স্যুইং (Mood Swing) করছিল।

    নিউরোমাসকুলার ডিজিজ মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস রোগটি আসলে কি?

    এক জনপ্রিয় জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতি বছর সারা পৃথিবীতে প্রায় ৭ লক্ষেরও বেশী মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এই রোগে শরীরের পেশী দূর্বল হয়ে আসে তবে এটি পেশীর রোগ নয়। এই রোগে স্নায়ুর সঙ্গে পেশীর সংযোগস্থাপনে সমস্যা দেখা যায়। ফলে মস্তিকের নির্দেশ পেশী অবধি পৌঁছতে পারে না।

    আরও পড়ুন: চোল রাজত্বকালে হিন্দু ধর্মের অস্তিত্ব ছিল না, দাবি অভিনেতা কমল হাসানের 

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিসের লক্ষণ:

    • দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা ডবল ডবল দেখতে পাওয়া।
    • পেশীতে দূর্বলতা
    • হাত পা অবশ হয়ে আসা
    • ঘাড় ব্যথা
    • শ্বাসকষ্ট
    • রোগীর শারীরিক স্থিতি যখন তখন বদলে যেতে পারে। দিনের শুরুতে ভালো থাকলেও কাজ শুরু করার পর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হতে পারে।

    কাদের মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি?

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই প্রভাবিত করে। যদিও অল্পবয়সী প্রাপ্তবয়স্ক মহিলারা (40 বছরের কম) এবং বয়স্ক পুরুষদের (60 বছরের বেশি) এই রোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, এটি শৈশব সহ যে কোনও বয়সে হতে পারে। মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস জিনগত নয় বা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস কি নিরাময় করা যায়?

    মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিসের কোনো নিরাময় নেই, তবে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর লক্ষণ ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Digital Rupee of RBI: ডিজিটাল রুপি কী?  আরবিআই-এর প্রস্তাবিত ডিজিটাল রুপি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য

    Digital Rupee of RBI: ডিজিটাল রুপি কী?  আরবিআই-এর প্রস্তাবিত ডিজিটাল রুপি সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র যে ডিজিটাল কারেন্সি (Digital Currency) আনতে চলেছে,২০২২-২৩ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) কথায় তা আরও স্পষ্ট হয়েছিল। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছিলেন, ‘ডিজিটাল রুপি’ (Digital Rupee) নামে এক ডিজিটাল মুদ্রা   জারি করবে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI)।

    অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেশের মানুষ দিন গুনছিল রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের ডিজিটাল মুদ্রা (Digital Currency) আসার অপেক্ষায়।

    শুক্রবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই পরীক্ষামূলক ভাবে (পাইলট প্রকল্প) ‘ই-রুপি’(E rupee) চালু করতে চলেছে তারা। বিষয়টি নিয়ে একটি খসড়া পত্র প্রকাশ করে তাদের দাবি, প্রাথমিক ভাবে শুধু বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ওই মুদ্রা ব্যবহার করা যাবে। তবে লক্ষ্য, এর হাত ধরে আগামী দিনে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ এবং সুরক্ষিত করে গড়ে তোলা। সেই সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা আটকানো। আর বি আই আরও জানিয়েছেন, ভারতের ডিজিটাল মুদ্রাকে বলা হবে ‘ই- রুপি’ বা ‘e₹’। আর্থিক লেনদেনের কোনও পদ্ধতিকে বদলে বা বিকল্প হিসাবে নয়, লেনদেনের অপর একটি পদ্ধতি হিসাবে আনা হবে এই ডিজিটাল মুদ্রা। দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে (Digital Economy) আরও মজবুত করবে এই ডিজিটাল মুদ্রা।

    ডিজিটাল রুপি কি?

    আইবিআইয়ের তরফে জারি করা এই ডিজিটাল রুপি মূলত ভারতের সরকারি মুদ্রার এক ডিজিটাল টোকেন হিসেবে ব্যবহৃত হবে। আরবিআই (RBI) এই ডিজিটাল মুদ্রা ইস্যু করবে ও যাবতীয় ব্যবস্থাপনা করবে। ২০২২ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছিলেন, ব্লক চেন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলবে আরবিআইয়ের ডিজিটাল রুপি। তবে, আরবিআই কীভাবে ডিজিটাল রুপি বাস্তবায়ন করতে চলেছে এবং এটি কী ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করতে চলেছে তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

    [tw]


    [/tw]

    নির্মলা স্পষ্ট বলেছিলেন, নেট মাধ্যমে ব্যবহৃত ক্রিপ্টোকারেন্সি ভারতে ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে গণ্য হবে না। ওই তকমা পাবে শুধু সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি (সিবিডিসি)। ভবিষ্যতে যা আনার দায়িত্ব রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের।আরবিআই এ দিন খসড়া পত্রে জানিয়েছে, বর্তমান অর্থ ব্যবস্থায় চালু থাকা সাধারণ মুদ্রার বিকল্প আনা তাদের উদ্দেশ্য নয়। বরং ডিজিটাল টাকাকে সাধারণ নোটের পরিপূরক করে তোলার চেষ্টা চলছে। যাতে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যায়। যার সুবিধা নিতে পারবে সকলে।

    আরও পড়ুন: ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাংক, কত হল জানেন?

    ভারতে যখন প্রাইভেট ক্রিপ্টোকারেন্সি নিষিদ্ধ করা নিয়ে তুমুল জল্পনা ছড়িয়েছে, ঠিক সেই সময়েই আরবিআই বাজারে নিয়ে আসছে নতুন এই ডিজিটাল মুদ্রা । যদিও ক্রিপ্টোকারেন্সিগুলির উপর এখনই কোনও নিষেধাজ্ঞা আনেনি কেন্দ্র সরকার। তবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই ক্রিপ্টোর ট্রেডিং এবং এনএফটির মতো ভার্চুয়াল ডিজিটাল সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয়ের উপর ৩০ শতাংশ কর চাপানো হবে। আপাতভাবে সরকারের যা দৃষ্টিভঙ্গি, তাতে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত সরকার চায় মানুষ এই ক্রিপ্টোকারেন্সির বদলে স্বদেশি ডিজিটাল রুপি (Indigenous Digital Rupee) ব্যবহার করুক।

    অতীতে ক্রিপ্টো নিয়ে বার বার সাবধান করেছেন আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এই পরিস্থিতিতে ভারতের ই-রুপি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। একাংশের দাবি, এটা ভবিষ্যতে দেশে আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থার নকশাই বদলে দিতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    Chandrayaan 2 found Sodium On Moon: চাঁদে প্রথম সোডিয়ামের সন্ধান পেল চন্দ্রযান ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের (Moon) পৃষ্ঠে থাকা প্রচুর সোডিয়ামের (Sodium) সন্ধান পেল ভারতের চন্দ্রযান ২। ২০১৯ সাল থেকে চাঁদের চারপাশে ঘোরাফেরা করছে চন্দ্রযান ২। এই প্রথমবারের মতো চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ম্যাপ করেছে এটি। নতুন এই অনুসন্ধান চাঁদের উপরিভাগ-এক্সোস্ফিয়ারের (Exosphere) মিথস্ক্রিয়া গবেষণা আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বা ইসরো (ISRO) জানিয়েছে, চন্দ্রযান-২ অরবিটারের এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার (X-ray spectrometer) এই প্রথম চাঁদে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়ামের অনুসন্ধান করেছে। যদিও চন্দ্রযান-১-এর এক্স-রে ফ্লুরোসেন্স স্পেকট্রোমিটারের (C1XS) এক্স-রেতে এর সাহায্যে এর আগেও সোডিয়ামের উপস্থিতি চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে চন্দ্রযান-২-র লার্জ এরিয়া সফট এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার বা CLASS এর সাহায্যে সোডিয়ামের উপস্থিতি আরও ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: নাসার ধাক্কা মারা বিশাল গ্রহাণুটি ভেঙ্গে গিয়ে মহাকাশে ধুলোর সৃষ্টি করেছে 

    চাঁদের উপর ভেসে বেড়ানো ধূলিকণার মধ্যে সোডিয়ামের কিছু পরমাণুর উপস্থিতিকে লক্ষ্য করার পরই বৈজ্ঞানিকেরা চাঁদে সোডিয়ামের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন। সোডিয়াম পরমাণুগুলি সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির বিকিরণের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে সহজে বেরিয়ে আসছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

    আরও পড়ুন: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’ 

    তাঁরা আরও জানিয়েছেন, চন্দ্রযান-২ চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা সোডিয়ামের একটি বৈচিত্রও খুঁজে পেয়েছে,মহাকাশে পরমাণুর ক্রমাগত বেরিয়ে আসাকে ব্যাখ্যা করবে। এছাড়াও, যে অঞ্চলটিতে সোডিয়াম পাওয়া গিয়েছে সেটি চাঁদের বিশুদ্ধ বায়ুমণ্ডলে। এই অঞ্চলটি বায়ুর পরিমাণ এতটাই কম যে, সেখানে পরমাণুগুলি খুব কমই মিলিত হয়। ইসরো উল্লেখ করেছে, ‘এক্সোস্ফিয়ার’ নামে অভিহিত এই অঞ্চলটি চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে শুরু করে মহাকাশের কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

    [tw]


    [/tw] 

    চন্দ্রযান-২ এর আগে আবিষ্কার করেছিল যে চাঁদের আয়নোস্ফিয়ারের প্লাজমা ঘনত্ব (Plasma Density) রয়েছে। ২০১৯ সালের ২২ জুলাই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণ করেছিল ইসরো। ৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অরবিটার থেকে বিক্রমের ল্যান্ড করার কথা ছিল। কিন্তু অবতরণের শেষ ধাপে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল বিক্রম। হার্ড ল্যান্ডিং করেছিল বিক্রম। যদিও অরবিটারটি এখনও প্রদক্ষিণ করে চলেছে চাঁদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    Saigal Hossain: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চার ঘণ্টা জেরার পর গরুপাচার মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। এদিন সায়গলকে জেরা করতে আসানসোলের বিশেষ আদালতে যায় ইডি আধিকারিকদের এক দল। জেরা শেষে সংশোধনাগারেই তাঁকে গ্রেফতার করার সিদ্ধান্ত নেয় ইডি। জানা গিয়েছে, আজই সায়গলকে আদালতে পেশ করতে পারে ইডি। উল্লেখ্য আজই সিবিআই গরুপাচার মামলায় চার্জশিট পেশ করেছে। এবার সায়গলের গ্রেফতারে জোড়া চাপে কেষ্ট মণ্ডল (Anubrata Mondal)। 

    শুক্রবার গরুপাচার মামলায় সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) জেরা করতে ইডির ছয়জনের দল আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে যায়। সকাল ১০ টা ১৫ নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে পৌঁছন তাঁরা। ল্যাপটপ, ভিডিও ক্যামেরা-সহ তিনজন ভিতরে ঢোকেন। যেভাবে আদালতের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঠিক সেভাবেই ইডি আধিকারিকরা আসেন। ৩৫ টি প্রশ্নমালা সাজানো হয়েছিল সায়গলের জন্য। টানা চার ঘণ্টা চলে জেরা। তারপর সায়গলকে হেফাজতে নেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। মাত্র কয়েক হাজার টাকা বেতন পান রাজ্য পুলিশের কন্সটেবল সায়গল। এই আয়ে তিনি কী করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি করলেন তা সায়গলের কাছে জানতে চান গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, গোয়েন্দাদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাচ্ছিলেন সায়গল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এছাড়াও গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সায়গলের নামে ও বেনামে আরও সম্পত্তি উদ্ধার বাকি রয়েছে। এছাড়া গরুপাচারের টাকা কার কার কাছে পৌঁছত তাও সায়গলের থেকে জানতে চান তাঁরা। কিন্তু সঠিক উত্তর না পাওয়াতেই গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত। 

    গ্রেফতার হওয়ার ৫৭ দিন পর আজ অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। চার্জশিটে অনুব্রতকেই গরুপাচার (Cattle Smuggling) দুর্নীতির মূল কাণ্ডারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে বীরভূমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি, জমি ও চালকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে সেগুলি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তি বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। জানা গিয়েছে দেহরক্ষী সায়গলের (Saigal Hossain) মাধ্যমেই চলত গরুপাচারের কোটি কোটি টাকা লেনদেন। দুর্নীতি দমন আইনে পেশ করা এই চার্জশিটে অনুব্রতর ৫৩টি সম্পত্তির দলিল, ১৮ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট-সহ একাধিক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এদিন আদালতে অনুব্রতকে জেল হেফাজতে রেখেই বিচার প্রক্রিয়া চালানোর আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। তাঁদের কথায়, অনুব্রত মণ্ডল প্রভাবশালী, ফলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া তদন্তের জন্য সমস্যার হতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share